Home Blog Page 329

পরিবেশের অবনতি হচ্ছে ইউরোপে, সতর্ক ইইএর

০

ইউরোপে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো ও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বেড়েছে। তবু ইউরোপের পরিবেশ পরিস্থিতি এখনও খারাপের দিকেই যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (ইইএ)। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ কথা বলেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইইউ দেশগুলো ১৯৯০ সালের পর নিঃসরণ ৩৭ শতাংশ কমালেও জীববৈচিত্র্য, পানি ও মাটির অবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংরক্ষিত অভয়ারণ্যের ৮১ শতাংশ এখন ঝুঁকিতে, ৬০–৭০ শতাংশ মাটি ক্ষয়ে গেছে, আর ৬২ শতাংশ জলাশয় দূষিত।

ইইএ জানায়, তাপমাত্রা বাড়লেও ৩৮ সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ২১টিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার পরিকল্পনা আছে। ইউরোপের অনেক ভবন তাপ সহনীয় নয়, ফলে ১৯ শতাংশ মানুষ আরামদায়ক তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারছেন না।

সংস্থাটি বলছে, সুশাসন, প্রযুক্তি ও পানির পুনর্ব্যবহার বাড়ালে কৃষি, জ্বালানি ও পানি খাতে ৪০ শতাংশ পানি সাশ্রয় সম্ভব।

১৯৮০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে জলবায়ু-সম্পর্কিত দুর্যোগে ইইউর ২৭ দেশে দুই লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ আর নেই

০

সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (৭৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান।

সহকারী কারা মহাপরিদর্শক মো. জান্নাত-উল ফরহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬০২নং ওয়ার্ডে নূরুল মজিদকে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে গতকাল বিকেল ৪টার দিকে পুরাতন ভবনের ৫ম তলায় আইসিইউতে রেফার্ড করা হয়। আইসিইউতে চিকিৎসা চলাকালীন আজ সকাল ৮ টা ১০ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এদিকে নূরুল মজিদের ছেলে মনজুরুল মজিদ মাহমুদ সাদি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তার বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ আর নেই

তিনি লিখেছেন, ‘আমার বাবা আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। দোয়া করবেন আল্লাহ পাক যেন তাকে জান্নাত নসিব করুন।’

প্রসঙ্গত, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান থেকে নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে গ্রেপ্তার করে র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। ওইদিন নরসিংদীতে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

গত বছরের ৪ আগস্ট নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালীন ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, আক্রমণ ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের যেসব পরামর্শ

০

শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। পূজা উদযাপনকারীদের নিরাপত্তা বিষয়ে কিছু পরামর্শও দিয়েছে পুলিশ দপ্তর।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই পরামর্শ দেয়া হয়।

এগুলো হলো:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনার ব্যাপারে উত্তেজনা প্রশমনের ব্যবস্থা নিতে হবে। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সময় নিন। অনেক ঘটনাই শেষে গুজব বলে প্রমাণিত হয়।

পূজামণ্ডপে আগত নারী ও পুরুষ দর্শনার্থীদের জন্য পৃথক প্রবেশ ও প্রস্থান পথের ব্যবস্থা করুন। পূজামণ্ডপে কোনো ব্যাগ, থলে বা পোঁটলা নিয়ে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকুন। পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপন করুন। গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপে আর্চওয়ে গেট স্থাপন করুন।

পূজামণ্ডপে ও প্রতিমা বিসর্জনস্থলে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখুন এবং সম্ভব হলে স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর/চার্জার লাইটের ব্যবস্থা রাখুন।

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করুন। স্বেচ্ছাসেবকদের আলাদা পোশাক, দৃশ্যমান পরিচয়পত্র ও ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লিখিত আর্ম ব্যান্ড প্রদান করুন। পূজা চলাকালে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকুন।

পূজা উদযাপনকালে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখুন।

প্রতিমা বিসর্জনের সময় শোভাযাত্রার নির্ধারিত রুট ব্যবহার করুন।

প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তার জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কন্ট্রোল রুম ০২২২৩৩৮০৬৬১, ০২২২৩৩৮১৯৬৭, ০১৩২০০০১২৯৯, ০১৩২০০০১৩০০; ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কন্ট্রোল রুম ০২২২৩৩৫৫৫০০, ০১৮১৭৬০২০৫০; ঢাকেশ্বরী মন্দির সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম ০২৯৬১১৩৫৩, ০১৭০৫৫০৫৫২৯; র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) কন্ট্রোল রুম ০১৭৭৭৭২০০২৯; ফায়ার সার্ভিস সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম ০২২২৩৩৫৫৫৫৫, ০১৭১৩০৩৮১৮১, ০১৭১৩০৩৮১৮২, ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করুন।

জেলা পুলিশ সুপার ও থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইট (www.police.gov.bd) থেকে নম্বর সংগ্রহ করুন।

যে কোনো প্রয়োজনে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের সেবার জন্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ (টোল ফ্রি) নম্বরে কল করুন।

বিসিবি নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ

০
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ১৯১ জন কাউন্সিলর। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রাথমিক তালিকায় না থাকলেও চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ঢাকার ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলর। এর মধ্যে ভাইকিংস একাডেমী থেকে কাউন্সিলর হয়েছেন ইফতেখার রহমান মিঠু। চূড়ান্ত তালিকায় ইতোপূর্বে ক্লাবগুলোকে অন্তর্ভুক্ত না করার কারণ হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে থাকা একাধিক অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন আজ ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছিল। বৈঠকের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
নতুন করে কাউন্সিলরশিপ ফিরে পাওয়া ক্লাবগুলো হচ্ছে —এক্সিউম ক্রিকেটার্স, ঢাকা ক্রিকেট একাডেমী, মোহাম্মদ ক্রিকেট ক্লাব, নবাবগঞ্জ ক্রিকেট কোচিং একাডেমী, পূর্বাচল স্পোর্টিং ক্লাব, গুলশান ক্রিকেট ক্লাব, ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্স, ভাইকিংস ক্রিকেট একাডেমী, বনানী ক্রিকেট ক্লাব, নাখালপাড়া ক্রিকেটার্স, মহাখালী ক্রিকেট একাডেমী, ধানমন্ডি ক্রিকেট ক্লাব, প্যাসিফিক ক্রিকেট ক্লাব, স্যাফায়ার স্পোর্টিং ক্লাব ও আলফা স্পোর্টিং ক্লাব।
এ ছাড়া পাঁচ জেলা -সিলেট, বগুড়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁর কাউন্সিলরশিপও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে নরসিংদী জেলার কাউন্সিলরশিপ খসড়া তালিকার মতোই চূড়ান্ত তালিকাতেও শূন্য রাখা হয়েছে। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত খসড়া তালিকাতেও নরসিংদীর নাম বাদ ছিল।
প্রসঙ্গত, বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুসারে পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন মূলত তিনটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। জেলা ও বিভাগ থেকে ১০ জন পরিচালক নির্বাচিত হন নিজ নিজ বিভাগের কাউন্সিলরদের ভোটে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগ থেকে দুজন করে এবং বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর থেকে একজন করে পরিচালক হবেন। এই ক্যাটাগরিতে মোট কাউন্সিলর ৭১ জন।
ক্লাব ক্যাটাগরিতে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন ৭৬ জন কাউন্সিলরের ভোটে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থা নিয়ে গঠিত তৃতীয় ক্যাটাগরির ৪৫ জন কাউন্সিলরের ভোটে পরিচালক হবেন একজন। পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন শেষে ২৫ পরিচালকের ভোটে হবে সভাপতি নির্বাচন।

ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস, কেড়ে নেওয়া হলো থাই সুন্দরীর মুকুট

০
মুকুট জয়ের একদিন পরই নিজের খেতাব হারালেন থাই সুন্দরী সুফানি নইনোংথং। গত ২০ সেপ্টেম্বর মুকুট জেতার পরদিন মিস গ্রান্ড থাইল্যান্ড প্রতিযোগিতা কমিটি এক বিবৃতিতে সুফানির মুকুট বাতিলের কথা জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, সুফানির কার্যক্রম প্রতিযোগিতার নীতি ও আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সেদিন মুকুট জেতার পর আগামীতে মিস গ্রান্ড থাইল্যান্ড প্রতিযোগিতায় প্রাচুয়াপ খিরি খানের প্রতিনিধিত্ব করার কথা ছিল সুফানির।
কিন্তু এই অর্জনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার কিছু বিতর্কিত ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে তাকে প্রাপ্তবয়স্কদের খেলনা ব্যবহার করতে, ই-সিগারেট টানতে এবং খোলা পোশাকে নাচতে দেখা যায়।
এরপর এক সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে ২৭ বছর বয়সী এই সুন্দরী তার ফেসবুকে একটি পোস্টে বিতর্কিত ভিডিও ও নগ্ন ফটোশুটের কথা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, করোনা মহামারির সময় আর্থিক সংকটের কারণে তিনি তার অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে ‘অনলি ফ্যানস’ নামের একটি সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন; আর এসব ভিডিও কনটেন্ট বানাতেন। যদিও তার মা বর্তমানে আর বেঁচে নেই।
তবে এ ঘটনায় অনুতপ্ত সুফানি। তার কথায়, ‘এটা আমার জন্য বড় শিক্ষা। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, নিজেকে আরও উন্নত করব এবং যেন এর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।’

ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব জব্দ রাখা ঠিক নয়: ফাহমিদা খাতুন

০
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সদস্য ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার প্রয়োজন। ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব জব্দ রাখা ঠিক নয়।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এফডিসিতে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত ‘ব্যাংক একীভূতকরণ : ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘স্বল্পমেয়াদি সরকার দীর্ঘায়িত হলে তা অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক নয়, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত করে।
অর্থনীতি ও রাজনীতি একসঙ্গে চলে এবং একে অপরের পরিপূরক। দুর্বল শাসনব্যবস্থায় অর্থনীতি চলতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার প্রয়োজন। ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব জব্দ রাখা ঠিক নয়।
কোনো বড় ধরনের বিচ্যুতি না থাকলে জব্দকৃত হিসাবগুলো খোলা উচিত। নাহলে সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য, দারিদ্র্য এবং কর্মসংস্থানের ওপর বিরাট প্রভাব পড়বে।’
ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘গত এক বছরে অর্থনীতির কিছু সূচকের পতন ঠেকানো গেলেও সংকট কাটেনি এবং দারিদ্র্য কমেনি। ব্যাংকিং খাতে পূর্ববর্তী সরকারের সময় সুশাসন ছিল না, প্রতিটি সূচকেই অবনতি হয়েছে।’
রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক অনুমোদনের মাত্রা অর্থনীতির আকারের তুলনায় অনেক বেশি ছিল, যা পৃথিবীতে বিরল।
তিনি বলেন, ‘পূর্ববর্তী সময়ে ব্যাংকগুলোকে নিজেদের সম্পদ বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার দুর্বল ব্যাংকগুলো একীভূত করার চেষ্টা করলেও প্রক্রিয়াটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ, যার কারণে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে।’
‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, আওয়ামী সরকারের আমলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে আর্থিক মাফিয়াদের অনৈতিক সুবিধা দিয়েছিল। ফলে দেশে ‘মাফিয়া ইকোনমির শাসন’ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ভালো ব্যাংক লুণ্ঠিত হয়।

খেলাপি ঋণ আদায় না হলে উৎসাহ বোনাস পাবেন না ব্যাংকের কর্মীরা!

০
এখন থেকে উৎসাহ বোনাস পেতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের খেলাপি ও অবলোপনকৃত ঋণ থেকে আদায় দেখাতে হবে। এছাড়া মোট বিতরণকৃত ঋণ ও অগ্রিম এবং আমানত বাড়াতে হবে। এমন বিধান রেখে উৎসাহ বোনাস দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। তবে বছরে সর্বোচ্চ তিনটি বোনাস দেওয়া যাবে। বোনাস দেওয়ার ভিত্তি আর পরিচালন মুনাফা হবে না। হবে নিট মুনাফা। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, এ নির্দেশনার পর ঢালাওভাবে কর্মচারীদের আর উৎসাহ বোনাস দিতে পারবে না রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা থেকে ঋণ ও অগ্রিমের ওপর প্রভিশন, বিনিয়োগের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির প্রভিশন এবং অন্যান্য সম্পদ হ্রাস-বৃদ্ধির প্রভিশন সমন্বয় করে অর্থাৎ বাদ দিয়ে নিট মুনাফার হিসাব করতে হবে। ব্যাংকগুলোতে উৎসাহ বোনাস দেওয়ার ক্ষেত্রে এতদিন শৃঙ্খলার ঘাটতি ছিল। এটা দূর করার জন্য ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই এ অভিন্ন উৎসাহ বোনাস নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, এতদিন এ বিষয়ে একটি নীতিমালা ছিল, যা লঙ্ঘন করে আসছিল বড় কয়েকটি ব্যাংক। যেমন, তিনটি উৎসাহ বোনাসের বেশি পাওয়ার সুযোগ না থাকলেও ২০২৩ সালে পাঁচটি উৎসাহ বোনাস দেয় সোনালী ব্যাংক। একইভাবে অন্যান্য ব্যাংকও বেশি বোনাস দিয়েছে।
নিদের্শিকায় আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল-এই ছয় ব্যাংক উৎসাহ বোনাস দেবে পাঁচটি উপাদান বা কর্মসম্পাদন পরিমাপকের ভিত্তিতে। এগুলো হচ্ছে চলতি মূলধনের ওপর নিট মুনাফার হার, আমানতের পরিমাণ বৃদ্ধির হার, ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ বৃদ্ধির হার, খেলাপি ঋণ আদায়ের হার এবং অবলোপন করা ঋণ আদায়ের হার। একই পদ্ধতিতে বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), কর্মসংস্থান ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের বোনাস নির্ধারিত হবে।
এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ক্ষেত্রেও পাঁচটি সূচক বিবেচনায় থাকলেও কিছুটা পরিবর্তন রয়েছে। এক্ষেত্রে চলতি মূলধনের ওপর নিট মুনাফার হার, বিনিয়োগের বিপরীতে লভ্যাংশ ও মূলধনী মুনাফা অর্জনের হার, খেলাপি ঋণ আদায়ের হার, পুঁজিবাজারে সংস্থাটির লেনদেন বৃদ্ধির হার এবং অবলোপন করা ঋণ আদায়ের হার বিবেচনায় নেওয়া হবে। আর বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের (বিএইচবিএফসি) ক্ষেত্রে চলতি মূলধনের ওপর নিট মুনাফার হার, আদায়যোগ্য ঋণের মধ্যে বার্ষিক প্রকৃত আদায় হার এবং ঋণ ও বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধির হার বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এভাবে মূল্যায়নের ভিত্তিতে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৪০ এর কম পেলে কোনো বোনাস দেওয়া যাবে না। ৪০ থেকে ৫০ নম্বরের ক্ষেত্রে একটি, ৫০ থেকে ৬০ নম্বরে দেড়টি, ৬০ থেকে ৭০ নম্বরে দুটি, ৭০ থেকে ৮০ নম্বরে আড়াইটি এবং ৮০ এর বেশি নম্বর পেলে তিনটি বোনাস দেওয়া যাবে। একটি বোনাস বলতে এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বোঝাবে। হিসাব বছরের শেষ মাসের প্রাপ্য মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ উৎসাহ বোনাসের ভিত্তি হিসাবে গণ্য হবে।
এ নির্দেশিকার আলোকে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনক্রমে উৎসাহ বোনাস প্রদান করবে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ এ নির্দেশিকার আলোকে নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশের ভিত্তিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অনুমোদন নিয়ে উৎসাহ বোনাস প্রদান করবে।
নির্দেশিকায় বর্ণিত শর্তাদি অনুযায়ী কোনো বছরে উৎসাহ বোনাস প্রাপ্য না হলে, বিবেচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানের বিশেষ কোনো অর্জন বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশের ভিত্তিতে আবেদন করলে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ এক্স-গ্রেসিয়া হিসাবে প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে।

যে কারণে বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো সোহেল তাজকে!

০
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে। ‘ভ্রমণরোধ’ থাকায় সোহেল তাজ দেশত্যাগ করতে পারেননি বলে জানান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এসএস (ইমিগ্রেশন) কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা ও সোহেল তাজের বোন মাহজাবিন আহমদ মিমি সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ‘সোহেল তাজের বিদেশযাত্রা বাধা দেওয়া হয়েছে।’ কবে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে মিমি বলেন, ‘সম্ভবত বুধবার ঘটেছে।
অন্যদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এসএস (ইমিগ্রেশন) কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ‘ভ্রমণরোধ’ থাকায় সোহেল তাজ দেশত্যাগ করতে পারেননি।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০১ সালের নির্বাচনে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সোহেল তাজ।
২০০৮ সালে একই আসন থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি।
একই বছরের ৩১ মে মন্ত্রিসভা থেকে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি। ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেন সোহেল তাজ।

সোহেল তাজকে নিয়ে বিমানবন্দরে আসলে কী ঘটেছিল?

০
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে ও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজকে। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোহেল তাজের বোন মাহজাবিন আহমদ মিমি।
তবে কেন সোহেল তাজকে বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে তা জানতে চাইলে মিমি বলেন, সেটা তাদেরই জিজ্ঞেস করুন। ঘটনার বিস্তারিত বলতে রাজি হননি তিনি।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে পারি জমানোর জন্য নিজ বাসভবন ত্যাগ করেন সোহেল তাজ। বিমানবন্দরে যাওয়ার পর তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
সোহেল তাজ একসময় আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী থাকলেও ২০১২ সালে এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তার ছেড়ে দেওয়া আসনে বোন এমপি নির্বাচিত হন। এরপর থেকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে তাকে দেখা যায়নি। এক সময় আওয়ামী লীগে ফেরানোর চেষ্টা করানো হয় সোহেলকে। তবে দলের কোনো পদে আর ফেরেননি তিনি।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর সোহেল তাজ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা শুরু করেন। তিনি আওয়ামী লীগের এই পরিণতির জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করেন। রাজনীতিতে গুঞ্জন ছড়ায় যে, সোহেল তাজের নেতৃত্বে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হবে। তবে সেটি এখনও পর্যন্ত হয়নি।
সোহেল তাজ কিছুদিন আগে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখাও করেন। তিনি আওয়ামী লীগের কড়া সমালোচকের ভূমিকায় রয়েছেন। তবুও কেন সোহেল তাজকে বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো সেটি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে সোহেল তাজকে ফিরিয়ে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যপক আলোচনা শুরু হয়। ঘটনার সত্যতা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা জানান, ‘ভ্রমণরোধ’ থাকায় সোহেল তাজ দেশ ছাড়তে করতে পারেননি।
এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকার বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। বিমানবন্দরে সোহেল তাজের সঙ্গে কী ঘটেছিল স্পষ্ট হতে আরও সময় লাগবে। তবে সোহেল তাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কী কারণে তাকে আটকে দেওয়া হয়েছে সেটি তার কাছেও স্পষ্ট নয়। তিনি জানার চেষ্টা করছেন।
সোহেল তাজ ২০০১ ও ২০০৮ সালে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) থেকে দুবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। তবে পাঁচ মাসের মাথায় ২০০৯ সালের ৩১ মে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি।
দীর্ঘ সময় রাজনীতি থেকে দূরে থাকা সোহেল তাজ তখনই অভিযোগ করেছিলেন, তার কাজের ক্ষেত্রে নানারকম বাধা ও অবজ্ঞার শিকার হচ্ছেন তিনি। সেসব কারণে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন সোহেল তাজ।

যেসব বিশ্বনেতা প্রকাশ্যে আমাদের সমালোচনা করেন, গোপনে তারা ধন্যবাদ জানান’

০
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বর্বরতা চালানোয় ইসরায়েলের অনেক মিত্র দেশ ইসরায়েলের সমালোচনা শুরু করেছে। এরমধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডার মতো দেশ সম্প্রতি ফিলিস্তিনিকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে।
তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, যেসব বিশ্বনেতা প্রকাশ্যে ইসরায়েলের সমালোচনা করে। তারা গোপনে তাদের ধন্যবাদ জানায়। কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, তাদের হয়ে ইসরায়েল লড়াই করছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু বলেন, “আপনারা জানেন ইসরায়েল আপনাদের লড়াই করছে। আমি আপনাদের দরজার পেছনের গোপন কথা জানাতে চাই। অনেক বিশ্বনেতা যারা প্রকাশ্যে আমাদের সমালোচনা করে। গোপনে তারা আমাদের ধন্যবাদ জানায়। তারা আমাকে বলে, আমাদের অসাধারণ গোয়েন্দা সেবাকে তারা কতটা গুরুত্ব দেয়। আমাদের এসব গোয়েন্দা সেবা এসব দেশের রাজধানীতে অসংখ্য সন্ত্রাসী হামলা আটকে দিয়েছে। অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষা করেছে।”
এদিকে আজ জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষের পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে নেতানিয়াহু বক্তব্য দেওয়া শুরুর সাথে সাথে বেরিয়ে যান বিশ্বের কয়েকশ কূটনীতিক।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, শুধুমাত্র আরব ও মুসলিম নেতারাই আজ ওয়াক আউট করেননি। তাদের সঙ্গে সঙ্গে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান আফ্রিকা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা।
তাদের এ ওয়াক আউট থেকে নজর সরাতে নেতানিয়াহুর সমর্থকরা জোরে জোরে তালি দেয় বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল। এরমধ্যে নেতানিয়াহুর স্ত্রী ও নিউইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামসও রয়েছেন।
নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধন্যবাদ, গাজা যুদ্ধ, ফিলিস্তিনিকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি দেওয়াসহ অন্যান্য কথা বলেন।