Home Blog Page 362

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে এক পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় ম্যাচটি শুরু হবে। এই ম্যাচটি উভয় দলের জন্যই সিরিজ জয়ের সুযোগ।

টসের সময় বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ জানিয়েছেন, একাদশে ফিরেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। বাদ পড়েছেন আরেক পেসার হাসান মাহমুদ। অন্যদিকে, স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার একাদশে কোনো পরিবর্তন নেই।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় ম্যাচে হারলেও একাদশে কোনো বদল আনেনি স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। পরিসংখ্যান বলছে, পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ম্যাচ হাইস্কোরিং হয়ে থাকে। লঙ্কান অধিনায়কও আগে ব্যাট করে ন্যূনতম ২৮০ রান তোলার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তানজিম হাসান সাকিব, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।

শ্রীলঙ্কার একাদশ: নিশান মাদুশকা, পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কামিন্দু মেন্ডিস, চারিথ আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), জানিথ লিয়ানাগে, দুনিথ ভেল্লালাগে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মহেশ থিকশানা, দুষ্মন্ত চামিরা ও আসিথা ফার্নান্দো।

কুশলের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সামনে পাহাড় সমান লক্ষ্য

পাল্লেকেলেতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নেমেছে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ। এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছে লঙ্কান ব্যাটাররা। এতে বাংলাদেশকে পাহাড় সমান ২৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিকরা। শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ১২৪ রানের ইনিংস খেলেছেন কুশল মেন্ডিস।

মঙ্গলবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার নিশান মাদুশকা। তবে কুশাল মেন্ডিসকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন আরেক ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ৪৭ বলে ৩৫ রান করে তানভীরের বলে ক্যাচ আউট হন তিনি।

এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি কামিন্দু মেন্ডিসও। ১ ওভারে বোলিংয়ে এসে কামিন্দুকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মিরাজ। ২০ বলে ১৬ রান করে আউট হন তিনি।কিন্তু অপর প্রান্ত আগলে রেখে ৭টি বাউন্ডারিতে ৫৮ বলে ফিফটি তুলে নেন কুশল মেন্ডিস।

অপর প্রান্ত থেকে ৯টি বাউন্ডারি মেরে ৬০ বলে ফিফটি তুলে নেন আসালাঙ্কা। আর সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে চলে যান কুশল। ৯৫ বলে নিজের শতক পূরণ করে দলে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন তিনি।

এই দুজনের ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের পথে এগাচ্ছিল লঙ্কানরা। কিন্তু ৪১তম ওভারে তাসকিনকে বোলিংয়ে আনেন মিরাজ। ওভারের তৃতীয় বলে লঙ্কান অধিনায়ককে ক্যাচ আউটের ফাঁদে ফেলেন এই টাইগার পেসার। ৬৮ বলে ৫৮ রান করেন তিনি।

৪৫তম ওভারের শেষ বলে হিট উইকেটের ফাঁদে পড়েন জিনাথ লিয়ানাগে। ১৭ বলে ১২ রান করেন তিনি। পরের ওভারে শামীম পাটোয়ারীকে বোলিংয়ে আনেন মিরাজ। ওভারে চতুর্থ বলে শামীমকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন কুশল মেন্ডিস। ১১৪ বলে ১২৪ রান করেন তিনি। এতে রানের গতি কমে যায় লঙ্কনদের।

শেষ পর্যন্ত ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার ১৪ বলে ১৮ রান এবং দুশমানথা চামিরার ১০ রানে ভর করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে শ্রীলঙ্কা।

বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি করে উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়াও শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তানভীর ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব একটি করে উইকেট শিকার করেন।

তৃতীয় বিয়ে নিয়ে আমির বললেন, আমরা মনে মনে বিবাহিত

দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বলিউড অভিনেতা আমির খান আবারও প্রেমে পড়েন। চলতি বছরের শুরুতে তার ৬০তম জন্মদিনে তিনি নতুন বান্ধবী গৌরী স্প্রাটকে মিডিয়ার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গৌরীকে নিয়ে তার বিয়ের পরিকল্পনা সম্পর্কে মুখ খুলেছেন আমির। গৌরীর সঙ্গে তার সম্পর্কের গভীরতা এবং প্রেমিকাকে বিয়ে করতে তিনি প্রস্তুত কিনা, সেই সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আমির বলেন, ‘গৌরী এবং আমি একে অপরের প্রতি সত্যিই সিরিয়াস এবং আমরা খুব প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জায়গায় আছি।’

তার কথায়, ‘আমরা পার্টনার, একসঙ্গে আছি। বিয়ে এমন একটি জিনিস, মানে আমি মনে মনে ইতোমধ্যেই ওর সঙ্গে বিবাহিত। তবে আমরা এটিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেব কিনা সেটা আমি সিদ্ধান্ত নেব।’

এর আগে আমির জানিয়েছিলেন, তিনি এবং গৌরী ২৫ বছর আগে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর কোনো যোগাযাগ ছিল না। তারা ১৮ মাস আগে ফের ডেটিং শুরু করেন। ছয় বছরের এক সন্তানের মা গৌরী এখন আমিরের প্রোডাকশন হাউসে কাজ করছেন।

প্রসঙ্গত, আমির ১৯৮৬ সালে রীনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন এবং তাদের দু’টি সন্তান রয়েছে- জুনেইদ খান এবং ইরা খান। ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর অভিনেতা এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচালক কিরণ রাও ২০০৫ সালে বিয়ে করার পর  ২০২১ সালে আলাদা হয়ে যান।

অবশেষে ফিরছেন বিদ্যা সিনহা মিম

বাংলা চলচ্চিত্রের চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম দীর্ঘদিন যাবৎ সিনেমার পর্দায় নেই । ২০২২ সালের আলোচিত রায়হান রাফির ‘পরাণ’ সিনেমার পর তাকে আর সেভাবে দেখা যায়নি। এরপর তার অভিনীত ‘দামাল’ নামে একটি সিনেমা মুক্তি পেলেও এর রেসপন্স খুব একটা সুবিধাজনক ছিল না।

বলা যায়, এরপর থেকে সিনেমা নিয়ে মিম রয়েছেন আলোচনার বাইরে। তবে বিজ্ঞাপন ও ফটোশুটের কাজে তিনি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। এ দুটি কাজ নিয়ে খবরের শিরোনামও হয়েছেন। কিন্তু এরমাঝে আর নতুন সিনেমায় যুক্ত হওয়ার খবর দেননি এ অভিনেত্রী।

সর্বশেষ ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’ নামে একটি সিনেমার শুটিং করেছেন তিনি। শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের জীবন নিয়ে নির্মিত এ সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন পান্না কায়সারের চরিত্রে। এটি পরিচালনা করেছেন ওয়াহিদ তারেক। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের ঘটনার পর সিনেমাটি কবে মুক্তি পাবে বা আদৌ পাবে কিনা এ নিয়ে রয়েছে সংশয়।

বিদ্যা সিনহা মিম বলেন, ‘সিনেমাটির শুটিং শেষ। কিছু প্যাচ ওয়ার্কের কাজ বাকি আছে। সেগুলো আগামী ১৬ ও ১৭ জুলাই করা হবে। সেজন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছি। তারপরই পুরো কাজ সম্পন্ন হবে।

এ নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে মিম বলেন, ‘সিনেমাটি নিয়ে অনেক বেশি আশাবাদী, তাই মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছি। অনেক সুন্দর একটি গল্প। প্রত্যাশা করছি দর্শকরা প্রেক্ষাগৃহে এসে দেখবেন।

অর্থাৎ এ সিনেমা দিয়ে আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার বাইরে ওয়েব সিরিজেও অভিনয় করেছেন মিম।

নতুন ওয়েব সিরিজ কিংবা সিনেমার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন নতুন কাজের প্রস্তাব পাচ্ছি। কিন্তু গল্প, চরিত্র মনের মতো হলেই নতুন কাজ করব।’ এদিকে  কয়েক দিন আগে শ্রীলঙ্কায় ভ্রমণ করেছেন মিম।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে ১০ দিন ছিলাম শ্রীলঙ্কা। এবারের ভ্রমণটা অনেক আনন্দের। সেই সঙ্গে অনেক স্মৃতিময় হয়ে থাকবে। কেননা, শ্রীলঙ্কার এত সুন্দর সুন্দর জায়গা ঘুরেছি, দ্বিতীয়বার আর না গেলেও হবে।

শামীম হায়দারের নেতৃত্বে আ. লীগের পুনর্বাসন হতে যাচ্ছে: রাশেদ খান

গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান অভিযোগ করেছেন যে, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। রাশেদ খান বলেন, ইতিপূর্বে সাবের-মান্নানদের কাঁধে সওয়ার হয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু সেই ‘প্রজেক্ট ভণ্ডুল’ হওয়ায় এখন পাটোয়ারীই ‘শেষ ভরসা’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

আপা এখন জাপায় ভর করেছে। জাপাতে যে অন্তঃকোন্দল দেখতে পাচ্ছেন, এটা স্রেফ মেকি। ভারতের নতুন ছক অনুযায়ী জাতীয় পার্টি সংস্কারের নামে একটা ধোঁকাবাজি চলছে।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও জাপাকে সুযোগ দিচ্ছে অভিযোগ করে রাশেদ খান বলেন, ‘উপদেষ্টাদের মধ্যে যেহেতু আপা ও জাপা ভক্ত রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে আপা সরাসরি ফিরে আসতে না পারলেও জাপার ঘাড়ে চড়ে আপাকে ফেরানোর বিষয়ে তারা ইতিবাচক। আর তারই অংশ হিসেবে ভারত ও আপার নতুন খেলোয়াড় শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে মাঠে নামিয়েছে। যেখানে এসব পাটোয়ারীকে জেলে থাকার কথা। সেখানে তারা হতে যাচ্ছে আপা রক্ষার মূল খেলোয়াড়।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নখদর্পণে সব কিছু আছে দাবি করেছেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘কিন্তু তারা ভারতের ভয়ে কাবু হয়ে জাপা দিয়ে আপা ফিরে আসার পথে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে না। ইতোপূর্বে সাবের-মান্নানদের কাঁধে সওয়ার হয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলে। সেই প্রজেক্ট ভণ্ডুল হওয়ায়, এখন পাটোয়ারী শেষ ভরসা।

উল্লেখ্য, মজিবুল হক চুন্নুকে বাদ দিয়ে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব করা হয়েছে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে।

সোমবার পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এখন সময় ভালো যাচ্ছে না: মির্জা ফখরুল

বর্তমান সময় ভালো যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘সময় তো ভালো যাচ্ছে না এখন, অনেকেই অনেক কথা বলছেন। অনেকেই মন খারাপ করছেন। আমি সব সময় আশাবাদী মানুষ। বয়স আমার অনেক, তবে আমি সব সময় আশাবাদী মানুষ। আমি মনে করি, এরপর ভালো সময় আসবে। আরও ভালো সময় আসবে।’

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘সিভিল ডিসকোর্স ন্যাশনালস-২০২৫’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে দ্য বাংলাদেশ ডায়ালগ (টিবিডি)

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, জেনারেশন গ্যাপ (প্রজন্মের দূরত্ব) অনেক বেশি। ওদের বুঝতে আমার সময় লাগে। আমার মনে হয়, আমাদের বুঝতেও হয়তো সময় লাগে। যে কারণে এখন অনেক রাজনৈতিক সমস্যাও কিছু কিছু দেখা দিচ্ছে। এটিকে অন্তত একখানে আনা যেত, তাহলে বোধ হয় অনেকগুলো সমস্যার সমাধান হতো।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জেন-জিদের সঙ্গে আমাদের পরিচয় খুব কম। পরিচয়টা বাড়ানো দরকার। আবার ঢাকার চিন্তাভাবনার সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের চিন্তাভাবনা এক নয়। এই দূরত্ব মেটাতে হবে। তা না হলে আমরা যে প্রজন্ম, যে শক্তি, যে আর্মি তৈরি করতে চাচ্ছি, যেই আর্মি আমার বাংলাদেশকে বদলে দেবে, সেই জায়গায় আমরা আসতে পারব না।’

তিনি বলেন, ‘‘আমাদের তরুণেরা আমাদের চেয়েও অনেক অনেক বেশি যোগ্য হয়ে উঠছে এবং তারা এ দেশে ভবিষ্যতে আরও বেশি বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তবে তর্ক আছে, বিতর্ক আছে, মতের অমিল আছে। আমরা লিবারেল ডেমোক্রেসিতে বিশ্বাস করি। আমরা বিশ্বাস করি, আমার কথা বলার স্বাধীনতা থাকতে হবে, তোমারও কথা বলার স্বাধীনতা থাকতে হবে এবং এটাই হচ্ছে উপযুক্ত গণতন্ত্র।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আমার একটা আপত্তি আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আর মাননীয় স্পিকার কথাটা কি আমরা বাদ দিতে পারি না? আমার কেন জানি মনে হয়, এই মাননীয় কথাটা থেকেই কিন্তু সমস্ত অটোক্রেসির (স্বৈরাচার) জন্ম হয়।’

তিনি বলেন, ‘‘আমাদের এখানে যে-ই মন্ত্রী হয়ে গেল, সে সম্পূর্ণভাবে ভিন্ন জগতে চলে গেল। তার স্যালুট, তার বাঁশি, তার গাড়ির সামনে একটা গাড়ি, পেছনে আরেকটা গাড়ি— এই যে মানসিকতাটা তৈরি হয়, এই মানসিকতা আমাকে ধীরে ধীরে ওই ডিক্টেটরের (স্বৈরশাসক) দিকে নিয়ে যায়।’’

টিবিডির পরিচালক সাইফ রুবাবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মাদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া, আইনজীবী রাশনা ইমাম, অ্যাডকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিম ফারহান চৌধুরী, বিএনপির আন্তর্জাতিক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, ঢাকা কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির (ডিসিডিএস) সভাপতি শাহাদাত হোসাইন, ডিসিডিএসের প্রধান মডারেটর অধ্যাপক আকতারুজ্জামান, টিবিডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবায়েত মান্নান রাফি প্রমুখ।

ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়েছে চীন

দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর চীন ইরানকে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করেছে, যা ইতোমধ্যে ইরানে এসে পৌঁছেছে। ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের অনেক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আইকে দেওয়া এক বিবৃতিতে একজন আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চীন থেকে ইরান সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ব্যাটারি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপর এক আরব কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেসব আরব মিত্র দেশ রয়েছে, তারা ইরান-চীনের এই সামরিক সহায়তা নিয়ে অবগত। এছাড়া ইরান যে চীনের সহায়তা পাচ্ছে সেটি যুক্তরাষ্ট্রকেও জানিয়েছে তারা।

চীন থেকে ইরান কতগুলো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেয়েছে সেটি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তারা। দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পরই বেইজিং তেহরানে এগুলো পাঠানো শুরু করে। এক আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেল দিয়ে এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দাম দিচ্ছে ইরান। অর্থাৎ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বদলে ইরানের কাছ থেকে তেল নিচ্ছে চীনারা।

চীন ইরানের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ৯০ শতাংশ তেলই চীনে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন ইরানের তেল কেনা অব্যাহত রাখে। তবে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে মালয়েশিয়াকে ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে করে তেলগুলো যে ইরান থেকে আসছে সেটির আর কোনো চিহ্ন থাকে না।

দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে যখন ইসরায়েলের যুদ্ধ চলছিল তখন অনেক পশ্চিমা দেশ বলেছিল, ইরানের কাছ থেকে রাশিয়া ও চীন দূরত্ব বজায় রাখছে। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই ইরানকে পুনর্গঠনে সহায়তা শুরু করেছে বেইজিং।

যুদ্ধের শুরুতেই ইসরায়েল ইরানের অনেক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়। এতে করে ইরানের আকাশে নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করতে সমর্থ হয় দখলদাররা। এ কারণে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে হত্যা করতে পারে তারা। ইরানের সরকার জানিয়েছে, ১২ দিনের এ যুদ্ধে ইসরায়েল ১ হাজার ৬ ইরানিকে হত্যা করেছে।

কালোজাদুর অভিযোগে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারে এক ভয়াবহ ঘটনায় কালোজাদু চর্চার অভিযোগে এক পরিবারের পাঁচ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর মরদেহগুলো পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। মঙ্গলবার বিহার পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটির কালোজাদুর কারণে এক শিশুর মৃত্যুর পর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা তাদের ওপর হামলা করে।

এক বিবৃতিতে বিহার রাজ্য পুলিশ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডের শিকারদের মধ্যে তিনজন নারী রয়েছেন। তাদের একজনের বয়স ৭৫ বছর।

পুলিশ বলেছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত গ্রামের এক ব্যক্তি সম্প্রতি তার ছেলের মৃত্যুর জন্য ওই পরিবারটিকে দায়ী বলে মনে করতেন। তিনি ওই পরিবারটির বিরুদ্ধে কালোজাদু চর্চার অভিযোগ করেন।

ওই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার পর মূলহোতা ও অন্যান্যরা তাদের মরদেহ ট্রাক্টরে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি পুকুরে ফেলে দেয় বলে জানিয়েছে বিহার পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারটির সবাই ভারতের ওরাঁও জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। এমনকি ঘাতকেরাও একই জনগোষ্ঠীর সদস্য। ভারতের সবচেয়ে দরিদ্র রাজ্যগুলোর একটি বিহার; যেখানকার প্রায় ১৩ কোটি বাসিন্দার বেশিরভাগই হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

কুসংস্কারে বিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রচারণা চললেও ভারতের গ্রামাঞ্চলে বিশেষ করে বিচ্ছিন্ন আদিবাসী এলাকাগুলোতে কালোজাদুর প্রতি মানুষের এখনও ব্যাপক বিশ্বাস রয়েছে। বিহারসহ দেশটির কিছু রাজ্যে কালোজাদু ও কুসংস্কারে বিশ্বাসী লোকজনের বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধে আইনও চালু করা হয়েছে।

দেশটির বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই ‘ডাইনী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নারীদের ওপর হামলা করা হয়। তবে পাঁচ সদস্যের একটি পুরো পরিবারকে হত্যা এই ধরনের বর্বরতার সাম্প্রতিক ঘৃণ্য উদাহরণ।

ভারতের জাতীয় অপরাধ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (এনসিআরবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ভারতে কালোজাদু সন্দেহে দেড় হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী।

দেশটিতে কেউ কেউ সত্যিই কালোজাদুতে বিশ্বাসী হলেও এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে হামলাকারীদের প্রায়ই জমি ও সম্পত্তির দখল নেওয়ার মতো অন্যান্য উদ্দেশ্যও থাকে।

ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ১৫ বছর ধরে কাজ করছে ইসি: সিইসি

ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত ১৫ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, “এখন সময় দায়িত্ব পালনের। ভোট দিন, নাগরিক দায়িত্ব পালন করুন।”

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ডেমোক্রেসি (আরএফডি) আয়োজিত ফল উৎসব ও সাংবাদিক এক্সেস কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হতে পারলেই একজন ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়। তিনি ‘রাতের ভোট’ প্রসঙ্গে অভিযোগ শুনলে লজ্জা পান এবং জানান, নির্বাচন নিয়ে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেটি দূর করতে হবে সবাই মিলে। ইসি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর এবং এ জন্য নির্বাচন-সংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি জানান, ভোটের দুই মাস আগেই নির্বাচনের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।

সিইসি আরও বলেন, “আমরা যা করছি, তা আপনাদের (সাংবাদিকদের) মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। আজ কানাডার হাইকমিশনারের সঙ্গে আলাপে দেখেছি, তিনি আমাদের ভোটার রেজিস্ট্রেশন, ইউএনডিপি’র সহযোগিতা, ক্যামেরা, ল্যাপটপ সব বিষয়ে অবগত।” এজন্য তিনি সাংবাদিকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমরা বারবার প্রমাণ করেছি- ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ সালে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয়েছে। এবারও পারব ইনশাআল্লাহ।” প্রশাসন, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তিনি বলেন, “এটাই ভাবমূর্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার সময়।”

সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সিইসি বলেন, “অনেক সময় পজিটিভ রিপোর্ট থাকলেও হেডলাইন বা স্ক্রলে নেতিবাচক বার্তা থাকে। এতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। দয়া করে এমন ক্যাপশন দিন, যাতে পজিটিভ বার্তাটি স্পষ্ট হয়।” তিনি জানান, সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে ইসি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালাবে এবং তাদের পার্টনার করে কাজ করতে চায়। সাংবাদিকদের দাবি বিবেচনায় নিয়েই ‘ওয়্যারনেস রেইজিং ক্যাম্পেইন’ চালু করা হবে।

ভোটের তারিখ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “ভোটের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে কমপক্ষে দুই মাস আগেই সবকিছু জানিয়ে দেয়া হবে। কোন দিন ভোট, মনোনয়ন এবং অন্যান্য বিষয়।” তিনি আরও বলেন, “২০১৮ সালের মতো যেন কোনো অভিযোগ না ওঠে। এবার আমাদের সবার দায়িত্ব জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা।”

অনুষ্ঠানে অন্য চার নির্বাচন কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন আরএফডি’র সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন (জেবেল) এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে ক্ষমা চাইলেন ২ শতাধিক আন্দোলনকারী

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের’ প্রায় দুই শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী সংস্থাটির চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে তারা চেয়ারম্যানের কাছে ব্যাচভিত্তিক এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে এনবিআর সূত্র জানিয়েছে।

জানা গেছে, ৪০, ৩৮, ৩৩, ৩১, ৩০, ২৯, ২৮ ব্যাচের আয়কর ক্যাডার কর্মকর্তারা ক্ষমা চাওয়াদের মধ্যে বেশি ছিলেন।

ক্ষমা প্রার্থনার সময় এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আমি ক্ষমা করে দিয়েছি; তবে আন্দোলনের কারণে রাষ্ট্রের যে ক্ষতি হয়েছে, সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।”

এর আগে গত সপ্তাহে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এনবিআরের দুজন সদস্যসহ মোট ১৬ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে, যাদের অধিকাংশই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। আন্দোলন প্রত্যাহারের পর এই পর্যন্ত তিনজন সদস্য ও একজন কমিশনারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে এবং কাজ বন্ধ রাখার দায়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় এনবিআর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে সোমবার (৭ জুলাই) ঢাকা কাস্টমস হাউস পরিদর্শন শেষে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, “এনবিআরের কর্মকর্তাদের ভয়ের কিছু নেই। যারা অনেক বড় আকারে সীমা লঙ্ঘন করেছে, সেটি ভিন্নভাবে দেখা হবে। সাধারণভাবে কারও কোনো ভয়ের কারণ নেই।”

আন্দোলন প্রত্যাহারের পর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে অবসর, বদলি, বরখাস্ত প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এটা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত। আন্দোলন ওই কয়েকজনে করেনি, অনেকে করেছে। সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”