Home Blog Page 262

কিডনি ভালো রাখতে কী খাবেন, কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন?

কিডনি আমাদের শরীরের এক নীরব কর্মী। রক্ত পরিষ্কার করা, অতিরিক্ত পানি ও বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দেওয়া সব কাজই করে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিছু ভুল খাদ্যাভ্যাস আর ভুল জীবনযাপনের কারণে কিডনি ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেকসময় যা বুঝতে দেরি হয়ে যায়। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে চাইলে খাবারের ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরি।

কিডনি ভালো রাখতে কী খাবেন?
১. পর্যাপ্ত পানি
কিডনি সুস্থ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় পর্যাপ্ত পানি পান। একজন সুস্থ মানুষের দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। তবে যাদের কিডনি রোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি খাওয়া উচিত।

২. তাজা ফল
কিডনি ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখুন তাজা ফল। আপেল, আঙুর, নাশপাতি, পেয়ারা ও আনারসের মতো ফল কিডনির জন্য উপকারি। এসব ফলে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা কিডনি কোষকে সুরক্ষা দেয়।

৩. শাকসবজি
লাউ, ঝিঙে, পটল, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসার মতো সবজি কিডনির ওপর কম চাপ ফেলে। নিয়মিত সবজি খেলে শরীর থেকে টক্সিন বের হতে সাহায্য করে। ভালো থাকে কিডনি।

৪. স্বাস্থ্যকর প্রোটিন
খাদ্যতালিকায় রাখুন প্রোটিন। ডিমের সাদা অংশ, অল্প পরিমাণ মাছ এবং ডাল ভালো প্রোটিনের উৎস। তবে অতিরিক্ত প্রোটিন কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তাই এসব খাবার নির্দিষ্ট পরিমাণে খেতে হবে।

৫. কম লবণযুক্ত খাবার
লবণ কম খেলে রক্তচাপনিয়ন্ত্রণে থাকে, যা কিডনি সুস্থ রাখতে সহায়ক। রান্নায় অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।

৬. ভাত ও রুটি (পরিমিত)
পরিমিত পরিমাণে সাদা ভাত বা আটা দিয়ে তৈরি রুটি খেতে পারেন। অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট ওজন বাড়ায়, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

কিডনি ভালো রাখতে কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন?
১. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার
চিপস, আচার, প্যাকেটজাত খাবার, ফাস্টফুডে লবণ বেশি থাকে। এসব খাবার কিডনির ক্ষতি করে।

২. প্রসেসড ও ফাস্টফুড
বার্গার, পিজা, সসেজ, নুডলস ইত্যাদিতে মুখরোচক খাবারে সোডিয়াম ও ক্ষতিকর ফ্যাট থাকে, যা কিডনির ওপর বাড়তি চাপ ফেলে।

৩. অতিরিক্ত লাল মাংস
গরু ও খাসির মাংস বেশি খেলে কিডনিকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। তাই এসব প্রাণীর মাংস পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

৪. অতিরিক্ত চিনি ও সফট ড্রিংকস
কোক, এনার্জি ড্রিংক ও মিষ্টি পানীয় ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়, যা কিডনি রোগের অন্যতম কারণ।

৫. ব্যথানাশক ওষুধের অপব্যবহার
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না। এসব ওষুধ কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

৬. ধূমপান ও অ্যালকোহল
ধূমপান ও অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব অভ্যাস কিডনির রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

কিডনি সুস্থ রাখতে আরও কিছু পরামর্শ
নিয়মিত রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করুন
রোজ হালকা ব্যায়াম করুন
পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
বছরে অন্তত একবার কিডনি ফাংশন পরীক্ষা করান
কিডনি সুস্থ রাখতে দৈনন্দিন খাবার ও জীবনযাপনে নজর দিন। খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনুন, সুস্থ রাখুন কিডনি।

ছাত্রদলের কনসার্ট নিয়ে যা বললেন হিরো আলম

০

রাতে পোহালেই দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আয়োজিত হয় একটি বিশেষ কনসার্ট। এই কনসার্টকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে দাফনের ৭২ ঘণ্টা না পেরুতেই কনসার্ট আয়োজনকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন নেটিজেনদের একাংশ। আয়োজকদের সমালোচনা করতে ছাড়েননি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের একটি ছবি প্রকাশ করে আলম লেখেন, ‘শহিদ ওসমান হাদির লাশ কবরে রাখা হয়েছে ৭২ ঘণ্টাও হয় নাই! শহীদ ওসমান হাদির কবরটা পাশেই। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম আবিদরা টিএসসিতে কনসার্টের আয়োজন করেছে!’

তিনি যোগ করেন, ‘হাদী ভাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালের বিছানায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এই শোকের সময়ে হাদী ভাইয়ের কবর থেকে মাত্র ১০০ ফুট দূরে ছাত্রদলের কনসার্ট। তারা নাচ-গান আর মাস্তিতে ব্যস্ত! ইয়া আল্লাহ আপনি তাদের সঠিক বুঝ দান করুন।’
আলমের এই স্ট্যাটাসের সঙ্গে অনেকেই একমত পোষণ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘বিষয়টা দুঃখ জনক’। অন্য একজন লিখেছেন, ‘মনের কথা’। আরও একজন লিখেছেন, ‘আশরাফুল আলম হিরো ভাইয়ের যতটুকু মেধা আছে সম্পূর্ণ ছাত্রদলের সেই মেধা নেই। ছাত্রদল চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী লুটে খাওয়া আশরাফুল ভাইয়ের মেধা হলো কনটেন্ট ভিডিও করা সেই মানুষেরটা মেরে খায় না।’

স্বর্ণের দামে ফের উত্থান: ২৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর নতুন দাম

০

স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি যেন থামার নামই নিচ্ছে না। সবশেষ ১০ দফা সমন্বয়ের মধ্যে ৮ বারই বেড়েছে এই মূল্যবান ধাতুর দাম। বিশেষ করে টানা ৬ দফা বাড়ানোর ফলে এ সময়ে ভরিতে মোট দাম বেড়েছে ১৫ হাজার ১৮৭ টাকা। সবশেষ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম ষষ্ঠবারের মতো বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা, যা কার্যকর হবে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ মূল্য।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার ১৬৬ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকা।
বাজুস আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত স্বর্ণের দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।
এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা তখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম ছিল। সেই দাম কার্যকর হয়েছিল ২৩ ডিসেম্বর থেকে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৮৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬২ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। তুলনায় ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার সমন্বয়ের মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর ২৭ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও এবার বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম রাখা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ১২ বার। এর মধ্যে ৯ বার দাম বেড়েছে এবং মাত্র ৩ বার কমেছে। গত বছর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল তিনবার।

রুপার দামে লাগাতার ঊর্ধ্বগতি: ভরিতে দাম কত বাড়ল?

০

দেশের বাজারে রুপার দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ ১০ দফা মূল্য সমন্বয়ের মধ্যে ৮ বারই বেড়েছে এই ধাতুর দাম। এর মধ্যে টানা তিন দফা বাড়ানোর ফলে রুপার ভরিপ্রতি দাম মোট বেড়েছে ৮৮৬ টাকা। সবশেষ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) টানা তৃতীয়বারের মতো রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এবার ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৭৫ টাকা।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে রুপার কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম রাখা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রুপার নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
এর আগে চলতি বছরের ২২ ডিসেম্বর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৮৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, যা ২৩ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর ছিল। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ছিল ৪ হাজার ৭২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ছিল ৩ হাজার ৩৩ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১২ বার। এর মধ্যে ৯ বার দাম বেড়েছে এবং মাত্র ৩ বার কমেছে। গত বছর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মাত্র তিনবার।
এদিকে, রুপার পাশাপাশি স্বর্ণের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ১৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ৮৯ বার। এর মধ্যে ৬২ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। তুলনায় ২০২৪ সালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল ৬২ বার, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৭ বার কমানো হয়েছিল।

তারেক রহমানের সাথে জিবু আসছে কিনা! যা জানা গেলো

০

সপরিবারে দেশে ফেরার পথে আলোচিত পোষা বিড়াল ‘জিবু’কেও সঙ্গে নিয়ে আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ২৫ ডিসেম্বর তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রস্তুতির পাশাপাশি এই সাইবেরিয়ান ব্রিডের বিড়ালটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৭ বছর বয়সী ‘জিবু’র জন্য পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রশাসনিক অনুমোদন ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। লন্ডনের প্রবাস জীবনে তারেক রহমানের অবসরের সঙ্গী হিসেবে জিবুর সঙ্গে তাঁর খুনসুটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় ভাইরাল হয়েছে। ফলে বিএনপির নেতাকর্মী ও নেটিজেনদের কাছে বিড়ালটি বেশ পরিচিত।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান জিবুর প্রতি তাঁর পরিবারের ভালোবাসার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিড়ালটি মূলত তাঁর মেয়ে জাইমা রহমানের হলেও বর্তমানে এটি পরিবারের সবার অত্যন্ত প্রিয়। সাক্ষাৎকারে তিনি প্রাণিকুল ও প্রকৃতির প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল হওয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।

তারেক রহমান বলেন, সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আল্লাহর প্রতিটি সৃষ্টির প্রতি মমতা ও যত্ন নেওয়া মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা না করলে মানুষের জীবনও সংকটাপন্ন হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। মানবিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে প্রাণীর প্রতি তাঁর এই সহমর্মিতা বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

২৫ ডিসেম্বর দুপুরে তারেক রহমান যখন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন, তখন তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে এই বিড়ালটিকেও দেখার অপেক্ষায় আছেন অনেক কৌতূহলী মানুষ।

মঞ্চে একাই বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান

০

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। তার দেশে ফেরাকে ঘিরে দিনের কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি। এতে জানানো হয়েছে, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চে একমাত্র বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান নিজেই।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি তিনশো ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন। ওই অনুষ্ঠানে তারেক রহমানই একমাত্র বক্তা থাকবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার অসুস্থ মাকে দেখবেন। পরে তিনি নিজ বাসভবনে যাবেন বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি আরও বলেন, ২৬ ডিসেম্বর শুক্রবার বাদ জুমা তারেক রহমান তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৭ ডিসেম্বর তারেক রহমান ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করবেন। এরপর তিনি শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন এবং পরে পঙ্গু হাসপাতালে গিয়ে আহত জুলাই যোদ্ধাদের খোঁজখবর নেবেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে মোট ২০টি অভ্যর্থনা পয়েন্ট তৈরি করা হয়েছে। এসব পয়েন্টে মেডিকেল টিম ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগত নেতাকর্মীরা বিভিন্ন অভ্যর্থনা পয়েন্টে গাড়ি রেখে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এ সময় নেতাকর্মীদের জন্য কাঞ্চন ব্রিজ ব্যবহার করার পরামর্শও দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ড. এ কে এম শামসুল রহমান শামস এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ আলমগীর পাভেল।

প্রধান বিচারপতি হলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশ সরকারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। িরাষ্ট্রপতি বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ (বিচার শাখা-৪) থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, তবে প্রজ্ঞাপনটি সরকারি ওয়েবসাইটে বুধবার প্রকাশ করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

জুবায়ের রহমান চৌধুরীর কর্মজীবনের শুরু ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর স্থায়ী বিচারক হন। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং পরে যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। এই নিয়োগের মাধ্যমে দেশের সুপ্রিম কোর্টে নতুন নেতৃত্বের যুগের সূচনা হলো, যেখানে জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের বিচারব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

ছেলের দেশে ফেরার খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন খালেদা জিয়া

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বড় ছেলে তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি এই খুশির সংবাদ পান।

পারিবারিক সূত্র জানায়, কয়েক দিন আগে খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান ও ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন তাকে তারেক রহমানের ফেরার বিষয়টি জানান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার জানিয়েছেন, সন্তানের দেশে ফেরার খবরে খালেদা জিয়ার মধ্যে মানসিক প্রশান্তি লক্ষ্য করা গেছে এবং বর্তমানে তিনি আগের চেয়ে ভালো বোধ করছেন।

চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। গত এক মাস ধরে লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার শরীরে গুরুতর ইনফেকশন থাকায় বর্তমানে উন্নত অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. জিয়াউল হক জানিয়েছেন, শারীরিক অবস্থা আরেকটু উন্নত হলে তাকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। দেশি-বিদেশি ৩০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সার্বক্ষণিকভাবে তার স্বাস্থ্যের তদারকি করছে। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তারেক রহমান দেশে ফিরে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গণসংবর্ধনাস্থলে যাবেন এবং সেখান থেকে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন মাকে দেখতে যাওয়ার কথা রয়েছে।

ওয়েস্টার্ন লুকে অপুর চমক

০

ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল এবং জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকের মনে। তবে কেবল রূপালি পর্দায় নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। নিয়মিত নতুন নতুন লুকে হাজির হয়ে তাক লাগিয়ে দেন ভক্ত-অনুরাগীদের।
সম্প্রতি ওয়েস্টার্ন ফিউশন ফরমাল আউটফিটে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। তার শেয়ার করা একগুচ্ছ ছবিতে দেখা যায়, পরনে শুভ্র রঙের একটি স্টাইলিশ কোট। কানের দুল আর গলার নেকলেসে ফুটে উঠেছে আধুনিক ও আভিজাত্যের ছাপ। ক্যাপশনে অপু লিখেছেন, তুমি যেমনটা পেতে চাও, নিজেকে ঠিক তেমনভাবেই গড়ে তোলো। এদিকে অপুকে গ্ল্যামারাস লুকে দেখে আপ্লুত নেটিজেনরা।
মুহূর্তেই ছবির কমেন্ট বক্স ভরে ওঠে প্রশংসায়। অপুর রূপের লাবণ্য আর চোখের মোহময় চাহনি নজর কেড়েছেন। একজন নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, অসাধারণ ছবিগুলো, কারও নজর যেন না লাগে মাশাআল্লাহ আপু। আরেক ভক্ত নিজের আবেগ প্রকাশ করে লিখেছেন, আমার হৃদয়ের আয়নাতে শুধু তোমাকেই দেখি। প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাস ‘কোটি টাকার কাবিন’ সিনেমা দিয়ে ২০০৬ সালের পরিচিত পান। এর আগে ‘কাল সকালে’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। সিনেমাটি পরিচালনা করেন আমজাদ হোসেন। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত হোন অপু বিশ্বাস।

প্রতি রাতে কেন কাঁচা রসুন খাবেন, খেলে কী ঘটে শরীরে

সাধারণত রসুনকে মশলা হিসেবেই জানেন সবাই। বাসা-বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় উপাদানটি। খাবারের পদে এটি যোগ করার ফলে স্বাদ বৃদ্ধি পায়। এ কারণে মাছ-মাংস রান্নার সময় কেউ কেউ আলাদাভাবে গোটা রসুনই দিয়ে থাকেন তরকারিতে।

রসন মশলা ছাড়াও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে সেই প্রাচীনকাল থেকে। বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসায় ব্যবহার হয় এটি। তীব্র গন্ধ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা মূলত একটি সালফারভিত্তিক যৌগ অ্যালিসিনের জন্য পাওয়া যায়। এ কারণে প্রতিদিন রাতে এক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরে এর শক্তিশালী প্রভাব পড়ে। আর প্রতিদিন রাতে কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক-

➤ রাতে এক কোয়া রসুন খাওয়ার উপকারিতা:
রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: রসুন অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যের জন্য বেশ পরিচিত। সাধারণত ঠান্ডা লাগা, ফ্লু ও বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করতে কাজ করে থাকে রসুনের এসব উপাদান। প্রতিদিন রাতে এক কোয়া রসুন খাওয়া হলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা রাতভর ধরে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকে।

হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: উচ্চ রক্তচাপ ও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে রসুন। ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। অ্যালিসিন রক্তনালীকে শিথিল করতে সহায়তা করে, রক্ত প্রবাহকে উন্নত করে থাকে।

প্রদাহ ও ডিটক্সিকেশন: রসুনে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা আপনার শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ রোধে সহায়তা করে। যকৃতের এনজাইমগুলো সক্রিয় করে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সহায়তা করে থাকে।

হজম প্র্রক্রিয়া ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য: সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়ার দীর্ঘদিনের প্রচলন থাকলেও, এটি নিয়মিত রাতে খাওয়া হলে হজম প্রক্রিয়া উদ্দীপিত হতে পারে এবং অন্ত্রের খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলোর বিরুদ্ধে লড়তে ভূমিকা রাখে।

➤ কেন রাতে কাঁচা রসুন খাওয়া উচিত:
এমন অনেকেই আছেন, যারা রাতে ঘুমানোর আগে কাঁচা রসুন খেতে পছন্দ করেন। তাদের বিশ্বাস―রাতে শরীর বিশ্রাম নেয়, এ সময় রসুনের উপাদানগুলো শরীরকে মেরামত ও নিরাময় করতে দীর্ঘ সময় পায়। এটি ঘুমানোর সময় রক্তচাপকেও স্থিতিশীল করতে অবদান রাখে।

➤ কারা রসুন এড়িয়ে যাবেন বা সীমিত করবেন:
হজমের সমস্যা: রসুন প্রাকৃতিকভাবে অম্লীয়। গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্সি ডিজিজ (GERD), বুকজ্বালা (Heartburn) বা ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রোম (IBS) থাকা ব্যক্তিদের কাঁচা রসুন খাওয়া ঠিক নয়। তারা কাঁচা রসুন খেলে সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

রক্ত পাতলা করার ওষুধ: রসুন হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক রক্ত পাতলাকারী ওষুধ। অ্যাসপিরিন, ওয়ারফারিন বা অন্যান্য রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করলে তাদের অতিরিক্ত রসুন খাওয়া রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

সার্জারির আগে: কোনো ধরনের অস্ত্রোপচারের অন্তত দুই সপ্তাহ আগে রসুন খাওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা, রসুন রক্তপাত বাড়াতে পারে।

ওষুধের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া: এমন কিছু ওষুধ রয়েছে (HIV বা এইডসের ওষুধ), যার সঙ্গে রসুন খাওয়া হলে প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। আর হ্যাঁ, রসুন খাওয়া উপকারী হলেও, কারও যদি সমস্যা হয়, তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।