Home Blog Page 358

উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন নুরুল হক নুর

০
 

উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশের সিঙ্গাপুরগামী একটি ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়েন তিনি।
নুরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থোপেডিক ও স্পাইন সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদ হোসেন রাসেল। নুরুল হক নুর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন।
দলের মুখপাত্র ‎ফারুক হাসান বলেন, নুরুল হক নুর দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে চাননি। দেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় আস্থা রেখেই চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিকল্প নেই।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ আগস্ট রাতে বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।
গুরুতর আহত অবস্থায় নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকদের পরামর্শে রাত ১১টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১৭ দিন পর বাসায় ফেরেন নুর।

জাতীয় পার্টির দুর্গ ভেঙে দিতে প্রার্থী হতে পারেন রিজভী, জামায়াতের কে

০
কুড়িগ্রাম-২ আসনে নির্বাচনি হাওয়া বইছে জোরেশোরেই। জাতীয় পার্টির অপ্রতিরোধ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত কুড়িগ্রাম-২ আসন। জেলা সদরের এই আসন ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ। দীর্ঘদিন ধরে আসনটি জাতীয় পার্টির (জাপা) দখলে থাকলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে আসনটি দখলে নিতে মরিয়া দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি।

অতীতে প্রয়াত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ থেকে শুরু করে দলের একাধিক প্রার্থী এ আসনে জয়ী হয়েছেন। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভাবনীয় বিজয়ের পর জাপার অবস্থান নড়বড়ে হয়ে যায়। এবার আসনটি দখলে নিতে আটঘাট বেঁধে মাঠে নামছে বিএনপি। এ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। যদিও রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে কিছুই বলেননি।
ইতোমধ্যে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বিএনপির প্রার্থী হিসাবে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। দল ও জোটের প্রার্থীর ওপর এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরন নির্ধারিত হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। এককভাবে নির্বাচন করলে চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির দুর্গখ্যাত এই আসনটি কবজা করতে তৎপর চারটি রাজনৈতিক দল। যদিও জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক অবস্থা একেবারে নড়বড়ে। তারপরও দলটি নির্বাচনে অংশ নিলে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারে। কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট উপজেলা নিয়ে কুড়িগ্রাম-২ আসন। এ আসনে ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোটার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৩৬, নারী ২ লাখ ৮৬ হাজার ৪৬৩ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার তিনজন।
এ আসনে ২০০১ সালে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জাতীয় পার্টির প্রার্থী তাজুল ইসলাম চৌধুরী। ২০০৮ সালে দলটির সাবেক চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২ লাখ ৯ হাজার ৫০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এরশাদ আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাফর আলী ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। পরে ২০১৪ সালে তাজুল ইসলাম চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফের নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদ লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৫ হাজার ভোট পেয়ে আসনটি দলের দখলে রাখেন। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে পনির উদ্দিন আহমেদকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. হামিদুল হক।
রুহুল কবির রিজভী ২০০৬ সালের বাতিল ঘোষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে দলের প্রার্থী ছিলেন। এবারও তিনি প্রার্থী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনি ছাড়াও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, সাবেক এমপি উমর ফারুখ, সাবেক পৌর মেয়র আবু বকর সিদ্দিক সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। এর মধ্যে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ দীর্ঘদিন নির্বাচনি এলাকার আনাচে-কানাচে জনসংযোগ করছেন। বর্তমানে এর গতি আরও বাড়িয়েছেন। শফিকুল ইসলাম বেবু ও হাসিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা। তারা পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন। নিয়মিত সভা-সমাবেশ করছেন। জনসংযোগ করছেন উমর ফারুখও।

এবারের পূজায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও বেশি উন্নত হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

০
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা অনেক উৎসবমুখর হবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। পূজা কমিটির সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন, পূজার শুরু থেকে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়া এলাকায় রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম পরিদর্শনে এসে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সরকারি বাহিনী ছাড়াও প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক থাকবে এবং ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে আনসার যুক্ত হবে।
নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ৩২ লক্ষ টাকা এবং প্রতিটি মণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে, যাতে পূজা উদযাপন সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়। তিনি উল্লেখ করেন, শারদীয় দুর্গাপূজা একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করা অপরিহার্য। সব ধর্মের মানুষ একসাথে কাজ করতে পারবে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাই কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা।

ফিলিস্তিনকে চার দেশের স্বীকৃতিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

০
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে চার দেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জানানোকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এটি চূড়ান্ত স্বাধীনতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ।
সোমবার নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইসরায়েল রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চাইলেও তা প্রত‍্যাখ‍্যান করে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানায় ঢাকা। গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ সেই অবস্থান ধরে রেখেছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমরা যেহেতু সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে ছিলাম, ফিলিস্তিনের জনগণকে সমর্থন করে এসছি, কাজেই চার দেশের স্বীকৃতিকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা মনে করি এটা একটা সুখবর।
যুক্তরাজ‍্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগালের স্বীকৃতির মধ‍্য দিয়ে দেড়শো’র বেশি দেশের প্রত‍্যক্ষ সমর্থন পেলেন স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনিরা। এটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখলেও ফিলিস্তিন জনগণকে আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে মনে করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
বিশ্বের আরেক প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশ ফ্রান্স শিগগিরই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে বলে জানিয়েছে। এটি হলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের মধ্যে চারটিরই স্বীকৃতি পাবে ফিলিস্তিন।

অনিয়ম ঠেকাতে সব প্রকল্পের টেন্ডার অনলাইনে : পরিকল্পনা উপদেষ্টা

০

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, অনিয়ম ও অস্বচ্ছতা দূর করতে সব প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া অনলাইনে করা হবে। এতে করে গুটিকয়েক মাফিয়া প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য বন্ধ হবে। আগামী সপ্তাহেই অনলাইন প্রক্রিয়ার বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা পরবর্তী ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, এই আইন হলে রেলখাত, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে গুটিকয়েক মাফিয়া প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য বন্ধ হবে। কারও প্রভাব দেখে নয়, যোগ্যতা আছে এমন প্রতিষ্ঠানকে মূল্যায়ন করেই কাজ দেওয়া হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণ খেলাপি হলে, আগে কোনো অনিয়মে জড়িত হলে, সেই প্রতিষ্ঠানকে দরপত্রে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার নানা স্তরে স্বচ্ছতা আনার ক্ষেত্রে সরকার নীরব বিপ্লব করে ফেলেছে জানিয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করেছি। ফলে প্রকল্প পরিচালক হতে কর্মকর্তারা কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

এ ছাড়া এখন থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নে খাস জমি রেখে কৃষি জমি অধিগ্রহণ করা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের বহু খাস জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে একটা কমিটি করা হয়েছে। এই কমিটি সারা দেশে কি পরিমাণ সরকারি জমি খাস আছে, তা বের করবে। একইসঙ্গে জমিগুলো দখল হয়েছে কি না, সেসব তথ্য সংগ্রহ করে দুমাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত আইন সবার মতামত নিয়ে চূড়ান্ত করা হয়েছে জানিয়ে ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, যারা প্রভাবশালী ব্যবসায়ী, তারা তো দেশ থেকে পালিয়েছেন। সুতরাং আইন তৈরিতে কেউ বাধা দেওয়ার সাহস পায়নি।

তিনি আরও জানান, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ধীরগতি কেন, তা খতিয়ে দেখতে আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসবে সরকার। এলডিসি উত্তরণ হলে সহজ শর্তে আর ঋণ পাওয়া যাবে না। তাই ভালো প্রকল্পের জন্য শেষ সুযোগ হিসেবে যতটা পারা যায়, সহজ শর্তে ঋণ নিতে চায় সরকার।

আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ নিয়ে চিন্তিত নয় বাংলাদেশ

০
আফগানিস্তানের বিপক্ষে গতকাল (১৬ সেপ্টেম্বর) ৮ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ দল। এমন জয়ের পর এশিয়া কাপের টুর্নামেন্টে টিকে রয়েছে টাইগাররা। তবে সুপার ফোরে খেলতে শ্রীলঙ্কা-আফগান ম্যাচে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে লিটন দাসের দলকে। এ নিয়ে অবশ্য ভাবছেন না টাইগার স্পিনার নাসুম আহমেদ।
আজ বুধবার আবুধাবিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নাসুম বলেছেন, ‘যারা ভালো খেলবে ওরাই জিতবে। স্পেসিফিকভাবে কাউকে সাপোর্ট করা বা কারো জন্য দোয়া করা, এইটা প্রয়োজন আমি মনে করছি না। যেইটা লেখা আছে কপালে ওইটাই হবে। তো আমরা এইটা নিয়ে এত ভাবছি না। যা হবার তাই হবে।’
এদিকে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে নাসুম বলেন,‘আমি সবসময় রেডি থাকি খেলার জন্য। যখনই সুযোগ আসে, চেষ্টা করি নিজের সর্বোচ্চটা দেয়ার। আলহামদুলিল্লাহ, অনেক সময় হয়, অনেক সময় হয় না। বাট এটার জন্য আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে আমি এইভাবে পারফর্ম করতে পারি।’
দলের পরিকল্পনার কারণেই আগের দুই ম্যাচে খেলা হয়নি নাসুমের। তবে দলে সুযোগ পাওয়া বা না পাওয়ার বিষয়ে কোনো ভাবনা নেই বাংলাদেশের এই বাঁহাতি স্পিনারের, ‘দেখেন, ফিরে এসে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ, এটা না। আমি কিন্তু লাস্ট ম্যাচেও ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছিলাম। আর আমার টিমের যখন যাকে প্রয়োজন তাকে খেলাবে। এটা হতে পারে আমাদের টিম প্ল্যানিং বা টেকনিক, ট্যাকটিক্সও হতে পারে বিপক্ষ দল নিয়ে নিয়ে।’

রাশিয়ায় জলবায়ু সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ৫ তরুণ

০
জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কিত একটি সুপরিচিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হলো আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াড অন ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইস্যুজ।
রাশিয়ার সোচিতে ১৩-২০ সেপ্টেম্বর এটি অনুষ্টিত হচ্ছে। বাংলাদেশি দল এই প্রথমবার IOCE-তে পাঁচজন তরুণ সদস্য অংশ নিয়েছে। IOCE- হলো বিশ্বমানের একটি প্রতিযোগিতা।
এখানে পৃথিবীর সবচেয়ে মেধাবী হাইস্কুল শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে জলবায়ু পরিবর্তন আর পরিবেশ নিয়ে বাস্তব সমস্যার সমাধান করে। বিশ্বমঞ্চের এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের টিম লিডার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ফারহান মাসুদ তাসিন।
অংশগ্রহণকারী মধ্যে রয়েছেন রাজধানীর ভাষানটেক সরকারি কলেজের মাহদি বিন ফেরদৌস, বিয়াম মডেল স্কুল এন্ড কলেজের তাসিন মোহাম্মাদ, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের মোঃ নূর আহমেদ ও চাঁপাই-নবাবগঞ্জ হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মো. আশিকুর রহমান।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা বাস্তুবিদ্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে নিজেদের নিমগ্ন করেছেন, বিশ্বব্যাপী গবেষণা থেকে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করেছেন এবং বিশ্বজুড়ে সহকর্মীদের সাথে চিন্তা-উদ্দীপক আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
প্রকল্প উৎসবে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে উপস্থাপন করে। সেখানে তারা অন্যান্য দেশের মেধাবী মনীদের সাথে পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশের নিষ্ঠার পরিচয় দেয়।

কে এই হানিয়া আমির?

০
পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির। তিনি কমেডি চলচ্চিত্র ‘জানান’ এর মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন। এরপর নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
এরপর টেলিভিশন নাটক ‘ফির ওহি মহব্বতে’ অভিনয় শুরু করেন। এই নাটকগুলোর জন্য তিনি ‘হাম অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট টেলিভিশন সেনসেশন ফিমেল’ পুরস্কার লাভ করেন।
পাশাপাশি আমির বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্র ‘পারওয়াজ হ্যায় জুনুন’ এবং পাঞ্জাবি কমেডি চলচ্চিত্র ‘সর্দারজি ৩’ -এর মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব রয়েছেন। এর মাধ্যমে সে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশের দর্শকদের মাঝেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।
যেখানে ফানি ভিডিও থেকে শুরু করে নান্দনিক ছবি শেয়ার করে থাকেন। হানিয়ার ইনস্ট্রাগামে ভক্ত-অনুরাগীর সংখ্যা ১৮.৮ মিলিয়ন। তরুণ প্রজন্মের কাছে একাধারে স্টাইল আইকন ও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে পরিচিত।
১৯৯৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্মগ্রহণ করা এ অভিনেত্রী খুব অল্প সময়েই তিনি প্রাণবন্ত অভিনয় ও উচ্ছ্বল ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে দর্শকদের মনে স্থান করে নেন।

 

পাঁচ ব্যাংক একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, খুব শিগগিরই ‘টেক-অফ’

০
সমস্যাগ্রস্ত শরিয়াভিত্তিক বেসরকারি পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ’ অনুযায়ী পরিচালিত এই মার্জার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে সময় লাগবে দুই বছর। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে শিগগিরই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিশেষ বোর্ড সভা শেষে মুখপাত্র এসব তথ্য জানান। গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ড সদস্যরা।
মুখপাত্র জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর বোর্ড সভায় একীভূতকরণের বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রণীত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ’ অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে।
আরিফ হোসেন খান বলেন, মার্জার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এটি সম্পন্ন হতে সময় লাগবে প্রায় দুই বছর। তবে কার্যক্রম শুরুর (টেক-অফ) প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। খুব শিগগিরই এটি দৃশ্যমান হবে।
এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি প্রশাসক টিম গঠন করা হবে। তবে ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বর্তমান ব্যবস্থাপনা টিম। প্রতিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাদের পদে বহাল থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ব্যাংকগুলোর পর্ষদ (বোর্ড) বাতিল করা হবে না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। প্রশাসক টিম নিয়মিত তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও আপডেট বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত টিমকে জানাবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে গঠন করা হবে একটি নতুন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, যার সম্ভাব্য নাম হবে ‘ইউনাইটেড ইসলামী ব্যাংক’। নতুন এ ব্যাংকটির জন্য লাইসেন্স ইস্যু করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
জানা গেছে, এই পাঁচ ব্যাংকের ৪৮ থেকে ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ এখন খেলাপি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ ৩৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারই দিচ্ছে ২০ হাজার ২০০ কোটি টাকা।
এসব ব্যাংকের মধ্যে চারটি (ফার্স্ট সিকিউরিটি, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক) দীর্ঘদিন ধরে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। একমাত্র এক্সিম ব্যাংক ছিল নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের অধীনে।

খেলাপি ঋণ নবায়নে নতুন সুবিধা ঘোষণা

০
বিশেষ বিবেচনায় আর্থিক সংকটে পড়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় সচল করতে নতুন একটি বিশেষ ঋণ পুনর্গঠন নীতিমালা চালু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নীতির আওতায় সর্বোচ্চ দুই বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ পাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো। কোনো কারণে প্রয়োজন হলে ৩০০ কোটি টাকার বেশি ঋণে নীতি সহায়তার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাছাই কমিটিতে আবেদন করা যাবে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে। এই নীতিমালার আওতায় খেলাপি ঋণ নবায়ন করতে হলে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
সূত্র জানায়, গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ সমর্থিত অনেক ব্যবসায়ী পালিয়ে গেছেন। তাদের ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েছে। গত সরকারের আমলে জালিয়াতি করে নেওয়া ঋণও খেলাপি হচ্ছে। ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকটের কারণেও ঋণ বিতরণ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতেও অনেকে সমস্যায় পড়েছেন। এছাড়া বৈশ্বিক পরিস্থিতিতেও অনেক উদ্যোক্তা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এসব কারণে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি কমানো ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন ঋণের জোগান দিয়ে সচল রাখার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই ছাড় দিয়েছে। এই ছাড়ের যাতে কোনো ধরনের অপব্যবহার না হয় সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর তদারকির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়, ৩০ জুন পর্যন্ত যেসব গ্রাহক খেলাপি হয়েছেন এই ছাড়ের আওতায় তাদের ঋণ নবায়ন করা যাবে। ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ এককালীন নগদ পরিশোধ করতে হবে। ঋণ নবায়নের আবেদন করার আগে যদি কোনো কিস্তি পরিশোধ করে থাকেন তবে তা ডাউন পেমেন্ট হিসাবে গণ্য হবে না। আবেদনের সময় আলাদা করে ডাউন পেমেন্ট দিতে হবে। এর আওতায় খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য নবায়ন করা যাবে। এক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধের জন্য গ্রাহক দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড পাবেন। নবায়ন করা ঋণ প্রতি মাসে একটি কিস্তি বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে একটি কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। এই ঋণের ওপর ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ব্যাংক ঘোষিত সুদহারের চেয়ে এক শতাংশ কম সুদ আরোপ করা যাবে। গ্রেস পিরিয়ড চলার সময়ে আরোপিত সুদ ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে আংশিক বা সম্পূর্ণ আদায় করা যাবে।
গ্রাহক একটি কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে নবায়ন করা ঋণ আবার খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত হবে। সেক্ষেত্রে আলোচ্য সুবিধায় ঋণ নবায়নের সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যাবে। এ ধরনের গ্রাহককে ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় নতুন ঋণ দিতে পারবে এবং আগের দেওয়া ঋণ সীমাও বাড়ানো যাবে।
সার্কুলারে বলা হয়, কোনো ঋণগ্রহীতা বিশেষ এক্সিট সুবিধা নিতে চাইলে ১০ বছরের অতিরিক্ত আরও এক বছর সময় পাবেন। এর মধ্যে পুরো ঋণ পরিশোধ করে এক্সিট সুবিধা নিতে পারবেন। নিয়মিত ঋণকে বিশেষ এক্সিট প্রদানের ক্ষেত্রে এক্সিট চলাকালীন আরোপিত সুদ ব্যাংকার-গ্রাহক স¤পর্কের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ বা আংশিক আদায় করা যাবে। অর্থাৎ ব্যাংক ইচ্ছা করলে কিছু সুদ মওকুফ করতে পারবে।
গ্রাহককে বিশেষ সুবিধায় ঋণ নবায়ন করতে হলে এ নীতিমালার আওতায় ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে হবে। আবেদন গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ব্যাংক কর্তৃক তা নিষ্পত্তি করতে হবে। নীতি সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট চেক বা অন্য কোনো ইনস্ট্রুমেন্টের মাধ্যমে প্রদান করা হলে তা নগদায়নের পর থেকে বর্ণিত ৬ মাস গণনা করতে হবে। তবে, ডাউন পেমেন্টের অর্থ ব্যাংকের অনুকূলে নগদায়নের পূর্বে নীতি সহায়তার আবেদন কার্যকর করা যাবে না।
সার্কুলারে বলা হয়, এ নীতিমালার আওতায় কোনো গ্রাহকের ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। ব্যাংক কর্তৃক নীতি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনাপত্তি গ্রহণ করতে হবে না। একাধিক ব্যাংক থেকে গৃহীত ঋণের বিপরীতে নীতি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক বা সবার সম্মতিতে ঋণদানকারী যে কোনো ব্যাংক নীতি সহায়তা প্রদানের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর মধ্যে বৈঠকের আয়োজন করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যেতে পারে।
সার্কুলারে বলা হয়, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান যারা আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে বলে প্রতীয়মান হয় তাদের এ নীতিমালার আওতায় সহায়তা প্রদান করা যাবে। বিগত সময়ে ঋণ এবং ঋণসংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং ও আনুষঙ্গিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত এবং অব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে (যেমন-দৃষ্টিভঙ্গিজনিত বৈষম্যের শিকার হওয়া ও প্রতিশ্রুত ইউটিলিটি সংযোগ/সরবরাহ না পাওয়া ইত্যাদি) ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান এবং সচল রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানকেও সুবিধা দেওয়া যাবে। বিবিধ কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নতা থেকে সৃষ্ট অভিঘাত ও বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার অপ্রত্যাশিত বিনিময় হারজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান, নীতি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ইতঃপূর্বে ঋণ পুনঃতফশিলিকরণ, পুনর্গঠন ইত্যাদি কোনো রূপ নীতি সহায়তা প্রাপ্ত হননি এরূপ ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া যাবে।