Home Blog Page 292

দেশের সমস্ত সংকট তৈরি করা নাটক, মানুষ ভোট দিতে চায়- মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করে বলেছেন, দেশের সমস্ত সংকট তৈরি করা আর নাটক, মানুষ আসলে নিজের ভোটটা দিতে চায়।

রোববার(৯ নভেম্বর) বেলা ১ টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ইউনিয়ন বাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন ।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের কয়েকটি রাজনীতিক দল সনদ ও গণভোটের কথা বলছে। আমরা বলছি গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই সময়ে হবে। উপস্থিত ইউনিয়ন বাসীর উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা সত্যি করে বলেন তো, সনদ ও গণভট নিয়ে আপনারা কি বুঝেন? বুঝেননা, আমিও বুঝিনা। সাধারণ মানুষ সনদ, গণভোট বুঝেনা, এসব বুঝে উচ্চ শিক্ষিত মানুষজন। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে চায়।

নিজের সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণা করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি ১৯৯১ সাল থেকে নির্বাচন করছি। কখনো হেরেছি কখনো জিতেছি। আপনাদের ছেড়ে কখনো যাইনি। গত ১৫ বছর কোন নির্বাচন করতে পারিনি। যে সরকারটা ছিলো তারা আমাদের নির্বাচন করতে দেয়নাই। সামনে নির্বাচন আসতেছে এবারে আপনারা আপনাদের লোককে ভোট দিবেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, হাসিনার মনে দরদ নাই, দরদ থাকলে দলের কর্মী ছেলে পালাতোনা। দলের কর্মীদের নেতাদের অসহায় করে ছেড়ে পালাতোনা।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানিরা আমাদের উপর গণহত্যা চালিয়েছে। ২০২৪ আন্দোলনেও গণ হত্যা হয়েছে। দুটোই গণহত্যা। এবার ২৪ এ শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্র জনতার উপর গুলি চালানো হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলোন, খোঁজ নেন কারা পাকিস্তানিদের সাথে সহযোগিতা করে দেশের মানুষ মেরেছে। কারা গণহত্যাতে সহযোগিতা করেছে।

পরিশেষে বিএনপর এই শীর্ষনেতা ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের দলের মনোনিত সংসদ সদস্য প্রার্থী সবার কাছে শেষ বারের মতো ভোট চান এবং শেষ নির্বাচন করে আমৃত্যু মানুষের সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

এ সময় জগন্নাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে দৌলতপুর বালিকা বিদ্যালয় মাঠে একই মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ছাড়াল ৬৯ হাজার

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক মাস পরও ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও মৃতদেহ উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েই চলেছে নিহতের সংখ্যা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। অন্যদিকে পশ্চিম তীরজুড়ে বসতি স্থাপনকারীদের হামলা আরও তীব্র আকার নিয়েছে। রোববার (৯ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

শনিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ১৬৯ জনে। নতুনভাবে উদ্ধার ও শনাক্ত হওয়া লাশের কারণে এই সংখ্যা বেড়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গত মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২৪০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এদিকে শনিবারও নতুন করে হত্যার খবর এসেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, উত্তর গাজায় তাদের অবস্থানরত সেনাদের দিকে অগ্রসর হওয়া এক ফিলিস্তিনিকে তারা গুলি করে হত্যা করেছে। ওই ব্যক্তি ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত সীমারেখা অতিক্রম করেছিলেন।

এই ‘ইয়েলো লাইন’ হলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী যে সীমারেখা পর্যন্ত পিছু হটার কথা, সেই এলাকা। ইসরায়েলি সেনারা জানায়, দক্ষিণ গাজাতেও একইভাবে সীমারেখা অতিক্রম করা আরেক ফিলিস্তিনিকে তারা হত্যা করেছে। তিনি নাকি সৈন্যদের জন্য “তাৎক্ষণিক হুমকি” সৃষ্টি করেছিলেন।

এমনকি ওই সীমারেখার কাছে আসা পরিবারগুলোর ওপরও ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে খান ইউনিসে ইসরায়েলি বাহিনীর ফেলে যাওয়া বিস্ফোরকের কারণে এক ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে নাসের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এমন অবস্থায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন এমন ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য গাজা ও মিসরের মধ্যে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার ফিলিস্তিনি রোগী রাফাহ সীমান্ত দিয়ে মিসর ও অন্য দেশে চিকিৎসার জন্য গেছেন। তবে আরও ১৬ হাজার ৫০০ জন বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

অন্যদিকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা অভিযান ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলা বেড়েছে। এসব হামলা ফিলিস্তিনিদের নিজেদের জমি থেকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনার অংশ বলেও অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার দক্ষিণ নাবলুসের বেইতা শহরে জলপাই সংগ্রহে ব্যস্ত ফিলিস্তিনি গ্রামবাসী, কর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা।

ইসরায়েলি মানবাধিকারকর্মী জোনাথন পোলাক আল জাজিরাকে বলেন, মুখোশধারী ডজনখানেক বসতি স্থাপনকারী লাঠি ও বড় পাথর নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা পাহাড় থেকে নেমে আমাদের দিকে বিশাল পাথর ছুড়তে শুরু করে, আমাদের পালাতে হয়।

এই হামলায় অন্তত ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছেন এবং তাদের অনেককে হাসপাতালে নিতে হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন সাংবাদিক এবং এক ৭০ বছর বয়সী কর্মী রয়েছেন বলেও জানা গেছে।

প্যালেস্টাইন জার্নালিস্টস সিন্ডিকেট জানিয়েছে, হামলায় তাদের পাঁচ সাংবাদিক — রানিন সাওয়াফতে, মোহাম্মদ আল-আত্রাশ, লুয়াই সাঈদ, নাসের ইশতাইয়েহ ও নাঈল বুয়াইতেল — আহত হয়েছেন। তারা এ ঘটনাকে “সাংবাদিক হত্যার উদ্দেশ্যে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ” বলে নিন্দা জানায়।

রয়টার্সও নিশ্চিত করেছে, তাদের দুই কর্মী — এক সাংবাদিক ও তার নিরাপত্তা পরামর্শক — হামলায় আহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর থেকে অন্তত ৭০টি শহর ও গ্রামে ১২৬টি হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় ৪ হাজারেরও বেশি জলপাই গাছ ধ্বংস বা উপড়ে ফেলা হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় পাচারকালে নৌকাডুবি, বাংলাদেশিসহ ৬ জন উদ্ধার

মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে ৯০ জন অবৈধ অভিবাসী বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। সমুদ্রে ভাসতে থাকা এক রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আরো ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। শনিবার রাতে নৌকা ডুবির এ ঘটনা ঘটে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের।

কেদাহ পুলিশ প্রধান আবু শাহ জানিয়েছে, অভিবাসীরা প্রায় ৩০০ জনের একটি বড় দলের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিন দিন আগে যখন তারা মালয়েশিয়ার জলসীমার কাছে আসছিল, তখন সিন্ডিকেট তাদের তিনটি ছোট নৌকায় ভাগ করে দেয়, প্রতিটি নৌকায় প্রায় ৯০ জন করে ছিলেন।

তিনি জানান, ‘৯০ জন যাত্রী বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্য দুটি নৌকা এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।’

তিনি আরো বলেন, উদ্ধারকৃত ছয়জন মিয়ানমারের নাগরিক, যাদের মধ্যে রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশিরাও রয়েছেন।

আবু শাহ জানান, ‘নৌকা ডুবির শিকার অন্যদের এবং বাকী দুটি নৌকা খুঁজে বের করার জন্য মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি এবং মেরিন পুলিশের সহায়তায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে।’

ঢাকা-১০ আসনের ভোটার হচ্ছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

ঢাকা-১০ সংসদীয় আসনের ভোটার হচ্ছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

রোববার সকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, আজ বিকেলে ঢাকা-১০ আসনের ধানমন্ডি থানার নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে ভোটার হওয়ার আবেদন করবেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই সমন্বয়ক।

এতে আরও বলা হয়, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বেলা তিনটায় ধানমন্ডি থানা নির্বাচন কার্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন। তিনি ধানমন্ডি থানার ভোটার হবেন।

ঢাকা-১০ নির্বাচনী আসনটি ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, কলাবাগান ও হাজারীবাগ থানা নিয়ে গঠিত। বিএনপি এই আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে জামায়াতে ইসলামী এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। জামায়াতের প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জসীম উদ্দিন সরকার।

এর আগে মুরাদনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৩ আসনের ভোটার ছিলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। এই আসন থেকে তিনি নির্বাচন করতে পারেন, এমন আলোচনাও শোনা গিয়েছিল। সম্প্রতি গুঞ্জন তৈরি হয়, বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে সরকার থেকে পদত্যাগ করে ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচন করতে পারেন আসিফ মাহমুদ। বিএনপি এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা না করায় গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। এখন আসিফ মাহমুদের এই আসনের ভোটার হতে যাওয়ার মধ্য দিয়ে গুঞ্জনটি আরও পাকাপোক্ত হচ্ছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ শুরু ১৩ নভেম্বর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগ মুহূর্তের প্রস্তুতিমূলক কাজ দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ বসছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হবে এ সংলাপ। রোববার সকালে এ তথ্য জানা গেছে।

ইসি সচিবালয় থেকে জানা গেছে, নির্বাচনী সামগ্রী সংগ্রহ, আইন সংশোধন, ভোটার তালিকা হালনাগাদসহ মৌলিক প্রস্তুতির সবকিছুই নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে। ডিসেম্বরের শুরুতে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগেই সব প্রস্তুতি শেষ করবে ইসি।

ইসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ১২ হাজার ৩৮৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৩৮২ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৭২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩০ জন। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দুই মাসে ভোটার বেড়েছে ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৮০ জন।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। এর আগে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি-আপত্তি জানানোর সুযোগ থাকবে।

 

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত-শ্রীলঙ্কার ৮ ভেন্যুতে

০

ছেলেদের ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোর জন্য আহমেদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, চেন্নাই ও মুম্বাইকে ভেন্যু হিসেবে চূড়ান্ত করেছে আইসিসি। শ্রীলঙ্কায় খেলা হবে তিনটি ভেন্যুতে। এর মধ্যে দুটি কলম্বো ও পাল্লেকেল্লে।

আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ৮ মার্চ আহমেদাবাদের ফাইনাল দিয়ে শেষ হবে এই টুর্নামেন্ট। ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করতে পারে আইসিসি। ক্রিকেটবিষয়ক পোর্টাল ইএসপিএনক্রিকইনফো জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী বেশির ভাগ দল আইসিসির কাছ থেকে বিশ্বকাপের গ্রুপিং ও সূচি হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি এই টুর্নামেন্টের টিকিট বণ্টন নিয়েও এখনো কিছু জানায়নি।

পূর্বের সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী, পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কায়। এই চুক্তি হয়েছে বিসিসিআই ও পিসিবির মধ্যে- যাতে দুদেশ একে অপরের আয়োজিত বহুজাতিক টুর্নামেন্টে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলে। পাকিস্তান যদি আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে, তাহলে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কায়।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফরম্যাট ২০২৪ সালের সংস্করণের মতোই হবে। ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল। প্রতিটি দল একবার করে অন্য দলের সঙ্গে খেলবে।

প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল উঠবে সুপার এইটে। সেখানে দুটি গ্রুপে বিভক্ত হবে চারটি করে দল। সুপার এইটে দুটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল খেলবে সেমিফাইনালে।

আয়োজক দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কার বাইরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শীর্ষ সাত দল- আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে আগামী বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা তিনটি দল- নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও আয়ারল্যান্ড।

আমেরিকাস অঞ্চলের বাছাইপর্ব থেকে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে কানাডা। ইউরোপিয়ান বাছাইপর্ব থেকে এই বিশ্বকাপে খেলার টিকিট কেটেছে নেদারল্যান্ডস ও ইতালি। এবারই প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইতালি।

আফ্রিকান অঞ্চলের বাছাই থেকে বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেয়েছে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বাছাই পেরিয়ে নেপাল, ওমান ও আরব আমিরাত আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার টিকিট কেটেছে।

নারীর যন্ত্রণা বুঝতে পুরুষেরও এই অভিজ্ঞতা থাকা উচিত: রাশমিকা

০

নারীর যন্ত্রণা বুঝতে পুরুষেরও অভিজ্ঞতা থাকা উচিত বলে মনে করেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। নতুন সিনেমা মুক্তির আগেই এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন তিনি। শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’। এমন মুহূর্তে অদ্ভুত ইচ্ছে প্রকাশ করে অভিনেত্রী জানালেন তিনি চান পুরুষেরও পিরিয়ড হোক।

সম্প্রতি রাশমিকা মান্দানা জগপতি বাবুর ‘জয়াম্মু নিশ্চয়াম্মু রা’ শোতে ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ সিনেমার প্রচারে গিয়েছিলেন। সেখানেই এমন কথা বলেন অভিনেত্রী।

স্কুলজীবনে রাশমিকা মান্দানার করা এক অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে এনে সঞ্চালক জগপতি বাবু মজা করে জানতে চান— অভিনেত্রী কি সত্যিই চাইতেন পুরুষের পিরিয়ড হোক? জবাবে সম্মতি জানিয়ে রাশমিকা মান্দানা বলেন, পুরুষেরও অভিজ্ঞতা হওয়া উচিত যে, এ সময় নারীদের ঠিক কতটা যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়।

তার এমন মন্তব্য শোনে উপস্থিত দর্শকরা যেমন শোরগোল ফেলে দেন, ঠিক তেমনই দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন। অভিনেত্রী বলেন, আমি চাই পুরুষেরও ঋতুস্রাব হোক। তখনই কেবল ওরা বুঝতে পারবেন ঠিক কতটা যন্ত্রণা হয়। প্রতি মাসে নারীদের কতটা অস্বস্তি ও অসুবিধায় পড়তে হয়।

জগপতি বাবুর ‘জয়াম্মু নিশ্চয়াম্মু রা’ শোতেই নজর কাড়ে অভিনেত্রীর হাতের আংটিও। রাশমিকা মান্দানা যখন দর্শকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়াচ্ছিলেন, ঠিক তখনই ঝলমল করে ওঠে তার হাতের আংটিটি। সেটি দেখেই জগপতি বাবু মজা করে বলেন, তোমার জীবনে এত বিজয়! বিজয় দেবেরাকোন্ডা বন্ধু হয়, বিজয় সেতুপতির ভক্ত, বিজয় থালাপতি চিরকালের ভক্ত। মনে হচ্ছে তুমি বিজয় আর বিজয়ম- দুটোই দখল করে নিয়েছ। এই কথা শোনেই লজ্জায় লাল হয়ে যান রাশমিকা মান্দানা।

‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ সিনেমায় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার বিপরীতে রয়েছেন দীক্ষিত শেঠি। এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রাহুল রবীন্দ্রন। তিনি বলেন, এ সিনেমা মুক্তির পর নাকি মেয়েরা নতুন করে বিচার করবেন এবং বুঝতে শেখবেন তাদের প্রেমিকদের।

এ ছাড়া অভিনেত্রীর হাতে বর্তমানে একাধিক সিনেমা রয়েছে। তিনি এখন ‘মাইসা’ নামক একটি সিনেমায় কাজ করছেন। বলিউডের এই প্রজেক্টটি নারীকেন্দ্রিক। এ ছাড়া আগামীতে বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে একটি পিরিয়ড অ্যাকশন সিনেমাতেও কাজ করবেন রাশমিকা মান্দানা।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল থেকে বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন রাশমিকা মান্দানা। যদিও নিজেদের প্রেমের সম্পর্ককে কখনই প্রকাশ্যে স্বীকৃতি দেননি এ তারকা জুটি। নিজেরা একত্রে ছবি না দিলেও তাদের ট্রিপের বা অন্য সময় পোস্ট করা ছবি দেখে দুইয়ে দুইয়ে চার করেই ফেলেন ভক্ত-অনুরাগীরা।

অন্যদিকে সদ্যই রটে যায়, গত ৩ অক্টোবর নাকি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে আংটি বদল সেরেছেন তারা। নিজেরা এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি। তবে একটি শোতে এই প্রসঙ্গ ওঠায় সেটাকে অস্বীকার করেননি অভিনেত্রী। বরং কায়দা করে এড়িয়ে গেছেন।

শরিয়াহভিত্তিক ৫ ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিত

অবশেষে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি বৃহস্পতিবার এসব ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আজ সকালে লেনদেন শুরুর আগেই এ সিদ্ধান্তের কথা বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসই সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যাংক পাঁচটি হলো—ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

লেনদেন স্থগিত করার কারণ হিসেবে ডিএসই থেকে জানানো হয়েছে, ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১৫ অনুসারে ৫ নভেম্বর থেকে ব্যাংকগুলোকে অ-কার্যকর হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

ডিএসই আরো জানিয়েছে, কম্পানিগুলো জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ নভেম্বর চিঠির মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছে ব্যাংকগুলো এখন থেকে ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুসারে পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আরেকটি চিঠির মাধ্যমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদও ভেঙে দিয়েছে।

এর আগে বুধবার এই পাঁচ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তাদের দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পরপরই ব্যাংকগুলোয় প্রশাসকও নিয়োগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকগুলোর শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা করেন। তিনি এ–ও জানান, ব্যাংকগুলোর বর্তমান যে আর্থিক পরিস্থিতি, তাতে শেয়ারধারীরা অর্থ পাবেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের এই ঘোষণার পর গত বুধবার থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর আগেই এই ব্যাংক পাঁচটির লেনদেন স্থগিতের কথা জানাল বিএসইসি।

এদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় না নিয়ে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করা এবং টানা পাঁচ দিন ধরে দর পতনের প্রতিবাদে কিছু বিনিয়োগকারী ঢাকার মতিঝিলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

তারা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগ দাবি করেন বলেন, তিনি চেয়ারম্যান পদের যোগ্য নন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করতে লাগাতার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।

পাকিস্তান থেকে আসা কনটেইনারে মিলল ২৫ টন আমদানি নিষিদ্ধ পপি সিড

পাকিস্তান থেকে আসা দুটি কনটেইনার থেকে ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ‘পপি সিড (পোস্ত দানা)’ জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। কাস্টমসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা চালানটি আটক করে।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর দুই কনটেইনারের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে নামানো হয়। এই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা, যেখানে আমদানিকারকরা মিথ্যা ঘোষণায় এর মূল্য দেখিয়েছিলেন মাত্র ৩০ লাখ টাকা।

কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার এইচএম কবির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা চালানটি আটক করে। চট্টগ্রামের কোরবানিগঞ্জের মেসার্স আদিব ট্রেডিংয়ের নামে এই চালান এসেছিল। বন্দর থেকে কনটেইনারগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল ছাবের আহমেদ টিম্বার কম্পানি লিমিটেড নামের একটি অফডকে। আমদানি নীতি আদেশ এবং দেশের মাদক আইনের চোখ ফাঁকি দিতেই এই কৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল বলে মনে করছেন এ কাস্টমস কর্মকর্তা।

আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪ অনুসারে পপি সিড বা পোস্ত দানা আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় রয়েছে। আরো উদ্বেগের বিষয় হলো, এই পপি সিড যদি অঙ্কুরোদগম উপযোগী হয়, তবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী এটি ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও ভারতে পোস্ত দানা রান্নার মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এর মাদক উপাদান বা অপব্যবহারের সম্ভাবনা থাকায় বহু দেশেই এর আমদানিতে কড়া বিধিনিষেধ রয়েছে।

কাস্টম হাউস সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের শান্তিবাগের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এমএইচ ট্রেডিং গত ১৪ অক্টোবর চালানটি খালাসের জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।

সন্দেহ হওয়ায় খালাস স্থগিত করে ২২ অক্টোবর ডিপো কর্তৃপক্ষ ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের উপস্থিতিতে কায়িক পরীক্ষা চালানো হয়। প্রতারণার কৌশল হিসেবে কনটেইনারের মুখের দিকে সামান্য পরিমাণে ৭ হাজার ২০০ কেজি বার্ড ফুড (পাখির খাবার) সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ভেতরের মূল অংশে পাওয়া যায় ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি নিষিদ্ধ পপি সিড।

কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার এইচ এম কবির জানান, আটকের পর পণ্য দুটির নমুনা উদ্ভিদ সংগনিরোধ দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোপ্রযুক্তি সেন্টার এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়। ল্যাব রিপোর্টে একটি পণ্য পপি সিড হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পরই কাস্টম আইন, ২০২৩-এর বিধান অনুযায়ী চালানটি আনুষ্ঠানিকভাবে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় জড়িত আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পরই নির্বাচনে যাবে এনসিপি: নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পরই তার দল নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হবে।

আজ বিকেলে বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফোরাম (ইউটিএফ)-এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘সনদে কোনো মতভেদের সুযোগ নেই। যেটুকু ঐকমত্যে গৃহীত হয়েছে সেটিই থাকবে, বাকিটা জনগণই নির্ধারণ করবে।’

নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে জুলাই চার্টার বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আসন্ন নির্বাচন জুলাই সনদের আইনগত কাঠামোর ভিত্তিতেই অনুষ্ঠিত হবে, যা ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রতিফলন ঘটাবে।

নাহিদ বলেন, ‘আমরা চাই আগামী সংসদ এবং সংস্কার পরিষদে তরুণ, শিক্ষক, নারী, সংখ্যালঘু ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের প্রতিনিধিত্ব থাকুক, যাতে জুলাই সনদের চেতনা বাস্তবে রূপ পায়।’

নিজের আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, জুলাই সনদের আদেশ অবশ্যই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মাধ্যমেই জারি করতে হবে। নির্বাচনের আগে আমাদের অগ্রাধিকার হলো দাবি অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠিত করা।’

তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে যারা অংশ নিয়েছেন, তাদের সবাইকে আসন্ন সংসদে প্রতিনিধিত্ব দিতে হবে। এই সংসদই একটি সংস্কার পরিষদ গঠন করবে, যারা নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য কাজ করবে।

নাহিদ বলেন, ‘শিক্ষকরা অবশ্যই এই প্রক্রিয়ার অংশ হবেন এবং এনসিপি তা নিশ্চিত করবে।’

জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষকদের ভূমিকা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষকদের অবদান জাতি চিরকাল মনে রাখবে। গত ১৬ বছর ধরে শিক্ষাক্ষেত্রে পদোন্নতি নির্ধারিত হয়েছে রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে, যা ফ্যাসিবাদী কাঠামোকে টিকিয়ে রেখেছে। ব্যক্তিমন ও সমাজের মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া ফ্যাসিবাদ দূর করা সম্ভব নয়।’

আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামীম হামিদিকে সদস্য সচিব করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফোরামের (ইউটিএফ) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সভায় অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম ইউটিএফ ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এবং দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বক্তব্য রাখেন।