Home Blog Page 247

লবঙ্গ খেলে কী হয়?জেনে নিন ৭টি অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্য উপকারিতা!

প্রতিদিনের রান্নায় যে লবঙ্গ আপনি শুধু সুগন্ধ আর স্বাদের জন্য ব্যবহার করেন, সেটিই নীরবে কাজ করে যাচ্ছে আপনার শরীরের ভেতরে। চোখে না পড়লেও এই ক্ষুদ্র মসলার ভেতরে লুকিয়ে আছে শক্তিশালী প্রাকৃতিক ওষুধের গুণ। প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্র থেকে আধুনিক গবেষণা সবখানেই লবঙ্গের নাম উঠে আসে রোগ প্রতিরোধ, হজম শক্তি বৃদ্ধি ও শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষিত রাখার উপাদান হিসেবে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিয়মিত ও পরিমিত ব্যবহারে এই ছোট লবঙ্গই হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার বড় ভরসা।

লবঙ্গের সবচেয়ে শক্তিশালী উপাদান ইউজেনল এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ভেতরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। এই স্ট্রেস দীর্ঘদিন জমতে থাকলে হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। নিয়মিত অল্প পরিমাণে লবঙ্গ গ্রহণ করলে সেই ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

হজম সমস্যায় ভুগলে লবঙ্গ হতে পারে সহজ সমাধান। এটি হজম এনজাইমের নিঃসরণ বাড়িয়ে খাবার দ্রুত ভাঙতে সাহায্য করে। বদহজম, গ্যাস, পেট ফাঁপার মতো সমস্যায় খাবারের পর এক বা দুইটি লবঙ্গ চিবিয়ে খাওয়া বা রান্নায় ব্যবহার করলে স্বস্তি মিলতে পারে।
লবঙ্গের প্রদাহ-নাশক গুণ আর্থ্রাইটিস কিংবা সাধারণ জয়েন্টের ব্যথা কমাতেও কার্যকর। নারকেল তেলে লবঙ্গ ভিজিয়ে ব্যথার জায়গায় হালকা মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়। পাশাপাশি এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও ভাইরাস-বিরোধী বৈশিষ্ট্য শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী করে। লবঙ্গ সাদা রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়িয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় রাখে।
মুখ ও দাঁতের যত্নে লবঙ্গের ভূমিকা বহুদিনের পরীক্ষিত। দাঁতের ব্যথা, মাড়ির সংক্রমণ কিংবা মুখের দুর্গন্ধ কমাতে এটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। লবঙ্গ বা লবঙ্গের তেল দাঁত ও মাড়িতে লাগালে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়, যা এখনো অনেক জায়গায় ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে জনপ্রিয়।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণেও লবঙ্গ আশাব্যঞ্জক ফল দেখিয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ ইনসুলিনের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য সীমিত পরিমাণে লবঙ্গ উপকারী হতে পারে।
এছাড়া প্রাথমিক ও প্রাণীভিত্তিক গবেষণায় ইঙ্গিত মিলেছে, লবঙ্গের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ধীর করতে সক্ষম। যদিও মানবদেহে এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন, তবু সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
লবঙ্গের স্বাদ ও গুণাগুণ বজায় রাখতে এটি এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ করা উচিত। পুরো লবঙ্গ পিষা লবঙ্গের তুলনায় বেশি দিন তাজা থাকে এবং স্বাস্থ্যগুণও ভালোভাবে ধরে রাখে। ঝোল, স্টু কিংবা মাংসের রান্নায় লবঙ্গ যোগ করলে স্বাদের সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য উপকারিতাও বাড়ে।
সব মিলিয়ে লবঙ্গ শুধু রান্নার উপাদান নয়, এটি হজম শক্তি বাড়ায়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে, প্রদাহ কমায় এবং সম্ভাব্যভাবে ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করতে পারে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পরিমিতভাবে লবঙ্গ যুক্ত করলে শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ রাখা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের। গর্ভবতী, স্তন্যদানরত নারী কিংবা যাদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে লবঙ্গ নিয়মিত ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

যে জুস খেলেই মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় বদলে যাবে চেহারা!

হঠাৎ করে মুখ ফোলা, চোখের নিচে ফোলাভাব বা শরীর ভারী লাগা এ ধরনের সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। অনেক সময় মাপলে দেখা যায় ওজন ২–৩ কেজি বেড়ে গেছে, অথচ ডায়েট বা খাবারে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে মূল কারণ ফ্যাট নয়, বরং শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি বা ওয়াটার রিটেনশন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেলারি ও শসার জুস নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই জুস খেলে মুখের ফোলাভাব কমে, শরীর হালকা লাগে এবং সাময়িকভাবে ওজনও কমতে পারে।

শরীরে পানি জমার কারণ
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরে পানি জমার প্রধান কারণগুলো হলো:
অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম গ্রহণ
পর্যাপ্ত পানি পান না করা
দীর্ঘ সময় বসে থাকা
হরমোনের পরিবর্তন
শরীরের টিস্যুতে জমে থাকা সোডিয়াম অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে, যার ফলে মুখ, গাল, পেট ও হাত-পা ফোলা দেখা দেয়।
সেলারি-শসার জুসের কার্যকারিতা
সেলারি কিডনিকে অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করতে সহায়তা করে। সোডিয়াম বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের অতিরিক্ত পানিও কমে। শসা পটাশিয়ামের কারণে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকে। ফলস্বরূপ, মুখের ফোলাভাব কমে এবং শরীর হালকা অনুভূত হয়।
জুস তৈরি ও খাওয়ার নিয়ম
উপকরণ:
সেলারি ডাঁটা ৪টি
১টি শসা
১টি সবুজ আপেল
অল্প পালং শাক
১টি টুকরো লেবু
সব উপকরণ একসাথে জুস করুন। খালি পেটে দিনে ২ বার পান করুন। টানা ২ দিনেই তাত্ক্ষণিক পার্থক্য দেখা যায়।
বিশেষ সতর্কতা
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই জুস স্থায়ীভাবে ওজন কমায় না। এটি কেবল শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে। কিডনি সমস্যা, নিম্ন রক্তচাপ বা ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। দীর্ঘ সময় এই ধরনের ডিটক্স জুস খাওয়া উচিত নয়। মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা অস্বস্তি দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
সেলারি ও শসার জুস সাময়িকভাবে ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে হলে কম লবণযুক্ত খাবার, পর্যাপ্ত পানিপান, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা প্রয়োজন।

মুক্তির আগেই রেকর্ড গড়ল থালাপাতির শেষ সিনেমা

০

দক্ষিণ ভারতের অভিনেতা বিজয় থালাপাতির শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’ মুক্তির আগেই আগাম টিকিট বিক্রিতে সাড়া ফেলেছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলেছে, রাজনৈতিক অ্যাকশন ঘরানার সিনেমাটির টিকিট বুকিং শুরু হয় ক’দিন আগে থেকে। মুক্তির এক সপ্তাহ বাকি থাকতেই প্রিমিয়ার শোসহ উদ্বোধনী দিনের জন্য বিশ্বজুড়ে অগ্রিম টিকিট বিক্রি থেকে ‘জন নায়াগান’ ১৫ কোটি রুপির আয় করেছে।
উত্তর আমেরিকা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া থেকে ১১ থেকে ১২ কোটি রুপি ঘরে তুলেছে ‘জন নায়াগান’। দেশের ভেতরে কেবল কর্র্নাটক ও কেরালাতেই টিকিট বুকিং চলছে।
তামিলনাড়ু ও ভারতের অন্যান্য জায়গায় বুকিং শুরু হলে দেশের ভেতরেও সিনেমাটি ভালো আয় করবে বলে মনে করছে প্রযোজনা সংস্থা।
রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। এই সিনেমাটি নন্দমুরি বালাকৃষ্ণ অভিনীত ‘ভগবন্ত কেশরী’র রিমেক কি না, তা নিয়েও চলছে আলোচনা। পরিচালক এইচ বিনোথ বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘জন নায়াগান’ সিনেমার চিত্রনাট্য ‘ভগবন্ত কেশরী’র রিমেক হোক বা অথবা সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই বানানো হোক না কেন, তা নিয়ে আলোচনার কিছু আছে বলে মনে করিনা।
দর্শকের উদ্দেশে এইচ বিনোথ, এটি একটি থালাপাতির সিনেমা, অন্তত একটি শো দেখুন। আপনাদের উত্তর পেয়ে যাবেন। ক’দিনের মধ্যে সিনেমার টিজার, ট্রেইলার ও আরও গান আসলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক এইচ বিনোথ। থালাপাতি বলেন, আমি সিনেমা থেকে সরে যাচ্ছি। তার কথায়, অনুরাগীরা ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ। তারা আমার সিনেমা দেখার জন্য প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করেন। তাই আগামী ৩৩ বছর তাদের জন্য কাজ করতে চাই। আমি রাজনীতিবিদ হিসেবে বাকি জীবন কাটাতে চাইছি। এই বিজয় ভক্তদের ঋণ শোধ করবে।
থালাপাতি তামিলাগা ভেটরি কাজাগম (টিভিকে) গড়ে তোলেন গত বছর এবং তামিলনাডু রাজ্যে নির্বাচনের ঘোষণা দেন। চলতি বছরে তার নির্বাচনী সমাবেশে পদদলিত হয়ে ৩৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচিত হন থালাপাতি।

রুনা খানকে নিয়ে দুই সিনেমা

০

‘কাগজ’ সিনেমার পরিচালক আলী জুলফিকার জাহেদী সম্প্রতি নির্মাণ করেছেন বিশেষ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘রক্তছায়া’। এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন কান চলচ্চিত্র উৎসবকে লক্ষ্য করে নির্মিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
‘রক্তছায়া’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটিতে পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। এর মাধ্যমে এই প্রথম রুনা খানকে পুলিশ চরিত্রে দেখা যাবে। আদ্রিয়ান প্রোডাকশনের প্রযোজনায় এতে আরও অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক আমান রেজা, রাফাহ নানজীবা তোরসা, নকশী তাবাচ্ছুম, আফফান মিতুল প্রমুখ।
গল্প সম্পর্কে জুলফিকার জাহেদী বলেন, মূলত নারীর প্রতি বৈষম্যকে সাবজেক্ট করে গল্পটি এগিয়েছে। এখানে আমরা নারীর শক্তি, বুদ্ধিমত্তাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আর এ জন্য আমাকে একজন শক্তিমান গুণী অভিনয় শিল্পীর প্রয়োজন ছিল। যে কারণে রুনা খানকে বেছে নিয়েছি। তার অভিনয় দক্ষতা, পরিমিতিবোধে আমি দারুণভাবে প্রভাবিত। আশা করছি, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেলে সবার ভালো লাগবে।
এদিকে, রুপালি পর্দার মানুষদের জীবনের গল্প নিয়ে ‘চলচ্চিত্র: দ্য সিনেমা’ বানাচ্ছেন নির্মাতা আলী জুলফিকার জাহেদী। এ সিনেমায় চিত্রনায়িকার চরিত্রে অভিনয় করবেন রুনা খান। গত বছর সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন

তিনি। চলতি বছর এর শুটিং শুরু হবে বলে জানান নির্মাতা।

দাম কমার পর স্বর্ণ-রুপার আজকের বাজারদর

০

দেশের স্বর্ণপ্রেমীদের জন্য সুখবর বাজারে ফের নেমেছে স্বর্ণের দাম। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। নতুন এই হারে রোববার (৪ জানুয়ারি) থেকে স্বর্ণ বিক্রি হবে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার ফলে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন বাজারদর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজকের হালনাগাদ স্বর্ণের দাম:
২২ ক্যারেট: ২,২২,৭২৪ টাকা প্রতি ভরি

২১ ক্যারেট: ২,১২,৬৩৫ টাকা প্রতি ভরি

১৮ ক্যারেট: ১,৮২,২৫০ টাকা প্রতি ভরি

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার-নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬% যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হারে তারতম্য হতে পারে।
স্বর্ণের সঙ্গে রুপার দামও কমেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ভরিতে ৫২৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,৫৪১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫,৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪,৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩,৩৮৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
সংক্ষেপে, স্বর্ণ ও রুপার বাজারে সামান্য কমতি এসেছে, যা ক্রেতাদের জন্য নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। যারা বিনিয়োগ বা গহনা কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের আজকের বাজারদর নজর রাখা উচিত।

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

চলতি জানুয়ারিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়বে কিনা, তা জানা যাবে আজ রোববার (৪ জানুয়ারি)। চলতি মাসের জন্য এলপি গ্যাসের নতুন দর ঘোষণা করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, সৌদি আরামকো কর্তৃক ঘোষিত জানুয়ারি, ২০২৬ মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী চলতি মাসে ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের আদেশ রোববার ঘোষণা করা হবে।

আজ বিকেল ৩টায় রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) শহিদ প্রকৌশলী ভবনের (৬ষ্ঠ তলা) কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দর ঘোষণা করা হবে।

এছাড়াও এলপিজির দর এর আগে সদ্য বিদায়ী ডিসেম্বরে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গত ২ ডিসেম্বর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

হাসিনা আমলের মত ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়া চলতে পারে না

এনসিপির যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা ১১ আসনের মনোনীত প্রার্থী দিলশানা পারুল হাসিনা আমলের মত ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়া চলতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন।

রবিবার দিবাগত রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি এ কথা লিখেন।

দিলশানা পারুল তার সহকর্মীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে লিখেন, তৈবুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাভারের ফ্রন্ট লাইনের সংগঠক আমাদের এনসিপির সাভারের বর্তমান নেতা। উত্তরা থেকে ডিবি পুলিশ তৈবুর কে অ্যারেস্ট করেছে। উত্তরা কোন থানায় তৈবুরের কোন খোঁজ আমরা পাচ্ছি না।

তিনি আরও লিখেন, আমার ঢাকা ১৯ নমিনেশন সাবমিশন এর সাভারের ভোটার হিসেবে প্রস্তাবনাকারী। গতকাল নমিনেশন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় দুপুরে আমার সাথে ছিল। আমার নমিনেশন বৈধ ঘোষণার পর সেখান থেকে সে উত্তরা চলে যায়। অনতি বিলম্বে তৈবুর কে কোথায় আটকে রাখা হয়েছে আমাদেরকে জানতে দিতে হবে।

মাসিক আয় লাখ টাকারও কম এই ৫ শীর্ষ নেতার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের আগে মনোনয়নপত্রে প্রকাশিত হলফনামা থেকে জানা গেছে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জাতীয় পার্টির শীর্ষ ৫ নেতার মাসিক আয় লাখ টাকারও কম, যা আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সবচেয়ে কম আয়ের তালিকায় রয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। পেশায় চিকিৎসক হলেও তার আয়ের উৎস মূলত কৃষি ও অনুদান। তিনি বছরে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা আয় করেন, যা মাসে দাঁড়ায় মাত্র ৩০ হাজার টাকায়।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের রাজনৈতিক জীবিকা নিয়ে থাকলেও তাঁর মাসিক আয় ৩৩ হাজারের কিছুটা বেশি, বার্ষিক আয় ৪ লাখ টাকা।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুই নেতার তুলনায় কিছুটা এগিয়ে; তার বছরে আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, মাসিক প্রায় ৫৬ হাজার টাকা।
রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী আখতার হোসেন নগদ ১৩ লাখ টাকা ও কৃষি ব্যবসা ও চাকরি থেকে বছরে আয় ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা। মাসিক আয় ৪২ হাজার টাকা।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৩৩ হাজার ১৮৩ টাকা; মাসিক প্রায় ৯৫ হাজার টাকা।
ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম পরামর্শক হিসেবে বছরে আয় করেন ১৬ লাখ টাকা, যা মাসে ১ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি।
পাশাপাশি, বরিশাল-৫ আসনের ফয়জুল করীম ব্যবসা, শিক্ষকতা ও মাহফিলের হাদিয়া থেকে এখন বছরে ১৪ লাখ টাকার বেশি আয় করছেন।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী শীর্ষ আয়ের তালিকায়; আইন, ব্যবসা ও অন্যান্য খাত থেকে বার্ষিক আয় ৩৩ লাখ, মাসিক ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
নির্বাচন কমিশন এবার হলফনামা বিষয়ে কঠোর। তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল এবং জরিমানার বিধান আছে।
মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর। বাছাই প্রক্রিয়া ৪ জানুয়ারি শেষ হয়েছে। আপিল ৬-১২ জানুয়ারি, নিষ্পত্তি ১২-১৮ জানুয়ারি। প্রার্থীরা ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যাহার করতে পারবেন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। প্রচারণা ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা পর্যন্ত চলবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন আজ

০

আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের শেষ দিন। আগামীকাল সোমবার (৫ জানুয়ারি) থেকে প্রার্থিতা বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল শুরু হবে।

তফসিল অনুযায়ী, সারা দেশে ৩০০ আসনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের সংখ্যা আজই চূড়ান্ত হবে। চলমান যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে মোট বৈধ এবং বাতিল মনোনয়নপত্রের সংখ্যা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। এরপর ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে আপিল শুনানি নিষ্পত্তি হবে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনে ২৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ৮১ জনের।

জানুয়ারিতে দেশজুড়ে আসছে ৪-৫টি শৈত্যপ্রবাহ

০

দেশের শীতের ধরন এবার অনেক আগে দেখা অনিয়মিত রূপ নিয়েছে। রাতের তাপমাত্রা যেমন কমেছে, দিনে রোদের দেখা মিলছে না বললেই চলে। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাস পুরো দেশকে শীতের চাদরে মুড়িয়ে দিয়েছে।

পৌষ মাসের এই তীব্র ঠান্ডা শিশু, বৃদ্ধ এবং কর্মজীবী সবার জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলছে। সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতায় জনজীবন বিপর্যস্ত। পাশাপাশি ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, সড়ক, রেল ও নৌপরিবহণ প্রতিনিয়ত ব্যাহত হচ্ছে।

আবহাওবিদরা জানাচ্ছেন, জানুয়ারিতে দেশজুড়ে ৪-৫টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এদের মধ্যে দু-তিনটি হবে মাঝারি এবং অন্তত একটি শৈত্যপ্রবাহ অত্যন্ত তীব্র। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “কুয়াশা ঘন হওয়ায় এবং সূর্যের আলো ভূ-পৃষ্ঠে না আসার কারণে শীত আরও প্রবলভাবে অনুভূত হচ্ছে। জানুয়ারিতে শীত থাকবে, মাঝে মাঝে কমবে, মাঝে মাঝে বাড়বে।”

২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় তাপমাত্রা নেমে হয়েছিল মাত্র ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত ২০ বছরের মধ্যে এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, শীতের তীব্রতা বেড়েছে, যদিও স্থায়িত্ব কম।

শনিবার দেশের ৯ জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায় ঘন কুয়াশা এবং ঠান্ডা বাতাসের কারণে জনজীবন স্থবির। হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘন কুয়াশার কারণে অনেক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।
শীতের তীব্রতার কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে কষ্টে। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সৈয়দা মেহনাজ বলেছেন, “সুষম খাদ্য গ্রহণ ও পর্যাপ্ত শীতের পোশাক ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।”

কৃষকরা তীব্র শীতের কারণে ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কৃষক মো. সালিম জানান, ইরি ধানের বীজতলা (চারা) নষ্ট হচ্ছে, যা পরবর্তী ধান রোপণে সংকট তৈরি করতে পারে।
কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা নেমেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। জয়পুরহাট, পঞ্চগড় ও বরিশালেও হাড় কাঁপানো শীতের কারণে জনজীবন স্থবির। পঞ্চগড়ে ইতিমধ্যে ১৬ হাজার ১৪০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
সংক্ষেপে, জানুয়ারির শুরুতেই দেশজুড়ে শৈত্যপ্রবাহের আভাস। ঘন কুয়াশা, তীব্র ঠান্ডা ও তাপমাত্রার হ্রাস জনজীবন, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে। সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।