Home Blog Page 358

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে আসন্ন তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই সিরিজে টাইগারদের নেতৃত্বে থাকবেন সদ্য সিরিজ জয়ী অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।

আগামী ২০ জুলাই প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে শুরু হবে পাকিস্তান সিরিজ। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে যথাক্রমে ২২ ও ২৪ জুলাই। সিরিজের সবকটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, নাইম শেখ, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, শামীম পাটোয়ারি, মেহেদি হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

তৃষ্ণার জোড়া গোলে ভুটানকে উড়িয়ে বাংলাদেশের চারে চার

তৃষ্ণা রানীর জোড়া গোলে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ভুটানকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ম্যাচের ভেন্যু কিংস অ্যারেনার পরিবর্তে অনুশীলন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

এই জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করেছে বাংলাদেশ। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে নেপাল। যদি বাংলাদেশ এবং নেপাল উভয় দলই তাদের পরবর্তী ম্যাচ জিতে, তাহলে ২১ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য এই দুই দলের ম্যাচটি টুর্নামেন্টের অলিখিত ফাইনালে পরিণত হবে।

ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ৩২ মিনিট পর্যন্ত ভুটান প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তবে, ৩৩ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় স্বপ্না রানীর পাসে দুর্দান্ত এক শটে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন তৃষ্ণা রানী। তৃষ্ণার এই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে আক্রমণ এবং বল পজিশনে পুরো সময় জুড়েই দাপট দেখায় স্বাগতিকরা।

বিরতির পর বাংলাদেশ বেশ কিছু আক্রমণ করে। ৫৫ মিনিটে স্বপ্নার কর্নার থেকে রুমা আক্তারের হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৬০ মিনিটে বক্সের ভেতর তৃষ্ণা রানি ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ, কিন্তু স্পটকিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন স্বপ্না। ৬৪ মিনিটে ভুটানের সাঙ্গে ওয়াংমো গোলরক্ষক মিলি আক্তারকে একা পেয়ে গেলেও মিলি দারুণ দক্ষতায় তাঁর শট রুখে দেন।

তবে, ৬৫ মিনিটে মুনকি আক্তারের দারুণ প্রচেষ্টায় দ্বিতীয় গোলের দেখা পান তৃষ্ণা। মুনকি ভুটানের ডিফেন্ডার সোনাম ইয়াংকে প্রতিহত করলে বল পেয়ে যান তৃষ্ণা এবং ডান পায়ের কোনাকুনি শটে জাল কাঁপাতে কোনো ভুল করেননি। ৭৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান স্বপ্না, রুমার পাস থেকে তাঁর দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লেগে গোললাইন অতিক্রম করলে রেফারি গোলের বাঁশি বাজান।

এই দুর্দান্ত জয়ের ধারা বজায় রেখে বাংলাদেশ দল এখন টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে।

তানিন সুবহার মৃত্যু: সহকর্মীদের আয়োজনে দোয়া মাহফিল

গত ১০ জুন মৃত্যুবরণ করেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের উদীয়মান মুখ তানিন সুবহা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩১ বছর। তানিনের মৃত্যুর পর কেটে গেছে প্রায় ৪০ দিন। কিন্তু এখনো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে কোনো দোয়া মাহফিল বা কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়নি— যা নিয়ে শিল্পীমহলে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। শিল্পী সমিতির কোন সদস্যর মৃত্যু হলে সাধারণত দোয়ার আয়োজন করা হয়। তবে তানিনের বেলায় ভিন্ন কেন? এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

তানিনের সহকর্মী শিল্পী ও সাংবাদিকদের উদ্যোগে দোয়া ও কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বাদ আসর, বিএফডিসির মসজিদে তানিন সুবহার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতম অনুষ্ঠিত হবে।

এই আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন চিত্রনায়িকা মুক্তি, সাংবাদিক অচিন্ত্য চয়ন, আহমেদ তেপান্তর, মাজহার বাবু, রাহাত সাইফুল, রঞ্জু সরকার, এ এইচ মুরাদ, আসিফ আলম, রুহুল আমিন ভূঁইয়া, অভিনেতা সনি রহমানসহ কয়েকজন সহকর্মী।

১৯৯৪ সালের ৫ মে, মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন তানিন সুবহা। গত ২ জুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বনশ্রীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ধানমন্ডির একটি উন্নত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে লাইফ সাপোর্টে চলাকালীন মারা যান এই অভিনেত্রী।

২০১৫ সালে আজাদ কালামের পরিচালনায় ‘যমজ’ নাটকের মাধ্যমে ছোট পর্দায় অভিষেক হয় তানিনের। সেখানে মোশাররফ করিমের বিপরীতে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন। পরবর্তীতে ‘আলাল দুলাল’, ‘সেয়ানা জামাই’, ‘ম্যারেজ মিডিয়া ডটকম’-এর মতো নাটকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘অবাস্তব ভালোবাসা’, ‘মাটির পরী’, ‘স্বপ্নের সাথী’, ‘দেমাগ’ ও ‘তুই আমার’। তার অভিনীত কয়েকটি সিনেমা এখনো মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রেম করছেন সৃজিত-সুস্মিতা

ড়িশার পুরীতে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় তার বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-এর শুটিং করছেন। ছয় বছর ধরে লালন করা এই চিত্রনাট্য অবশেষে আলোর মুখ দেখতে চলেছে। এই ছবি তিন শতাব্দীর তিনটি প্রেমের গল্প তুলে ধরবে। তবে ছবির প্রেম প্রকাশ পাওয়ার আগেই, এবার প্রকাশ্যে এলো পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী সুস্মিতা দে’র প্রেমের গুঞ্জন।

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সুস্মিতা দে’র সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে টলিউডে কানাঘুষা শুরু হয়েছে। তাদের একসঙ্গে পুরীতে সিনেমার শুটিংয়ে উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এই গুঞ্জনকে আরও উসকে দিয়েছে। যদিও তারা কেউই এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি, তবে তাদের ভক্ত এবং চলচ্চিত্র মহলে এই নতুন সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় এক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সিনেমার কাজের সূত্রেই সৃজিত-সুস্মিতার বেশি করে আলাপচারিতা হয়। সৃজিত মুখোপাধ্যায় মঞ্চে যেদিন প্রথম ‘মার্ক্স ইন কলকাতা’ করলেন, সেদিন তা দেখতেও গিয়েছিলেন সুস্মিতা। এ ছাড়া দুজনকে একসঙ্গে বাংলা ছবির প্রিমিয়ারে দেখা যায়। পরিচালকদের বন্ধুবান্ধদের সঙ্গেও নাকি সুস্মিতার সখ্য রয়েছে। তবে তারা প্রেমে পড়েছেন কিনা, সেই চর্চা এত দিন হয়নি।

কিন্তু পুরীর সমুদ্র যে উত্তাল। সেই সমুদ্রকে সাক্ষী রেখে অনেকের প্রেমেরও জন্ম হয়। তবে পরিচালকের ঘনিষ্ঠজন এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, সৃজিত-সুস্মিতার বন্ধুত্ব এখন চোখে পড়ার মতো। বিষয়টা বিশেষ বন্ধুত্বের দিকে এগিয়েছে, তেমন মনে করছেন অনেকে।

প্রসঙ্গত, সুস্মিতা সৃজিতের পরিচালনায় কাজ করার পর পুরীর সমুদ্র সৈকত থেকে পরিচালকের সঙ্গে একটা ছবি পোস্ট করেছেন। যার ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘স্যার চোখের মধ্যে।’ এরপরই নেটিজেনদের মন্তব্যের মুখে পড়েছেন এই অভিনেত্রী ও পরিচালক। কারণ সুস্মিতার পোস্ট করা সেই ছবির কমেন্ট বক্সে সৃজিত নিজেই লাভ রিয়েকশন দিয়েছেন, যা ভক্তদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

এদিকে, ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ছবির শুটিংয়ে বিভিন্ন চরিত্রের লুকও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এই ছবিতে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখা গেছে ‘বিনোদিনী’ রূপে, যিশু সেনগুপ্ত থাকছেন নিত্যানন্দ প্রভুর বেশে এবং গিরীশচন্দ্র ঘোষের রূপে অভিনয় করছেন ব্রাত্য বসু। চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে।

মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা পাথর বিপুল দামে বিক্রি হলো নিউইয়র্কে

মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা একটি বিশাল পাথরের খণ্ড ৫৩ লাখ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৪ কোটি ২৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা) বিক্রি হয়েছে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের রাজধানী নিউইয়র্ক সিটিতে বিক্রি হয়েছে এনডব্লিউএ ১৬৭৮৮ নামের পাথর খণ্ডটি।

পাথরখণ্ডটির ওজন ২৫ কেজি, রং লালচে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে তুরস্কের সরকারি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ২০২৩ সালে সৌরজগতে এলোমেলোভাবে ঘুরতে থাকা একটি গ্রহাণুর সঙ্গে মঙ্গল গ্রহের সংঘর্ষ হয়। এতে মঙ্গলের ভূখণ্ড থেকে পাথর খণ্ডটি ভেঙে মহাকাশে মুক্ত হয়ে যায় এবং পৃথিবীর দিকে আসতে থাকে। ওই বছরই নভেম্বরে উল্কা আকারে নাইজারের সাহারা মরুভূমিতে পতিত হয় পাথরটি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মঙ্গল থেকে মুক্ত হওয়ার পর ২২ কোটি ৫০ লাখ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পৃথিবীতে পতিত হয়েছে পাথরটি।

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে উল্কা আকারে মঙ্গল থেকে পাথরখণ্ড পৃথিবীতে পতিত হয়েছে, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র তথ্য অনুসারে, বর্তমানে পৃথিবীতে মঙ্গল থেকে আসা মোট ৪০০টি পাথর বা পাথরের খণ্ড রয়েছে। তবে এই পাথরটির আকার সবচেয়ে বড়। এমনকি আকার আয়তনে মঙ্গল থেকে আসা দ্বিতীয় বৃহৎ পাথরখণ্ড থেকে এটি শতকরা ৭০ শতাংশ বড় এই পাথরটি।

পাথরটি যিনি কিনেছেন, তার নাম গোপন রেখেছে নিলাম আয়োজক সংস্থা।

২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা ও গুলি বর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৯৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন আরও তিন শতাধিক মানুষ।

বৃহস্পতিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৯৪ ফিলিস্তিনির মরদেহ এবং ৩৬৭ জন আহত ফিলিস্তিনিকে উপত্যকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। এনিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ৬৬৭ জন এবং আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৪ জনে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অনেক মরদেহ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে আছে, যাদের কাছে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছেন না।

এতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হতাহতদের মধ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) ত্রাণ কেন্দ্রগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন। আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন।

এরআগে বুধবার গাজার দক্ষিণাঞ্চলে জিএইচএফ-এর একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হুড়োহুড়িতে পদদলিত ও শ্বাসরোধে অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৬ মে গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) ত্রাণ বিতরণ শুরু করার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই তাদের খোলা চারটি ত্রাণ কেন্দ্রের কাছে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ইসরায়েলি বাহিনীর এই ‘মৃত্যুর ফাঁদে’ এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৮৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ৬৬৬ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এছাড়াও ৩৯ জন এখনো নিখোঁজ হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ১১ সপ্তাহ ধরে গাজায় ত্রাণ প্রবেশে অবরোধের পর আন্তর্জাতিক চাপে গত ২৬ মে জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় জিএইচএফ— ত্রাণ বিতরণ সংস্থা খোলার ঘোষণা দেয় ইসরায়েলি।

জাতিসংঘসহ অন্যান্য খাদ্য সংস্থা জিএইচএফর এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তারা বলছে, এই উদ্যোগ মানবিক নীতিমালা লঙ্ঘন করে এবং ত্রাণকে রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করে।

সমাবেশে নেতাকর্মী আনতে ট্রেন ভাড়া করেছে জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৯ জুলাইয়ের সমাবেশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ট্রেন ভাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এই সমাবেশে দলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের লক্ষ্যে এই পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ডেপুটি চিফ সুপারিনটেনডেন্ট-১ আরফিন নাহার বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালককে ট্রেন পরিচালনার অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর অফিস সেক্রেটারির চিঠির আলোকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ১৮ জুলাই দিনগত রাতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানো এবং ১৯ জুলাই দিনগত রাতে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ফেরত আসার জন্য একটি স্পেশাল ট্রেন বরাদ্দের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, জামায়াতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী স্টেশন থেকে ঢাকা স্টেশন পর্যন্ত রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচলকারী ৭৫৫/৭৫৬ নং মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের রেক দ্বারা (লোড ১৪/২৮) স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করা যেতে পারে। উল্লেখিত ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শনিবার। এতে সিএমই (পশ্চিম) রাজশাহীর মতামত রয়েছে বলেও জানানো হয়।

চিঠিতে প্রস্তাবিত স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচি সম্পর্কে বলা হয়েছে, ট্রেনটি ১৯ জুলাই (শুক্রবার দিনগত) রাত ১টায় রাজশাহী ছেড়ে ঢাকা পৌঁছাবে ভোর ৬টায়। শনিবার রাত ৮টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে রাজশাহী পৌঁছাবে রাত ১টা ১৫ মিনিটে। উভয়পথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, হরিয়ান ও সরদহ রোড স্টেশনে যাত্রাবিরতি থাকবে। এই অবস্থায় এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন প্রচলিত নিয়ম অনুসারে অগ্রিম ভাড়া সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ সাপেক্ষে পরিচালনা করা যেতে পারে বলেও জানানো হয়।

রাজনৈতিক সমাবেশে ট্রেন ভাড়া করে নেতাকর্মী আনার তেমন নজির না থাকলেও এর আগে রাজশাহীর একটি সমাবেশে ট্রেন ভাড়া করেছিল আওয়ামী লীগ। তখন রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করে রাজনৈতিক সমাবেশের বিষয়ে সমালোচনা তৈরি হয়।

নির্বাচন নিয়ে ভেতরে ভেতরে গভীরে ষড়যন্ত্র চলছে’: রিজভী

নির্বাচনকে ঘিরে ভেতরে ভেতরে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ভোটকেন্দ্র যদি আবার ভোটারের পদধ্বনিতে মুখর হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকে, তাহলে কেন নির্বাচনের সময় পেছানোর এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে আলোচনার প্রশ্ন উঠছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও স্লোগানের প্রতিবাদে কৃষক দল আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এই অভিযোগ করেন।

কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি সংস্কার চায় এবং যৌক্তিক সময়ে নির্বাচন চায়, যা বেশি প্রলম্বিত না হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, লন্ডনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের পর একটি যুক্ত বিবৃতি এসেছিল, যা দেশের মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছিল। কিন্তু এর পরপরই সারাদেশে সংঘাত ও রক্তাক্ত পরিস্থিতি শুরু হয়, যা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

রিজভী বলেন, রাজধানীর মিটফোর্ডে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিএনপি সঙ্গে সঙ্গে নিন্দা জানিয়েছে এবং জড়িতদের আজীবন বহিষ্কার করেছে। ঘটনার পরপরই চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের বিবৃতিসহ নিন্দা জানানো হয় এবং বলা হয়েছে, জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, তারা যেখানেই থাকুক, যে অবস্থায় থাকুক।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, “নারায়ণগঞ্জের মাফিয়া গডফাদার আর কক্সবাজারের গডফাদারের জন্য শেখ হাসিনা পার্লামেন্টে তাদের পক্ষে কথা বলতেন। আর দলের নামে কেউ যদি চাঁদাবাজি করেছে, কেউ যদি অন্যায় করেছে, তাহলে সাংগঠনিক শাস্তির ব্যবস্থা হচ্ছে। শাস্তিস্বরূপ কেউ বহিষ্কার হচ্ছেন, কারও পদ স্থগিত হচ্ছে অথবা আমরা নিজেরাই পুলিশকে বলছি, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে অথবা নিজেরাও মামলা দিচ্ছে—এটাই তো তারেক রহমান।”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, মিটফোর্ডের ঘটনায় কেন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছয়-সাত বছর ধরে ভয়ংকর নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা তাকে অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘরের মধ্যে বন্দি করে রেখেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানকে ছাদের ওপর থেকে ফেলে দিয়ে কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে। তারেক রহমানকে নিপীড়িত নির্যাতনের এক প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে রিজভী বলেন, তার বিরুদ্ধে মিছিল ও ফেসবুকে আজেবাজে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করে কথা বলা হচ্ছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, খুলনায় বিএনপির একজন যুবককে গুলি করে পায়ের রগ কেটে দেওয়া এবং কক্সবাজারে বিএনপিকর্মী আব্দুর রহিমকে জামায়াত কর্তৃক হত্যা করার ঘটনা নিয়ে কেন কথা হচ্ছে না।

রিজভী বলেন, যেকোনো হত্যাকাণ্ড ও রক্তপাত হলে সবসময় সরকারকে অভিযোগ করা হয়। আইনশৃঙ্খলার দায়দায়িত্ব সরকারের, অথচ তাকে কিছু না বলে ১৭-১৮ বছর ধরে লন্ডনে থাকা এবং শেখ হাসিনার নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিছিল করা হচ্ছে। তিনি ছয়-সাত বছরের নেতৃত্ব দিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত করেছেন বলে রিজভী উল্লেখ করেন এবং তাকে সাহস ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হতে এইচএসসি পাস ও ২১ বছর বয়স বাধ্যতামূল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশি পর্যবেক্ষকের জন্য নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নীতিমালায় ভোটের দিনসহ আগে-পরে মোট তিনদিন পর্যবেক্ষক সংস্থা মোতায়েনের বিধান রাখা হয়েছে। নীতিমালায় পর্যবেক্ষক হতে এইচএসসি পাস বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে পর্যবেক্ষকদের সর্বনিম্ন বয়স ২১ বছর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. শরিফুল আলম এ তথ্য জানান।

এতে ২০২৩ সালের নীতিমালা বাতিল ও তৎকালীন ৯৬টি পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিল করে এবার নতুন করে নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

পর্যবেক্ষকের যোগ্যতা : নীতিমালায় পর্যবেক্ষকের যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ লাভের জন্য বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বয়স ২১ বছর বা তদূর্ধ্ব হতে হবে। ন্যূনতম উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। নিবন্ধিত বা অনুমোদিত পর্যবেক্ষক সংস্থা কর্তৃক মনোনীত হতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দল বা দলের অঙ্গসংগঠন বা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থীর সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারবে না। কোনো রাজনৈতিক দল বা এর কোনো অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষক হতে পারবেন না।

পর্যবেক্ষক মোতায়েন: পর্যবেক্ষক মোতায়েনের বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শুধুমাত্র অনুমোদিত পর্যবেক্ষক সংস্থার পর্যবেক্ষকগণই নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। ইসির নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থা তিন দিনের জন্য (নির্বাচনের আগের দিন, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচনের পরের দিন) পর্যবেক্ষক মোতায়েন করতে পারবে।

সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার নয় এমন লোককে পর্যবেক্ষক হিসেবে মোতায়েন করতে হবে।

নিবন্ধনের মেয়াদ: নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রতিটি সংস্থার নিবন্ধনের মেয়াদ অনুমোদনের তারিখ থেকে ৫ বছরের জন্য বহাল থাকবে। তবে কমিশন কোনো কারণে মনে করলে এর আগেই নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশে কর্মরত আন্তর্জাতিক সংস্থা বা কূটনৈতিক মিশনকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হওয়ার বিধান রাখা হয়নি। আন্তর্জাতিক সংস্থা বা কূটনৈতিক মিশনের স্থানীয় কর্মকর্তাগণ স্থানীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে গণ্য হবেন। বিদেশিদের বিদেশি পর্যবেক্ষক নীতিমালায় এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের স্থানীয় নীতমালা অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

এ বিষয়ে ইসির সহকারী জনসংযোগ পরিচালক মো. আশাদুল হক জানান, এবার পর্যবেক্ষণ নীতিমালায় বেশ কিছু সংযোজন আনা হয়েছে। বর্তমান কমিশন পর্যবেক্ষক হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাড়ানো এবং পর্যবেক্ষকদের ন্যূনতম বয়স কমানো হয়েছে। আগে পর্যবেক্ষকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এসএসসি বা সমমান এবং পর্যবেক্ষকদের বয়স ছিল ন্যূনতম ২৫ বছর।

তিনি জানান, সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় নিবন্ধন পাওয়া পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিল এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৩ রহিত করা হয়েছে।

জুলাই সনদ তৈরির প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও দৃশ্যমান হতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই সনদ তৈরির প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও জনগণের কাছে দৃশ্যমান রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টা ও কমিশন প্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক ও ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

বৈঠকে ঐকমত্য কমিশনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জুলাই সনদ তৈরির কাজ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করা হচ্ছে বলে কমিশন সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টাকে জানান।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের তাদের অনন্য ভূমিকা ও প্রচেষ্টার জন্য শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ‘এটা একটা ঐতিহাসিক ঘটনা। গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এর মাধ্যমে প্রতিফলিত হবে। কাজেই পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করতে হবে, মানুষের কাছে দৃশ্যমান থাকতে হবে।’

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বের সংলাপে আটটি বিষয়ে আলোচনার পর ঐকমত্য হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ। এছাড়া আরও সাতটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে আলোচনা চলমান আছে বলে জানান তিনি।