১৩ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার
বিভাজনে আওয়ামী লীগ ফিরবে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে: রাশেদ খান
সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ও ভারতের সমর্থন
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রীরও পদত্যাগ চায় জেন-জি
গাড়ি পোড়ানোর মামলায় মির্জা ফখরুলসহ ৭৭ জনকে অব্যাহতি
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামিদের অব্যাহতি দেন।
এ মামলায় উল্লেখযোগ্য অপর আসামিরা হলেন– বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন-নবী খান সোহেল, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালত সে প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের অব্যাহতি দেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। আগের দিন ১১ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানার বার কাউন্সিলের নির্মাণাধীন প্রধান ফটকের সামনে দুষ্কৃতকারীরা মোটরসাইকেলসহ যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতিসাধন করে। আসামিরা জামিন শুনানির রায়কে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে এবং বিচার বিভাগকে চাপ প্রয়োগের জন্য মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।
মামলাটির তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১০ মে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৭৭ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
আগস্টে সড়কে নিহত ৪২৮ জন : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
গত আগস্ট মাসে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৫১টি। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪২৮ জন এবং আহত হয়েছেন ৭৯১ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৬৮ জন ও শিশু ৩৪ জন। এরমধ্যে ১৪৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩২ জন, যা মোট নিহতের ৩০.৮৪ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩১.৯২ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৮৩ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৯.৩৯ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫২ জন, ১২.১৪ শতাংশ।
এই সময়ে ১৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত, ১৭ জন আহত এবং ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ৩৭টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদ মাধ্যমে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। ফাউন্ডেশনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩২ জন, বাসের যাত্রী ৩০ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি-লরি আরোহী ২৭ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ২১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা) ৯৭ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-টমটম-মাহিন্দ্র) ৩৩ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ৫ জন নিহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ২১৪টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৩৫টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৬০টি শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলোর ৯০টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২০৭টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৮৫টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেওয়া, ৬২টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৭টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।
ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১১৯টি দুর্ঘটনায় ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ১৮টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে ঢাকা জেলায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। এই জেলায় ৬টি দুর্ঘটনায় এক জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং ৪৬ জন আহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন; ত্রুটিপূর্ণ সড়ক; বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল; তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো; জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা; দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা; বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে।
সুপারিশ হিসেবে বলা হয়েছে— দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে; চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে; বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে; পরিবহন মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করতে হবে; পর্যায়ক্রমে সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে; গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে; রেল ও নৌ-পথ সংস্কার করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে; টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে
বাবা-মার নজরদারিতে সবসময় থাকেন তৃপ্তি দিমরি
বলিউডের জনপ্রিয় তরুণী অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি নিজের ব্যক্তিজীবনের এক মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন। সম্প্রতি এক পডকাস্ট অনুষ্ঠানে তিনি জানান, অভিনয়ে সাফল্য পাওয়ার পরও বাবা-মায়ের কঠোর নজরদারির বাইরে তিনি যেতে পারেন না।
তৃপ্তির ভাষায়, ‘আমার বাবা-মা খুবই নিয়মকানুন মানা মানুষ। তাদের মতে, লেখাপড়া করো, চাকরি করো, বিয়ে করো-এতেই জীবন শেষ। এর বাইরে কিছু ভাবার সুযোগ নেই।’
তিনি হাস্যরসের সঙ্গে আরও বলেন, ‘আমার বাবা-মা গুগলে প্রতিদিন আমার নাম সার্চ করেন। কী খবর বেরোলো, কোথায় কী বললাম, সবই তারা খুঁটিয়ে দেখেন। তাদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’
অভিনয়ের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও বাবা-মায়ের এই বাড়তি নজরদারিকে তৃপ্তি বেশ সহজভাবে নিয়েছেন। তিনি বলেন, এতে তার খারাপ লাগে না, বরং মজাই লাগে।
বর্তমানে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত ও ব্যস্ত নায়িকাদের তালিকায় রয়েছেন তৃপ্তি দিমরি। তবে গ্ল্যামার ও জনপ্রিয়তার আড়ালেও বাবা-মায়ের কড়া শাসন আর নজরদারি তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।


