Home Blog Page 274

ফিক্সিংয়ে জড়িত ক্রিকেটারদের বিপিএল খেলা নিয়ে যা বললেন বুলবুল

পাঁচ দল নিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বিপিএলের ১২তম আসর। ১৭ নভেম্বর হবে প্লেয়ার্স ড্রাফট। এরপর আগামী ১৯ ডিসেম্বর বিপিএল শুরু হয়ে ফাইনাল মাঠে গড়াতে পারে ১৬ জানুয়ারি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এমন সম্ভাব্য সূচির কথা জানিয়েছে বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল।
তবে বিপিএল শুরুর আগে আলোচনায় গত আসরের ফিক্সিংয়ে থাকা সন্দেহভাজন ক্রিকেটাররা। তারা কী খেলতে পারবেন এবারের আসরে, ক্রিকেট অঙ্গনে ঘুরছে নানা প্রশ্ন। এ নিয়ে গতকাল কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
এ প্রসঙ্গে বুলবুল জানান, ‘আমরা এক চুলও নড়িনি। কোনো রিপোর্ট গায়েব করে দিয়েছি- সেরকম কিছু নেই। এটার আউটকাম, শাস্তি, মওকুফ- যা আছে তারা নেবে, আমরা তাদের পূর্ণ এখতিয়ার দিয়েছি। একটা কমিটি কাজ করছে। যেহেতু কাজ চলছে, এ সময় আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না। নামগুলো তো আমি বলতে পারব না। তবে তারা কাজ করছে।’
পরে জাহানারা ইস্যুতে বিসিবি প্রধান জানান, ‘বিসিবির স্ট্যান্ড জিরো টলারেন্স প্রক্রিয়ার মধ্যেই আছি। ওই টাইম ফ্রেম, ওটার মধ্যে হয়ত পড়ে যাবে। যারা কাজ করছে তাদের আমরা প্রভাবিত করছি না। (নারী ডিরেক্টর বিসিবিতে আসা প্রসঙ্গে) উইমেন ক্রিকেট সবসময় অবহেলিত মনে হয়। ৭ তারিখ প্রেসিডেন্ট হয়ে প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলাম, আমাদের মহিলা ডিরেক্টর নেই, মহিলা উইংয়ে মহিলা নেই। আমাদের টার্গেট আছে। কন্সটিটিউশন চেঞ্জ করার ক্ষমতা আমার নেই। চেঞ্জ করা গেলে আমি খুব খুশি হবো যদি নারী পরিচালক কয়েকজন আসে। আমরা যেসব কোর্স করাব- এক্স্যাক্টলি এই শব্দ ইউজ করেছিলাম- জেন্ডার ইকুইলিটি।’

 

আকুর বিল পরিশোধ, ৩১ বিলিয়নে নামলো রিজার্ভ

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
রোববার (৯ নভেম্বর) ১৬১ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করার পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মূলত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানি লেনদেন বাবদ গৃহীত পণ্যের অর্থ পরিশোধে এই বিল দেওয়া হয়। আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়।
গত মাসে রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। আকুর ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর তা ৩১ বিলিয়নে নেমে এলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি প্রবাহ ভালো থাকায় রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের ইতিহাসে ২০২২ সালের আগস্টে রিজার্ভ উঠেছিল সর্বোচ্চ ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলারে। এরপর আওয়ামী সরকারের সহায়তায় কয়েকটি ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ব্যাপকভাবে অর্থ পাচার করতে থাকে। যার কারণে রিজার্ভে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। প্রতি মাসে রিজার্ভ কমতে কমতে সরকার পতনের আগে গত বছরের জুলাই শেষে তা ২০ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর আর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি না করে অর্থ পাচার রোধে কঠোর হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের মেয়াদোত্তীর্ণ বকেয়া পরিশোধ করার পরও গ্রহণযোগ্য অবস্থায় রয়েছে রিজার্ভ।
সবশেষ চলতি মাসের ৬ নভেম্বর শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ ২৮ বিলিয়ন ডলার ছিল।
এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময় প্রকাশ করা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে।
প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে ৫ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।

ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, বর্তমান দাম কত?

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ৫০৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (১০ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে, সবশেষ গত ১ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৬৮০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ২ নভেম্বর থেকে।
এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৭৪ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৫১ বার, আর কমেছে মাত্র ২৩ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

 

রাতে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
আজ সোমবার রাত সাড়ে আটটায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট এজেন্ডা থাকছে না। খোলামেলা আলোচনা। তবে বৈঠকটি অবশ্যই গুরত্বপূর্ণ।
বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
কী বিষয়ে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে তা সুনির্দিষ্ট ভাবে জানা যায়নি। তবে স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, ‘জরুরি’ কোনো বিষয়ে আলাপ করতেই বৈঠক ডাকা হয়েছে।
সেক্ষেত্রে, আগামী নির্বাচনে দলীয় নমিনেশন, জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে সৃষ্ট মতভেদ নিরসনে রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া সময়সীমাসহ দলের গুরত্বপূর্ণ বিষয়ে সিন্ধান্ত নিতেই এ বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন বিএনপির এই নেতা।

মার্কা বেছে নয়, যে দলকে বিশ্বাস করেন তাকেই ভোট দিন : মান্না

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমরা এমন একটি দেশ চাই যেখানে মানুষ কষ্টের কথা বলতে পারবে, মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে। জনগণের প্রতি আমার একটাই অনুরোধ– যে দলকে বিশ্বাস করেন, তাকেই ভোট দিন, কোনো মার্কাকে বেছে নেবেন না।
সোমবার (১০ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে শহীদ নূর হোসেন স্মরণে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত আলোচনা সভা ও যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, শহীদ নূর হোসেন আমাদের কাছে একটি আইকন। তিনি গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য জেনে-শুনে জীবন উৎসর্গ করেছেন। ১০ নভেম্বর আমাদের উদ্দীপনার দিন। আজ নাগরিক ঐক্যে যোগদান করা দুজন তাদের যোগ্যতায় গুণান্বিত, তাদের পেয়ে নাগরিক ঐক্য আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, দেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আগামী নির্বাচন অতীতের নির্বাচনের মতো হবে না। আজ মানুষের পেটে ভাত নেই, অথচ এমন হওয়ার কথা ছিল না। ধনীরা ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা লোন নিয়ে বিদেশে পাচার করে, কিন্তু গরিবরা সেই সুযোগ পায় না। তাই আমি বলবো, লোন গরিবকে দিলেই ভালো।
মান্না অভিযোগ করে বলেন, দেশে যে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা এই সরকারই সৃষ্টি করেছে। আমরা দীর্ঘদিন বিএনপির সঙ্গে ছিলাম, কিন্তু তাই বলে তাদের সব কর্মকাণ্ডকেই সমর্থন করি না। সত্যকে সবাইকে মেনে নিতে হবে। দেশের সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানাই– আলোচনার মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান করুন।
তিনি বলেন, আমরা এখনও বিএনপির সঙ্গে যৌথভাবে কোনো আসন ভাগাভাগি করিনি। নাগরিক ঐক্য নিজেদের মনোনয়নের তালিকা তৈরি করেছে। সেই তালিকায় ১৫২ জনের নাম রয়েছে, যার মধ্যে আজকে যোগদান করা দুজনও আছেন।
অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যে যোগ দেন– জাতীয় পার্টির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আব্দুস সালাম এবং ব্যারিস্টার সোহরাব হোসেন।
অনুষ্ঠানে আব্দুস সালাম বলেন, স্বৈরাচারের পতন হলেও দেশের গণতন্ত্র এখনো মুক্ত হয়নি। ৩৮ বছর আগে শহীদ নূর হোসেন গণতন্ত্রের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন, কিন্তু আজও আমরা সেই গণতন্ত্র ফিরে পাইনি। আমরা এখনো স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারি না, মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে পারিনি। তাই আমাদের লড়াই শেষ হয়নি।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থেই আমরা নাগরিক ঐক্যে যোগ দিয়েছি। আমি কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় সমাজকল্যাণমূলক কাজ করেছি। জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে ১৫ বছর থাকার পরও বারবার মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছি। তাই আমি পদত্যাগ করেছি। আগামী নির্বাচনে আমি নাগরিক ঐক্য থেকে প্রার্থী হতে চাই, তবে প্রয়োজনে স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচন করবো।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, প্রেসিডিয়াম সদস্য দেলোয়ার হোসেন রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ঘুমিয়ে গেলেন ট্রাম্প, ছবি ভাইরাল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে অনুষ্ঠান চলাকালে ঘুমিয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এমন একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রোববার (০৯ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চোখ বন্ধ রয়েছে। কিছু ছবিতে আবার তার চোখ খোলা রাখতে অনেক কষ্ট হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার জনপ্রিয় ওজন কমানোর ওষুধের দাম কমানোর ঘোষণা দিতে ওভাল অফিসে বক্তব্য রাখছিলেন ট্রাম্প। পাশে ছিলেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এ অনুষ্ঠানের কিছু মুহূর্তে তাকে চোখ মুছতে ও চোখ বন্ধ অবস্থায় দেখা যায়।
এই দৃশ্য দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে এক্সসহ ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজমের কার্যালয় এক পোস্টে ছবি শেয়ার করে লেখে, ডোজি ডন আবার ফিরেছে।
তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র টেলর রজার্স সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, প্রেসিডেন্ট ঘুমিয়ে পড়েননি। তিনি পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে কথা বলেছেন এবং সাংবাদিকদের বহু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এই ঘোষণা আমেরিকানদের জন্য ঐতিহাসিক ওষুধের মূল্য হ্রাস ঘটাবে, যা অসংখ্য প্রাণ বাঁচাবে।
রজার্স আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট প্রতিদিন রাতদিন কাজ করছেন, দীর্ঘ সফর শেষে ঘরে ফিরেই কাজ শুরু করছেন, তাকে নিয়ে এমন বিভ্রান্তিকর প্রচার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্প বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বাধিক বয়স্ক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত মাসে তিনি ওয়াল্টার রিড মেডিক্যাল সেন্টারে শারীরিক পরীক্ষার সময় এমআরআই করিয়েছেন। তবে এর কারণ উল্লেখ করো হয়নি।
এর আগে গ্রীষ্মকালে হোয়াইট হাউস জানায়, ট্রাম্পের পায়ে ফোলাভাব পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা তার ‘ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি’ রোগ শনাক্ত করেছেন। এটি এমন এক অবস্থা, যেখানে শিরার ভাল্ভ সঠিকভাবে কাজ না করায় রক্ত জমে থাকতে পারে।

দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ৮

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়িবোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এই বিস্ফোরণে আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে প্রবল বিস্ফোরণে হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লাল কেল্লা এলাকায় গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর আশপাশের তিন থেকে চারটি গাড়িতেও আগুন ধরে যায় এবং সেসব গাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ বলেছে, লাল কেল্লার কাছে অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের পরপরই আহতদের উদ্ধার করে পাশের লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ (এলএনজেপি) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আটজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা।
বিস্ফোরণ স্থলের ভিডিওতে দেখা যায়, বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি ভ্যানের দরজা উড়ে গেছে এবং একটি গাড়ি একেবারে বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া আরেকটি গাড়ির উইন্ডস্ক্রিন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।
নয়াদিল্লির ফায়ার সার্ভিস বলেছে, লাল কেল্লার মেট্রো স্টেশনের এক নম্বর গেটের কাছে গাড়িতে বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরপরই দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেছে। ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ২০টি গাড়ি সেখানে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে এবং ওই এলাকায় যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‌‌‘‘আমার বাড়ির ছাদ থেকে আগুনের বিশাল গোলা দেখতে পেয়েছি। বিস্ফোরণের ভয়াবহ শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে আশপাশের ভবনের জানালা কেঁপে উঠেছে।’’
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘‘আমি গুরদুয়ারায় ছিলাম। হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ শুনি। বিস্ফোরণের শব্দ এত ভয়াবহ ছিল যে, কী ঘটেছে তাৎক্ষণিকভাবে তা বুঝতে পারিনি।

নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

আবওহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে যে দুই থেকে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, তার মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে এ মাসে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীসহ অন্যান্য বিভাগগুলোয় ৩ থেকে ৬ দিন বৃষ্টি ঝরবে।
অধিদপ্তরের দেওয়া নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বলছে, নভেম্বরেই দেশের কোথাও কোথাও এবং নদী অববাহিকায় কুয়াশা পড়তে পারে। এ মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে চার থেকে পাঁচদিন, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে তিন থেকে চারদিন এবং বরিশাল বিভাগে পাঁচ থেকে ছয়দিন বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
আবওহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, অক্টোবরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ফেনীতে। এ জেলায় ২১ ও ২২ অক্টোবর সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ অক্টোবর; উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে তাপমাত্রা নামে ১৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, নভেম্বরে দেশের কোথাও-কোথাও এবং নদী অববাহিকায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আর, দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে।

দেশ গঠনে কোর অব সিগন্যালসের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে: সেনাবাহিনী প্রধান

কোর অব সিগন্যালসের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১০ নভেম্বর) যশোর সেনানিবাসে সিগন্যাল ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (এসটিসিএন্ডএস) এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
আইএসপিআর জানায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনাবাহিনী প্রধান এসটিসিএন্ডএস-এ পৌঁছালে তাকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (আর্টডক); জিওসি, ৫৫ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, যশোর এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট, এসটিসিএন্ডএস অভ্যর্থনা জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত কোর অব সিগন্যালসের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। একইসঙ্গে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী কোর অব সিগন্যালসের সেনানীসহ সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের।
সেনাবাহিনী প্রধান দেশ ও জাতি গঠনে কোর অব সিগন্যালসের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি দেশমাতৃকার সেবায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সততা, সত্যনিষ্ঠা ও কর্তব্যবোধে ব্রতী হয়ে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশ গঠনে কোর অব সিগন্যালসের প্রশংসনীয় ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্টডক; কমান্ড্যান্ট, এমআইএসটি; ডিজি, ডিজিডিপি; জিওসি, ৫৫ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, যশোর এরিয়া; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা; কমান্ড্যান্ট, এসটিসিএন্ডএস; বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব সিগন্যাল ব্রিগেডের কমান্ডাররা; সিগন্যাল ইউনিটগুলোর অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ নভেম্বর এসটিসিএন্ডএস-এ কোর অব সিগন্যালসের ১১তম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন মেজর জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ। যশোর সেনানিবাসে শহীদ আব্দুল হামিদ প্যারেড গ্রাউন্ডে যথাযোগ্য সামরিক ঐতিহ্য ও রীতি অনুযায়ী কোর অব সিগন্যালসের কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্টকে জ্যেষ্ঠতম অফিসার এবং জ্যেষ্ঠতম মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার ‘কর্নেল কমান্ড্যান্ট র‌্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন। এসময় একটি চৌকস দল নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্টকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন।

শুধু হিট নয়, সিনেমাটি হয়ে উঠেছিল সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি

পঁচিশ বছর আগের কথা। সেই সময় মুক্তিপ্রাপ্ত হিন্দি সিনেমাগুলো ছিল নানা ঘরানার। পুরনো তারকা, পুরনো গল্প এবং পরিচিত ধারা। কিন্তু হঠাৎ সেই ধারা যেন পুরো চিত্রটাই পাল্টে দেয় একটি সিনেমা। নাম ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’।

রাকেশ রোশনের পরিচালনায় তার ছেলে হৃতিক রোশনকে নিয়ে নির্মিত রোমান্টিক সিনেমাটি শুধু হিটই হয়নি, হয়ে উঠেছিল এক সাংস্কৃতিক ঘটনা। এর মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল এক নতুন ‘সুপারস্টার’। নাচে, গানে, প্রেমে ভরা এই সিনেমায় হৃতিক হয়ে উঠলেন নতুন প্রজন্মের এক জনপ্রিয় নায়ক। দুই দশক ধরে একই উজ্জ্বলতায় আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন এই তারকা।

হৃতিকই সেই একমাত্র ‘স্টার সন’, যিনি প্রথম সিনেমায় এমন সাড়া ফেলেছিলেন। তার নাচের ভঙ্গি ছিল সম্পূর্ণ আধুনিক- মিঠুন বা গোবিন্দর প্রচলিত ব্রেকডান্সি ছন্দের বদলে এলো স্মার্ট, কুল, কালো নেট সিঙ্গলেট আর সানগ্লাসে মোড়া এক নতুন প্রজন্মের হিরো।

‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবিতে হৃতিকের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন আমিশা পাটেল। অভিনয় করেন অনুপম খের, মোহনিশ বেহল, দালীপ তাহিল, আশিস বিদ্যার্থী, সতীস সাহাসহ আরও অনেকে।

এর আগে একটি সাক্ষাৎকারে হৃতিক নিজেই জানিয়েছেন, ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ সিনেমার মুক্তি পাওয়ার পর ৩০ হাজারের বেশি বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি।

‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের কারণে সেরা অভিনেতা এবং সেরা নবাগত অভিনেতা হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছিলেন হৃতিক। এ ছাড়া ২০০৩ সালে লিমকা বুক অব রেকর্ডসে ঠাঁই পায় ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবির নাম। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক পুরস্কার ঝুলিতে ভরে রেকর্ড গড়েছিল হৃতিক অভিনীত সিনেমাটি। বিভিন্ন পুরস্কার প্রদান আসর থেকে সব মিলিয়ে ১০২টি পুরস্কার পেয়েছিল ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’।

এছাড়া ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ বিশাল সাফল্যের পর হৃতিক হয়ে উঠেছিলেন নব্বইয়ের দশকের তিন খান- শাহরুখ, সালমান ও আমিরের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। যদিও পরবর্তীতে ‘কোই মিল গেয়া’ বা ‘কৃষ’ সিরিজের সাফল্য সত্ত্বেও তিনি আর সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেননি।

২০২৫ সালে এসে দেখা যায় তিন খান এখনও বলিউডে রাজত্ব করছেন। হৃতিক যদিও জনপ্রিয়তার সেই সমান্তরাল পর্যায়ে আর নেই। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে দর্শকদের ‘ওয়ার ২’ দেখতে আহ্বান জানাতে-যে ছবিটি সিনেমা হলে ব্যর্থ হয়ে শেষমেশ নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে। বিদ্রূপের বিষয়, যিনি বড় পর্দার জন্য তৈরি এক নায়ক তিনিই এখন দর্শককে আহ্বান করছেন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তার ছবি দেখার জন্য!