Home Blog Page 320

ইনশাআল্লাহ দ্রুতই দেশে ফিরে আসব : তারেক রহমান

দীর্ঘ দুই দশক পর গণমাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সাক্ষাৎকারে তিনি দেশে ফেরাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির ও বিবিসি বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান দ্রতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন।

কেন আপনি এখনো দেশে ফেরেননি– সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কিছু সংগত কারণে হয়তো ফেরাটা হয়ে উঠেনি এখনো। তবে সময় তো চলে এসেছে মনে হয়। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই ফিরে আসব।’

সেটা কবে জানতে চাইলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘দ্রুতই মনে হয়। দ্রুতই ইনশাআল্লাহ।’

নির্বাচনের আগে আপনি দেশে আসবেন এমন সম্ভাবনা বলা যায়? জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনীতি যখন করি, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক, নির্বাচনের সাথে রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক কর্মীর একটি ওতপ্রোত সম্পর্ক। কাজেই যেখানে একটি প্রত্যাশিত, জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনের সময় কেমন করে দূরে থাকব? আমি তো আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, ইচ্ছা থাকবে, আগ্রহ থাকবে সেই প্রত্যাশিত যে প্রত্যাশিত নির্বাচন জনগণ চাইছে। সেই প্রত্যাশিত নির্বাচন যখন অনুষ্ঠিত হবে জনগণের সাথে জনগণের মাঝেই থাকব ইনশাআল্লাহ।’

দেশে আসার বিষয়ে নিরাপত্তার শঙ্কার কথা বলছেন কেউ কেউ। আপনি কি কোনো ধরনের শঙ্কা বোধ করেছেন এর মধ্যে– এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন রকম শঙ্কার কথা তো আমরা অনেক সময় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে তো শুনেছি। সরকারেরও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকেও তো অনেক সময় অনেক শঙ্কার কথা বিভিন্ন মাধ্যমে, বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে।’

সাক্ষাৎকারের শুরুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘সময় তো স্বাভাবিকভাবে ব্যস্তই যাচ্ছে। ফিজিক্যালি হয়তো আমি এই দেশে আছি, বাট মন-মানসিকতা সবকিছু মিলিয়ে তো আমি গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশেই রয়ে গিয়েছি।’

গণমাধ্যমের সঙ্গে দীর্ঘদিন কথা না বলার বিষয়ে জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যাপারটা বোধ হয় এরকম না, ব্যাপারটা বোধ হয় একটু ভিন্ন। আসলে আমি কথা ঠিকই বলেছি। আমি দীর্ঘ ১৭ বছর এখানে আছি এই দেশে, প্রবাস জীবনে, তবে আমার উপরে যখন দলের দায়িত্ব এসে পড়েছে তারপর থেকে আমি গ্রামে-গঞ্জে আমার নেতাকর্মীসহ তাদের সাথে বিভিন্ন পর্যায়ে সাধারণ মানুষ যখন যেভাবে অংশগ্রহণ করেছে, আমি সকলের সাথে কথা বলেছি।’

‘আপনারা নিশ্চয়ই জানেন বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় কোর্ট থেকে রীতিমতো একটা আদেশ দিয়ে আমার কথা বলার অধিকারকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমি যদি গণমাধ্যমে কিছু বলতে চাইতাম, হয়তো গণমাধ্যমের ইচ্ছা ছিল ছাপানোর, গণমাধ্যম সেটি ছাপাতে পারত না।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি একবার প্রেস ক্লাবে কথা বলেছিলাম। পরের দিন দেখলাম যে তখনকার প্রেস ক্লাবের যারা সদস্য ছিলেন বা কমিটি ছিল, তারা একটি মিটিং ডেকে একটি সভা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা তখন আমাকে আইনের দৃষ্টিতে ফেরারি বলা হয়েছিল যে, সেরকম কোনো ব্যক্তিকে তারা প্রেস ক্লাবে কথা বলতে দেবে না। এভাবে তারা চেষ্টা করেছিল আমার কথা বন্ধ করে রাখতে।’

তিনি বলেন, ‘আমি কথা বলেছি, সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন পন্থায় আমি পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি, আমি ইনশাআল্লাহ পৌঁছেছি মানুষের কাছে। কাজেই গণমাধ্যমে যে কথা বলিনি তা না। আমি কথা বলেছি হয়তো আপনারা তখন কথা নিতে পারেননি অথবা শুনতে পারেননি। ইচ্ছা থাকলেও ছাপাতে পারেননি, হয়তো প্রচার করতে পারেননি। কিন্তু আমি বলেছি, আমি থেমে থাকিনি।’

চিকিৎসায় নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

চিকিৎসাবিদ্যায় অনবদ্য অবদান রাখায় চলতি বছর যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের তিন চিকিৎসাবিজ্ঞানী। সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় সুইডেনের স্টকহোম থেকে ২০২৫ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।

চিকিৎসায় এ বছরের নোবেল বিজয়ীরা হলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক মেরি ই. ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড রামসডেল এবং জাপানের শিমন সাকাগুচি। পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স নিয়ে গবেষণার জন্য চলতি বছর তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট বলেছে, মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেমের কাজ হলো শরীরকে জীবাণু ও ভাইরাসের মতো বাইরের হুমকি থেকে রক্ষা করা। তবে কখনও কখনও এই ব্যবস্থা ভুলবশত শরীরের নিজস্ব টিস্যুকেই আক্রমণ করে বসে; যার ফলে দেখা দেয় অটোইমিউন রোগ।

দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা মানবদেহের ‘সেন্ট্রাল টলারেন্স’ বা কেন্দ্রীয় সহনশীলতার ধারণার ওপর গবেষণা করে আসছিলেন। এতে টি-সেল নামের এক ধরনের প্রতিরোধক কোষ থাইমাসে গঠিত হওয়ার সময়ই শরীরের নিজস্ব উপাদানের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখালেও পরে তা ধ্বংস হয়ে যায়।

নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ওলে কাম্পে বলেছেন, মানবদেহের সব সেলফ-রিঅ্যাক্টিভ টি-সেল থাইমাসে ধ্বংস হয় না; কিছু কোষ রক্তে থেকে যায়। এই কোষগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য শরীরের বাইরে (থাইমাসের বাইরের অংশে) আরও একটি প্রক্রিয়া কাজ করে; সেটিকে পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স বলা হয়।

চলতি বছরের নোবেলজয়ী তিন বিজ্ঞানী এই প্রক্রিয়ার মূল রহস্য উদঘাটন করেছেন। গবেষণায় তারা দেখেছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখে বিশেষ এক ধরনের কোষ; যাকে রেগুলেটরি টি-সেল (Treg) বলা হয়। এসব কোষের বিকাশ ও কার্যক্রম নির্ভর করে ফক্সপিথ্রি (FOXP3) নামের একটি জিনের ওপর।

শিমন সাকাগুচি ১৯৯০-এর দশকে প্রথম প্রমাণ করেন, মানবদেহে এমন একটি রেগুলেটরি টি-সেল আছে, যা শরীরের নিজস্ব টিস্যুর বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় আক্রমণ রোধ করে। পরে মেরি ই. ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড র‍্যামসডেল ইঁদুর ও মানুষের শরীরে ফক্সপিথ্রি (FOXP3) জিনের ত্রুটি শনাক্ত করেন; যা এই টি-সেলের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

গবেষণায় তারা দেখান, ফক্সপিথ্রি (FOXP3) জিনই এসব কোষের বিকাশের মূল নিয়ন্ত্রক এবং এটি পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্সের ভিত্তি তৈরি করে। এই আবিষ্কারের ফলে এখন বিজ্ঞানীরা আরও ভালোভাবে বুঝতে পারছেন, কীভাবে মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখে, কেন এই প্রক্রিয়া ভেঙে গেলে অটোইমিউন রোগ দেখা দেয় এবং কীভাবে ক্যানসার কোষ কখনও কখনও এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে ইমিউন সিস্টেমের আক্রমণ থেকে বেঁচে যায়।

চিকিৎসাশাস্ত্রের এই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট থেকে একটি মেডেল, সনদপত্র এবং ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা পাবেন।

এর আগে, গত বছর চিকিৎসাশাস্ত্রে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় যুক্তরাষ্ট্রের দুই চিকিৎসাবিজ্ঞানী ভিক্টর অ্যামব্রোস ও গ্যারি রাভকুনকে। মাইক্রো আরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট ট্রান্সক্রিপশন জিন নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখায় তাদের ওই পুরস্কার দেওয়া হয়।

প্রতিবছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ঘোষণা করে সুইডেনের স্টোকহোমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট। আগামীকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় পদার্থবিজ্ঞানের নোবেলবিজয়ীদের নাম ঘোষণা করবে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স।

১৯০১ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার নোবেল। এ পুরস্কারটির নামকরণ করা হয়েছে সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নাম অনুসারে। ঊনবিংশ শতকের এই বিজ্ঞানী শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিনামাইট আবিষ্কার করে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছিলেন।

তিনি উইল করে গিয়েছিলেন যে তার যাবতীয় অর্থ থেকে যেন প্রতি বছর পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্য—এই ৫টি খাতে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই পুরস্কারের নামকরণ হবে তার নামে। ১৯৬৯ সাল থেকে এই ৫ বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয় অর্থনীতিও।

ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত : চট্টগ্রামে পরিদর্শন করবেন সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ প্রকল্প

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও গভীর করতে পাঁচ দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন।

রোববার (৫ অক্টোবর) ব্যারোনেস উইন্টারটনের ঢাকায় পৌঁছানোর তথ‌্য জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।

ব্রিটিশ হাইকমিশন জানায়, সফরকালে ব্যারোনেস উইন্টারটনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংস্কার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে।

তিনি বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিরা। এসব বৈঠকে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির অংশীদার হিসেবে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হবে।

ব্রিটিশ হাইকমিশন আরও জানায়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে অবস্থানকালে বাণিজ্য দূত বিমান চলাচল, উচ্চশিক্ষা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

চট্টগ্রামে তিনি যুক্তরাজ্য সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন, যেখানে এসব বিনিয়োগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ এবং উভয় দেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি আনছে।

এ সফরে যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের গুরুত্বও তুলে ধরা হবে। এই বাণিজ্য সুবিধা কর্মসূচির আওতায় ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে, যা এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় দেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

এ ছাড়া, তিনি ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট, যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন অর্থায়ন সংস্থা ও তাদের স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে সবুজ অর্থায়ন ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা গুরুত্ব পাবে।

ব্রিটিশ হাইকমিশন বলছে, বাণিজ্য দূতের এই সফরের লক্ষ্য বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিকে সহায়তা করা এবং পারস্পরিক সমৃদ্ধির জন্য দুই দেশের মধ্যে দ্বিমুখী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করা।

এ সফর নিয়ে ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি গতিশীল ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বিদ্যমান। বাংলাদেশের অসাধারণ উন্নয়ন যাত্রাকে সহায়তা করার এবং দুই দেশের জন্য উপকারী নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সুযোগ অন্বেষণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করতেই আমি এখানে এসেছি।

তি‌নি বলেন, আমি যুক্তরাজ্য-সমর্থিত বিনিয়োগগুলো সরাসরি দেখতে উদগ্রীব, যেগুলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে, সরবরাহ শৃঙ্খলকে মজবুত করছে এবং উভয় দেশের অর্থনীতিতে বাস্তব মূল্য যোগ করছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের ছয় মাসের মধ্যে দ্বিতীয় সফরটি যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ বাণিজ্য অংশীদারত্ব দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং আমরা পারস্পরিক সমৃদ্ধির জন্য এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে আগ্রহী।

চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হচ্ছেন ৬ জন

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নির্বাচনে ছয় পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন। রোববার (৫ অক্টোবর) নির্বাচন বোর্ড থেকে প্রকাশিত বৈধ প্রার্থীর তালিকায় এই তথ্য জানা গেছে।

তালিকা অনুযায়ী, ট্রেড গ্রুপ থেকে মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, মোহাম্মদ আমিরুল হক ও এস এম সাইফুল আলম এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে আবসার হাসান চৌধুরী, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন ও মোহাম্মদ সাজ্জাদ উন নেওয়াজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন।

অন্যদিকে বাকি ১৮ পরিচালক পদে ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর মধ্যে অর্ডিনারি গ্রুপের ১২ পদে ৪১ জন এবং অ্যাসোসিয়েট মেম্বার গ্রুপের ৬ পদে ১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তালিকা অনুযায়ী অর্ডিনারি গ্রুপের বৈধ প্রার্থীরা হলেন— এএসএম ইসমাইল খান, এটিএম রেজাউল করিম, আবু হায়দার চৌধুরী, আহমেদ রশিদ আমু, আহমেদ-উল আলম চৌধুরী (রাসেল), মো. সালামত আলী, আমানুল্লাহ আল-সগীর, আসাদ ইফতেখার, এমাদ এরশাদ, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জাভেদ সিদ্দিকী, কামাল মোস্তফা চৌধুরী, কাজী ইমরান এফ রহমান, মাসুদ আহমেদ, মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী, মো. আবদুল কাদের, মো. আবসার হোসাইন, মো. আবু হেননা ফারুকী, মো. আরিফ হোসাইন, মো. আশিক ইবনে সাফা, মো. দেলোয়ার হোসাইন, মো. গোলাম সরওয়ার, মো. হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, মো. জামাল উদ্দিন, মো. নাজমুল হুদা, মো. শওকত আলী, মো. ওয়াহিদ মুরাদ চৌধুরী, মোহাম্মদ আজিজুল হক, মোহাম্মদ রাশেদ আলী, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ শফিউল আলম, রাকিবুল আলম চৌধুরী, রিয়াজ ওয়েজ, সালাউদ্দিন আহমেদ, সরতাজ মোহাম্মদ ইমরান, শহিদুল আলম, শাহজাদা মোহাম্মদ ফওজুল আলিফ খান ও তাওসিফ আহমেদ।

অ্যাসোসিয়েট সদস্য গ্রুপের প্রার্থীরা হলেন— মো. কামরুল হুদা, মো. নেজাম উদ্দিন, মো. পারভেজ ইকবাল শরীফ, মো. সেলিম নূর, মো. শওকত আলী, মোহাম্মদ মশিহুল আলম, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ, মোহাম্মদ আইয়ুব, মো. নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, এসএম কামাল উদ্দিন, এসএম নুরুল হক, সরওয়ার আলম খান, সৈয়দ খুরশিদ আলম ও সৈয়দ মোস্তফা কামাল পাশা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত নির্বাচন বোর্ড গত ১১ আগস্ট ২০২৫–২৬ এবং ২০২৬–২৭ মেয়াদের পরিচালকমণ্ডলীর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। আগামী ১ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চেম্বারের ২৪ পরিচালক পদে ভোট গ্রহণ হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ২১ সেপ্টেম্বর প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। প্রাথমিক বাছাইয়ে ৩৫টি মনোনয়ন বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে অনেকে প্রার্থিতা ফিরে পান।

চেম্বারের সর্বশেষ ভোটার তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ সদস্য ৪ হাজার ১ জন, সহযোগী সদস্য ২ হাজার ৭৬৪ জন, টাউন অ্যাসোসিয়েশন সদস্য ৫ জন এবং ট্রেড গ্রুপের সদস্য ১০ জন।

বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হানিফের, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

জুলাই-আগস্টে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে আসামিদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আগামী ১৪ অক্টোবর হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। বাকি দুই সদস্য হলেন— অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, মঈনুল করিম, সহিদুল ইসলাম।

শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। একইসঙ্গে ১৪ অক্টোবর হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গ রোববার হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেন প্রসিকিউশন। এতে সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র ও কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা। পরে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

তিন আসামি হলেন— কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সদর উদ্দিন খান, জেলা সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। তবে চারজনই পলাতক রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে কুষ্টিয়ায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ছয়জন। একইসঙ্গে আহত হন বেশ কয়েকজন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসানুল হক ইনু ও মাহবুবউল আলম হানিফসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। পরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্ত সংস্থা।

এবার ১০ লাখ সরকারি চাকরিজীবীর ভোটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে : সিইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দায়িত্ব পালন করা প্রায় ১০ লাখ সরকারি চাকরিজীবীর ভোটের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

আজ (সোমবার) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সাথে সংলাপে শুভেচ্ছা বক্তব্যে এ কথা জানান সিইসি। সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে সিইসি বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২১ লাখ মৃত ভোটার========= চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের অনেকেই আগে ভোট দিয়ে যেত।

‎এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশন জাতির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনে। গণমাধ্যমের সহযোগিতা ছাড়া লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও নির্বাচনের অনূকূল পরিবেশ তৈরি সম্ভব নয়। এজন্য সকলের সহযোগিতা চাই। এআই-এর অপব্যবহার রোধে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভূমিকা রাখতে হবে। এ ছাড়া প্রবাসী, নির্বাচনে যারা দায়িত্ব পালন করেন, সেসব সরকারি চাকরিজীবীদের ভোটের ব্যবস্থা আমরা করবো। প্রায় ১০ লাখ সরকারি চাকরিজীবীকে ভোটের আওতায় নিয়ে আসা হবে এবার। সবাইকে সাথে নিয়ে স্বচ্ছভাবে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চাই। আয়নার মতো স্বচ্ছ করে এই নির্বাচন করতে চাই।

সকাল সাড়ে ১০টায় টিভি মিডিয়া এবং দুপুর আড়াইটায় পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে বসবে সংস্থাটি। দু’দফায় প্রায় ৫০ জনের মতো গণমাধ্যম প্রতিনিধির সংলাপে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

আগামীকাল ৭ অক্টোবর নারী নেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে৷ এরপর জুলাই যোদ্ধা, রাজনৈতিকদলগুলোর সঙ্গেও বসবে ইসি। ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সংলাপে উঠে আসা মতামত তার কমিশন বাস্তবায়ন করবে।

এর আগে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোটের সংলাপ শুরু করে ইসি। ওইদিন সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবি ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সংলাপ শুরুর দিন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অর্ধেকেরও বেশি সুশীল ও বুদ্ধিজীবী অংশ নেয়নি।

রোজা শুরু হতে বাকি আর কত দিন, জানালেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা

০
পবিত্র রমজান মাসের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান শুরু হবে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) থেকে। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির প্রাথমিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী এখন আমরা রমজানের থেকে ঠিক ১৩৯ দিন দূরে আছি। খবর গালফ নিউজের।
সংস্থার চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, নতুন চাঁদ জন্ম নেবে ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ০১ মিনিটে (ইউএই সময়)। তবে ওইদিন সূর্যাস্তের মাত্র এক মিনিট পরই চাঁদ অস্ত যাবে, ফলে সেই সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না। এ কারণে রমজানের প্রথম দিন হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ধরা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে সরকারি চাঁদ দেখার কমিটি।
তিনি আরো জানান, আবুধাবিতে রমজানের শুরুতে রোজার সময়কাল হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট, যা ধীরে ধীরে বেড়ে মাসের শেষে হবে ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিট। দিনের আলো শুরুর দিকে থাকবে প্রায় ১১ ঘণ্টা ৩২ মিনিট, আর মাস শেষে তা বাড়বে ১২ ঘণ্টা ১২ মিনিট পর্যন্ত।
আবহাওয়ার দিক থেকে শুরুতে আবুধাবিতে উত্তর দিকের শীতল বাতাসের প্রভাবে তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। তবে রমজানের শেষের দিকে যখন বসন্তকালীন আবহাওয়া শুরু হবে এবং পশ্চিমা বাতাস বইতে শুরু করবে তখন তা বাড়তে বাড়তে দাঁড়াবে ১৯ ডিগ্রি থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আল জারওয়ান আরো উল্লেখ করেন, পুরো রমজান মাস জুড়েই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং গড়ে ১৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

সংসারের দৈনন্দিন খরচ কমানোর সেরা যত উপায়

দুর্মূল্যের এই বাজারে সংসারের বাজেট মেলানো দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। মাছ-মাংস, শাকসবজি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারই হিমশিম খাচ্ছে। তবে একটু সচেতনতা, পরিকল্পনা ও জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনলেই খরচ কমানো সম্ভব
সব খরচের তালিকা
আপনি হয়তো প্রতিদিন একাধিকবার ১০০ টাকা খরচ করছেন। কিন্তু, ভাবেন ‘মাত্র ১০০ টাকা, খুব বেশি নয়’। তবে, আপনার ধারণা পাল্টে যাবে যদি আপনি এই কৌশলটি অবলম্বন করেন। প্রতিদিন যতবার ১০০ টাকা খরচ করছেন তা লিখে রাখুন। পুরো মাসজুড়ে এটি করুন। তারপর মাস শেষে একবার পুরো খরচ যোগ করে দেখুন, আপনি অবাক হয়ে যাবেন। কারণ, মাস শেষে আপনার মাত্র ১০০ টাকা খরচের যোগফল কিন্তু বেশ বড়ই হবে। এই বিষয়টি আপনাকে অনেক খরচ কমাতে সহায়তা করবে। আপনি অদরকারি খরচের খাত চিহ্নিত করতে পারবেন।
বাইরের কফি বাদ
আপনি হয়তো নিয়মিত বাইরে কফি পান করেন। কিন্তু, এটা বাদ দিতে পারেন। তাহলে আপনার খরচ কমে যাবে। প্রয়োজনে বাসায় কফি বানান। তারপর তা একটি ফ্লাস্কে ভরে কর্মস্থলে নিয়ে যান। আপনি যদি সত্যিই ব্যয় কমাতে চান তাহলে এই অভ্যাসটি খুবই জরুরি। এতে প্রতিমাসে আপনার খরচ কমবে।
সাইকেলে বা হেঁটে কর্মস্থলে যাওয়া
আপনার কর্মস্থল যদি বাসার কাছাকাছি হয়। তাহলে হেঁটে বা সাইকেল চালিয়ে কর্মস্থলে যেতে পারেন। এই অভ্যাস খরচ কমানোর জন্য খুবই কার্যকরী উপায়। আবার একইসঙ্গে আপনার জন্য ব্যায়ামও হয়ে যাবে, আপনি ফিট থাকবেন।
ব্র্যান্ডের পণ্য এড়িয়ে চলা
সংসারের প্রয়োজনীয় অনেক জিনিস আমরা ব্রান্ড থেকে কিনে থাকি। কিন্তু, খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে ব্রান্ডের পণ্য আর সাধারণ পণ্যের স্বাদে খুব বেশি পার্থক্য নেই। তাই ব্র্যান্ডিংয়ে প্রলুব্ধ হবেন না। আপনি হয়তো ব্রান্ডের জুস বা প্রক্রিয়াজাত অন্যান্য খাবার কিনছেন। অথচ চাইলেই এগুলো বাসাতে বানানো যায়। তাহলে শুধু শুধু এজন্য কেন অতিরিক্ত টাকা খরচ করবেন?
বাসার খাবার খাওয়া
আমরা অনেক সময় বাইরের খাবার খাই। কিংবা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ব্যয়বহুল কোনো রেস্টুরেন্টে খেতে যাই। কিন্তু, কখনো ভেবে দেখেছেন এজন্য প্রতিমাসে আপনাকে অতিরিক্ত কতগুলো টাকা খরচ করতে হয়। তাই এই অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। কোনো বিশেষ কিছু খেতে ইচ্ছে হলে চেষ্টা করুন বাসায় রান্না করে খাওয়ার। এতে খরচ সাশ্রয় হবে আবার পরিবারের সবার সঙ্গে সম্পর্কটাও মজবুত হবে।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা
আমার অনেকেই গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে সচেতন না। অথচ আমাদের সংসারের প্রতিমাসের নিয়মিত খরচের দুটি খাত গ্যাস ও বিদ্যুৎ। তাই গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবহারে খুব সচেতন হতে হবে। তাহলে এখান থেকেও সংসারের কিছু খরচ কমাতে পারবেন।
দামি পানীয় এড়িয়ে চলা
দামি কোল্ড ড্রিংকস ও সফট ড্রিংকস পান করা অনেকের নিয়মিত অভ্যাস। অথচ, এগুলোর কার্যত কোনো উপকার নেই। সহজ কথায় বলতে গেলে এগুলো এক ধরনের অপচয়। তাই এই অভ্যাস বাদ দিতে হবে। তাহলে এই খাত থেকেও বেশ কিছু খরচ কমানো সম্ভব হবে। আসল কথা, যে জিনিসের কোনো সুবিধা নেই তার পেছনে অর্থ ব্যয় করার কোনো মানে হয় না।
পুরনো জিনিস বিক্রি
সংসারে এমন অনেক জিনিস থাকে যেগুলো কাজে লাগে না। ঘরের এক কোণে পড়ে থাকে। পুরনো হয়ে যাওয়ায় এই জিনিসগুলো ব্যবহার করা হয়ে ওঠে না। কিংবা হয়তো ব্যবহারের দরকার হয় না। কিন্তু, যে জিনিসটা আপনার জন্য অদরকারি, সেটা অন্য কারো কাছে বেশ দরকারি হতে পারে। তাই পুরনো অদরকারি জিনিসগুলো বিক্রি করে দিন। তাহলে সেখান থেকে কিছু অর্থ আসবে। আজকাল পুরনো জিনিস অহরহ বিক্রি হচ্ছে। পুরনো জিনিস কেনাবেচার অনেকগুলো অনলাইন প্লাটফর্মও আছে।
অনলাইন সাবসক্রিপশন কমানো
আধুনিক সময়ে আমরা বিনোদনের জন্য অনেকে অনলাইন প্লাটফর্মের সাবসক্রিপশন নিয়ে থাকি। কিন্তু, সেসব প্লাটফর্মে মুভি, ড্রামা বা অন্যকিছু দেখা হয় না। তাই এসব প্লাটফর্ম আনসাবসক্রাইব করে নিন। তাহলে এখান থেকে প্রতিমাসে কিছু টাকা কমাতে পারবেন। যা আপনার সংসার খরচ যোগাতে সহায়ক হবে।
ব্যয়বহুল ক্লিনিং পণ্যের ব্যবহার কমানো
চাইলেই বাসাতে অনেক পরিষ্কারপণ্য তৈরি করা সম্ভব। যেমন- ড্রেন পরিষ্কার করতে ভিনেগার ও বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। আবার সাধারণ দাগ, ফ্রিজ বা জানালার গ্লাস পরিষ্কার করতে লেবুর রস ব্যবহার করা যায়। তাহলে এসবের জন্য শুধু শুধু বিলাসবহুল পরিষ্কারপণ্য ব্যবহার করার দরকার নেই। এখান থেকে সংসারের খরচ কিছুটা হলেও কমবে।
বিলাসবহুল সৌন্দর্যপণ্য এড়িয়ে চলা
ত্বকের বলিরেখা থেকে মুক্তি পেতে এবং ত্বক সুন্দর রাখতে আমরা দামি ক্রিম ব্যবহারে প্রলুব্ধ হয়ে থাকি। কিন্তু, বাস্তবে ত্বকের প্রয়োজন হলো একটি ভালো ডায়েট। দরকার প্রচুর পরিমাণে পানি ও হাইড্রেশন। এজন্য ব্যয়বহুল ক্রিমের পরিবর্তে বাদাম বা নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এতে ত্বক ভালো থাকবে আবার সংসারের খরচও কমবে।
জিমের সদস্যপদ বাতিল করা
ব্যায়াম বা ওয়ার্কআউটের জন্য জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। জিমের পরিবর্তে সাইকেল চালিয়ে, পার্কে হেঁটে ও দৌড়িয়ে কিংবা বাড়িতে ভারোত্তোলন করে ব্যায়াম করতে পারেন। আবার যারা জিম ছাড়তে চান, তাদের নিয়ে একটি গ্রুপ গঠন করতে পারেন। তারপর তাদের সঙ্গে বাইরে নিয়মিত ওয়ার্কআউট সেশন করতে পারেন। তাহলে ফিট থাকার জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হবে না।
কার্ডে নয়, নগদ লেনদেন
প্রতি সপ্তাহে খরচের জন্য নির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করুন এবং শুধু সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করুন। তবে, অবশ্যই নগদ টাকা খরচ করবেন। কারণ কার্ডে লেনদেন করলে আপনি নিজেও জানতে পারবেন না কত টাকা খরচ করে ফেলছেন। তাই কার্ড নয় নগদ লেনদের করুন। তাহলে সহজে বুঝতে পারবেন কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে। যা আপনাকে খরচের ব্যাপারে সাবধানী হতে সহায়তা করবে।
অফারে নজর দেবেন না
এটা কিনলে ওটা ফ্রি, চলছে বিরাট ছাড়—এমন নানা বিজ্ঞাপন আমাদের চোখের সামনে আসে। কখনো কখনো অনেক প্রতিষ্ঠান মুঠোফোনে খুদে বার্তাও পাঠায়। অনেক সময় অফারের ফাঁদে পড়ে আমরা অপ্রয়োজনীয় জিনিসও কিনে ফেলি। এ ধরনের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে নোটিফিকেশনগুলো বন্ধ করে দিন, পেজগুলো আনফলো করুন। আর যদি এসব করতে না চান, তাহলে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ান।
খাবারের ব্যয় কমান
খেয়াল করে দেখবেন, আমাদের একটা বড় অঙ্কের টাকা চলে যায় খাবার কেনার পেছনে। অনেক সময় রেস্তোরাঁ বা সুপার শপে গিয়ে একটু বেশিই খরচ হয়ে যায়। মজার খাবারের লোভ সামলানোও কঠিন বটে। তাই খাবারদাবারের পেছনে নির্দিষ্ট বাজেট নির্ধারণ করে রাখুন। প্রচণ্ড ক্ষুধা নিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে যাবেন না। কারণ, ক্ষুধার্ত অবস্থায় অনেক সময় আমরা অনেক বেশি অর্ডার করে ফেলি, সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করি। অল্প কিছু খেয়ে নিয়ে আগে ক্ষুধা নিবারণ করুন।
ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড বাসায় রেখে যান
যতটুকু প্রয়োজন, শুধু ততটুকু নগদ টাকাই সঙ্গে নিন। কোনো ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড সঙ্গে রাখবেন না। তাহলে যতই প্রলুব্ধ হোন না কেন, দিন শেষে আপনাকে খরচ না করেই বাড়ি ফিরতে হবে। একান্তই যদি প্রয়োজনীয় কিছু কেনার পরিকল্পনা থাকে, তাহলেই কার্ড সঙ্গে নিন।
আয়ের কষ্ট মাথায় রাখুন
হঠাৎ কিছু কেনার ইচ্ছা হতেই পারে। তখন ভাবুন, এই পরিমাণ টাকা আয় করতে আপনাকে কত ঘণ্টা কাজ করতে হবে। ধরা যাক, ঘণ্টায় আপনি ২০০ টাকা আয় করেন। তাহলে দুই হাজার টাকা আয় করতে কষ্ট করতে হয়েছে ১০ ঘণ্টা। অতএব হুট করে দুই হাজার টাকার কিছু কেনার আগে এই হিসাবটা মাথায় রাখুন। এই ভাবনা আপনাকে অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে নিরুৎসাহিত করবে।
ঋণ বা সঞ্চয়ে মন দিন
ঋণ করে কিনলে বা সঞ্চয় থেকে খরচ হলে সেটা পূরণ করতে কত দিন সময় লাগতে পারে, হিসাব করুন। নিজের জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। ধরা যাক, আপনি ২০ হাজার টাকা জমিয়েছেন। মনে মনে ঠিক করুন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা জমাবেন, এক বছরের মধ্যে এক লাখ টাকা জমাবেন। এভাবে ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোতে থাকুন। প্রয়োজনে আপনার লক্ষ্যটা লিখে মানিব্যাগে রাখুন। যেন মানিব্যাগ খুললেই লক্ষ্যটা মনে পড়ে।
সময় নিন
হুট করে শখের কিছু কিনে ফেলবেন না। সময় নিন। কেনার আগ্রহ মনে নিয়ে অন্তত এক রাত ঘুমান। হতে পারে, ঘুম থেকে ওঠার পর একই পণ্য আপনার কাছে আর অতটা আকর্ষণীয় লাগবে না।
পুরোনো সরিয়ে নতুন আনুন
যদি নতুন কিছু কিনতে চান, দেখুন আপনার কোনো অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করতে পারেন কি না। এতে খরচের কিছুটা উঠে আসবে। এখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সহজেই পুরোনো জিনিস বিক্রি করা যায়।
তালিকার বাইরে যাবেন না
বাজারে যাওয়ার আগে সব সময় প্রয়োজনীয় জিনিসের একটি তালিকা তৈরি করুন। আকর্ষণীয় কিছু চোখে পড়লেও তালিকার বাইরে কিছু কিনবেন না।
নিজেকে চ্যালেঞ্জ করুন
অল্প বাজেটেই আড্ডা দেওয়া বা ঘুরতে যাওয়ার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকা গুরুত্বপূর্ণ। হতে পারে বাড়ির ছাদেই আয়োজন করলেন ছোটখাটো পিকনিক বা বসার ঘরকেই বানিয়ে ফেললেন ছোটখাটো থিয়েটার, বন্ধুদের নিয়ে দেখলেন কোনো ছবি। এভাবে বড় আয়োজনগুলোর পরিসর ছোট করে আনুন।
খুচরা পয়সা জমান
বাড়িতে একটি মাটির ব্যাংক থাকলে অনেক সময় টাকা জমানো সহজ হয়। খুচরো টাকাগুলো মানিব্যাগে নিয়ে না ঘুরে মাটির ব্যাংকে জমা রাখুন। এতে বড় নোট ভাঙানোর প্রবণতা কমবে।
 ‘শূন্য খরচের দিন’
সপ্তাহে এক দিন বা দুদিনকে বানান ‘শূন্য খরচের দিন’। অর্থাৎ ওই নির্দিষ্ট দিনে আগে নির্ধারিত বাজেটের বাইরে কোনো টাকা ব্যয় করবেন না। সম্ভব হলে পুরোটা দিন কোনো খরচ না করে কাটান। হেঁটে গন্তব্যে যান। বাড়িতে যা কিছু আছে, তা দিয়েই খাবার বানান।

 

ওজন কমাতে চান? এই ৩ কাজ করুন

আপনি কি নানাভাবে চেষ্টা করেই যাচ্ছেন, কিন্তু ওজন কমছে না? কিছুদিন এক রুটিনে থেকে বিরক্ত হয়ে তা ছেড়ে দিচ্ছেন? যারা ওজন কমাতে চান, তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে মৌলিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন। জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে এক মাসের মধ্যে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ৩ কেজি ওজন কমানো সম্ভব। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
প্রোটিন সমৃদ্ধ সকালের নাস্তায়
প্রোটিন সমৃদ্ধ সকালের নাস্তা দিয়ে দিন শুরু করেন তা সারাদিনের শক্তি জোগাতে কাজ করে। প্রোটিনের কারণে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে, যার ফলে পরে বেশি খাওয়ার ভয় থাকে না। ডিম, টক দই এবং ফলের সঙ্গে প্রোটিন পাউডার মিশিয়ে খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সকালের নাস্তায় প্রোটিন খেলে তা বিপাকীয় কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, একইসঙ্গে শরীরের টিস্যুতে চর্বি ভাঙন ত্বরান্বিত করে। স্বাস্থ্যকর সকালের নাস্তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে যা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকে বিরত রাখে।
পর্যাপ্ত হাইড্রেশন
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে সাহায্য করবে। মানবদেহ তার বিপাকীয় হার বাড়াতে পানি ব্যবহার করে, যার ফলে ক্যালোরি পোড়ানোর দক্ষতা উন্নত হয়। খাবারের আগে এক গ্লাস পানি পান করলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত খাওয়া রোধ করে। হাইড্রেশন ভালো হজম করতে সাহায্য করে এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপ সম্পাদনের জন্য শরীরকে শক্তি সরবরাহ করে। আপনার প্রতিদিনের পানি গ্রহণ ৮ গ্লাসে পৌঁছানো উচিত, অন্যদিকে ক্যালোরি গ্রহণ এড়াতে সমস্ত চিনিযুক্ত পানীয়ের পরিবর্তে কেবল বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত।
নিয়মিত ব্যায়াম
শারীরিক ব্যায়াম ওজন কমানোর জন্য একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে কাজ করে, সেইসঙ্গে সুস্থতা বজায় রাখে। প্রতিদিন ৩০ মিনিটের নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ দীর্ঘ জিম সেশনের প্রয়োজন ছাড়াই ওজন হ্রাস করে। জাম্পিং জ্যাক এবং প্ল্যাঙ্কের মতো ঘরোয়া ব্যায়াম, হাঁটা এবং সাইকেল চালানো, পেশী ভর তৈরি করার সময় ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে। সকালের ব্যায়াম সারা দিন রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম ফাইভজি ফোন এখন বাংলাদেশে

বৈশ্বিক উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করল পোভা ফাইভজি সিরিজ। রাজধানীর উত্তরায় সেন্টারপয়েন্টে টেকনো ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে আয়োজিত গ্র্যান্ড অনুষ্ঠানে সিরিজের তিনটি নতুন মডেল— পোভা ৭ প্রো ফাইভজি, আলট্রা–স্লিম পোভা স্লিম ফাইভজি ও প্রিমিয়াম পোভা কার্ভ ফাইভজি—একসঙ্গে বাজারে আনা হয়।
পোভা ফাইভজি সিরিজ : বর্ন টু বি ইউনিক
টেকনোর নতুন লাইনআপের ট্যাগলাইন “বর্ন টু বি ইউনিক”। প্রতিটি ডিভাইসেই রয়েছে দ্রুতগতির ফাইভজি কানেক্টিভিটি, ইউনিক ডিজাইন ও সর্বাধুনিক এআই পারফরম্যান্স। ফলে শুধু লুকস নয়, পারফরম্যান্সেও স্মার্টফোনগুলো আলাদা অভিজ্ঞতা দেবে।
আইস্মার্টু টেকনোলজি বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন, “বাংলাদেশ যখন ফাইভজি যুগে প্রবেশ করছে, তখন উদ্ভাবনের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করবে এমন ডিভাইস আনতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পোভা ফাইভজি সিরিজের মাধ্যমে আমরা ব্যবহারকারীদের জন্য এআই–নির্ভর বুদ্ধিমত্তা, নেক্সট–লেভেল পারফরম্যান্স ও অনন্য ডিজাইন নিয়ে আসতে চাই, যা স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করবে।”
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি : গেমিং ও এআই–এর সমন্বয়ে পাওয়ারহাউস
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি এসেছে ইন্টারস্টেলার স্পেসশিপ ডিজাইন ও স্ট্যাটাস লাইট ফিচারসহ, যা গেমিং ও নোটিফিকেশনের সময় আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়।
প্রসেসর: ডায়মেনসিটি ৭৩০০ আল্টিমেট ফাইভজি প্রসেসর।
ডিসপ্লে: ৬.৭৮ ইঞ্চির অ্যামোলেড, ১৪৪ হার্জ, ১.৫কে রেজোলিউশন (কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই সুরক্ষিত)।
ব্যাটারি: ৬০০০ এমএএইচ, ৪৫ ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জ, ৩০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জ।
অতিরিক্ত: বক্সে ফ্রি ওয়্যারলেস ম্যাগনেটিক পাওয়ার ব্যাংক।
এছাড়া ফোনটিতে রয়েছে এআই–নির্ভর স্মার্ট ফিচার যেমন এআই রাইটিং, কল অ্যাসিস্ট্যান্ট, সার্কেল টু সার্চ ও এআই স্টুডিও।
পোভা স্লিম ফাইভজি : বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম ৫জি ফোন
টেকনো জানিয়েছে, পোভা স্লিম ফাইভজি হলো বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম থ্রিডি–কার্ভড ফাইভজি স্মার্টফোন, যার পুরুত্ব মাত্র ৫.৯৫ মিমি।
ব্যাটারি: ৫১৬০ এমএএইচ, ৪৫ ওয়াট সুপার চার্জ।
কুলিং সিস্টেম: ২৪,৫৩২ বর্গমিমি কুলিং।
বডি: এয়ারস্পেস–গ্রেড ম্যাটেরিয়াল ও ফাইবারগ্লাস ব্যাক কভার।
অতিরিক্ত ফিচার: মুড লাইট, ৫০ জিবি ক্লাউড স্টোরেজ।
প্রসেসরে রয়েছে ডায়মেনসিটি ৬৪০০ ফাইভজি+, যা ল্যাগ–ফ্রি পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। ফোনটি মিলিটারি–গ্রেড শক রেসিস্ট্যান্স টেস্ট উত্তীর্ণ হওয়ায় টেকসই ও নির্ভরযোগ্য।
পোভা কার্ভ ফাইভজি : গেমারদের জন্য বিশেষ চমক
পোভা কার্ভ ফাইভজি এসেছে স্টাইলিশ ডিজাইন ও শক্তিশালী গেমিং ক্ষমতা নিয়ে।
প্রসেসর: ডায়মেনসিটি ৭৩০০ ফাইভজি প্রসেসর।
গেমিং পারফরম্যান্স: হাইপার গেমিং ইঞ্জিন সহ ৯০ এফপিএস পাবজি।
ডিসপ্লে: ৬.৭৮ ইঞ্চি অ্যামোলেড ১৪৪ হার্জ এফএইচডি+, গরিলা গ্লাস ৭আই।
তিনটি ডিভাইসেই রয়েছে:
নতুন হাইওএস ১৫ স্পেশাল ওএস
২৫৬ জিবি স্টোরেজ ও ১৬ জিবি র‍্যাম (৮+৮ এক্সটেন্ডেড)
উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম
ডলবি অ্যাটমস ডুয়েল স্পিকার
আইপি৬৪ ডাস্ট ও ওয়াটার রেসিস্ট্যান্স
এনএফসি ও আইআর রিমোট কন্ট্রোল
TECNO POVA 5G Price in Bangladesh
পোভা স্লিম ফাইভজি — ২৯,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)
পোভা কার্ভ ফাইভজি — ৩২,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি — ৩৪,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)