Home Blog Page 262

অস্বাভাবিক শীত লাগছে? শরীর জানাচ্ছে যে ভিটামিনের ঘাটতির ইঙ্গিত

চারপাশের সবাই যখন স্বাভাবিক, তখনও কি আপনার গায়ে কাঁটা দিচ্ছে ঠান্ডায়? শুধু আবহাওয়ার শীত নয়, সাম্প্রতিক সময়ে এই বিষয়টি ঘিরে আলোচনা বলছেঅতিরিক্ত শীত লাগার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে শরীরের ভেতরের এক নীরব সংকেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতিই অনেক সময় এই সমস্যার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

চিকিৎসকদের ভাষায়, ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের ঘাটতি অতিরিক্ত শীত লাগার অন্যতম প্রধান কারণ। এই দুই উপাদান রক্তের মাধ্যমে শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাত্রা কমে গেলে রক্তের অক্সিজেন বহনক্ষমতা হ্রাস পায়, ফলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটে। এরই পরিণতিতে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ঠান্ডা অনুভূত হয়।

শুধু শীত লাগাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, নিস্তেজভাব, হাত-পায়ে ঝিনঝিন করা বা অবশ লাগার মতো উপসর্গও ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের ঘাটতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সময়মতো এই ঘাটতি পূরণ না হলে রক্তস্বল্পতা, স্নায়বিক জটিলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অকারণে বারবার শীত লাগাকে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক সময় এই অনুভূতি শরীরের ভেতরে চলতে থাকা কোনো জৈবিক ঘাটতি বা বড় সমস্যার পূর্বাভাস দেয়। তাই স্বাভাবিকের বাইরে ঠান্ডা লাগা অনুভূত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তে ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের মাত্রা পরীক্ষা করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

স্বাস্থ্য ও মানবদেহ নিয়ে কৌতূহল বাড়লেও, চিকিৎসকদের মতে সবচেয়ে জরুরি হলো শরীরের সংকেতগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া। কারণ অতিরিক্ত শীত লাগা অনেক সময়ই হতে পারে শরীরের ভেতরে জমে ওঠা বড় সমস্যার প্রথম সতর্ক ঘণ্টা।

আবারো ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন মেহেদী হাসান মিরাজ

০

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সিরামিক ও গ্রেস পোর্শেলিন ওয়াল টাইলস, ফ্লোর টাইলস, কাউন্টারটপ এবং স্যানিটারি ওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান RAK Ceramics Bangladesh ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ-এর সঙ্গে চুক্তি নবায়নের ঘোষণা দিয়েছে।

২০২১ সাল থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ RAK Ceramics-এর সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং এই সময়ে তিনি ব্র্যান্ডটির পারফরম্যান্স, ধারাবাহিকতা ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মাঠে তার ধারাবাহিক সাফল্য ও যোগ্য নেতৃত্ব RAK Ceramics-এর টেকসই, উদ্ভাবনী এবং নান্দনিক লাইফস্টাইল সল্যুশন প্রদানের দর্শনের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা দেশের আধুনিক ঘরবাড়ির ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত।

চুক্তি নবায়ন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক সাইনিং অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্মেলন সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে RAK Ceramics Bangladesh-এর ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক অংশীদার, বিশিষ্ট অতিথি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে RAK Ceramics Bangladesh-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) সাধন কুমার দে বলেন, “মেহেদী হাসান মিরাজ আমাদের ব্র্যান্ডের মূল মূল্যবোধ—সহনশীলতা, সততা এবং ধারাবাহিক উৎকর্ষ—এর এক শক্তিশালী প্রতিফলন। যেমনভাবে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ মানের পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে চলেছেন, ঠিক তেমনি RAK Ceramics গুণগত মান, উদ্ভাবন ও ডিজাইনে নতুন নতুন মানদণ্ড স্থাপন করে যাচ্ছে। এই সফল অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারণ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন,“RAK Ceramics মানে গুণগত মান, উদ্ভাবন এবং আস্থা—যা আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত মূল্যবোধের সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব অব্যাহত রাখতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি, যা মানুষকে আরও উন্নত ও নান্দনিক জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা জোগায়।”

এই নবায়িত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে RAK Ceramics Bangladesh দেশব্যাপী তাদের ব্র্যান্ড উপস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে এবং গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

২০২৬ সালকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক জীবনধারাকে প্রতিফলিত করে এমন নতুন ও উদ্ভাবনী লাইফস্টাইল কালেকশন উন্মোচনের পাশাপাশি শোরুম অভিজ্ঞতা উন্নয়ন, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা সম্প্রসারণ এবং সমন্বিত ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও এনগেজমেন্ট কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে RAK Ceramics Bangladesh দেশের নির্মাণ ও লাইফস্টাইল খাতে মান, নান্দনিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

মানুষের মস্তিষ্ক ২০ বছর মনে রাখে অপমান কিন্তু প্রশংসা ভুলে যায় মাত্র ৩০ দিনে

গবেষণা অনুযায়ী, মানুষজনের মস্তিষ্ক নেতিবাচক অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে মনে রাখে। insults বা দোষারোপ ২০ বছর পর্যন্ত মনে থাকতে পারে, কিন্তু compliments বা প্রশংসা প্রায় ৩০ দিনের মধ্যে ফিকে হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি প্রাকৃতিক নেগেটিভিটি বায়াস, যা মানুষের জীবনে হুমকি শনাক্ত ও নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য বিকাশ লাভ করেছে। নেতিবাচক অভিজ্ঞতা ভুল থেকে শেখার ক্ষেত্রে সহায়ক হলেও, এর প্রভাব প্রশংসা বা ইতিবাচক ঘটনার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।

যদিও প্রশংসা ও ইতিবাচক ঘটনা মনকে উজ্জীবিত করে, তা তাড়াতাড়ি ফিকে হয়ে যায় যদি সচেতনভাবে মননে ধরে রাখা না হয়। মস্তিষ্ককে ইতিবাচক অভিজ্ঞতাকেও নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মতোই মনে রাখার ক্ষমতা তৈরি করতে, বিশেষজ্ঞরা কিছু কৌশল সাজেস্ট করছেন—কৃতজ্ঞতা চর্চা করা, ইতিবাচক মুহূর্তগুলোর মূল্যায়ন করা এবং নিজের অর্জনগুলো নিয়মিত স্মরণ করা।

মস্তিষ্ক অভিযোজ্য, এবং নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে এটি ইতিবাচক এবং নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মধ্যে ভারসাম্য স্থাপন করতে পারে।

ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে না চাইলেই ব্যবস্থা

০

প্রায়ই ছেঁড়া-ফাটা নোট নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় মানুষকে। দোকানে কেনাকাটার ক্ষেত্রে তো বটেই; অনেক সময়ই ব্যাংকে গিয়েও চালানো সম্ভব হয় না নোট। গ্রাহকদেরকে এমন বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি দিতে ছেঁড়া, পোড়া বা বিভিন্ন কারণে নষ্ট হওয়া নোটের বিনিময় মূল্য ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন এ নীতিমালার আওতায় এখন থেকে গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে নষ্ট হওয়া নোটের বিপরীতে নির্ধারিত হারে অর্থ ফেরত পাবেন।

সম্প্রতি একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে জানানো হয়, নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো নোটের ৯০ শতাংশের বেশি অংশ বিদ্যমান থাকলে এর বিপরীতে পুরো মূল্যমানের অর্থ ফেরত পাবেন গ্রাহক।

নতুন এ সার্কুলারের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক নোট প্রত্যর্পণ প্রবিধান ২০২৫’ কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাতিল করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক নোট রিফান্ড রেগুলেশনস ২০১২’। আগে ছেঁড়া ও পোড়া নোট বদলের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বিধান ছিল না। নতুন বিধিমালায় নোটের কত অংশ থাকলে কত টাকা পাওয়া যাবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, কোনো নোট দুই খণ্ডে বিভক্ত হলে খণ্ড দু’টি সন্দেহাতীতভাবে একই নোটের অংশ হতে হবে। এ ক্ষেত্রে জমা গ্রহণের সময় নোটের বিচ্ছিন্ন খণ্ড দু’টির উল্টো পিঠে সরু আকারের হালকা সাদা কাগজ দিয়ে জোড়া লাগাতে হবে, যাতে আসল নোট শনাক্তে কোনো অসুবিধা না হয়। একইভাবে, যেসব জীর্ণ নোট পরীক্ষার সময় নাড়াচাড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে, সেগুলোর উল্টো পিঠেও হালকা সাদা কাগজ সংযুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত, নষ্ট বা পুড়ে যাওয়া প্রচলিত নোট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসসহ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেও বদল করে নেওয়া যায়। প্রতিটি ব্যাংক শাখায় ছেঁড়া নোট বদলের সুযোগ থাকলেও সব নোটের পুরো মূল্য পাওয়া যায় না।

কেবল যেসব নোটের ৯০ শতাংশের বেশি অংশ অক্ষত রয়েছে, সেগুলোর বিপরীতে সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত দেওয়া হবে। এসব ক্ষেত্রে নোট সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবেই বদল করে দেওয়া হচ্ছে। অন্য ছেঁড়া-ফাটা নোটও নিয়ম অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে বদল করা হয়।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বিনিময় মূল্য পেতে কোনো ব্যাংক শাখায় সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন গ্রাহক। ব্যাংক শাখা বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হলে আবেদনটি প্রধান কার্যালয়ে পাঠাতে হবে। সেখান থেকেও সমাধান না হলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হবে। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্র প্রাপ্তির আট সপ্তাহের মধ্যে নোটটির মূল্য প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং মূল্য প্রদেয় হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হিসাবে অর্থ সমন্বয় করা হবে।

সুষ্ঠু নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের বিধি মোতাবেক ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোটের বিনিময় মূল্য প্রদান এবং দাবিযোগ্য নোটসংক্রান্ত সেবা নিয়মিতভাবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ধরনের সেবা প্রদানে কোনো ব্যাংক শাখা অনীহা দেখালে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে সার্কুলারে।

০

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বাড়াবুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বাড়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে।র মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯০৮ পয়েন্টে অবস্থান করে। এ সময় ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১ হাজার ২০ ও ১ হাজার ৮৮২ পয়েন্টে দাঁড়ায়।

এই সময়ের মধ্যে ডিএসইতে ৪২ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২১০টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৫৫টির কমেছে এবং ৭০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো- সায়হাম কটন, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, ইনটেক লিমিটেড, জেনেক্স, একমি লিমিটেড, মুন্নু ফেব্রিকস, সায়হাম টেক্সটাইল, রহিমা ফুড, খান ব্রাদার্স ও সিমটেক ইন্ডাস্ট্রি।

এর আগে দিনের লেনদেনের শুরুতে সূচকে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়। প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট বাড়ে। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আরও ৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর অর্থাৎ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৯ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯০৯ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অপরদিকে, সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ১ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৭৭০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে সেখানেও সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে ২১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এ সময়ে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, ছয়টির কমেছে এবং ছয়টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

১৯৭১ সালে যারা ষড়যন্ত্র করেছিল তারাই আজও সক্রিয়

০

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত রয়েছে। এক বছর আগে তিনি যা বলেছিলেন, আজ বাস্তবতা সেটিরই প্রতিফলন। ১৯৭১ সালে যারা ষড়যন্ত্র করেছিল, ১৯৭৫ সালের নভেম্বর, ১৯৮১ সাল, ১৯৯৬ সাল এবং পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল, তারাই আজও সক্রিয়। সুতরাং, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের দায়িত্ব হলো, দেশের সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতন থাকা, ঐক্যবদ্ধ থাকা।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তারেক রহমান এ কথা জানান। যুক্তরাজ্যের লন্ডনের দ্য সিটি প্যাভিলিয়ন হলে এই আলোচনা সভা করা হয়।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, তাঁরা বিজয়ী হলে দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবেন। জনগণের কাছে তাঁদের জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতা থাকবে।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, ব্যাংকিংব্যবস্থা ও শিল্প খাত যে গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে বিএনপির সামনে চ্যালেঞ্জ হবে অত্যন্ত বড়। তবে জনগণের সমর্থন ও জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদী।

এবার নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের উদ্যোগ জকসু নির্বাচন কমিশনের

০

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর নতুন করে প্রার্থীদের নাম সংযোজন ও বিয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

জানা যায়, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার তিন দিন পর নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কমিশন নতুন করে নাম সংযোজন ও বিয়োজনের উদ্যোগ নেয়। অথচ কমিশন ভোটার তালিকার নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল। বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীকে সুবিধা দিতে জকসু বিধিতে উল্লেখ না থাকলেও কমিশন নিজ উদ্যোগে গোপনে প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করেছে, যা নির্বাচনী বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

কমিশনের এমন পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কার্যনির্বাহী সদস্য পদপ্রার্থী জাহিদ হাসান বলেন, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর কমিশন কীভাবে গোপনে নাম সংযোজন ও বিয়োজনের আবেদন গ্রহণ করে? এ বিষয়ে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। নাম সংযোজন-বিয়োজনের সুযোগ ছিল খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময়। তা না করে চূড়ান্ত তালিকার পর এ ধরনের গোপন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। কমিশনের প্রতি অনুরোধ, তারা যেন এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে।

ভিপি প্রার্থী মো. রাকিব হাসান বলেন, শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশন আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই পূর্বে একজন প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন। এখন কমিশন একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের প্রার্থীকে সুবিধা দিতে তার নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নিচ্ছে, যা সম্পূর্ণ পক্ষপাতমূলক। একের পর এক এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কমিশন একটি পাতানো নির্বাচন আয়োজনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকার নামের সঙ্গে মিল রেখেই আমরা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছি। প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কয়েকজন তাদের নামে কিছু সংযোজন ও বিয়োজনের জন্য আবেদন করেছে। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর নতুন করে নাম সংযোজন ও বিয়োজন করা জকসু বিধি লঙ্ঘন কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “বিধিতে এ ধরনের বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু বলা নেই।” তবে খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর আবেদন করার সুযোগ ছিল এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তারা তখন আবেদন করেছিল বলেই আমরা এ সুযোগ দিয়েছি। এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী কি না এমন প্রশ্ন করলে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

হাদির স্বাস্থ্যের সবশেষ তথ্য জানাল ইনকিলাব মঞ্চ অনলাইন ডেস্ক

০

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির স্বাস্থ্যের সবশেষ তথ্য জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তারা এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, ‘স্বাস্থ্য স্থিতিশীল হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করতে হলে প্রথমে শরীরকে সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল করতে হবে। চিকিৎসা সিঙ্গাপুর অথবা ইংল্যান্ড যে কোনো জায়গায় হতে পারে। ব্রেন সক্রিয় করার জন্য অপারেশন প্রয়োজন।’

পোস্টে আরও বলা হয়, ‘বর্তমানে মূল লক্ষ্য হলো শরীর আর ব্রেনের মধ্যে সংযোগ পুনঃস্থাপন করা। ব্রেন ছাড়া শরীরের অন্য সব অঙ্গ সক্রিয় রয়েছে।’

সবশেষে বলা হয়, ‘হাদি ভাইয়ের জন্য বিশেষ দোয়ার আহ্বান জানিয়েছে তার পরিবার। আল্লাহ যেন তাকে হায়াতে তাইয়েবাহ নসীব করেন।’

এর আগে, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।

পরে ১৪ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর ও ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদির মধ্যে এক জরুরি কল কনফারেন্সে হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

এরপর সোমবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে অবতরণের প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে তাকে নিরাপদে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে বড় বাধা দালাল চক্র: প্রধান উপদেষ্টা

০

বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় বাধা দালাল চক্র বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও প্রবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শ্রমশক্তি রপ্তানির পুরোটাই দালাল বেষ্টিত। পদে পদে দালালদের প্রতারণার জন্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই শ্রমশক্তি রপ্তানি খাতকে দালাল মুক্ত করতে না পারলে উন্নতি সম্ভব না।

প্রধান উপদেষ্টা তরুণদের নিয়ে বলেন, পৃথিবীতে তারুণ্যের অভাব, আমরা তারুণ্যের খনি। এটা সোনার চেয়েও দামী। সারা পৃথিবীকে আমাদের কাছে আসতে হবেই, এত তরুণ জনশক্তি আর কোথাও নাই। প্রধান উপদেষ্টা।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল প্রবাসীদের কল্যাণে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

রান্নাঘরের এই সহজলভ্য উপাদানেই দূর হবে কোলেস্টেরল

মাংসের ঝোল হোক বা ডিমের কারি, এমনকী নানা নিরামিষ রান্নাতেও এই বিশেষ উপাদানটি ব্যবহার করা হয়। বলতে গেলে, প্রায় প্রতিটি বাঙালি রান্নাঘরে এটি নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। এই সহজলভ্য উপাদানটির সাহায্যে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং হার্টের স্বাস্থ্যও ভালো রাখা যায়। পাশাপাশি রয়েছে আরও একাধিক স্বাস্থ্য উপকার। কী এই উপাদান? রসুন।

রসুন সাধারণত রান্নার স্বাদ ও গন্ধ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে এর প্রাকৃতিক গুণের কারণে এটি আরও অনেক উপকার করে। যেমন, প্রদাহ কমানো, ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা। এতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়াও এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, হার্টকে সুস্থ রাখে এবং রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে।

রসুন খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও উপকারিতা

খালি পেটে রসুন খাওয়া:প্রতিদিন সকালে খালি পেটে রসুন খেলে শরীরে এর সমস্ত পুষ্টি শোষিত হয়। জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, রসুনের রস কোলেস্টেরল প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে। যাদের LDL বা খারাপ কোলেস্টেরল বেশি, তাদের ক্ষেত্রে এটি ১০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস করতে সক্ষম।
হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক: রসুনে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যালিসিন যৌগ প্রদাহ কমায়, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহজনিত হার্টের সমস্যার ঝুঁকি কমায়।

সতর্কতা: তবে এর মানে এই নয় যে আপনি রসুন খেয়ে নিয়মিত ওষুধ বন্ধ করবেন। চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়।

কীভাবে খাওয়া উচিত রসুন

কাঁচা চিবিয়ে খেতে পারেন।
যদি কাঁচা রসুন খেতে অস্বস্তি হয়, তবে একটি কোয়া কুচি করে হালকা গরম জলে ফেলে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন।
এছাড়া রসুনকে স্মুদি বা স্যালাডেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং হার্ট প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।

এই সাধারণ উপায়ে প্রতিদিন রসুন খাওয়া কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।