Home Blog Page 334

কী কী চমক নিয়ে আসছে বাহুবলী থ্রি?

০

জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘বাহুবলী’র ভক্তদের জন্য আসছে নতুন চমক। তৃতীয় কিস্তি হিসেবে আবারও বড় পর্দায় ফিরছে এই ব্লকবাস্টার! তবে এটি সম্পূর্ণ নতুন ছবি নয়। পরিচালক এস. এস. রাজামৌলি এবার ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ (প্রথম কিস্তি) ও ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’ (দ্বিতীয় কিস্তি) এই দুই চলচ্চিত্রকে একত্রিত করে একটি নতুন সংস্করণে উপস্থাপন করছেন। এই ব্লকবাস্টার সিরিজের ১০ বছর পূর্তি উদযাপনেই এমন সিদ্ধান্ত নির্মাতাদের। প্রযোজক শোবু ইয়ারালাগাড্ডা জানিয়েছেন, নতুন সংস্করণটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। শুরুতে দেখানো হবে প্রথম ছবির গল্প, বিরতির পর চলবে দ্বিতীয় পর্বের কাহিনি। তার ভাষায়, দুই ছবিকে একত্রে দেখার সুযোগ মিলবে, তবে গল্পের প্রবাহ আগের মতোই থাকবে। এই নতুন সংস্করণে এমন কিছু দৃশ্য যুক্ত হতে পারে, যা আগে সিনেমা হলে দেখানো হয়নি। মূলত রাজামৌলি শুটিংয়ের সময় ১১ ঘণ্টারও বেশি ফুটেজ ধারণ করেছিলেন, যার অনেক অংশ বাদ যায় এডিটিং প্যানেলেই। এবার দর্শক দেখতে পাবেন সেই অদেখা কিছু মুহূর্তও।
তবে ‘বাহুবলী থ্রি’ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও নেই। প্রযোজক শোবু বলেন, ‘এই ছবিতে তৃতীয় পর্বের ইঙ্গিত নেই। কিন্তু ভবিষ্যতে এই জগত নিয়ে আরও গল্প বলা হতে পারে। এই পুনঃমুক্তি শুধু শুরু।’ ২০১৫ সালে ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ মুক্তি পায় এবং ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেয়। সিক্যুয়েল ‘বাহুবলী টু: দ্য কনক্লুশন’ ২০১৭ সালে মুক্তি পেয়ে বিশ্বজুড়ে ১,৮০০ কোটি রুপি আয় করেছিল। এতে অভিনয় করেছেন প্রভাস, রানা দাগগুবাতি, আনুশকা শেঠি ও তামান্না ভাটিয়া; গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন রম্যা কৃষ্ণন, সত্যরাজ ও নাসির। এদিকে মুক্তির আগে নেটফ্লিক্স প্ল্যাটফর্ম থেকে আগের দুই পর্ব সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাতে দর্শক আবার হলে গিয়ে এই মহাকাব্যিক গল্পের অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। আগামী ৩১ অক্টোবর ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এই ছবি।

জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত হলেন হানিয়া আমির

০

জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমিরকে জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ‘ইউএন উইমেন পাকিস্তান’। এই দায়িত্বে পাকিস্তানজুড়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও সমঅধিকার নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করবেন অভিনেত্রী; শুধু তাই নয় এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে জনগণকে উদ্বুদ্ধও করবেন তিনি।
আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এই তথ্য। এই দায়িত্বে হানিয়া আমির তার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে দেশের নারী ও কন্যাশিশুদের কণ্ঠ আরও শক্তিশালী করবেন; লিঙ্গসমতা নিয়ে কথা বলবেন এবং সামাজিক পরিবর্তনে অনুপ্রেরণা যোগাবেন।
এ প্রসঙ্গে হানিয়া আমির বলেন, ‘ইউএন উইমেনের জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে মনোনীত হওয়া আমার জন্য গভীর সম্মানের। এটি শুধু একটি উপাধি নয়, এটি এমন নারীদের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব, যাদের কণ্ঠ অনেক সময় শোনা যায় না।’
এই ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও জনপ্রিয়তা বাড়ছে হানিয়া আমিরের। সম্প্রতিই বিনোদন ও সামাজিক উদ্যোগে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে তিনি পেয়েছেন ‘গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড’। এছাড়াও ভারতের আসন্ন পাঞ্জাবি চলচ্চিত্র ‘সর্দারজি থ্রি’-এর মাধ্যমে অভিষেক ঘটেছে এই অভিনেত্রীর; সে থেকে হানিয়াকে নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।
হানিয়াকে শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ করা প্রসঙ্গে ইউএন উইমেন পাকিস্তানের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জামশেদ এম. কাজি বলেন, ‘হানিয়ার নিষ্ঠা, সাহস আর জনগণের কাছে পৌঁছানোর ক্ষমতা দেশের নারীদের ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নারী ও কন্যাশিশুদের কণ্ঠ আরও জোরালো করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বাংলাদেশে আর যেন মানবাধিকার লঙ্ঘন না ঘটে : ভলকার টুর্ক

বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নিপীড়ন যেন আর না ঘটে, সে বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) জেনেভা থেকে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে হাইকমিশনারকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আগের সরকারের আমলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জবাবদিহিতার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই প্রথম জোরপূর্বক গুমের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে। নিহতদের এবং তাদের পরিবারের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত সপ্তাহে দেশটির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ‌‘টাস্ক ফোর্স ফর ইনট্রোগেশন সেল’ এবং ‘যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেলের’ বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গুম ও নির্যাতনের সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয়। ট্রাইব্যুনাল বেশিরভাগ সাবেক, তবে কিছু কর্মরত সামরিক কর্মকর্তার জন্যও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) বেশ কয়েকজন সাবেক মহাপরিচালক, পাশাপাশি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সাবেক কর্মকর্তারাও।

গত শনিবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘোষণা দেয় যে, তারা পূর্ববর্তী প্রশাসনের অধীনে সংঘটিত গুরুতর অপরাধের অভিযোগে তাদের এক ডজনেরও বেশি কর্মকর্তাকে আটক করেছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ফৌজদারি কার্যক্রমের জন্য আটকদের সেনাবাহিনীর অবিলম্বে উপযুক্ত বেসামরিক আদালতে হাজির করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভলকার টুর্ক বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে নিশ্চিত করা যথাযথ প্রক্রিয়া ও সুষ্ঠু বিচারের সবচেয়ে কঠোর মানদণ্ডের প্রতি আমি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি। এসব স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলায় ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

গত বছর ছাত্রদের নেতৃত্বে বিক্ষোভের সময় যারা মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত, তাদের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করেই জবাবদিহিতার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছিল জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান রিপোর্টে।

লিবিয়া থেকে দে‌শে ফেরা‌নো হ‌চ্ছে আরও তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে

লিবিয়া থেকে আরও তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। আগামী ২৩ অক্টোবর ত্রিপলী থেকে ঢাকাগামী একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাদের দেশে পাঠানো হবে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ত্রিপলীতে বাংলাদেশ দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তায় বলা হয়, লিবিয়া সরকারের সার্বিক সহযোগিতা ও ব্যবস্থাপনায় আগামী ২৩ অক্টোবর নিবন্ধিত বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ওই ফ্লাইটের মাধ্যমে তিন শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আটকে পড়া বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও পর্যায়ক্রমে আরও ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হবে।

ক্ষকদের ‘মার্চ টু যমুনা’ বিকেল ৫টা পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা

তিন দফার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের যমুনা অভিমুখে ‘মার্চ টু যমুনা’ বিকেল ৫টা পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলােয়ার হোসেন আজিজী।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা উপদেষ্টা আমাদের চাকরি থেকে টার্মিনেট করে দেন। আমরা সিএনজি চালাবো, কৃষিকাজ করবো। আপনার ভিক্ষার চাকরি করবো না।’

শিক্ষকদের ‘মার্চ টু যমুনা’ স্থগিত, আগামীকাল অনশনের কর্মসূচি ঘোষণা

তিন দফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলােয়ার হোসেন আজিজী বলেন, আজকের জন্য যমুনার অভিমুখে ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি স্থগিত। আগামীকাল দুপুর ২টা থেকে অনশন কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে তিনি এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তার আগে দুপুরে ‘মার্চ টু যমুনা’ অভিযাত্রা বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, আগামীকাল আমরা অনশন করবো। তারপর আমরণ অনশন। তারপরও যদি আমাদের দাবি না মানে তাহলে আমাদের দেহ জীবিত যাবে না। লাশ যাবে। অধিকারের বিষয়ে আপোষ করবো না। আগামী রোববার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব শ্রেণির কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, সরকারের প্রস্তাবিত বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির হার ‘অপর্যাপ্ত ও অবাস্তব’। তারা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সর্বজনীন বদলি নীতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

গত রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ শিক্ষকদের সরাতে গেলে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে ওই এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে সংগঠনের নেতাদের আহ্বানে শিক্ষকরা শহীদ মিনারে অবস্থান নেন এবং সেখান থেকে লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

রোববার ও সোমবার রাতভর রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেন শিক্ষকরা। কেউ প্লাস্টিকের চট বিছিয়ে, কেউ ব্যানার মাথার নিচে দিয়ে রাত কাটান। তাদের দাবি, প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও আন্দোলন চলবে।

বিপিএল আয়োজনে সময়স্বল্পতা

০

মেরেকেটে হাতে সময় দুই মাস, বিসিবির নতুন কমিটির পরিকল্পনায় এবারের বিপিএল আয়োজনের সময় ধরা হয়েছে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু আসরটি ঢেলে সাজানোর যে উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি, তাতে এখনো শুরুর ভিত তৈরি হয়নি। প্রথমত, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মালিকানা নির্ধারিত হয়নি। এরই মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি পাঁচ বছরের জন্য নেওয়ার আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে আগ্রহী মালিকানা নেওয়ার জন্য। তার পরও তো অনেক কাজ বাকি।

আবেদন পর্যালোচনা করা, আইনের মধ্যে থেকে আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে মালিকানার বৈধতার দেওয়ার মতো জটিল প্রক্রিয়া রয়েছে। তাতে অন্তত কয়েক সপ্তাহ লেগে যাওয়ার কথা। এরপর রয়েছে চুক্তি, বিপণন, পৃষ্ঠপোষকতা, সম্প্রচার স্বত্ব, বিদেশি ক্রিকেটারদের ড্রাফট, নিরাপত্তাব্যবস্থা, ভেন্যু সংস্কার, সরঞ্জাম ও হোটেল ব্যবস্থাপনা। তড়িঘড়ি করে এসব সম্পন্ন করে আসরটি মাঠে নামাতে গেলে কী হতে পারে, তা ভালো জানা আছে ফারুক আহমেদের।

গতবার সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বিসিবির নতুন বোর্ডের সহসভাপতি ফারুক আহমেদ। ‘সময় কিন্তু দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। অনেক কাজ বাকি। বোর্ড চেষ্টা করছে বিপিএলের সব গুছিয়ে আনতে কিন্তু সময় বড্ড কম।’ গত রোববার সিলেটে সংবাদমাধ্যমের সামনে এভাবেই নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন ফারুক আহেমদ। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমানও মেনে নিয়েছেন সময়স্বল্পতার ব্যাপারটি। ‘নেক্সট টু-ইম্পসিবল, খুবই কঠিন। তার পরও আমরা চেষ্টা করব।’ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এভাবেই বিপিএল আয়োজনের শঙ্কার মেঘ ফুটে এসেছে ইফতেখার রহমানের কণ্ঠে।

২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশের। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ। এর মাঝামাঝিতেই বিপিএল আয়োজন করতে হবে। কিন্তু এই কাছাকাছি সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় বিগব্যাশ (১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি), লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ (২৭ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর), আমিরাতে আইএল টি-২০ (২ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি) এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এসএ টি-২০ (২৬ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে।

এই চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের সূচি নির্ধারিত থাকায় বিদেশি ক্রিকেটাররা সেখানে নথিভুক্ত হয়ে আছেন। তা ছাড়া পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে তাদের ক্রিকেটারদের বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। তাহলে কোন বিদেশিদের নিয়ে হবে বিপিএল? এই প্রশ্নের উত্তর যেমন মিলছে না, তেমনি কয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে এবারের আসর হতে পারে, তার উত্তরও কেউ জানে না। সব মিলিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে বিসিবি।

১৭৫ কোটি পারিশ্রমিকে আল্লু অর্জুন!

০

দক্ষিণী সুপারস্টার আল্লু অর্জুন বর্তমানে তেলেগু ও বলিউডে সমানভাবে আলোচনায়। এবার তাকে দেখা যাবে জনপ্রিয় পরিচালক অ্যাটলি কুমারের পরবর্তী বিগ বাজেট সাই-ফাই প্রোজেক্টে। ছবিতে আল্লুর বিপরীতে থাকছেন বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। তবে চমকের এখানেই শেষ নয়, এই ছবির জন্য আল্লুকে দেওয়া হচ্ছে ১৭৫ কোটি টাকার পারিশ্রমিক। যা বর্তমানে ভারতের চলচ্চিত্র ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ!

‘পুষ্পা’ ফ্র্যাঞ্চাইজির অভাবনীয় সাফল্যের পর আল্লুর জনপ্রিয়তা এখন জাতীয় স্তরে। সেই জনপ্রিয়তা মাথায় রেখেই অ্যাটলির এই নতুন প্রজেক্টের বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ভিএফএক্স–এর পিছনেই খরচ করা হবে ২৬০ কোটি এবং অভিনেতা-পরিচালক ও অন্যান্য টেকনিক্যাল টিমের জন্য বরাদ্দ ২৫০ কোটি টাকা।

সূত্রের দাবি, এই সিনেমায় বিভিন্ন লুক ও চরিত্রে দেখা যাবে আল্লু অর্জুনকে। যার জন্য একাধিক আন্তর্জাতিক টেকনিশিয়ান কাজ করছেন। ইতোমধ্যে আল্লু অ্যাটলির সঙ্গে হলিউডের কয়েকটি প্রখ্যাত স্টুডিওতে ভিজিটও সেরেছেন।

পরিচালক অ্যাটলি , ‘এটা একেবারেই লার্জার দ্যান লাইফ প্রজেক্ট। আমরা এক ধাপ এক ধাপ এগোচ্ছি। অডিয়েন্সের জন্য এমন কিছু আনতে চাই, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। ছবিতে দীপিকার পাশাপাশি আরও দেখা যেতে পারে রাশ্মিকা মন্দানা, জাহ্নবী কাপুর, ম্রুণাল ঠাকুর ও আর মাধবনকে। অ্যাটলি আরও জানান, হলিউডের যেসব টেকনিশিয়ানরা আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন, তারাও বলেছেন এটা তাদের জন্যও দারুণ চ্যালেঞ্জিং। তবে কাজটা তারা ভীষণ উপভোগ করছেন। আর কয়েক মাসের মধ্যেই সবকিছু সামনে আসবে।’

চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যকর হলো বর্ধিত ট্যারিফ

০

এক মাসের স্থগিতাদেশ শেষে চট্টগ্রাম বন্দরে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর করা হয়েছে নতুনভাবে বর্ধিত ট্যারিফ।

গত মঙ্গলবার রাত ১২টার পর থেকে বন্দরে আগত সব জাহাজ, কনটেইনার ও কার্গো বিল নতুন হারে আদায় করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অর্থ ও হিসাবরক্ষণ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুস শাকুর স্বাক্ষরিত নোটিশে জানানো হয়েছে, ১৫ অক্টোবর থেকে বর্ধিত ট্যারিফ কার্যকর হবে। বন্দরের তালিকাভুক্ত সব শিপিং এজেন্টকে তফসিলি ব্যাংকে নতুন হারে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান রেখে আসা জাহাজের ছাড়পত্র (এনওসি) নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বন্দরের মোট ৫২টি সেবা খাতের মধ্যে ২৩টিতে সরাসরি নতুন ট্যারিফ প্রযোজ্য হচ্ছে। গড়ে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এই ট্যারিফ।

বিশেষ করে কন্টেনার হ্যান্ডলিং খাতে সবচেয়ে বেশি মাশুল নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ২০ ফুটি কন্টেনারের ট্যারিফ ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২৪৩ টাকা, যা আগে ছিল ১১ হাজার ৮৪৯ টাকা অর্থাৎ গড়ে প্রায় ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি। আমদানি কন্টেনারে ৫ হাজার ৭২০ টাকা এবং রপ্তানি কন্টেনারে ৩ হাজার ৪৫ টাকা বেশি দিতে হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ভাড়া, টোল, ফি ও মাশুল ডলারের বিনিময় মূল্যের ভিত্তিতে আদায় করা হবে। প্রতি ডলারের হার ধরা হয়েছে ১২২ টাকা, ফলে ডলারের মান বাড়লে ট্যারিফও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে।

প্রসঙ্গত, ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্ধিত ট্যারিফ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ নিয়ে বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের আপত্তি থাকায় নৌপরিবহন উপদেষ্টার নির্দেশে তা এক মাসের জন্য স্থগিত রাখা হয়।

একমাস মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১৩ অক্টোবর রাত থেকেই নতুন হারে ট্যারিফ কার্যকর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে মাশুল বাড়ানো হয়েছিল। ৩৯ বছর পর মাশুলের হার বাড়ানো হয়েছে; যা মঙ্গলবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘অপারেশনাল ব্যয়, রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নের ব্যয় সামাল দিতে ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।’

নিলামে আরো ৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

০

টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের অবমূল্যায়ন রোধ এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রপ্তানি খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার চলমান কৌশলের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ একাধিক নিলামে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় করেছে।

প্রতি ডলার ১২১ দশমিক ৮০ টাকা দরে কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে মোট ২ হাজার ১২৬ মিলিয়ন ডলার কিনেছে।

চলতি বছরের ১৩ জুলাই থেকে নিলামে ডলার কিনতে শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, এরপর থেকে ১৫টি নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনেছে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এর অতিরিক্ত সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

চলতি মাসের শুরুতে ৯ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১০৭ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল। তারও আগে ৬ অক্টোবর কেনে ১০৪ মিলিয়ন ডলার।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশি মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে মার্কিন ডলার কিনেছে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি পেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একই ধরনের নিলামের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর কাছে মার্কিন ডলার বিক্রি করবে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার জন্য আমরা যখনই প্রয়োজন হবে তখন বাজারে ঠিক রাখার পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারি।