Home Blog Page 328

ওজন কমাতে চান? এই ৩ কাজ করুন

আপনি কি নানাভাবে চেষ্টা করেই যাচ্ছেন, কিন্তু ওজন কমছে না? কিছুদিন এক রুটিনে থেকে বিরক্ত হয়ে তা ছেড়ে দিচ্ছেন? যারা ওজন কমাতে চান, তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে মৌলিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন। জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে এক মাসের মধ্যে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ৩ কেজি ওজন কমানো সম্ভব। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
প্রোটিন সমৃদ্ধ সকালের নাস্তায়
প্রোটিন সমৃদ্ধ সকালের নাস্তা দিয়ে দিন শুরু করেন তা সারাদিনের শক্তি জোগাতে কাজ করে। প্রোটিনের কারণে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে, যার ফলে পরে বেশি খাওয়ার ভয় থাকে না। ডিম, টক দই এবং ফলের সঙ্গে প্রোটিন পাউডার মিশিয়ে খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সকালের নাস্তায় প্রোটিন খেলে তা বিপাকীয় কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, একইসঙ্গে শরীরের টিস্যুতে চর্বি ভাঙন ত্বরান্বিত করে। স্বাস্থ্যকর সকালের নাস্তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে যা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকে বিরত রাখে।
পর্যাপ্ত হাইড্রেশন
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে সাহায্য করবে। মানবদেহ তার বিপাকীয় হার বাড়াতে পানি ব্যবহার করে, যার ফলে ক্যালোরি পোড়ানোর দক্ষতা উন্নত হয়। খাবারের আগে এক গ্লাস পানি পান করলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত খাওয়া রোধ করে। হাইড্রেশন ভালো হজম করতে সাহায্য করে এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপ সম্পাদনের জন্য শরীরকে শক্তি সরবরাহ করে। আপনার প্রতিদিনের পানি গ্রহণ ৮ গ্লাসে পৌঁছানো উচিত, অন্যদিকে ক্যালোরি গ্রহণ এড়াতে সমস্ত চিনিযুক্ত পানীয়ের পরিবর্তে কেবল বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত।
নিয়মিত ব্যায়াম
শারীরিক ব্যায়াম ওজন কমানোর জন্য একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে কাজ করে, সেইসঙ্গে সুস্থতা বজায় রাখে। প্রতিদিন ৩০ মিনিটের নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ দীর্ঘ জিম সেশনের প্রয়োজন ছাড়াই ওজন হ্রাস করে। জাম্পিং জ্যাক এবং প্ল্যাঙ্কের মতো ঘরোয়া ব্যায়াম, হাঁটা এবং সাইকেল চালানো, পেশী ভর তৈরি করার সময় ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে। সকালের ব্যায়াম সারা দিন রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম ফাইভজি ফোন এখন বাংলাদেশে

বৈশ্বিক উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করল পোভা ফাইভজি সিরিজ। রাজধানীর উত্তরায় সেন্টারপয়েন্টে টেকনো ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে আয়োজিত গ্র্যান্ড অনুষ্ঠানে সিরিজের তিনটি নতুন মডেল— পোভা ৭ প্রো ফাইভজি, আলট্রা–স্লিম পোভা স্লিম ফাইভজি ও প্রিমিয়াম পোভা কার্ভ ফাইভজি—একসঙ্গে বাজারে আনা হয়।
পোভা ফাইভজি সিরিজ : বর্ন টু বি ইউনিক
টেকনোর নতুন লাইনআপের ট্যাগলাইন “বর্ন টু বি ইউনিক”। প্রতিটি ডিভাইসেই রয়েছে দ্রুতগতির ফাইভজি কানেক্টিভিটি, ইউনিক ডিজাইন ও সর্বাধুনিক এআই পারফরম্যান্স। ফলে শুধু লুকস নয়, পারফরম্যান্সেও স্মার্টফোনগুলো আলাদা অভিজ্ঞতা দেবে।
আইস্মার্টু টেকনোলজি বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন, “বাংলাদেশ যখন ফাইভজি যুগে প্রবেশ করছে, তখন উদ্ভাবনের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করবে এমন ডিভাইস আনতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পোভা ফাইভজি সিরিজের মাধ্যমে আমরা ব্যবহারকারীদের জন্য এআই–নির্ভর বুদ্ধিমত্তা, নেক্সট–লেভেল পারফরম্যান্স ও অনন্য ডিজাইন নিয়ে আসতে চাই, যা স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করবে।”
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি : গেমিং ও এআই–এর সমন্বয়ে পাওয়ারহাউস
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি এসেছে ইন্টারস্টেলার স্পেসশিপ ডিজাইন ও স্ট্যাটাস লাইট ফিচারসহ, যা গেমিং ও নোটিফিকেশনের সময় আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়।
প্রসেসর: ডায়মেনসিটি ৭৩০০ আল্টিমেট ফাইভজি প্রসেসর।
ডিসপ্লে: ৬.৭৮ ইঞ্চির অ্যামোলেড, ১৪৪ হার্জ, ১.৫কে রেজোলিউশন (কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই সুরক্ষিত)।
ব্যাটারি: ৬০০০ এমএএইচ, ৪৫ ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জ, ৩০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জ।
অতিরিক্ত: বক্সে ফ্রি ওয়্যারলেস ম্যাগনেটিক পাওয়ার ব্যাংক।
এছাড়া ফোনটিতে রয়েছে এআই–নির্ভর স্মার্ট ফিচার যেমন এআই রাইটিং, কল অ্যাসিস্ট্যান্ট, সার্কেল টু সার্চ ও এআই স্টুডিও।
পোভা স্লিম ফাইভজি : বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম ৫জি ফোন
টেকনো জানিয়েছে, পোভা স্লিম ফাইভজি হলো বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম থ্রিডি–কার্ভড ফাইভজি স্মার্টফোন, যার পুরুত্ব মাত্র ৫.৯৫ মিমি।
ব্যাটারি: ৫১৬০ এমএএইচ, ৪৫ ওয়াট সুপার চার্জ।
কুলিং সিস্টেম: ২৪,৫৩২ বর্গমিমি কুলিং।
বডি: এয়ারস্পেস–গ্রেড ম্যাটেরিয়াল ও ফাইবারগ্লাস ব্যাক কভার।
অতিরিক্ত ফিচার: মুড লাইট, ৫০ জিবি ক্লাউড স্টোরেজ।
প্রসেসরে রয়েছে ডায়মেনসিটি ৬৪০০ ফাইভজি+, যা ল্যাগ–ফ্রি পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। ফোনটি মিলিটারি–গ্রেড শক রেসিস্ট্যান্স টেস্ট উত্তীর্ণ হওয়ায় টেকসই ও নির্ভরযোগ্য।
পোভা কার্ভ ফাইভজি : গেমারদের জন্য বিশেষ চমক
পোভা কার্ভ ফাইভজি এসেছে স্টাইলিশ ডিজাইন ও শক্তিশালী গেমিং ক্ষমতা নিয়ে।
প্রসেসর: ডায়মেনসিটি ৭৩০০ ফাইভজি প্রসেসর।
গেমিং পারফরম্যান্স: হাইপার গেমিং ইঞ্জিন সহ ৯০ এফপিএস পাবজি।
ডিসপ্লে: ৬.৭৮ ইঞ্চি অ্যামোলেড ১৪৪ হার্জ এফএইচডি+, গরিলা গ্লাস ৭আই।
তিনটি ডিভাইসেই রয়েছে:
নতুন হাইওএস ১৫ স্পেশাল ওএস
২৫৬ জিবি স্টোরেজ ও ১৬ জিবি র‍্যাম (৮+৮ এক্সটেন্ডেড)
উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম
ডলবি অ্যাটমস ডুয়েল স্পিকার
আইপি৬৪ ডাস্ট ও ওয়াটার রেসিস্ট্যান্স
এনএফসি ও আইআর রিমোট কন্ট্রোল
TECNO POVA 5G Price in Bangladesh
পোভা স্লিম ফাইভজি — ২৯,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)
পোভা কার্ভ ফাইভজি — ৩২,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি — ৩৪,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)

 

প্রথমবারের মতো বিলিয়নিয়ার ক্লাবে শাহরুখ খান

০
বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান এবার প্রথমবারের মতো বিলিয়নিয়ার ক্লাবে যোগ দিয়েছেন। হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট ২০২৫ অনুযায়ী, তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার। খবর বিবিসি’র।
৫৯ বছর বয়সী শাহরুখকে এবার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী সেলিব্রিটিদের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। এই তালিকায় আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার, গায়িকা রিহানা, গলফার টাইগার উডস এবং গায়িকা টেইলর সুইফটও আছেন।
বলিউডের ‘রোমান্স কিং’ হিসেবে খ্যাত শাহরুখ খান তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্দি সিনেমায় কাজ করছেন। অভিনেতা থেকে প্রযোজনা সংস্থার মালিক এবং ক্রিকেট দলের মালিক হওয়া পর্যন্ত তিনি নিজেকে অনেকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
হুরুন ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা আনাস রহমান জুনায়েদ জানিয়েছেন, ‘শাহরুখের বিলিয়নিয়ার হওয়ার মূল কারণ হলো তার প্রযোজনা সংস্থা রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট এবং আইপিএল ক্রিকেট দল নাইট রাইডারসের মালিকানা।’ এছাড়া চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন ও বিশ্বজুড়ে সম্পত্তিতে বিনিয়োগও তার আয়ের প্রধান উৎস।
তালিকায় আরও রয়েছেন অভিনেত্রী জুহি চাওলা, অভিনেতা হৃত্বিক রোশন ও অমিতাভ বচ্চন এবং চলচ্চিত্র পরিচালক করণ জোহর। জুহি চাওলা ও তার পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৮৮০ মিলিয়ন ডলার। হৃত্বিক রোশন ২৬০ মিলিয়ন, করণ জোহর প্রায় ২০০ মিলিয়ন, আর অমিতাভ বচ্চন ও তার পরিবারের সম্পদ প্রায় ১৮৩ মিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক।
শাহরুখ খানের বিলিয়নিয়ার হওয়া ভারতের অর্থনীতির নতুন ধারা প্রতিফলিত করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন বিনিয়োগ ও সেলিব্রিটি-নির্ভর ব্যবসা ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকা শক্তি।
শাহরুখ খানের এ সফলতা প্রমাণ করে, কেবল অভিনয় নয়, সৃজনশীল উদ্যোগ ও ব্যবসায়ও বড় সম্পদ গড়ার পথ খুলে দেয়।
হুরুন ইন্ডিয়ার হিসাব অনুযায়ী, ভারতের মোট ধনীর সংখ্যা এবার ৩৫০-এর বেশি ছাড়িয়েছে। শীর্ষ দুই স্থানে অবস্থান ধরে রেখেছেন ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানি।

আবেদনময়ী লুকে নুসরাত ফারিয়া বললেন, ‘চোখের জন্য খুব বেশি হয়ে গেল?

০
তপ্ত রোদে সমুদ্র পাড়ে সাহসী রূপে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। অভিনেত্রীর এ লুক নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। তার রুপের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগীরাও। নিজের আবেদনময়ী ছবি দিয়ে পোস্টের ক্যাপশনে ফারিয়া এক ভিন্ন বার্তাও দিলেন।
ঢালিউডের অন্যতম দাপুটে নায়িকা নুসরাত ফারিয়া সিনেমার পর্দার ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সরব। নিয়মিতই নিজের বিভিন্ন লুক ও মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ভক্তদের জন্য সমুদ্রপাড় থেকে শেয়ার করলেন কিছু ছবি। কালো রঙের বিকিনি ও স্কার্ট-স্টাইল আউটফিটে ধরা দিলেন।
সমুদ্রের পানিতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তোলা ছবিগুলোতে তাকে দেখা যায় বেশ সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিমায়। ছবিগুলোর ক্যাপশনে নায়িকা লিখেছেন— ‘চোখের জন্য খুব বেশি হয়ে গেল? তাহলে স্ক্রল করো প্রিয়’। অর্থাৎ, যারা নুসরাতের এই অবতারে অস্বস্তি বোধ করছেন, তাদের জন্য স্ক্রল করে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শই যেন দিলেন তিনি।
এদিকে নুসরাত ফারিয়ার ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। মুহূর্তের মধ্যে লাইক-কমেন্টে ভরে যায় ফারিয়ার পোস্ট। অনেকেই তার ফিটনেস ও স্টাইলের প্রশংসা করেছেন, কেউ আবার মন্তব্য করেছেন তার সাহসী রূপ নিয়ে। এক অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, ‘কালো রঙটি সত্যিই চিত্তাকর্ষক। প্রতিটি ছবিতে তোমার আত্মবিশ্বাস আমার খুব ভালো লাগে, এটা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক!’ কারো মন্তব্য, ‘বাহ! তুমি অসাধারণ!’
এর ফাঁকেই একেকদিন একেক সাজে ভক্তদের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। কখনো ওয়েস্টার্ন, কখনো ফিউশন লুকে, আবার কখনো একেবারেই ক্যাজুয়াল ভঙ্গিমায়। প্রতিবারের মতো এবারও তার নতুন লুক ভক্তদের মধ্যে আলাদা করে সাড়া ফেলছে।

‘রাতের ভোটকেও হার মানিয়ে ফেলেছে বিসিবি নির্বাচন’

০
আগামীকাল ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন। তবে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই নাটকীয় হচ্ছে পরিস্থিতি। ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গন। তামিম ইকবালসহ হেভিওয়েট ১৭ জন প্রার্থী এখন পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
এরই মাঝে শনিবার তিন দফা দাবি জানিয়েছে বিসিবি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা ক্রীড়া সংগঠকরা। এবার সেই তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছে ঢাকার ৪৮টি ক্রিকেট ক্লাবের সংগঠকরা।
এদিকে নির্বাচন বর্জন করাদের তালিকায় যোগ হয়েছে আরও একটি নাম। জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে ঢাকা বিভাগের পরিচালক পদপ্রার্থী ছিলেন আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ান। তবে তিনি আজ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে আজ বিসিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ। সেখানে নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ করেন তিনি। এবারের বিসিবি নির্বাচন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের ‘রাতের ভোট’কেও হার মানিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ফুয়াদ বলেন, ‘রাতের ভোট তো…তবু তো ওরা ব্যালট বাক্স ভরেছে, সেটা আলাদা জিনিস। এরা তো সুকৌশলে এমন কাজ করছে, সেটা (রাতের) ব্যালট বাক্সকেও হার মানিয়ে ফেলছে।’
এদিকে ফুয়াদের সঙ্গে ঢাকা বিভাগ থেকে পরিচালক হওয়ার দৌড়ে আরও ছিলেন বিসিবির বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীন। ফুয়াদ সরে দাড়ানোয় বুলবুল ও নাজমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেলেন।
ফুয়াদ বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বহুবার দেখা করতে চেয়েছি, আমার সঙ্গে দেখা করেনি। আমি দরখাস্তও দিতে চেয়েছিলাম যে, ই-ব্যালট ও পোস্টাল ব্যালট শুধু তাঁদেরকেই দেবেন, যাঁরা দেশের বাইরে অথবা হাসপাতালে রোগী হিসেবে আছেন। যাঁরা সুস্থ, যাঁরা ঘুরেফিরে খাচ্ছেন, যাঁরা কাউন্সিলর হয়েছেন, যাঁরা হোটেলে বসে আমোদ-ফুর্তি করছেন, তাঁরা কেন ই-ব্যালটে ভোট দেবেন?’

 

আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

০

শারজাহর গরম রাতে বাংলাদেশ পেল এক দারুন ঝলমলে জয়। আফগানিস্তানের ছুড়ে দেওয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য সামনে রেখে টাইগাররা কিছুটা চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত সাইফ হাসানের আগুনে ইনিংসে ভর করে ১৮ ওভারে ম্যাচ শেষ করে ফেলে জয়ের পতাকা তোলে। ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আফগানদের হোয়াইটওয়াশ করল।

শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে ব্যাট করতে নামে আফগানিস্তান। শরিফুল ইসলাম এবং নাসুম আহমেদের করা প্রথম দুই ওভার থেকে বিনা উইকেটে ২০ রান তুলে নিয়ে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল দলটি।
কিন্তু তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে শরিফুল ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানের (৭) উইকেট তুলে নিতেই নুয়ে পড়ে আফগানিস্তান। পরের ওভারের প্রথম বলে নাসুম আহমেদ সাজঘরের পথ দেখান আরেক ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজকে (১২)।
তিনে নামা সেদিকউল্লাহ আতাল ২৩ বলে সমান একটি করে চার-ছক্কায় করেন ২৮ রান। তবে সাইফউদ্দিনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়ানো তানজিম সাকিবের ক্যাচ হন তিনি।
পরের ব্যাটারদের মধ্যে শুধু পাঁচে নামা দারউইশ রাসুলি-ই যা একটু রানের গতি সচল রাখার চেষ্টা করেন। ১৯তম ওভারে সেই সাইফউদ্দিনের বলে ফেরার আগে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ বলে দলীয় সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন এই ব্যাটার।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে ৩ ওভারে ১৫ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন। দুটি করে উইকেট যায় নাসুম ও সাকিবের ঝুলিতে।

আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাত বঞ্চনা: গুলশান থানার ওসিকে শোকজ

ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার সাথে তাঁর আইনজীবীর সাক্ষাত ও আইনি পরামর্শের অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় আদালত গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) শোকজ নোটিশ জারি করেছে।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার আইনজীবী সারোয়ার হোসাইনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত এ আদেশ দেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গ্রেফতারকৃত আসামির আইনজীবীকে থানায় গিয়ে তাঁর মক্কেলের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা বাংলাদেশের সংবিধান এবং ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।
এর আগে, ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি বাসা থেকে ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়াকে গতকাল শনিবার (৪ অক্টোবর) ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক এবং আওয়ামী লীগ নেতা এম এ সাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে।
গুলশান থানার এসআই আবদুস সালাম বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর নিকেতনের শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের পাশে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা করে।
ওই ঘটনায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে।
ওই মামলায় গ্রেপ্তারের জন্য ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার ধানমন্ডির বাসায় যাওয়া হয় গত শুক্রবার রাতে। সারারাত তারা বাসার দরজা খোলেননি। পরে ভোরে বাসার দরজা খুলে দিলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ব্যারিস্টার আহসান হাবিব নিকেতনের ওই মিছিলে অংশ নিয়েছেন কি না অথবা অর্থায়ন করেছিলেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে এসআই আবদুস সালাম বলেন, তদন্তাধীন বিষয়ে কিছু বলাটা উচিত হবে না।
এদিকে আহসান হাবিব ভূঁইয়ার আইনজীবী সারোয়ার হোসাইন জানান, আহসান হাবিব গ্রেপ্তার হওয়ার পর বারবার থানায় গেলেও আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি গ্রেপ্তারের কারণও জানায়নি। অথচ সংবিধানে বা সিআরপিসিতে তার এ অধিকার রয়েছে।
এরই প্রেক্ষিতে আজ আইনজীবী সারোয়ার হোসাইন আদালতে আবেদন করলে আদালত উপরোক্ত আদেশের মাধ্যমে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) শোকজ নোটিশ জারি করেন।

 

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু নিয়ে গুজব!

ষাটের দশকের ছাত্রনেতা, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। বর্ষিয়ান এ রাজনীতিকের শারীরীক অবস্থা ক্রিটিক্যাল হলেও তিনি এখনও বেঁচে আছেন। জীবিত অবস্থায় তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু নিয়ে গুজব ছাড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তার মেয়ের জামাই ডা. তৌহিদুজ্জামান।
শনিবার (৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে তোফায়েল আহমেদের শারীরীক অবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় তিনি আমাদের সময়ের মাধ্যমে দেশের মানুষের কাছে এ আহ্বান জানান এবং তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনার অনুরোধ জানান।
তৌহিদুজ্জামান বলেন, ওনার অবস্থা রাত ৮টার দিকে হঠাৎ করেই অবনতি হয়েছিল। প্রেশার ও পালস আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। তবে চিকিৎসকদের তৎপরতায় ফের আগের অবস্থায় ফিরে আসে। তবে সবমিলিছে তার অবস্থা আগের চেয়ে অবনতি হয়েছে।
বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে প্রায় ১০ দিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তোফায়েল আহমেদ। শনিবার রাতে তার অবস্থার অবনতি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে। এ বিষয়টি আহত করেছে বর্ষিয়ান এ রাজনীতিবিদের স্বজনদের।
স্কয়ার হাসপাতালের পক্ষে প্র্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র মোরশেদুল ইসলাম রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিকদের বলেন, তোফায়েল আহমেদের অবস্থা আগের চেয়ে অবনতি হয়েছে এটা সত্যি, তবে তার মৃত্যুর খবর সত্য নয়। তিনি আমাদের হাসপাতালে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। আমাদের মেডিকেল বোর্ড সার্বক্ষণিক তার পাশে রয়েছে এবং সম্ভাব্য সবধরনের চিকিৎসা সেবা তাকে দেওয়া হচ্ছে। উনার সর্বশেষ অবস্থা চিকিৎসকরা বলতে পারবেন। তবে খারাপ কিছু হলে অবশ্যই আমাদের জানানো হবেংবাদিকরাও জানতে পারবেন।

উপদেষ্টাদের অনেকেই নিজেদের সেফ এক্সিটের কথা ভাবছেন: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘উপদেষ্টাদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে ফেলেছেন। তারা নিজেদের সেফ এক্সিটের কথা ভাবছেন। তারা মনে করছেন, রাজনৈতিক দলগুলার সমর্থনই তাদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছে।’
সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন নাহিদ।  এ সময় তিনি সেসব উপদেষ্টাদের নাম প্রকাশেরও হুঁশিয়ারি দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা উপদেষ্টা হয়েছেন, তাদের অনেককেই বিশ্বাস করা আমাদের ভুল হয়েছে। আমাদের উচিত ছিল ছাত্র নেতৃত্বকেই শক্তিশালী করা, সরকারে গেলে সম্মিলিতভাবে যাওয়া। আমরা নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলকে যে বিশ্বাস করেছিলাম বা তাদের ওপর আস্থা রেখেছিলাম সেই জায়গায় আমরা আসলে প্রতারিত হয়েছি।
তিনি বলেন, ‘অনেক উপদেষ্টা নিজেদের আখের গুছিয়েছেন, অথবা গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। সময় আসলে তাদের নামও আমরা উন্মুক্ত করবো।’
উপদেষ্টার আসনে ছাত্রনেতারা বসার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, ‘আমরা কেউই সরকারের উপদেষ্টা পদে যেতে চাইনি। জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছিলাম। তাহলে কিন্তু ছাত্রদের এই দায়িত্ব পালন করা লাগতো না। যদি অভ্যুত্থানের শক্তি সরকারে না থাকতো, তাহলে এই সরকার তিন মাসও টিকতো না।’
তিনি বলেন, ‘এ সরকারকে উৎখাত করার, প্রতিবিপ্লব করার চেষ্টা চলমান ছিল প্রথম ছয় মাস। এখনও আছে কিছুটা। যদি রাজনৈতিক দলগুলো সম্মত হয়ে নাগরিক সরকার করতো, তাহলে কিন্তু ছাত্রদের কাঁধে এ দায়িত্ব আসতো না। সময়ের প্রয়োজনে এ দায়িত্ব আমাদের নিতে হয়েছিল।’
উপদেষ্টাদের অনেকে সেফ এক্সিট নিয়ে এখনই ভেবে রেখেছেন বলেও দাবি করেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টারা অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে ফেলেছেন। তারা নিজেদের সেফ এক্সিটের কথা ভাবছেন। এটা আমাদের অনেক পোহাতে হচ্ছে বা পোহাতে হবে। তারা যদি বিশ্বাস করতেন যে, তাদের নিয়োগ কর্তা গণঅভ্যুত্থানের শক্তি, এ দেশের সাধারণ মানুষ যারা জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন— তাদের ওপর ভরসা রাখতেন, তাহলে উপদেষ্টাদের এই বিচ্যুতি হতো না।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট ক্যান্টনমেন্টে সেজদা দিয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা, ছাত্ররা নয়।’
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে সরকার গঠন না করে, জাতীয় সরকার গঠন করলে আক্ষেপ তৈরি হতো না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

‘ভারতকে যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের নিচেই কবর দেওয়া হবে

ভারতের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো আগ্রাসন চালানো হলে তা আরও কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে বলে সতর্ক করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ। এসময় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আবার সংঘাতে জড়ালে ভারতের কবর তাদের যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের নিচেই হবে।’
আরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, গত মে মাসে তীব্র সংঘাতের পর নিজেদের হারানো মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব এখন ‘আত্মসম্মান রক্ষার প্রচেষ্টা’ চালাচ্ছে।
আসিফের এমন মন্তব্য আসল ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর বক্তব্যের পর।
পাকিস্তান সীমান্তে সৈন্যদের উদ্দেশে শুক্রবার দ্বিবেদী বলেন, ইসলামাবাদ যদি ‘বিশ্বের মানচিত্রে থাকতে চায়’, তবে তাকে ‘সন্ত্রাসে মদদ দেওয়া বন্ধ করতে হবে।’ তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, ‘মে মাসের যুদ্ধে ভারতের যে সংযম ছিল, এবার তা থাকবে না।’
ভারতের সেনাবাহিনীর ভাষ্যমতে, মে ২০২৫-এর সংঘাতে পাকিস্তানের ভেতরে নয়টি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছিল, যাতে শতাধিক পাকিস্তানি সেনা ও জঙ্গি নিহত হয়।
মে মাসের ওই সংঘাত ছিল সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষ।
চার দিন ধরে দুই দেশ একে অপরের উপর ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও আর্টিলারি হামলা চালায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে খাজা আসিফ বলেন, ‘ভারতের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য তাদের ব্যর্থতার প্রমাণ। ০–৬ ব্যবধানে এমন পরাজয়ের পর যদি তারা আবার চেষ্টা করে, আল্লাহ চাহে তো এবার ফল আরও ভয়াবহ হবে।
এবার ভারত নিজস্ব যুদ্ধবিমানের ধ্বংসস্তূপের নিচেই চাপা পড়বে।’
পাকিস্তান দাবি করেছে, মে মাসের যুদ্ধে তারা ভারতের ছয়টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, যার মধ্যে ফ্রান্সের তৈরি রাফালও রয়েছে। তবে ভারত এই দাবি অস্বীকার করেছে। ভারতের বিমানবাহিনীর দাবি, তারাই পাকিস্তানের এফ–১৬ ও জেএফ–১৭ মডেলের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে।
এদিকে, ভারতের সেনাপ্রধানের বক্তব্যের জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও। এক বিবৃতিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ‘ভারতের এমন বিভ্রান্তিকর ও যুদ্ধবাজ বক্তব্য কেবল উসকানিমূলক নয়, বিপজ্জনকও। নতুন করে সংঘাত শুরু হলে তা ভয়াবহ ধ্বংস ডেকে আনবে, এবং পাকিস্তান এবার কোনো সংযম দেখাবে না।’
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘যারা নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে চায়, তাদের জানা উচিত—পাকিস্তানও নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে, যা হবে দ্রুত এবং ধ্বংসাত্মক প্রতিক্রিয়া। পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করলে সেই পরিণতি হবে পারস্পরিক।’