Home Blog Page 307

রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ৯৬ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য

জাতিসংঘের প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের নতুন সাহায্য হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে।

পোস্টে তিনি লেখেন, মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা বিষয়ে প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের নতুন সাহায্যের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৬০ মিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাজ্য ৩৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান ঘোষণা করে।

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে এবং সমাধানও সেখানে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করে এবং তাদের দ্রুত রাখাইনে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়।

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রে নয় দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তাঁকে বহনকারী ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১১টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল) প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইট জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি বক্তব্য রাখেন।

২৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। একই দিনে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি এবং জাতিসংঘের অনুন্নত, স্থলবেষ্টিত ও ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রসমূহের বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমার সঙ্গেও তিনি আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন।

নিউইয়র্কে থাকাকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত এক সংবর্ধনায় যোগ দেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি ট্রাম্পকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, ভুটান ও কসোভোসহ কয়েকটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে তিনি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন বয়কট

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ এনেছেন সাংবাদিকরা।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে এ ঘটনা ঘটে। এ কারণে সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলন বয়কট করে ফিরে গেছেন।

জানা গেছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে আজ দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার সফরসঙ্গীরা। তাদের সফর নিয়ে বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির ব্রিফিং করছিলেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত এনসিপি নেতারা উচ্চৈঃস্বরে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তখন এক গণমাধ্যমকর্মী তাদের থামতে অনুরোধ করেন।

এ সময় এনসিপি নেতাকর্মীরা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং তাদের লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন বয়কট করে ফিরে যান গণমাধ্যমকর্মীরা।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা ছাড়েন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তার সফরসঙ্গী হিসেবে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। ৯ দিনের সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আজ তারা দেশে ফিরেছেন।

সাকিবের নির্বাচন করা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস ক্রীড়া উপদেষ্টার

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এবার সাকিবের নির্বাচনে আসা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাকিবের সঙ্গে দলে ফেরা নিয়ে যেসব কথা হয়েছিল তা প্রকাশ করেছেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি লিখেছেন, ভাইয়া, আমাকে জোর করে নমিনেশন দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধু নির্বাচনটাই করেছিলাম, আওয়ামিলীগের দলীয় রাজনীতিতে জড়িত হইনি।
এরপরই অসিফ লিখেছেন, ‘You know who.’ যার হাত ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত তাকে বাংলাদেশের পতাকা বহন করতে দেওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। বোর্ডের কর্তারা একাধিকবার রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করতে বললেও তা না করে বরং খুনিদের এনডোর্স করা ছাড়াও শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারি, মানি লন্ডারিং, ফাইনানশিয়াল ফ্রড করা কাউকে কেন শুধু ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করতে হবে? আইন সবার জন্য সমান, Face it.
মূলত, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সাকিব আল হাসান। এরপর থেকেই সমালোচনায় ভাসছেন তিনি।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ শুভেচ্ছা জানান তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সাকিব হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন আপা।’ হাসিনার সঙ্গে নিজের একটি ছবি দিয়েছেন সাকিব।
সাকিবের পোস্টের কিছুক্ষণ পর ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ একটি পোস্ট করেন ফেসবুকে যা সাড়া ফেলে সকলের মাঝে।  তিনি লিখেছেন, একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। বাট আই ওয়াজ রাইট। এন্ড অব দ্য ডিসকাশন। আসিফের এই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে মন্তব্যকারীরা সাকিবের প্রতি ক্ষোভ জানিয়েছে।
আসিফ মাহমুদের এই পোস্টের পর তার পাল্টা জবাবে আরেকটি পোস্ট করেছেন সাকিব। ফেসবুকে সাকিব লিখেছেন, যাক শেষমেষ কেউ একজন স্বীকার করে নিলেন যে তার  জন্য আমার আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেওয়া হলো না, বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না!
স্ট্যাটাসটা সাকিব শেষ করেছেন এই কথা লিখে, ফিরব হয়তো কোনো দিন আপন মাতৃভূমিতে, ভালোবাসি বাংলাদেশ।
এবার সাকিবের পোস্টের জবাব দিতে মুখ খুললেন আসিফ মাহমুদ। গত সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে খেলতে দেশে আসতে চেয়েছিলেন সাকিব। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে গ্রিন সিগনাল পেয়ে দুবাই পর্যন্ত আসলেও দেশে ফেরা হয়নি তার। সেই সময়ের কিছু ঘটনার কথায় পোস্টে উল্লেখ করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা। এখন দেখার বিষয় সাকিব কোনো পাল্টা জবাব দেয় কি না।

 

ব্যাংক লুটেরাদের জন্য কঠিন হুঁশিয়ারি

পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আমলের গত ১৬ বছরে যারা ব্যাংকের টাকা লোপাট করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা এসেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে। অর্থ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, গত ১৬ বছরে ব্যাংকের টাকা লোপাটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কেউই ছাড় পাবে না।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা-বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষৎকারে আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আপনারা দেখেছেন এরই মধ্যে ব্যাংকের টাকা লোপাটকারীদের অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরকেও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাতের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওনাকে এখন অন্য মামলায় আটক করা হয়েছে। কিন্তু অচিরেই তার আর্থিক অনিয়মের বিষয়েও মামলা হবে।
ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘বারকাত সাহেবের আমলে জনতা ব্যাংক থেকে যেসব লোন হয়েছে, সেগুলো সরকারের বিবেচনায় আছে। প্রত্যেকটি টাকার হিসাব নেওয়া হবে। যাদের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে আর্থিক খাতে বিশাল অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু জনতা ব্যাংক নয়, অন্য সব ব্যাংকের বিষয়েও সরকারের নজরে আছে। সময়মতো জাতিকে সব বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।’
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানান, আর্থিক খাতের অনিয়মের মামলা করতে অনেক ডকুমেন্ট দরকার হয়। হুট করে করা যায় না। তাই টাকা পাচার বা টাকা লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের এখন অন্য মামলায় আটক করা হলেও অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে টাকা আত্মসাতের মামলা করা হবে।
টাকা পাচার রোধে বর্তমান সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসটেন্স চুক্তি করছে বলেও জানান আনিসুজ্জামান চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন আইন করে যাব, যাতে আগামীতে বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার করতে গেলে দশবার চিন্তা করবে। কারণ, তারা কেউই রেহাই পাবে না। কোনোভাবেই তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি এ ব্যাপারে কাজ করছে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।
আনিসুজ্জামান বলেন, ‘গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে যত টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে- তা যে দেশেই হোক না কেন, তা ফিরিয়ে আনার সব প্রকার জোর প্রচেষ্টা চলবে। তবে এক্ষেত্রে প্রত্যেক দেশের সঙ্গে আমাদের আলাদা চুক্তি করতে হচ্ছে। এ জন্যই একটু সময় লাগছে।’
তিনি আরও জানান, সুইজারল্যান্ড, আবুধাবি, কাতার, দুবাই, সিঙ্গাপুর, আমেরিকা, কানাডা ও যুক্তরাজ্য তথা লন্ডনসহ প্রতিটি দেশের আইন-কানুন আলাদা। কোনো কোনো দেশে টাকা পেয়ে পাচারকারীদের নাগরিকত্ব অথবা স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এজন্য যারা টাকা পাচার করেছে, তাদেরকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। বিভিন্ন দেশ এক্ষেত্রে তাদের আইন-কানুনের দোহাই দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই টাকা ফেরত দিতে চাইছে না।
এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ হাতিয়ার হলো আমাদের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আন্তর্জাতিকভাবে তার একটি উচ্চতর সম্মান ও মর্যাদা রয়েছে। এ কারণে তিনি যখন বাংলাদেশ নিয়ে কোনো সহায়তা চাইবেন, কোনো দেশ তা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে না। এটাই আমাদের বড় অস্ত্র। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আর্থিকভাবে সফলতার দ্বারপ্রান্তে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান আরও বলেন, কোনো দেশে বিপ্লবের কারণে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে সেখানে জিডিপি পড়ে যায়, কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বাড়ে এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়। কিন্তু মহান আল্লাহর রহমতে আমাদের দেশে তা হয়নি।

জামায়াতের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবিতে দ্বিতীয় ধাপে ১২ দিনের যুগপৎ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি জনগণের আন্দোলনের কোনো প্রতিফলন হচ্ছে না। সরকারের উচিত ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়া। সরকার যদি জনগণের দাবি উপেক্ষা করে,তাহলে দেশের জনগণ ন্যায্য দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখতে বাধ্য হবে। সেজন্যই আমাদের এই দ্বিতীয় দফা কর্মসূচি।
তিনি বলেন, ৫ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপে আমাদের কর্মসূচি হচ্ছে- ১. পহেলা অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দফা গণদাবির পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে গণসংযোগ। ২. ১০ অক্টোবর ঢাকায় ও বিভাগীয় শহরে গণমিছিল। ৩. ১২ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।
জামায়াতের ৫ দফা দাবি :
১. জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে।
২. নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে হতে হবে।
৩. সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
৪. গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান হতে হবে।
৫. বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ভারতীয় তাবেদার ও ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের বিচার করতে হবে এবং বিচার চলাকালীন তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।

ঐক্যবদ্ধ জনগণ সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে : রিজভী

শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে এবারও নাশকতামূলক কাজ করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অপশক্তিকে প্রতিহত করা হবে। ঐক্যবদ্ধ জনগণ সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে।
মঙ্গলবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশকে কখনও কারও উপনিবেশ বানাতে দেয়া হবে না উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অপশক্তিকে প্রতিহত করা হবে। এবারও দুর্গাপূজাকে ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। তবে অতীতের মতো সেটি সফল হয়নি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, পরাজিত শক্তি নাশকতামূলক কাজ করার চেষ্টা করছে। তবে ঐক্যবদ্ধ জনগণ সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে।

এডিবির প্রতিবেদন প্রকাশ : ২০২৬ সাল শেষে দেশের প্রবৃদ্ধি বেড়ে হবে ৫ শতাংশ

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ হবে। যা আগামী ২০২৬ সাল শেষে ৫ শতাংশে উন্নীত হবে। তারা বলছে, যদিও পোশাক রপ্তানি স্থিতিশীল রয়েছে, তবুও প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতির কারণ মূলত রাজনৈতিক পট পরিবর্তন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এডিবি তাদের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে এডিবি জানায়, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করার ওপর এবং নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নির্ভর করবে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্যের ওপর মার্কিন শুল্কের প্রভাব এখনও দেখা যায়নি এবং ব্যাংকিং খাতে দুর্বলতা রয়ে গেছে। উচ্চতর অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতা অর্জনের জন্য এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা অপরিহার্য। ২০২৬ অর্থবছরের দৃষ্টিভঙ্গির কিছু নেতিবাচক ঝুঁকি রয়ে গেছে। বাণিজ্য অনিশ্চয়তা, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং সম্ভাব্য নীতিগত স্থিতিস্থাপকতা অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বজায় রাখা এবং কাঠামোগত সংস্কার ত্বরান্বিত করা জরুরি। মূলত টেকসই উন্নয়নে এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এডিবি আরও জানায়, পাইকারি বাজারে সীমিত প্রতিযোগিতা, অপর্যাপ্ত বাজার তথ্য, সরবরাহ শৃঙ্খলের সীমাবদ্ধতা এবং টাকার দুর্বলতার কারণে মুদ্রাস্ফীতি ২০২৪ অর্থবছরের ৯ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ২০২৫ অর্থবছরে ১০ শতাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি হিসাবে ২০২৫ অর্থবছরে জিডিপির ০ দশমিক ০৩ শতাংশের সামান্য উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা ২০২৪ অর্থবছরে জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশ ঘাটতি থেকে বেশি, যা বাণিজ্য ব্যবধান সংকুচিত এবং শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ দ্বারা সমর্থিত।

২০২৬ অর্থবছরে ‘ভোগ বৃদ্ধি’ প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে থাকবে, শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং নির্বাচন-সম্পর্কিত ব্যয়ই প্রধান হবে। তবে, সংকোচনশীল আর্থিক ও রাজস্ব নীতি, বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগও কমবে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি এবং ইইউতে কঠোর প্রতিযোগিতাসহ বিশ্বব্যাপী শুল্ক বৃদ্ধি রপ্তানি এবং প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ বর্ধিত প্রতিযোগিতার প্রতিক্রিয়ায় রপ্তানিকারকরা ইউনিটের দাম কমাতে বাধ্য হতে পারেন।

এডিবি একটি শীর্ষস্থানীয় বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক যা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করে। জটিল চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানের জন্য তার সদস্য এবং অংশীদারদের সঙ্গে একসাথে কাজ করে। এডিবি জীবনকে রূপান্তরিত করতে, মানসম্পন্ন অবকাঠামো তৈরি করতে ও আমাদের গ্রাহককে সুরক্ষিত করতে উদ্ভাবনী আর্থিক সরঞ্জাম এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব ব্যবহার করে। ১৯৬৬ সালে এডিবি প্রতিষ্ঠিত। সংস্থার সদস্য ৬৯টি দেশ।

পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব

দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তবে কী পরিমাণ অর্থ ফেরত আসবে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

পাচারের অর্থ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, টাকা যারা পাচার করে তারা এসব বুদ্ধি জানে, কীভাবে করতে হবে। এটা আনতে গেলে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। তবে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। অনেক লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে হয় তো কিছু আসতে পারে। বাকিটার জন্য আমরা প্রস্তুত করছি।

তিনি বলেন, এই ফরমালিটি কোনো সরকার অ্যাভয়েড করতে পারবে না। মনে করেন আমি বললাম- টাকা দিয়ে দাও সেন্ট্রাল ব্যাংকে, সুইস ব্যাংকে বলে দিলাম টাকা দিয়ে দাও, দেবে না তো। ওটা আপনার লিগাল ওয়েতে যেতে হবে, সেটা তো অলরেডি আমরা…।

তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন ১১-১২টা আমরা একেবারে হাই প্রায়রিটিতে দেখছি। আর বাকিগুলোর মধ্যে যেগুলো ২০০ কোটি টাকার বেশি তাদের কেউ ধরা হচ্ছে।

নতুন সরকার আপনাদের ধারাবাহিকতা রাখবে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন বলেন, রাখতে তারা বাধ্য। কারণ যে প্রসেসগুলো আমরা চালু করলে, ওইটা চালু না থাকলে তো টাকা ফেরত আনতে পারবে না। ওরা যদি বসে থাকে ফেরত আসবে না। আর যদি আনতে হয়, এই প্রসেসগুলো মেনটেইন করতে হবে। এটা তো ইন্টারন্যাশনাল প্র্যাকটিস। এটা ছাড়া কীভাবে আনবে।

কী পরিমাণ টাকা ফেরত আনা সম্ভব হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সেটা আমি বলতে পারবো না। এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে প্রশ্ন করেন।

এ সময়ও কিছু পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আচ্ছা কিছুদিন পরে দেখি বাংলাদেশ ব্যাংকে এটার একটা কমপ্রেসিভ ব্যাখ্যা দেবে। একটা রিভিউ আমরা করছি। দেখি কতটুকু আনা যায়। আপনারা জানেন অলরেডি অ্যাসেট ফ্রিজ করা হয়েছে বাহিরের কতগুলো দেশে। কোথায় ওদের টাকা আছে, কোথায় অ্যাকাউন্ট আছে, কোন কোন দেশে ওদের পাসপোর্ট আছে সেটার তথ্যও আছে। এখন বাকি একটু কাজ করতে যতটুকু সময় লাগে।

আপনারা উপদেষ্টা এলাকায় বেশি বরাদ্দ দিচ্ছেন, এমন অভিযোগ আছে? একজন সাংবাদিক এমন প্রশ্ন করলে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, না না। প্রজেক্টগুলো তো বহু আগের করা।

বিবিএস একটা প্রতিবেদন দিয়েছে, সেখানে বলেছে যে দেশের ১০টি পরিবারের মধ্যে তিনটি পরিবারেই পুষ্টিহীনতায় বা খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী? সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমাদের কিছুটা নিউট্রিশনের ঘাটতি আছে, বিশেষ করে শিশু আর মায়েদের মধ্যে।

তিনি বলেন, এটার জন্য আমরা চেষ্টা করছি যথাসম্ভব। আপনার দেখবেন আমাদের ভিজিএফ এবং স্পেশাল ট্রাকে করে দিচ্ছিল। কাল-পরশু থেকে জেলেদের ইসে (মাছ ধরা) বন্ধ হয়ে যাবে, তাদের জন্য তো আমরা ২০ কেজি করে দিচ্ছি। অতএব আমরা চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, আমাদের খাদ্য যেটা হয় সেটা সুষম না। চালের উপর বেশি ডিপেন্ড করি। কিন্তু অন্যরা যেগুলো খায়, সেগুলো এক্সেস। এগুলোর ক্রয় ক্ষমতা একটু কম। এই জন্য আমাদের খাদ্যের ঘাটতি, কিছু আমিষ দরকার। আমিষ বলতে আমরা মনে করি ডিম সব থেকে বেশি দরকার। সেটাও কিন্তু অনেকে ক্রয় করতে পারবেন।

মন্দির থেকে ৩০ রাউন্ড গুলি চুরি, ওসি প্রত্যাহার ও ৭ পুলিশ বরখাস্ত

রাজধানীর বাড্ডার নিমতলির শ্রী শ্রী মহাদেব আশ্রম ও কালী মন্দিরে ডিউটিরত পুলিশ ফোর্সের মালামালসহ ৩০ রাউন্ড গুলি চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় বাড্ডা থানার এক উপ-পরিদর্শক, এক সহকারী উপ-পরিদর্শক ও পাঁচ পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একাধিক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানতে চাইলে ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. তারেক মাহমুদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘কর্তব্যে অবহেলার কারণে বাড্ডা থানার এসআই মোবাশ্বির, একজন এএসআই ও পাঁচজন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় বাড্ডা থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।’

গুলশান বিভাগ পুলিশ ও ডিএমপি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বাড্ডার নিমতলির শ্রী শ্রী মহাদেব আশ্রম ও কালী মন্দিরে ডিউটিরত পুলিশ ফোর্সদের থাকার জন্য মন্দিরের বাউন্ডারির মধ্যে থাকা একটি নির্মাণাধীন ভবনের দোতলায় ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেখানে আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা চারজন ফোর্স ও তিনজন আনসার সদস্যের পাশ থেকে তাদের ৪টি ব্যাগ, ২টি মানিব্যাগ ও ৩টি মোবাইল চুরি হয়। এর মধ্যে একটি ব্যাগে ৩০ রাউন্ড শটগানের গুলি ছিল।

পরে সকাল পৌনে ১০টায় পুলিশ মণ্ডপ সংলগ্ন একটি পতিত জায়গা থেকে ব্যাগগুলো উদ্ধার করে। চুরি হওয়া গুলিগুলো অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।

গুলশান বিভাগের ডিসি তারেক মাহমুদ জানান, ‘শ্রী শ্রী মহাদেব আশ্রম ও কালী মন্দিরে ডিউটিরত পুলিশ ফোর্সদের চুরি যাওয়া মালামাল ও গুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এটি স্পষ্টত দায়িত্বে অবহেলা। তাই সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওেয়া হয়েছে।