Home Blog Page 251

১২ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ শুরু

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১২টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ সংলাপ শুরু হয়।

সংলাপে যোগ দিয়েছে গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির নেতারা।

একই দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাপ, তৃণমূল বিএনপি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংলাপে অংশ নেবে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) জামায়াতে ইসলামীসহ ১২টি দলের সঙ্গে সংলাপে বসবে ইসি।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমলো, ভরি ২ লাখ ৮ হাজার টাকা

স্বর্ণ বিশ্বের অন্যতম লোভনীয় সম্পদ। যেকোনো দেশে ঝুঁকি এড়াতে সোনা মজুত করে সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোতে সেই পরিমাণ বেড়ে গেলে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় কোনো দেশের মুদ্রার ব্যাপক অবমূল্যায়ন ঘটে। সেক্ষেত্রে নিজেদের সম্পদ রক্ষার্থে স্বর্ণ বিনিয়োগ করেন ব্যবসায়ীরা। ফলে তাদের কাছে ধাতুটির আকর্ষণ বাড়ে। সেই সঙ্গে দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়। আবার ডলারের দাম বাড়লে স্বর্ণের দর হ্রাস পায়। আবার ডলারের মূল্য নিম্নমুখী হলে স্বর্ণের দাম বেড়ে যায়। এসব কারণে স্বর্ণের দাম কখনও বাড়ছে আবার কখনও কমছে। এবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কিছুটা কমানো হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে দুই দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা। ফলে এখন এক ভরি স্বর্ণের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। আজ রবিবার (১৬ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ২০২ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৫৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৮০৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

এর আগে গত ১৪ নভেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ২৪৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ২৯২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৬৬৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতনী এক ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভরা মঞ্চে রাশমিকাকে বিজয়ের চুম্বন!

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার প্রেমের গুঞ্জন বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায় আছে। তবে এবার তারা প্রকাশ্যেই একে অপরের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। যা আবার ক্যামেরাবন্দিও করেছেন পাপারাজ্জিরা।
সম্প্রতি হায়দরাবাদে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’-এর সাফল্য উদযাপন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হন এই তারকা জুটি। সেখানে মঞ্চে রাশমিকার হাত ধরে তাকে চুম্বন করেন বিজয়। দর্শক ও সাংবাদিকদের সামনেই ঘটে সেই মুহূর্ত।
এই ঘটনায় কিছুটা লজ্জা পেলেও হাসিমুখে প্রেমিকের প্রতি ভালোবাসার বার্তা দেন রাশমিকা। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকের জীবনে একজন বিজয় দেবেরাকোন্ডার মতো মানুষ থাকা উচিত। ওর মতো একজনকে পাশে পাওয়া সত্যিই আশীর্বাদ।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বিজু, তুমি শুরু থেকেই এই সিনেমার অংশ ছিলে। আজ এই সাফল্যের আনন্দে তোমাকে পাশে পেয়ে ভালো লাগছে।’
রাশমিকা জানান, ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ ছবির কাজের সময় থেকেই বিজয় তার পাশে ছিলেন। তার এই বক্তব্যের পর থেকেই তাদের বিয়ের খবর আরও জোরালো হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, আগামী ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরে রাজকীয় আয়োজনে বিয়ে করতে চলেছেন এই দুই তারকা। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতেই হবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

জয়ের সেঞ্চুরি, সাদমান-মুমিনুলের ফিফটিতে বাংলাদেশের দিন

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দিনের শেষবেলায় বাংলাদেশ চমক দেখায়। আজ দ্বিতীয় দিনের খেলায় পুরোটা সময় তারা ছড়ি ঘুরিয়েছে। মাহমুদুল হাসান জয়ের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস, সাদমান ইসলামের ফিফটি ও মুমিনুল হকের সেঞ্চুরিপ্রত্যাশী পারফরম্যান্সে দিনটা রাঙিয়ে দিলো বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
এদিন ব্যাটিংয়ে নেমে আয়ারল্যান্ড মাত্র ২.২ ওভার টিকতে পেরেছে। বাকি দুই উইকেট হারিয়ে তারা স্কোরবোর্ডে প্রথম ইনিংসে জমা করে ২৮৬ রান।
তারপর জয় ও সাদমানের ওপেনিং জুটিতে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডকে শক্ত জবাব দেয়। এই জুটি বিচ্ছিন্ন হয় ১৬৮ রান করে। সাদমান ১০৪ বলে ৮০ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন।
আর কোনো উইকেট হারাতে দেননি জয় ও  মুমিনুল। দেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরি করেন জয়। আর মুমিনুলও ২৩তম ফিফটিকে সেঞ্চুরি বানানোর কাছে। ১২৪ বলে ৮০ রানে অপরাজিত তিনি। আর জয় ২৮৩ বলে ১৪ চার ও ৪ ছয়ে ১৬৯ রানে অপরাজিত আছেন।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৩৮ রান। দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ৫২ রানের।
জয় ৭৭তম ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা রান ছুঁলেন। আগের ১৩৭ রানকে পেছনে ফেললেন তিনি। তারপর দুই ওভার বিরতি দিয়ে মারমুখী এই ব্যাটার। কুর্টিস ক্যাম্ফারকে দুটি ছয় ও একটি চার মেরে ১৬ রান তুলে নিলেন। প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দেড়শ পার করেন তিনি।
জয়ের সঙ্গে মুমিনুল হকও দারুণ খেলছেন। আগের ছয় ইনিংসে তার সর্বোচ্চ রান ছিল ৪৭। এর মাঝে ত্রিশের ঘর পার করেছিলেন আর মাত্র একবার। অফফর্মে থাকার পর মুমিনুলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে একটা ভালো ইনিংসের প্রয়োজন ছিল। আজ সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ছক্কা মেরে ৭৫ বলে ২৩তম ফিফটি করলেন তিনি। জয়ের সঙ্গে তার শতক ছাড়ানো জুটিতে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডকে পেছনে ফেলে।
এর আগে জয় আয়ারল্যান্ড সিরিজ দিয়ে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনটা সেঞ্চুরিতে রাঙিয়েছেন। যা ঘরের মাঠে তার প্রথম ম্যাজিক ফিগার। এর আগে ২০২২ সালের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে টেস্টে নিজের চতুর্থ ইনিংসে প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন জয়।
১৯০ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় শতক তুলে নিলেন ২৪ বছর বয়সী এই ডানহাতি ওপেনার। ওপেনিংয়ে তার অপর সঙ্গী সাদমান সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও, জয় সেই পথে হাঁটেননি। সেঞ্চুরির পথে তিনি ৯টি চার ও একটি ছক্কার বাউন্ডারি খেলেছেন।
প্রথম সেঞ্চুরির পর জয় ৩০ ইনিংসে খেলে কেবল তিনটি হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে ধারাবাহিক হতে না পারায় বাদ পড়েন জাতীয় দলের স্কোয়াড থেকেও। সাম্প্রতিক সময়ে অবশ্য ঘরোয়া ক্রিকেটে ফর্ম দেখিয়েছেন জয়। সেই ফর্ম জাতীয় দলে টেনে এনে পেলেন টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার সঙ্গে সাদমানের উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশ তুলেছিল ১৬৮ রান। যা গত ১০ বছরে ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ।
এর আগে দারুণ বোঝাপড়ায় এগিয়ে চলা জয়-সাদমানের জুটি ভাঙে বাঁহাতি আইরিশ স্পিনার ম্যাথু হামপ্রিসের। কিছুটা বাইরের বল কাট করতে দেরি করে ফেলেছেন সাদমান। যা তার ব্যাটের আলতো স্পর্শ নিয়ে উইকেটরক্ষক লরকান টাকারের হাতে ধরা পড়ে। আয়ার‌ল্যান্ডের আবেদনে প্রথমে সাড়া দেননি আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে প্রথম সাফল্য পায় সফরকারীরা। ১০৪ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৮০ রানে থামেন সাদমান।

 

তৃতীয় দিনেই জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনেই জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ডের করা ২৮৬ রানের জবাবে মাহমুদুল হাসান জয় (১৭১) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (১০০) জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে ৮ উইকেটে ৫৮৭ রান নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।
৩০১ রানে পিছিয়ে থেকে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়ে যায় আইরিশরা।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেট হারিয়ে ৮৬ রান। ৪ ও শূন্য রানে অপরাজিত আছেন অ্যান্ডি ম্যাকবার্ন  ও ম্যাথিউ হ্যাম্পার। ৪৩ রান করে রান আউট হয়েছেন ওপেনার পল স্টারলিং। ১৮ রান করে ফেরান হ্যারি টকার।

১৬৪ টাকায় সয়াবিন তেল ও ৯৪ টাকায় চিনি কিনবে সরকার

আন্তর্জাতিকভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইস্তানবুল থেকে ১ লাখ ২০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল এবং ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন পরিশোধিত চিনি কিনবে সরকার। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল ১৬৪.২১০ টাকা এবং প্রতি কেজি চিনি কেনা হবে ৯৪.৯৪২ টাকায়। এতে মোট ব্যয় হবে ২৩৭ কোটি ১৩ লাখ ১৯ হাজার ২০০ টাকা।
বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে উন্মুক্ত দরপত্র (আন্তর্জাতিক) পদ্ধতিতে ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন পরিশোধিত চিনি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সুপারিশকৃত দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো ইস্তানবুলের বেগালতা ড্যানিসমানলিক হিজমেটলেরি এ এস ওমের অবনি এমএইচ ইনোনু সিডি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এই চিনি কিনতে ব্যয় হবে ৭৮ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। প্রতি কেজি ৯৪.৯৪২ টাকা।
অপর এক প্রস্তাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিকভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১ লাখ ২০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সুপারিশকৃত দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রেডেন্টোন এফজেডসিও দ্য প্যালাডিয়াম। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এই তেল কিনতে ব্যয় হবে ১৫৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫৯ হাজার ২০০ টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিনের দাম পড়বে ১৬৪.২১০ টাকা।

সংকট রয়েই গেল কর্মসূচি চলবে: ড. ইউনূসের ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াত

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোটের আয়োজন করা হবে বলে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া ঘোষণায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের ঘোষণায় সংকটমুক্ত স্বচ্ছ নির্বাচনের আশা করেছিলাম, কিন্তু সেখানে সেই সংকটটা রয়েই গেলো।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং আদেশের ওপর নভেম্বর মাসেই গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা গণদাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলমান ও ঘোষিত আট দলীয় কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সঞ্চালনায় মগবাজার দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাড. ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম।

 

প্রধান উপদেষ্টা জুলাই সনদ লঙ্ঘন করেছেন: সালাহউদ্দিন

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভাষণের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। অভিযোগ করে তিনি বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ভাষণের মাধ্যমে নিজের সই করা জুলাই সনদ লঙ্ঘন করেছেন।’
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কারণ জাতীয় সনদে তিনি স্বাক্ষর করেছেন এবং এ ভাষণের মাধ্যমে তা তিনি লঙ্ঘন করেছেন। আপাতত এটুকুই আমার প্রতিক্রিয়া।
তবে জুলাই সনদ লঙ্ঘন কীভাবে হয়েছে- এই বক্তব্যের কোনো ব্যাখ্যা দেননি এই বিএনপি নেতা।
দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলাপের পর সন্ধ্যা নাগাদ বিএনপির দলীয় প্রতিক্রিয়া জানা যাবে বলে জানান সালাহউদ্দিন।
তবে বিএনপি বলছে, সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই, তিনি শুধু অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
দুপুর আড়াইটায় জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা ভাষণ দিয়ে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে এক সঙ্গে আয়োজনের ঘোষণা দেন।
এদিন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করেন, সেখানে গণভোট কী প্রশ্ন থাকবেন তা তুলে ধরা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোটের আয়োজন করা হবে। অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে কোনোভাবেই সংস্কারের লক্ষ্য ব্যাহত হবে না। নির্বাচন আরও উৎসবমুখর ও সাশ্রয়ী হবে। গণভোটের আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন উপযুক্ত সময়ে প্রণয়ন করা হবে।
তিনি বলেন, গত ৯ মাস ধরে রাষ্ট্র গঠনের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছে। সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি বিষয়ে একমত হয়েছে দলগুলো। এটি ভবিষ্যত রাজনীতির জন্য আশাব্যঞ্জক। এজন্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ড. ইউনূস আরও বলেন, জুলাই সনদের আলোকে আমরা গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্নও নির্ধারণ করেছি। আমি প্রশ্নটি এখন আপনাদের সামনে পাঠ করে শোনাচ্ছি। প্রশ্নটি হবে এরকম : আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?
ক) নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ) আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ) সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ) জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে। গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে আপনি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে আপনার মতামত জানাবেন।
এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি এই আদেশে স্বাক্ষর করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। সন্ধ্যা ৭টায় এই বৈঠক হবে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে।
বৈঠকের বিষয়ে তথ্য দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে যে ভাষণ দিয়েছেন বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। পরে দলের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

চুক্তি হলো না, ভেস্তে গেল পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি সংলাপ

ইস্তাম্বুলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের শান্তি সংলাপ ভেস্তে গেছে। কোনোপ্রকার চুক্তি বা লিখিত সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়ে গেছে সংলাপ।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। পুরো ব্যাপারটিকে ‘অচলাবস্থা’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
“একটা পরিপূর্ণ অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আমাদের সংলাপ অনির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই”, সাক্ষাৎকারে বলেছেন খাজা মুহম্মদ আসিফ।
গত বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুলে তৃতীয় দফা সংলাপে বসেন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সরকারি প্রতিনিধিরা। এই সংলাপের পর শান্তি চুক্তি হওয়ার কথা ছিল দুই দেশের মধ্যে। কিন্তু আকাঙিক্ষত সেই চুক্তি হয়নি, সংলাপও প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলেছে।
পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে সংলাপের টেবিলে আনতে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে কাতার এবং তুরস্ক। সাক্ষাৎকারে দুই দেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসিফ বলেছেন, “আমরা সন্ত্রাসের মূলোৎপাটনের জন্য আফগানিস্তানের সহযোগিতা চেয়েছিলাম এবং কাতার-তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীরা আমাদের অবস্থানকে সমর্থন করেছে। এজন্য তাদেরকে আমাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। এমনকি আফগান প্রতিনিধিরাও আমাদের অবস্থানের সঙ্গে সম্মত হয়েছিলেন।”
“কিন্তু যখনই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রসঙ্গ এলো, তখন তারা পিছিয়ে গেলেন। তারা চান, তাদের মৌখিক প্রতিশ্রুতিতে যেন আমরা আস্থা রাখি। এটা কীভাবে সম্ভব? কোনো আন্তর্জাতিক আলোচনা কী সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়া হয়?”
প্রতিবেশী এবং একসময়ের ঘনিষ্ঠ মিত্র আফগানিস্তানের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরে তিক্ততা চলছে পাকিস্তানে। বর্তমানে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। ২০২১ সালে তালেবান বাহিনী কাবুল দখল এবং সরকার প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে শুরু হয়েছে এ অবস্থা।

 

যুদ্ধবিরতির পর গাজায় দেড় হাজারের বেশি ভবন ধ্বংস করেছে ইসরায়েল

১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতির পর গত এক মাসে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার ১ হাজার ৫শতাধিক ভবন ধ্বংস করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। এ সংক্রান্ত একাধিক স্যাটেলাইট ইমেজ যাচাইয়ের পর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
অনেক আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকের মতে, হামলা চালিয়ে ভবন ধ্বংসের মাধ্যমে শান্তি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন করছে ইসরায়েল। তবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আইডিএফ দাবি করেছে, চুক্তির আওতার মধ্যে থেকেই ভবনগুলো ধ্বংস করেছে তারা এবং নিকট ভবিষ্যতে আরও ভবন ও অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে।
গত ৮ নভেম্বর স্যাটেলাইট থেকে তোলা কিছু ছবি বিবিসির হাতে আসে। সেসব ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গাজার অনেক এলাকায় এমনকি ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতির সময়ও যতগুলো ভবন মোটামুটি অক্ষত অবস্থায় ছিল, সেগুলোর অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত নতুন যে প্রস্তাবনা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েল এবং হামাস তাতে সম্মতি জানানোর পর ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয় উপত্যকায়। এই যুদ্ধবিরতির আগে টানা দু’বছর যুদ্ধ হয়েছে হামাস এবং আইডিএফের মধ্যে। সেই যুদ্ধে গাজার ৭৫ শতাংশ ভবনের কোনোটি আংশিক, কোনোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।
ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় ২০টি পয়েন্ট আছে। সেগুলোর মধ্যে একটি পয়েন্টে বলা হয়েছে, “যুদ্ধবিরতির পর গাজায় বোমাবর্ষণ ও গোলাগুলিসহ সব রকমের সামরিক অপারেশন স্থগিত থাকবে।”
তবে বিবিসির হাতে থাকা স্যাটেলাইট ইমেজগুলো বলছে, ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত পুরো দমে হামলা চালিয়ে ভবন ও অকাঠামো ধ্বংস করা অব্যাহত রেখেছে আইডিএফ।
যুদ্ধবিরতির সময় একটি হলুদ সীমরেখা টেনে গাজায় উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব অংশ বরাবর সীমারেখা টেনেছিল ইসরায়েল। এই সীমারেখার নাম ইয়েলো লাইন। যেসব ভবন ধ্বংস হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই ইয়েলো লাইনের অপর পাশে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে।
খান ইউনিসের আবাসান আল কাবিরা এলাকার বাসিন্দা লানা খলিল বলেন, তিনি যে বাড়িতে থাকতেন— সেটি গত ২ বছর যুদ্ধের সময়ও অক্ষত ছিল। কিন্তু বিরতির পর গত এক মাসে তার বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন আবাসান আল কাবিরার নিকটবর্তী আল মাওয়াসি এলাকায় তাঁবুতে থাকছেন তিনি।
“ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী কিছু বাকি রাখেনি আমাদের জন্য। সব ধ্বংস করে দিয়ে গেছে”, বিবিসিকে বলেছেন লানা খলিল।
একই অবস্থা গাজার আরেক দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফার আল বায়েউক এলাকাতেও। সেখানেও যুদ্ধবিরতির পর বেশ কয়েকটি ভবন ধ্বংস করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে আইডিএফের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বিবিসি। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক মুখপাত্র এ প্রসঙ্গে বিবিসিকে বলেন, “আমরা যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন করছি না। চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে যে গাজায় সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সম্পর্কিত সব ভবন, সুড়ঙ্গ ও অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে। আমরা সেই কাজটিই করছি।”
এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় বলেছিলেন, “সন্ত্রাসের সঙ্গে সম্পর্কি সুরঙ্গ ও অন্যান্য অবকাঠামো ধ্বংসের মাধ্যমে গাজাকে অসামরিকীকরণ করা ইসরায়েলের নিরাপত্তানীতির অংশ।”
তবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিষয়ক থিংকট্যাঙ্ক সংস্থা রুসি’র সহযোগী গবেষক ড. এইজ এ হেলইয়ার বিবিসিকে বলেছেন, “ইসরায়েল নিশ্চিতভাবেই যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্‌ঘন করছে। কারণ প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে গাজায় একটি নতুন বেসামরিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে সন্ত্রাসের সঙ্গে সম্পর্কিত ভবন-অবকাঠামোগুলো ধ্বংস করা হবে। গাজায় এখনও কোনো নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি।”
ইউরোপভিত্তিক থিংকট্যাংক সংস্থা হিউ লোভ্যাট বিবিসিকে, “একটি নতুন বেসামরিক সরকার গঠন হওয়ার আগ পর্যন্ত ইসরায়েল গাজায় যতবেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে, যুদ্ধবিরতিও সেই হারে ঝুঁকিতে পড়বে।”