Home Blog Page 331

গাজা সিটি দখলে হামলা শুরু ইসরায়েলের, একদিনে নিহত ৮১

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় একদিনে আরও ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনার প্রথম ধাপের অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, জেইতুন ও সাবরায় বিরামহীন গোলাবর্ষণে ৮১জন নিহত ছাড়াও বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বুধবার ভোর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধজনিত ক্ষুধায় অন্তত ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ইসরায়েলি সেনারা জানিয়েছে, তারা গাজার সবচেয়ে বড় নগরকেন্দ্র গাজা সিটি দখলের লক্ষ্যে অভিযানের প্রথম ধাপ শুরু করেছে। সেখানে এখনো প্রায় ১০ লাখ মানুষ ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আটকে আছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার ক্ষুধাজনিত কারণে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে অনাহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৯ জনে, যাদের মধ্যে শিশুই রয়েছে ১১২ জন।

ইসরায়েলি হামলার মধ্যে দক্ষিণ গাজায় বাস্তুচ্যুতদের একটি তাবুতে বোমা হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনের সাবেক জাতীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় মোহাম্মদ শালান ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হন। তিনি খাদ্য সহায়তা কেন্দ্রের সামনে ছিলেন। বুধবারই খাদ্যসাহায্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

গাজায় খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া এবং লাগাতার সামরিক হামলার কারণে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নেমে এসেছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করেছে, ইসরায়েলের অবরোধ চলায় গাজায় অপুষ্টি মারাত্মকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। সংস্থাটি বলেছে, এটি কেবল ক্ষুধা নয়, এটি হচ্ছে অনাহার।

নিরাপত্তা উদ্বেগ থাক‌লে ভিসা ইস্যু করে না যুক্তরাষ্ট্র

সব ধরনের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের পূর্ণ সমাধা না হওয়া পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো ভিসা ইস্যু করে না।

বৃহস্প‌তিবার (২১ আগস্ট) ভিসা সংক্রান্ত এক পোস্টে ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস এ কথা জানায়।

ওই পো‌স্টে উল্লেখ করা হয়, ‘ভিসা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় জাতীয় নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। যতোক্ষণ না সব ধরনের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের সমাধান হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ভিসা ইস্যু করা হয় না। ভুয়া নথিপত্র দাখিলকারী আবেদনকারীদের কোনো ভিসা দেওয়া হয় না, এবং তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী এবং সংশ্লিষ্ট দেশেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

ফের ঢাকা ও সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড

আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছেন ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। তবে সংঘর্ষের কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ।

নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হক বলেন, দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন এবং সংঘর্ষের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি, ৯ ফেব্রুয়ারি ও ১৮ মার্চ ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে জড়ান।

শ্রেয়াস ও জয়সওয়ালের প্রতি এটি একেবারেই অন্যায়’

আসন্ন এশিয়া কাপের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড মঙ্গলবার ঘোষণা করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। শ্রেয়াস আইয়ার ও যশস্বী জয়সওয়ালদের মতো তারকাদের জায়গা না পাওয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে প্রচুর। জয়সওয়াল যেখানে স্ট্যান্ডবাই তালিকায় আছেন, শ্রেয়াসের নাম নেই সেখানেও। এ প্রসঙ্গে নানা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে (আইপিএল) ২০২৪ আসরে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নেতৃত্ব দিয়ে শিরোপা জেতান আইয়ার। পরে ভারতের ঘরোয়া লীগ মুশতাক আলী ট্রফিতেও দলকে ট্রফি এনে দেন। শেষ আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নিয়ে যান ফাইনাল পর্যন্ত। তবু ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে জায়গা হয়নি এ ৩০ বছর বয়সী ক্রিকেটারের। নির্বাচক অজিত আগারকার এ নিয়ে বলেন, ‘শ্রেয়াসের সুযোগ না পাওয়াটা দোষের নয়, এমনকি আমাদেরও দোষ নয়। দলে ১৫ জনই থাকতে পারে। এর বেশি ক্রিকেটারকে রাখার সুযোগ নেই। ওকে কার জায়গায় নেয়া যেত?’ শ্রেয়াসের মতো জয়সওয়ালের ১৫ জনের দলে জায়গা না পাওয়াটা অনেকের কাছে বিস্ময়কর। সবশেষ আইপিএলে ১৪ ম্যাচে ৪৩ গড়ে ১৫৯.৭১ স্ট্রাইক রেটে ৫৫৯ রান করেন এ বাঁহাতি ব্যাটার। মূলত ওপেনারদের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েন এ ২৩ বছর বয়সী ক্রিকেটার। এ বিষয়ে আগারকার বলেন, ‘যশস্বীর দলে না থাকাটা দুর্ভাগ্যজনক। অভিষেকের পারফর্মেন্স উপেক্ষা করা কঠিন ছিল। আমরা টি-টোয়েন্টিতে ওর পারফর্মেন্স জানি। পাশাপাশি অভিষেক বলও করতে পারে, যা অধিনায়কের হাতে অতিরিক্ত বিকল্প দেয়। ওদের দু’জনের মধ্যে একজনকে বসতেই হতো।’ এদিকে শ্রেয়াসকে দলে না রাখায় অখুশি ভারতের সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন আশ্বিন। নিজের ইউটিউব চ্যানেল অ্যাশ কি বাত-এ তিনি বলেন, ‘শ্রেয়াস আইয়ারের মতো একজন ক্রিকেটারের আর কী করার ছিল? দলে ফিরে সে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছে… কেকেআরকে জিতিয়েছে, পাঞ্জাবকে ফাইনালে তুলেছে, শর্ট বলে দুর্বলতাও কাটিয়েছে। রাবাদা আর বুমরাহদের সহজেই খেলেছে। তার জন্য আমি ভীষণ দুঃখিত। শ্রেয়াস আর জয়সাওয়ালের প্রতি এটি একেবারেই অন্যায়।’

ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান মনে করেন শ্রেয়াসকে শুধু খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের অংশ হিসেবেও বিবেচনা করার দরকার ছিল, ‘শ্রেয়াস কেবল টি-টোয়েন্টি দলেই নয়, নেতৃত্বের গ্রুপেও যে সে অনুপস্থিত এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। এ মুহূর্তে ধৈর্য্যই তার প্রধান হাতিয়ার।’ অন্যদিকে শ্রেয়াসের জায়গা না পাওয়াকে একধরণের পক্ষপাত বলে মনে করেন ভারতের সাবেক সহকারী কোচ অভিষেক নায়ার, ‘আমার একটা বিষয় জানার ইচ্ছা, আপনাদের রিজার্ভ খেলোয়াড়ের তালিকায়ও কীভাবে সে (শ্রেয়াস) নেই? অথচ বলছেন সে শক্তিশালী প্রতিযোগী ছিল। মাঝেমধ্যে নির্বাচকদের সভা ও আলোচনাকে খুব মজার মনে হয়। তবে আমি বুঝতে পারছি না, ২০ জনের তালিকায়ও কীভাবে আইয়ারের জায়গা না হয়। তার মানে হয়তো তাকে টি-টোয়েন্টির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হচ্ছে না। সম্ভবত আইয়ার অন্য কারও চেয়ে কিছুটা কম পছন্দের!’

মেসি আমাকে আরও ভালো কোচ হতে সাহায্য করেছে’

ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় ও কোচদের তালিকা করলে লিওনেল মেসি আর হোসে মরিনহোর নামটা উপরের দিকেই থাকবে। ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’ খ্যাত মরিনহো বেশ কয়েকবারই প্রতিপক্ষ দলে খুঁজে পেয়েছেন মেসিকে। রিয়াল মাদ্রিদে থাকতে এ আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে রুখতে একের পর এক ছক কষতে হয়েছে মরিনহোকে। এবার এ পর্তুগিজ অভিজ্ঞ কোচ জানালেন, মেসিকে ঠেকানোর চ্যালেঞ্জই তার কোচিং দক্ষতা বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।

যদিও শুধু স্প্যানিশ জায়ান্টদের কোচ হিসেবেই নয়, পোর্তো, চেলসি ও ইন্টার মিলানে থাকাকালীনও মেসিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পান মরিনহো। ২০০৩-এর নভেম্বরে এক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে মরিনহোর পোর্তোর বিপক্ষেই বার্সেলোনার হয়ে অভিষেক হয় মেসির। তবে রিয়ালের দায়িত্বে থাকা অবস্থাতেই মেসিকে নিয়ে বেশি ভাবতে হয় এ ৬২ বছর বয়সী কোচকে। ক্রীড়াবিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল স্পোর্টিনেটকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মরিনহোর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কোন খেলোয়াড় তার কোচিং দক্ষতা বাড়াতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে। উত্তরে তুর্কি ক্লাব ফেনারবাচের বর্তমান কোচ মরিনহো বলেন, ‘মেসি, কেননা তার বিপক্ষে যতবারই খেলা ছিল, প্রতিবারই সে আমাকে আরও বেশি ভাবতে বাধ্য করেছে।’ যদিও সর্বকালের সেরা ফুটবলারের বিতর্ক একেবারেই ঠান্ডা মাথায় নিতে পারেননি মরিনহো। একটু রাগের সুরেই বলেন, ‘এ বিতর্ক আমার কাছে অন্যায্য মনে হয়। এ বিষয়ে কেউ যখন কথা বলে, তখন আমার মেজাজ খারাপ হয়। নতুন প্রজন্ম এখনকার ফুটবল সম্পর্কে জানে। তবে পেলে, ইউসেবিও বা বেকেনবাওয়ারকে গভীরভাবে জানে না। অথচ তারা তাদের সঙ্গে বর্তমান (ফুটবলারদের) তুলনা করে।’ ঠিক কী কারণে অতীত আর বর্তমানের মধ্যে এ তুলনা টানা ঠিক নয়, সে প্রসঙ্গে মরিনহো বলেন, ‘তাদের সময়ের ফুটবল আর আজকের ফুটবল এক নয়। ৪০ বছর আগে বৃষ্টি হলে বলের ওজর ১০ কেজি হয়ে যেত। আর এখন শাঁ শাঁ করে বল ওড়ে।’

ইউরোপের ফুটবলের অধ্যায়ের সমাপ্তি করে বর্তমানে আমেরিকার মেজর লীগ সকারে (এমএলএস) খেলছেন মেসি। আগামীকাল লীগস কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইন্টার মায়ামির হয়ে টাইগ্রেস ইউএএনএলের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টাইন মহাতারকা। অন্যদিকে মরিনহো ব্যস্ত ফেনারবাচেকে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের মূল পর্বে তোলার প্রস্তুতিতে। তাই মেসি আর মরিনহোকে হয়তো আরেকবার ফুটবল মাঠে কখনওই একে অপরের বিপক্ষে দাঁড়াতে দেখা যাবে না।

জামিলের সঙ্গে বিয়েতে রাজি ছিলেন না মুনমুন

চলতি বছর বিয়ে করেছেন ছোট পর্দার ব্যস্ত অভিনেতা জামিল হোসেন ও অভিনেত্রী মুনমুন আহমেদ মুন। দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই জুটি। যদিও প্রথমে বিয়েতে রাজি ছিলেন না মুনমুন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, আম্মু আগে বলতো যে, নোয়াখালী-বরিশালের ছেলেদের কাছে আমাকে বিয়ে দিবে না বা আমার তিন ভাই আছে, তাদের কাউকে বিয়ে দিবে না।

তিনি আরো বলেন, নোয়াখালীতে গিয়ে আমার বিয়ে হয়েছে। আমি তো এ বিয়েতে রাজি ছিলাম না! পরে আব্বু-আম্মু সবাই আগে আমাকে রাজি করিয়েছে। জামিল ভালো ছেলে, রাজি হও। কেন বিয়ে করবে না- এমন কথা বলেছে। আমি যে নোয়াখালীর ছেলেকে বিয়ে করলাম আমার এখন মনে হচ্ছে, সব দেশে আসলে ভালো-মন্দ দুইটাই থাকে। জামিলের জন্ম সিলেটে তবে পৈত্রিকসূত্রে নোয়াখালীর। ভালো মানুষ সে। প্রসঙ্গত, স্ত্রী মুনমুনের সঙ্গে একসঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু নাটকে কাজ করেছেন জামিল। সেখান থেকেই দুজনের পরিচয়। আর সেই পরিচয় একটা সময় গড়ায় ভালো লাগায়।

“ট্রায়াল অব সূর্যসেন” নাটকের ৩৮ তম মঞ্চায়ন শিল্পকলায়

ব্রিটিশবিরোধীআন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়বস্তুকেউপজীব্য করে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নাটক মঞ্চে আনে নাট্যদল ঢাকা পদাতিক। নাটকটি রচনাও নির্দেশনায় ছিলেন নাট্যজন মাসুম আজিজ। তার মৃত্যুর পর নবনির্দেশনার কাজটি করছেন দেশের প্রথিতযশা অভিনেতা, নির্দেশকনাদের চৌধুরী।

আগামী ২০জুলাইবাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে সন্ধ্যা সাতটায় নাটকটিরপ্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ১৮ ও ১৯ জুলাইচলবে নাটকটির মহড়া।

গত বছর দিল্লিতেআন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত এই নাটকের দুটি প্রদর্শনী হয়। সেখানে বেশ প্রশংসা কুড়ায় এটি।নবনির্দেশনার অনুভূতি জানিয়ে নাদের চৌধুরী বলেন, “ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ ব্রিটিশবিরোধীআন্দোলন নিয়ে ঐতিহাসিক একটি নাটক। এর রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত মাসুম আজিজভাই। পরবর্তীতে এই নাটকের কিছু কিছু জায়গায় প্রয়োজনসাপেক্ষে অলংকরণ করে নবনির্দেশনারকাজটি আমি করেছি। ‘মাস্টারদা সূর্যসেন’ নাটকের প্রধান চরিত্রটি আমি রূপায়ণ করছি। ঐতিহাসিকএই নাটক আমাদের এখনকার জেনারেশনের দেখা উচিত।”

নাটকটিতে চরিত্রেরসংখ্যা প্রায় ৪০। এসব চরিত্র হলো—সূর্যসেন, প্রীতিলতা, কল্পনা দত্ত, অম্বিকারায়, নির্মল সেন, ব্রিটিশ উকিল, নেত্র সেন,বাঙালি উকিল প্রমুখ। এসব চরিত্র রূপায়ণ করছেন, নাদেরচৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নানটু, শাহনাজ পারভিন জয়া, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসান,সাবিহা জামান, আক্তার হোসেন, তারেক আলী মিলন, আতিক, রবিউল মিলটন, আল আমিন, সুমন ঘোষ, ফারজানানিপা, আরিফ, মাক্সুদসহ অনেকে। এই নাটকের আলোক প্রক্ষেপনে রয়েছেন জাকারিয়া কিরন এবং সঙ্গীত আয়োজনে রয়েছেন আবুল বাশার সোহেল।

উল্লেখ্য, ২০১৮সালের ১৮ জানুয়ারি নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

নিউ টাউনে নির্বাসিত আওয়ামী নেতাদের দিন কাটে শরীরচর্চা-রূপচর্চা-ভার্চুয়াল বৈঠকে

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার এক বছর পার হয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও বেশিরভাগই পালিয়ে ভারতের কলকাতার নিউ টাউনে বসবাস করেছেন। প্রশস্ত সড়ক, সাশ্রয়ী ভাড়া এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার কারণে এই এলাকা তাদের জন্য আদর্শ আবাসস্থল হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং স্বৈরাচারী হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের স্বপ্নই তাদের প্রতিদিনের জীবনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। তবে, এই নির্বাসন শুধুই নিরাপদ আশ্রয় নয়, বরং নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ, সন্দেহ ও রাজনৈতিক চাপও নিয়ে এসেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, ছাত্র-জনতার নেতৃত্বাধীন কোটা-বিরোধী আন্দোলনের ফলে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ত্যাগ করে পালিয়ে ভারতে গেছেন। এরপর প্রায় ১,৩০০ জন সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও মধ্যপর্যায়ের নেতা, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের কর্মী ভারতের বিভিন্ন স্থানে নির্বাসিত হন। তারা বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ মনে করছেন এবং হাসিনার দেশে ফিরে আসাকে তাদের একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন। এই নেতা-নেত্রীরা শুধু রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য নয়, ব্যক্তিগত সুবিধা এবং বিদেশে থাকার সুযোগও খুঁজছেন, যা সাধারণ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করেছে।

নিউ টাউনে বসবাসরত সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ. আরাফাত বলেন, “আমার জীবন এখন শুধুই কাজ। শখের বা বিনোদনের জন্য সময় নেই। হাসিনা চলে যাওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ অন্ধকারে ডুবে গেছে। আমাদের একটাই লক্ষ্য—দেশকে আবার ঠিক করা।” আরাফাতের দৈনন্দিন জীবন ঘুম, কাজ, অনলাইন মিটিং এবং রাজনৈতিক পরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ। তিনি নিয়মিত বাংলাদেশের তৃনমূল কর্মী ও সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল কলকাতায় তাঁর পরিবারসহ আছেন। তিনি প্রতি সপ্তাহে দিল্লি যাত্রা করেন দলীয় বৈঠক ও ভারতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য। স্থানীয় সাংবাদিকদের মতে, তিনি রাজনৈতিক কাজের পাশাপাশি পারিবারিক নিরাপত্তা ও নিজের সুবিধা নিশ্চিত করতে ভারতীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। যদিও তাদের কাজ দেশের জন্য হওয়া উচিত, বাস্তবে এটি রাজনৈতিক স্বার্থ এবং বিদেশে অবস্থানের সুবিধা অর্জনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

পালিয়ে যাওয়া এইসব নির্বাসিত নেতাদের জীবন শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ নয়। কিছু নেতারা তাদের ব্যক্তিগত যত্ন—যেমন ব্যায়াম, রূপচর্চা, ঘুরাফেরা এবং চুল প্রতিস্থাপনে ব্যস্ত থাকছেন। কক্সবাজারের এক সাবেক সংসদ সদস্যের ১,৫০০ বর্গফুট অ্যাপার্টমেন্টে মাসিক ৩০,০০০ টাকায় থাকা, পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে রান্না শেখা এবং স্থানীয় শরীরচর্চা (ফিটনেস) ক্লাসে যোগ দেওয়া—সবকিছু রাজনৈতিক অস্থিরতার আড়ালে একটি স্বার্থপর জীবনধারার ইঙ্গিত দেয়।

বহুদূরে কানাডার অটোয়াতে বসবাসরত আওয়ামী পন্থী কূটনীতিক হারুন আল রশিদ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে লেখালিখি করছেন। তবে তার কর্মকাণ্ডও বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ইউনুস প্রশাসনের সমালোচনার সাথেই যুক্ত। এইসব কর্মকান্ডে দেখায় যে বিদেশে অবস্থানকারীরা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ এবং ব্যক্তিগত পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করছেন।

পালিয়ে যাওয়া নির্বাসিত নেতাদের জন্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিদেশে অবস্থান শুধুই দেশের জন্য নৈতিক বা দায়িত্বশীল কাজ নয়। বরং এটি প্রায়শই ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা, বিদেশে আরামদায়ক অবস্থান এবং বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্নতার দৃষ্টান্ত। তাদের ব্যক্তিগত ও পার্টি কার্যক্রম রাজনৈতিক স্বার্থ ও ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য পরিচালিত হচ্ছে, যা দেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে।

কলকাতায় নির্বাসিত আওয়ামী লীগ নেতাদের জীবন রাজনৈতিক স্বার্থ, ব্যক্তিগত সুবিধা এবং বিদেশে থাকা সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ। তারা দেশ ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন, কিন্তু নিজেদের স্বার্থ এবং দলের উদ্দেশ্যের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুধুই সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করছে না, বরং নেতাদের নৈতিক দিক এবং দেশপ্রেমকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ভয়াবহ যৌন নির্যাতনের শিকার নারী সদস্যরা

ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে যৌন নির্যাতন ও হয়রানির একটি গভীর উদ্বেগজনক ধরণ নিয়ে আবারও তোলপাড় শুরু হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীতে কয়েক দশক ধরেই গুরুতর এই সমস্যা চলমান রয়েছে। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে ধামাচাপা এবং প্রাতিষ্ঠানিক নীরবতায় যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলি অপ্রকাশিতই থেকে যায়।

সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অমিত কুমার প্রকাশ করেছেন, তার স্ত্রীকে ওড়িশায় পারিবারিক ওয়ার্ড থেকে আনার পর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা ধর্ষণ করেছিলেন। ভিডিও প্রমাণ এবং তিনজন ব্রিগেডিয়ার ও একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলের নামে আনুষ্ঠানিক এফআইআর থাকা সত্ত্বেও অপরাধের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের খালাস দেওয়া হয়েছে। কুমার প্রকাশ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব এবং পুলিশের বিরুদ্ধে যোগসাজশের অভিযোগ এনে বলেছেন, ভুক্তভোগীদের রক্ষা করার পরিবর্তে ভয় দেখানো হয় এবং চুপ করে রাখা হয়।

এই ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ২০১৫ সালে রাজস্থানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কর্পসের একজন তরুণী কর্মকর্তা তার কমান্ডিং অফিসারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি এবং অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য বিস্তারিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি ইচ্ছাকৃতভাবে কয়েক মাস ধরে বিলম্বিত করা হয়, যার ফলে তরুণী কর্মকর্তার মানসিক আঘাত আরও খারাপ হয়ে পড়ে এবং তাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর কাছে আবেদন করতে বাধ্য করা হয়।

এর আগে, ২০০৮ সালে আর্মি সাপ্লাই কর্পসের ক্যাপ্টেন পুনম কৌর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানসিক ও যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। কিন্তু পরে তাকে মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে এবং এটিকে যাচাই-বাছাই ছাড়াই ভুক্তভোগীকে দোষারোপ করার নীতি হিসেবে নিন্দা করা হয়।

আরও বৃহত্তর পরিসরে বলা যায়, ভারতীয় সেনাবাহিনী অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে অভিযানের সময় ব্যাপক যৌন সহিংসতায় জড়িত। ১৯৯১ সালে কুপওয়ারা জেলার কুনান এবং পোশপোরার ঘটনাটি সবচেয়ে কুখ্যাত উদাহরণ। ভারতীয় সৈন্যরা তল্লাশি অভিযানের সময় কয়েক ডজন কাশ্মীরি নারীকে গণধর্ষণ করে। একটি এফআইআরে ২৩ জন ভুক্তভোগীর নাম নথিভুক্ত করা হলেও অধিকার গোষ্ঠীগুলি বিশ্বাস করে, প্রকৃত সংখ্যাটি ১০০ এর কাছাকাছি। আন্তর্জাতিক নিন্দা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত ন্যায়বিচার অস্বীকার করা হয়েছে।

১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিক থেকে কাশ্মীর এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও একই ধরণের নৃশংসতার খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনা নির্যাতন, ভয় দেখানো এবং দায়মুক্তির একটি বিরক্তিকর ধরণ প্রকাশ করছে। ‘শূন্য সহনশীলতার’ সরকারি দাবি সত্ত্বেও বেশিরভাগ মামলা হয় বিলম্বিত হয়, চাপা দেওয়া হয়, অথবা অফিসাররা নিজেরাই তদন্ত করে, ফলে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা হয়।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, কর্নেল অমিত কুমারের অভিযোগ মহিলা অফিসার এবং বেসামরিক নাগরিকদের সাথে জড়িত ঐতিহাসিক ঘটনাগুলির সাথে মিলে যায়, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর মধ্যে যৌন সহিংসতার একটি ভয়ঙ্কর চিত্র তুলে ধরছে।

পারমাণবিক শক্তি সম্প্রসারণে চীনের পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র চিন্তিত

বিশ্বের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে চীনের পারমাণবিক অস্ত্র সম্প্রসারণের কারণে। মার্কিন সামরিক ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন কেবল প্রচলিত সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে না, বরং তার পারমাণবিক বাহিনীর আকার ও সক্ষমতাও দ্রুত ও টেকসইভাবে বাড়াচ্ছে। বুধবার (২০ আগস্ট) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

চীনের পারমাণবিক সম্প্রসারণের বিষয়টি মার্কিন কংগ্রেসেরও সতর্কতার কারণ। মার্কিন কৌশলগত কমান্ডের কমান্ডার জেনারেল অ্যান্থনি কটন মার্চ মাসে জানিয়েছিলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নির্দেশ দিয়েছেন ২০২৭ সালের মধ্যে তাইওয়ান দখলের জন্য সেনাবাহিনী প্রস্তুত রাখতে। এর জন্য স্থল, আকাশ ও সমুদ্র থেকে আঘাত হানতে সক্ষম পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে। পেন্টাগনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন নিজস্ব নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক প্রভাব বৃদ্ধির জন্য এই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

চীনের ২০২৩ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি অনুযায়ী, তারা ‘প্রথমে ব্যবহার নয়’ নীতি মেনে চলে এবং পারমাণবিক অস্ত্র কেবল আত্মরক্ষার জন্য রাখে। বেইজিংয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পারমাণবিক যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয় এবং এটি চালানো উচিত নয়। তবে পেন্টাগন ও মার্কিন বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের কৌশলে সম্ভাব্য প্রথম ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, বিশেষ করে যদি প্রচলিত সামরিক আক্রমণ কমিউনিস্ট শাসনের টিকে থাকার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা যায়।

বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টসের মতে, চীন দ্রুত তার পারমাণবিক অস্ত্রাগার সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ করছে। বর্তমানে প্রায় ৬০০টি ওয়ারহেড রয়েছে, এবং ৩৫০টি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো ও রোড মোবাইল লঞ্চারের জন্য নতুন ঘাঁটি তৈরি হচ্ছে। পিপলস লিবারেশন আর্মির কাছে স্থলাভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য প্রায় ৭১২টি লঞ্চার রয়েছে, যার মধ্যে ৪৬২টি মহাদেশীয় যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে সক্ষম। ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের লক্ষ্য ১,০০০-এরও বেশি কার্যকরী পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরি করা।