Home Blog Page 242

বিএনপিকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: মাহদী আমিন

০

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দলীয় চেয়ারম্যানের সফরসূচি নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। গুলশানে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভারতের সঙ্গে কথিত গোপন চুক্তির অভিযোগ খণ্ডন করার পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে চলা প্রতারণা সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করেন।

জামায়াত নেতার তোলা ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তির অভিযোগকে ‘অজ্ঞতা অথবা রাজনৈতিক অপকৌশল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মাহদী আমিন। তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ নেই এবং কেউ তা উপস্থাপন করতে পারবে না। গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে ইতিবাচক রাজনীতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তারেক রহমানের মূল দর্শন হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের স্বার্থ রক্ষাই বিএনপির রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি।

তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে একটি প্রতারক চক্র অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ করেন মাহদী আমিন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এই কার্ডগুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বিতরণ করা হবে। বর্তমানে কেউ যদি এই কার্ডের নামে টাকা চায়, তবে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করার অনুরোধ জানান তিনি।

ব্যক্তিগত সহকারী থেকে হলেন স্ত্রী

০

সম্প্রতি হৃতিকা গিরি ও হিরণের বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। বেনারসের ঘাটে জুটিকে সাত পাকে বাঁধা পড়ার মুহূর্ত ধরা পড়েছে, এবং সেই ছবির দ্রুত ভাইরাল হওয়ার পর নেটদুনিয়ায় হইচই শুরু হয়েছে—“এই হৃতিকা গিরি কে?”

জানা গেছে, হৃতিকা গিরি পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের বাসিন্দা। হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতার তথ্য অনুযায়ী, হৃতিকার বয়স ২১ বছর। তিনি আইনের শিক্ষার্থী এবং আইনে সাম্মানিক স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর পাশাপাশি, জাতীয় স্তরে যোগব্যায়ামে স্বর্ণপদকও জিতেছেন।

হৃতিকার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল থেকে দেখা যায়, তিনি ২০১৯ ও ২০২২ সালে দুটি সুন্দরী প্রতিযোগিতাতেও সেরা হয়েছেন। এছাড়া, কিছু মিউজিক ভিডিওতে তাকে দেখা গেছে।

অনিন্দিতা জানিয়েছেন, হৃতিকাকে হিরণের ব্যক্তিগত সহকারী হিসাবেই চেনা। টলিউডে গুঞ্জন আছে, হিরণ একজন পরিচিত অভিনেতা এবং হৃতিকার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল।

হিরণের দ্বিতীয় বিয়ের ছবির প্রকাশে অনিন্দিতা বলেন, “আমাদের বিয়ে বয়স ২৫। ডিভোর্স হয়নি। মেয়েও এবং আমাকেও অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। আমি কখনও এটি প্রকাশ করি নি, কারণ মেয়ের ক্যারিয়ার নষ্ট হতে পারে। এখন সবাই সব কিছু দেখছে। বলা বাহুল্য, এটি কতটা ন্যায্য নয়—ইনস্টাগ্রাম থেকে বিয়ের ছবি পোস্ট করা হয়েছে, অথচ মেয়ের কোনো ছবি কখনও পোস্ট করা হয়নি। হিরণের আচরণে সত্যিই হতাশ হয়েছি।”

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন: আলীকদমে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লিফলেট বিতরণে আরাফাতুল ইসলাম

০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে বান্দরবানের আলীকদমে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বান্দরবান জেলার যুগ্ম সদস্য সচিব আরাফাতুল ইসলাম। এ সময় তিনি ভোটারদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং নাগরিক অধিকার, ভোটের গোপনীয়তা ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীকদমের বিভিন্ন এলাকায় আরাফাতুল ইসলামের পক্ষ থেকে ভোটারদের মধ্যে একটি তথ্যভিত্তিক লিফলেট বিতরণ করা হয়। লিফলেটে ভোটারের অধিকার, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা, অনিয়ম দেখা দিলে অভিযোগ করার নিয়মসহ নানা নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়।

লিফলেটে বলা হয়, প্রত্যেক ভোটারের ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে এবং কোনো ভয়-ভীতি বা বাধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবেন। এছাড়া ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় ভোটার কাউকে বাধ্য নন তিনি কাকে ভোট দিয়েছেন তা জানাতে। ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করা হয়।

এদিকে গণভোটের প্রশ্ন ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর চার দফা প্রসঙ্গে লিফলেটে সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কয়েকটি প্রস্তাবের প্রতি সম্মতি (হ্যাঁ/না) প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কাঠামো, ভবিষ্যতে দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ কাঠামো, নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মতো প্রস্তাবগুলোর কথাও রয়েছে।

লিফলেটে আরও বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে হয়রানি বা অনিয়ম দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রিসাইডিং অফিসার, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা স্থানীয় নির্বাচন অফিসে অভিযোগ জানাতে হবে।

আরাফাতুল ইসলামের প্রচারণায় ভোটারদের উদ্দেশে ভুয়া তথ্য ও গুজব নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তাও দেয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে, তাই কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে উৎস যাচাই করা জরুরি। নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস হিসেবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, লিফলেটের মাধ্যমে ভোটাধিকার, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণভোটের বিষয়টি সম্পর্কে সহজ ভাষায় ধারণা পাওয়া গেছে।

প্রচারকারীরা বলছেন, গণতন্ত্র শুধু ভোট দেওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়; নির্বাচনের বাইরে কমিউনিটি উন্নয়ন, সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাজ পর্যবেক্ষণ করাও নাগরিক দায়িত্বের অংশ।

এ বিষয়ে আরাফাতুল ইসলাম বলেন, ভোটারদের সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য। সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয় এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কার উদ্যোগে সমর্থন জানায়-এটাই আমরা।

যেসব সমস্যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো হলেও মাইগ্রেন না

০

মাথাব্যথা অনেকের জীবনেই একটি বড় সমস্যা। কারও মাইগ্রেন, কারও সানোসাইটিস, কারও বা স্ট্রেস হেডেক – এগুলো অনেকের জীবনকেই ব্যাহত করে।

কিন্তু শুধু তীব্র ব্যথা মানেই কি মাইগ্রেন? অনেক সময় ব্যথার পেছনে আরও জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা থাকতে পারে, যা মাইগ্রেনের মতো মনে হলেও আসলে আলাদা রোগের লক্ষণ।

মাইগ্রেন হলো একটি নার্ভোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার, যা গুরুতর মাথাব্যথা, বমি-বমি ভাব, আলো ও শব্দ-সংবেদনশীলতা দিয়ে চিহ্নিত হয়। প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে মাথাব্যথায় ভোগে। এর মধ্যে মাইগ্রেন শীর্ষস্থানে থাকে।

যদিও গবেষণা দেখায় মাইগ্রেন নিজে অন্য রোগ কারণে তৈরি করে না, তবে মাইগ্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত বা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে এমন কিছু সমস্যা থাকতে পারে যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো মনে হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক আর কোন কোন স্বাস্থ্যসমস্যার লক্ষণ মাইগ্রেনের মতো –

যেসব সমস্যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো হলেও মাইগ্রেন না

১. স্ট্রোক – হঠাৎ ভয়াবহ মাথাব্যথা
স্ট্রোক, বা মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ ব্লক হওয়া বা রক্তনালী ফেটে যাওয়া মাঝে মাঝে মাইগ্রেনের মতো আকস্মিক ও তীব্র ব্যথা তৈরি করতে পারে। সত্যিকারের স্ট্রোকের ব্যথা সাধারণত হঠাৎ শুরু হয়, এবং মুখ বা হাত নড়াচড়া করতে কষ্ট হয়।

তবে এটি মাইগ্রেনের মতো ধীরে ধীরে শুরু হয় না্ স্ট্রোকের ক্ষেত্রে মুখের একপাশ বাঁকা হয়ে যাওয়া, কথা বলায় অসুবিধা হওয়া ইত্যাদি লক্ষণও থাকে।

২. হার্ট ডিজিজ এবং মাইগ্রেনের সম্পর্ক
মাইগ্রেন থাকলে হার্ট ডিজিজ বা হৃদরোগের ঝুঁকি কিছুটা বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেনের আগে অরা থাকে। অরা অর্থ চোখের সামনে আলো ঝলমল করা বা দাগ দেখতে পাওয়া। এমন ক্ষেত্রে হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা একটু বেড়ে যায়।

৩. খিঁচুনি বা ফোকাসের সমস্যা
কিছু সময় মাইগ্রেনের অরার লক্ষণগুলো খিঁচুনির মতো মনে হয় – অনিয়ন্ত্রিত আচরণ, বিভ্রান্তি, এমনকি কিছুক্ষণের জন্য অচেতন ভাব। গবেষকরা মনে করেন কিছু ধরণের খিঁচুনি ও মাইগ্রেনের মাঝে জিনগত সম্পর্ক থাকতে পারে।

যেসব সমস্যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো হলেও মাইগ্রেন না

৪. কান ও শ্রবণ সমস্যা
মাইগ্রেনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিরল একটি পরিস্থিতি হলো হঠাৎ শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, যা খুব তাড়াতাড়ি কয়েক দিনের মধ্যে ঘটে। যদিও এটি খুবই বিরল, মাইগ্রেনের রোগীদের মধ্যে এটি তুলনামূলক কিছুটা বেশি দেখা যায়।

৫. মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা
মাইগ্রেন থাকলে অ্যাংজাইটি বা ডিপ্রেশনের মতো মানসিক সমস্যা জটিল হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে মাইগ্রেনের সঙ্গে এই মানসিক দিকগুলোর সম্পর্ক রয়েছে, কিন্তু এরা একে অপরকে সৃষ্টি করে কি না, তা নিয়ে আরও গবেষণা চলছে।

কখন সতর্ক হবেন?
যদি মাথাব্যথা অতি তীব্র ও হঠাৎ শুরু হয়, হাত বা মুখ নড়াচড়া না করে ও কথা এলোমেলো হয় – তাহলে একে কেবল মাইগ্রেন ভাবা ঠিক হবে না। এগুলো স্ট্রোক, খিঁচুনি বা অন্য গুরুতর নিউরোলজিক্যাল সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। তাই মাইগ্রেনের ব্যথায় সাধারণ ব্যথানাশক বা বিশ্রাম কাজ না করলে দ্রুত হেডেক স্পেশালিস্ট বা নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া উপহারে দিতে হবে কর

০

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) উপহার বা দানের ওপর কর আরোপসংক্রান্ত বিধানে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু পরিবর্তন এনেছে। নতুন এই সংশোধনের ফলে কোন ক্ষেত্রে উপহার করমুক্ত থাকবে এবং কোন ক্ষেত্রে কর দিতে হবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

এনবিআর সূত্র জানায়, নির্দিষ্ট কয়েকটি পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে উপহার বা দান করলে তা করমুক্ত থাকবে। তবে এসব সম্পর্কের বাইরে কারও কাছ থেকে উপহার পেলে সেটি করের আওতায় পড়বে।

যাদের কাছ থেকে উপহার পেলে কর বসবে না

চার ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে উপহার বা দান সম্পূর্ণ করমুক্ত থাকবে। এ ক্ষেত্রে অর্থ, গয়না, জমি, ফ্ল্যাটসহ স্থাবর ও অস্থাবর সব ধরনের সম্পদই কর ছাড়াই হস্তান্তর করা যাবে। করমুক্ত সম্পর্কগুলো হলো—
১. স্বামী-স্ত্রী
২. মাতা-পিতা
৩. ছেলে-মেয়ে
৪. আপন ভাই-বোন

চলতি অর্থবছর থেকে করমুক্ত দান বা উপহারের তালিকায় আপন ভাই ও বোনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে এনবিআর। ফলে সহোদর ভাই-বোনের মধ্যে অর্থ বা সম্পদ লেনদেনে আর কর দিতে হবে না।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনেক সময় ভাই-বোনের ব্যাংক হিসাবে রেমিট্যান্স বা উপহার হিসেবে অর্থ পাঠান। রেমিট্যান্স করমুক্ত হলেও উপহার হিসেবে পাঠানো অর্থ নিয়ে আগে কিছুটা অস্পষ্টতা ছিল। নতুন ব্যাখ্যায় বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, পাঁচ লাখ টাকার বেশি যেকোনো লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে করতে হবে।

যাদের উপহারে কর দিতে হবে

এনবিআরের তালিকায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা করমুক্ত সম্পর্কের মধ্যে নেই। ফলে শ্বশুর-শাশুড়ি, শ্যালক-শ্যালিকা কিংবা শ্বশুরবাড়ির অন্য কোনো সদস্যের কাছ থেকে টাকা, গয়না, জমি বা ফ্ল্যাট উপহার হিসেবে পেলে সেটির ওপর কর দিতে হবে।

মোদ্দাকথা, স্বামী-স্ত্রী, মাতা-পিতা, সন্তান ও আপন ভাই-বোন ছাড়া অন্য যে কারও কাছ থেকে উপহার পেলে তা করযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এনবিআর জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া সম্পদ উপহার হিসেবে কর নথিতে দেখিয়ে অবৈধ অর্থ বৈধ করার অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম ঠেকাতেই করমুক্ত উপহারের পরিধি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

কীভাবে রিটার্নে দেখাবেন

এনবিআর সূত্র অনুযায়ী, করমুক্ত সম্পর্ক ছাড়া অন্য যে কারও কাছ থেকে উপহার পেলে তা সংশ্লিষ্ট করবর্ষের আয়কর রিটার্নে দেখাতে হবে এবং নির্ধারিত হারে কর পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে উপহারদাতাকেও তার আয়কর রিটার্নে উপহার দেওয়ার তথ্য উল্লেখ করতে হবে।

স্বর্ণের বাজারে বড় পতন, আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি

০

দীর্ঘদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর অবশেষে দেশের স্বর্ণবাজারে স্বস্তির খবর এলো। টানা ছয় দফা দাম বাড়ার পর স্বর্ণের মূল্য কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে নতুন নির্ধারিত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
সবশেষ গত ২২ জানুয়ারি রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে ভরিপ্রতি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হবে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৭ টাকায়।
বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি স্বর্ণের দামে বড় ধরনের সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকায় উন্নীত করা হয়, যা ছিল দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ মূল্য। সেই দামে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হয়েছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা, যা কার্যকর হয়েছিল ২২ জানুয়ারি থেকে।
চলতি বছরে এ নিয়ে দেশের বাজারে মোট ১১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ৮ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩ দফা কমানো হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে সারা বছরে স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল ৯৩ বার, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও কমতি এসেছে। ভরিপ্রতি ৫২৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ভরিপ্রতি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত রুপার দাম ৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫ দফা বেড়েছে এবং ৩ দফা কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় হয়েছিল মোট ১৩ বার এর মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

নির্বাচনের দিন ফজর নামাজ পড়বেন ভোটকেন্দ্রে-তারেক রহমান

০

এবার ও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে,নির্বাচনের দিন ফজর নামাজ পড়বেন ভোটকেন্দ্রে,ধানের শীষ সরকার গঠন করলে, আমাদের তরুন সমাজে যুব সমাজে বেকার সমস্যা আছে,বেকার সমস্যা একটা বিরাট সমস্যা।বেকারদের জন্য ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবো কর্মসংস্থান এর জন্য।দেশে যেনো একটা ব্যবসা করতে পারে এবং বিদেশে গিয়ে ভালো একটা কাজ করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার(২২জানুয়ারী)রাত ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্রাপাড়া খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,ফ্যামেলি কার্ডের ব্যবস্থা করবো,পুরুষের পাশাপাশি মহিলাদের যদি সাপোর্ট থাকে তাহলে একটা ফ্যামিলি খুব ভালোভাবে চলতে পারে,সন্তানদের মানুষ করতে পারে,তাই গৃহিনীদের জন্য এই ব্যবস্থা করে দেবো,তাছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষি থাকবে বিনামূল্যে সার,বীজ যেনো কৃষকেরা পায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া১(নাসিরনগর)আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমএ হান্নান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া২(সরাইল আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর আংশিক)আসনে বিএনপির জোট প্রার্থী আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব,ব্রাহ্মণবাড়িয়া৩(সদর বিজয়নগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব (শ্যামল),ব্রাহ্মণবাড়িয়া৪(কসবা আখাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া৫(নবীনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ মান্নান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া৬ আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী মোঃ জোনায়েদ সাকীসহ জেলা উপজেলার হাজারও নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ।

ধামরাইয়ে এনসিপির কার্যালয় ভাঙচুর অভিযোগ, তবে ভাঙচুর নয় বলে দাবি ভবন মালিক ও পুলিশের

০

ঢাকার ধামরাইয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একটি নির্বাচনি কার্যালয় লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তবে ভবন মালিক ও পুলিশ তা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, সেখানে কোনো লুটপাট বা ভাঙচুর হয়নি,অনুমতি ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনে রাখা চেয়ার, টেবিল ও ব্যানার ভবন মালিক সরিয়ে রেখেছেন মাত্র। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়। পরে পুলিশ ও ভবন মালিকের সঙ্গে কথা বলে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।

এনসিপির দাবি অনুযায়ী, গত ২১ জানুয়ারি কালামপুর বাজার এলাকায় একটি ভবনের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে সেখানে ব্যানার টাঙানো হয় এবং ১৫-২০টি চেয়ার ও কয়েকটি টেবিল দিয়ে কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার এসে নেতাকর্মীরা দেখতে পান, কার্যালয়ের কোনো মালামাল নেই।

এনসিপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ অভিযোগ করেন, তাদের নির্বাচনি কার্যক্রম শুরুর আগেই একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। গতকাল রাত পর্যন্ত আমাদের অফিসে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। আজ এসে দেখি সব চেয়ার, টেবিল ও ব্যানার নেই, অফিস সম্পূর্ণ খালি।
তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন ভবন মালিক মোঃ শামসুর রহমান। তিনি বলেন,ভবনটি এখনো নির্মাণাধীন। এনসিপিকে কোনো অংশ ভাড়া দেওয়া হয়নি। আমার অনুমতি ছাড়াই এখানে ব্যানার লাগানো হয়েছিল। তাই সেগুলো খুলে রেখে দিয়েছি। চেয়ার-টেবিল এখনো আমার হেফাজতেই আছে। কোনো লুটপাট বা ভাঙচুর হয়নি। তিনি আরও জানান, ভবন ব্যবহারের বিষয়ে এনসিপির কেউ তার সঙ্গে আলোচনা বা অনুমতি নেননি।

এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ধামরাই থানা পুলিশ জানায়, সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আলামত পাওয়া যায়নি।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা খান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারি, ভবনের মালিক মালামাল পাশের একটি দোকানে সরিয়ে রেখেছেন।  বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এখন তিনি জানিয়েছেন, এনসিপিকে কার্যালয় করতে দেওয়ার বিষয়ে তার আপত্তি নেই। দোকান মালিক বুঝতে না পেরে সরিয়ে রাখেন। এখানে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ধর্ষণের অভিযোগে দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

০

জামালপুর শিশু আদালত-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আজ বৃহস্পতিবার এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে । সেই সাথে  প্রত্যেককে ৩ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে। জরিমানার টাকা ভিকটিম প্রাপ্ত হবেন এই আদেশ দেন বিচারক।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জামালপুর সদর উপজেলার ডেফালী বাড়ী গ্রামের আলাল উদ্দিনের ১৮ বছর বয়সী ছেলে মো. রিফাত হোসেন এবং গোপালপুর দামেশ্বর গ্রামের আব্দুল মান্নান আকন্দ বেলের ২৪ বছর বয়সী ছেলে মো. সাব্বির হোসেন আকন্দ ওরফে সেতু।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ ফজলুল হক সাংবাদিকদের জানায়, বিগত ২৬ জানুয়ারী ২০১৮ রাতে দশম শ্রেণির ছাত্রী তার বাড়ির কাছে কেন্দুয়া দেওয়ানীপাড়া এলাকার মাদ্রাসা মাঠে বাৎসরিক ইসলামিক সম্মেলন ও ওয়াজ মাহফিল শোনার জন্য ইসলামিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে যায়। সেখানে যেয়ে সে ক্ষুধার্তবোধ করায় রাত ১১টার দিকে ভাপা পিঠা খাবার কিনতে সভার বাহিরে রাস্তায় যায়।  সেই সময় মোঃ সাব্বির হোসেন আকন্দ ও মোঃ রিফাত হোসেন তাকে জোর করে কাছের মেশিন ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর ভিকটিমের মা মোছাঃ নাজমা বেগম বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে শিশু আদালত-১ (জেলা ও দায়রা জজ) এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম ৯জন সাক্ষির সাক্ষ গ্রহণ এবং প্রাসঙ্গিক নথিপত্র পরীক্ষা করে তাদের দোষী সাব্যস্ত করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০(সংশোধনী/০৩) এর ৯(৩) ধারায় সশ্রম কারাদন্ড এবং প্রত্যেককে তিন লক্ষ টাকা জরিমামানার আদেশ দেন। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, এ্যাডভোকেট মোঃ ফজলুল হক পি.পি. এবং আসামী পক্ষে ছিলেন এ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নন।

বিড়ি নিয়ে ভাইরাল বক্তব্যে ২ কোটি ভোট বেড়েছে জামায়াতের

০

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত-সমালোচিত বক্তব্যকে নেতিবাচক নয়, বরং রাজনৈতিকভাবে লাভজনক হিসেবে দেখছেন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হক। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক এক বক্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া ভাইরাল আলোচনা জামায়াতের পক্ষে নতুন করে বিপুল ভোটের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতুকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ফয়জুল হক বলেন, “ফেসবুক ব্যবহারে আমাদের সতর্ক থাকতে হয়। কারণ আমরা যা করি বা বলি, সবই ভাইরাল হয়ে যায়। সেদিন একটি বক্তব্য দিয়েছিলাম যা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে; অথচ ওই বক্তব্যের কারণে জামায়াতের ভোট বেড়েছে ২ কোটি।”

তিনি দাবি করেন, চায়ের দোকান বা সাধারণ মানুষের আড্ডাস্থলে গিয়ে কর্মীদের দাওয়াতি কর্মকাণ্ডের কথা বলতে গিয়ে তাঁর বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমি বলেছি আমার কর্মীরা চায়ের দোকানে গেলে চা খাওয়া অবস্থায়ও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দেবে। কেউ যদি বিড়ি খেয়েও থাকে, সেখানেও দাওয়াত পৌঁছাবে। এতে সমস্যা কোথায়? বিড়ি খাওয়া মানুষ কি আমাদের ভোট দেবে না? দাড়ি ছাড়া মানুষ কি ভোট দেবে না?”

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মানুষের ভুল অভ্যাস পরিবর্তনের সুযোগ আল্লাহই দেন। আল্লাহ চাইলে কাউকে ভুল পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন। জান্নাত-জাহান্নাম সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষকে সংশোধনের জন্য।

ভাইরাল হওয়াকে নেতিবাচক না দেখে ড. ফয়জুল হক এটিকে রাজনৈতিক ‘ফ্রি মার্কেটিং’ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, “এতে আমাদের জন্য কোটি টাকার মার্কেটিং হয়ে গেছে। দুই মিনিটের বক্তব্যই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া এক ধরনের উপহার।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাসী সুরে তিনি বলেন, কাঁঠালিয়া ও রাজাপুর ঘুরে মানুষের আগ্রহ দেখে তিনি নিশ্চিত যে ভোটাররা পরিবর্তন চায়। ভোটাররা বলছেন—সব দেখা হয়েছে, এবার ‘দাঁড়িপাল্লা’ দেখতে চাই। বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা ঘরে ফিরবেন না বলে ঘোষণা দেন তিনি।