Home Blog Page 330

ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি মানে ইসরায়েলের গলায় ছুরি ধরা : নেতানিয়াহু

০
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে ইউরোপীয় দেশগুলো ইসরায়েলকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি প্রদানকে ইসরায়েলের গলায় ছুরি ধরার সঙ্গেও তুলনা করেছেন তিনি।
শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে এ অভিযোগ করেন তিনি।
অবশ্য তিনি ভাষণ দিতে ওঠার পর সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে উপস্থিত রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিদের অধিকাংশই মিলনায়তন থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ফাঁকা মিলনায়তনে উত্তেজিত কণ্ঠে নেতানিয়াহু বলেন, “ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে আপনারা আসলে ইহুদি হত্যাকে সমর্থন করেছেন। একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমাদের গলায় ছুরি ধরে থাকবে— তা আমরা কখনও মেনে নেবো না।”
ইউরোপীয় নেতাদের কটাক্ষ করে নেতানিয়াহু বলেন, “নিষ্ঠুর মিডিয়া এবং ইহুদিবিরোধী মবের মুখোমুখি হওয়ার সাহস আপনাদের নেই। তাই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে আপনারা হামাসকে পুরস্কৃত করছেন, আর ইসরায়েলকে আত্মহত্যার পথে ঠেলছেন। কিন্তু আমরা এটা কখনও মানব না।”
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করতে গত সোমবার বৈশ্বিক সম্মেলন হয়েছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে। ফ্রান্স এবং সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেই সম্মেলনের সময় এবং তার আগে ও পরে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, লুক্সেমবার্গসহ বেশ কয়েকটি দেশ। সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যের আল আকসা অঞ্চলে জাতিসংঘের প্রস্তাবতি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন এবং পশ্চিম তীর অঞ্চলে ইসরায়েলের দখল কার্যক্রম বন্ধের দাবি উঠেছে জোরেশোরে।
তবে জাতিসংঘে প্রদান করা বক্তব্যে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখল কার্যক্রম নিয়ে একটি কথাও বলেননি নেতানিয়াহু। তিনি ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট এবং পশ্চিম তীর অঞ্চলে ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিনি সরকারকে ‘আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহু তার রাজনীতি জীবনের শুরু থেকেই দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের বিরোধী। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নিষ্ঠুর অভিযান বন্ধে দুই বছরে আন্তর্জাতিক বিশ্ব বহুভাবে নেতানিয়াহুকে চাপ দিয়েছে, কিন্তু তিনি অভিযান বন্ধের নির্দেশ দেননি।
নেতানিয়াহুর ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় এক বিবৃতিতে পশ্চিম তীরে ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আদেল আতিয়েহ বলেছেন, “জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর এই ভাষণ আসলে একজন পরাজিত মানুষের জবানবন্দি।”

 

দলমত নির্বিশেষে সংস্কার এগিয়ে নেবে বাংলাদেশ: ড. ইউনূস

০
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ আর কখনো স্বৈরশাসনের পথে ফিরবে না। দলমত নির্বিশেষে গঠিত ঐকমত্যের ভিত্তিতেই দেশের গণতন্ত্র ও সংস্কার কার্যক্রম টেকসইভাবে এগিয়ে যাবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের আত্মত্যাগে অর্জিত ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াকে আর কোনো শক্তি বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিতে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম। কিন্তু যে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা আত্মত্যাগ করেছিলাম তা গত পাঁচ দশকে বারবার বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। জনগণকে বারবার সেই অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, চলতি বছর পালিত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর প্রথম বার্ষিকী, যেখানে তরুণসমাজ স্বৈরাচারকে পরাভূত করেছিল। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেই অভ্যুত্থান বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের নতুন পথ খুলে দিয়েছে। আর সেই দায়িত্বই আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে জনগণ।
ভেঙে পড়া রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ড. ইউনূস বলেন, নির্বাহী আদেশে সংস্কার চালানো সম্ভব হলেও সরকার বেছে নিয়েছে কঠিন পথ—অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রক্রিয়া। এজন্য বিচার বিভাগ, শাসনব্যবস্থা, নির্বাচন, জনপ্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি দমন ও নারী অধিকারসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে ১১টি স্বাধীন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।
তিনি জানান, এই কমিশনগুলোর সুপারিশ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরির জন্য ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও জোটকে নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এর ফলশ্রুতিতেই গত জুলাই মাসে সব দল একসঙ্গে ‘জুলাই ঘোষণা’র মাধ্যমে সংস্কার কার্যক্রমে সময়াবদ্ধ অঙ্গীকার করে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই অঙ্গীকারের ফলে আগামী নির্বাচনে যে দলই জনগণের সমর্থন পাক না কেন, সংস্কার বাস্তবায়নে কোনো অনিশ্চয়তা থাকবে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্র আর কখনো হুমকির মুখে পড়বে না।
ড. ইউনূস জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে নাগরিকবান্ধব সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সারাদেশে ২৮৫৭ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৪৩০ প্লাটুন বিজিবি

০
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৫ উপলক্ষ্যে সীমান্তবর্তী এলাকা এবং রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের ২,৮৫৭টি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৩০ প্লাটুন সদস্য।
সীমান্তবর্তী এলাকাসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির ২৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। উৎসব চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করছে তারা।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, বিজিবির নিরাপত্তাধীন মোট ২,৮৫৭টি পূজামণ্ডপের মধ্যে সীমান্তবর্তী (সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে এবং পার্বত্য এলাকার ১৫টি পূজামণ্ডপসহ) এলাকায় ১,৪১১টি এবং সীমান্তবর্তী এলাকার বাইরে রয়েছে ১,৪৪৬টি পূজামণ্ডপ।
বাইরের পূজামণ্ডপগুলোর মধ্যে রাজধানী ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ৪৪১টি; চট্টগ্রাম মহানগরী, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় মোট ৬৯৪টি এবং অন্যান্য স্থানে ৩১১টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। পূজা উপলক্ষ্যে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি শক্তিশালী করার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বিশেষ টহল চালানো হচ্ছে।
বিজিবি সবসময় জাতীয় শান্তি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারে সেলক্ষ্যে বিজিবি সারাদেশে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান শরীফুল ইসলাম।

এশিয়া কাপের সুপার ওভারে ভারতের রোমাঞ্চকর জয়

০

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে ভারত-শ্রীলঙ্কা লড়াই যেন রূপ নিল এক রুদ্ধশ্বাস নাটকে। নির্ধারিত ২০ ওভারে সমতায় আটকে যায় ম্যাচ, গড়ায় সুপার ওভারে। আর সেখানেই জ্বলে উঠলেন বাঁহাতি পেসার আর্শদীপ সিং। হাতে তুলে নিলেন পুরো ম্যাচের নায়কোচিত দায়িত্ব—বল হাতে মাত্র দুই রান দিয়ে নিলেন দুই উইকেট, এনে দিলেন ভারতকে শ্বাসরুদ্ধকর জয়।

ম্যাচের সুপার ওভারে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব আস্থা রাখেন আর্শদীপের ওপর। সেই আস্থার প্রতিদান দিতে প্রথম বলেই কুশল পেরেরাকে সাজঘরে ফেরান তিনি। এরপর শেষ দিকের ব্যাটার দাসুন শানাকাকে কাটিয়ে দেন ডিপ থার্ডম্যানের হাতে। মাত্র দুই রানেই থামে শ্রীলঙ্কার সুপার ওভার ইনিংস। জবাবে প্রথম বলেই হাসারাঙ্গার ডেলিভারিকে এক্সট্রা কভারে পাঠিয়ে তিন রান নেন সূর্যকুমার, আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের জয়।

তবে নাটকীয়তা শুরু হয়েছিল এর আগেই। শেষ ওভারে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ১২ রান। ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কার দুর্দান্ত সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ম্যাচে টিকে ছিল তারা। কিন্তু ১০৭ রানের ইনিংস খেলা নিসাঙ্কা আউট হয়ে গেলে ম্যাচের গতি পাল্টে যায়। শেষ বলে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ৩ রান, স্ট্রাইকে শানাকা। হারশিত রানার বলে লং-অন দিয়ে দুটি রান নিতে সক্ষম হলেও তৃতীয় রান নিতে গিয়ে ব্যর্থ হন। ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

এর আগে ব্যাট হাতে ভারতের ভরসা হয়ে ওঠেন অভিষেক শর্মা। মাত্র ৩১ বলে ৬১ রানের দাপুটে ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া সঞ্জু স্যামসনের ৩৯, তিলক ভর্মার অপরাজিত ৪৯ ও অক্ষর প্যাটেলের ২১ রানে ভর করে ভারত দাঁড় করায় ২০২ রানের বিশাল লক্ষ্য।

জবাবে শ্রীলঙ্কা বেশ লড়াই করে। নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি (১০৭ রান, ৫৮ বল, ৭ চার, ৬ ছক্কা) আর পেরেরার ৩২ বলে ৫৮ রানের ঝোড়ে ২০০ রানে পৌঁছায় তারা। কিন্তু শেষমেশ সুপার ওভারের ভাগ্যনির্ধারণী লড়াইয়ে হার মানতে হয় লঙ্কানদের।

এই জয়ের ফলে অপরাজিত ভারত আত্মবিশ্বাসের শীর্ষে থেকে প্রবেশ করছে এশিয়া কাপ ২০২৫-এর ফাইনালে, যেখানে অপেক্ষা করছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান।

মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা? নীরবে লো প্রেশারে ভুগছেন না তো?

০

অনেকেই ভাবেন, একটু মাথা ঘোরাই তো বড় কিছু নয়। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই সাধারণ উপসর্গগুলো হতে পারে লো ব্লাড প্রেশার বা কম রক্তচাপের ইশারা? অনেক সময় এটি নিঃশব্দ ঘাতকের মতো শরীরে কাজ করে, আর আমরা বুঝতেও পারি না।

অনেক সময় আমাদের মাথা হঠাৎ ঘুরে যায়, দুর্বল লাগে বা চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। আপনি কি জানেন, এসব হতে পারে লো প্রেশার (Low Blood Pressure) বা কম রক্তচাপের উপসর্গ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন অবহেলা করলে লো প্রেশার হতে পারে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হৃদযন্ত্রে সমস্যা বা মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমার মতো গুরুতর বিপদের কারণ।

চলুন আজ জেনে নেই— লো প্রেশারের লক্ষণ, কারণ, ঘরোয়া করণীয় এবং কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।

লো প্রেশারের লক্ষণ

– মাথা ঘোরা বা ভারী অনুভব

– অতিরিক্ত দুর্বলতা ও ক্লান্তি

– ঝাপসা দেখা বা চোখে অন্ধকার

– বমি বমি ভাব

– মনোযোগ কমে যাওয়া

– হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

– ঠান্ডা-ঘাম, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস

– বিভ্রান্তি বা কনফিউশন

গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

লো প্রেশার কেন হয়?

– ভিটামিন বি১২ বা ফলেটের ঘাটতি

– পানিশূন্যতা বা রক্তস্বল্পতা

– গর্ভাবস্থা

– হৃদরোগ, ডায়াবেটিস

– কিছু ওষুধ (যেমন : বিটা ব্লকার, কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট)

– দীর্ঘসময় শুয়ে থাকা

– অটোনোমিক নার্ভ সমস্যা

ঘরোয়া কিছু উপায়

লবণ খান (মেপে) : তবে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বেশি লবণ খাবেন না।

প্রচুর পানি পান করুন : পানিশূন্যতা হলে রক্তচাপ কমে যায়।

ছোট ছোট ভাগে খাবার খান : একসাথে ভারী খাবার খেলে রক্তচাপ কমতে পারে।

কমপ্রেশন স্টকিং পরুন : পায়ে রক্ত জমা কমায়, রক্তচাপ ঠিক রাখে।

ধীরে উঠুন : বসা বা শোয়া অবস্থা থেকে হঠাৎ দাঁড়ালে মাথা ঘুরতে পারে।

ঘুমের সময় মাথা একটু উঁচু রাখুন : দিনে রক্তচাপ ওঠানামা কমাতে সাহায্য করে।

ব্যায়াম করুন : হালকা ও নিয়মিত ব্যায়াম যেমন সাইক্লিং, হাঁটাহাঁটি উপকারী।

সুষম খাদ্য খান : ডিম, শাকসবজি, দুধ, দানাশস্য— সবই দরকারি ভিটামিন দেয়।

সতর্কতা

– নতুন ওষুধ খাওয়ার পর যদি মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা হয়— চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন

– বারবার অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ জরুরি চিকিৎসা দাবি করে

– সবসময় লো প্রেশার বিপজ্জনক নয়, কিন্তু উপসর্গ থাকলে তা উপেক্ষা করা ঠিক নয়

মনে রাখবেন, লো প্রেশার থাকলেও যদি কোনো উপসর্গ না থাকে, তাহলে অনেকেই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। কিন্তু উপসর্গ থাকলে তা আপনার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে— সঠিক জীবনধারা ও চিকিৎসায় তা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে নিজের শরীরকে বুঝতে শিখুন। মাথা ঘোরা মানেই সবসময় কিছু সাধারণ নয়— এটা হতে পারে লো প্রেশারের সতর্ক সংকেত।

ইসলামী ব্যাংকের বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা নিতে বাধা নেই : বাংলাদেশ ব্যাংক

০

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে। আলোচিত ও সমালোচিত এ পরীক্ষায় ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কর্মকর্তার অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। তবে ইতোমধ্যেই একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ইসলামী ব্যাংকের বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা নিতে বাধা নেই ।

ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ গত ১৪ আগস্ট পরীক্ষার তারিখ ২৯ আগস্ট নির্ধারণ করেছিল। পরে ব্যাংকের জুনিয়র অফিসার মো. হানিফ ২৭ আগস্ট হাইকোর্টে রিট করলে আদালত বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংককে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫ সেপ্টেম্বর জানায়, বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া না নেওয়া ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব এখতিয়ার। এ সিদ্ধান্তে পরীক্ষা আয়োজনের পথে আর কোনো বাধা থাকেনি।

হাইকোর্টের নির্দেশনার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ইসলামী ব্যাংক একটি বেসরকারি মালিকানাধীন লাভজনক প্রতিষ্ঠান। তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি দেশের প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান ও নিয়োগের শর্ত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সেহেতু কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন কিংবা কাউকে রাখা-না রাখার সিদ্ধান্ত ব্যাংকের এখতিয়ারভুক্ত। তবে এ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রচলিত আইন ও বিধি মেনে চলতে হবে বলে ব্যাংকটিকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়ে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন। এতে আট শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে।

তারা বলেন, পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে চাকরি টিকবে না এবং ক্যারিয়ারে কোনো উন্নতির সুযোগ থাকবে না— নোটিশে এমন উল্লেখ করে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করা হয়েছে।

মানববন্ধনে ব্যাংক কর্মকর্তা এসএম এমদাদ হোসাইন বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অথচ একই ব্যাচের অন্য অঞ্চলের কর্মকর্তাদের পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে না। পাঁচ থেকে সাত বছর চাকরির পর হঠাৎ এমন পরীক্ষা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং বৈষম্যমূলক। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে ফেরার পথে কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

পারমাণবিক স্থাপনা বানাবে ইরান, নতুন চুক্তি সই

০

জাতিসংঘের পুরনো নিষেধাজ্ঞা ফিরিয়ে আসা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে পারমাণবিক স্থাপনা বানানোর বিষয়ে চুক্তি করেছে ইরান। দেশটি নতুন চারটি পারমাণবিক স্থাপনার জন্য ২৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা পুনরারোপের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, ইরান ও রাশিয়া ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির আওতায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে চারটি নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম।

শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে প্রচারিত খবরে বলা হয়েছে, হরমোজগান প্রদেশের সিরিক শহরে চারটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ইরানের হরমোজ কোম্পানি এবং রাশিয়ার রোসাটমের মধ্যে ২৫ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে ইরানের কেবল একটি কার্যকর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। বুশেহরে অবস্থিত এ কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র এক হাজার মেগাওয়াট। এটি দেশের মোট চাহিদার সীমিত অংশ পূরণ করে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, সিরিকে নির্মিতব্য প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা হবে এক হাজার ২৫৫ মেগাওয়াট। তবে এই প্রকল্পের নির্মাণ শুরু বা সমাপ্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।

পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায়। তবে তেহরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। দেশটির দাবি, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুধুই বেসামরিক এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ইরানও ধীরে ধীরে চুক্তির শর্ত থেকে সরে আসে। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা শুরু হলেও, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের নজিরবিহীন সামরিক হামলার পর ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু হয় এবং তাতে যুক্তরাষ্ট্রও সাময়িকভাবে জড়িয়ে পড়ে, যার ফলে আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়।

ইরান আগেও ১৯৯৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি করেছিল। এ চুক্তির আওতায় বুশেহর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর জার্মানি ওই প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ানোর পর রাশিয়াই দায়িত্ব গ্রহণ করে।

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই বেরিয়ে গেলেন অনেক প্রতিনিধি

০

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে তার বক্তব্য শুরুর সঙ্গেই প্রতিবাদ জানিয়ে কক্ষ ত্যাগ করেন কয়েক ডজন দেশের প্রতিনিধি। হাতে গোনা কয়েকজনই তার ভাষণে হাততালি দেন। খবর রয়টার্সের।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের অধিভুক্ত না করার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর নেতানিয়াহুর এই ভাষণ বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে। গাজায় যুদ্ধ ও দখলদারিত্বের কারণে ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যেই তিনি ফিলিস্তিন ও ইরানসহ শত্রুপক্ষকে একসাথে দায়ী করেন।

ভাষণের সময় প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হামাস, ইরান, হিজবুল্লাহ ও হুতি বিদ্রোহীদের ‘আমেরিকা নিপাত যাক’ স্লোগানের জন্য দায়ী করেন তিনি। এ সময় প্রতিনিধিদের মধ্যে হৈচৈ শুরু হলে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে একই হুমকির মুখে রয়েছে বলে দাবি করেন।

নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, একসময় যেসব দেশ ইসরায়েলের পাশে ছিল তারাও এখন সমালোচনা করছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ ১০টি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা তিনি ‘নিছক পাগলামি’ বলে আখ্যা দেন।

এদিকে ইইউ ইসরায়েলের ওপর শুল্ক আরোপের চিন্তাভাবনা করছে, জার্মানি বন্ধ করেছে অস্ত্র রপ্তানি। যুক্তরাষ্ট্রেও ইসরায়েলবিরোধী জনমত বাড়ছে।

ভাষণ চলাকালে কক্ষ খালি হয়ে গেলেও বের হওয়ার সময় ব্যালকনি থেকে কিছু পর্যবেক্ষক তাকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান। ইসরায়েল তার ভাষণ গাজায় সম্প্রচার করেছে। সেখানে তিনি আবারও ঘোষণা দেন, ফিলিস্তিন কখনও রাষ্ট্র হবে না।

গুপ্ত রাজনৈতিক মহলের কাঁচা নাটক ব্যর্থ হয়েছে : তারিকুল ইসলাম

০

তুরাগ থানার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও জুলাই-যোদ্ধা এম মামুনুর রশীদকে অপহরণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত রূপায়ণ টাওয়ারে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গুপ্ত মহলের কাঁচা নাটক ব্যর্থ হয়েছে। দায় চাপানোর অপরাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই। জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জাতীয় যুবশক্তির গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য একটি গুপ্ত মহল অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে গত সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে নিখোঁজ হন তুরাগ থানার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা কে এম মামুনুর রশীদ। তার খোঁজে সর্বাশক্তি নিয়োগ করেন এনসিপি ও যুবশক্তির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা কয়েকবার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরও তার বিষয়ে কোনো সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছিল না।

এ ঘটনার তিন দিন পর শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টার দিকে পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়ক এলাকার একটি জামে মসজিদ থেকে তাকে উদ্ধার করে তুরাগ থানা পুলিশ।

মামুনুর রশীদের নিখোঁজের ঘটনার সঙ্গে এনসিপি ও জাতীয় যুবশক্তি জড়িত দাবি করে একটি অসাধু মহল সুপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে অপপ্রচার চালায়।

জরুরি সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোদী ঐক্যে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। অপতৎরপতাকারীদের খুঁজে বের করে জাতির সামনে তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পাশাপাশি যারা এনসিপি ও যুবশক্তির মানহানি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মামলা করা হবে বলে জানান জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম।

গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন ফারুক হাসান

০

গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হয়েছেন ফারুক হাসান। নুরুল হক নুরের চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থানের কারণে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গণঅধিকার পরিষদ উচ্চতর পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলীয় গঠনতন্ত্রের ৩৬(১) ধারা অনুযায়ী দলের সভাপতি জনাব নুরুল হক নুরের চিকিৎসাজনিত কারণে বিদেশে অবস্থান করায় সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হাসান সভাপতির রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন।’

এর আগে গণঅধিকার পরিষদে মুখপাত্র (উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও সিনিয়র সহ-সভাপতি পদমর্যাদায়) হিসেবে যোগ দেন ফারুক হাসান। দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান তাকে এই পদে মনোনীত করেন।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গণঅধিকার পরিষদে (জিওপি) যোগ দেন ফারুক হাসান।