Home Blog Page 237

জামায়াতে যোগ দিলেন মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান

সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই ঘোষণা দেন।

সাক্ষাৎকালে মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শ, দেশপ্রেম এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটির অবিচল অবস্থানের প্রতি গভীর আস্থা ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি সংগঠনের প্রাথমিক সহযোগী সদস্য ফরম পূরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ, দেশের স্বার্থ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাকি জীবন অতিবাহিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিয়ম-নীতি, আদর্শ, দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের প্রতি অনুগত থাকার অঙ্গীকার করেন।

যোগদান শেষে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান আন্তরিকভাবে মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানকে আলিঙ্গন করেন এবং তাঁর দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করেন।

এই গুলি হাদীর উপরে না, এই গুলি ৩৬ এ বিপ্লবের উপর

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন আক্রমণ হিসেবে দেখছেন না সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির।

তিনি হামলার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “এই গুলি হাদীর উপরে না, এই গুলি ৩৬ এ বিপ্লবের উপর।”

ব্যারিস্টার কবিরের এই মন্তব্য ইঙ্গিত করে যে, এই হামলা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আক্রমণ নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর আদর্শিক বা রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি ইঙ্গিত করে।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পৃথক রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই বৈঠক হয়।

বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে অংশ নেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলে অংশ নেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।

বৈঠকে উপস্থিত দলগুলোর প্রতিনিধিরা সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ওসমানকে গুলি করা দুই শুটার কোথায় পালালো

শরিফ ওসমান বিন হাদি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিপ্লবী নায়ক। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী। দেশদুনিয়ায় জনপ্রিয় মুখ। হেফাজতে ইসলাম, পিলখানা, শাহবাগের ফ্যাসিবাদী এবং চব্বিশের গণহত্যার বিচারের দাবী নিয়ে রাজপথে লড়ে যাচ্ছেন। ভারত এবং আওয়ামী গুপ্ত সন্তাসীরা দীর্ঘদিন হত্যার টার্গেট করছে বলে একাধিক দিন জনসম্মুখে কর্মসূচীতে জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার সেই টার্গেট মিশনের শিকার হয়েছেন এই জুলাই যোদ্ধা। দুই যুবক সকাল থেকেই মাস্ক পড়ে হাদির সাথে প্রচারণায় অংশ নেন। হাদির গতিবিধি নজর রাখেন। এক পর্যায় দুপুর ২টা ২০ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডে রাজধানী বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় স্বল্প দূরত্বে গুলি চালান। গুলি করা চিহ্নিত দুই ব্যাক্তির বর্ণনা দিয়েছেন ওসমান হাদীর সঙ্গে থাকা দুই প্রত্যক্ষদর্শী ও তাঁর জনসংযোগ টিমের সদস্যরা। তাঁরা বলছেন, যিনি গুলি চালিয়েছেন তার তার চুল ছিলো কোকড়ানো। গায়ে কালো ব্লেজার, মুখে কালো মাস্ক, চোখে চশমা, পায়ে চামড়া রঙের জুতা। হাতে ছিলো সোনালী কালারের ঘড়ি। বয়স যুবকদের সারিতে পড়ে বলেই বলছেন তাঁরা। আর যিনি মটর সাইকেল চালিয়েছেন তার চুল ছিলো টেপার কাটিং। গায়ে নেভি ব্লু পাঞ্জাবি, গলায় খয়েরি রঙের প্রিন্টের চাদর, মুখে কালো মাস্ক, হাতে সাদা ঘড়ি। এবং পরণে আকাশি রঙের প্যান্ট ছিল।

হাদীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. রাফি জনককণ্ঠকে বলেন, দুপুরে মতিঝিল ওয়াপদা মাদ্রাসা (জামিআ দারুল উলুম মতিঝিল) এলাকায় হাদীর সাথেই মাস্ক পরা অবস্থায় দুই যবুক অংশ নিয়েছিলো। তাঁরা এসে জানায় হাদী ভাইকে তাঁরা ভালোবাসেন। তাই প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু আমরা তখনি ওই যুবকদের মুখের মাস্ক খুলতে বলি। তাঁরা তখন সমস্যা আছে বলে জানায়। একপর্যায়ে হাদী ভাইয়ের সাথে থেকে যখন লিফলেট বিতরণ করছিলো ওই সময় আমাদের প্রচার সেল ছবি তুলেছিলো। তখন মাস্ক পড়া একজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বলে আপনাদের বলছি না আমাদের সমস্যা আছে ছবি তুলবেন না। তখন থেকেই তাদের আমরা সন্দেহ করি। এবং গোপনে কিছু ছবি তুলে রাখি। মোটরসাইকেলে করে যখন দুই যুবক হাদী ভাইকে গুলি করে পালিয়ে যাচ্ছিলো তাঁরা প্রচারণায় অংশ নেওয়া সেই দুই যুবক বলেই রাফির দাবী। রাফি আরও বলেন জুমার নামাজ শেষে আমরা হাইকোর্টের দিকে আসছিলাম। রিকশায় ছিলাম। আমি তখন ভাইয়ের পেছনের রিকশায় ছিলাম।

প্রত্যক্ষদর্শী আরেকজন নাম প্রকাশে অনিশ্চুক হয়ে জনকণ্ঠকে বলেন, যেই ছেলেটার কোকড়ানো চুল ছিলো, মুখে মাস্ক-সেই ছেলেটাই মোটর সাইকেলের পেছনে ছিলো। ওই ছেলেটাই হাদী ভাইকে টার্গেট করে গুলি চালায়। আর অন্য ছেলেটি মোটর সাইকেল ড্রাইভ করেছেন। ইতিমধ্যে আমাদের হাতে থাকা ছবি ভিডিও এবং আশপাশের ভিডিও ফুটেজ প্রশাসনের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। যে দুই যুবক গুলি করেছেন তাদের মুখে মাস্ক পড়া থাকলেও তাদের শরীরের আবরণ, গঠন সব কিছু স্পষ্ট রয়েছেন। যাবতীয় সকল ধরণের ডকুমেন্ট আমরা পুলিশকে হস্তান্তর করেছি।

ওসমান হাদীর জনসংযোগ টিমে থাকা আরও তিনজন জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, হাদী ভাইকে হত্যার মিশনে অংশ নেওয়া দুই যুবকের যাবতীয় তথ্য দিতে আমরা মতিঝিল এবং শাহবাগ থানায় গিয়েছি। আমাদের হাতে থাকা ছবি, ভিডিও এবং আশপাশের বিল্ডিং থেকে সংগ্রহ করা সিসি টিভির ফুটেজ পুলিশকে দিয়ে এসেছি। আমাদের সাথে ডাকসুর নেতারাও ছিলেন। আমাদের ছবি ভিডিও পেয়ে পুলিশ আমাদের আশস্ত করেছেন ইতিমধ্যে তাঁরা ছবি ভিডিও গুলো ডিবির কাছেও পাঠিয়েছেন। মিশনে অংশ নেওয়া দুই যুবক যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে আমরা সহযোগীতা এবং দাবী জানিয়ে এসেছি। তাঁরা আমাদের বলেছেন, দুই যুবক যাতে কোনোভাবেই বর্ডার ক্রস করতে না পারে আমরা সেই ধরণের সহযোগীতাও চেয়েছি।

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইসরাফিল ফরাজী জানিয়েছেন, মতিঝিলে প্রচার শেষ করে রিকশা দিয়ে যাচ্ছিলেন হাদি ভাই। যারা গুলি করেছে, তারা কয়েক দিন ধরে প্রচারে যুক্ত ছিল। কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয় দেয়নি। হাদি ভাইকে পছন্দ করে বলে তার কাছে আসছিলন এবং প্রচারে অংশগ্রহণ করতে চায় বলে জানায়।
হাদি ভাই সবাইকে একসেপ্ট করে, তার কাছে যে আসে। সে মাস্ক খোলেনি। তাকে বারবার বলা হয়েছিল মাস্ক খুলতে। সে বলেছে, তার সমস্যা আছে। সেটা সিরিয়াসলি নেয়নি হাদি ভাই। এ কারণে সে মাস্ক পরাই ছিল।তিনি বলেন, জুমার নামাজ পড়ে যাচ্ছিল তারা। হাদির ভাইয়ের পেছনে আমাদের আরো দুইটা রিকশা ছিল। হাদি ভাইয়ের সাথে তার ভাই ছিলেন। তখন পাশ দিয়ে গুলি করে, ওই দুই যুবক পালিয়ে যায়।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই শীর্ষ কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, ওসমান হাদির বিষয়টি সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। যে দুই যুবককে হাদীর অনুসারীর পক্ষ থেকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁরা মাস্ক পড়েই কেন কর্মসূচীতে অংশ নিয়েছেন আমরা তাদের খুঁজছি। এই দুই যুবক কোথায় পালালো, তাদের মিশন কী ছিলো তাদের ধরতে পারলে আমরা অবশ্যই অনেক তথ্য নিশ্চিত হতে পারবো। এর মধ্যেই হাদীর অনুসারীরা প্রশাসনের কাছে এসে জোর দাবী জানিয়ে গিয়েছেন ওই দুই যুবক যেন সীমান্ত দিয়ে না পালাতে পারে আমরা সেই বিষয়গুলো শক্তভাবে দেখছি। আমরা এখন ওসমান হাদীর সুস্থ হয়ে যাওয়ার দিকেই নজর রাখছি। তাকে যাতে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়।

বিকেলে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেন্দ্রীক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণকারীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। সন্ত্রাসীরা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, গুলির ঘটনা ঘটার পরপরই র‌্যাব-৩, সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ইউনিটসহ সবগুলো টিম গুলি করা সেই দুই যুবককে আটকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা শীঘ্রই গ্রেফতার হবেন আশা রাখছি।

হাদীর সবশেষ অবস্থা নিয়ে ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন হাদির অবস্থা ক্রিটিক্যাল (আশঙ্কাজনক)। তাঁকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়েছে। বুলেটটি (গুলিটি) তাঁর মাথার ভেতরে রয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেছেন, ওসমান হাদিকে যখন জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয় তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। পরে ওসমান হাদিকে সিপিআর দেয়া হয়। এতে প্রেসার একটু ভালো হয়। পরে তার মাথার সিটিস্ক্যান করলে কানের পাশে মাথার ভেতরে গুলি রয়েছে বলে দেখা যায়। এদিকে ওসমান হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শুক্রবার রাত ৮টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাকে এভারকেয়ারে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানান ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান

এদিকে আমিই হাদি, হাদিই বাংলাদেশ ক্যাপশনে চেয়ে গেছে নেট দুনিয়ায়। দেশ বিদেশে রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, বিভিন্ন শ্রেনী পেশার সবাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই শ্লোগানে নিজের মত প্রকাশ করছেন। অনেকে মসজিদে মসজিদে দোয়া করছেন। নিজের জীবণের বিনিময়ে হাদির জীবণের প্রাণ ভিক্ষা চাইতেও দেখা গেছে।

স্টেডিয়াম বরাদ্দ নিতে দৌড়ঝাপ চলছেই!

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে গত গত ৫ ডিসেম্বর শুরু হয় লাতিন-বাংলা সুপার কাপ নামের শ্রীহীন একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট। যেখানে অংশ নেয় বাংলাদেশ, তথাকথিত ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার অনূর্ধ্ব-২০ দল। তবে টুর্নামেন্টটি শুরু দিন থেকেই বিতর্কিত।

স্টেডিয়াম ও এর বাইরে প্রথম দিন থেকেই অব্যবস্থাপনায় ভরপুর ৩ জাতির অংশগ্রহণে আমেজহীন এই টুর্নামেন্ট। অব্যবস্থাপনায় সঙ্গে যুক্ত হয় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনাও। গত ৮ ডিসেম্বর ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে ছিল বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা রেড অ্যান্ড গ্রিন ফিউচার স্টার ও আর্জেন্টিনার ক্লাব অ্যাটলেতটকো চার্লোনের মধ্যকার ম্যাচ।

খেলাটি ১-১ গোলে ড্র হয়। ম্যাচশেষে সংবাদ সংগ্রহের কাজে মাঠে প্রবেশ করতে যাওয়া এক সাংবাদিক বাধাগ্রস্থ হন নিরাপত্তাকর্মী দ্বারা। পরিচয়পত্র ও টুর্নামেন্টের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড দেখনোর পরও ওই সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে নিরাপত্তাকর্মীরা।

এক পর্যায়ে সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলে তারা। তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এএফবি বক্সিং প্রমোশন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে মাঠ বরাদ্দ বাতিল করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। ৯ ডিসেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠ বরাদ্দ বাতিল করে এক প্রজ্ঞাপন জারি করে এনএসসি।

ফলে স্থগিত হয়ে যায় লাতিন-বাংলা সুপার কাপের খেলা। যে কারণে গতকাল জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠে গড়ায়নি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ম্যাচটি। বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়. বেশকিছু শর্তে এএফবি বক্সিং প্রমোশন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে মাঠ বরাদ্দ দিয়েছিল এনএসসি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি শর্ত মানেনি।

টুর্নামেন্টের মোট টিকিট বিক্রির হিসাব ও ৫০ শতাংশ অর্থ ম্যাচ শুরুর আগে পরিশোধের বিষয়টির পাশাপাশি স্থাপনা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখার শর্ত লঙ্ঘিত হয়েছে। সবশেষ সাংবাদিককে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করায় এনএসসি স্টেডিয়াম বরাদ্দ বাতিল করে।

তবে এই বরাদ্দ নিয়ে দৌঁড়ঝাপ চলছেই! জানা গেছে এএফবি বক্সিং প্রমোশন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদুজ্জামান জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠ বরাদ্দ পেতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি এনএসসি থেকে শুরু করে দেশের ক্রীড়া প্রশাসনের বড় কর্তাদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন মাঠ পেতে। এ ব্যাপারে জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কাল আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমে বলেন,‘আমি এখনো আশাবাদি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আমাদেরকে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের ক্লাব দুটোর খেলার অনুমোদন দেবে। সে আশাতেই বসে আছি। অনুমতি পেলে আমরা ম্যাচটি আয়োজন করব।’

তিনি যোগ করেন,‘আমরা টিকিট বিক্রির ৫০ ভাগ অর্থ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে জমা দিয়েছি। এখন অপেক্ষা অনুমোদনের।’ তবে এই আসাদুজ্জামানকে নিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিতর্ক রয়েছে। তিনি নাকি নিজ ব্যবসার স্বার্থে দেশের সম্মান নষ্ট করছেন বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে। তিনি কখনও ফুটবলের সঙ্গে ছিলেন না। আসাদুজ্জামান মূলত বক্সিং জগতের লোক হিসেবে পরিচিত।

তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, পেশাদার বক্সিং খেলা আয়োজনের নামে তিনি ‘আদম’ পাচারের কাজে লিপ্ত। দেশ থেকে বক্সার পরিচয়ে বিভিন্ন লোককে আসাদুজ্জামান ইতোমধ্যে ইউরোপ-আমেরিকায় পাচার করেছেন বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে। কিছুদিন আগেও নাকি তিনি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে খেলার জগতের বাইরের কয়েকজন লোককে বক্সার পরিচয়ে অস্ট্রেলিয়া ও ইতালিতে রেখে এসেছেন। প্রতিজনের কাছ থেকে নিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা করে। অভিযোগে আরও জানা যায়, কথার ফুলঝুরি ছুটিয়ে তিনি মিথ্যাকে এমনভাবে উপস্থাপন করেন যে তা সত্য মানতে বাধ্য যেকোনো মানুষ।

এই যেমন লাতিন-বাংলা সুপার কাপ নামের টুর্নামেন্ট উপলক্ষে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দুই সাবেক তারকা ফুটবলার কাফু ও ক্লাউদিয়া ক্যানিজিয়ার ঢাকা সফরকে নিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন আসাদুজ্জামান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তিনি গণমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, কাফু ও ক্যানিজিয়া ঢাকায় আসছেন।

এমনকি তাদের নাম ও শুভেচ্ছা ভিডিওবার্তা দিয়েও প্রচারণা চালিয়েছিল এএফবি বক্সিং প্রমোশন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। কিন্তু সেই ভিডিওবার্তাগুলো এআই দিয়ে তৈরি বলে সন্দেহ করছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা! যদিও এখন আসাদুজ্জামান বলছেন, আর্থিক সংকটের কারণেই কাফু ও ক্যানিজিয়াকে ঢাকায় আনতে পারছেন না। এতেই প্রমাণ করে যে তিনি অপেশাদার ক্রীড়া সংগঠক।
তাই ফুটবলবোদ্ধাদের প্রশ্ন অপেশাদার একজন লোক কিভাবে বা কার প্ররোচনায় ফুটবলাঙ্গনে এসে এমন শ্রীহীন একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সাহস পেল।
ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার নাম ব্যবহার করে সেখানকার পাড়া-মহল্লার ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দল নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে দেশের ফুটবল উন্নয়নে কতটা ভূমিকা রাখলেন তথাকথিত বক্সিং সংগঠক আসাদুজ্জামান?

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু অভিজিতের চিকিৎসায় সাহায্যের আবেদন

তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে মা। আর স্বাদের খাবারও খেতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে বন্ধুদের সাথে ছুটোছুটি করতে খেলাধূলা করতে। কিন্তু আমি চোখে ঝাপসা দেখছি। ভালোমতো খেতেও পারছি না। দৌড়ানোর শক্তিও পাইনা। আমি আর তোমাকে দেখতে পাবোনা মা? ‘ অত্যন্ত কষ্টের একথা গুলো বলেছে অভিজিত সরকার নামের ৬ বছরের ছোট্ট এক বালক। তার বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল বন্দর এলাকায়। তার বাবার নাম উত্তম সরকার, মা টপি রাণী।

গত এপ্রিল মাসে ছোট্ট অভিজিতের শরীরে এক বিরল রোগ ধরা পড়ে। ঢাকার ইনস্টিটিউট অব নিউরো সাইন্সের নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মালিহা হাকীম বলেছেন এ রোগের নাম লিউকোডায়োসট্রফি।

এ রোগে দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। হাঁটাচলা দুরূহ হয়ে পড়ে। খাবারে অরুচি আসে। তাছাড়া প্রসাবেও সমস্যা তৈরি হয়।

অভিজিতের বাবা উত্তম সরকার জানান অভিজিতের এই রোগের জন্য গত ২ মাসে চিকিৎসা বাবদ প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গেছে। ডাঃ মালিহা হাকীম জানিয়েছেন অভিজিতের লিউকোডায়োস্ট্রফির উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে নিতে হবে, এজন্য কমপক্ষে ১০ / ১২ লক্ষ টাকা প্রযোজন। আমি গার্মেন্টসে ছোট চাকুরী করি। এতো টাকা কোথায় পাবো! তাই দেশের স্বাস্হ্য মন্ত্রণালয় এবং সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি।

অভিজিতের মা বলেন আমার একটাই সন্তান। যখন আমার ছেলেটা বলে মা আমি কবে তোমায় আবার দেখতে পাবো তখন আমার খুব কষ্ট হয়। স্বল্প আয়ের মানুষ হওয়ায় আমরা আমাদের সন্তানের উপযুক্ত চিকিৎসা করাতে পারছিনা।

অভিজিতের মা টপি রাণী বিরল ও জটিল রোগে আক্রান্ত তার একমাত্র সন্তানের চিকিৎসায় সাহায্যের জন্য সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের প্রতি উদাত্ত অনুরোধ জানান।

অভিজিতের জন্য সাহায্য পাঠাতে অভিজিতের মায়ের সঞ্চয়ী ব্যাংক হিসাব নং – ২৬৮৭৩৪৮৭৬৩৬৯৯, ডাচ বাংলা ব্যাংক, নাটোর শাখা এবং যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোন নম্বর ০১৬০০৭৭১৭৩৩।

নবীনগর আদালত সড়কে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, এলাকায় উত্তেজনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর শহরের আদালত সড়কের সামনে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। হঠাৎ গোলাগুলির শব্দে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই দোকানপাটের শাটার নামিয়ে দেন ব্যবসায়ীরা, আর পথচারীরা নিরাপত্তার জন্য চারদিকে ছুটোছুটি শুরু করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ববর্তী বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হয়। এতে সাব্বির নামে এক যুবক বুকে গুলিবিদ্ধ হন। তার বাবা হেলাল মিয়া পেশায় রিকশা চালক। সাব্বির পৌর শহরের মাঝিকাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের পৈতৃক বাড়ি শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে।

গুলিবিদ্ধ সাব্বির জানান, বগডহর গ্রামের একটি মিটিং থেকে ফেরার পথে আদালত সড়কে কয়েকজন যুবক তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

‎‎নবীনগর থানার পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
‎‎প্রকাশ্যে গোলাগুলির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন।

কন্যা সন্তানের বাবা হলেন অভিনেতা অপূর্ব

জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছেন। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন। যেখানে তিনি তার কন্যা সন্তানের জন্য প্রার্থনা ও ভালোবাসা চেয়েছেন।

অপূর্ব লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ! অশেষ আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের সুন্দর কন্যাসন্তান পৃথিবীতে আগমন করেছে। স্বাগতম, আমাদের সোনার মেয়ে আনায়া!

এই জনপ্রিয় অভিনেতা আরও লিখেছেন, “আমাদের ছোট্ট রাজকন্যার জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের অবিরাম ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।”

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৯ আগস্ট অপূর্বর উত্তরার বাসায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শাম্মা দেওয়ানের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন করেন অপূর্ব। পরিবারের সদস্য ছাড়া সে অর্থে কেউ খবরটি জানতেন না। বাগদানের কিছুদিন পর তার বিয়ের জোর গুঞ্জন শুরু হয়। সর্বশেষ ওই বছর ১ সেপ্টেম্বর বাগদানের কথা স্বীকার করেন অপূর্ব। ২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই যুগল। অপূর্বর স্ত্রী শাম্মার জন্ম ও বেড়ে ওঠা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে একটি স্বনামধন্য গাড়ির কোম্পানিতে কর্মরত আছেন তিনি।

জাপানে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

জাপানে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর প্রভাবে দেশটিতে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছে জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ)।

জেএমএ জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৪ মিনিটে আয়োমোরি প্রিফেকচারের উপকূলে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ২০ কিলোমিটার গভীরে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কয়েক দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্প এটি। এর মাত্র কয়েক দিন আগে একই অঞ্চলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই ঘটনার পর সরকার হোক্কাইদো থেকে শুরু করে টোকিওর পূর্বের চিবা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। সতর্কবার্তায় বলা হয়, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে।

সাম্প্রতিক দুই ভূমিকম্পে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হলেও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত এখনও জানা যায়নি।

ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো হাজার টাকা

স্বর্ণের দাম বেড়েছে হাজার টাকা। এ দফায় প্রতি ভরির দাম বেড়েছে ১ হাজার ৫০ টাকা। তাতে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার টাকা।

আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বলছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এজন্যে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

মূলত বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশেও বাড়ানো হয়েছে।

যদিও স্বর্ণের আমদানি খুবই কম। ব্যাগেজ রুলসের আওতায় বিদেশ থেকে স্বর্ণ আসে। কয়েক মাস ধরেই স্বর্ণ দাম উত্থান-পতনের মধ্যে রয়েছে।

গত ১৭ অক্টোবর দেশে স্বর্ণের দাম বেড়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায় দাঁড়ায়, যা এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সর্বোচ্চ। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮৯ টাকায় বিক্রি হয়েছে।