Home Blog Page 362

বিশ্ব ক্রিকেট যত এগিয়েছে বাংলাদেশ তত পিছিয়েছে’

০

‘বিশ্ব ক্রিকেট যত দূর এগিয়ে গেছে, বাংলাদেশ তাদের থেকে ততোটা পিছিয়ে গেছে। তবে পিছিয়ে পড়া বলাটা ঠিক শব্দ নয়। আমরা যদি সেই সাপোর্টটা দিতে পারি, তাহলে আরও এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট।’

গতকাল বুধবার কিংস অ্যারেনার ইনডোরে তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসাবে অনুষ্ঠিত ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ক্রিকেটারদের বাছাই কার্যক্রমের শেষ দিনে উপস্থিত হয়ে কথাগুলো বলেন- জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। অনুষ্ঠানমঞ্চে দাঁড়িয়েই জাতীয় দলের সিনিয়র এ ক্রিকেটার জানালেন, কাল আসতে পারেননি বিসিবির সঙ্গে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বৈঠক থাকায়। ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ক্রিকেটারদের ট্রায়ালে অতিথি হয়ে যাওয়া মুশফিকের কাছে এদিনও প্রশ্ন করা হলো ওই বৈঠক নিয়েই। গত মঙ্গলবার রাজধানীর পাঁচ তারকা একটি হোটেলে ক্রিকেটারদের সঙ্গে ‘শেয়ার অ্যান্ড কেয়ার’ নামে সে বৈঠকের আয়োজন করেছিল বিসিবি। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সবার আগে হাজির হয়েছিলেন জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিক। প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠকের পর বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, ক্রিকেটাররা মন খুলে তাদের সমস্যার কথা বলেছেন।

ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ক্রিকেটারদের বাছাই কার্যক্রমের অনুষ্ঠানে সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ ওমর বেলিম ও সানোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি অংশ নেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট উইং চেয়ারম্যান আকরাম খান। আগের দিন বিসিবির সঙ্গে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বৈঠক থাকায় এই অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি মুশফিকুর। বিসিবির শেয়ার অ্যান্ড কেয়ার সভায় নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভালো উদ্যোগ। বাস্তবায়ন যত দিন না হবে, এসব বৈঠক ফলপ্রসু হবে না। আমরা তো ক্যারিয়ারের প্রায় শেষ দিকে, আশা করব, পরের প্রজন্মের জন্য এ রকম পরিবেশ যেন তৈরি করে দিতে পারি, যাতে তারা নিয়মিত সব জায়গায় গিয়ে খেলতে পারে। ও রকম মাঠ যেন করে দিয়ে যেতে পারি, অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা দিতে পারি।’

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর মাঠে গড়াবে জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টি, এরপর জাতীয় লিগের চার দিনের আসরও হবে। এই টুর্নামেন্টে খেলবেন কি না, জানতে চাইলে মুশফিক বলেছেন, ‘যদি কোনো দল নেয়, জাতীয় লিগে খেলার ইচ্ছে আছে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সব দিক দিয়ে চেষ্টা করছি, এখন দেখা যাক।’ ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ক্রিকেটারদের নিয়ে মুশফিকুর রহিম বলেন, ‘ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ক্রিকেটাররা নিজেদের মানসিক অবস্থা সয়ে যেভাবে লড়াই করে খেলছে, তাতে তারা বাহবা পাওয়ার যোগ্য। এখান থেকে আমাদের মতো স্বাভাবিক মানুষদের অনেক কিছু শেখার আছে। তাদেরকে সহযোগিতা করা আমাদের অনেক বড় দায়িত্ব।

তাদেরকে উৎসাহ দেওয়ার মতো কিছু করে দিতে পারলেও শান্তি পাব। তাহলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। তাদেরকে মানসিক সাপোর্ট দিতে হবে যে, তারাও আমাদের মতো একজন মানুষ। এমন উৎসাহ পেলে তারা আরও ভালো খেলতে পারবে। বিসিবি সহযোগিতা করলে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে যাবে ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট।’ ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ট্রায়াল ও সিলেকশন ক্যাম্পের দ্বিতীয় দিনে চারটি বিভাগ থেকে প্রায় শতাধিক ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেটার অংশ নেন।

স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত ও সরকারসৃষ্ট এনসিপি পিআর চায়: মেজর হাফিজ

 

স্বাধীনতাবিরোধী ও সরকারের সৃষ্ট এমন দুটি রাজনৈতিক দল পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মেজর হাফিজ বলেন, ‘যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না তারা নতুন নতুন তত্ত্ব আনছে। পিআর নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে।’

তিনি দাবি করেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। তাই অনেকেই ওই সময়ে নির্বাচন চান না। জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় আনলে তাদের খেদমত করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সরকারের সৃষ্ট দল আখ্যা দিয়ে হাফিজ বলেন, ‘যাদের নিবন্ধনই হয়নি তারা বলছে নির্বাচন হতে দেয়া যাবে না।’

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতে দেবে না, বরং একটি মৌলবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা তৈরি করে জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি করতে চায়।’

হাফিজ উদ্দিন অভিযোগ করেন, দেশের মানুষের জন্য যাদের কোনো ত্যাগ নেই, তারাই নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করছে।

নাইজারে ভয়াবহ বন্যায় নিহত অন্তত ৪৭

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারে টানা বর্ষণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় কমপক্ষে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আরও অর্ধলক্ষাধিক মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

নাইজারের সিভিল প্রটেকশন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় ৩৩৯টি মহল্লা ও গ্রামে মোট ৭ হাজার ৭৫৪টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অধিদপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “নিহতদের মধ্যে ৩০ জন ঘরবাড়ি ধসে এবং অন্য ১৭ জন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৭০ জন এবং বন্যায় ২৫৭টি গবাদিপশু মারা গেছে।”

বন্যা প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে ত্রাণ বিতরণ শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ৩ হাজার ৭৭৬টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যক্তিদের সহায়তায় সরকার ১ হাজার ২০০ কোটি সিএফএ ফ্রাঁ (২১ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বরাদ্দ করেছে।

আনাদোলু বলছে, বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে বন্যা অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আফ্রিকা মহাদেশে বৃষ্টিপাতের ধরণ পাল্টে যাওয়ায় এ অঞ্চলে বন্যার প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি পড়ছে।

গাজা সিটি দখলে হামলা শুরু ইসরায়েলের, একদিনে নিহত ৮১

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় একদিনে আরও ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনার প্রথম ধাপের অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, জেইতুন ও সাবরায় বিরামহীন গোলাবর্ষণে ৮১জন নিহত ছাড়াও বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বুধবার ভোর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধজনিত ক্ষুধায় অন্তত ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ইসরায়েলি সেনারা জানিয়েছে, তারা গাজার সবচেয়ে বড় নগরকেন্দ্র গাজা সিটি দখলের লক্ষ্যে অভিযানের প্রথম ধাপ শুরু করেছে। সেখানে এখনো প্রায় ১০ লাখ মানুষ ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আটকে আছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার ক্ষুধাজনিত কারণে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে অনাহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৯ জনে, যাদের মধ্যে শিশুই রয়েছে ১১২ জন।

ইসরায়েলি হামলার মধ্যে দক্ষিণ গাজায় বাস্তুচ্যুতদের একটি তাবুতে বোমা হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনের সাবেক জাতীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় মোহাম্মদ শালান ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হন। তিনি খাদ্য সহায়তা কেন্দ্রের সামনে ছিলেন। বুধবারই খাদ্যসাহায্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

গাজায় খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া এবং লাগাতার সামরিক হামলার কারণে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নেমে এসেছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করেছে, ইসরায়েলের অবরোধ চলায় গাজায় অপুষ্টি মারাত্মকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। সংস্থাটি বলেছে, এটি কেবল ক্ষুধা নয়, এটি হচ্ছে অনাহার।

নিরাপত্তা উদ্বেগ থাক‌লে ভিসা ইস্যু করে না যুক্তরাষ্ট্র

সব ধরনের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের পূর্ণ সমাধা না হওয়া পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো ভিসা ইস্যু করে না।

বৃহস্প‌তিবার (২১ আগস্ট) ভিসা সংক্রান্ত এক পোস্টে ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস এ কথা জানায়।

ওই পো‌স্টে উল্লেখ করা হয়, ‘ভিসা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় জাতীয় নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। যতোক্ষণ না সব ধরনের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের সমাধান হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ভিসা ইস্যু করা হয় না। ভুয়া নথিপত্র দাখিলকারী আবেদনকারীদের কোনো ভিসা দেওয়া হয় না, এবং তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী এবং সংশ্লিষ্ট দেশেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

ফের ঢাকা ও সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড

আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছেন ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। তবে সংঘর্ষের কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ।

নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হক বলেন, দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন এবং সংঘর্ষের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি, ৯ ফেব্রুয়ারি ও ১৮ মার্চ ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে জড়ান।

শ্রেয়াস ও জয়সওয়ালের প্রতি এটি একেবারেই অন্যায়’

০

আসন্ন এশিয়া কাপের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড মঙ্গলবার ঘোষণা করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। শ্রেয়াস আইয়ার ও যশস্বী জয়সওয়ালদের মতো তারকাদের জায়গা না পাওয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে প্রচুর। জয়সওয়াল যেখানে স্ট্যান্ডবাই তালিকায় আছেন, শ্রেয়াসের নাম নেই সেখানেও। এ প্রসঙ্গে নানা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে (আইপিএল) ২০২৪ আসরে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নেতৃত্ব দিয়ে শিরোপা জেতান আইয়ার। পরে ভারতের ঘরোয়া লীগ মুশতাক আলী ট্রফিতেও দলকে ট্রফি এনে দেন। শেষ আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নিয়ে যান ফাইনাল পর্যন্ত। তবু ভারতের এশিয়া কাপ স্কোয়াডে জায়গা হয়নি এ ৩০ বছর বয়সী ক্রিকেটারের। নির্বাচক অজিত আগারকার এ নিয়ে বলেন, ‘শ্রেয়াসের সুযোগ না পাওয়াটা দোষের নয়, এমনকি আমাদেরও দোষ নয়। দলে ১৫ জনই থাকতে পারে। এর বেশি ক্রিকেটারকে রাখার সুযোগ নেই। ওকে কার জায়গায় নেয়া যেত?’ শ্রেয়াসের মতো জয়সওয়ালের ১৫ জনের দলে জায়গা না পাওয়াটা অনেকের কাছে বিস্ময়কর। সবশেষ আইপিএলে ১৪ ম্যাচে ৪৩ গড়ে ১৫৯.৭১ স্ট্রাইক রেটে ৫৫৯ রান করেন এ বাঁহাতি ব্যাটার। মূলত ওপেনারদের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েন এ ২৩ বছর বয়সী ক্রিকেটার। এ বিষয়ে আগারকার বলেন, ‘যশস্বীর দলে না থাকাটা দুর্ভাগ্যজনক। অভিষেকের পারফর্মেন্স উপেক্ষা করা কঠিন ছিল। আমরা টি-টোয়েন্টিতে ওর পারফর্মেন্স জানি। পাশাপাশি অভিষেক বলও করতে পারে, যা অধিনায়কের হাতে অতিরিক্ত বিকল্প দেয়। ওদের দু’জনের মধ্যে একজনকে বসতেই হতো।’ এদিকে শ্রেয়াসকে দলে না রাখায় অখুশি ভারতের সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন আশ্বিন। নিজের ইউটিউব চ্যানেল অ্যাশ কি বাত-এ তিনি বলেন, ‘শ্রেয়াস আইয়ারের মতো একজন ক্রিকেটারের আর কী করার ছিল? দলে ফিরে সে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছে… কেকেআরকে জিতিয়েছে, পাঞ্জাবকে ফাইনালে তুলেছে, শর্ট বলে দুর্বলতাও কাটিয়েছে। রাবাদা আর বুমরাহদের সহজেই খেলেছে। তার জন্য আমি ভীষণ দুঃখিত। শ্রেয়াস আর জয়সাওয়ালের প্রতি এটি একেবারেই অন্যায়।’

ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান মনে করেন শ্রেয়াসকে শুধু খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের অংশ হিসেবেও বিবেচনা করার দরকার ছিল, ‘শ্রেয়াস কেবল টি-টোয়েন্টি দলেই নয়, নেতৃত্বের গ্রুপেও যে সে অনুপস্থিত এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। এ মুহূর্তে ধৈর্য্যই তার প্রধান হাতিয়ার।’ অন্যদিকে শ্রেয়াসের জায়গা না পাওয়াকে একধরণের পক্ষপাত বলে মনে করেন ভারতের সাবেক সহকারী কোচ অভিষেক নায়ার, ‘আমার একটা বিষয় জানার ইচ্ছা, আপনাদের রিজার্ভ খেলোয়াড়ের তালিকায়ও কীভাবে সে (শ্রেয়াস) নেই? অথচ বলছেন সে শক্তিশালী প্রতিযোগী ছিল। মাঝেমধ্যে নির্বাচকদের সভা ও আলোচনাকে খুব মজার মনে হয়। তবে আমি বুঝতে পারছি না, ২০ জনের তালিকায়ও কীভাবে আইয়ারের জায়গা না হয়। তার মানে হয়তো তাকে টি-টোয়েন্টির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হচ্ছে না। সম্ভবত আইয়ার অন্য কারও চেয়ে কিছুটা কম পছন্দের!’

মেসি আমাকে আরও ভালো কোচ হতে সাহায্য করেছে’

০

ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় ও কোচদের তালিকা করলে লিওনেল মেসি আর হোসে মরিনহোর নামটা উপরের দিকেই থাকবে। ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’ খ্যাত মরিনহো বেশ কয়েকবারই প্রতিপক্ষ দলে খুঁজে পেয়েছেন মেসিকে। রিয়াল মাদ্রিদে থাকতে এ আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে রুখতে একের পর এক ছক কষতে হয়েছে মরিনহোকে। এবার এ পর্তুগিজ অভিজ্ঞ কোচ জানালেন, মেসিকে ঠেকানোর চ্যালেঞ্জই তার কোচিং দক্ষতা বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।

যদিও শুধু স্প্যানিশ জায়ান্টদের কোচ হিসেবেই নয়, পোর্তো, চেলসি ও ইন্টার মিলানে থাকাকালীনও মেসিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পান মরিনহো। ২০০৩-এর নভেম্বরে এক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে মরিনহোর পোর্তোর বিপক্ষেই বার্সেলোনার হয়ে অভিষেক হয় মেসির। তবে রিয়ালের দায়িত্বে থাকা অবস্থাতেই মেসিকে নিয়ে বেশি ভাবতে হয় এ ৬২ বছর বয়সী কোচকে। ক্রীড়াবিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল স্পোর্টিনেটকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মরিনহোর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কোন খেলোয়াড় তার কোচিং দক্ষতা বাড়াতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে। উত্তরে তুর্কি ক্লাব ফেনারবাচের বর্তমান কোচ মরিনহো বলেন, ‘মেসি, কেননা তার বিপক্ষে যতবারই খেলা ছিল, প্রতিবারই সে আমাকে আরও বেশি ভাবতে বাধ্য করেছে।’ যদিও সর্বকালের সেরা ফুটবলারের বিতর্ক একেবারেই ঠান্ডা মাথায় নিতে পারেননি মরিনহো। একটু রাগের সুরেই বলেন, ‘এ বিতর্ক আমার কাছে অন্যায্য মনে হয়। এ বিষয়ে কেউ যখন কথা বলে, তখন আমার মেজাজ খারাপ হয়। নতুন প্রজন্ম এখনকার ফুটবল সম্পর্কে জানে। তবে পেলে, ইউসেবিও বা বেকেনবাওয়ারকে গভীরভাবে জানে না। অথচ তারা তাদের সঙ্গে বর্তমান (ফুটবলারদের) তুলনা করে।’ ঠিক কী কারণে অতীত আর বর্তমানের মধ্যে এ তুলনা টানা ঠিক নয়, সে প্রসঙ্গে মরিনহো বলেন, ‘তাদের সময়ের ফুটবল আর আজকের ফুটবল এক নয়। ৪০ বছর আগে বৃষ্টি হলে বলের ওজর ১০ কেজি হয়ে যেত। আর এখন শাঁ শাঁ করে বল ওড়ে।’

ইউরোপের ফুটবলের অধ্যায়ের সমাপ্তি করে বর্তমানে আমেরিকার মেজর লীগ সকারে (এমএলএস) খেলছেন মেসি। আগামীকাল লীগস কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইন্টার মায়ামির হয়ে টাইগ্রেস ইউএএনএলের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টাইন মহাতারকা। অন্যদিকে মরিনহো ব্যস্ত ফেনারবাচেকে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের মূল পর্বে তোলার প্রস্তুতিতে। তাই মেসি আর মরিনহোকে হয়তো আরেকবার ফুটবল মাঠে কখনওই একে অপরের বিপক্ষে দাঁড়াতে দেখা যাবে না।

জামিলের সঙ্গে বিয়েতে রাজি ছিলেন না মুনমুন

চলতি বছর বিয়ে করেছেন ছোট পর্দার ব্যস্ত অভিনেতা জামিল হোসেন ও অভিনেত্রী মুনমুন আহমেদ মুন। দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই জুটি। যদিও প্রথমে বিয়েতে রাজি ছিলেন না মুনমুন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, আম্মু আগে বলতো যে, নোয়াখালী-বরিশালের ছেলেদের কাছে আমাকে বিয়ে দিবে না বা আমার তিন ভাই আছে, তাদের কাউকে বিয়ে দিবে না।

তিনি আরো বলেন, নোয়াখালীতে গিয়ে আমার বিয়ে হয়েছে। আমি তো এ বিয়েতে রাজি ছিলাম না! পরে আব্বু-আম্মু সবাই আগে আমাকে রাজি করিয়েছে। জামিল ভালো ছেলে, রাজি হও। কেন বিয়ে করবে না- এমন কথা বলেছে। আমি যে নোয়াখালীর ছেলেকে বিয়ে করলাম আমার এখন মনে হচ্ছে, সব দেশে আসলে ভালো-মন্দ দুইটাই থাকে। জামিলের জন্ম সিলেটে তবে পৈত্রিকসূত্রে নোয়াখালীর। ভালো মানুষ সে। প্রসঙ্গত, স্ত্রী মুনমুনের সঙ্গে একসঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু নাটকে কাজ করেছেন জামিল। সেখান থেকেই দুজনের পরিচয়। আর সেই পরিচয় একটা সময় গড়ায় ভালো লাগায়।

“ট্রায়াল অব সূর্যসেন” নাটকের ৩৮ তম মঞ্চায়ন শিল্পকলায়

ব্রিটিশবিরোধীআন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়বস্তুকেউপজীব্য করে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নাটক মঞ্চে আনে নাট্যদল ঢাকা পদাতিক। নাটকটি রচনাও নির্দেশনায় ছিলেন নাট্যজন মাসুম আজিজ। তার মৃত্যুর পর নবনির্দেশনার কাজটি করছেন দেশের প্রথিতযশা অভিনেতা, নির্দেশকনাদের চৌধুরী।

আগামী ২০জুলাইবাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে সন্ধ্যা সাতটায় নাটকটিরপ্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ১৮ ও ১৯ জুলাইচলবে নাটকটির মহড়া।

গত বছর দিল্লিতেআন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত এই নাটকের দুটি প্রদর্শনী হয়। সেখানে বেশ প্রশংসা কুড়ায় এটি।নবনির্দেশনার অনুভূতি জানিয়ে নাদের চৌধুরী বলেন, “ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ ব্রিটিশবিরোধীআন্দোলন নিয়ে ঐতিহাসিক একটি নাটক। এর রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত মাসুম আজিজভাই। পরবর্তীতে এই নাটকের কিছু কিছু জায়গায় প্রয়োজনসাপেক্ষে অলংকরণ করে নবনির্দেশনারকাজটি আমি করেছি। ‘মাস্টারদা সূর্যসেন’ নাটকের প্রধান চরিত্রটি আমি রূপায়ণ করছি। ঐতিহাসিকএই নাটক আমাদের এখনকার জেনারেশনের দেখা উচিত।”

নাটকটিতে চরিত্রেরসংখ্যা প্রায় ৪০। এসব চরিত্র হলো—সূর্যসেন, প্রীতিলতা, কল্পনা দত্ত, অম্বিকারায়, নির্মল সেন, ব্রিটিশ উকিল, নেত্র সেন,বাঙালি উকিল প্রমুখ। এসব চরিত্র রূপায়ণ করছেন, নাদেরচৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নানটু, শাহনাজ পারভিন জয়া, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসান,সাবিহা জামান, আক্তার হোসেন, তারেক আলী মিলন, আতিক, রবিউল মিলটন, আল আমিন, সুমন ঘোষ, ফারজানানিপা, আরিফ, মাক্সুদসহ অনেকে। এই নাটকের আলোক প্রক্ষেপনে রয়েছেন জাকারিয়া কিরন এবং সঙ্গীত আয়োজনে রয়েছেন আবুল বাশার সোহেল।

উল্লেখ্য, ২০১৮সালের ১৮ জানুয়ারি নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।