Home Blog Page 247

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি সানাউল্লাহ

০

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রবাসীদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরণের কারচুপির সুযোগ নেই।

ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে লাইভ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ব্যালটের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের সার্কিট হাউজে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সাথে মতবিনিময় সভায় ইসি আরও বলেছেন, প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে। ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে।

ভোটকেন্দ্রে শুধুমাত্র প্রিজাইডিং অফিসার কলম নিয়ে যেতে পারবে, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেনন্সিল নিয়ে যাবেন।

ইসি আরও বলেন, ভোট চলাকালীন প্রতি আসনে ১০ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অনিয়ম ঠেকাতে কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক রয়েছে।

তিনি আরও বলেছেন, নির্বাচন পরিচালনার সাথে যুক্ত কর্মকর্তাদের কোনো ধরণের আপ্যায়ন বা আতিথেয়তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।

অপ তথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সত্য এবং সঠিক তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও আহত ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভোটে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব জেলা ও প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে ইসি বলেন, সততা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন শক্ত অবস্থানে থাকবে। এখানে বড় দল বা ছোট দলের কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান।

নির্দেশনার পরেও কোন কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তার পরিণতি হবে কঠোর।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেখানে অনিয়ম হবে সেখানে কোনো ধরনের নমনীয়তা দেখানো যাবে না।

বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলস প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৪ হাজার সাংবাদিকের ‘তথ্য ফাঁস’, যে ব্যাখ্যা দিলো ইসি

০

সাংবাদিকদের কার্ড পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটটি কিছু সময়ের জন্য আবেদনকারীদের তথ্য উন্মুক্ত ছিল। তবে এতে ডাউনলোডের অপশন ছিল না।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইসির ওয়েবসাইটি থেকে ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এমন ব্যাখ্যা দিয়েছে সংস্থাটি।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল মল্লিক জানান, সাংবাদিকদের আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে তাদের আবেদনের বিষয়টি ক্লোজ করে দেওয়া হয়। পরে গতকাল শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদনের পথটিও বন্ধ করা হচ্ছিল। এ সময় আগে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে যারা নিজের ড্যাশবোর্ডে লগইন করেছেন, তারা অ্যাডমিন প্যানেলও দেখতে পেয়েছেন। কাজেই তথ্য ফাঁসের বিষয়টি সঠিক নয়। কিছু সময়ের জন্য এনআইডি, নাম এমন তথ্যগুলো দেখা গেছে। কিন্তু ডাউনলোডের সুযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, তথ্য তো কেউ ফাঁস করেনি। আমাদের সাইটে কাজ করার সময় ওপেন ছিল। এটা হ্যাক করে বা অন্য কোনো পন্থায় কেউ তথ্য নিয়ে কোনো অপকর্ম করেছেন বলে অভিযোগ আসেনি।

অনেকেই অভিযোগ করেছেন, পেশাদার কোনো ফার্ম নয়, বরং এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে ওয়েবসাইটি তৈরি করা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, এটা আমাদের নিজস্ব প্রোগ্রামাররা তৈরি করেছেন। এআই দিয়ে এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় নাকি।

সম্প্রতি pr.ecs.gov.bd ওয়েবসাইটি ডেভেলপ করে ইসি। নির্বাচন দেখার জন্য প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের এই সাইটটির মাধ্যমে আবেদন নিচ্ছিল সংস্থাটি।

তবে নানা তথ্য সরবরাহগত জটিলতায় সাংবাদিকরা ঘোর আপত্তি জানালে সে উদ্যোগ থেকে সরে আসে কমিশন। ফলে আগের মতোই এবারও ম্যানুয়ালি আবেদন নিয়ে যাচাইয়ের পর সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া হবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের জন্য চলতি সপ্তাহেই পাস দিতে পারে ইসি।

আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?

০

চুল পড়া চুলের সবচেয়ে পরিচিত সমস্যার মধ্যে একটি। তাই একটি প্রশ্ন প্রায় সব সময়েই জিজ্ঞাসা করা হয় – আমলকির তেল কি চুল পড়া কমাতে বা রোধ করতে পারে? আমলকির তেলের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল প্রভাব রয়েছে যা মাথার ত্বকের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আমলকির তেল নিয়মিতভাবে ব্যবহার করলে ফলিকল স্ট্রেস বা খুশকির সঙ্গে সম্পর্কিত চুল পড়া কমাতে পারে। তবে, নিয়মিতভাবে ব্যবহার করলে আমলকির তেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে এমন নিয়ন্ত্রিত ক্লিনিকাল গবেষণা এখনও সীমিত।

আমলকির তেলের কিছু উপকারিতা জেনে নিন:

চুল ঘন করে

আমলকির তেল চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করে বলে মনে করা হয়। বলা হয়, এটি চুলের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে, যার ফলে চুল ঘন হয়। যারা ঘন চুল পেতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য উপকারী একটি তেল হতে পারে এই আমলকীর তেল।

 

এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে

আমলকিতে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতি চুলের খাদের মান উন্নত করে এবং চুল ভাঙা কমায়। এটি পরিবেশগত কারণ দ্বারা ক্ষতি থেকে চুলের স্বাস্থ্যকেও রক্ষা করে। চুল ভালো রাখতে তাই আমলকির তেল বেছে নিতে পারেন।

অকাল চুল পাকা রোধে সাহায্য করে

আমলকির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলো অকাল চুল পাকা রোধে সাহায্যকারী ঘাটতিগুলি মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে পারে। যারা অল্প বয়সেই চুল পাকার সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত আমলকীর তেল ব্যবহার করতে পারেন।

চুলের মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগায়

চুলের জন্য আমলকির তেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার মধ্যে একটি হলো এটি মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং শুষ্কতা দূর করে। এটি আপনার চুলকে খুশকি এবং চুলকানির মতো বিভিন্ন সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে

আমলকিতে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনার চুল এবং মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। তাই নিয়মিত আমলকির তেল ব্যবহার করলে এই উপকার পাবেন।

চুল ঝলমলে করে

আমলকি তেল চুলের ম্যাসাজের জন্য ব্যবহার করা হলে এটি আপনার চুলে একটি প্রাকৃতিক ঝলমলে ভাব যোগ করতে পারে। নিয়মিত এই তেল চুলে ব্যবহার করলে তা চুলকে মসৃণ এবং দীর্ঘ গঠন দিতে পারে।

তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান শহীদ আবু সাঈদের বাবা

০

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে তার এই প্রত্যাশার কথা জানান। মকবুল হোসেন বিশ্বাস করেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে একটি বৈষম্যহীন উন্নত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

শহীদ আবু সাঈদের বাবার মতে, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্বপ্ন পূরণ হওয়া সহজ হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন সরকার গঠন হলে সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং যে লক্ষ্য নিয়ে তার ছেলে জীবন দিয়েছেন, তা সার্থক হবে।

এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি সরাসরি সেখানে উপস্থিত হয়ে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। কবর জিয়ারত শেষে তিনি আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন এবং তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক খোঁজখবর নেন। তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

শোবিজ ছেড়ে ধর্মের পথে বর্ষা! ধন্যবাদ দিলেন আজহারীকে

০

চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা শোবিজের কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন ও ধর্মীয় অনুশীলন নিয়েও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। নিয়মিত ধর্মীয় আচার পালন করেন তিনি। গত বছর ওমরাহ পালন করতে মক্কায় গিয়ে ফিরে এসে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে একটি বড় সিদ্ধান্ত নেন এই অভিনেত্রী। সে সময় তিনি জানান, ভবিষ্যতে সন্তানদের বড় করার দিকে মনোযোগ দিতে সিনেমা থেকে সরে দাঁড়াবেন।

নিজের ঘোষণায় এখনো অটল রয়েছেন বর্ষা। বর্তমানে তাকে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যাচ্ছে না। তবে মাঝে মাঝে ফটোশুট ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা যায়। অবসর সময়ে তিনি বই পড়তে ভালোবাসেন, বিশেষ করে ধর্মীয় বই পড়ায় তার আগ্রহ বেশি।

সম্প্রতি তেমনই একটি বই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন বর্ষা। সেখানে তিনি জনপ্রিয় ইসলামি ব্যক্তিত্ব ড. মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে আজহারীর লেখা ‘এক নজরে কুরআন’ বইটির কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। ক্যাপশনে বর্ষা লেখেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বইটি পড়তে আগ্রহী ছিলেন। তিনটি কপি অর্ডার করেছিলেন, যার মধ্যে দুটি তার বোনদের জন্য। বইগুলো হাতে পেয়ে তিনি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, জীবনে অনেক কিছুই এখনো অজানা, তবে এই বইটি পড়ে তিনি অনেক নতুন বিষয় জানতে পারবেন বলে আশা করছেন। পাশাপাশি বইটি পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ড. মিজানুর রহমান আজহারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং তার মঙ্গল কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ‘খোঁজ: দ্য সার্চ’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় বর্ষার। এতে অনন্ত জলিলের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। ২০১১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই তারকা দম্পতি। তাদের সংসারে আরিজ ইবনে জলিল ও আবরার ইবনে জলিল নামে দুই পুত্রসন্তান রয়েছে।

সবচেয়ে কম দামে স্বর্ণ পাবেন যে দুটি জায়গায়!

০

বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের দাম মূলত আন্তর্জাতিক বাজারের স্পট প্রাইসের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হলেও স্থানীয় কর, আমদানি শুল্ক এবং মুদ্রার মানের পার্থক্যের কারণে দেশভেদে এর দামে ভিন্নতা দেখা যায়। ফলে কোনো দেশে স্বর্ণ কেনা সাশ্রয়ী হয়, আবার কোথাও এর দাম অনেক বেশি পড়ে। বৈশ্বিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় যে হংকং বর্তমানে স্বর্ণ কেনার জন্য সবচেয়ে সস্তা স্থান হিসেবে স্বীকৃত।

হংকংয়ে স্বর্ণের দাম কম হওয়ার প্রধান কারণ হলো সেখানে কোনো আমদানি শুল্ক নেই এবং করের হার অত্যন্ত নগণ্য। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার দরের প্রায় সমান দামেই সেখানে স্বর্ণ কেনা সম্ভব হয়। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশেষ করে দুবাই স্বর্ণের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এখানকার গোল্ড সুক বা স্বর্ণের বাজারগুলো অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এবং করের হার কম হওয়ায় পর্যটকদের কাছে এটি স্বর্ণ কেনার প্রধান আকর্ষণ। দুবাইয়ের বাজারে স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় থাকায় ক্রেতারা সহজেই তুলনামূলক কম দামে স্বর্ণ সংগ্রহ করতে পারেন।

সুইজারল্যান্ডকেও স্বর্ণের সাশ্রয়ী বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। উন্নত রিফাইনিং সেক্টর এবং স্বচ্ছ লেনদেন ব্যবস্থার কারণে সেখানে স্বর্ণের দাম স্থিতিশীল থাকে যা বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য সুবিধাজনক। এছাড়া সিঙ্গাপুর, কুয়েত এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতেও বাংলাদেশের তুলনায় স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কম দেখা যায়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া এবং আফ্রিকার মালাউই-এর মতো দেশেও স্থানীয়ভাবে দাম কিছুটা কম থাকে তবে বৈশ্বিক বাজারে এসব দেশের প্রভাব তুলনামূলক কম।

স্বর্ণের দাম প্রতিদিন পরিবর্তনশীল হলেও হংকং এবং দুবাই তাদের শুল্কমুক্ত নীতি ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সবসময়ই ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে লাভজনক বাজার হিসেবে টিকে রয়েছে। মূলত আমদানিকারক ও সাধারণ ক্রেতারা যারা মানসম্মত স্বর্ণ সাশ্রয়ী মূল্যে খুঁজছেন তাদের জন্য এই দেশগুলোই প্রথম পছন্দ।

এই ট্রফি আপনাদের জন্য’

০

ইল্যান্ডে প্রথমবারের মতো আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয় মেয়েদের।  এরপর ছাদখোলা বাসে গন্তব্য হাতিরঝিলে অ্যাম্ফিথিয়েটারে। আলো ঝলমলে মঞ্চে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন দেশবাসীকে ট্রফি উৎসর্গ করেন। ২০২২ ও ২০২৪ সালে সাফ ফুটবলজয়ী নারী ফুটবল দলকেও এভাবেই বরণ করেছিল বাফুফে। সেবারের সেই উৎসবের আমেজ এবার দেখা যায়নি। তবে, মানুষের আগ্রহ কম থাকলেও গানের তালে নেচে-গেয়ে ট্রফির সঙ্গে লাল সবুজ পতাকা হাতে উদ্যাপনটা জমপেশই করেছেন সবাই। বিমানবন্দর থেকে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা ছাদখোলা বাসে করে দলকে নেওয়া হয় হাতিরঝিলে। সেখানে এম্ফিথিয়েটারে সাজানো মঞ্চে রাত ৯টার একটু পর একে একে ওঠেন দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা। দলের ১৩ জন সদস্য মঞ্চে উপস্থিত হলেও অধিনায়ক সাবিনা তখনও মঞ্চে ওঠেননি। অনুষ্ঠান সঞ্চালকের অনুরোধে দর্শকরা সমস্বরে ‘সাবিনা, সাবিনা’ বলে ডাকতে থাকেন। পরে মূল ফটক দিয়ে ট্রফি হাতে মঞ্চে ওঠেন অধিনায়ক।

দর্শকদের করতালি ও উল্লাসে মুহূর্তটি হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। মঞ্চে উঠে সাবিনা বলেন,‘সবার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা। ম্যাচ জেতার পর যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় যাই তখন দেশের মানুষের ভালোলাগা-ভালোবাসা দেখতে পাই। ওই জায়গা থেকেই মোটিভেশন আসে, মেয়েরা উৎসাহিত হয়। মেয়েদের খেলার আগ্রহ, জেতার আগ্রহ বাড়ে।

সেই জায়গা থেকে এই ট্রফি আপনাদের জন্যই। দেশের মানুষের জন্য।’ তিনি বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, ফুটসাল টিম ম্যানেজার, কোচিং স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সাত দেশের অংশগ্রহণে লিগ পদ্ধতিতে আয়োজিত টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ৬ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। দলটি ৫টি ম্যাচ জিতে এবং একটি ম্যাচ ড্র করে শিরোপা নিশ্চিত করে। শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ১১ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয় ভুটান।

বাংলাদেশের ইরানি হেড কোচ সাইদ খোদারাহমি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে তিনি আনন্দিত,‘বাংলাদেশে ফুটসালের নতুন যাত্রা মাত্র কয়েক মাসের, তবে এভাবেই সাফল্য আসতে থাকবে। ফুটসাল চেয়ারম্যান ও টিম ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানান, স্বল্প সময়ের প্রস্তুতিতেই মেয়েরা ট্রফি এনে দিয়েছে। সব কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের,‘সবাই মিলে চেষ্টা করলে ফুটসালের জন্য মাঠ করা যায়।

এছাড়া সবাই যেন খেলোয়াড়দের পাশে থেকে সহযোগিতা করে তাহলে খেলাটি এগিয়ে যাবে।’ ২০২৪ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সাবিনাদের দেড় কোটি টাকা বোনাস ঘোষণা করেছিল ফেডারেশন। এক বছরের বেশি সময় পার হলেও সেই টাকা পাননি ফুটবলাররা। তাই ঋতুপর্ণারা এশিয়া কাপ নিশ্চিত করার পরও কোনো ঘোষণা দেয়নি ফেডারেশন।

সেটা অনুকরণ করেই কিনা এবার ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন দলকেও ছাদখোলা বাস ও হাতিরঝিলে আলো ঝলমলে অনুষ্ঠান করা হয়েছে। যথারীতি প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মেয়েদের। কিন্তু কোনো রকম আর্থিক পুরস্কারের নিশ্চয়তা দেননি তিনি! বলেছেন,অবশ্যই ওদের জন্য কিছু করা হবে, পুরস্কার দেওয়া হবে, তবে সেটা কিভাবে, কি পরিমাণে সেটি প্রকাশ কররেননি।

বাফুফে সভাপতি সাবিনার প্রশংসা করে বলেন,‘অভিনন্দন বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দলকে। অধিনায়ক সাবিনাকে ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন। কারণ সাবিনা বাংলাদেশের একমাত্র ত্রীড়াবিদ, যে কি না দুইটা ভিন্ন খেলায় তিনবার দেশকে সাফ জিতিয়েছেন। তার নাম বাংলাদেশ যুগের পর যুগ মনে রাখবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে ২৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ​

০

​আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) এর তত্ত্বাবধানে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় ২৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকাগুলোতে তারা দায়িত্ব পালন শুরু করেছে।

​বিজিবি সূত্র জানায়, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে নোয়াখালী জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের ৮টি উপজেলায় ১৬ প্লাটুন এবং লক্ষ্মীপুর জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের ৫টি উপজেলায় ১০ প্লাটুনসহ সর্বমোট ২৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

​৪ বিজিবি, ফেনীর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোশারফ, বিজিবিএম, জি+ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মোতায়েনকৃত বিজিবি সদস্যরা সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্পে অবস্থান করবেন। নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রোবাস্ট পেট্রোলিং  অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

​বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিজিবি সংবিধান ও আইনের আলোকে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক সভা ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে ৪ বিজিবি।

​বিজিবি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শেখ হাসিনার বাসার আড়াই কোটি টাকার খাবারের বিল বাকি!

০

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন গণভবনে দীর্ঘ সময় খাবার সরবরাহ করে আড়াই কোটি টাকারও বেশি বকেয়া সংকটে পড়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান হোটেল অবকাশ। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের আমলের এই বিপুল পরিমাণ দেনার দায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিতে না চাওয়ায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বাপক) এই পাওনা আদায় নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে একটি চুক্তির অধীনে গণভবনে নিয়মিত খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করত হোটেল অবকাশ। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট সরকারের পতন হওয়ার সময় এই খাবারের বিল বাবদ বকেয়া পড়েছিল প্রায় ২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিগত সরকারের সময় নিয়মিত রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও গণভবনে অধিক মানুষের যাতায়াতের কারণে খাবারের এই খরচের পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। এই বকেয়া আদায়ের জন্য গত দেড় বছরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে একাধিকবার চিঠি দিলেও এখনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।

বিগত সরকারের পাশাপাশি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবন যমুনাতেও খাবার সরবরাহ করছে হোটেল অবকাশ। গত ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বর্তমান প্রশাসনের কাছেও প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া পাওনা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে সরকারের কাছে হোটেল অবকাশের মোট পাওনার পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রশাসন বিভাগ এই বিল পরিশোধকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করলেও দীর্ঘ বকেয়া নিয়ে বিপাকে রয়েছে পর্যটন করপোরেশন।

বিপুল অংকের টাকা বকেয়া থাকায় হোটেল অবকাশ কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে। এছাড়া কাঁচামাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওনা পরিশোধ করতে না পারায় তারা নতুন করে মালামাল দিতে অপারগতা প্রকাশ করছে। ফলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়ছে। পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সায়েমা শাহীন সুলতানা জানিয়েছেন যে, নিয়ম অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বাকিতে সেবা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও বকেয়া আদায়ের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবারও চিঠি দেবেন।

চুক্তি অনুযায়ী বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ৪৬০টি আইটেম সরবরাহ করে হোটেল অবকাশ। এর মধ্যে দেশি-বিদেশি ফল, বেকারি সামগ্রী, ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা ও ঘি রয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে খাবার সরবরাহের এই ধারা চলে আসছে। তবে বর্তমান সংকট নিরসন না হলে দীর্ঘদিনের এই ঐতিহ্যবাহী সরবরাহ ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা হোটেল অবকাশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

আমরা কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না, মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই: জামায়াতের আমির

০

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমার আদিপত্যবাদ মানবো না, ফ্যাবিবাদ দেখতে চাই না। আমরা কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।

তিনি বলেন, আপনারা যদি আমাদের ভোট দেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে মন্ত্রি পরিষদের সিনিয়র সদস্য হিসেবে দেখতে পাবেন। এই প্রতিশ্রুতি আমি দিচ্ছি। এই সুযোগ চৌদ্দগ্রামে বাসী কাজে লাগাবেন কিনা সেটা চিন্তা করবেন।

তিনি আরো বলেন, ‘বিগত সময়ে শত অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেও আমরা দেশ ছাড়িনি। আমরা ছিলাম, আমরা আছি, আমরা থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমরা মজলুম ছিলাম, মজলুমে দুঃখ আমরা বুঝি। এজন্য আমরা কখনো জালিম হবো না।’

দেশব্যাপী নারী নির্যাতনের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আর যদি কোনো মা-বোনদের গায়ে হাত দেওয়া হয়, তাহলে আমরা তাদের ছেড়ে কথা বলবো না। এমন ঘটনা যেখানেই ঘটে, সেখানেই তোমরা সাহসী যুবকরা ঝাঁপিয়ে পড়ো, যেভাবে জুলাইয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছো।’

মা-বোনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মা-বোনেরা কোন জুজুর ভয় পাবেন না। কোনো ভয়-ভীতিতে আপনারা ক্ষান্ত হবেন না। আপনারা ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিন। চাঁদাবাজদের রুখে দিন। জামায়াত ক্ষমতায় এলেই মা-বোনেরা নিরাপদে থাকবেন।’ জামায়াত আমির বলেন, ‘আপনারা সেই মা যারা আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ আর ওসমান হাদিদের জন্ম দিয়েছেন। যারা আপনাদের ভয় দেখায় আপনারা তাদের রুখে দিন। বলুন ভোট আমি দিতে যাবো, ন্যায়-ইনসাফের পক্ষে দেবো, পারলে ঠেকাও।’

যুবকদের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কোনো যুবকের হাতে বেকার ভাতা তুলে দেবো না। যুবকদের দেশ গড়ার কারিগরে পরিণত করবো। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে আমরা যুবকদের সম্মানের জায়গায় বসাতে চাই।’

তিনি শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নির্বাচনি জনসভা তিনি এসব কথা বলেন।

চৌদ্দগ্রাম এইচ জে পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চৌদ্দগ্রাম আসনের ১১দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতে কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহেরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন এনসিপির সভাপতি নাহিদ ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা এটিএম মাছুম, মাওলানা আবদুল হালিম, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী সিগবাতুল্লাহ, ডাকসুর ভিপি সাদেক কাইয়ুম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসের সদস্য আবদুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, কুমিল্লা-১০ আসনের ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ ইয়াছিন আরাফাত, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণের সেক্রেটারী আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির উপজেলা সেক্রেটারী অনিল চন্দনাথ, উপজেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোতাসির বীন সাকির, জাতীয় নাগরিক শক্তির যুগ্ম আবু সুফিয়ান, শহীদ সাহাবুদ্দিনের পিতা মাওলানা জয়নাল আবেদীন, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মাহবুবুর রহমান, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ একেএম সামছুদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ভিপি শাহাবুদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, শ্রীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এমদাদুল হক শাহী, জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী মোঃ নুরুল ইসলাম মোল্লা।