যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
হামাস এই হামলাগুলোকে যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে তারা ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করে।
হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মধ্যস্থতাকারীরা যদি নীরব থাকে, তবে এটি আরও রক্তপাতের পথ খুলে দেবে।
হামাস জানিয়েছে, তারা রেড ক্রসের মাধ্যমে এক নিহত ইসরায়েলি বন্দির মরদেহ ফেরত দিয়েছে।
এদিকে, গাজার মানবিক পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত ভয়াবহ। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আহ্বান সত্ত্বেও বড় পরিসরে ত্রাণ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ইসরায়েলের আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে। ফলে স্থানীয় মানুষ এখনো খাবার, পানি ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৭ হাজার ৯৬৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭০ হাজার ১৭৯ জন আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
নতুন করে এই হামলাগুলোর ফলে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে এবং পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, সংঘাত পুনরায় তীব্র রূপ নিতে পারে যদি ইসরায়েলি অভিযান বন্ধ না হয়।
ইসরায়েলি হামলায় একই পরিবারের ১১ জন নিহত
যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজা শহরের পূর্ব আল-জেইতুন এলাকায় কোনো সতর্কতা ছাড়াই একটি গাড়ি লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একই পরিবারের ১১ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। গাজার ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স শুক্রবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, পরিবারের ১১ জন সদস্যকে বহনকারী গাড়িটি ‘হলুদ রেখা’ অতিক্রম করলে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। আক্রমণটি কোনো সতর্কতা ছাড়াই হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে মধ্যে সাত শিশু এবং দুই নারী ছিলেন।
‘হলুদ রেখা’ হলো একটি সীমানা – যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি বাহিনী যেখানে অবস্থান করছে সেই জায়গা। এই রেখা টেনে গাজার মধ্যে ফিলিস্তিনিদের চলাচলের অনুমতিপ্রাপ্ত এলাকাগুলোকে পৃথক করা হয়েছে।
বাসাল বলেন, ‘তাদের সতর্ক করা বা তাদের সঙ্গে এমনভাবে আচরণ করা সম্ভব ছিল, যাতে মৃত্যু না ঘটে। কিন্তু যা ঘটেছে তা নিশ্চিত করে যে, দখলদাররা এখনো রক্তপিপাসু এবং নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
গত ১০ অক্টোবর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়িত হয়। চুক্তির আওতায় গাজার প্রাথমিকভাবে ইসরায়েলি সেনাদের আংশিক প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, অঞ্চলজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।
গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য নেতানিয়াহু ও তার প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উপত্যকাজুড়ে যুদ্ধের জন্য ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখি।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের অবস্থা অবমূল্যায়ন করা হয়েছে
যুদ্ধের সময় গাজা এবং পশ্চিম তীর থেকে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েল। কিন্তু মুক্তির সময় তারা যে অবস্থায় ফিরেছে, সেদিকে আন্তর্জাতিকভাবে খুব কম মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, হাতে গোনা কয়েকজন ইসরায়েলি বন্দিকে নিয়ে অনেকটা হৈ চৈ পড়ে গেছে, বিশেষ করে পশ্চিমা মিডিয়াগুলোতে।
শনিবার লন্ডনভিত্তিক কাউন্সিল ফর আরব-ব্রিটিশ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (CAABU) এর পরিচালক ক্রিস ডয়েল আল জাজিরাকে এমনটাই বলেছেন।
ডয়েল বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসরায়েলি বন্দিদের ওপর এত বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা বোধগম্য; কিন্তু এই ফিলিস্তিনি বন্দি ও আটক ব্যক্তিদের, মুক্তি দেওয়ার সময় তাদের অবস্থা সম্পর্কে কোনো খবরই পাওয়া যায় না।
তিনি বলেন, তাদের কোথায় রাখা হয়েছিল? নির্যাতন, এমনকি যৌন নির্যাতনের অভিযোগ… এই সবকিছুই খুব বেশি অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।
ক্রিস ডয়েলের মতে, অবশ্যই ফিলিস্তিনিদের জন্য এটি অত্যন্ত বাস্তব, খুবই বেদনাদায়ক। এটি দেখায় যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও অন্যান্য দেশে কভারেজ এবং রাজনৈতিক বিতর্ক এতটাই এগিয়ে গেছে যে, সর্বদা ইসরায়েলিদের সঙ্গে কী ঘটে তার ওপর ফোকাস থাকে। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কী ঘটে, তার ওপর ফোকাস কম।
ডয়েল আরও বলেন, ট্রাম্পের ২০-দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার পরিকল্পনা বাদ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সবকিছুর জন্য কে দায়ী, তা নির্ধারণ করার জন্য একটি ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। ২০-দফা পরিকল্পনা চুক্তিতে তা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত, ইচ্ছাকৃতভাবে এটি রাখা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কোনো বিচারিক ব্যবস্থা অনুমোদন করতে চাইবে না, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
ইসরায়েলি গণহত্যা
টানা দুই বছরের গণহত্যা যুদ্ধের অবসানে সম্প্রতি মার্কিন-সমর্থিত চুক্তির পর হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। অঞ্চলজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬৭ হাজারেরও বেশি। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।
চলতি বছরের শুরুতেও একটি যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে ইসরায়েল গত ২৭ মে থেকে গাজায় পৃথক সাহায্য বিতরণ উদ্যোগ শুরু করে। এতে সমর্থন দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এই পদক্ষেপের পর অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষ প্রকট হয়ে ওঠে।
ইসরায়েলি বাহিনী খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপরও গুলি চালিয়ে যায়। এর ফলে শত শত মানুষ নিহত হয়। সেই সঙ্গে দুর্ভিক্ষে শিশুসহ বহু মানুষের মৃত্যু হয়।
যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ২৮ জনকে হত্যা করল ইসরায়েল
শাহজালালে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু হয়েছে। আজ শনিবার রাত ৯টা ৬ মিনিটে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু হয় বলে জানিয়েছেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এর আগে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপরই ফ্লাইট ওঠা-নামা বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। কলকাতাও অবতরণ করে কয়েকটি ফ্লাইট।
ফায়ার সার্ভিস, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, ফায়ার সার্ভিস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে নিশ্চিত করা যাচ্ছে যে আগুন সম্পূর্ণ নিভেছে। বিমান বন্দরের পরিচালক জানিয়েছেন, রাত ৯টা ৬ মিনিটে ফ্লাইট অবতরণ করেছে।
সাগরে লঘুচাপ, টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস
আগামী মঙ্গলবারের (২১ অক্টোবর) মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে আগামী পাঁচদিনের মধ্যে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যরা আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত পারে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
অভিনয়ে সালসাবিল
এবার অভিনয়ে নাম লেখালেন গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের সাবেক স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ। গান থেকে অভিনয়ে পা রাখলেন তিনি। তার ছোট পর্দায় অভিষেক ঘটছে ‘টানাপোড়েন’ শিরোনামের ধারাবাহিক নাটকের মাধ্যমে। বিষয়টি নিজেই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সালসাবিল।
নাটকটি পরিচালনা করছেন বাপ্পি খান। এটি একটি পারিবারিক গল্পনির্ভর নাটক, যেখানে তুলে ধরা হয়েছে ভালোবাসা, সম্পর্কের জটিলতা এবং জীবনের নানা টানাপোড়েনের গল্প। সালসাবিল জানিয়েছেন, এ নাটকের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন। চরিত্রটি চ্যালেঞ্জিং এবং এ নিয়ে আমি ভীষণভাবে উচ্ছ্বসিত। এরই মধ্যে নাটকের শুটিং শুরু হয়েছে। সম্প্রতি তিনি তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্টার প্রকাশ করেছেন, যেখানে তাকে বিমর্ষ এক চরিত্রে দেখা যাচ্ছে।
পোস্টারটি প্রকাশের পর দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। অভিনয়ের শুরুতেই সালসাবিলের আগমনে সাড়া মিলেছে অনুরাগীদের মধ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তাকে অভিনয়শিল্পী হিসেবে শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করেছেন এবং তার নতুন চরিত্র দেখার জন্য উৎসুক।
নারী ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় ব্যাটার
ভারতীয় ক্রিকেটে যেন ফের জন্ম নিল এক ‘স্মৃতি মন্ধানা–সোফি ডিভাইন’ হাইব্রিড! নাম তার কিরণ নবগিরে। ৩৪ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নারী টি–টোয়েন্টিতে গড়লেন ইতিহাস—স্বীকৃত ক্রিকেটে এটিই এখন দ্রুততম শতক।
নাগপুরের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গ্রাউন্ডে শুক্রবার সিনিয়র উইমেন্স টি–টোয়েন্টি ট্রফির ম্যাচে পাঞ্জাব উইমেন্সের দেওয়া ১১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছিল মহারাষ্ট্র। ওপেনিংয়ে নেমে নবগিরে ঝড় তুললেন একাই। ৩৫ বলে অপরাজিত ১০৬ রানে ম্যাচ শেষ করেন তিনি, যেখানে ছিল ১৪টি চার আর ৭টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট? অবিশ্বাস্য—৩০২.৮৬! নারী ক্রিকেট ইতিহাসে ৩০০-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে সেঞ্চুরির নজির এটাই প্রথম।
এই সেঞ্চুরির সঙ্গে ভেঙে গেল নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক সোফি ডিভাইনের ২০২১ সালের রেকর্ড। ডিভাইন সে বছর ওয়েলিংটনের হয়ে ৩৬ বলে শতক করেছিলেন—এখন সেই রেকর্ডের নতুন মালিক কিরণ নবগিরে।
প্রথম দিকের ধাক্কা সামলে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে নামা নবগিরে জুটি বাঁধেন মুক্তা মাগরের সঙ্গে। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১০৩ রানের পার্টনারশিপে মাত্র ৮ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে মহারাষ্ট্র।
৩১ বছর বয়সী নবগিরে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এখনো ছয়টি টি–টোয়েন্টি খেলেছেন মাত্র, সফলতা তেমন আসেনি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি একেবারে অন্য চেহারার। ২০২২ সালের টুর্নামেন্টে এক মৌসুমে ৩৫টি ছক্কা হাঁকিয়ে গড়েছিলেন রেকর্ড, একই বছরে অরুণাচল প্রদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন বিধ্বংসী ৭৬ বলে ১৬২ রানের ইনিংস।
মেয়েদের আইপিএলের (WPL) প্রথম আসরেই নজর কাড়েন নবগিরে। ইউপি ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে ৩১ বলে ৫৭ রান করে দলকে জিতিয়েছিলেন। চলতি মৌসুমেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ১৬ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে নিজের নাম আবারও তুলে ধরেন আলোচনায়।
এই সেঞ্চুরির পর এখন অনেকেই ভাবছেন—ভারতীয় নারী দলে কবে ফিরবেন নবগিরে? অন্তত ব্যাট হাতে তাঁর উত্তরটা পাওয়া গেল স্পষ্টভাবে—“যেখানেই খেলি, রেকর্ডই হবে আমার ভাষা।”
প্রাইভেসি পলিসি কেন জরুরি
আজকাল আমরা সবাই কম-বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করি— ফেসবুকে ছবি দেই, অ্যাপ ডাউনলোড করি, অনলাইনে কেনাকাটা করি। এসব করতে গিয়ে একটা জিনিস প্রায়ই চোখে পড়ে— প্রাইভেসি পলিসি। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, এটা আসলে কী? বা কেন এত দরকার?
চলুন, সহজ ভাষায় বুঝে নিই, প্রাইভেসি পলিসি মানে কী?
প্রাইভেসি পলিসি হচ্ছে একটা নিয়ম-কানুনের তালিকা, যেখানে কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ জানায়— তারা আপনার কোন তথ্য নিচ্ছে (যেমন : নাম, ই-মেইল, ফোন নম্বর), কেন নিচ্ছে, কোথায় রেখে দিচ্ছে এবং সেই তথ্য কার সঙ্গে শেয়ার করছে।
এটা একরকম চুক্তির মতো— যেখানে তারা বলছে, ‘আপনার তথ্য আমরা কীভাবে ব্যবহার করব, সেটা আপনি যেন আগে থেকেই জেনে নিন।’
কেন এটা এত গুরুত্বপূর্ণ?
প্রাইভেসি পলিসি আমাদের সাহায্য করে নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের ব্যাপারে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে। ধরুন, আপনি একটা অ্যাপে ঠিকানা দিলেন। যদি তাদের প্রাইভেসি পলিসিতে লেখা থাকে, ‘এই ঠিকানা শুধু ডেলিভারির কাজে ব্যবহার হবে’— তাহলে আপনি নিশ্চিন্তে দিতে পারেন।
কিন্তু যদি লেখা থাকে, ‘তথ্য তৃতীয় পক্ষের (অন্যান্য কোম্পানি) সঙ্গে শেয়ার করা হতে পারে’— তাহলে আপনাকে ভাবতে হবে, আপনি রাজি কি না।
এই পলিসিতে সাধারণত যা যা লেখা থাকে
– আপনি কোন তথ্য দিচ্ছেন (নাম, ফোন, ব্রাউজিং হিস্টোরি ইত্যাদি)
– তারা কীভাবে নিচ্ছে (ফর্ম পূরণ, কুকি, অ্যাপ পারমিশন ইত্যাদি)
– তারা কেন নিচ্ছে (সার্ভিস উন্নত করতে, বিজ্ঞাপন দেখাতে)
– তারা তথ্য কতদিন রাখবে, কতটা সুরক্ষায় রাখবে
– আপনি চাইলে কীভাবে তথ্য মুছে ফেলতে পারবেন বা পরিবর্তন করতে পারবেন
আইন কেন বলছে এটা বাধ্যতামূলক?
– অনেক দেশে তথ্য সুরক্ষা নিয়ে কঠোর আইন আছে।
– ইউরোপে GDPR
– আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় CCPA
– আমাদের দেশেও আছে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট।
এইসব আইন বলছে— ব্যবহারকারীর তথ্য ব্যবহার করলে, তার আগে জানাতে হবে এবং অনুমতি নিতে হবে। কাজেই কোনো কোম্পানি যদি এড়িয়ে যায়, তাহলে তারা আইনি বিপদে পড়তে পারে।
আপনি যদি ব্যবসা চালান বা ওয়েবসাইট চালান?
তাহলে অবশ্যই আপনার প্রাইভেসি পলিসি থাকা দরকার। কারণ এটা—
– ব্যবহারকারীর বিশ্বাস বাড়ায়
– আপনাকে আইনি ঝুঁকি থেকে বাঁচায়
– আপনার ব্র্যান্ডকে আরও পেশাদার করে তোলে
আপনি চাইলে অনলাইনে সহজ প্রাইভেসি পলিসি জেনারেটর ব্যবহার করতে পারেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবশ্যই পরিষ্কার করে লিখতে হবে।
ব্যবহারকারী হিসেবে আমাদের কী করা উচিত?
– নতুন কোনো অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে সাইন আপ করার আগে প্রাইভেসি পলিসি একবার চোখ বুলিয়ে নিন।
– অপ্রয়োজনীয় পারমিশন (যেমন- লোকেশন বা ক্যামেরা) দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
– যদি পলিসিতে লেখা থাকে, আপনি চাইলে তথ্য মুছতে পারেন— তাহলে দরকার হলে সে সুযোগ নিন।
আপনার তথ্য, আপনার অধিকার
ডিজিটাল দুনিয়ায় আপনার তথ্যই আপনার পরিচয়। প্রাইভেসি পলিসি ঠিকভাবে না জানলে, সেই তথ্য অন্য কেউ অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারে।
তাই যেখানেই তথ্য দিচ্ছেন— সোশ্যাল মিডিয়া হোক বা অনলাইন শপিং— একটু সময় নিয়ে প্রাইভেসি পলিসি দেখে নিন। আপনার নিরাপত্তা, আপনার হাতেই।
একটি ছোট অভ্যাস বড় সুরক্ষা দিতে পারে। সচেতন থাকুন, সুরক্ষিত থাকুন।
শনিবার খোলা থাকবে ব্যাংক
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার (১৮ অক্টোবর) ব্যাংক খোলা থাকবে। হজ কার্যক্রমের সুবিধার্থে ব্যাংকের নির্দিষ্ট কিছু শাখা খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।
ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী জারি করা এ নির্দেশনায় বলা হয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের হজ নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার সুবিধার্থে হজের অর্থ গ্রহণকারী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ১৮ অক্টোবর খোলা রাখতে হবে। যত সময় হজের নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার জন্য গ্রাহক থাকবেন, ততক্ষণ অর্থ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
জুলাই সনদে সই না করার ব্যাখ্যা দিলেন সারোয়ার তুষার
জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অংশ না প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। এ নিয়ে এনসিপি একটা সহজ ও স্পষ্ট দাবি জানিয়েছিল বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) তার ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জুলাই সনদে এনসিপির স্বাক্ষর না করার কারণ জানান।
কালবেলার পাঠকদের জন্য তার ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো।
পোস্টে তুষার লেখেন, ‘এনসিপি একটা সহজ ও স্পষ্ট দাবি জানিয়েছিল। জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় বাস্তবায়ন পদ্ধতির উল্লেখ থাকতে হবে। অর্থাৎ, কীভাবে আপনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবেন, কীভাবে আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি নিশ্চিত করা হবে– এর উল্লেখ সনদে থাকতে হবে।
‘কারণ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এ ব্যাপারে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ> গণভোট> আগামী সংসদের দ্বৈত ক্ষমতা [কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার (গাঠনিক ক্ষমতা) + আইন প্রণয়নী ক্ষমতা] — এই প্রক্রিয়ায় সনদ বাস্তবায়ন হবে। এতে সকল রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। তাহলে এটা সনদে উল্লেখ থাকতে সমস্যা কোথায়?
‘সমস্যা হলো প্রতারণা করার খাসলত। এটা উল্লেখ না রাখতে চাওয়ার কারণ হলো পরবর্তীতে বলা হবে ওই মৌখিক ঐকমত্যের কোনো গুরুত্ব নাই, সাংবিধানিক পথের (যার অর্থ করা হয় পার্লামেন্টের কাছে সংবিধান সংশোধনের এখতিয়ার প্রদান) বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই ইত্যাদি। এই মতলবের কারণেই ঐকমত্যে আসা বিষয়েও সনদে উল্লেখ রাখতে গড়িমসি করা হয়েছে।
‘কমিশন ও সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এখন আর সনদ সংশোধনের সুযোগ নাই। অথচ আজ যখন আহতরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে বিক্ষোভ জানাল (মাসিক ভাতা, চিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা), তখন চাপে পড়ে সাথে সাথে সনদের টেক্সটের ৫ নং ধারা সংশোধন করা হলো। কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ ক্ষমাও চাইলেন।
‘এখন কীভাবে সনদের টেক্সট সংশোধন করা গেল? আর বাস্তবায়ন পদ্ধতির উল্লেখের যৌক্তিক দাবিকে কীভাবে অগ্রাহ্য করা গেল? কার/কাদের নির্দেশে? এগুলোই এখনকার প্রতাপশালী রাজনীতি।
‘কিংস পার্টি, কিংস পার্টি বলে চিৎকার না করে কমিশন ও সরকারের অদৃশ্য নিয়ন্ত্রক কারা চোখ-কান খুলে তা বোঝার চেষ্টা করা দরকার।
‘উদ্ভূত পরিস্থিতির সকল দায় সরকারের। এনসিপির সহনশীলতা ও সহযোগিতার মনোভাবকে দুর্বলতা ভেবে বসবেন না।’
সব ব্যাঙ এক পাল্লায় ওঠানো যাবে না : মির্জা আব্বাস
জুলাই সনদে কয়েকটি দলের স্বাক্ষর না করার প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সব ব্যাঙকে এক পাল্লায় উঠানো যাবে না।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সংসদ ভবনে জুলাই সনদে স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, কেউ লাফাবে, কেউ উঠবে। আমি বিশ্বাস করি, যারা স্বাক্ষর করেনি, তারা আবার স্বাক্ষর করতে আসবে। তাদের জন্য ওই অপশন (সুযোগ) আছে।
তিনি বলেন, আমি বলছি না সনদ এমন একটা বিশাল কিছু হয়ে গেল। তবে সনদকে অস্বীকারও করা যাবে না। যারা অস্বীকার করবে, তারা রাজনীতিতে থাকতে পারবে না।
এদিন বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সনদে স্বাক্ষর করেন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
পবিত্র নগরী মক্কাকে ঘিরে সৌদির নতুন পরিকল্পনা
পবিত্র নগরী মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদকে ঘিরে সুবিশাল পরিকল্পনা সাজিয়েছে সৌদি আরব। এজন্য মেগা প্রজেক্ট ঘোষণা করা হয়েছে। আর এই প্রজেক্টের অধীনে গ্র্যান্ড মসিজদের কাছেই আকাশচুম্বী অট্টালিকা নির্মাণ করা হবে। মূলত মক্কা নগরীতে আগত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের জন্য থাকার ব্যবস্থা, আতিথেয়তা এবং নামাজ আদায়ের সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এই উন্নয়ন প্রকল্পের নামকরণ করা হয়েছে কিং সালমান গেট নামে, যা আগামী বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। সৌদি আরবের ক্ষমতাধর নেতা ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ১২ মিলিয়ন স্কয়ার মিটারজুড়ে এই প্রকল্প গড়ে তুলবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে থাকবে আবাসিক, বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক ও হোটেল সুবিধা। এছাড়া ইনডোর এবং আউটডোরে একসঙ্গে প্রায় ৯ লাখ মানুষের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বানানো নতুন এই প্রকল্পের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মক্কা নগরীর পাশ দিয়ে সুবিশাল উঁচু উঁচু ভবনগুলো দাঁড়িয়ে আছে। এর ওপরে দিয়ে উড়ে যাচ্ছে শান্তির পায়রা। এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করবে রুয়া আলহারাম আলমাক্কি নামের একটি প্রতিষ্ঠান। নতুন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
২০৩০ সালের মধ্যে পবিত্র নগরী মক্কায় ৩ কোটি হজ যাত্রীকে স্বাগত জানানোর লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মতৎপরতা শুরু করেছে সৌদি আরব। অন্যান্য মেগা প্রজেক্টের পাশাপাশি মক্কা-মদিনাকে ঘিরে এই পরিকল্পনা সাজিয়েছে সৌদি। কারণ পবিত্র এই নগরীকে ঘিরে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের বিশেষ এক আকর্ষণ আছে।


