Home Blog Page 280

নারী ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় ব্যাটার

ভারতীয় ক্রিকেটে যেন ফের জন্ম নিল এক ‘স্মৃতি মন্ধানা–সোফি ডিভাইন’ হাইব্রিড! নাম তার কিরণ নবগিরে। ৩৪ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নারী টি–টোয়েন্টিতে গড়লেন ইতিহাস—স্বীকৃত ক্রিকেটে এটিই এখন দ্রুততম শতক।

নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গ্রাউন্ডে শুক্রবার সিনিয়র উইমেন্স টি–টোয়েন্টি ট্রফির ম্যাচে পাঞ্জাব উইমেন্সের দেওয়া ১১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছিল মহারাষ্ট্র। ওপেনিংয়ে নেমে নবগিরে ঝড় তুললেন একাই। ৩৫ বলে অপরাজিত ১০৬ রানে ম্যাচ শেষ করেন তিনি, যেখানে ছিল ১৪টি চার আর ৭টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট? অবিশ্বাস্য—৩০২.৮৬! নারী ক্রিকেট ইতিহাসে ৩০০-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে সেঞ্চুরির নজির এটাই প্রথম।

এই সেঞ্চুরির সঙ্গে ভেঙে গেল নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক সোফি ডিভাইনের ২০২১ সালের রেকর্ড। ডিভাইন সে বছর ওয়েলিংটনের হয়ে ৩৬ বলে শতক করেছিলেন—এখন সেই রেকর্ডের নতুন মালিক কিরণ নবগিরে।

প্রথম দিকের ধাক্কা সামলে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে নামা নবগিরে জুটি বাঁধেন মুক্তা মাগরের সঙ্গে। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১০৩ রানের পার্টনারশিপে মাত্র ৮ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে মহারাষ্ট্র।

৩১ বছর বয়সী নবগিরে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এখনো ছয়টি টি–টোয়েন্টি খেলেছেন মাত্র, সফলতা তেমন আসেনি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি একেবারে অন্য চেহারার। ২০২২ সালের টুর্নামেন্টে এক মৌসুমে ৩৫টি ছক্কা হাঁকিয়ে গড়েছিলেন রেকর্ড, একই বছরে অরুণাচল প্রদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন বিধ্বংসী ৭৬ বলে ১৬২ রানের ইনিংস।

মেয়েদের আইপিএলের (WPL) প্রথম আসরেই নজর কাড়েন নবগিরে। ইউপি ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে ৩১ বলে ৫৭ রান করে দলকে জিতিয়েছিলেন। চলতি মৌসুমেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ১৬ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে নিজের নাম আবারও তুলে ধরেন আলোচনায়।

এই সেঞ্চুরির পর এখন অনেকেই ভাবছেন—ভারতীয় নারী দলে কবে ফিরবেন নবগিরে? অন্তত ব্যাট হাতে তাঁর উত্তরটা পাওয়া গেল স্পষ্টভাবে—“যেখানেই খেলি, রেকর্ডই হবে আমার ভাষা।”

প্রাইভেসি পলিসি কেন জরুরি

আজকাল আমরা সবাই কম-বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করি— ফেসবুকে ছবি দেই, অ্যাপ ডাউনলোড করি, অনলাইনে কেনাকাটা করি। এসব করতে গিয়ে একটা জিনিস প্রায়ই চোখে পড়ে— প্রাইভেসি পলিসি। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, এটা আসলে কী? বা কেন এত দরকার?

চলুন, সহজ ভাষায় বুঝে নিই, প্রাইভেসি পলিসি মানে কী?

প্রাইভেসি পলিসি হচ্ছে একটা নিয়ম-কানুনের তালিকা, যেখানে কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ জানায়— তারা আপনার কোন তথ্য নিচ্ছে (যেমন : নাম, ই-মেইল, ফোন নম্বর), কেন নিচ্ছে, কোথায় রেখে দিচ্ছে এবং সেই তথ্য কার সঙ্গে শেয়ার করছে।

এটা একরকম চুক্তির মতো— যেখানে তারা বলছে, ‘আপনার তথ্য আমরা কীভাবে ব্যবহার করব, সেটা আপনি যেন আগে থেকেই জেনে নিন।’

কেন এটা এত গুরুত্বপূর্ণ?

প্রাইভেসি পলিসি আমাদের সাহায্য করে নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের ব্যাপারে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে। ধরুন, আপনি একটা অ্যাপে ঠিকানা দিলেন। যদি তাদের প্রাইভেসি পলিসিতে লেখা থাকে, ‘এই ঠিকানা শুধু ডেলিভারির কাজে ব্যবহার হবে’— তাহলে আপনি নিশ্চিন্তে দিতে পারেন।

কিন্তু যদি লেখা থাকে, ‘তথ্য তৃতীয় পক্ষের (অন্যান্য কোম্পানি) সঙ্গে শেয়ার করা হতে পারে’— তাহলে আপনাকে ভাবতে হবে, আপনি রাজি কি না।

এই পলিসিতে সাধারণত যা যা লেখা থাকে

– আপনি কোন তথ্য দিচ্ছেন (নাম, ফোন, ব্রাউজিং হিস্টোরি ইত্যাদি)

– তারা কীভাবে নিচ্ছে (ফর্ম পূরণ, কুকি, অ্যাপ পারমিশন ইত্যাদি)

– তারা কেন নিচ্ছে (সার্ভিস উন্নত করতে, বিজ্ঞাপন দেখাতে)

– তারা তথ্য কতদিন রাখবে, কতটা সুরক্ষায় রাখবে

– আপনি চাইলে কীভাবে তথ্য মুছে ফেলতে পারবেন বা পরিবর্তন করতে পারবেন

আইন কেন বলছে এটা বাধ্যতামূলক?

– অনেক দেশে তথ্য সুরক্ষা নিয়ে কঠোর আইন আছে।

– ইউরোপে GDPR

– আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় CCPA

– আমাদের দেশেও আছে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট।

এইসব আইন বলছে— ব্যবহারকারীর তথ্য ব্যবহার করলে, তার আগে জানাতে হবে এবং অনুমতি নিতে হবে। কাজেই কোনো কোম্পানি যদি এড়িয়ে যায়, তাহলে তারা আইনি বিপদে পড়তে পারে।

আপনি যদি ব্যবসা চালান বা ওয়েবসাইট চালান?

তাহলে অবশ্যই আপনার প্রাইভেসি পলিসি থাকা দরকার। কারণ এটা—

– ব্যবহারকারীর বিশ্বাস বাড়ায়

– আপনাকে আইনি ঝুঁকি থেকে বাঁচায়

– আপনার ব্র্যান্ডকে আরও পেশাদার করে তোলে

আপনি চাইলে অনলাইনে সহজ প্রাইভেসি পলিসি জেনারেটর ব্যবহার করতে পারেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবশ্যই পরিষ্কার করে লিখতে হবে।

ব্যবহারকারী হিসেবে আমাদের কী করা উচিত?

– নতুন কোনো অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে সাইন আপ করার আগে প্রাইভেসি পলিসি একবার চোখ বুলিয়ে নিন।

– অপ্রয়োজনীয় পারমিশন (যেমন- লোকেশন বা ক্যামেরা) দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

– যদি পলিসিতে লেখা থাকে, আপনি চাইলে তথ্য মুছতে পারেন— তাহলে দরকার হলে সে সুযোগ নিন।

আপনার তথ্য, আপনার অধিকার

ডিজিটাল দুনিয়ায় আপনার তথ্যই আপনার পরিচয়। প্রাইভেসি পলিসি ঠিকভাবে না জানলে, সেই তথ্য অন্য কেউ অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারে।

তাই যেখানেই তথ্য দিচ্ছেন— সোশ্যাল মিডিয়া হোক বা অনলাইন শপিং— একটু সময় নিয়ে প্রাইভেসি পলিসি দেখে নিন। আপনার নিরাপত্তা, আপনার হাতেই।

একটি ছোট অভ্যাস বড় সুরক্ষা দিতে পারে। সচেতন থাকুন, সুরক্ষিত থাকুন।

শনিবার খোলা থাকবে ব্যাংক

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার (১৮ অক্টোবর) ব্যাংক খোলা থাকবে। হজ কার্যক্রমের সুবিধার্থে ব্যাংকের নির্দিষ্ট কিছু শাখা খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী জারি করা এ নির্দেশনায় বলা হয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের হজ নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার সুবিধার্থে হজের অর্থ গ্রহণকারী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ১৮ অক্টোবর খোলা রাখতে হবে। যত সময় হজের নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার জন্য গ্রাহক থাকবেন, ততক্ষণ অর্থ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

জুলাই সনদে সই না করার ব্যাখ্যা দিলেন সারোয়ার তুষার

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অংশ না প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। এ নিয়ে এনসিপি একটা সহজ ও স্পষ্ট দাবি জানিয়েছিল বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) তার ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জুলাই সনদে এনসিপির স্বাক্ষর না করার কারণ জানান।

কালবেলার পাঠকদের জন্য তার ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো।

পোস্টে তুষার লেখেন, ‘এনসিপি একটা সহজ ও স্পষ্ট দাবি জানিয়েছিল। জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় বাস্তবায়ন পদ্ধতির উল্লেখ থাকতে হবে। অর্থাৎ, কীভাবে আপনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবেন, কীভাবে আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি নিশ্চিত করা হবে– এর উল্লেখ সনদে থাকতে হবে।

‘কারণ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এ ব্যাপারে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ> গণভোট> আগামী সংসদের দ্বৈত ক্ষমতা [কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার (গাঠনিক ক্ষমতা) + আইন প্রণয়নী ক্ষমতা] — এই প্রক্রিয়ায় সনদ বাস্তবায়ন হবে। এতে সকল রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। তাহলে এটা সনদে উল্লেখ থাকতে সমস্যা কোথায়?

‘সমস্যা হলো প্রতারণা করার খাসলত। এটা উল্লেখ না রাখতে চাওয়ার কারণ হলো পরবর্তীতে বলা হবে ওই মৌখিক ঐকমত্যের কোনো গুরুত্ব নাই, সাংবিধানিক পথের (যার অর্থ করা হয় পার্লামেন্টের কাছে সংবিধান সংশোধনের এখতিয়ার প্রদান) বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই ইত্যাদি। এই মতলবের কারণেই ঐকমত্যে আসা বিষয়েও সনদে উল্লেখ রাখতে গড়িমসি করা হয়েছে।

‘কমিশন ও সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এখন আর সনদ সংশোধনের সুযোগ নাই। অথচ আজ যখন আহতরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে বিক্ষোভ জানাল (মাসিক ভাতা, চিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা), তখন চাপে পড়ে সাথে সাথে সনদের টেক্সটের ৫ নং ধারা সংশোধন করা হলো। কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ ক্ষমাও চাইলেন।

‘এখন কীভাবে সনদের টেক্সট সংশোধন করা গেল? আর বাস্তবায়ন পদ্ধতির উল্লেখের যৌক্তিক দাবিকে কীভাবে অগ্রাহ্য করা গেল? কার/কাদের নির্দেশে? এগুলোই এখনকার প্রতাপশালী রাজনীতি।

‘কিংস পার্টি, কিংস পার্টি বলে চিৎকার না করে কমিশন ও সরকারের অদৃশ্য নিয়ন্ত্রক কারা চোখ-কান খুলে তা বোঝার চেষ্টা করা দরকার।

‘উদ্ভূত পরিস্থিতির সকল দায় সরকারের। এনসিপির সহনশীলতা ও সহযোগিতার মনোভাবকে দুর্বলতা ভেবে বসবেন না।’

সব ব্যাঙ এক পাল্লায় ওঠানো যাবে না : মির্জা আব্বাস

জুলাই সনদে কয়েকটি দলের স্বাক্ষর না করার প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সব ব্যাঙকে এক পাল্লায় উঠানো যাবে না।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সংসদ ভবনে জুলাই সনদে স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, কেউ লাফাবে, কেউ উঠবে। আমি বিশ্বাস করি, যারা স্বাক্ষর করেনি, তারা আবার স্বাক্ষর করতে আসবে। তাদের জন্য ওই অপশন (সুযোগ) আছে।

তিনি বলেন, আমি বলছি না সনদ এমন একটা বিশাল কিছু হয়ে গেল। তবে সনদকে অস্বীকারও করা যাবে না। যারা অস্বীকার করবে, তারা রাজনীতিতে থাকতে পারবে না।

এদিন বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সনদে স্বাক্ষর করেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

পবিত্র নগরী মক্কাকে ঘিরে সৌদির নতুন পরিকল্পনা

পবিত্র নগরী মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদকে ঘিরে সুবিশাল পরিকল্পনা সাজিয়েছে সৌদি আরব। এজন্য মেগা প্রজেক্ট ঘোষণা করা হয়েছে। আর এই প্রজেক্টের অধীনে গ্র্যান্ড মসিজদের কাছেই আকাশচুম্বী অট্টালিকা নির্মাণ করা হবে। মূলত মক্কা নগরীতে আগত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের জন্য থাকার ব্যবস্থা, আতিথেয়তা এবং নামাজ আদায়ের সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই উন্নয়ন প্রকল্পের নামকরণ করা হয়েছে কিং সালমান গেট নামে, যা আগামী বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। সৌদি আরবের ক্ষমতাধর নেতা ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ১২ মিলিয়ন স্কয়ার মিটারজুড়ে এই প্রকল্প গড়ে তুলবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে থাকবে আবাসিক, বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক ও হোটেল সুবিধা। এছাড়া ইনডোর এবং আউটডোরে একসঙ্গে প্রায় ৯ লাখ মানুষের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বানানো নতুন এই প্রকল্পের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মক্কা নগরীর পাশ দিয়ে সুবিশাল উঁচু উঁচু ভবনগুলো দাঁড়িয়ে আছে। এর ওপরে দিয়ে উড়ে যাচ্ছে শান্তির পায়রা। এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করবে রুয়া আলহারাম আলমাক্কি নামের একটি প্রতিষ্ঠান। নতুন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে পবিত্র নগরী মক্কায় ৩ কোটি হজ যাত্রীকে স্বাগত জানানোর লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মতৎপরতা শুরু করেছে সৌদি আরব। অন্যান্য মেগা প্রজেক্টের পাশাপাশি মক্কা-মদিনাকে ঘিরে এই পরিকল্পনা সাজিয়েছে সৌদি। কারণ পবিত্র এই নগরীকে ঘিরে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের বিশেষ এক আকর্ষণ আছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে বসবেন ট্রাম্প-পুতিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ফোনালাপ ছিল খুবই ভালো এবং অত্যন্ত ফলপ্রসূ। উভয় নেতা আগামী সপ্তাহে উচ্চস্তরের আলোচনার জন্য সম্মত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুপক্ষ একটি সম্ভাব্য মুখোমুখি সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি বুদাপেস্টে হওয়ার কথা রয়েছে। তবে তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি।

ফোনালাপের পর ট্রাম্প জানান, তিনি বিশ্বাস করেন যে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অগ্রগতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য আলোচনা শুরু করতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধোত্তর বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হবে। দুই দেশই পরবর্তী সপ্তাহে শীর্ষ পর্যায়ের উপদেষ্টাদের পাঠাবে। আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারকো রুবিও।

ট্রাম্প জানান, পুতিন তাকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টায় তার ভূমিকার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, আমি বিশ্বাস করি, ফোনালাপটি বাস্তব অগ্রগতি সৃষ্টির একটি সূচনা। তিনি আরও যোগ করেন, পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার মাধ্যমে এই কলঙ্কজনক যুদ্ধ শেষ করার বিকল্প অন্বেষণ করবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেখানে তারা পুতিনের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। একইসঙ্গে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করবেন।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বাপশক) প্রধান কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার এক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতনামা বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাপশকের চেয়ারম্যান ড. মো. মজিবুর রহমান।

সেমিনার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিশনের সদস্য ড. দেবাশীষ পাল। সভাপতির বক্তব্যে ড. মজিবুর রহমান সংশ্লিষ্ট সবাইকে সেমিনার সফলভাবে আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনি সচিবের বিজ্ঞানমনস্কতার প্রশংসা করে বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষভাবে হাই পাওয়ার রিসার্চ রিএক্টর স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি এবং তেজস্ক্রিয় কাঁচামাল আমদানি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসণের জন্য মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি ও সমর্থনের আবেদন জানান।

সচিব মো. আনোয়ার হোসেন তার বক্তব্যে ক্রমবর্ধমান ক্যান্সার রোগের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি কমিশনের গবেষণা ও সেবামূলক কাজের পরিধি বৃদ্ধির আহ্বান জানান। সচিব মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক মনোভাব তুলে ধরে সীমাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রস্তুতির গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

সেমিনারের মূল অংশে বাংলাদেশে পরমাণু চিকিৎসার ইতিহাস, বর্তমান রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পদ্ধতি, রেডিও আইসোটোপের ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মোট চারটি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। সবশেষে বিশেষজ্ঞ প্যানেলিস্টদের অংশগ্রহণে একটি প্রাণবন্ত মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে সেমিনার সমাপ্ত হয়।

নির্বাচন কীভাবে হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

রাজনৈতিক নেতাদের আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ঐকমত্যের ভিত্তিতে আমরা যেভাবে জুলাই জাতীয় সনদ করলাম, তেমনি আপনারা রাজনৈতিক নেতারা বসে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিন, কীভাবে নির্বাচন করবেন। যেমন-তেমন করে নির্বাচন করলে তো আবার পুরোনো জায়গায় ফিরে যাব। এত কিছু করে তাহলে লাভটা কী হলো?

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. ইউনূস বলেন, ‘আজ আমরা যে ঐক্যের সুর বাজিয়েছি, সেই ঐক্যের সুর নিয়েই নির্বাচনের দিকে যেতে চাই। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে এই ঐক্য যেন বজায় থাকে।’

ড. ইউনূস বলেন, এই সনদের মাধ্যমে আমরা আরেকটা বড় কাজ করলাম। আমরা বর্বরতা থেকে সভ্যতায় এলাম। আমরা এক বর্বর জগতে ছিলাম, যেখানে আইন-কানুন ছিল না। মানুষের যা ইচ্ছা তা করতে পারত। এখন আমরা সভ্যতায় এলাম এবং এমন সভ্যতা আমরা গড়ে তুলব, মানুষ বিস্ময় চোখে আমাদের দেখবে। কাজেই সেটা এখন আমাদের পরবর্তী জীবন— এই সনদ-পরবর্তী জীবন আমরা কীভাবে গঠন করব, তার ওপর নির্ভর করবে।

তর্কবিতর্কের অবসান হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমরা আমাদের যে সম্পদ আছে, যেটা আমরা ব্যবহার করতে পারিনি। আমি বারবার যেটার কথা উল্লেখ করি, এটা হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর আমাদেরই অঞ্চল, আমাদেরই বাংলাদেশের অংশ। কোনো দিন আমরা খেয়াল করে দেখি নাই এই অংশে আমরা কী করি। এই অংশ অত্যন্ত সম্পদশালী অংশ। আমরা বলছি যে এটা আমরা পূর্ণ ব্যবহার করতে চাই, সম্পদকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমরা আর তর্কবিতর্কের মধ্যে থাকতে চাই না। সে জন্যই আজ সনদ হলো। এই সনদ তর্কবিতর্কের অবসান করবে। আমরা নিয়মমতো চলে যাব। আমরা এখন নিয়মমাফিক চলার জন্য তৈরি হয়েছি।

সমুদ্রবন্দরের সুবিধা নিয়ে ড. ইউনূস বলেন, আমি বারবার বলছি যে আমরা যদি সমুদ্রবন্দর করে দিই, তাহলে সারা দুনিয়ার জাহাজ আমাদের বন্দরে ভিড়তে বাধ্য হবে। আমাদের পণ্য সিঙ্গাপুরে খালাস করে দিয়ে চলে যেতে হবে না। অন্য দেশের পণ্য সিঙ্গাপুরে খালাস করে দিয়ে যেতে হবে না। আমার দুয়ার পর্যন্ত নিয়ে আসতে পারবে এবং অন্যান্য দেশের যারা সুযোগ দিতে পারবে না, তাদের পণ্য এখানে দেওয়া যাবে। আমাদের এখান থেকে তারা নিয়ে যাবে। কাজেই এটা একটা বিরাট সুযোগ।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের পরিকল্পনায় যদি আমরা মাতারবাড়ি, কক্সবাজার, মহেশখালী সবকিছু মিলিয়ে একযোগে বন্দর উন্নত করি, তাহলে পুরো এলাকা নতুন সিঙ্গাপুরে পরিণত হবে। এটা নির্ঘাত। এটার থেকে কেউ বাইরে যেতে পারবে না। সব দেশের মানুষ এখানে আসবে। আমরা আমাদের অর্থনীতির অংশ হিসেবে আঞ্চলিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারি। আমরা নেপালে, ভুটানে, সেভেন সিস্টারসে তাদের সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি শুধু এই বন্দরের কারণে, এই যোগাযোগের কারণে। তারাও সমৃদ্ধ হবে, আমরাও সমৃদ্ধ হব। কাজেই এই সুযোগগুলো আছে, যদি আমরা পথমত ঠিকমতো চলতে পারি।

ল্যাবএইডের কর্ণধার সাকিফ শামীমকে নিয়ে ফিচার করলো ইউএসএ টুডে

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা শিল্পের জন্য এক অনন্য ও গৌরবের মুহূর্ত নিয়ে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী প্রকাশনা ‘ইউএসএ টুডে’। এই বিশ্বখ্যাত দৈনিকের বিশেষ প্রতিবেদনে ফিচার্ড হয়েছেন ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল এন্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের দূরদর্শী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ল্যাবএইড গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সাকিফ শামীম। ইউএসএ টুডে-র মত আন্তর্জাতিক পত্রিকায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতকে তুলে ধরা নিঃসন্দেহে দেশের জন্য বিশাল সম্মান এবং বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা মানচিত্রে বাংলাদেশকে এক উদীয়মান কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

ইউএসএ টুডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ ও সবচেয়ে বেশি প্রচারিত দৈনিক সংবাদপত্র। এর গতিশীল নকশা, সংক্ষিপ্ত, সুস্পষ্ট প্রতিবেদন এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতি বিষয়ক গল্প অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এটি বিশ্বজুড়ে অনেক সংবাদপত্রের শৈলীকে প্রভাবিত করেছে। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ পাঠকের কাছে পৌঁছানো এই প্রকাশনায় সাকিফ শামীমের সাক্ষাৎকার ও ল্যাবএইডের কার্যক্রম তুলে ধরায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি এবং চিকিৎসা সক্ষমতা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলো।

সাকিফ শামীম বর্তমানে ল্যাবএইড গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা তাঁর বাবার হাতে ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করেছিল। এটি এখন ছয়টি বিশেষায়িত হাসপাতাল, ৪৫টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একটি মেডিকেল কলেজ, ফার্মাসিউটিক্যালস, রিয়েল এস্টেট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ১২,০০০-এরও বেশি কর্মচারী নিয়ে দেশের বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা গ্রুপে পরিণত হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল এন্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও এশিয়ার সেরা হাসপাতালগুলোর মধ্যে গণ্য হচ্ছে, যা রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে সমন্বিত ক্যান্সার পরিচর্যা প্রদান করছে।

সাকিফ শামীমের নেতৃত্ব স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তিনির্ভর বিপ্লব ঘটিয়েছে। তিনি লাইফপ্লাস বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা তিন লাখেরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী নিয়ে দেশের বৃহত্তম হেলথটেক কোম্পানিগুলোর একটি। পাশাপাশি, তিনি Labaid GPT নামে একটি জেনারেটিভ এআই প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন, যা ডাক্তার ও রোগীদের জন্য সেকেন্ড অপিনিয়ন প্রদানের লক্ষ্যে তৈরি এবং এটি ল্যাবএইডের বহু বছরের সংরক্ষিত ডেটা দ্বারা চালিত। তাঁর দূরদর্শী উদ্যোগে, ল্যাবএইড গ্রুপ ভার্চু-কেয়ার এআই (Virtuecare AI)-এর মাধ্যমে অগমেন্টেড রিয়্যালিটি (AR) এবং ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি (VR) প্রযুক্তির ব্যবহারও শুরু করেছে, যার লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা এবং অনুরূপ অঞ্চলের মানুষের জন্য উন্নত প্রযুক্তি সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করে তোলা।

ল্যাবএইড গ্রুপের সম্প্রসারণ কৌশল সুদূরপ্রসারী; তারা ঢাকায় ২৫০ মিলিয়ন ডলারের (আনুমানিক ২০০০ কোটি টাকা) একটি ৭৫০ শয্যার সুপার-স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা করেছে এবং আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে দেশজুড়ে ৩০টি ক্যান্সার সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্ভাবন ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ল্যাবএইড বাংলাদেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর এবং হংকংয়ে পাবলিক হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল এবং হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের মত বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর সাথেও তাদের কোশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে।

সাকিফ শামীম বলেন, ল্যাবএইড শুধু একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়—এটি রূপান্তরের একটি মঞ্চ। সাকিফ শামীমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে চিকিৎসা খাতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক অবকাঠামো এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশীদের আর চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে হবে না, বরং বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে রোগীদের আকৃষ্ট করতে পারবে। তাঁর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ল্যাবএইড গ্রুপকে $১০ বিলিয়ন কর্পোরেশনে রূপান্তরিত করা, যার মাধ্যমে তিন থেকে চার বছরের মধ্যে বছরে প্রায় ৭-৮ মিলিয়ন মানুষের কাছে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। সাকিফ শামীমের মতে, বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা একটি বিলাসিতা নয়, বরং প্রতিটি মানুষের অধিকার।