Home Blog Page 240

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে এনসিপি, নিয়োগ পাচ্ছেন ২৭০ জন অ্যাম্বাসেডর

০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে ব্যাপক সংগঠিত প্রচারণায় নামছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে দলটি সারা দেশে ২৭০ জন ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রতিনিধি নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সম্প্রতি এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, যেসব সংসদীয় আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী থাকবেন, সেখানে প্রার্থীর নেতৃত্বেই গণভোট ও নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালিত হবে। তবে যেসব আসনে এনসিপির প্রার্থী নেই, সেসব এলাকায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে আলাদা করে এই ২৭০ জন অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ দেওয়া হবে। পুরো কার্যক্রমের সমন্বয় ও নেতৃত্বে থাকবেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
এদিকে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার করতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নতুন করে সাজানো হয়েছে। গত ৯ জানুয়ারি রাতে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন ৩১ সদস্যের পুনর্গঠিত এই কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং সেক্রেটারি করা হয়েছে মনিরা শারমিনকে।
চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারির পাশাপাশি কমিটিতে আরও ২৯ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি, তানজিল মাহমুদ, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, আকরাম হুসাইন, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া, লুৎফর রহমান, সাগুফতা বুশরা মিশমা, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, তাহসীন রিয়াজ, লে. কর্নেল (অব.) মো. সাব্বির রহমান, সাদিয়া ফারজানা দিনা, ফরহাদ সোহেল, আবু সায়েদ লিয়ন, হামযা ইবনে মাহবুব, রাসেল আহমেদ, মেজবাহ উদ্দীন, মো. শওকত আলী, মাজহারুল ফকির, আবু বাকের মজুমদার, অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, সাইফ ইবনে সারোয়ার, কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, নাভিদ নওরোজ শাহ্, সরদার আমিরুল ইসলাম সাগর, ইয়াসির আহমেদ ও আয়মান রাহাত।
দলীয় নেতাদের মতে, এই পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে গণভোটের বিষয়টি নিয়ে জনসচেতনতা বাড়বে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শক্ত জনমত তৈরি করা সম্ভব হবে।
এদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিতে যাচ্ছে এনসিপি। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩০টি আসনে সমঝোতার আলোচনা হলেও এখনো চূড়ান্ত আসন বণ্টন হয়নি। তবে এর মধ্যেই ৪৪টি আসনে এনসিপির প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হলে দলীয় প্রার্থীরা সরে দাঁড়িয়ে জোট প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে কাজ করবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলসহ ৫ দাবিতে উত্তাল আন্দোলন

০

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগে ফের রাজপথে নেমেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। স্বচ্ছ, প্রশ্নফাঁসমুক্ত প্রক্রিয়ায় নতুন করে পরীক্ষা আয়োজনের দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন তারা।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল থেকেই অধিদফতরের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভ চলাকালে তারা বিভিন্ন স্লোগানে পরীক্ষায় জালিয়াতি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার এবং প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে পুরো পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানান। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তারা।
নিয়োগপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে। বিশেষ করে প্রশ্নফাঁস এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে অসাধু উপায়ে সুবিধা নেওয়ার ঘটনা পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এসব কারণেই তারা পাঁচ দফা দাবি সামনে রেখে আন্দোলনে নেমেছেন।
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া, সব ধরনের চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় আয়োজন করা এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস শনাক্তকারী যন্ত্র ও নেটওয়ার্ক জ্যামার স্থাপন করা। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র একটি কমিটির অধীনে সব পরীক্ষা গ্রহণ, একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা না নেওয়া এবং যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আগেও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ রয়েছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব না দেওয়ার দাবি জানান তারা। এছাড়া প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার পাশাপাশি প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের দাবিও তোলেন আন্দোলনকারীরা।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার কয়েক দিন আগ থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু প্রশ্ন ফেসবুকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়।
পরীক্ষার্থীদের দাবি, পরীক্ষার দুই দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কয়েকটি প্রশ্ন হুবহু মিলে গেছে। এতে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ২৫ ডিসেম্বর জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দেওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ পর পরীক্ষা নেওয়ায় একটি চক্র প্রশ্নপত্রের নাগাল পেয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এবারে দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে প্রতি পদের বিপরীতে গড়ে প্রায় ৭৫ জন করে চাকরিপ্রার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ হাজার ২১৯টি পদের বিপরীতে আবেদন পড়ে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি। তবে ঠিক কতজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং কতজন অনুপস্থিত ছিলেন, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তথ্য জানায়নি অধিদফতর।
পরিস্থিতি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জুলাই ঐক্যের করা রিটে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন বাতিলে হাইকোর্টের রুল

০

জাতীয় পার্টি, আওয়ামিলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ স্বৈরাচারের দোসরদের মনোনয়ন বাতিলের জন্য জুলাই ঐক্যের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে করা রিটের (৫৪/২০২৬) ওপর রুল জারি করেছেন আদালত।

রোববার বিচারপতি রাজ্জাক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের কোর্টে এই রুল জারি হয়। জুলাই ঐক্যের পক্ষে রিটের আবেদন করেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (বোরহান মাহমুদ)। আইনজীবী হিসেবে ছিলেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

আবারো বড় পর্দায় শাকিব-অপু? জুটি বাঁধার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন অপু বিশ্বাস

০

ঢালিউডে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে জনপ্রিয় শাকিব–অপু জুটি। সুযোগ পেলে ফের শাকিব খানের সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। প্রায় দুই বছর পর বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছেন তিনি, আর সেই ফেরা ঘিরেই নতুন করে উসকে উঠেছে পুরোনো স্মৃতি ও ভক্তদের প্রত্যাশা।
সম্প্রতি নিজের নতুন সিনেমা ‘দুর্বার’ নিয়ে একটি আয়োজনে কথা বলতে গিয়ে শাকিব খানের প্রসঙ্গ আসে। সেখানেই শাকিবের সঙ্গে আবার কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেন অপু বিশ্বাস।
ঢালিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল জুটিগুলোর একটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। একসঙ্গে অর্ধশতাধিক, এমনকি ৭০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তারা। ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনের পর দীর্ঘ সময় এই জুটিকে একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখা যায়নি। তাই ভক্তদের মনে বহুদিন ধরেই প্রশ্ন আবার কি ফিরবে শাকিব–অপু জুটি?
এ প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, “তিনি একজন গ্লোবাল স্টার, সুপারস্টার, মেগাস্টার। তাঁকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। আমি যেহেতু বিরতি কাটিয়ে আবার কাজে ফিরছি এবং সবার সহযোগিতা পাচ্ছি, তাই যদি কোনো হৃদয়বান প্রযোজকের কানে এই কথাটা পৌঁছায় এবং তিনি উদ্যোগ নেন, তাহলে আপনাদের সেই চাওয়া পূরণ হতেও পারে।”
শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে অপু আরও বলেন, “আমি আর শাকিব একসঙ্গে ৭২টি সিনেমা করেছি। প্রযোজক ও পরিচালকদের সহযোগিতা না পেলে এতগুলো কাজ সম্ভব হতো না।”
উল্লেখ্য, অপু বিশ্বাস অভিনীত নতুন সিনেমা ‘দুর্বার’ পরিচালনা করছেন কামরুল হাসান ফুয়াদ। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন অভিনেতা আব্দুন নূর সজল। নির্মাতাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের কোনো বড় উৎসবকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি দেশজুড়ে মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

তাহসান–রোজার সংসার ভাঙছে? গুজব নাকি সত্য

০

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান এবং তার স্ত্রী রোজা আহমেদকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে দাবি করা হয়, এই তারকা দম্পতির সম্পর্কে নাকি ভাঙন ধরেছে। তবে বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণই একটি গুজব।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তাহসান ও রোজার মধ্যে কোনো ধরনের বিচ্ছেদ বা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। তারা দুজনই স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন যাপন করছেন এবং সম্পর্ক নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হয়নি।
মূলত সামাজিক মাধ্যমে কিছু বিভ্রান্তিকর পোস্ট ও ভুল ব্যাখ্যা থেকেই এই গুজবের জন্ম হয়। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিষয়টির সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তাহসান ও রোজা দুজনই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই সংযত থাকেন, যা অনেক সময় ভুল ধারণার সুযোগ তৈরি করে।
পরিবার ঘনিষ্ঠরা জানান, গুজব ছড়ালেও তাহসান ও রোজা তাদের দৈনন্দিন জীবন ও কাজ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ব্যস্ত রয়েছেন। বিচ্ছেদ সংক্রান্ত আলোচনা ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন তারা।
উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন সময় তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ালেও পরে সেগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি। তাহসান ও রোজার ক্ষেত্রেও বিষয়টি তার ব্যতিক্রম নয়।

লিভারের জন্য হলুদ সহায়ক নাকি ক্ষতিকর? গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের সতর্ক বার্তা

০

হলুদ, যাকে মসলা হিসেবেও ব্যবহার করা হয়, যুগ যুগ ধরে রান্না ও চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভারতীয় খাবারে প্রায় প্রতিটি কারি, চা বা স্যুপে এক চিমটি হলুদ দেওয়া হয়। এর প্রধান উপাদান কুরকুমিন শুধু খাবারে রঙ যোগ করে না, এটি প্রদাহ-রোধী, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যযুক্ত। বিশেষ করে ফ্যাটি লিভার রোগীদের মধ্যে অনেকেই হলুদ ব্যবহার করে লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে চান।

তবে সমস্যা শুরু হয় অতিরিক্ত হলুদ সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে। হার্ভার্ড প্রশিক্ষিত মার্কিন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ড. সৌরভ শেঠি সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে এই বিষয়ে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সাধারণভাবে কারি, চা বা গোল্ডেন মিল্কে আধা থেকে এক চামচ হলুদ সাধারণত নিরাপদ এবং লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক। কিন্তু উচ্চমাত্রার সাপ্লিমেন্ট সব সময় নিরপদ নয়। কিছু বিরল ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কুরকুমিন লিভার সমস্যার কারণ হতে পারে।”

ড. শেঠি আরও বলেন, “খাবারে হলুদ প্রতিদিন অর্ধা থেকে এক চামচ ব্যবহার করলে স্বাদ বাড়ে এবং লিভারকে ক্ষুদ্র মাত্রায় রক্ষা করতে সাহায্য করে। তবে ক্যাপসুল, ট্যাবলেট বা এক্সট্র্যাক্ট আকারে উচ্চমাত্রার হলুদ দীর্ঘমেয়াদে লিভারের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে যদি আপনার পূর্ববর্তী লিভার সমস্যা থাকে বা নির্দিষ্ট জেনেটিক ফ্যাক্টর থাকে, যেমন HLA-B*35:01 মার্কার, তবে ঝুঁকি বেড়ে যায়।”

তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, খাবারে হলুদ উপভোগ করুন, তবে সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার আগে ডাক্তার পরামর্শ নিন এবং লিভারের কার্যকারিতা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। লিভারের সমস্যা থাকলে বা উচ্চমাত্রার সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের সময় ক্লান্তি, হলদে চোখ বা ত্বক, বমি ভাব, পেটের ব্যথা এসব লক্ষণ খেয়াল রাখুন।

সারসংক্ষেপে, দৈনন্দিন খাবারে হলুদ নিরাপদ ও উপকারী, লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। তবে সাপ্লিমেন্টের ক্ষেত্রে সাবধানতা অপরিহার্য।

আপনি কোন মাসে জন্মেছেন? জন্ম মাসেই লুকিয়ে আছে আপনার ব্যক্তিত্ব ও সাফল্যের রহস্য

০

আপনার জন্ম মাস শুধু ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়, বরং আপনার ব্যক্তিত্ব, চিন্তাভাবনা ও জীবনে এগিয়ে যাওয়ার ধরনকে প্রভাবিত করতে পারে এমনটাই বলছে মনোবিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন বিশ্লেষণ। জ্যোতিষের বাইরে গিয়েও গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মের সময় ও ঋতুর প্রভাব মানুষের আচরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং সাফল্যের পথে এগোনোর ধরনে ছাপ ফেলে। তাহলে দেখে নেওয়া যাক, আপনার জন্ম মাস আপনার কোন শক্তিগুলোকে সামনে নিয়ে আসে।
জানুয়ারিতে জন্ম নেওয়া মানুষ সাধারণত লক্ষ্যনির্ভর ও দৃঢ়চেতা হন। যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান ধরে রাখার মানসিক শক্তি তাঁদের বড় সম্পদ। দায়িত্ববোধ ও নেতৃত্বগুণের কারণে জীবনে সাফল্য তাঁদের কাছে ধরা দেয় ধীরে, কিন্তু স্থায়ীভাবে।
ফেব্রুয়ারিতে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরা চিন্তায় স্বাধীন ও সৃজনশীল। প্রচলিত নিয়মের বাইরে ভাবার সাহস তাঁদের আলাদা করে তোলে। নতুন ধারণা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা অনেক সময় তাঁদের সাফল্যের প্রধান চাবিকাঠি হয়ে ওঠে।
মার্চে জন্মানো মানুষ আবেগপ্রবণ হলেও কল্পনাশক্তিতে সমৃদ্ধ। স্বপ্ন দেখতে জানেন বলেই সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়ার তাগিদও তাঁদের মধ্যে প্রবল। নিজের কাজে হৃদয় ঢেলে দেওয়ার মানসিকতা তাঁদের ধীরে ধীরে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে যায়।
এপ্রিলের মানুষদের মধ্যে থাকে প্রবল উদ্যম ও প্রাণচাঞ্চল্য। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করার পাশাপাশি লক্ষ্য অর্জনে তাঁরা আপসহীন। একবার সিদ্ধান্ত নিলে তা বাস্তবায়নে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার ক্ষমতাই তাঁদের বড় শক্তি।
মে মাসে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরা কথাবার্তা ও আচরণে সহজেই মানুষের মন জয় করতে পারেন। যোগাযোগ দক্ষতা, ধৈর্য এবং বাস্তববোধ একসঙ্গে থাকায় তাঁরা ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে ভারসাম্য বজায় রেখে এগোতে সক্ষম হন।
জুনে জন্মানো মানুষ নতুন চিন্তার জন্ম দেন। সৃজনশীলতা ও বাস্তবতার মিশেলে তাঁরা এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, যা অন্যদের অনুপ্রাণিত করে। শুধু ভাবনায় সীমাবদ্ধ না থেকে পরিশ্রমের মাধ্যমে সেই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই তাঁদের সাফল্যের ভিত্তি।
জুলাই মাসে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের জীবনদর্শন সাধারণত ইতিবাচক। পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং আশাবাদী মনোভাব তাঁদের প্রতিকূল সময়েও এগিয়ে রাখে।
আগস্টে জন্ম নেওয়া মানুষ যুক্তিবাদী ও সিদ্ধান্তে দৃঢ়। বিশ্লেষণী ক্ষমতার কারণে তাঁরা ঝুঁকি বুঝে পদক্ষেপ নেন। নিজের বিশ্বাসে অটল থাকার মানসিকতা অনেক সময় তাঁদের সফল নেতৃত্বে পরিণত করে।
সেপ্টেম্বরে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরা নিখুঁততার দিকে ঝোঁকেন। নিজের কাজকে সেরা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার তাগিদ এবং অন্যকে সাহায্য করার মানসিকতা তাঁদের সামাজিক ও পেশাগত জীবনে সম্মান এনে দেয়।
অক্টোবরের মানুষদের শক্তি হলো আশাবাদ। কঠিন পরিস্থিতিতেও ভালো দিক খুঁজে নেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের মানসিকভাবে দৃঢ় রাখে। স্বাধীনচেতা মনোভাব ও সম্পর্কের প্রতি দায়িত্ববোধ তাঁদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করে।
নভেম্বরে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরা আত্মবিশ্বাসী ও নির্ভীক। যেকোনো কাজে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উজাড় করে দেওয়ার মানসিকতা তাঁদের আলাদা করে তোলে। ভয়কে জয় করেই তাঁরা নিজের লক্ষ্যপথে এগিয়ে যান।
ডিসেম্বরে জন্ম নেওয়া মানুষদের মধ্যে থাকে অজানাকে জানার তীব্র কৌতূহল। নতুন অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ ও ভিন্ন চিন্তার প্রতি আকর্ষণ তাঁদের উদ্ভাবনী শক্তিকে বাড়িয়ে তোলে, যা দীর্ঘমেয়াদে সাফল্যের পথ প্রশস্ত করে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, জন্ম মাস আপনার জীবনের দিকনির্দেশনা ঠিক করে না, তবে আপনার ভেতরের শক্তিগুলো কোন পথে বিকশিত হতে পারে তার একটি ইঙ্গিত দেয়। সেই শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলেই সাফল্য ধরা দেয় আপনার হাতের মুঠোয়।

চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেলের দাম বাড়লেও কমেছে ডিম, মুরগির

০

শীতের সবজিতে সয়লাব রাজধানীর বাজারগুলো। তবে দাম কিছুটা বাড়ায় সাধারণ লোকজন কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

নিত্যপণ্যের বাজারে চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেলের দাম বাড়লেও কমেছে ডিম, মুরগির। এছাড়া সরবরাহ বেড়ে দাম আরও কমায় সবজির বাজারে স্বস্তি বিরাজ করছে। এছাড়া চালের দাম কিছুটা বাড়লেও মাছ-মাংসের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, কাপ্তান বাজার, মুগদা বড় বাজার ও খিলগাঁও রেলগেট বাজার থেকে নিত্যপণ্যের দরদামের এ সব তথ্য পাওয়া গেছে। খুচরা বাজারে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই দুই ধরনের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা।
খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে আউশ, আমন ও নাজিরশাইল ধানের চাল আসতে শুরু করেছে। আর এক সপ্তাহের মধ্যে এ সব চালের সরবরাহ বাড়বে। এ অবস্থায় বেশির ভাগ চালের দাম কমার কথা, কিন্তু উল্টো বেড়েছে। বিক্রেতারা জানান, বাজারে সব ধরনের মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার বাজারে প্রতিকেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮৩ থেকে ৮৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে; এক সপ্তাহ আগে যা ছিল ৮০ টাকা। রশিদ মিনিকেটের দাম ৭২ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা হয়েছে। নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেটের দাম ছিল ৬৫ টাকার আশপাশে, সেটি বেড়ে হয়েছে ৭০ টাকা। আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেলের দাম কেজিতে ১-২ টাকা বেড়ে ৮৫-৮৬ টাকা হয়েছে।
বাজারে দেশীয় ও আমদানি করা উভয় ধরনের নাজিরশাইল চাল রয়েছে। গতকাল ধরনভেদে দেশি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়েছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে। সপ্তাহখানেক আগে যা ৩-৪ টাকা কম ছিল। আর আমদানি করা নাজিরশাইলের কেজি রাখা হচ্ছে ৭৫-৭৮ টাকা। গত সপ্তাহে এ চালের দাম ছিল কেজিতে ৭২-৭৫ টাকা। কাপ্তান বাজারের চাল বিক্রেতা নূরু মিয়া বলেন, সার্বিকভাবে বাজারে প্রায় সব ধরনের চালের দামই বাড়তি রয়েছে। বছরের এই সময়ে আউশ, আমন ও নাজিরশাইল চাল বাজারে আসে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খুচরা দোকানে এ সব চাল বিক্রি হতে শুরু করবে। সাধারণত প্রতিবছর এ সব চাল বাজারে আসার পরে পুরানো চালের দাম কেজিতে ১-২ টাকা বাড়ে। কিন্তু এবার নতুন চাল বাজারে আসার আগেই পুরানো চালের দাম ৩-৪ টাকা বেড়েছে। ফলে, নতুন চাল আসার পরে পুরানো চালের দাম আরও বাড়তে পারে।
চালের পাশাপাশি বেড়েছে ছোট দানার মসুর ও মুগ ডালের দাম। উভয় ধরনের ডালের দাম কেজিতে ১৫ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে। তবে মোটা মসুরের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে হয়েছে ৯০ টাকায়। বাজারে এখন নতুন মৌসুমের মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি। পাশাপাশি ভারত থেকে আমদানি করা এবং দেশি পুরানো পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিকেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ৬৫-৭০ টাকা। আর দেশি পুরানো পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেশি; প্রতিকেজি ৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভোক্তারা এখন শীতের সবজি কিনে স্বস্তি পাচ্ছেন। কারণ, শীত মৌসুমে সবজির সরবরাহ বেশি, দামও কম।

বেশির ভাগ সবজির দামই ৫০-৬০ টাকার মধ্যে রয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, শুক্রবার প্রতিকেজি আলু ২০-২৫ টাকা, শিম ৪০-৬০ টাকা, মুলা ২৫-৩০ টাকা, শালগম ৩০-৪০ টাকা এবং বেগুন ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর টমেটোর কেজি ৮০-১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি ৮০-১০০ টাকা। এ ছাড়া ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি ২৫-৩০ টাকা এবং লাউয়ের দাম ৪০-৫০ টাকা রাখা হচ্ছে। এছাড়া মাছ-মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দাম কমে প্রতিডজন মুরগির ডিম ১১০-১১৫ এবং ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে।

মদিনা সনদের আলোকে পৃথিবীর রাষ্ট্র সমূহকে বিনির্মাণ করতে পারলে ইসলামী উম্মাহ প্রতিষ্ঠিত হবে

০

মদিনা সনদের আলোকে পৃথিবীর রাষ্ট্র সমূহকে বিনির্মাণ করতে পারলে ইসলামী উম্মাহ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন,বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার। গতকাল শুক্রবার রাতে ঈশ্বরদীর বাঘইল মল্লিক পাড়া জামে মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত  তাফসিরুল কোরআন ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মসজিদ কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম লিটনের সভাপতিত্বে জালসা বাস্তবায়ন ও মসজিদ কমিটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসময় উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব আকমল হোসেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম,মনসুর আলী,ঈশ্বরদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদ আক্তার পান্না,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী স্বপন হোসেন।

প্রধান বক্তা হিসেবে রুপগঞ্জ বায়তুল আমান জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোঃ শেখ ফরিদ উদ্দিন সিরাজী, বিশেষ বক্তা হিসেবে ঢাকার যাত্রাবাড়ি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাযেল হাফেজ মাওলানা মুফতি সুলতান মাহমুদ মাযহারী ও পাকশী বায়তুল হামদ জামে মসজিদের ঈমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুর রউফ ওয়াজ করেন । জালসা পরিচালনা করেন আল্লাহর দর্গা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষা সচিব মুফতি জামিল মাহমুদ। জালসায় নিকটস্থ কয়েকটি গ্রামের বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ অংশ নেন এবং জালসাকে ঘিরে  বিভিন্ন পসরা সাজানো দোকানও বসানো হয় মসজিদ এলাকায়।

স্বর্ণ-রূপার বাজারে বড় পতন: কার্যকর হলো নতুন দাম

০

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রূপার দাম আবার নেমেছে। একবারের মধ্যে ১ হাজার ৫০ টাকা হ্রাস পেয়েছে ভরি দামের হিসাব। নতুন হিসাব অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য এখন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার কারণে স্বর্ণের মূল্যে এই সমন্বয় করা হয়েছে।
স্বর্ণের নতুন মূল্য (প্রতি ভরি)
২২ ক্যারেট: ২,২৬,৮০৬ টাকা
২১ ক্যারেট: ২,১৬,৪৮৪ টাকা
১৮ ক্যারেট: ১,৮৫,৫৭৪ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: ১,৫৪,৬৬৫ টাকা
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।
এদিকে রূপার দামও কমেছে। নতুন হিসাব অনুযায়ী,
২২ ক্যারেট রূপা: ৫,৫৪০ টাকা
২১ ক্যারেট রূপা: ৫,৩০৭ টাকা
১৮ ক্যারেট রূপা: ৪,৫৪৯ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: ৩,৩৮৩ টাকা
স্বর্ণ ও রূপার দাম হ্রাসের এই খবর বাজারে ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় সুবিধা হিসেবে ধরা হচ্ছে। যারা স্বর্ণ বা রূপায় বিনিয়োগ করতে চাইছেন, তাদের জন্য এখন সুযোগের সময়।