Home Blog Page 327

ঘোষিত দলে কেন জায়গা হয়নি নেইমারের, জানালেন আনচেলত্তি

প্রায় দুই বছর ব্রাজিল জাতীয় দলের বাইরে নেইমার। চোট কাটিয়ে লম্বা সময় পর সান্তোসের হয়ে খেলেছেন একাধিক ম্যাচ। পারফরম্যান্সও ছিল বেশ ভালো। ধারণা করা হচ্ছিল, আগামী সেপ্টেম্বরের ফিফা উইন্ডোতে ব্রাজিল দলে দেখা যাবে তাকে। তবে, চিলি ও বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের জন্য ঘোষিত ২৫ সদস্যের স্কোয়াডে নেইমারের নাম রাখেননি ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে আগামী সপ্তাহে চিলি ও বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এরই মধ্যে আগামী বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে ফেলেছে সেলেসাওরা। তবে কোচ আনচেলত্তি এই দুই ম্যাচকে দেখছেন গুরুত্বের চোখে। আর তাই অভিজ্ঞ ও তারুণ্যের মিশেলে শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছেন তিনি।

দল ঘোষণার পর নেইমারের না থাকা নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন ব্রাজিল কোচ। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কোচ জানান, নতুন করে পড়া ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে সময় লাগবে নেইমারের। আর সেজন্যই ঘোষিত দলে জায়গা হয়নি তার।

আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার গত সপ্তাহে একটি হালকা চোট পেয়েছে। আমাদের সামনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে। এ মুহূর্তে শতভাগ ফিট এমন ফুটবলারই আমাদের দরকার। নেইমারের সামর্থ্য নিয়ে কারো সন্দেহ নেই। কিন্তু আমরা তাকে সম্পূর্ণ ফিট অবস্থায় দেখতে চাই যেন সে জাতীয় দলের জন্য তার সর্বোচ্চটা দিতে পারে।‘

ব্রাজিল স্কোয়াড:

গোলরক্ষক: আলিসন, বেন্তো, হুগো সাউজা

রক্ষণভাগ: আলেক্সসান্দ্রো রিবেইরো, অ্যালেক্স সান্দ্রো, কাইও হেনরিক, ডগলাস সান্টোস, ফ্যাব্রিজিও ব্রুনো, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, মারকুইনোস, ভেন্দারসন, ওয়েসলি

মধ্যমাঠ: আন্দ্রে সান্তোস, ব্রুনো গুইমারেস, ক্যাসেমিরো, জোয়েলিনটন, লুকাস পাকুয়েতা

আক্রমণভাগ: এস্তেভাও, গ্যাব্রিয়েল মার্তেনেল্লি, জোয়াও পেদ্রো, কাইও জর্জ, লুইস হেনরিক, ম্যাথেউস কুনহা, রাফিনহা, রিচার্লিসন

দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে মনোযোগ বিএনপির

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি মনে করছে, গত বছরের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তরুণ নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জনগণের সেই আগ্রহ-আকাঙ্ক্ষাকে কীভাবে দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জায়গা দেওয়া যায়, তা নিয়ে ভাবছেন বিএনপির হাইকমান্ড। তাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও জনপ্রত্যাশাকে ধারণ করে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে নির্বাচনে বিতর্কিত কাউকে প্রার্থী করতে চায় না দলটি। এ ক্ষেত্রে ক্লিন ইমেজের অপেক্ষাকৃত তরুণ, সংগঠনের জন্য নিবেদিত, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যুক্ত নন এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলেন—এমন ব্যক্তিদের হাতেই আগামী নেতৃত্বের ঝান্ডা তুলে দেওয়ার চিন্তা করছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে সারা দেশে শতাধিক আসনে তরুণ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে বলে বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা জানিয়েছেন।

দলটির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্রমতে, অতীতে বারবার নির্বাচন করেছেন কিন্তু এলাকায় অজনপ্রিয় হয়ে পড়েছেন এমন নেতারা এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকাসহ যাদের ভাবমূর্তি সংকটে রয়েছে, তাদের ব্যাপারে বিএনপি এবার কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সেক্ষেত্রে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে হেভিওয়েট হিসেবে পরিচিত দুই ডজনেরও বেশি নেতা দলীয় মনোনয়ন নাও পেতে পারেন। তবে কোনো কারণে কাউকে কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলেও বিএনপি সরকার গঠন করলে তাদের মন্ত্রিসভায় রাখা নাও হতে পারে।

বিএনপির নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রসঙ্গে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, ‘দেশ তো এরই মধ্যে নির্বাচনের চ্যানেলে ঢুকে গেছে। সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিএনপি বড় রাজনৈতিক দল, স্বাভাবিকভাবে বিএনপিও তাদের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘মনোনয়নের ব্যাপারটি প্রোগ্রেসিভলি (ক্রমান্বয়ে) হবে। এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই দলীয় একটা প্রসেস (প্রক্রিয়া) আছে, সেটার মধ্য দিয়ে এটি হবে। আর নির্বাচন কমিশন শিডিউল ঘোষণা করলে তখন এটা চূড়ান্ত হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, ‘আজকের প্রেক্ষাপটে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য, সৎ, জনপ্রিয় এবং বিগত দিনগুলোতে আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান, সবকিছু মিলিয়ে যথাসময়ে মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে হওয়ার কথা এরই মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনও (ইসি) নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। এর ফলে রাজনীতির মাঠেও এক ধরনের নির্বাচনী হাওয়া বইছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে মাঠে রয়েছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের মাঠে সক্রিয়। তবে বিএনপি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আসনেই দলীয় প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেনি। যদিও দলের ভেতরে বিচ্ছিন্নভাবে কেউ কেউ ‘গ্রিন সিগন্যাল’ বা সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে দাবি করছেন। কিন্তু সেসব সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত নয় বলে দলীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী কারা হতে পারেন, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে কাজ চলছে। যার অংশ হিসেবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে একাধিক জরিপও করা হয়েছে। কাকে কোথায় প্রার্থী করলে জিতে আসতে পারেন, একই সঙ্গে পজিটিভ ইমেজ (ইতিবাচক ভাবমূর্তি) আছে এবং এলাকায় জনপ্রিয়—এগুলো বিবেচনা করে প্রার্থী চূড়ান্তের চিন্তাভাবনা করছে বিএনপি। ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার আগেই প্রাথমিক বাছাইয়ের কাজ শেষ করবে দলটি। আর ইসি তপশিল ঘোষণার পরপরই বিএনপি তাদের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করবে।

অবশ্য নির্বাচন সামনে রেখে এরই মধ্যে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় আছেন। যারা মনোনয়ন পেতে পারেন অথবা মনোনয়নপ্রত্যাশী, তারা নিজ নিজ এলাকায় জোরদার সাংগঠনিক কার্যক্রম ও গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। দল ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফাকেন্দ্রিক প্রচার চালাচ্ছেন। ঢাকাকেন্দ্রিক নেতারা শুক্র-শনিবার এলেই এলাকামুখী হচ্ছেন। আর যাদের ঢাকাকেন্দ্রিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ কম, তারা এলাকাতেই রয়েছেন। মানুষের মন জয়ে তারা নিজেদের যুক্ত রেখেছেন নানা কর্মকাণ্ডে। কোনো কোনো প্রার্থী বিভিন্নভাবে দলের হাইকমান্ডের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ লন্ডনেও যাচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন পেলে নিজের জয়ের সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন। এ ছাড়া দলের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানোরও চেষ্টা করছেন।

গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচন অত্যন্ত কঠিন হবে বলে মনে করছে বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় বিভিন্ন ফোরাম এবং সাংগঠনিক কর্মসূচিতে একাধিকবার এ কথা বলেছেন। নেতাকর্মীদেরও সেভাবে সতর্ক থাকতে বলেছেন। একই সঙ্গে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের পাশে থেকে তাদের মন জয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। একই সঙ্গে যে কোনো মূল্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও বদ্ধপরিকর তিনি। তাই দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে ৫ আগস্টের পর অপকর্মে সম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দল ও অঙ্গ সংগঠনের চার হাজারের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ শাস্তিমূলক বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে বিএনপি। দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী দিনে মনোনয়ন প্রক্রিয়ায়ও এ ধারা বজায় রাখা হবে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর। বিতর্কিত কাউকেই তিনি প্রার্থী করতে চান না। তারেক রহমান রাজনীতিতে সত্যিকার অর্থে গুণগত পরিবর্তন চান বলে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন। যুগপৎ আন্দোলনের মিত্ররাও আগামী নির্বাচনে প্রধান শরিক বিএনপি থেকে বিতর্কিত কাউকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান না।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সম্প্রতি ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেছেন। সেখানে মিত্রদের আগামীতে যথাযথ মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। তাছাড়া বিএনপির অঙ্গীকার রয়েছে, যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের নিয়ে একসঙ্গে নির্বাচন ও সরকার গঠন করবে। আর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে বিএনপি তাদের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করবে। বিএনপির এই যে লক্ষ্য, তা পূরণে আগামী নির্বাচনে কারা মনোনয়ন পাচ্ছেন, সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দলের ভেতরে বিবেচিত হচ্ছে। এ কারণে বিএনপি এবং দলটির নেতৃত্বাধীন জোটের যারা খুবই সম্ভাবনাময়ী ও তরুণ, অন্যদের সঙ্গে তাদেরও গুরুত্ব দেবে দল।

জানা গেছে, যুগপতের শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আলোচনা করেনি বিএনপি। তবে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার পাশাপাশি যথাসময়ে মিত্রদের সঙ্গেও আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা এবং প্রার্থিতা চূড়ান্ত করবে বিএনপি। অবশ্য আসন বণ্টন চূড়ান্ত না হলেও শরিকদের অনেকেও নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন, গণসংযোগ করছেন। অনেকে ৩১ দফার প্রচারও চালাচ্ছেন।

পার্লামেন্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, এক রাতেই সব পুড়ে ছাই

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের জাতীয় পার্লামেন্ট ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে এক রাতেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পার্লামেন্ট ভবন।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, রাতে লাগা আগুনে পার্লামেন্ট ধ্বংস হয়ে গেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের দমকল বিভাগ জানায়, পার্লামেন্ট ভবনের অর্ধেক অংশ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে এবং বাকি অংশ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

রয়টার্সকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, পার্লামেন্ট ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

বিশ্বের নির্জন দ্বীপসমূহের মধ্যে অবস্থিত এই প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশ মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ। দেশটিতে মোট ৪২ হাজার জনসংখ্যা রয়েছে। তাদের অর্ধেকের বেশি রাজধানী মাজুরোতে বসবাস করেন।

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘কম্প্যাক্ট অব ফ্রি অ্যাসোসিয়েশন’ চুক্তির আওতায় রয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করে এবং দেশটিতে সামরিক প্রবেশাধিকার পায়। এ ছাড়া দেশটি তাইওয়ানকে কূটনৈতিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি হিলডা হেইনের মুখপাত্র এখনো এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি এবং কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।

নতুন একটি নির্বাহী আদেশে সই করলেন ট্রাম্প, থাকছে কঠোর শাস্তি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। আদেশে বলা হয়েছে, মার্কিন জাতীয় পতাকা পোড়ালে এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। বিদেশিরা এ কাজ করলে তাদের ভিসা বাতিল এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ১৯৮৯ সালে রায় দিয়েছিল, পতাকা পোড়ানো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অংশ এবং সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে এটি সুরক্ষিত। কিন্তু ট্রাম্প মনে করছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড তাৎক্ষণিকভাবে ‘আইনবিরোধী কার্যক্রম উসকে দিতে’ পারে।

নির্বাহী আদেশে সইয়ের পর তিনি বলেন, যদি কেউ পতাকা পোড়ায়, তাকে এক বছরের জন্য জেলে যেতে হবে। কোনো আগাম মুক্তি থাকবে না। তখনই মানুষ এ কাজ করা বন্ধ করবে।

আদেশে মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মাত্রায়’ ব্যবস্থা নিতে।

তবে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষাকারী সংগঠনগুলো। তাদের মতে, এটি নাগরিক স্বাধীনতার মূলভিত্তিকে আঘাত করছে এবং নির্বাহী ক্ষমতার সীমা অতিক্রমের চেষ্টা।

সংগঠন ফায়ার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ট্রাম্প হয়তো মনে করছেন, কলমের এক খোঁচায় সংবিধানের প্রথম সংশোধনী বদলে দেওয়া যায়; কিন্তু সেটি তার ক্ষমতার মধ্যে পড়ে না।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, কিছু বিদেশি নাগরিক পতাকা পোড়ানোর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। তবে এর পক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

শরীফুল এম খানকে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক কর্নেল শরীফুল এম খান পদোন্নতি পেয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হয়েছেন। তার এই পদোন্নতিতে অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দূতাবাসের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তাকে এই অভিনন্দন জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফুল এম খানকে অভিনন্দন, যিনি আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ও বাংলাদেশি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের জন্য এক পথিকৃৎ। যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীতে এ পদে উন্নীত হওয়া প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খান মাতৃভূমি রক্ষায় ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা জোরদারে তার নিষ্ঠা ও সেবার স্বাক্ষর।

এর আগে, গত ২০ আগস্ট পেন্টাগনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শরিফুল খান ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত অন্যদের অভিষেক হয়। শরীফুল খানের শপথ পাঠ করান যুক্তরাষ্ট্র স্পেস ফোর্সের ভাইস চিফ অব স্পেস অপারেশন্স জেনারেল শন ব্রাটন।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত এম ওসমান সিদ্দিক। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডলে দেওয়া পোস্টে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সন্তান শরীফুল খান আজ ইতিহাস তৈরি করলেন। মার্কিন সেনাবাহিনীতে এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি-আমেরিকান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত হলেন।’

বর্তমানে ‘গোল্ডেন ডোম ফর আমেরিকার’ স্টাফ ডিরেক্টর পদে দায়িত্ব পালন করবেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফুল খান।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গত ১৩ জুন পদোন্নতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৫৫ জন সামরিক কর্মকর্তাকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত করার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফুল খান ১৯৯৭ সালে ইউনাইটেড স্টেটস এয়ার ফোর্স একাডেমি থেকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পরবর্তী সময়ে তিনি ওয়েবস্টার ইউনিভার্সিটি, ন্যাশনাল ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স কলেজ, স্কুল অব অ্যাডভান্সড এয়ার অ্যান্ড স্পেস স্টাডিজ, নেভাল ওয়ার কলেজ, এমআইটি ও জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়সহ মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাধিক উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফুল খান বেশকিছু সামরিক পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, লেজিয়ন অব মেরিট, ডিফেন্স মেরিটোরিয়াস সার্ভিস মেডেল, মেরিটোরিয়াস সার্ভিস মেডেল, জয়েন্ট সার্ভিস কমেন্ডেশন মেডেল, আর্মড ফোর্সেস এক্সপেডিশনারি মেডেল এবং এয়ার অ্যান্ড স্পেস অ্যাচিভমেন্ট মেডেল।

শাহজালালে ১৩০ কোটি টাকার কোকেন উদ্ধার

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ১৩০ কোটি টাকা মূল্যের কোকেন উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে দোহা থেকে আসা কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট থেকে এ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের উপপরিচালক সোনিয়া আক্তার স্বাক্ষরিক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোহা থেকে ঢাকায় আসা কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ। এ সময় বিমানটিবোর্ডিং ব্রিজে সংযুক্ত হবার সঙ্গে সঙ্গে গোপন সংবাদের তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ফ্লাইটের যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের কর্মকর্তারা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে তার ব্যাগেজসহ কাস্টমসের গ্রীন চ্যানেলে স্ক্যানিং করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ইনভেন্ট্রি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, ইনভেস্ট্রিকালে যাত্রীর এয়ারওয়েজ মেনিফেস্ট, পাসপোর্ট, বোর্ডিং পাস ও লাগেজের সঙ্গে মিলিয়ে প্লাস্টিকের ৩টি জার পাওয়া এবং জারের ভিতরে ২২ (বাইশ) পিস ডিম্বাকৃতির ফয়েল পেপার এ আবন্ধ কোকেইন পাওয়া যায়। ইনভেন্ট্রিকালে এবং প্রাথমিক পরীক্ষাণকালে বিমানবন্দর থানার দুজন এসআইসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কোকেইনের ওজন ৮ দশমিক ৬৬ কেজি। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩০ (একশত ত্রিশ) কোটি টাকা। এ সময় পণ্যসহ যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে চোরাচালানের অভিযোগে ফৌজদারি ও কাস্টমস এ্যাক্ট এর আওতায় বিভাগীয় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

দেশের বাজারে আজ রোববার (২৪ আগস্ট) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ভরিতে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকা। সবশেষ সমন্বয়কৃত দামেই দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।

সর্বশেষ ২৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এদিকে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে সবশেষ গত ২৩ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৭ হাজার ২২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা কার্যকর হয়েছিল আজ ২৪ জুলাই থেকে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮১১ টাকায়।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭২৬ টাকায়।

চলতি বছরে মোট ৪৫ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ২৯ বার, আর কমেছে মাত্র ১৬ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

৬৪ জেলার নেতাকর্মীদের নতুন বার্তা দিল এনসিপি

দেশের ৬৪ জেলার নেতাকর্মীদের কাছে জুলাই পদযাত্রার তথ্য ও ছবি চেয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার (২৪ আগস্ট) এনসিপির প্রচার ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মিরাজ মিয়ার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, এনসিপির প্রচার ও প্রকাশনা সেল দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা নিয়ে শিগগিরই একটি প্রকাশনা বের করতে যাচ্ছে। যেখানে প্রতিটি জেলার পদযাত্রার স্থিরচিত্র, পদযাত্রার অভিজ্ঞতা, পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নাগরিকদের প্রত্যাশা ও অভিব্যক্তিসমূহ, নির্দিষ্ট জেলার নাগরিক সমস্যাসমূহ, জেলাভিত্তিক এনসিপির দায়বদ্ধতা ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরা হবে। তাই ৬৪ জেলার আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেতাকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমরা একটি গুগল ডক দিয়েছি, সেখানে আপনার জেলার পদযাত্রা সম্পর্কিত তথ্যগুলো দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

বিএনপি নেতা আব্দুস সালামের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ডা. কাঁকন

বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক ডেপুটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামকে দেখতে যান দলের সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাঁকন।

শনিবার (২৩ আগস্ট) রাতে হাসপাতালে গিয়ে তিনি আব্দুস সালামের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

ডা. পারভেজ রেজা কাঁকন বলেন, বর্তমানে আব্দুস সালামের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি ও তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দ্রুত রোগমুক্তির জন্য দোয়া কামনা করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. আশরাফুল ইসলাম মানিক, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সহ-সম্পাদক ডা. বাছেদুর রহমান সোহেল, বারডেম ড্যাব এর সভাপতি ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. খান মহিবুল্লাহ আবু সাঈদ, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ডা. মেহেদী হাসান শুভ, ডা. রাসেল হোসেন, ডা. একে এম আহসান হাবিব নাফি।

রাজশাহী বিভাগে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় এনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২১ আগস্ট থেকে তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আবদুস সালাম কিছুদিন ধরে নিউমোনিয়া, ইলেকট্রোলাইড ইমব্যালেন্স, অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড প্রেসার, পিত্তথলির পাথর, ক্রনিক কিডনি রোগে ভুগছেন।

ডিজিটাল ব্যাংক খুলতে লাগবে কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এজন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনের সীমা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১২৫ কোটি টাকা।

রোববার (২৪ আগস্ট) এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা প্রণয়ন করে। সেই নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠার জন্য মূলধন ছিল ১২৫ কোটি টাকা। তবে প্রচলিত ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে এখনো ৫০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। নতুন নিয়মে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী। আর পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশনস-২০১৪-এর অধীনে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য শুধু একটি প্রধান কার্যালয় থাকবে। সেবা প্রদানে কোনো শাখা, উপশাখা, এটিএম বা সিডিএম থাকবে না। গ্রাহকরা পুরোপুরি অ্যাপনির্ভর সেবা পাবেন। অর্থাৎ এই ব্যাংক ‘ওভার দ্য কাউন্টার’ (ওটিসি) কোনো সেবা দেবে না।

ডিজিটাল ব্যাংকের সেবা দিনে ২৪ ঘণ্টাই পাওয়া যাবে। গ্রাহকরা লেনদেনের জন্য ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করতে পারবেন। তবে প্লাস্টিক কার্ড দেওয়া হবে না। গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম ও এজেন্ট ব্যবহার করে সেবা নিতে পারবেন।

ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম থাকছে। কোনো ডিজিটাল ব্যাংক ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না এবং বড় ও মাঝারি শিল্পে ঋণ দেওয়ার সুযোগও থাকবে না। শুধু ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া যাবে। এ ছাড়া লাইসেন্স পাওয়ার পর পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনতে হবে। আইপিওর পরিমাণ অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমান হতে হবে।

বিশ্বজুড়ে এখন ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের দিকে ঝুঁকছে নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলো। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান ২০২২ সালে ডিজিটাল ব্যাংক চালু করেছে। বাংলাদেশও একই ধারায় এগোতে যাচ্ছে।