ব্রয়লারের কেজি ১৭০, পাঙাশ ১৮০!
নভেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান, অংশ নেবেন নির্বাচনে: সালাহউদ্দিন
শুল্ক কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, সমঝোতার পথে ট্রাম্প-মোদি?
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই: সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নাই। সরকার পার্বত্য অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষা ও জীবনযাত্রার উন্নয়ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
গতকাল রাজধানীর মিরপুর শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে আয়োজিত কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, এ বছর নভেম্বরের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডিজিটালাইজড করা হবে।
ইতোমধ্যে অধিকাংশ স্থানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ডিজিটাল কার্যক্রম সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ বছরের নভেম্বরের মধ্যে ১০০টি স্কুলে ডিজিটাল কার্যক্রম চালু করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই উন্নয়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের ছেলে মেয়েরা ভালো করছে, সুযোগ পেলে আরও ভালো করবে।
লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্টকে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হিসেবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন অপরিহার্য। পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনো মানসম্মত স্কিম গ্রহণ করা হয়নি, তাই সংশ্লিষ্টদের বাস্তবসম্মত ও লাইভলিহুড ভিত্তিক স্কিম গ্রহণের নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
তিনি জানান, আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সঠিক উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও জানান, লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্টে মোট বরাদ্দের ৪০% ব্যয় করা হবে এবং প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের জন্য বরাদ্দকৃত ৫৩০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের মাঝে যথাযথভাবে বণ্টন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভান্তে প্রজ্ঞানন্দ মহাথের, বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ভিক্ষুগণ এবং সমাজের সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার শঙ্কা
দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট একটি লঘুচাপ ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েকদিন সমুদ্রের পরিস্থিতি উত্তাল থাকার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এ তথ্য জানায়।
বিডব্লিউওটি জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপটি আজ (২৫ অক্টোবর) সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ২৬-২৭ অক্টোবর গভীর নিম্নচাপ এবং পরবর্তী সময়ে একটি ‘সাধারণ মানের ঘূর্ণিঝড়ে’ পরিণত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, লঘুচাপের প্রভাবে এরই মধ্যে দক্ষিণ ও মধ্য বঙ্গোপসাগর উত্তাল হতে শুরু করেছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্য ও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের অধিকাংশ স্থান উত্তাল থাকতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এর প্রভাব প্রথম দিকে কিছুটা কম হলেও, ২৭-২৮ তারিখের দিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং গভীর সাগরও কিছুটা উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। এজন্য সমুদ্রে থাকা সব ধরনের মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাকে সাবধানে চলাচল করতে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম আরও জানায়, সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়টি ২৮-২৯ তারিখ নাগাদ ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে আগামীকাল দেশের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম। কেবল বান্দরবান, কক্সবাজার এবং খুলনা-বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে, আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন আসতে পারে আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে। এ সময় ‘বৃষ্টি বলয়’ চালু হয়ে ২ নভেম্বর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে দেশের অধিকাংশ স্থানে কম-বেশি বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে। এই বৃষ্টি বলয় চলাকালীন দেশের আকাশ অধিকাংশ স্থানে আকাশ মেঘলা থাকতে পারে।
প্রিয় রঙে নুসরাত ফারিয়া
রেকর্ডের বন্যা বইয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
৪৪৬ কোটি টাকায় এক লাখ টন চাল কিনবে সরকার
বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড, এক বছরে ৩৬ কারখানা পেল আন্তর্জাতিক ‘সবুজ’ সনদ
সরকার এখন থেকেই পুরোপুরি ‘কেয়ারটেকার’ মুডে চলে যাক: আমীর খসরু


