Home Blog Page 284

বিশ্ববাজারে ফের স্বর্ণের রেকর্ড দাম, রুপাও সর্বকালের শীর্ষে

বিশ্ববাজারে ফের রেকর্ড গড়ল স্বর্ণের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য সংকট এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকছেন, ফলে দাম ছুঁয়েছে নতুন উচ্চতা। পাশাপাশি রুপার দামও ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। খবর রয়টার্স।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৬৭ দশমিক ৭৯ ডলারে লেনদেন হয়। সেশনের শুরুতে এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৭৮ দশমিক ৫ ডলারেপৌঁছায়।
পাশাপাশি ফিউচার মার্কেটেও ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এই বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৩ দশমিক ৫০ ডলারে।
এদিকে একই কারণে স্বর্ণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রুপার দামও সর্বকালের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। বিশ্ববাজারে স্পট সিলভার ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৫১ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশেও গত ৮ অক্টোবর স্বর্ণ ও রূপার দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ওইদিন ভরি প্রতি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৯০৬ টাকা এবং রুপার দাম ভরিতে ৩২৭ টাকা বাড়ানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৯ হাজার ১০১ টাকা। যা দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০১ টাকা।
অন্যদিকে সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম পড়বে ৪ হাজার ৯৮১ টাকা। যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৭১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম পড়বে ৩ হাজার ৫৬ টাকা।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলে ভারতীয়রা শক্তিশালী হবে: এম এ মালিক

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলে ভারতীয়রা শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও সিলেট-৩ আসন থেকে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী এম এ মালিক।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের অনেকে এখনো প্রশাসনে লুকিয়ে আছে। যেটা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। নির্বাচন বিষয়ে তিনি বলেন, আমার জীবনের শেষ সময়ে মানুষের সেবা করতে চাই। এজন্য যুক্তরাজ্য ছেড়ে এলাকায় এসেছি। এরই ধারাবাহিকতায় ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন এবং শাড়ি ও কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।
রবিবার (১২ অক্টোবর) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন এবং শাড়ি, লুঙ্গি ও কম্বল বিতরণ কার্যক্রম উপলক্ষে মতবিনিময় ও প্রেসব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
এম এ মালিক বলেন, আজকের এই মতবিনিময়ের মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের দলীয় ও সামাজিক মানবিক কার্যক্রম সম্পর্কে আপনাদেরকে জানানো এবং এ কার্যক্রমে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা।
আমরা বিশ্বাস করি—রাজনীতি কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত রাজনীতি। এই বিশ্বাস থেকেই আমি সবসময় দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছি।
আমরা আগামী দিনে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন, এবং শাড়ি ও কম্বল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে যাচ্ছি। যা বিশেষ করে সিলেটের দরিদ্র, অসহায় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য একটি বাস্তব সহায়তা হয়ে উঠবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা সিলেটের প্রত্যেকটা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের মাঝে আলোর দিশা পৌঁছে দিতে চাই। এটা শুধু চোখের আলো নয়, মানবতার আলোও। তা ছাড়া যারা শীতের কষ্টে ভোগেন, বিশুদ্ধ পানির অভাবে যারা প্রতিদিন দুর্ভোগে থাকেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এই ছোট উদ্যোগগুলো একদিন একটি বড় পরিবর্তনের বীজ বপন করবে।
মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার এই প্রয়াসে আমি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে আহ্বান জানাই, আসুন, আমরা দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের পাশে দাঁড়াই।
আমরা সবাই মিলে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও আলোকিত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
ব্যক্তিগত উদ্যোগে আগামী ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টা থেকে তেলিবাজার সংলগ্ন আমার বাড়িতে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের ঘোষণা করেন তিনি।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই ব্যক্তিগতভাবে ৩০টি ডিপ-টিউবওয়েল যা আমাদের অঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ দারিদ্র্য অসহায় পরিবারে স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রেখেছি।
তিনি আরো বলেন, ডিপ টিউবওয়েল সমস্যার সমাধানে যাদের ডিপ টিউবওয়েল দরকার তাদেরকে দিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করিয়েছি। আল্লাহর রহমতে টিউবওয়েলগুলো আগামীকাল আসার কথা এবং আসা মাত্রই আপনার জানতে পারবেন।
আমি শিগগিরই শাড়ি এবং কম্বল আমাদের সমাজের অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ শুরু করব। যদি আপনাদের জানাশোনার মধ্যে কোন দারিদ্র্য অসহায় পরিবারের সন্ধান থাকে, দয়া করে আমাকে জানাবেন। আমি তাদের সহায়তা করব।
এ সময় দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানাসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি রেখে নভেম্বরেই গণভোট চায় জামায়াত

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে আগামী নভেম্বর মাসে গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি, সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি রাখার আহ্বানও জানিয়েছে দলটি।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, বর্তমান নির্বাচনী পদ্ধতিতে গত ৫৪ বছরে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। এতে ‘দিনের ভোট রাতে’ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। তাই আমরা কমিশনকে বলেছি, বিদ্যমান পদ্ধতির পাশাপাশি পিআর পদ্ধতিরও প্রস্তুতি নিতে।
গণভোট বিষয়ে তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট একসঙ্গে না করে আলাদা করে আয়োজন করতে হবে। একসঙ্গে হলে প্রার্থীরা নিজেদের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত থাকবে, ফলে গণভোটের গুরুত্ব কমে হারাবে।
তিনি বলেন, একই দিনে গণভোট হলে রিফর্মস ইস্যু মাইনর হয়ে যাবে। সবাই নিজের দলের প্রার্থীকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। বরং আলাদা দিন হলে মানুষ মনোযোগ দিয়ে ভোট দিতে পারবে। অতীতে ১৭ বা ২১ দিনের ব্যবধানেও গণভোট হয়েছে। এতে খুব বেশি বাড়তি ব্যয়ও হয় না, শুধু ব্যালট ও কিছু আনুষঙ্গিক খরচ বাড়ে।
বৈঠকে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা হয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ পদ্ধতি বিভিন্ন দেশে কার্যকরভাবে চালু রয়েছে।
ইসি জানায়, সরকার সিদ্ধান্ত নিলে যা যা করা প্রয়োজন তা বাস্তবায়নে তারা সক্ষম এবং সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এছাড়া প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিয়েও আলোচনা হয়। ইসি জানায়, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) পাশাপাশি জন্মসনদ দিয়েও প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবেন।
অন্যান্য দাবির মধ্যে জামায়াত জালভোট রোধে এনআইডির ভিত্তিতে ভোট নেওয়ার কথা বলেছে এবং ইসি ছবিসহ ভোটার তালিকার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি, নির্বাচনে কর্মকর্তা নিয়োগে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়োগ লটারির মাধ্যমে করার জন্য জামায়াত আহ্বান জানিয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, কমিশন এখন পর্যন্ত গণভোট নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

মধ্যরাতে ঢাবি ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, থমথমে পরিস্থিতি

মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
রোববার (১২ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর নীলক্ষেত ও নিউমার্কেট এলাকায় এ উত্তেজনা শুরু হয়। এ সময় উভয়পক্ষের ইট-পাটকেল নিক্ষেপে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমসহ ছাত্রনেতারা। একইসঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নীলক্ষেত ও নিউমার্কেট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিউমার্কেট জোনের এসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ঢাবির শাহনেওয়াজ হলের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে আসলে কী হয়েছে। যদি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে তা নেওয়া হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি হতাহতের কোনো সংবাদ দিতে পারেননি।

এরদোগানের প্রশংসা করলেন ট্রাম্প

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় তুরস্কের ভূমিকার ব্যাপক প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানকে বলেছেন ‘দারুণ’ এবং জোর দিয়ে বলেছেন, আঙ্কারা আঞ্চলিক প্রভাববলয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
রোববার মধ্যপ্রাচ্যের পথে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তুরস্কও অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে। প্রেসিডেন্ট এরদোগান দারুণ কাজ করেছেন। তিনি সত্যিই অনেক সহায়তা করেছেন, কারণ তিনি অত্যন্ত সম্মানিত একজন নেতা। তার দেশ শক্তিশালী—সেনাবাহিনীও অত্যন্ত শক্তিশালী। তিনি সত্যিই অনেক অবদান রেখেছেন।
তিনি আরও জানান, গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে কাতারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে তিনি বর্ণনা করেন ‘অসাধারণ মানুষ’ হিসেবে।
ট্রাম্প বলেন, তার দেশ সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে—সংযুক্ত আরব আমিরাত বা সৌদি আরব থেকে যেখানে যেতে দেড় ঘণ্টা লাগে, কাতার সেখানে সরাসরি মাঝখানে। কাতারের কৃতিত্ব দেওয়া শুরু করা উচিত।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধবিরতি আলোচনায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া ও জর্ডানও ভূমিকা রেখেছে।
এই মন্তব্যের পর ট্রাম্প ইসরাইলের উদ্দেশে রওনা হন।
এরপর তিনি যাবেন মিশরের শারম আল শেখে, যেখানে সোমবার শুরু হবে ‘শারম আল শেখ শান্তি সম্মেলন’।
মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত এ সম্মেলনের লক্ষ্য, গাজা উপত্যকার যুদ্ধের অবসান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার নতুন যুগের সূচনা।
তুরস্কের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান বুরহানেত্তিন দুরান জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে সিসি ও ট্রাম্পের আমন্ত্রণে এই শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

অবশিষ্ট ১৩ জিম্মিকেও মুক্তি দিলো ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী

সাত জিম্মিকে ছেড়ে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর অবশিষ্ট ১৩ জনকেও মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। আজ সোমবার স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে তারা মুক্তি পেয়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।
মুক্তিপ্রাপ্ত এই ১৩ জিম্মি হলেন এলকানা বাহবোত, অ্যাভিনাতান ওর, ইউসেফ-হাইম ওহানা, ইভায়াতার ডেভিড, রম ব্রাসলাভস্কি, সেগেভ কালফন, নিমরোদ কোহেন, ম্যাক্সিম হেরকিন, এইতান হর্ন, মাতান জাঙ্গাউকের, বার কুপেরশতেইন, ডেভিড কুনিও এবং এরিয়েল কুনিও।
প্রথম দফায় মুক্তি দেওয়া ৭ জিম্মির মতো তাদেরও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রসের জিম্মায় দেয় হামাস। তারপর রেড ক্রস এই জিম্মিদের ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফের কাছে হস্তান্তর করে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় প্রায় ১ হাজার হামাস যোদ্ধা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা এবং ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় যোদ্ধারা। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর ইসরায়েলের ইতিহাসে ৭ অক্টোবরের হামলা ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।
হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধারে পরদিন ৮ অক্টোবর থেকেই গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ভয়াবহ সেই সামরিক অভিযানে ২ বছরে গাজায় নিহত হয়েছেন ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার।
গত দুই বছরে বেশ কয়েকবার এই যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা চলেছে। সেসব চেষ্টার অংশ হিসেবে কয়েক দফা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিও ঘোষণা করে ইসরায়েল। সেসব যুদ্ধবিরতির সময় বেশ কিছু জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস। তারপরও প্রায় ৪০ জন জিম্মি আটক ছিল তাদের হাতে। তবে হামাস আগেই জানিয়েছিল, কাগজে-কলমে ৪০ জন থাকলেও এই জিম্মিদের মধ্যে বর্তমানে জীবিত আছেন ২০ জন।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব আকারে পেশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েল ও হামাস উভয়ে সেই পরিকল্পনায় সম্মতি জানানোর পর গত শুক্রবার থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয় গাজায়।
যুদ্ধবিরতি শুরুর পর আজ সোমবার সকালে ৭ জন জিম্মিকে মুক্তি দেয় হামাস। তার কয়েক ঘণ্টা পর মুক্তি দিলো বাকি ১৩ জনকে। গাজায় এখন আর কোনো ইসরায়েলি জিম্মি নেই।

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণা

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
রোববার (১২ অক্টোবর) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এর সিএ-১ শাখা থেকে যুগ্মসচিব আহমেদ জামিল স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, Sub-rule (1) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার The Civil Aviation Rules, 1984 এ Rule 16 কক্সবাজার বিমানবন্দরকে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে ঘোষণা করিল।
জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

১৭ কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান দিচ্ছি, আশ্রয় দিচ্ছি ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ ছোট ভূমির দেশ। আয়তনে ইতালির অর্ধেক। কিন্তু আমরা ১৭ কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান দিচ্ছি, পাশাপাশি আশ্রয় দিচ্ছি ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে, যারা মিয়ানমারে সহিংসতার মুখে পালিয়ে এসেছে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) ইতালির রোমে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ব খাদ্য ফোরামের সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
লিখিত বক্তব্যে ড. ইউনূস বলেন, আমরা ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি, যা আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য। আমরা বিশ্বের শীর্ষ ধান, শাকসবজি ও মিঠাপানির মাছ উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি। আমাদের কৃষকেরা ফসল চাষের ঘনত্ব ২১৪ শতাংশে উন্নীত করেছেন। আমরা ১৩৩টি জলবায়ু-সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা কৃষক মেকানাইজেশনে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দিয়েছি। শক্তিশালী খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছি। শিশুদের খর্বতা কমেছে, খাদ্যতালিকা বৈচিত্র্যময় হয়েছে মাটি, পানি ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার মাধ্যমে। কৃষি আরও সবুজ হয়েছে।
তিনি বলেন, আমি আনন্দিত যে ‘ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালাচারাল অর্গানাইজেশন (এফএও)’ কর্তৃক ২০১৬ সালে গঠিত ‘নোবেল পিস লরিয়েটস অ্যালায়েন্স ফর ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড পিস’, যার একজন সদস্য আমি; সেটি এখন এফএও’র একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আমি আশা করি এটি আরও নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করবে।

 

রণবীরের স্বীকারোক্তি

বহু বছর আগেই অভিনেতা হিসেবে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন রণবীর কাপুর। ‘সেলিব্রেট সিনেমা-২০২৫’ উৎসবে অভিনেতা স্বীকার করেন যে, তিনি নেপোটিজমের ফল। তিনি বলেন, আমার জীবনে সব সহজেই এসেছে। কিন্তু আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমি বুঝেছিলাম যে, এমন এক পরিবার থেকে এসেছি, যদি আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি না থাকে, যদি নিজের নাম তৈরি করতে না পারি, ইন্ডাস্ট্রিতে সফল হতে পারব না।

সিদ্ধান্তে অনড় দীপিকা

মাতৃত্বের কারণে আট ঘণ্টা শুটিংয়ের শর্ত দিয়ে ‘স্পিরিট’ এবং ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ ছবি থেকে বাদ পড়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। এরপর থেকে অনেকেই নায়িকার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। দীপিকা বলেন, একজন নারীর ক্ষেত্রে কটাক্ষ করা খুবই সহজ। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড়। আট ঘণ্টাই শুটিং করবো। তাতে যে যা পারে, বলুক।