Home Blog Page 331

জাতিসংঘে ড. ইউনূসের সফরসঙ্গীর সংখ্যা জানালেন প্রেস সচিব

০

প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীর সংখ্যা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এবং যাচাই-বাছাইবিহীনভাবে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮০তম অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গীদের সংখ্যা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক দাবি ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এবং যাচাই-বাছাইবিহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট থেকে নেওয়া।’

প্রেস সচিব উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার বর্তমান প্রতিনিধি দল অতীতের হাসিনা আমলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট এবং অনেক বেশি মনোযোগী, কর্মঠ ও ফলাফলমুখী।’

হতাশাজনক উল্লেখ করে শফিকু আলম বলেন, ‘টিআইবি দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতার পক্ষে কাজ করছে এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক সমাজ সংগঠন। তবে যাচাই করা তথ্যের পরিবর্তে গুজব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে জনসম্মুখে বিবৃতি দেওয়া হতাশাজনক।’

প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিনিধি দলের সদস্য সংখ্যা ৬২, যা টিআইবির দাবি করা ১০০-এর বেশি নয়। গত বছর প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিল ৫৭ জন, তবে এতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণ করা ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলেও তিনি পরিষ্কার করেন।

শফিকুল আলম জানান, এবারের সফরসঙ্গীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিরাপত্তা কর্মকর্তা, যারা প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন। ‘আওয়ামী লীগের সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা প্রকাশ্য হুমকির কারণে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অনেক কর্মকর্তা প্রতিদিন টানা ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন’ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, গত পাঁচ দিনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল অন্তত এক ডজন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে, যার মধ্যে ছয়টির বেশি রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অন্তর্ভুক্ত।

প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মতো বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আসরে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ তুলে ধরা, যেখানে বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’

তিনি উল্লেখ করেন, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, এমন সময়ে যখন ‘বিভিন্ন মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

প্রেস সচিব অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীরা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে এবং বিদেশে লবিং করছে, যেখানে কিছু আন্তর্জাতিক মহলের নীরব সমর্থনও রয়েছে।

তিনি জানান, সফরসঙ্গী তালিকায় এমন ব্যক্তিরাও আছেন, যারা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য রোহিঙ্গা সম্মেলনে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এটি প্রমাণ করে যে জরুরি মানবিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ঢাকা নেতৃত্ব অব্যাহত রেখেছে।

এছাড়া কয়েকজন উপদেষ্টা আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধি দলের বাইরে থেকেও বৈশ্বিক সমকক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদেরও এ সফরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যাদের সহায়তায় বেশ কিছু কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রেস সচিব বলেন, ‘এই অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

নেতারা গানকে গুরুত্ব না দিলে শিল্পীর কিছু করার থাকে না

০

সংগীত নিয়ে রাষ্ট্রের ভূমিকায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন কিংবদন্তি শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রনেতারা যদি সংগীতকে না বোঝেন কিংবা গানকে গুরুত্ব না দেন, তাহলে শিল্পীদের তেমন কিছুই করার থাকে না। জোর করে ভালোবাসা আদায় করা যায় না। গত মঙ্গলবার এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন সাবিনা ইয়াসমিন। এ সময় রাষ্ট্রীয়ভাবে শিল্পীদের কখনওই যথাযথ কদর করা হয়নি উল্লেখ করে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। শিল্পীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিয়েও ক্ষোভের কথা জানান সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘অনেক গুণী শিল্পী স্বীকৃতি পাননি। রাষ্ট্রের অবহেলার শিকার তারা। কাউকে কাউকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। জীবিত থাকতে যদি সম্মাননা না পাওয়া যায়, মরে গিয়ে তো সম্মাননা পেয়ে লাভ নেই। এ বিষয়টি রাষ্ট্রের গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি।’ সংগীতাঙ্গনের অবস্থা নিয়ে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমাদের দেশে শিল্পী বা তাদের শিল্পকর্মকে কখনওই যথাযথভাবে মর্যাদা দেওয়া হয়নি।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি ভারতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমরা দেখেছি, লতা মঙ্গেশকরের প্রতি সম্মান জানাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নিজে প্রণাম করেছেন। সে দেশে শিল্পীদের প্রতি সম্মান রাষ্ট্রীয়ভাবেই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু বাংলাদেশে তো সে রকম দৃশ্য আমরা পাইনি। বড় বড় শিল্পী চলে গেলেন- সুবীর নন্দী, এন্ড্রু কিশোরসহ অনেকেই। অথচ তাদের গান আর্কাইভ করার উদ্যোগও দেখা যায়নি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ফরিদা পারভীনের মতো শিল্পী নিভৃতে চলে গেলেন। তারা যে ধরনের শিল্প রেখে গেছেন, সেগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হতো। দুর্ভাগ্যজনক, আমাদের এখানে তা হয়নি।’

এর আগে বরেণ্য সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীনের মৃত্যুর পর শিল্পীদের নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছিলেন জনপ্রিয় শিল্পী কনকচাঁপা। তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যখন একজন শিল্পী মারা যায়, তখন পাপ-পুণ্য, বেহেশত-দোজখ নিয়ে এত কথা বলে যে, সেই কমেন্টগুলো দেখলে আমরা খুব ভীত হয়ে যাই। আমাদের খুব খারাপ লাগে।’ তিনি দুঃখ করে বলেন, ‘একজন শিল্পী মারা যাওয়ার পর তার লাশ দাফন করার আগেই তিনি দোজখের কয় নম্বরে যাবেন, সেগুলো নিয়ে কথা বলা শুরু করে মানুষ।’

সাবিনা ইয়াসমিন শিল্পীদের রয়্যালটি ব্যবস্থা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এই গুণী শিল্পীর ভাষায়, বহু দেশে গানের রয়্যালটি শিল্পী ও তাদের পরিবারকে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দেয়। আমাদের এখানে সে ব্যবস্থা নেই। রয়্যালটি পেলে শিল্পীরা আর্থিকভাবে ভালো থাকতেন।

নওগাঁর বদলগাছীতে পাঁচ দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী’র বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

০

মোঃ ফেরদৌস হোসেন, উপজেলা প্রতিনিধি বদলগাছী, নওগাঁ। তাং ২৬-০৯-২০২৫ ইং।

জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলা শাখা।

২৬-০৯-২০২৫ ইং তারিখ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় বদলগাছী বাজার মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চারমাথা সংলগ্ন বাজার মোড়ে সমাবেশের জন্য মিলিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বদলগাছী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইয়াসিন আলী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা মোঃ মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বদলগাছী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও জামায়াতের জেলা বায়তুল মাল সম্পাদকসহ উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা তাদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখ করেন—১. জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন আয়োজন,২. উভয় কক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালু, ৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, ৪. বিগত সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার, ৫. জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।

বক্তারা দাবি করেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সমাবেশে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

২৪ দিনে এলো ২৭ হাজার ২৫৫ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

০

ধারাবাহিক রেমিট্যান্স প্রবাহ চলতি মাসেও অব্যাহত রয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৪ দিনেই ২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৭ হাজার ২৫৫ কোটি (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ১ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২২৩ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার বা ২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার। টাকার অঙ্কে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ প্রায় ২৭ হাজার ২৫৫ কোটি।

এই ধারা অব্যাহত থাকলে পুরো মাস শেষে রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার আসতে পারে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৯০ কোটি ৯০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের ২১ দিন পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ৬৯৩ কোটি ডলার। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৫৭৭ কোটি ডলার। অর্থবছর হিসাবে গত অর্থবছরে একই সময়ের চেয়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ২০ দশমিক ১ শতাংশ।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। আর গেল আগস্টে এসেছিল ২৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার বা ২৯ হাজার ৫৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

তীরে এসে তরী ডোবালো বাংলাদেশ

০

অবশেষে হতাশই করলো বাংলাদেশ। পাকিস্তানের সঙ্গে বাচা-মরার লড়াইয়ে অসহায় আত্মসমপর্ণ করলো টাইগাররা। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে গল্পটা অন্যরকম হতেই পারতো। কিন্তু পাকিস্তানের দেওয়া ১৩৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে ১২৪ রানেই থেমে গেলো বাংলাদেশের ইনিংস।

লাল-সবুজ গ্যালারিতে তখনও স্বপ্ন ঝলমল করছিলো যে—আজই হয়তো ইতিহাস গড়বে টাইগাররা। কিন্তু সেই স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ব্যাটিং ব্যর্থতায়।

শেষদিকে ১ উইকেট হাতে ছিলো বাংলাদেশের। যদিও তখন বেশ দেরি হয়ে গেছে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা বাংলাদেশের হয়ে কেও পারলেন না একটিও জুটি গড়তে।

যে জুটির ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস তৈরি করে ফাইনালে যেতে পারতো। এদিকে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের হয়ে শাহীন শাহ আফ্রিদি ব্যাট ও বল হাতে জ্বলে উঠেছিলেন। তার দাপুটে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার খেতাবও লাভ করেন তিনি।

ব্যাট হাতে তার ১৩ বলে ১৯ রানই শেষদিকে পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ এনে দেয় যার খেসারত দিয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে বল হাতে ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।

এর আগে প্রথম দল হিসেবে সবগুলো ম্যাচ জিতে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করে রেখেছে ভারত।

আপনাদের কি কোনো যোগ্যতা নেই!

০

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। নিয়মিত কাজ করছেন নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে। পাশাপাশি নাম লিখিয়েছেন সিনেমাতেও। সরকারি অনুদানের দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় শেষ করেছেন তিনি। কাজের খবরের পাশাপাশি ব্যক্তিগত নানা বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমেও সরব এই অভিনেত্রী। এরইমধ্যে গতকাল বুধবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে ভক্তদের মাঝে ধরা দেন প্রভা।

কথা বলার সময় এক দর্শক প্রভাকে জানান, তার ছবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া প্রোফাইল চালানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে প্রভা বলেন, ‘হ্যাঁ, অনেকগুলো ফেক আইডি দেখেছি। কালকেও একটা দেখেছি। এমনকি ওই আইডি থেকে আমার ছবিসহ পোস্ট দিয়ে লেখা হয়েছে- ‘আইডির রিচ কমে গেছে, সবাই কমেন্টে সাড়া দিন’। এগুলো মোটেই আমার নয়।’ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় প্রভা আরও বলেন, ‘আপনাদের কি কোনো যোগ্যতা নেই যে আমার ছবি বা কাজ দিয়ে ফেইক করতে হবে? আল্লাহ সবাইকে কোনো না কোনো গুণ দিয়ে পাঠিয়েছেন, সেটা কাজে লাগান। কিন্তু এসব নকল প্রোফাইল বন্ধ করুন।’ তিনি স্পষ্ট করে দেন, তার নামে খোলা কোনো ভুয়া আইডি থেকে কেউ রাজনৈতিক মন্তব্য, দেশবিরোধী কথা বা অর্থ দাবি করলে তা যেন কেউ বিশ্বাস না করেন। প্রভার ভাষায়, ‘আমার নামের প্রোফাইল ব্যবহার করে যদি কেউ এমন কিছু করে, সেটা আমি নই। আপনারা দয়া করে বিচার করবেন না।’

কোমরব্যথা সমাধানে যা করবেন

০

লোয়ার ব্যাক পেইনকে অনেকেই তুচ্ছ করে দেখেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবহেলাই কোমর ব্যথাকে বড় বিপদের কারণ হতে পারে। সামান্য কোমরব্যথা জীবনের গতি থামিয়ে দিতে পারে। মূলত এই ব্যথা কোমরের নিচের অংশে হয়।

অর্থোপেডিক ও স্পোর্টস সার্জন ডা. ওবায়দুর রহমান জানিয়েছেন, কয়েকটি সাধারণ দৈনন্দিন ভুল এই ব্যথাকে বাড়িয়ে তোলে এবং দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ক্ষতির দিকে ঠেলে দেয়।

তিনি বিশেষ করে ৩টি ভুল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন:

১. পা গুটিয়ে বা কুঁজো হয়ে না বসা

পা গুটিয়ে বা সামনে ঝুঁকে বসলে কোমরের মেরুদণ্ড অতিরিক্ত বাঁক নেয়। এতে ডিস্ক হেরনিয়েশনের ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

২. মোটরবাইক বা স্কুটার চালানোয় সতর্কতা

মোটরবাইক চালানোর সময় মেরুদণ্ডে ভার্টিকাল কম্প্রেশন বা চাপ বাড়ে। এই ধাক্কা শোষণকারী ডিস্কগুলো পেছনের দিকে ঠেলে যায়, ফলে ডিস্ক স্লিপ বা হেরনিয়েশনের ঝুঁকি বাড়ে।

৩. সামনে ঝুঁকে ভার না তোলা

বারবার সামনে ঝুঁকে ভারী কিছু তোলা বা সামনে ঝুঁকে কাজ করার ফলে কোমরের ডিস্কে চাপ পড়ে। আর এর ফলে কোমরের নিচের অংশে অনেক ব্যথা হয়। তাই এভাবে কাজ না করাই ভালো।

ডা. রহমানের মতে সুস্থ থাকতে লাইফস্টাইলের দিকে নজর দেয়া জরুরি। তার মতে মেরুদণ্ড ভালো রাখতেও কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। অতিরিক্ত কাজ এবং ভুলভাবে বসার কারণে মেরুদণ্ডে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, যা থেকে কোমরের নিচের অংশে ব্যথার কারণ হতে পারে বলছেন চিকিৎসকরা। হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমেই ব্যথা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

নিয়মিত চোখের যত্ন নিন

০

চোখের যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত কিছু অভ্যাস মানলে চোখ অনেকদিন সুস্থ থাকবে। যে কোনো বয়সেরই এখন স্ক্রিন টাইম বেশি হওয়ায় দরকার বাড়তি সতর্কতা। এছাড়া চোখকে সাজাতে যারা নানাকিছু ব্যবহার করেন তাদের জন্যও আছে বাড়তি যত্নের কিছু নিয়ম। চোখ পরিষ্কার রাখুন: চোখ যে আলাদা করে যত্ন নেওয়ার দরকার সেটাই আমাদের মাথায় থাকে না। কিন্তু চোখ নিয়ে আরেকটু মনোযোগী না হলে চোখের ক্লান্তি চেহারায় বয়সের ছাপ ফেলে দিতে পারে। কয়েকটি নিয়মের মধ্যে সবচেয়ে জরুরি হলো চোখ পরিষ্কার রাখা। প্রতিদিন মুখ ধোয়ার সময় চোখও ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

স্ক্রিন টাইম কমান: অফিস, বাসা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ এখন আমরা দীর্ঘ সময় কম্পিউটার/মোবাইলে থাকি। এমনকি কেউ কেউ মোবাইলে বা ট্যাবে পুরো সিনেমাও দেখে ফেলেন। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকালে চোখ শুকিয়ে যায়। প্রতি ২০ মিনিটে ২০ সেকেন্ড ২০ ফুট দূরে তাকানোর নিয়ম (20-20-20 rule) অনুসরণ করুন। এটি চোখের জন্য আরামদায়ক।

সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করুন: সানগ্লাস কেবল আপনার সৌন্দর্যের জন্য নয়। এটি আপনার চোখকে ক্ষতিকর আলো থেকে রক্ষা করে। বাইরে গেলে অবশ্যই সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

সুষম খাবার খান: ভাবছেন খাওয়ার সঙ্গে চোখের যত্নের কী সম্পর্ক। নিয়মিত সুষম খাবার আপনাকে চোখের যে কোনো জটিলতা থেকে প্রাথমিক রক্ষা করতে পারে। ফলে খাবারের তালিকায় গাজর, পালং শাক, মাছ, ডিম ও ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। এসব খাবার চোখের জন্য ভালো।

পর্যাপ্ত ঘুমান: ঘুম মানুষের জীবনে জরুরি একটি বিষয়। কেবল লন্বা সময় ঘুমই জরুরি না, সে ঘুম হতে হবে নিয়মিত। ঘুমের মধ্যে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, ত্বক রেস্ট পায়, শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, সেটা নিয়মিত না হলে নানা ধরনের অসঙ্গতি দেখা দেয়। তেমনই কম ঘুম হলে চোখে জ্বালা, লালচে ভাব ও ডার্ক সার্কেল হতে পারে। ফলে নিয়ম করে ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে।

চোখে হাত দিবেন না: চোখে হাত দেওয়া এড়িয়ে চলুন। বিশেষ করে নোংরা হাতে চোখ ঘষবেন না। হাত পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করতে হবে। চোখে হাত দিলেও সেটা আলতো করে দিতে হবে।

দিনে যখন যা করতে পারেন: একটি দৈনিক রুটিন তৈরি করে নিতে পারলে ভালো। সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন। দুই মিনিট চোখ বন্ধ করে হালকা ম্যাসাজ করুন। সকালের নাশতায় গাজর, ডিম, শাকসবজি বা ফল রাখুন।

দুপুরে পড়াশোনা বা কাজের সময় মাঝেমধ্যে চোখ বন্ধ করে বসুন। এই বেলা যাই খান না কেন শসা বা ফলের সালাদ খেতে চেষ্টা করেন। বাইরে গেলে সানগ্লাস ব্যবহার করুন। চোখে মেকআপ করলে সাবধানে তুলবেন।

বিকালে চোখ আবারও ধুয়ে ফেলুন। হালকা ময়েশ্চরাইজার লাগান। শোয়ার আগে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন। চাইলে শসা স্লাইস বা টি ব্যাগ চোখের ওপর ১০ মিনিট রাখতে পারেন। রাতের খাবারে মাছ (বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ), শাকসবজি রাখুন।

নিয়মিত চেকআপ: নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করুন- বছরে অন্তত একবার চক্ষু বিশেষজ্ঞকে দেখান।

স্লোভেনিয়ায় নিষেধাজ্ঞা, নেতানিয়াহুর নিরাপদ ভ্রমণ সংকট

০

এবার দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে স্লোভেনিয়া।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার।

এর আগে গত জুলাই মাসে উগ্রপন্থি দুই ইসরায়েলি মন্ত্রী বেজালেল স্মোরিচ এবং ইতামার বেন গিভিরের ওপরও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল স্লোভেনিয়া।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত এই দেশ ২০২৪ সালে ফিলিস্তিনিকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সেই সময়ে আগস্টে ইসরায়েলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের দেশটিতে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা দেয়।

গত বছর নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে নেদারল্যান্ডসের হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। আইসিসির সদস্য দেশগুলো এই পরোয়ানার ভিত্তিতে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য। ফলে বিশ্বের অনেক দেশে নেতানিয়াহু এখন নিরাপদে যেতে পারছেন না।

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাত্রার সময় নেতানিয়াহু আইসিসির সদস্য দেশ ফ্রান্সের আকাশসীমা অতিক্রম না করে ভ্রমণ করেন। যদিও ইতালি ও গ্রিসও আইসিসির সদস্য, তবুও তারা নেতানিয়াহুর বিমানের অবতরণে বাধা দেয়নি।

নেতানিয়াহু ছাড়া ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োহাভ গ্যালান্টের ওপরও আইসিসি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তবে এখনও তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এর বিপরীতে আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বর্তমানে পুরো আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে।

ইয়েমেনে ব্যাপক ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৮

০

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলায় কমপক্ষে ৮ জন নিহত এবং অন্তত ১৪২ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) একাধিক স্থানে এ বিমান হামলা চালানো হয়। হুথি নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর দাবি, এতে অংশ নিয়েছে ডজনের বেশি যুদ্ধবিমান। হুতির কমান্ড হেডকোয়ার্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনা ছিল এ হামলার লক্ষ্য।

অন্যদিকে হুতিদের অভিযোগ, আবাসিক এলাকায় চালানো হয়েছে অভিযান। গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি ভবন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে উদ্ধারকাজ।

এর আগে, বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলের ইলাত শহরে ড্রোন হামলার দাবি করে হুতি। যাতে আহত হয় বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি।