Home Blog Page 326

অন্তর্বর্তী সরকার নিঃসন্দেহে নিরপেক্ষ সরকার : রিজভী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিঃসন্দেহে একটি নিরপেক্ষ সরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আজ রোববার (২৪ আগস্ট) নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে জিয়া পরিষদ আয়োজিত রিকশা ও ভ্যান চালকদের মধ্যে রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার চাওয়া নিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা কতখানি দ্বিচারী হতে পারেন, যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জ্বালাও-পড়াও ও ধ্বংসাত্মক আন্দোলন করে ক্ষমতায় এসে নিজেই সেই ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়েছেন। এই হচ্ছে শেখ হাসিনা, যার কোনো ওয়াদা, অঙ্গীকার নেই।

বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে মানুষের অনেক দাবি-দাওয়া। আমাদের প্রত্যাশা শান্তি, স্বস্তি থাকবো। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হচ্ছে আদালত, সেখানে ন্যায় বিচার পাবে। সরকারের আন্তরিকতা কম সেটা বলবো না। আজকে আর্থিক ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতি অনেক কমে আসছে। জিনিসপত্রের দাম এখনো কমছে না, কর্মসংস্থান হচ্ছে না। একের পর এক কল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কর্মসংস্থান না থাকলে দুর্ভিক্ষের আলামত তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, আপনাদের উপদেষ্টা হাঁসের মাংস যে কোনো জায়গায় খেতে পারবে, কিন্তু জনগণ তো হাঁসের মাংস খেতে পারবে না।

কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রচেষ্টা সরকারকে নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন রিজভী। তিনি বলেন, মানুষ বেকার থাকলে দুর্ভিক্ষের পতন ধ্বনি শোনা যাবে।

সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, জুলাই সদনের জন্য সুপারিশ আসবে, কিন্তু সেটার জন্য আইন ও সংবিধান সংশোধন করতে হয় তা নির্বাচিত সংসদ করবে। একটি রাজনৈতিক দল বলছেন, আগেই গণভোট দিতে হবে, কেন? যদি মূল নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন করতে হয়, মূল নীতিমালা অখণ্ড বিষয়, সেটা সংশোধন করা যায়, তবে সেটা করবে সংসদ। কিন্তু শেখ হাসিনার মতো যদি হয়, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আমার মতের মিল হয়নি, তাই তাকে গোয়েন্দা সংস্থার লোক পাঠিয়ে পিস্তল ঠেকিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। ওই ধরনের বৈশিষ্ট্য এবং আলামত এখন কেন থাকবে? যেই নিয়ম শেখ হাসিনা ভেঙেছে, সেটা তো আবার চালু করতে পারি না।

রিজভী আরও বলেন, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করুন, তারা দেশের এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে সংবিধান সংশোধন করতে হলে করবে। সেটা তাদের দায়িত্ব। কিন্তু আগে সেটা মানতে হবে, করতে হবে? যেসব সংস্কারে সব ঐকমত্য হয়েছে তার একটা সুপারিশ থাকবে, সেটা নির্বাচিত সংসদ সংশোধন করবে, আইনি ভিত্তি দেবে। সেটা না করে আগেই তালগাছ আমার বলে চিৎকার করতে থাকি..।

ফ্যাসিবাদী শক্তি প্রশাসনে এখনও ঘাপটি মেরে বসে আছে, তারা সুযোগ পেলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও জনগণের বিরুদ্ধে কাজ করবে। আজকে সবাই বলছে, ফ্যাসিবাদী শক্তি সচিবালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় বসে আছে, তারা বিভ্রান্তি তৈরি করার জন্য কাজ করছেন।

রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠানে জিয়া পরিষদের ভাইস- চেয়ারম্যান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, জিয়া পরিষদের মহাসচিব প্রফেসর ড.এমতাজ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহিল মাসুদ, কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলাম এনাম, প্রকৌশলী মো. শরীফুজ্জামান খান শরীফ, প্রফেসর ড. মো. নেসার উদ্দিন তালুকদার প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব নূরনবী খান, শেরেবাংলা থানা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর রেজা, সহসভাপতি এস এম কবির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবুল কালাম আজাদসহ জিয়া পরিষদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নেতা।

যে কারণে জাতীয় দলে সোহান ও সাইফ

নুরুল হাসান সোহানের জাতীয় দলে কামব্যাকের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই। কিন্তু নির্বাচকরা একটু সময় নিয়েছেন। কেন সে সময় নিয়েছেন, সেটি এবার পরিষ্কার করলেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। এশিয়া কাপের দলে সাইফ হাসানকে নেওয়ার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। গতকাল (শনিবার) মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু সোহানের বিষয়ে বলেন, ‘প্রতিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিন্তু একটা প্রক্রিয়া থাকে, প্রসেস থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের তরফ থেকে ডিপ ড্রাইভ থিংকিংও থাকে। কোনো সময় হয়তো হয় আমরা দলে নিই না ফর গ্রেটার ইন্টারেস্ট। সোহানকে নিয়ে অনেক আলোচনা ছিল শ্রীলঙ্কা সফরের সময় টি-টোয়েন্টি দলে। আমরা তখন ভেবেছি দলের যে ফরমেশন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রথম একাদশে খেলার সম্ভাবনা খুব কম। খুব খুব কম।’
অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৬টি ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে নেতৃত্ব দেন সোহান। তার আগে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন গ্লোবাল সুপার লিগ। তাকে এই সুযোগটাই দিতে চেয়েছিলেন নির্বাচকরা।
গাজী আশরাফ বলেন, ‘ওই সময় আমাদের কাছে যেটা মনে হয়েছে, সে যদি প্রস্তুতির জন্য গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে…আমরা জানতাম সে ‘এ’ দলের হয়ে ডারউইনে খেলতে যাবে। তো তারও একটা প্রস্তুতি হয়ে যায়। ১০ ম্যাচের মতো খেলা হয়ে যায় এশিয়া কাপের মতো প্ল্যাটফর্মে আসার আগে। সেজন্য আমরা বলেছিলাম সে আমাদের খুব কাছের নজরে আছে। আমরা হয়তো তাকে আন্তর্জাতিক লেভেলের এক্সপোজার দিতে পারিনি। কিন্তু পরেই যে ধাপ, তার সঙ্গে আরও অনেকে সুযোগ পেয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার। প্রতিদ্বন্দ্বিতার আমেজ, চ্যালেঞ্জ, পারফর্ম কীভাবে করবে, কীভাবে ভালো করবে এসব। কেউ ভালো না করলে কী করলে পারফরম্যান্সটা প্রত্যাশিত জায়গায় নিতে পারে এসব।’ সাইফ হাসানকে দলে নেওয়ার প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘কোচ-অধিনায়ক, নির্বাচক মণ্ডলী, আমরা অনেক আলোচনা করেছি। উপরের দিকে একটা ক্রুশাল শর্ট অব বোলার দরকার ছিল। এক ওভার দুই ওভারের একটা পারপাস তিনি এড্রেস করতে পারবেন। নম্বর তিন-চার এবং যদি ওপেনার দরকার হয়, সে আলোকে সাইফের দিকে চোখ ছিল। এবার তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নম্বর চারে খেলার মতো ভালো ব্যাটার, একইসঙ্গে প্রয়োজনে তিনি উপরেও যদি কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় ওপেন করার সক্ষমতা রাখেন। আমরা এরকম মাল্টিপল প্লেসে এড্রেস করার মতো প্লেয়ার খুঁজছি।’

সিনেমার গান করবেন না প্রিন্স মাহমুদ

দেশের প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার প্রিন্স মাহমুদ। সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তিনি। সেখানে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আর সিনেমার গান করবেন না। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বড় বাজেটের চলচ্চিত্রের গান ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। সেগুলো এমন প্রস্তাব ছিল যা অনেকের জন্য কল্পনারও বাইরে বলে দাবি করেন তিনি। তবু সেসব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন এই গীতিকার।
নিজের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রিন্স লেখেন, ‘অনেকগুলো সিনেমার কাজ ফিরিয়ে দিয়েছি। এমনও একজনকে না বলেছি যাকে কেউ ফিরায় না। এমন একজন আছেন যার সঙ্গে দেখা করতেও মানুষ অপেক্ষা করে থাকে। ফোন পাওয়াটা দূরের কথা। কিন্তু আমি যাইনি।’
তিনি বলেন, অনেক প্রত্যাশা নিয়ে শ্রম ও মেধা খরচ করে গান করেন তিনি। কিন্তু সিনেমায় গান করার পর সেগুলো হয়ে যায় নায়ক বা পরিচালকের গান। সেখানে গীতিকবি বা সুরকার হিসেবে নিজের পরিচয়টা থাকে না। এটাকে যৌক্তিক মনে করেন না প্রিন্স মাহমুদ। অনেক সময় সিনেমার গানে নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী শ্রম ও মেধা দেওয়ার সুযোগ থাকে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আর এসব কারণেই সিনেমার গান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
‘সিনেমায় আসলে আমার নতুন কিছু দেওয়ার নেই। যে যা-ই বলুক, সিনেমার গান হয় মূলত নায়ক কিংবা পরিচালকের ভাবনা থেকে। সেখানে আমার নিজস্বতা থাকে না। অকারণে ক্রেডিট নেওয়ার কোনো মানে হয় না’- দাবি প্রিন্স মাহমুদের।
সিনেমা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার কথা বললেও প্রিন্স মাহমুদ জানিয়েছেন, তিনি থাকবেন শুধু অডিও গানের জগতে। সেখানে তিনি নিজের সৃষ্টিশীলতা ও মনের কথা গানের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন। তাই এই আঙিনায়ই থেকে যাবেন আমৃত্যু।
তিনি লেখেন, ‘আমি কেবল অডিও গানের মাঝেই থাকব। যেখানে থাকবে ‘মা’, ‘এত কষ্ট কেন ভালবাসায়’, ‘আজ জন্মদিন তোমার’, ‘বাবা’, ‘বাংলাদেশ (আমার সোনার বাংলা)’, ‘যদি হিমালয় হয়ে’, ‘তুমি বরুণা হলে মাটি হব মাটি’, ‘কেন কর কান্না কাটি’, তাহসানের ‘আমার ছিপ নৌকোয় এসো’, তপুর ‘সোনার মেয়ে’, তুহিনের ‘আলো’ বা মিনারের ‘একাকিত্বের কোনো মানে নেই’-এর মতো গান।’
এই পোস্টে তার ভক্তরা যেমন আবেগাপ্লুত হয়েছেন তেমনি অনেকেই মনে করছেন এটি হয়তো একটি অধ্যায়ের অবসান।

মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে অপসারণের নির্দেশ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর লিসা কুককে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কুকের বিরুদ্ধে বন্ধকী ঋণের নথিতে ভুয়া তথ্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য লিসা কুককে তৎক্ষণাৎ পদ থেকে অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে তার চলমান বিরোধে এটিকে বড় ধরনের উত্তেজনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার রাতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প কুককে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন। তাতে তিনি জানান, কুকের বিরুদ্ধে বন্ধকী ঋণের নথিতে ভুয়া তথ্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি তাকে অবিলম্বে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে কুক কিংবা ফেডারেল রিজার্ভ কেউই এখনও মন্তব্য করেনি।

বিবিসি বলছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প বারবার ফেডের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন— বিশেষ করে এর প্রধান জেরোম পাওয়েলকে লক্ষ্য করে। তার অভিযোগ, সুদের হার কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনীহা দেখাচ্ছে। এমনকি তিনি একাধিকবার পাওয়েলকে বরখাস্ত করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।

তবে কুককে অপসারণের পদক্ষেপটি নজিরবিহীন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১১১ বছরের ইতিহাসে ফেড বোর্ডের কোনো সদস্যকে এভাবে পদচ্যুত করা হয়নি। তিনি ছিলেন সাত সদস্যের মধ্যে একজন এবং এই পদে থাকা প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নারী।

এই পদক্ষেপের বিষয়ে আইনি প্রশ্নও উঠতে পারে, কারণ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন হোয়াইট হাউসকে আদালতে প্রমাণ করতে হতে পারে যে, অপসারণের যথেষ্ট কারণ ছিল।

ট্রাম্পের চিঠিতে বলা হয়, কুক মিশিগানে একটি বাড়িকে নিজের প্রধান আবাস হিসেবে দেখিয়ে নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। মাত্র দুই সপ্তাহ পর জর্জিয়ার আরেকটি সম্পত্তির জন্যও একই ঘোষণা দিয়ে নথি জমা দেন তিনি।

ট্রাম্প লেখেন, “প্রথম প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর দ্বিতীয় নথি স্বাক্ষরের সময় আপনি তা জানতেন না, এটা বিশ্বাস করা কঠিন।”

গত সপ্তাহেই ট্রাম্প তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানান। এ অভিযোগ প্রথমে তোলেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং হাউজিং ফাইন্যান্স নিয়ন্ত্রক বিল পুলটে। তিনি এটিকে ‘অপরাধমূলক রেফারেল’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডিকে চিঠি পাঠান এবং ন্যায়বিচার বিভাগকে তদন্তের আহ্বান জানান। তবে তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

কাল থেকে ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

আগামীকাল থেকে ভারতের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের হার দাঁড়াবে ৫০ শতাংশে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশের মধ্য দিয়ে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের মাধ্যমে এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত নোটিশ জারি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এখনো রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি করে যাওয়ার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যেসব দেশ রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রেখেছে, তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করাটাই হলো এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

চলতি বছরের আগস্টের শুরুতে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক হার আরোপ করেছিলেন, পরে তা আরও বাড়ানো হয়।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে “অনুপযুক্ত, উসকানিমূলক ও অযৌক্তিক” বলেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এদিকে, চীনের ওপর সর্বোচ্চ ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বেশি পরিমাণে ম্যাগনেট সরবরাহ করতে হবে চীনের। তা না হলে কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্প বলেন, আমরা আমাদের শিল্পকে সুরক্ষা দেবো। যদি চীন যথেষ্ট ম্যাগনেট না দেয়, তবে তাদের পণ্যে ২০০ শতাংশ কিংবা তারও বেশি শুল্ক বসবে।

শপথ নিলেন হাইকোর্টের নবনিযুক্ত ২৫ বিচারপতি

সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ২৫ বিচারপতি শপথ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচার) মোয়াজ্জেম হোসাইন।

শপথ নেওয়া ২৫ বিচারপতি হলেন- সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম (শাহীন), আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাজিউদ্দিন আহমেদ ও ফয়সাল হাসান আরিফ, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম সাইফুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আসিফ হাসান ও মো. জিয়াউল হক, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দিহিদার মাসুম কবীর, হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সচিব মুরাদ–এ–মাওলা সোহেল, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন, সলিসিটর (সিনিয়র জেলা জজ) মো. রাফিজুল ইসলাম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনজুর আলম, মো. লুৎফর রহমান ও রেজাউল করিম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাতেমা আনোয়ার, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান, সৈয়দ হাসান যুবাইর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ এম সাইফুল করিম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উর্মি রহমান এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ।

এর আগে সোমবার (২৫ আগস্ট) রাতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে ২৫ জনকে নিয়োগ দেয় সরকার। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। গতকাল রাতভর ভোগান্তির পর মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে শিমরাইল থেকে দাউদকান্দি পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট দেখা দিলেও দুপুরের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রাতে মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে দুর্ঘটনা ও যানবাহনের চাপ বাড়ায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দুপুরের পর মহাসড়কে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এতে গন্তব্যমুখী মানুষ স্বস্তিতে ফিরেছে। তবে যাত্রীরা বলছেন, মহাসড়কে এ ধরনের পরিস্থিতি ঘন ঘন তৈরি হওয়ায় ভ্রমণ পরিকল্পনা নষ্ট হয় এবং সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছানো নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়।

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, রাত থেকে সকাল পর্যন্ত যানজট ছিল। দুর্ঘটনা এবং ট্রাক বিকল হয়ে পড়ায় চাপ বেড়ে যায়। তবে এখন মহাসড়কের সবগুলো লেন সচল রয়েছে। যাত্রীদের যেন আর ভোগান্তি না হয়, সে জন্য আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি।

কেউ ছাই দেওয়া হাত থেকে বের হতে পারবে না : উপদেষ্টা বশিরউদ্দীন

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বিমান টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতারণা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা চিন্তা করছি, সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত ট্রাভেল এজেন্টগুলোর ট্যাক্স ফাইল ধরে টান দেওয়া হবে। কেউ এই ছাই দেওয়া হাত থেকে বের হতে পারবে না।

সোমবার (২৫ আগস্ট) এয়ার টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ, নিরাপদ সমুদ্র পর্যটন নিশ্চিতে গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, আমাদের নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্টের এজেন্সির সংখ্যা পাঁচ হাজার। জানা মতে, অনিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্ট আছে প্রায় ২০ হাজারের বেশি। পান দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় এরা সবাই মিলে একটা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে।

তিনি বলেন, ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে টিকিটের গায়ে মূল্য লেখার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানছে না। শুধু অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সি নয়, অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রেও মারাত্মক দুর্বৃত্তায়ন আছে। দেশের টিকিট বিদেশ থেকে বিক্রি হচ্ছে।

উপদেষ্টা বলেন, ফ্লাইট এক্সপার্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পর তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। টিকিটের মূল্য নির্ধারণ সাধারণত চাহিদা ও সময়ের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী উদ্দেশ্যমূলকভাবে টিকিটের সংকট তৈরি করে ভোক্তার কাছে থেকে বাড়তি মূল্য আদায় করে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমানে বিমানবন্দরে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। সংখ্যা আরও একজন বাড়ানো হবে। ম্যাজিস্ট্রেটদের কিছু সুনির্দিষ্ট গন্তব্য বলে দেওয়া হয়েছে। এসব জায়গায় নৈরাজ্য সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিন একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইন পরিপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা হবে।

আজকে স্বর্ণের বাজার দর

দেশের বাজারে আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ভরিতে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকা। সবশেষ সমন্বয়কৃত দামেই দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।

সর্বশেষ ২৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এদিকে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে সবশেষ গত ২৩ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৭ হাজার ২২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা কার্যকর হয়েছিল আজ ২৪ জুলাই থেকে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮১১ টাকায়।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭২৬ টাকায়।

চলতি বছরে মোট ৪৫ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ২৯ বার, আর কমেছে মাত্র ১৬ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

টেস্ট থেকে হুট করে অবসরের মূল কারণ জানালেন রোহিত

ইংল্যান্ড সফরের আগে হুট করেই টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানান রোহিত শর্মা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তায় অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। তখন থেকে বিষয়টি নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

অবশেষে সোমবার একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে অবসরের বিষয়ে মুখ খুলেছেন রোহিত। সরাসরি না বললেও ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন কেন হুট করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক জানান, শরীর আর টেস্ট ফরম্যাটের চাপ নিতে পারছিল না। তাই নিজে থেকেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘টেস্ট ফরম্যাটের জন্য আলাদা করে প্রস্তুতি নিতে হয়। কারণ খেলাটা দীর্ঘমেয়াদি। টেস্টে আপনাকে পাঁচ দিন টিকে থাকতেই হবে। মানসিকভাবে সেটা খুব চাপের। শরীর বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। তবে এটাও ঠিক, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেই সবাই বড় হয়।’

আক্ষেপের সুরে রোহিত জানান, ভারতের তরুণ ক্রিকেটারেরা এখন প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় না। তবে একটা সময় তারা ঠিকই বুঝতে পারে, আগে থেকে নিজেকে তৈরি করার দরকার ছিল। এ প্রসঙ্গে রোহিত শর্মা বলেন, ‘আমি ক্রিকেট শুরু করার সময় খুব মজা করতাম। তারপর বয়সভিত্তিক ক্রিকেট খেলেছি। ধীরে ধীরে সিনিয়র ক্রিকেটার এবং কোচেদের মুখোমুখি হয়েছি। বুঝতে শিখেছি কীভাবে সঠিক প্রস্তুতি দরকার।’

ক্রিকেটে ভালো করতে হলে অনুশীলনের বিকল্প নেই। রোহিতও মানেন সেটি। নিজের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এমন অনেক কাজ করতে হয় যা চোখের সামনে দেখা যায় না। প্রস্তুতি সে রকমই একটা জিনিস। বারবার একই কাজ করতে হয়। কারণ ওখান থেকেই সব শুরু। মাঠে লম্বা সময় ধরে টিকে থাকার জন্য নিজেকে তৈরি করতে হয়। আমি ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলার সময়েও অনেকটা সময় দিয়েছি নিজেকে তৈরি করার জন্য।’