সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইতে বড় দরপতন
বাংলাদেশে আসা জাহাজসহ ৫০টির বেশি ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব রক্ষায় অপরাধের নির্মোহ বিচার গুরুত্বপূর্ণ : বিএনপি
গাজায় শান্তি ফেরাতে ট্রাম্প-সিসির সভাপতিত্বে বিশ্বনেতাদের বৈঠক
গাজায় দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসানে নতুন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। আগামী সোমবার (১৩ অক্টোবর) মিশরের পর্যটন শহর শারম আল-শেখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুপক্ষীয় একটি শান্তি সম্মেলন। সম্মেলনের যৌথ সভাপতিত্ব করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।
মিশরের প্রেসিডেন্ট দফতর শনিবার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ সম্মেলনে বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশের শীর্ষ নেতা অংশ নেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং স্পেনের পেদ্রো সানচেজ।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গাজা উপত্যকার যুদ্ধ চূড়ান্তভাবে থামানো, মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্থিতিশীল আঞ্চলিক কাঠামো গড়ে তোলা।
তবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা হামাসের কোনো প্রতিনিধি এই সম্মেলনে থাকবেন কিনা, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
সম্মেলনের ঘোষণাটি এমন সময়ে এলো, যখন গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত মানুষরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও ঘরে ফেরার চেষ্টা করছেন। কয়েক সপ্তাহ ধরে চালানো ইসরাইলি বোমাবর্ষণে অঞ্চলটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও যুদ্ধবিরতির পর অনেকেই তাদের পুরোনো বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন।
এর আগে গত মাসের শেষ দিকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় আরব ও মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলাদা বৈঠকে বসেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পরবর্তীতে ২৯ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি উপস্থাপন করেন একটি ২০ দফার শান্তি প্রস্তাব।
এই প্রস্তাবকে ঘিরেই গত সপ্তাহে শারম আল-শেখে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়। তিনদিনের আলোচনা শেষে, বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে দুই পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের প্রথম ধাপে সম্মত হয়।
অবশেষে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ইসরাইলি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি অনুমোদন করে। সেই রাত থেকেই গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে জানিয়েছে আইডিএফ (ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী)।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সম্মেলন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে-যদিও এতে সব পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে।
ঝিনাইদহে বিএনপির উদ্যোগে পূজা পুনর্মিলনী
ঝিনাইদহে জেলা বিএনপির উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজা পরবর্তি পূজা পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশ নেন।
শনিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঝিনাইদহ পৌরসভা এলাকার গিলাবাড়িয়া আয়েশা কমিউনিটি সেন্টারে এ পূজা পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়।
ঝিনাইদহ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক মিলন কুমার ঘোষ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ।
ঝিনাইদহ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব সমীর কুমার হালদার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান লাকী, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শেখর, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক তপন বিশ্বাস, সদস্য সচিব প্রহ্লাদ সরকার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক চন্দন বসু মুক্ত, সদস্য সচিব অরুণ কুমার ঘোষ, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক গণেশ চন্দ্র বিশ্বাস, সদস্য সচিব অচিন্ত কুমার রায়, পৌর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক প্রহ্লাদ বিশ্বাস, সদস্য সচিব রাহুল দেব সাহা (পাপ্পু)।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। অতিতে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসররা সাম্প্রদায়িকতা কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্টের পতনের পরে দেশের সকল ধর্মের মানুষ মিলে মিশে একে অপরের ধর্মীয় উৎসব উপভোগ করছে। বাংলাদেশে এখন ভয়হীন এক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজার মতো বড় উৎসব দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপিত হয়েছে। সকল ধর্মের মানুষ পূজার উৎসব আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছে। রাজনৈতিক দল ও নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীলতার মধ্যদিয়ে আগামীতেও দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে সব ধর্মের মানুষ তাদের আচার-উৎসব পালন করবে।
ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত ১৫ কর্মকর্তা সেনা হেফাজতে
মেজর জেনারেল কবিরকে নিয়ে যা জানাল সেনা সদর!
পুরান ঢাকার জীবনচিত্র নিয়ে ‘মহল্লা
পুরান ঢাকার বাহ্যিক আবরণ সময়ের সাথে সাথে বদলে যেতে থাকলেও এখনও পুরনো ঐতিহ্য স্পষ্ট রয়েছে পরতে পরতে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আধিক্য থাকলেও বিভিন্ন কর্মসূত্রে বহিরাগতদের দীর্ঘদিন ধরে উপস্থিতি একদিকে যেমন সমৃদ্ধ করেছে পুরান ঢাকাকে, ঠিক একইভাবে অস্তিত্ব সংকটেও ফেলেছে। সেসব গল্পই এবার পর্দায় তুলে আনছেন নাট্যনির্মাতা ফরিদুল হাসান।
পুরান ঢাকার গল্পে তার পরিচালনায় নির্মিত হচ্ছে তারকাবহুল ধারাবাহিক নাটক ‘মহল্লা’। এরই মধ্যে পুরান ঢাকা, সদরঘাট, উত্তরা ও ফার্মগেটের বিভিন্ন লোকেশনে ধারাবাহিকটির দৃশ্য ধারণ শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ রায়ের রচনায় এই দীর্ঘ ধারাবাহিকটি পহেলা নভেম্বর থেকে বেসরকারি টেলিভিশন বৈশাখী টিভিতে প্রচার শুরু হবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন।
ধারাবাহিকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন যাহের আলভী, ইফফাত আরা তিথি, আবদুল্লাহ রানা, রকি খান, রেশমি আহমেদ, সহীদ উন নবী, তন্ময় সোহেল, সিয়াম মৃধা, সিয়াম নাসির, আশরাফুল আলম সোহাগ, তানভীর রাহী, ইফতি, সাবা সুস্মিতা, অনন্যা ইসলাম, ইমরান হোসেন আজান, ওয়াহিদ ইকবাল মার্শাল, সাইকা আহমেদ, পলিন, উপমা আহমেদ, আঞ্জুমান মেহেজাবিন, জাবেদ গাজী, আয়েশা নাফিসা, অনুভব মাহবুব প্রমুখ।
নাটকটির বিশেষ একটি চরিত্রে রয়েছেন ঢালিউড সিনেমার দর্শকপ্রিয় চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানা। এতে তিনি নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
‘মহল্লা’ প্রসঙ্গে ফরিদুল হাসান বলেন, ‘এটি মহল্লার ভালো ও মন্দের গল্প। ব্যস্ত এই শহরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মহল্লায় সমসাময়িক যেসব ঘটনা ঘটে তা হাস্যরসের মাধ্যমে পর্দায় তুলে ধরা হচ্ছে। এতে অনেক জনপ্রিয় শিল্পীরা অভিনয় করছেন। অস্থির সময়ে স্বস্তি দিবে মহল্লা। পরিবার নিয়ে দেখার মতো একটি গল্প। আমরা প্রায়ই শুনে থাকি পরিবারের গল্প হয় না। তা অনেকটাই ভুল। কারণ, পরিবারের গল্প হয় তবে তুলনামূলক কম। তবে আমি বরাবরই পারিবারিক গল্পকে গুরুত্ব দেই। বর্তমান সময়ের দর্শকদের চাহিদা মাথায় রেখেই মহল্লা নির্মাণ করছি।’
ধারাবাহিকটি নিয়ে আইরিন বলেন, ‘এতে আমি মধু চরিত্রে অভিনয় করেছি। মধু জনপ্রিয় একজন চিত্রনায়িকা। তাকে পুরান ঢাকার একটি মহল্লায় ঘুড়ি উৎসবে পারফর্ম করার জন্য নেওয়া হয়। এরপর ঘটতে থাকে নানা নাটকীয় ঘটনা। আশা করছি, ধারাবাহিকটি প্রচারে এলে সবার পছন্দ হবে।’
গল্পের প্রয়োজনে ‘মহল্লা’ ধারাবাহিকে ‘তানপুরা’ শিরোনামের একটি আইটেম গান রয়েছে। এটি গেয়েছেন মুহিন, পাশাপাশি গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন এই গায়ক। গানের কথা লিখেছেন বিদ্যুৎ রায়। মাইকেল বাবুর কোরিওগ্রাফিতে আইটেম গানটিতে পারফর্ম করেছেন চিত্রনায়িকা আইরিন। সাজসজ্জায় টিটু শিকদার।
শনিবার দেশে ফিরবেন শহিদুল আলম
বাংলাদেশি আলোকচিত্রী এবং মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম আগামীকাল (শনিবার) ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন।
এর আগে শহিদুল আলম স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ইস্তাম্বুলে পৌঁছান। যেখানে তাকে ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বাগত জানান।
তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আমানুর রহমান জানান, শহিদুল আলমের ঢাকায় ফেরার ফ্লাইট শুক্রবার তুর্কি সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ইস্তাম্বুল ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শহিদুল আলমকে আটকের পর জর্ডান, মিশর এবং তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং তার মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে।
এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত : জ্বালানি উপদেষ্টা
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফওজুল কাবির খান বলেছেন, দেশের স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে সিলিন্ডারের বাজার মূল্য ১২০০ টাকার বেশি হওয়ায় শিল্প ও গৃহস্থালি ব্যবহারকারীরা যথাযথ সুবিধা পাচ্ছেন না। অথচ এর দাম ১ হাজার টাকা মধ্যে হওয়া উচিত।
উপদেষ্টা বলেন, এলপিজির প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দাম। বর্তমানে ১২০০ টাকা দামের সিলিন্ডার কিছু ক্ষেত্রে বাজারে ১৪০০–১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাই দামের নিয়ন্ত্রণ, লজিস্টিক উন্নয়ন এবং প্রাইভেট সেক্টরের কার্যকারিতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক মনোভাব ছাড়া দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়। এটি একটি পরিকল্পিত অবস্থার ফল, যা ক্ষমতাসীন কিছু রাজনীতিবিদ ও তাদের সহযোগী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কারণে তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্যাস লাইনের পরিকল্পনায় গ্যাস সরবরাহের চাহিদা উপেক্ষা করা হয়েছে, ফলে শিল্প ও গৃহস্থালিতে বিপুলসংখ্যক অবৈধ সংযোগও হয়েছে।
তিনি বলেন, এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া প্রয়োজন, তাই স্বল্পমেয়াদে ঘাটতি মোকাবিলায় এলপিজি কার্যকর বিকল্প হতে পারে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।


