Home Blog Page 277

শীতের সবজির সরবরাহ বাড়লেও কমছে না দাম

০
রাজধানীর বাজারগুলোতে ভরপুর শীতের সবজি উঠেছে। বাজারে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, বেগুন, লাউ, মুলাসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চোখে পড়লেও ক্রেতাদের স্বস্তি ফেরেনি। নতুন মৌসুমের সবজি এলেও দাম এখনও কমার কোনো লক্ষণ নেই বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরা এলাকার বউ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি ৫০ টাকা পিস, বাঁধাকপি ৪০ টাকা পিস, শিম ৭০-৮০ টাকা কেজি, মূলা ৩০-৪০ টাকা কেজি, লাউ ৬০ টাকা পিস, কাঁচা মিষ্টি কুমড়া ১৫০ টাকা পিস ও এক ফালি ৩০ টাকা, আলু ২৫-৩০ টাকা কেজি ও জলপাই ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সারা বছর সবজি ৬০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যেই থাকে। কবে দাম কমে বা কবে দাম বাড়ে, সেটা বোঝা যায় না বলে ক্রেতারা মন্তব্য করেছেন।
সোহেল হোসেন বলেন, শীতকাল আসলে সবজির দাম এমনি কম থাকার কথা। ১০০ টাকা অন্তত আড়াই থেকে ৩ কেজি সবজি তো পাওয়া যাওয়ার কথা। কিন্তু সেখানে ২ কেজি সবজি কিনতেই লাগে অন্তত ১২০ টাকা। শীত মৌসুমে এটাকে কম দাম বলতে পারছি না। মনে হচ্ছে, গত সপ্তাহের মতোই দাম আছে।
খুচরা বিক্রেতা আকাশ জানান, আমরা তো কারওয়ান বাজার থেকে আনি। সেখানে নানা কোয়ালিটির সবজি পাওয়া যায়। একই সবজি, কোয়ালিটি অনুযায়ী দাম আলাদা। আমরা বাজার থেকে নিয়ে আসার খরচসহ হয় কেজিতে ৩-৫ টাকা লাভ করি। কিন্তু দামের বিষয় তো আমি বলতে পারবো না।
এদিকে সরকারের কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গতকাল ২৭ নভেম্বর ঢাকা মহানগরীর বাজারগুলোতে আলু ১৯ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজি, শিম ৭০ টাকা কেজি, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩৫ টাকা পিস, লাউ ৪৫ টাকা, মূলা ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

 

আমি আশ্বাসের রাজনীতিতে মোটেই বিশ্বাস করি না: জামায়াত আমির

০
আমি আশ্বাসের রাজনীতিতে মোটেই বিশ্বাস করি না, আমি বিশ্বাস করি অ্যাকশনের রাজনীতি-এমনটাই মন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে ‘প্রন্তিক পর্যায়ে স্বাভাবিক প্রসব সেবা প্রদানে কমিউনিটি হেলথকেয়ার প্রোভাইডারদের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আশ্বাস এবং ওয়াদা নয় বরং কাজের মাধ্যমে প্রমাণ হবে হোয়াট উই আর ফর এন্ড হোয়াট ফর আই। বাংলায় একটা কথা আছে। ও গাছ তোমার পরিচয় কি? গাছ বলতেসে আমার ফলের দিকে তাকাইয়া আমার পরিচয়টা জেনে নাও। আমাদের প্রয়োজন এখন ফল। এই ফলের ফসলের চাষটা আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’
দেশের মানুষকে ভালো উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘তবে খারাপ রাজনীতিবিদদের কারণে দেশে কিছুই হয় না। কিন্তু আমরা মূল ধরে টান দিবো।’
দেশে মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নেই জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মা বাবা নয়, সন্তান কী নিয়ে পড়াশোনা করবে তা নির্ধারণ করবে শিক্ষক। আমাদের টার্গেট সব শিশুকে গড়ে তোলা। আগামীতে বোঝা নয়, সম্পদ হয়ে উঠবে তারা।’
এখন জাস্টিস পয়সা দিয়ে কিনতে হয় মন্তব্য করে জামায়াত আমির বলেন, ‘এর পরিবর্তন করতে হবে আমাদের।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারে গেলে কোনো দাবি নিয়ে দপ্তরে দপ্তরে ধরনা দিতে হবে না, আন্দোলন করতে হবে না। সরকার তার দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেবে।’
সরকারে না গেলেও জামায়াতের পক্ষ থেকে ১০০ ক্লিনিকে সোলার প্যানেল লাগানোর কথা জানান ডা. শফিকুর রহমান।

খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন

০
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন—এমন খবর উঠে এসেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তারা গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করেছে।
বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা লিখেছে, ‘খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া।’ শনিবার এএফপির বরাতে গালফ নিউজও একই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে।
এছাড়া পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন নিউজসহ বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।  ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি একাধিক সংবাদ প্রকাশ করেছে। তারা শুক্রবার এক প্রতিবেদনের শিরোনাম করে, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ‘সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।’
এছাড়া টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু, হিন্দুস্তান টাইমসসহ একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যম গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কোট করে আরব নিউজ লিখেছে, ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা খুবই ক্রিটিকাল।’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা গত ৩ দিন ধরে একই পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন। আর মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত দিলেই তাকে বিদেশে নেয়া হবে।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তার পরিবার এবং রাজনৈতিক সমর্থকরা দেশের জনগণকে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে অভিবাসী নেওয়া বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনাকে গুলির ঘটনার জেরে তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে স্থায়ীভাবে অভিবাসী নেওয়া বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সামাজিকমাধ্যম ট্রুথে এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন তিনি। যা পুরো বিশ্বে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাগ্রহণ, চাকরি ও উন্নত জীবনের খোঁজে পাড়ি জমান।
গতকাল ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করেন এক আফগান নাগরিক। তিনি আফগানিস্তানে থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও সিআইএর সঙ্গে কাজ করেছেন। ২০২১ সালে যখন তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয় তখন তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের বিশেষ ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। সেনাদের ওপর গুলির ঘটনার পর পুরো অভিবাসন ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ে। এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি এমন ঘোষণা দিয়েছেন।
ট্রুথে ট্রাম্প লিখেছেন, “প্রযুক্তির দিক দিয়ে আমরা অনেক এগিয়েছি ঠিকই। কিন্তু ভুল অভিবাসন নীতির কারণে এসব অর্জন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে অনেক মানুষের জীবনব্যবস্থা কঠিন হচ্ছে।”
“আমি ঠিক করেছি, যুক্তরাষ্ট্রের পুরো ব্যবস্থাকে আবার ঠিক হওয়ার সুযোগ দিতে তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে অভিবাসী আসা পুরোপুরি বন্ধ করে দেব।”
“এছাড়া জো বাইডেনের আমলে অবৈধভাবে ঢোকা লক্ষ লক্ষ মানুষের থাকার অনুমতি বাতিল করে দেব। ঘুমন্ত বাইডেন এসব লোককে অবৈধভাবে এনেছেন। ”
“যারা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কাজে আসে না, বা যারা আমাদের দেশকে মন থেকে ভালোবাসতে পারে না, তাদের সবাইকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।”
“দেশের বিদেশি নাগরিকদের সমস্ত সরকারি সুবিধা ও আর্থিক সাহায্য বন্ধ করা হবে। যেসব বিদেশি আমাদের দেশের শান্তি নষ্ট করবে, তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে।”
“যেকোনো বিদেশি, তিনি যদি দেশের বোঝা হন, নিরাপত্তার জন্য বিপদের কারণ হন, বা যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে না পারেন, তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।”
এই সবের মূল লক্ষ্য হলো—অবৈধভাবে আসা ও সমস্যা সৃষ্টিকারী মানুষের সংখ্যা অনেক কমানো। বিশেষ সুবিধায় যারা বেআইনিভাবে ঢুকেছে, তারাও এর মধ্যে পড়বে।”
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থার উন্নতির জন্য অভিবাসীদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, “এই অবস্থা পুরোপুরি ঠিক করার একমাত্র উপায় হলো অভিবাসীদের আবার নিজ দেশে ফিরে যাওয়া।”

 

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বেগ

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের গণমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দেশবাসীর কাছেও দোয়াও চান রাষ্ট্রপতি।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয় বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শুক্রবার রাতে খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে মাঝরাতে হাসপাতালে যান মির্জা আব্বাস। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা দূরত্ব বজায় রেখে তার (খালেদা জিয়া) সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, আমাদেরকে চিনতে পেরেছেন এবং আমরা সালাম দিয়েছি, উত্তর দিয়েছেন।
জানা গেছে, নানা রোগে আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সি খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর ফুসফুসে সংক্রমণ এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন। মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে সিসিইউতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ধারাবাহিক নিবিড় পর্যবেক্ষণে চলছে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা।

 

 

হলমার্কের এমডি তানভীর মারা গেছেন

হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কয়েদি মো. তানভীর মাহমুদ (৫৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারির মামলায় কারাভোগ করছিলেন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুপুরে অসুস্থতা বেড়ে গেলে হলমার্ক গ্রুপের এমডি তানভীর মাহমুদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢামেকে নেওয়া হয়। দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। পরে বিকেল ৪টায় ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকের নির্দেশে তাকে এক্সট্রা বেড-১৯ নম্বরে রাখা হয়েছিল।
হাসপাতালে ভর্তির পর তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তানভীর মাহমুদ রমনা থানার একটি মামলায় কারাবন্দি ছিলেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন।

 

বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

০
মারা গেছেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে গত অক্টোবরের শেষের দিকে তাকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে মাত্র ১২ দিন আগেই তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না; সোমবার সকালে নিজ বাড়িতেই পরপারে পাড়ি জমালেন তিনি।
এদিন সকালেই মুম্বাইয়ে ধর্মেন্দ্রর জুহুর বাসভবনের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং বাড়ির ৫০ মিটারের মধ্যে ব্যারিকেড বসিয়ে সাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
সংবাদ সংস্থা এএনআই (ANI) টুইট করে জানায়, প্রবীণ অভিনেতার বাড়িতে তারকারা আসতে শুরু করেছেন। সালমান খান, শাহরুখ খানসহ অনেকেই সেখানে উপস্থিত হন।
সে থেকে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। ভারতের একাধিক শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রবীণ এই অভিনেতার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে। কিন্তু এ খবর ছড়িয়ে পড়লেও পারিবারিকভাবে কোনো ঘোষণা না আসায় ধোঁয়াশা কাটছিল না।
সবচেয়ে বড় রহস্য তৈরি হয়েছে মুম্বাইয়ের ভিলে পার্লে শ্মশান ঘিরে। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের দাবি, সেখানে হেমা মালিনী, সানি দেওল, ববি দেওলসহ পুরো পরিবারকে দেখা গেছে। এমনকি অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনও সেখানে উপস্থিত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যায়। কিন্তু পরিবারের সবাই শ্মশানে, অথচ মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই; এ নিয়ে এক পর্যায়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা।
এখনও ধর্মেন্দ্রর পরিবার থেকে তার মৃত্যুর কথা প্রকাশ্যে আনেনি। যদিও ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো দাবি করছে, কয়দিন আগে মৃত্যু নিয়ে বিভ্রান্তিকর ছড়ানোয় এবারে কিংবদন্তির প্রয়াণ নিয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখছে দেওল পরিবার।
এদিকে ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন বলিউড পরিচালক করণ জোহর। লিখেছেন, ‘একটি যুগের অবসান। একজন তাবড় মেগাস্টার। মূলধারার সিনেমায় একজন নায়কের মূর্ত প্রতীক। অসাধরণ সুদর্শন, এবং পর্দায় তার কালজয়ী উপস্থিতি। তিনি ভারতীয় সিনেমার একজন প্রকৃত কিংবদন্তি ছিলেন এবং থাকবেন।’
১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে ধর্মেন্দ্রর। ক্যারিয়ারের শুরুতে ষাটের দশকে ‘অনপধ’, ‘বন্দিনী’, ‘অনুপমা’ এবং ‘আয়া সাওয়ান ঝুম কে’-এর মতো সিনেমায় সাধারণ মানুষের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের মন জয় করেন।
পরবর্তীতে তিনি অ্যাকশন এবং রোম্যান্টিক হিরো হিসেবে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। ‘শোলে’, ‘ধরম-বীর’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘মেরা গাও মেরা দেশ’ এবং ‘ড্রিম গার্ল’-এর মতো কালজয়ী সিনেমাগুলো তাকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। তার সুঠাম দেহ এবং অ্যাকশনের জন্য ভক্তরা তাকে ভালোবেসে ‘হি-ম্যান’ উপাধি দিয়েছিলেন।

 

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা, দেখে নিন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ কারা!

০
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে। ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে হতে যাওয়া এই মেগা টুর্নামেন্টের সূচি (T20 World Cup 2026 Schedule) ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে প্রতিযোগী ২০ দলকে ভাগ করা হয়েছে চারটি গ্রুপে। বিশ্বকাপে কঠিন গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। ‘সি’ গ্রুপে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নেপাল ও ইতালি।
‘এ’ গ্রুপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে খেলবে নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। ১৫ নভেম্বর কলম্বোয় দুই দলের রোমাঞ্চকর লড়াই অনুষ্ঠিত হবে। ‘বি’ গ্রুপে আরেক আয়োজক শ্রীলঙ্কার সঙ্গে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমান। ‘ডি’ গ্রুপে ২০২৪ বিশ্বকাপের রানারআপ দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে লড়বে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডা।
আজ (মঙ্গলবার) মুম্বাইয়ে এক অনুষ্ঠানে আইসিসি সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের সর্বোচ্চ এই প্রতিযোগিতার সূচি ঘোষণা করেছে। ৭ ফেব্রুয়ারি পর্দা উঠবে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হবে। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো হবে ভারতের ৫টি ও শ্রীলঙ্কার ৩টি ভেন্যুতে। ভারতের ভেন্যুগুলো হচ্ছে– দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, কলকাতার ইডেন গার্ডেন, চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বারাম, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি ও মুম্বাইয়ের ওয়ানখেড়ে স্টেডিয়াম।
এ ছাড়া শ্রীলঙ্কায় পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, কলম্বোর আর প্রেমাদাসা ও সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে মেগা টুর্নামেন্টটির ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পাকিস্তান যেহেতু ভারতে খেলতে যাবে না, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে। পাকিস্তান সেমিফাইনালে না উঠলে ম্যাচ দুটি হবে মুম্বাই ও কলকাতায়। পাকিস্তান সেমিফাইনাল-ফাইনাল দুই ম্যাচের যোগ্যতা অর্জন করলে দুটি ম্যাচই হবে কলম্বোতে। অন্যথায় ফাইনাল গড়াবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়াম আহমেদাবাদ নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে।
প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল সুপার এইটে উঠবে। সেখানে ৮ দল নিয়ে হবে দুটি গ্রুপ। সুপার এইটের গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করবে। চার দলের লড়াইয়ে বিজয়ী দুই দল ফাইনালে লড়বে ৮ মার্চ।

 

২৪ দিনে সাড়ে ২৮ হাজার কোটি টাকা পাঠালেন প্রবাসীরা

০
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি নভেম্বর মাসের ২৪ দিনে দেশে এসেছে ২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসীআয় বা রেমিট্যান্স। দেশীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২৮ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা।
গত ২৪ দিনের প্রবাসী আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫১ কোটি ডলার বেশি। রেমিট্যান্সের এ ধারা যদি পুরো মাসজুড়ে বজায় থাকে, তবে নভেম্বরে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে, গত বছরে শুধু একবারই রমজানের ঈদকে (ঈদুল ফিতর) কেন্দ্র করে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠালে বিভিন্ন প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর ওপর উৎসাহ বাড়ানো এবং এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর সক্রিয় ভূমিকা উল্লেখ করা হচ্ছে।
চলতি নভেম্বর মাসের ২৪ দিনে প্রবাসীরা দেশে ২৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৮ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে দেশে আসছে ৯ কোটি ৭৯ লাখ ডলার বা এক হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫১ কোটি ডলার বেশি। ২০২৪ সালের নভেম্বরের প্রথম ২৪ দিনে ১৮৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ২৪৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই-২৪ নভেম্বর ২০২৪) রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৭৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ হিসাবে অর্থবছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৬ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় ছিল জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার এবং অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।
২০২৪–২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, যা ছিল ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের তুলনায় যা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
২০২৩–২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। ওই অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স ছিল- জুলাইয়ে ১৯১ দশমিক ৩৭ কোটি, আগস্টে ২২২ দশমিক ১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০ দশমিক ৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯ দশমিক ৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি, মে মাসে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

ব্যাংকিং খাতে নতুন বিপদসংকেত: খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা

০
দেশের ব্যাংকিং খাতে সংকট আরও গভীর হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব বলছে—খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। বিশাল এই অঙ্ক আর্থিক ব্যবস্থার দুর্বলতা ও অনিশ্চয়তা আরও প্রকট করে তুলছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হালনাগাদ বিবরণী থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংক সাম্প্রতিক সময়ে নজরদারি ও নিয়মকানুন কঠোরভাবে প্রয়োগ করায় ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আগে যেসব ঋণ পরিশোধ না হওয়া সত্ত্বেও কাগজে ‘নিয়মিত’ হিসেবে দেখানো হতো, সেগুলো এখন মন্দ ঋণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রভাব ও সুবিধার মাধ্যমে বিতরণ করা ঝুঁকিপূর্ণ ঋণগুলো একে একে প্রকাশ পাচ্ছে, আর মন্দ ঋণের পরিমাণও বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত চিত্র উন্মোচিত হওয়ায় ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি সম্পর্কে এখন আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। তবে একইসঙ্গে এটি একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতাও সামনে এনেছে— যেখানে বিপুল অঙ্কের অনাদায়ি ঋণ বছরের পর বছর ধরে জমে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর শেষে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা। যা বিতরণ করা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। সে হিসেবে এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক থেকে নামে–বেনামে যে অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে, নিয়মনীতি স‌ঠিক প‌রিপালনের কারণে এখন তা খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হতে শুরু করেছে। ফলে এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের জুন প্রান্তিকে শেষে ঋণের পরিমাণ ছিল ১৭ লাখ ৭৮ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৮ হাজার ৩৪৫ কোটি, যা ওই সময়ের বিতরণ করা ঋণের ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। সে হিসেবে তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩৬ হাজার ১৭০ কোটি টাকা।
ডলার সংকটে পড়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের ঋণের দ্বারস্থ হয় বাংলাদেশ। ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের তিনটি কিস্তি পেয়েছে। বাকি দুটি কিস্তি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ধাপে ধাপে দেবে সংস্থাটি। এর মধ্যে অন্যতম ২০২৬ সালের মধ্যে বেসরকারি খাতে খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশ এবং সরকারি ব্যাংকে ১০ শতাংশের নিচে নামাতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ঋণের ৫০ শতাংশের মতো খেলাপি। বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোরও খেলাপি ঋণের হার ২০ শতাংশের কাছাকাছি।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে, তখন মোট খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। এরপর থেকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েই চলছে। অর্থনীতিবিদরা অনেক দিন ধরেই অভিযোগ করছেন, তৎকালীন সরকারের ছত্রছায়ায় ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটপাট হয়েছে, যার একটা বড়ো অংশই বিদেশে পাচার হয়েছে।