Home Blog Page 330

লন্ডনে মাহফুজ আলমের ওপর হামলার চেষ্টা

লন্ডনে একটি সেমিনার থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর হামলার চেষ্টা করেছেন আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। ত‌বে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ হাইক‌মিশন জা‌নি‌য়ে‌ছে, উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের গাড়িতে নয়, লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের দুটি খালি গাড়িতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ডিম নিক্ষেপ করেছে।

হাইকমিশন জানায়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম শুক্রবার লন্ডনে দুটো অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উপদেষ্টার প্রথম অনুষ্ঠানটি ছিল বিকেল চারটায় ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন-এর স্কুল অব আফ্রিকান অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ এ।

বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে স্কুল অব আফ্রিকান অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন যৌথভাবে আয়োজন করে। উপদেষ্টা মাহফুজ আলম নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ সময় আওয়ামী লীগের ১৮ জন কর্মী সোয়াসের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। অনুষ্ঠানে আসার সময় উপদেষ্টার গাড়ির কোনো সমস্যা হয়নি। সোয়াস অনুরোধে আগে থেকেই পুলিশ কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিল।

উপদেষ্টা এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ভেতরে প্রবেশের পর পার্কিং এরিয়াতে থাকা অপেক্ষমাণ গাড়ির ওপর ডিম নিক্ষেপ করে দুষ্কৃতকারীরা। অনুষ্ঠান শেষে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তারা একাধিক গাড়িতে করে সোয়াস ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। পরে সেখানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের দুটি খালি গাড়ি বের হওয়ার সময় কয়েকজন দুষ্কৃতকারী রাস্তায় শুয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করে এবং আরও কয়েকজন দুষ্কৃতকারী খালি গাড়ি দুটোতে ডিম নিক্ষেপ করে।

যারা রাস্তায় শুয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনে একটি মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, ছাত্র এবং সাংবাদিকরা যোগ দিয়েছিলেন। লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ সার্বক্ষণিক বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে আশ্বাস দিয়েছে।

ফরিদা পারভীনের শেষ শ্রদ্ধা শহীদ মিনারে, দাফন কুষ্টিয়ায়

বরেণ্য লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীনের মরদেহ আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হবে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এক ঘণ্টা সেখানে তার মরদেহ রাখা হবে।

ফরিদা পারভীনের পরিবারের সদস্যরা জানান, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বেলা ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তার মরদেহ কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী বাবা-মায়ের কবরের পাশে কিংবদন্তি এই শিল্পীকে দাফন করা হবে।

এদিকে, বরেণ্য এই সংগীত শিল্পীর মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শোক জানিয়েছেন। এছাড়া সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা শোক জানান।

প্রসঙ্গত, শিল্পী ফরিদা পারভীন গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। কিডনি বিকল হওয়ায় সপ্তাহে দুই দিন তাকে ডায়ালাইসিস করাতে হতো। গত ২ সেপ্টেম্বর ডায়ালাইসিসের জন্য তাকে রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ডায়ালাইসিসের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সবশেষ গত বুধবার তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। এরপর তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। অবশেষে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে না-ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

কিংবদন্তি শিল্পী ফরিদা পারভীন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৮ সালে ১৪ বছর বয়সে তার পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়। এরপর গানে গানে তিনি কাটিয়েছেন ৫৫ বছর। ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ কিংবা ‘বাড়ির কাছে আরশিনগর’-এর মতো লালন সাঁইয়ের জনপ্রিয় গান তার কণ্ঠে মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। শ্রোতারা তাকে ‘লালনকন্যা’ উপাধি দিয়েছিল।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে মাহমুদুর রহমান

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ট্রাইব্যুনালে আসেন তিনি।

এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেবেন তিনি। এছাড়া আলোচিত এ মামলায় মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্য দেবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

প্রসিকিউশন বলছে, এ মামলায় ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেয়ার কথা ছিল মাহমুদুর রহমান ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘নায়ক’ নাহিদ ইসলামের। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে তারা গতদিনে আসতে না পারায় ট্রাইব্যুনালের কাছে সময় চাওয়া হয়। পরে আবেদন মঞ্জুর করেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর ১৪তম দিনের মতো এ মামলায় ৬ জন সাক্ষ্য দেন। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল মোট ৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

সাক্ষীদের জবানবন্দিতে গত বছরের জুলাই-আগস্টে দেশজুড়ে হত্যাযজ্ঞ চালানোর বীভৎস বর্ণনা উঠে এসেছে। এ হত্যাযজ্ঞের জন্য দায়ী করে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন শহিদ পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা।

এছাড়াও আলোচিত এ মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তার জেরা শেষ হয় ৪ সেপ্টেম্বর। মামলার তদন্তে তিনি জানিয়েছিলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চালানো হয়েছে এবং ক্ষমা চেয়ে তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে অজানা অনেক তথ্যও উন্মোচন করেন।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে। মামলায় পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠা। সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৮১ জন। এছাড়া, ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

হাসিনা পতনের পর ১০ বিলিয়ন থেকে রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন

হাসিনার পতনের পর ১০ বিলিয়ন থেকে রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসনে ‘ব্যবসার ভবিষ্যৎ: উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়ন’ বিষয়ে দুদিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা গবেষণা ব্যুরো এ সম্মেলনের আয়োজন করে। চবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াইয়া আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. তৈয়ব চৌধুরী।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, সঠিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব পেলে বাংলাদেশ পাঁচ বছরে সোনার খনিতে রূপান্তর হবে। আমাদের দেশে পণ্য তৈরির কাঁচামালের অভাব আছে। তবে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে সে অভাব পূরণ করতে পারে। যে যত চেষ্টা করবে সে ততটা অর্জন করতে পারবে। এখানে কোনো সিন্ডিকেশন নেই। লেবার প্রোডাক্টিভিটি, ইউটিলিটি প্রোপরশন, লজিস্টিক এক্সিলেন্স, কষ্ট টু ফিন্যান্স, অ্যাকসেস টু ফিন্যান্স এবং অ্যাকসেস টু মার্কেট নিশ্চিত করতে পারলে কাঁচামালের অভাব পূরণ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
বাজার ব্যবস্থাপনায় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, গত রমজানে সরকারের অর্থ বিভাগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সামগ্রিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রাখায় নিত্যপণ্যের দাম কম ছিল। ৫ আগস্টের পর বাজারকে সঠিক পথে পরিচালিত করা চ্যালেঞ্জ ছিল। তথাকথিত সিন্ডিকেটের অনেক সদস্য দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল। তখন সাপ্লাই সাইড ঠিক রাখা ছিল খুবই জটিল। সরকারের সামগ্রিক প্রচেষ্টায় আমরা সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করি। এটি সম্ভব হয়েছে ব্যবসায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কারণে।
৫ আগস্টের পর দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পর আমাদের রিজার্ভ ১০ বিলিয়নের মতো ছিল। বিভিন্ন দেশের কাছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে আমাদের দায় ছিল ৬ বিলিয়ন। আমরা সকল দায় পরিশোধ করেছি।বর্তমানে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলার।
ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সরকারের কাছে গণতান্ত্রিক বাজার ব্যবস্থাপনা প্রত্যাশা করেন জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসকেরা ক্রোনিস তৈরি করেছিল। সম্পদের বণ্টন ছিল মারাত্মকভাবে সামঞ্জস্যহীন। যে ক্রোনিস তারা তৈরি করেছিল, দেশের অর্থনীতিতে তাদের ভূমিকা ছিল না বরং তারা বাজার ব্যবস্থাপনাকে অস্থিতিশীল করেছিল। ভবিষ্যতের সরকার যেন সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বাজার পরিচালনা করে এবং নিরপেক্ষ রিফর্ম করে, তাহলে বাজার ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে।

ডিএসইতে প্রথম ঘণ্টায় লেনদেন ২২১ কোটি টাকা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই সব মূল সূচকের দর বেড়েছে। বেলা ১১টা পর্যন্ত এক্সচেঞ্জে ২২১ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইএক্স ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫,৫৪৮ পয়েন্টে, শরীয়াহ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসইএস ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১,২০৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ২,১৫৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

প্রথম ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২১৯টির শেয়ার দর বেড়েছে, ৮৫টির কমেছে, আর ৮৬টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে শাইনপুকুর সিরামিক লিমিটেডের শেয়ারে, যার বাজার মূল্য এই সময়ে ৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রথম ঘণ্টায় শীর্ষে ছিল সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড।

এই উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হচ্ছে, যা বাজারে ক্রমবর্ধমান আকর্ষণ দেখাচ্ছে।

পশুত্ব বর্জন ও মনুষ্যত্ব অর্জনই হোক অঙ্গীকার : তারেক রহমান

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মানুষ হিসেবে আমরা রাষ্ট্র এবং সমাজে নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করতে পারলে, অন্য সব প্রাণীর অধিকার সংরক্ষণের ব্যাপারেও আমরা সতর্ক ও যত্নবান থাকব। সেই বিবেচনা থেকেই দেশের রাজনৈতিক ডামাডোলের বাইরে এসে পশুপাখী প্রেমী, প্রাণী প্রেমী কিছু মানুষের আয়োজনে আজকের প্রাণীবিষয়ক এই আলোচনাটি অবশ্যই অর্থবহ এবং অত্যন্ত ভালো একটি উদ্যোগ। সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য মনুষ্যত্ব অর্জন আর পশুত্ব বর্জনই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
রাজধানীর শেরেবাংলানগরে অবস্থিত চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘প্রাণী ও প্রাণের মিলন মেলা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ এনিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজন করে।
তারেক রহমান বলেন, দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে একজন মানুষ নাগরিক হিসেবে সব গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক অধিকার হারানোর কারণে অনেকের মনে হয়তো এক ধরনের অসহিষ্ণুতার জন্ম নিয়েছে। এই অসহিষ্ণুতা কাটিয়ে একজন মানবিক মানুষ হয়ে ওঠার জন্য, মনুষ্যত্ব অর্জন আর পশুত্ব বর্জনই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের সঙ্গে মানুষের অধিকারের সম্পর্কটা যেমন, বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে পশুপাখি এবং বন্যপ্রাণীর অধিকারের সম্পর্কটাও তেমন। সুতরাং রাষ্ট্র রাজনীতিতে গণতন্ত্র এবং শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠিত থাকলে, বাস্তবিকভাবেই বাস্তুতন্ত্র নিরাপদ থাকে।
তিনি বলেন, এই দেশে ১ হাজার ৬০০টির বেশি প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৯০টি প্রজাতি বিলুপ্তির মুখে চলে গিয়েছে, এটা শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের আরও অনেক দেশেই। মানুষের সৃষ্টি পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রজাতির অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন। বাংলাদেশের গর্ব, ঐতিহ্যের প্রতীক রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাঘও এখন মনে হয় বিলুপ্ত প্রজাতির তালিকায় খুব সম্ভব স্থান করে নিচ্ছে। যতটুকু মনে আছে, ৮০ দশকে বাংলাদেশের সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল সম্ভবত ৫ শর কাছাকাছি। সর্বশেষ জরিপে সেই বাঘের সংখ্যা কমতে-কমতে এখন ১০০টির কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। হাতির সংখ্যাও এখন কমে ২০০টির নিচে চলে এসেছে বোধহয়।
দেশের প্রত্যেকটা নাগরিককে জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতন করা জরুরি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, মানুষ যখন প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, প্রাণীদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করে, তখন এটা মানব সমাজের পরিপক্বতা এবং উন্নত নৈতিকতারই প্রতিফলন ঘটায়। সুতরাং মানুষ তার নিজের প্রয়োজনেই প্রাণীদের বাঁচিয়ে রাখা দরকার। প্রাণীদের আবাস অক্ষত রাখা দরকার।

ফরিদা পারভীনের মৃত্যুতে বিএনপি মহাসচিবের শোক

বাংলাদেশের প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীনের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘দেশের বরেণ্য লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীনের প্রয়াণে সংগীত জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লালনগীতি ও বাউল সঙ্গীতের মাধ্যমে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন। তার কণ্ঠে গাওয়া গানগুলো চিরকাল সংগীতপ্রিয় মানুষের হৃদয়ে স্থান করে রাখবে।’

ফখরুল আরও উল্লেখ করেন, ফরিদা পারভীন শুধু লালনগীতিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং নানামাত্রিক গানের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য মানুষের হৃদয় জয় করেছেন। তাঁর চলে যাওয়া লোকসংগীত ও সংস্কৃতির জগতে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে।

তিনি ফরিদা পারভীনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ফরিদা পারভীন শনিবার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

লন্ডনে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার গাড়িতে হামলার ঘটনায় সরকারের নিন্দা

শুক্রবার তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক বছরপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় একদল বিক্ষোভকারী বাংলাদেশ হাই কমিশনের গাড়িতে ডিম ছুড়ে মারেন এবং কিছুক্ষণের জন্য তাদের পথ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন। লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরকে নিবৃত করেন।

হামলার সময় মাহফুজ আলম গাড়িতে ছিলেন না। বাংলাদেশ হাই কমিশন জানায়, পুলিশ তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছিল এবং উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ‘পূর্ণ নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করেছে।

কয়েক সপ্তাহ আগে নিউইয়র্কে সরকারি কাজে থাকাকালীন মাহফুজ আলমের ওপর হামলার পর এবার লন্ডনেও এ ঘটনা ঘটল। বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের একটি অনুষ্ঠানে বিক্ষোভকারীরা ডিম (এবং কয়েকজনের বর্ণনা অনুযায়ী বোতল) ছুড়ে মারে ও কাচের দরজা ভেঙে দেয়; পরবর্তীতে মিশনের পক্ষ থেকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে স্টেট ডিপার্টমেন্টের স্থানীয় অফিসও রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রকাশ্যে এই হয়রানি চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছিলেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

বাংলাদেশের জনগণ এবং দুই দেশের কর্তৃপক্ষ সভ্যতা ও মূল্যবোধের পক্ষে অবস্থান করলেও এই ধরনের হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ত দুর্বৃত্তরা বর্বরতা ও সহিংসতার জগতে বাস করছে। গণতন্ত্রে এমন কোনো আচরণের স্থান নেই যেখানে যুক্তির বদলে আক্রমণ এবং তর্ক-বিতর্কের পরিবর্তে সন্ত্রাসকে বেছে নেওয়া হয়।

নিউ ইয়র্কে হামলার পরেও সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, সহিংসতা কোনো প্রতিবাদ নয়; ভয় দেখানো কোনো মত প্রকাশের স্বাধীনতা নয়। একই বক্তব্য লন্ডনের ঘটনায়ও পুরোপুরি প্রযোজ্য।

নিউ ইয়র্কের ঘটনার পর আমরা যে নীতিতে জোর দিয়েছিলাম এবারও তা পুনর্ব্যক্ত করছি: বাকস্বাধীনতা, সমাবেশ এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের ভিত্তি, তবে তা অবশ্যই দায়িত্ব ও শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হবে।

কনস্যুলার যানবাহনকে টার্গেট করা এবং চলাচলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা কেবল দায়িত্বজ্ঞানহীনই নয়, এ আচরণ দুই দেশের মাঝে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষায় প্রচলিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডকেও লঙ্ঘন করে। আমরা মেট্রোপলিটন পুলিশের পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের আহ্বান জানাই।

যারা এই আচরণ সংগঠিত করেছে বা প্ররোচিত করেছে তাদের উদ্দেশ্যে আমরা বলতে চাই: শিশুসুলভ আচরণ থেকে বিরত থাকুন। যদি আপনারা সত্যিই আপনাদের নীতিতে বিশ্বাস করেন, তাহলে তা শান্তিপূর্ণভাবে, আইনগতভাবে এবং মর্যাদার সঙ্গে উপস্থাপন করুন। ডিম ছোড়া, মারামারি করা বা ভয়ভীতি প্রদর্শন কারো মন জয় করে না; বরং এতে শুধু প্রমাণ হয় যে আপনাদের আর কোনো যুক্তি অবশিষ্ট নেই।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, আয়োজকগণ এবং প্রবাসীদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই, সভ্য সংলাপের পক্ষে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করুন। কঠিন আলোচনার আয়োজন করুন, কিন্তু এমন আচরণ বজায় রাখুন যা বক্তা, শ্রোতা এবং বৈধ প্রতিবাদকারী উভয়কেই সুরক্ষিত রাখে।

কে, কত জোরে চিৎকার করতে পারে বা কতটা সহিংস হতে পারে তা আন্দোলনের মাপকাঠি নয়, বরং আন্দোলনের মূল্যায়ন নির্ভর করে সেটি কতটা শৃঙ্খলা, মর্যাদা ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখতে পারে সেসবের ওপর।

সরকার এ ঘটনায়-

১. মেট্রোপলিটন পুলিশকে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন করার আহ্বান জানাচ্ছে, যেসব ভিডিও ফুটেজ দেখা যাচ্ছে সেগুলো যাচাই করে অপরাধীদের (ভাঙচুর, হামলা, বাধাদানকারী ব্যক্তি) সনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনুন।

২. রাজনৈতিক নেতা এবং সংগঠকদের আহ্বান জানাচ্ছে, রাজনৈতিক সমর্থন যাই হোক না কেন, আপনারা জনসাধারণের মধ্যে সহিংসতা এবং ভয় দেখানোর ঘটনা প্রকাশ্যে এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করুন।

৩. সরকার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়। একইসঙ্গে কর্মকর্তাদের, শিক্ষার্থীদের ও নাগরিকদের নির্ভয়ে মত প্রকাশ ও সমাবেশ করার সমান অধিকারকেও সমর্থন করে।

গণতন্ত্রে আবেগের প্রয়োজন আছে; তবে আত্মনিয়ন্ত্রণও সমানভাবে প্রয়োজন। বাংলাদেশকে আমরা একটি এমন গণতন্ত্রে রূপান্তরিত করতে চাই যেখানে সব নাগরিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা সমানভাবে রক্ষা পায়। সেই লক্ষ্যে আবেগ ও আত্মনিয়ন্ত্রণ দুটোই প্রয়োজন।

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ২১ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার

গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবে ২১,৩৩৯ জন প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে আবাসিক, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

গ্রেফতারের মধ্যে ১২,৯৫৫ জনকে আবাসিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে, ৪,১৯৮ জনকে সীমান্ত অপ্রকাশ্যভাবে পার হওয়ার কারণে এবং ৪,১৮৬ জনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক করা হয়েছে।

সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অবৈধভাবে প্রবেশকারী কোনো ব্যক্তিকে আশ্রয় বা পরিবহন সুবিধা দিলে ১ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা এবং যাবতীয় সম্পত্তি ও যানবাহন বাজেয়াপ্ত করা হবে।

আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে সৌদি আরব জরুরি নম্বরে কল করার আহ্বান জানিয়েছে। মক্কা ও রিয়াদ অঞ্চলের জন্য হটলাইন ৯১১, অন্য অঞ্চলের জন্য ৯৯৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

‘মানুষের জন্ম হয়েছে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য’

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষ কারো চাকরি করার জন্য জন্মায়নি; বরং মানুষের জন্ম উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মানুষের জন্ম হয়েছে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য, চাকরি করার জন্য নয়। আমাদের লক্ষ্য, প্রতিটি মানুষকে তার নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী যেখানে যেতে চায়, সেখানে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া।’

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ভবন-২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

উপদেষ্টা বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে এখন মানুষ যে কোনো কাজে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছে। তাই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা আগের তুলনায় অনেক বেশি দক্ষ এবং উদ্ভাবনী।

তিনি পিকেএসএফ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক থেকে ২০ কোটি টাকার একটি ফান্ডের মাধ্যমে পিকেএসএফ-এর জন্ম হয়। এটি একটি দারিদ্র্য নিরসনের আন্দোলনের মূল ভিত্তি। আমরা যদি ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে পারি, তবে সত্যিকারের উদ্যোক্তা তৈরি করা সম্ভব।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, পিকেএসএফ এখন নতুন ভবনে এসে নতুন যাত্রা শুরু করছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগী হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আইন ও নীতিমালা আরও সম্প্রসারণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।