Home Blog Page 332

জুলাই হত্যাকাণ্ড মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদের জামিন স্থগিত

জুলাই আন্দোলনে যাত্রাবাড়ীর ইমাম হাসান তাইম হত্যার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় পুলিশের এসআই সাজ্জাদ-উজ্জামানকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।

বুধবার (২০ আগস্ট) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের বিশেষ চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এসআই সাজ্জাদ-উজ্জামানকে জামিন দেন। এ নিয়ে শহীদ পরিবারের সদস্যরা ব্যাপক সমালোচনা করেন।

এ বিষয়ে গতকাল এক ফেসবুক পোস্টে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে শহীদ পরিবারের করা একটি মামলায় হাইকোর্ট পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্যকে জামিন দিয়েছেন। এটি নিয়ে শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্বাভাবিক কারণেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তবে এই জামিনের সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

হাইকোর্ট দেশের উচ্চ আদালত। হাইকোর্ট বা উচ্চ আদালত আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারের অধীনে নয়। জামিন বা হাইকোর্টের অন্য কোনো সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাই আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

হাইকোর্ট উচ্চ আদালত হলেও তার সিদ্ধান্ত প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে উপরোক্ত জামিনাদেশের বিরুদ্ধে তাই আপিল করা হয়েছে। কালই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। জামিন বাতিল হলে পুলিশ উপরোক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করবে।

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার আতিক-পলক

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন ইসতিয়াক মাহমুদ হত্যা চেষ্টা মামলায় ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং মোহাম্মদপুর থানা ট্রাক ড্রাইভার মো. হোসেন হত্যা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ মিজবাহ উর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। পরে আদালত সেটি মঞ্জুর করেন।

আতিকের মামলার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ১৮ জুলাই ইসতিয়াক মাহমুদ নামে এক ব্যবসায়ীসহ অন্যান্যরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। উত্তরা পূর্ব থানাধীন চার নং সেক্টরস্থ আজমপুর নওয়াব হাবিবুল্লাহ হাই স্কুলের সামনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। ইসতিয়াকের পেটে গুলি লাগে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরে গত ২৯ অক্টোবর মামলা দায়ের করেন।

পলকের মামলার সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই মালবাহী ট্রাক গাবতলীতে পার্কিং করে ভাড়া বাসায় যাচ্ছিলেন ড্রাইভার মো. হোসেন। দুপুর আড়াই টার দিকে চাঁদ উদ্যানের হোসেন মার্কেটের এলাকায় পৌঁছালে আসামিদের ছোঁড়া গুলি বুকের বাম পাশ ছিদ্র করে ডুকে যায়। পরের দিন রাত তিনটায় ছেলের মৃতদেহ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ ঘটনায় নিহতের মা রীনা বেগম গত ৩১ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০.৮১ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৮১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) পদ্ধতি অনুসারে, বাংলাদেশের নিট রিজার্ভ বর্তমানে ২৫ দশমিক ৮১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা ধার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে জুলাইয়ে রেকর্ড পরিমাণে বিশেষ তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকে তারল্য সংকট কমাতে এবং লেনদেন স্বাভাবিক করতেই এই সহায়তা দেওয়া হয়।

ওই মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়। এর বিপরীতে সুদের হার ছিল ১০ থেকে ১২ শতাংশ। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেপোর মাধ্যমে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদে মোটা অঙ্কের টাকা ধার দিয়েছে।

গত জুন মাসে বিশেষ তারল্য সহায়তা বাবদ দেওয়া হয়েছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত দেওয়া বিশেষ তারল্য সহায়তার মধ্যে গত জুলাইয়ে দেওয়া সহায়তাই সর্বোচ্চ। সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংক খাতে লুটপাটের কারণে সৃষ্ট ক্ষত আরও প্রকট হচ্ছে। লুটের অর্থ এখন খেলাপি হচ্ছে। যে কারণে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। এখন ব্যাংকগুলোয় খেলাপি ঋণ ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ফলে ব্যাংকগুলোর সম্পদের মান খারাপ হচ্ছে। এর বিপরীতে তারল্য সংকট বাড়ছে। তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংকগুলো যেমন আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না, তেমনই গ্রাহকদের চাহিদামতো ঋণও বিতরণ করতে পারছে না। আগে বিতরণ করা ঋণ খেলাপি হওয়ায় এবং নতুন ঋণ বিতরণ কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর আয়ও কমে যাচ্ছে। এতে স্বাভাবিক লেনদেন করতে পারছে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানামুখী উপকরণ ব্যবহার করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে জরুরি প্রয়োজনে বিশেষ তারল্য সহায়তা দেয়। এক দিন থেকে এক বছর মেয়াদি এসব সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে স্বল্পমেয়াদি অনেক সুবিধার অর্থ ব্যাংকগুলো পরিশোধ করে দিয়েছে। প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে সবচেয়ে বেশি তারল্য সুবিধা দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রোপোর মাধ্যমে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর আগে কেনা ট্রেজারি বিল রেখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা দেওয়া হচ্ছে। এ খাতে জুলাই মাসেই সর্বোচ্চ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকা। জুনে দেওয়া হয়েছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি এবং মে মাসে দেওয়া হয় ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিমাসে এক লাখ টাকার কম করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হয়েছে কলমানি মার্কেট থেকে। এ মার্কেট থেকে জুলাইয়ে ব্যাংকগুলো এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে মোট সহায়তা নিয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা। গত জুনে নিয়েছে ৮৯ হাজার কোটি টাকা, মে মাসে নিয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক লাখ কোটি টাকার বেশি ধার নেওয়া হয়েছে। বাকি সময়ে ধারের পরিমাণ প্রতিমাসে ১ লাখ কোটি টাকার কম ছিল।

আন্তঃব্যাংক রেপোর মাধ্যমেও এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে ধার করছে। কিন্তু এ খাতে লেনদেন কম হচ্ছে। গত জুলাইয়ে এ খাতে লেনদেন হয়েছে ৩০ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা। জুনে আন্তঃব্যাংক রেপোতে লেনদেন হয়েছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা। গত জানুয়ারিতে এ খাতে সর্বোচ্চ ৩৯ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাচ্ছে তারল্য ব্যবস্থায় সমতা আনার জন্য ব্যাংকগুলো আন্তঃব্যাংক ব্যবস্থাপনায় জোর দিক। কিন্তু ব্যাংকগুলোর আস্থাহীনতা (বিশেষ করে দুর্বল ব্যাংকগুলোর প্রতি সবল ব্যাংকগুলোর) এমনভাবে বেড়েছে, এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে ধার নিয়ে পরিশোধ করতে পারছে না। এ খাতে দেওয়া ধারও খেলাপি হচ্ছে। ইতোমধ্যে এক্সিম ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া থেকে ধার নিয়ে খেলাপি হয়ে পড়েছে। এটি নিয়ে মামলাও হয়েছে। আরও কিছু ব্যাংকের ধারদেনা পরিশোধের ব্যর্থতার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে।

কোনো সনদই সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয়

জুলাই জাতীয় সনদে ৮৪টি দফা আছে। কিছু দফায় বিএনপি একমত, কিছু দফার সঠিক উপস্থাপন হয়নি বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো সনদই সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয়।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) গুলশানের নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সব দলের ঐকমত্য হওয়া দফাগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, আর যেসব বিষয়ে আপত্তি (নোট অব ডিসেন্ট) আছে সেগুলোর সমাধান কী হবে-সেই পর্যালোচনা করেই আমরা মতামত দেব। তিনি জুলাই সনদে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে যোগ করেন, অনেক বিষয় নির্বাহী আদেশ বা অধ্যাদেশে বাস্তবায়নযোগ্য। তবে সংবিধান সংশোধন এবং ঐকমত্যের বিষয়গুলো পরবর্তী সংসদকে দুই বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে।

তবে দ্বিতীয় দফার আলোচনায় অঙ্গীকারনামায় জুলাই সনদের কিছু দফা যুক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো সনদই সংবিধানের ঊর্ধ্বে নয়। এভাবে উপরে রাখার চেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর নজির সৃষ্টি করবে। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না-এমন বক্তব্যও যথার্থ নয়।

আলোচনার শেষে সালাহউদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সার্বিক বিবেচনায় আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন হবে।

জাতি নির্বাচনী রোডম্যাপের অপেক্ষায় রয়েছে: রিজভী

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে এমন ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে। এমনকি জাতি নির্বাচনী রোডম্যাপের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের মনোনয়নপত্র ক্রয় ঠেকাতে মব করা হয়েছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, সারাদেশে অবৈধভাবে মব করে মনোনয়নপত্র ক্রয় ঠেকানো হচ্ছে।

রিজভী বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে এমন ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে। তিনি আরও জানান, জাতি এখন নির্বাচনী রোডম্যাপের অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় যেসব ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে ভোটারবান্ধব কেন্দ্র করতে হবে। ফ্যাসিবাদী আমলে যেসব কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে, সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

উল্লেখ্য, গত রোববার ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ছাত্রদলের একজন নেত্রীকে মনোনয়ন ফরম নিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, মব তৈরি করে তাকে আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

জর্জিনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন রোনালদো

অবশেষে সেই বহুল প্রতীক্ষিত মুহূর্ত এসে গেল—নয় বছরের সম্পর্কের পর প্রেমিকা জর্জিনা রদ্রিগেজকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। গুচির এক শোরুম থেকে শুরু হওয়া মহাতারকার প্রেমের গল্পটি এবার পাচ্ছে আনুষ্ঠানিক পরিণতি।
শুরুটা ২০১৬ সালের মাদ্রিদের এক শীতের বিকেলে। বিকেল গড়িয়ে যাচ্ছিল সন্ধ্যার দিকে।
সাধারণ দিনের মতোই দিনটি এগোচ্ছিল, যতক্ষণ না সানগ্লাস পরে গুচির শোরুমে প্রবেশ করলেন রোনালদো। তখন কাউন্টারের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তরুণী বিক্রয়কর্মী জর্জিনা রদ্রিগেজ।
রোনালদোর দুনিয়াজোড়া খ্যাতির সামনে জর্জিনা ছিলেন একেবারেই সাধারণ। তবু চোখের দৃষ্টিই বদলে দিল দুই জীবনের গতি।
প্রথম দেখাতেই যেন শুরু হয়ে গেল এক নতুন প্রেমের অধ্যায়। শুরুতে কথাবার্তা বেশি হয়নি, কিন্তু সেই মুহূর্তে যে কিছু একটা জন্ম নিয়েছে, তা দুজনই টের পেয়েছিলেন। এরপর নানা অজুহাতে দেখা করতে শুরু করলেন তারা। প্রথম দিকে দুজনেই সম্পর্কটি গোপন রেখেছিলেন।
২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ফিফা দ্য বেস্ট পুরস্কার অনুষ্ঠানে প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা যায় রোনালদো–জর্জিনাকে। এরপর প্রেমের গুঞ্জন মিলল বাস্তবতার সিলমোহর। একই বছরের নভেম্বরে জন্ম নিল তাদের কন্যা আলানা মার্তিনা। জর্জিনা তখনই রোনালদোর অন্য সন্তানদেরও আপন করে নেন। ২০২২ সালে আবারও মা–বাবা হলেন তারা—এবার তাদের কোলে আসে কন্যা বেলা এস্মেরলাদা।
শুধু সন্তানদের যত্নই নয়, রোনালদোর প্রতিটি সাফল্য ও কঠিন সময়ে পাশে থেকেছেন জর্জিনা। এদিকে সময়ের সঙ্গে তিনিও জায়গা করে নিয়েছেন ফ্যাশন ও বিনোদন দুনিয়ায়। তবে এত বছর পার হলেও সম্পর্কটি আনুষ্ঠানিক না হওয়ায় ভক্তদের মনে এক ধরনের অপেক্ষা থেকেই যাচ্ছিল।
অপেক্ষার অবসান ঘটল এবার। গতকাল নিজের ইনস্টাগ্রামে হীরার আংটি পরা হাতের ছবি দিয়ে জর্জিনা লিখলেন, ‘হ্যাঁ, আমি রাজি। এই জীবনেও, আর আমার সব জন্মেও।’ ছবির লোকেশন—সৌদি আরবের রিয়াদ, যেখানে আল নাসরের হয়ে খেলছেন রোনালদো।
এখন নজর সবার এক জায়গায়—কবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করবেন রোনালদো ও জর্জিনা। যে দিনটি নিশ্চিতভাবেই ফুটবল দুনিয়া ও ভক্তদের কাছে হয়ে থাকবে স্মরণীয়।

 

ঢাকার বাইরে এখনো মব জাস্টিস চলছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

 

ঢাকার আশপাশে মব জাস্টিস কমলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনো মব জাস্টিস চলছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১২তম সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ত্রয়োদশ নির্বাচন সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীতে ২৫ হাজার ৮৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে ১৫ হাজার ৮৫১ জন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) ৪ হাজার ৪৬৯ জন, ১ হাজার ৫৫৮ জন কারা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে ২০৪ জন। এগুলো সব নতুন নিয়োগ।
এসব পদের মধ্যে কিছু সৃজিত পদ ও কিছু শূন্যপদ। পুলিশের এসব নিয়োগ সাব ইন্সপেক্টর থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত। এ ছাড়া আনসার ও বিজিবির ক্ষেত্রেও কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মাইটিভির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় বাদী বলেছেন এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা নেই। তবুও কেন তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে– এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে কোর্টকে জিজ্ঞাসা করেন। পুলিশের অ্যারেস্ট করা অবৈধ হলে কোর্ট তাকে ছেড়ে দেবে। তারা তো স্বাধীন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমরা চাই সাধারণ জনগণ বা নির্দোষ জনগণ কোনোভাবেই যেন হয়রানির শিকার না হয়। যে দোষী সে কোনো অবস্থায় ছাড়া পাবে না। আমরা সবসময় চুনোপুঁটিগুলো ধরি। বড় রুই মাছ সবসময় ছাড়া পেয়ে যায়। বড় একটা ধরা পড়েছে, এখন আপনারা সবাই লেগে গেছেন। চুনোপুঁটি সম্পর্কে কিন্তু কেউ কিছু বলছেন না।
সুতরাং নির্দোষ এমন কেউ ছোটখাটো কিন্তু তাকে ধরা হলে সে সম্পর্কে আপনারা বলেন। আপনারা সবসময় সত্য ঘটনা বলে থাকেন বলে আপনাদের ধন্যবাদ।

মাইটিভির চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার প্রশ্নে যা বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশন মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে অ্যারেস্ট করা অবৈধ হলে কোর্ট তাকে ছেড়ে দেবে, তারা তো স্বাধীন। সোমবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১২তম সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে নাসিরের গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।
মাইটিভির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় বাদী বলেছেন এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা নেই। তবুও কেন তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে– এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে কোর্টকে জিজ্ঞাসা করেন। পুলিশের অ্যারেস্ট করা অবৈধ হলে কোর্ট তাকে ছেড়ে দেবে। তারা তো স্বাধীন।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমরা চাই সাধারণ জনগণ বা নির্দোষ জনগণ কোনোভাবেই যেন হয়রানির শিকার না হয়। যে দোষী সে কোনো অবস্থায় ছাড়া পাবে না। আমরা সবসময় চুনোপুঁটিগুলো ধরি। বড় রুই মাছ সবসময় ছাড়া পেয়ে যায়। বড় একটা ধরা পড়েছে, এখন আপনারা সবাই লেগে গেছেন। চুনোপুঁটি সম্পর্কে কিন্তু কেউ কিছু বলছেন না।
ত্রয়োদশ নির্বাচন সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীতে ২৫ হাজার ৮৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে ১৫ হাজার ৮৫১ জন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) ৪ হাজার ৪৬৯ জন, ১ হাজার ৫৫৮ জন কারা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে ২০৪ জন। এগুলো সব নতুন নিয়োগ।
এসব পদের মধ্যে কিছু সৃজিত পদ ও কিছু শূন্যপদ। পুলিশের এসব নিয়োগ সাব ইন্সপেক্টর থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত। এ ছাড়া আনসার ও বিজিবির ক্ষেত্রেও কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নাসিরকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম জিয়া উদ্দিন আহমেদ সোমবার রিমান্ডের আদেশ দেন। এরআগে রোববার নাসিরকে এদিন আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক খান মো. এরফান।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, তদন্তে জানা গেছে- মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার আওয়ামী সরকারের মদদপুষ্ট, আজ্ঞাবহ হয়ে মাইটিভির দায়িত্বশীল চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়ে মো. নাসির উদ্দিন সাথী উসকানিমূলক বক্তব্য ও প্রচার কার্যক্রম চালিয়ে ছাত্র জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তার এমন উসকানিমূলক কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসী, রাজনৈতিক নেতা, কর্মী ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণে আসাদুল হক বাবু মারা যান বলে তদন্তে এসেছে।
তদন্ত কর্মকর্তা তার আবেদনে বলেন, তদন্তে উঠে এসেছে, মাইটিভির চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদের নাসির উদ্দিন সাথী সাংবাদিকতার পেশায় গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত ও দায়িত্বে থেকেও তার অনৈতিক প্রভাব ও প্রতিপত্তিতে দলীয় এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে সাবেক সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে বিরোধী দলমতকে প্রত্যাখান করেছে। প্রকৃত ঘটনা, অজ্ঞাতনামা আসামিদের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য ও রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল রোববার নাসির উদ্দিন সাথীকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেফতার করে।

বাংলাদেশসহ ২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে যেসব দেশ

জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। যুবাদের বিশ্বকাপে সর্বশেষ কোয়ালিফাই করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৬তম দেশ হিসেবে ৫০ ওভারের ফরম্যাটের টুর্নামেন্টটিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা।
বয়সভিত্তিক এই বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। পূর্ণ সদস্য দেশ হওয়ায় জিম্বাবুয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জায়গা পেয়েছে, সঙ্গে গত আসরের শীর্ষ দশ দলও সরাসরি খেলবে।
ভারত ও অস্ট্রেলিয়া পূর্ববর্তী আসরের ফাইনালিস্ট। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সরাসরি কোয়ালিফাই করেছে।
বাকি পাঁচটি দেশ এসেছে আঞ্চলিক বাছাইপর্ব জিতে। আফ্রিকা কোয়ালিফায়ারে নামিবিয়াকে হারিয়ে জায়গা নিশ্চিত করেছে তানজানিয়া।
নামিবিয়া আয়োজক দেশ হলেও বাছাইপর্বে ব্যর্থ হওয়ায় এবার বিশ্বকাপ খেলতে পারছে না। কারণ সরাসরি জায়গা মেলে কেবল পূর্ণ সদস্য আয়োজক দেশের।
এশিয়া কোয়ালিফায়ারে সমান পয়েন্টে থাকলেও নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ায় রানরেটে এগিয়ে থেকে টুর্নামেন্টে জায়গা নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান। পূর্ব এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের টিকিট পেয়েছে জাপান। আর ইউরোপ কোয়ালিফায়ারের শেষ দিনের নাটকীয় লড়াইয়ে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে স্কটল্যান্ড।
আমেরিকা অঞ্চলে কানাডা, বারমুডা ও আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মূল টুর্নামেন্টে ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিনটি দল যাবে সুপার সিক্স পর্বে। এরপর সুপার সিক্সে প্রতিটি গ্রুপ থেকে সেরা দুই দল উঠবে সেমিফাইনালে।
ভারত এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল। তাদের শিরোপা পাঁচটি। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার ঝুলিতে আছে চারটি শিরোপা।
এক নজরে ২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দলগুলো-
বাংলাদেশ, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে (আয়োজক), আফগানিস্তান, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, তানজানিয়া, স্কটল্যান্ড