Home Blog Page 297

বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে উচ্চমানের পোশাক কারখানা স্থাপন করবে চীনা কোম্পানি

চীনা কোম্পানি অক্টোবর ৪১২৮ (বিডি) লিমিটেড চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে উচ্চ মানসম্পন্ন গার্মেন্ট উৎপাদনকারী একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে ১৯.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।

এ লক্ষ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং অক্টোবর ৪১২৮ (বিডি) লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনের উপস্থিতিতে বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আশরাফুল কবীর এবং অক্টোবর ৪১২৮ (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল আহসান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বেপজার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই প্রতিষ্ঠানটি বার্ষিক ৩০ লাখ পিস স্কি, স্নো স্পোর্টস, হান্টিং ও মোটর রাইডার গিয়ার, ইনসুলেটেড শীতকালীন কোট, ডাউন জ্যাকেট ও প্যান্ট, রেইন গিয়ার, ওয়ার্কওয়্যার, রানিংওয়্যার, ইয়োগাওয়্যার, এবং ওয়াটার স্পোর্টসওয়্যার তৈরি করবে।

প্রতিষ্ঠানটিতে ২ হাজার ৭৮৮ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সংস্থার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানান এবং সুষ্ঠু ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অক্টোবর ৪১২৮ (বিডি) লিমিটেডসহ এ পর্যন্ত মোট ৪৯টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যাদের মোট প্রস্তাবিত বিনিয়োগ প্রায় ১.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে। ক্রমাগত উন্নয়ন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের কারণে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্য হয়ে উঠেছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজ এবং অক্টোবর ৪১২৮ (বিডি) লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কাঁচা পাট রপ্তানিতে সরকারি বাধ্যবাধকতা শিথিল চায় নেপাল

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টার দপ্তরে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী বলেন, নেপালে ১১টি জুট মিল রয়েছে। নেপালের জুট মিলগুলো তাদের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ থেকে কাঁচাপাট আমদানির ওপর নির্ভরশীল। সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে কাঁচাপাট রপ্তানি বন্ধ করায় মিলগুলো কিছুটা সমস্যায় পড়েছে। এ সময় তিনি বাংলাদেশ থেকে কাঁচাপাট রপ্তানির অনুমতি শিথিল করার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানান।

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে বাংলাদেশের পাটপণ্য ও কাঁচাপাটের চাহিদা রয়েছে। কাঁচাপাট রপ্তানি না করে বাংলাদেশ সেমি-ফিনিশড (আধা-প্রক্রিয়াজাত) পাটপণ্য রপ্তানি করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ উচ্চমানের ও পরিবেশবান্ধব সেমি-ফিনিশড পাটপণ্য উৎপাদন করছে। নেপাল এই পণ্যগুলো আমদানি করলে দুই দেশের বাণিজ্য ভলিউম বাড়বে এবং উভয় দেশই লাভবান হবে।

জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পর নির্বাচন হতে বাধা নেই: শামসুজ্জামান দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, জুলাই সনদ স্বাক্ষর হওয়ার পর দেশে নির্বাচন নিয়ে আর কোন সমস্যা নেই। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে বলে বিএনপি প্রত্যাশা করে।

শনিবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করা প্রসঙ্গে দুদু বলেন, সবার গণতান্ত্রিক অধিকার আছে। সকলের ভিন্নমত পোষনের সুযোগ আছে। যেসব দল ভিন্নমত পোষণ করে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি আমাদের ধারণা তারা ভবিষ্যতে স্বাক্ষর করবে। কেননা, প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যান বলেছেন, যেসব দল স্বাক্ষর করেনি, তাদের জন্য ভবিষ্যতেও সুযোগ আছে।

বিএনপি সরকার গঠন করলে ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে দেশের উন্নয়ন গতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও মন্তব্য করেন শামসুজ্জামান দুদু।

নির্বাচনী প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. ওয়াহেদুজ্জামান বুলা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. শামীম রেজা ডালিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ তালহাসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মেক্সিকাতে বন্যায় ৭০ জনের মৃত্যু; বন্যার্তদের সহায়তায় নেমেছে ন্যাশনাল গার্ড

মেক্সিকান ন্যাশনাল গার্ড বৃহস্পতিবার বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে ত্রাণ-সামগ্রী পাঠিয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ৭০ জন নিহত এবং কয়েক ডজন নিখোঁজ হয়েছে।

মেক্সিকোর জোচিকোআটলান থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

সামরিক বাহিনী পরিচালিত এই সংস্থাটি হিডালগোর রাজধানী পাচুকা থেকে তিয়ানগুইস্টেঙ্গো এবং জালাকাহুয়ানতলাসহ বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

জোচিকোআটলানে টেক্সকাকো সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা একটি বিমান অবতরণের পর তার কাছে লাইনে দাঁড়িয়েছিল এবং বেশ কয়েকজন শিশু কৌতূহলীভাবে সৈন্যদের মালামাল নামানো এবং ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করার সময় তা দেখছিল।

জোচিকোআটলানের ৩৭ বছর বয়সী বাসিন্দা মেরিলিন কর্টেস এএফপি’কে বলেছেন, ‘আমাদের দোকানে কেনার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই।’

‘সত্যি বলতে, এই ত্রাণ-সামগ্রী আমাদের জন্য খুবই সহায়ক হবে। আমাদের সত্যিই এটির প্রয়োজন। এটি ইতোমধ্যেই আমাদের জন্য আশার আলো।’

ত্রাণ-সামগ্রীর মধ্যে টুনা, দুধ, ওটমিল, টয়লেট পেপার এবং সাবানসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছিল।

ত্রাণ-সামগ্রী বিতরনের পাশাপাশি ন্যাশনাল গার্ড আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তরও করছে।

বিমান বাহিনীর ক্যাপ্টেন ইরাক আলেজান্দ্রো মার্টিনেজ বলেছেন, ‘যদি আহত ব্যক্তি বা এমন কেউ থাকে যার ওষুধ বা অতিরিক্ত সাহায্যের প্রয়োজন হয় – হাসপাতালের প্রয়োজন হয়, আমরা তাদের বিমানে পরিবহন করি’।

গত সপ্তাহে কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টিপাতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই দুর্যোগে দেশের মধ্য এবং পূর্বে রাস্তা এবং মহাসড়ক ডুবে বা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর ১৬০টি এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

মেক্সিকো সিটির প্রতিবেশী হিডালগোতে ৮৪টি বিচ্ছিন্ন পৌরসভা রয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলো পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত যেখানে ভূমিধসের কারণে প্রবেশপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ২৮ জনকে হত্যা করল ইসরায়েল

যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
হামাস এই হামলাগুলোকে যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে তারা ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করে।
হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মধ্যস্থতাকারীরা যদি নীরব থাকে, তবে এটি আরও রক্তপাতের পথ খুলে দেবে।
হামাস জানিয়েছে, তারা রেড ক্রসের মাধ্যমে এক নিহত ইসরায়েলি বন্দির মরদেহ ফেরত দিয়েছে।
এদিকে, গাজার মানবিক পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত ভয়াবহ। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আহ্বান সত্ত্বেও বড় পরিসরে ত্রাণ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ইসরায়েলের আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে। ফলে স্থানীয় মানুষ এখনো খাবার, পানি ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৭ হাজার ৯৬৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭০ হাজার ১৭৯ জন আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
নতুন করে এই হামলাগুলোর ফলে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে এবং পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, সংঘাত পুনরায় তীব্র রূপ নিতে পারে যদি ইসরায়েলি অভিযান বন্ধ না হয়।
ইসরায়েলি হামলায় একই পরিবারের ১১ জন নিহত
যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজা শহরের পূর্ব আল-জেইতুন এলাকায় কোনো সতর্কতা ছাড়াই একটি গাড়ি লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একই পরিবারের ১১ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। গাজার ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স শুক্রবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, পরিবারের ১১ জন সদস্যকে বহনকারী গাড়িটি ‘হলুদ রেখা’ অতিক্রম করলে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। আক্রমণটি কোনো সতর্কতা ছাড়াই হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে মধ্যে সাত শিশু এবং দুই নারী ছিলেন।
‘হলুদ রেখা’ হলো একটি সীমানা – যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি বাহিনী যেখানে অবস্থান করছে সেই জায়গা। এই রেখা টেনে গাজার মধ্যে ফিলিস্তিনিদের চলাচলের অনুমতিপ্রাপ্ত এলাকাগুলোকে পৃথক করা হয়েছে।
বাসাল বলেন, ‘তাদের সতর্ক করা বা তাদের সঙ্গে এমনভাবে আচরণ করা সম্ভব ছিল, যাতে মৃত্যু না ঘটে। কিন্তু যা ঘটেছে তা নিশ্চিত করে যে, দখলদাররা এখনো রক্তপিপাসু এবং নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
গত ১০ অক্টোবর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়িত হয়। চুক্তির আওতায় গাজার প্রাথমিকভাবে ইসরায়েলি সেনাদের আংশিক প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, অঞ্চলজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।
গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য নেতানিয়াহু ও তার প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উপত্যকাজুড়ে যুদ্ধের জন্য ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখি।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের অবস্থা অবমূল্যায়ন করা হয়েছে
যুদ্ধের সময় গাজা এবং পশ্চিম তীর থেকে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েল। কিন্তু মুক্তির সময় তারা যে অবস্থায় ফিরেছে, সেদিকে আন্তর্জাতিকভাবে খুব কম মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, হাতে গোনা কয়েকজন ইসরায়েলি বন্দিকে নিয়ে অনেকটা হৈ চৈ পড়ে গেছে, বিশেষ করে পশ্চিমা মিডিয়াগুলোতে।
শনিবার লন্ডনভিত্তিক কাউন্সিল ফর আরব-ব্রিটিশ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (CAABU) এর পরিচালক ক্রিস ডয়েল আল জাজিরাকে এমনটাই বলেছেন।
ডয়েল বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসরায়েলি বন্দিদের ওপর এত বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা বোধগম্য; কিন্তু এই ফিলিস্তিনি বন্দি ও আটক ব্যক্তিদের, মুক্তি দেওয়ার সময় তাদের অবস্থা সম্পর্কে কোনো খবরই পাওয়া যায় না।
তিনি বলেন, তাদের কোথায় রাখা হয়েছিল? নির্যাতন, এমনকি যৌন নির্যাতনের অভিযোগ… এই সবকিছুই খুব বেশি অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।
ক্রিস ডয়েলের মতে, অবশ্যই ফিলিস্তিনিদের জন্য এটি অত্যন্ত বাস্তব, খুবই বেদনাদায়ক। এটি দেখায় যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও অন্যান্য দেশে কভারেজ এবং রাজনৈতিক বিতর্ক এতটাই এগিয়ে গেছে যে, সর্বদা ইসরায়েলিদের সঙ্গে কী ঘটে তার ওপর ফোকাস থাকে। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কী ঘটে, তার ওপর ফোকাস কম।
ডয়েল আরও বলেন, ট্রাম্পের ২০-দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার পরিকল্পনা বাদ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সবকিছুর জন্য কে দায়ী, তা নির্ধারণ করার জন্য একটি ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। ২০-দফা পরিকল্পনা চুক্তিতে তা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত, ইচ্ছাকৃতভাবে এটি রাখা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কোনো বিচারিক ব্যবস্থা অনুমোদন করতে চাইবে না, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
ইসরায়েলি গণহত্যা
টানা দুই বছরের গণহত্যা যুদ্ধের অবসানে সম্প্রতি মার্কিন-সমর্থিত চুক্তির পর হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। অঞ্চলজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬৭ হাজারেরও বেশি। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।
চলতি বছরের শুরুতেও একটি যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে ইসরায়েল গত ২৭ মে থেকে গাজায় পৃথক সাহায্য বিতরণ উদ্যোগ শুরু করে। এতে সমর্থন দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এই পদক্ষেপের পর অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষ প্রকট হয়ে ওঠে।
ইসরায়েলি বাহিনী খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপরও গুলি চালিয়ে যায়। এর ফলে শত শত মানুষ নিহত হয়। সেই সঙ্গে দুর্ভিক্ষে শিশুসহ বহু মানুষের মৃত্যু হয়।

শাহজালালে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু হয়েছে। আজ শনিবার রাত ৯টা ৬ মিনিটে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু হয় বলে জানিয়েছেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

এর আগে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপরই ফ্লাইট ওঠা-নামা বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। কলকাতাও অবতরণ করে কয়েকটি ফ্লাইট।

ফায়ার সার্ভিস, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, ফায়ার সার্ভিস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে নিশ্চিত করা যাচ্ছে যে আগুন সম্পূর্ণ নিভেছে। বিমান বন্দরের পরিচালক জানিয়েছেন, রাত ৯টা ৬ মিনিটে ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

সাগরে লঘুচাপ, টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

আগামী মঙ্গলবারের (২১ অক্টোবর) মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে আগামী পাঁচদিনের মধ্যে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যরা আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত পারে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

অভিনয়ে সালসাবিল

এবার অভিনয়ে নাম লেখালেন গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের সাবেক স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ। গান থেকে অভিনয়ে পা রাখলেন তিনি। তার ছোট পর্দায় অভিষেক ঘটছে ‘টানাপোড়েন’ শিরোনামের ধারাবাহিক নাটকের মাধ্যমে। বিষয়টি নিজেই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সালসাবিল।

নাটকটি পরিচালনা করছেন বাপ্পি খান। এটি একটি পারিবারিক গল্পনির্ভর নাটক, যেখানে তুলে ধরা হয়েছে ভালোবাসা, সম্পর্কের জটিলতা এবং জীবনের নানা টানাপোড়েনের গল্প। সালসাবিল জানিয়েছেন, এ নাটকের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন। চরিত্রটি চ্যালেঞ্জিং এবং এ নিয়ে আমি ভীষণভাবে উচ্ছ্বসিত। এরই মধ্যে নাটকের শুটিং শুরু হয়েছে। সম্প্রতি তিনি তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্টার প্রকাশ করেছেন, যেখানে তাকে বিমর্ষ এক চরিত্রে দেখা যাচ্ছে।

পোস্টারটি প্রকাশের পর দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। অভিনয়ের শুরুতেই সালসাবিলের আগমনে সাড়া মিলেছে অনুরাগীদের মধ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তাকে অভিনয়শিল্পী হিসেবে শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করেছেন এবং তার নতুন চরিত্র দেখার জন্য উৎসুক।

নারী ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় ব্যাটার

ভারতীয় ক্রিকেটে যেন ফের জন্ম নিল এক ‘স্মৃতি মন্ধানা–সোফি ডিভাইন’ হাইব্রিড! নাম তার কিরণ নবগিরে। ৩৪ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নারী টি–টোয়েন্টিতে গড়লেন ইতিহাস—স্বীকৃত ক্রিকেটে এটিই এখন দ্রুততম শতক।

নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গ্রাউন্ডে শুক্রবার সিনিয়র উইমেন্স টি–টোয়েন্টি ট্রফির ম্যাচে পাঞ্জাব উইমেন্সের দেওয়া ১১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছিল মহারাষ্ট্র। ওপেনিংয়ে নেমে নবগিরে ঝড় তুললেন একাই। ৩৫ বলে অপরাজিত ১০৬ রানে ম্যাচ শেষ করেন তিনি, যেখানে ছিল ১৪টি চার আর ৭টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট? অবিশ্বাস্য—৩০২.৮৬! নারী ক্রিকেট ইতিহাসে ৩০০-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে সেঞ্চুরির নজির এটাই প্রথম।

এই সেঞ্চুরির সঙ্গে ভেঙে গেল নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক সোফি ডিভাইনের ২০২১ সালের রেকর্ড। ডিভাইন সে বছর ওয়েলিংটনের হয়ে ৩৬ বলে শতক করেছিলেন—এখন সেই রেকর্ডের নতুন মালিক কিরণ নবগিরে।

প্রথম দিকের ধাক্কা সামলে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে নামা নবগিরে জুটি বাঁধেন মুক্তা মাগরের সঙ্গে। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১০৩ রানের পার্টনারশিপে মাত্র ৮ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে মহারাষ্ট্র।

৩১ বছর বয়সী নবগিরে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এখনো ছয়টি টি–টোয়েন্টি খেলেছেন মাত্র, সফলতা তেমন আসেনি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি একেবারে অন্য চেহারার। ২০২২ সালের টুর্নামেন্টে এক মৌসুমে ৩৫টি ছক্কা হাঁকিয়ে গড়েছিলেন রেকর্ড, একই বছরে অরুণাচল প্রদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন বিধ্বংসী ৭৬ বলে ১৬২ রানের ইনিংস।

মেয়েদের আইপিএলের (WPL) প্রথম আসরেই নজর কাড়েন নবগিরে। ইউপি ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে ৩১ বলে ৫৭ রান করে দলকে জিতিয়েছিলেন। চলতি মৌসুমেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ১৬ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে নিজের নাম আবারও তুলে ধরেন আলোচনায়।

এই সেঞ্চুরির পর এখন অনেকেই ভাবছেন—ভারতীয় নারী দলে কবে ফিরবেন নবগিরে? অন্তত ব্যাট হাতে তাঁর উত্তরটা পাওয়া গেল স্পষ্টভাবে—“যেখানেই খেলি, রেকর্ডই হবে আমার ভাষা।”

প্রাইভেসি পলিসি কেন জরুরি

আজকাল আমরা সবাই কম-বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করি— ফেসবুকে ছবি দেই, অ্যাপ ডাউনলোড করি, অনলাইনে কেনাকাটা করি। এসব করতে গিয়ে একটা জিনিস প্রায়ই চোখে পড়ে— প্রাইভেসি পলিসি। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, এটা আসলে কী? বা কেন এত দরকার?

চলুন, সহজ ভাষায় বুঝে নিই, প্রাইভেসি পলিসি মানে কী?

প্রাইভেসি পলিসি হচ্ছে একটা নিয়ম-কানুনের তালিকা, যেখানে কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ জানায়— তারা আপনার কোন তথ্য নিচ্ছে (যেমন : নাম, ই-মেইল, ফোন নম্বর), কেন নিচ্ছে, কোথায় রেখে দিচ্ছে এবং সেই তথ্য কার সঙ্গে শেয়ার করছে।

এটা একরকম চুক্তির মতো— যেখানে তারা বলছে, ‘আপনার তথ্য আমরা কীভাবে ব্যবহার করব, সেটা আপনি যেন আগে থেকেই জেনে নিন।’

কেন এটা এত গুরুত্বপূর্ণ?

প্রাইভেসি পলিসি আমাদের সাহায্য করে নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের ব্যাপারে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে। ধরুন, আপনি একটা অ্যাপে ঠিকানা দিলেন। যদি তাদের প্রাইভেসি পলিসিতে লেখা থাকে, ‘এই ঠিকানা শুধু ডেলিভারির কাজে ব্যবহার হবে’— তাহলে আপনি নিশ্চিন্তে দিতে পারেন।

কিন্তু যদি লেখা থাকে, ‘তথ্য তৃতীয় পক্ষের (অন্যান্য কোম্পানি) সঙ্গে শেয়ার করা হতে পারে’— তাহলে আপনাকে ভাবতে হবে, আপনি রাজি কি না।

এই পলিসিতে সাধারণত যা যা লেখা থাকে

– আপনি কোন তথ্য দিচ্ছেন (নাম, ফোন, ব্রাউজিং হিস্টোরি ইত্যাদি)

– তারা কীভাবে নিচ্ছে (ফর্ম পূরণ, কুকি, অ্যাপ পারমিশন ইত্যাদি)

– তারা কেন নিচ্ছে (সার্ভিস উন্নত করতে, বিজ্ঞাপন দেখাতে)

– তারা তথ্য কতদিন রাখবে, কতটা সুরক্ষায় রাখবে

– আপনি চাইলে কীভাবে তথ্য মুছে ফেলতে পারবেন বা পরিবর্তন করতে পারবেন

আইন কেন বলছে এটা বাধ্যতামূলক?

– অনেক দেশে তথ্য সুরক্ষা নিয়ে কঠোর আইন আছে।

– ইউরোপে GDPR

– আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় CCPA

– আমাদের দেশেও আছে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট।

এইসব আইন বলছে— ব্যবহারকারীর তথ্য ব্যবহার করলে, তার আগে জানাতে হবে এবং অনুমতি নিতে হবে। কাজেই কোনো কোম্পানি যদি এড়িয়ে যায়, তাহলে তারা আইনি বিপদে পড়তে পারে।

আপনি যদি ব্যবসা চালান বা ওয়েবসাইট চালান?

তাহলে অবশ্যই আপনার প্রাইভেসি পলিসি থাকা দরকার। কারণ এটা—

– ব্যবহারকারীর বিশ্বাস বাড়ায়

– আপনাকে আইনি ঝুঁকি থেকে বাঁচায়

– আপনার ব্র্যান্ডকে আরও পেশাদার করে তোলে

আপনি চাইলে অনলাইনে সহজ প্রাইভেসি পলিসি জেনারেটর ব্যবহার করতে পারেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবশ্যই পরিষ্কার করে লিখতে হবে।

ব্যবহারকারী হিসেবে আমাদের কী করা উচিত?

– নতুন কোনো অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে সাইন আপ করার আগে প্রাইভেসি পলিসি একবার চোখ বুলিয়ে নিন।

– অপ্রয়োজনীয় পারমিশন (যেমন- লোকেশন বা ক্যামেরা) দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

– যদি পলিসিতে লেখা থাকে, আপনি চাইলে তথ্য মুছতে পারেন— তাহলে দরকার হলে সে সুযোগ নিন।

আপনার তথ্য, আপনার অধিকার

ডিজিটাল দুনিয়ায় আপনার তথ্যই আপনার পরিচয়। প্রাইভেসি পলিসি ঠিকভাবে না জানলে, সেই তথ্য অন্য কেউ অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারে।

তাই যেখানেই তথ্য দিচ্ছেন— সোশ্যাল মিডিয়া হোক বা অনলাইন শপিং— একটু সময় নিয়ে প্রাইভেসি পলিসি দেখে নিন। আপনার নিরাপত্তা, আপনার হাতেই।

একটি ছোট অভ্যাস বড় সুরক্ষা দিতে পারে। সচেতন থাকুন, সুরক্ষিত থাকুন।