Home Blog Page 365

ছেঁড়া বেল্ট ও একজন অবিকল জিয়াউর রহমান

০
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার সেনাজীবন ও রাজনৈতিক জীবনে সাধারণ জীবনযাপনের জন্য খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। ছেঁড়া গেঞ্জি বা সাধারণ পোশাকে তার চলাফেরার অনেক গল্প প্রচলিত আছে, যা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে গণমুখী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তাকে ছেঁড়া বেল্ট পরা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। এই ছবিটি নিয়ে তার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাশাপাশি নেটিজেনরা ত্যাগী ও সাদাসিধে জীবনযাপনের জন্য তার প্রশংসা করেছেন। তারেক রহমানের ছেঁড়া বেল্টের ছবি দেখে তার ভেতরে অনেকেই কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের অবিকল প্রতিচ্ছবি দেখছেন। সমর্থকরা বাবার মতো তাকে একইরকম সাধারণ ও ত্যাগী বলে মনে করছেন।
এই ছবিটি সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার কিনা, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে, নেটিজেনরা বলছেন, এটি প্রমাণ করে যে, তিনি বিলাসিতা বা আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপনের প্রতি আগ্রহী নন, বরং সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করেন। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমান যে ব্যক্তির সন্তান, সেই জিয়াউর রহমানের দক্ষতা, অবদান, দেশপ্রেম, সততা এবং সাধারণ জীবন-যাপন বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদার স্থান দখল করে আছে। তাই তারা এই ছবিটিকে তার ত্যাগ ও সাধারণ জীবনযাপনের প্রতীক হিসেবে দেখছেন। অনেকেই মনে করছেন, তারেক রহমানের সাদাসিধে জীবনযাপন তার বাবা জিয়াউর রহমানের মতোই এবং এর মাধ্যমে তিনি মানুষের মন জয় করতে পেরেছেন।
এর আগে, সম্প্রতি তারেক রহমানের লন্ডনে পাবলিক বাসে যাতায়াতের ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে দেখা যায়—খাকি রঙের প্যান্ট, আকাশি রঙের শার্ট, পায়ে কেডস। এসব ছবির নিচে প্রচুর প্রশংসা কুড়ান তিনি। অনেকেই মনে করেন, লন্ডনে তারেক রহমান কীভাবে একজন সাধারণ মানুষের মতো জীবন-যাপন করছেন, এই ছবিগুলো তার প্রমাণ।
কৈশোরে বিটিভিকে দেওয়া একটি সাক্ষাৱকারে তারেক রহমানকে বলতে শোনা যায়, তার বাবার প্যান্ট শার্ট কেটে ছোট করে তাদের দুই ভাইকে পরানো হতো। এরকম একজন রাষ্ট্রনায়কের সন্তান লন্ডনের রাস্তায় পাবলিক বাসে যাতায়াত এবং সাধারণ জীবন-যাপনের মাধ্যমে বাবার ডুপ্লিকেট হয়ে উঠেছেন, যা আশার আলো দেখাচ্ছে এদেশের মানুষকে।
তারেক রহমান সাত বছর ধরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তার আগে ছিলেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। পুরো দলের কাণ্ডারি তিনি। ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে দলের আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন তার ম্যাজিক নেতৃত্বে।
দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে আসা এই নেতা নীরবে অনেকটা গোপনে আরও কিছু কাজ করে আসছেন। যা কখনো সামনে আসেনি। তিনি নিজেও এসব কাজ প্রকাশ্যে আনতে চান না। দলীয় নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ অসহায় মানুষের জন্য নানা ধরনের সেবা কার্যক্রমে যুক্ত তিনি। বিদেশে অবস্থান করলেও এসব কর্মকাণ্ড তিনি নিজেই সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা করেন, তদারকি করেন।
তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, আত্মতৃপ্তির জন্যই তিনি এসব কাজ করে যাচ্ছেন। অসহায় অনেক পরিবারের পুরো দায়িত্ব রয়েছে তারেক রহমানের কাঁধে। তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় মাদ্রাসা, হাসপাতাল। নিজ উদ্যোগেই এগুলোর খরচ বহন করছেন তিনি। বিএনপি স্থানীয় নেতাকর্মীদের অনেকে জানেন না তারেক রহমান সরাসরি এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। বিএনপি’র পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ড জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং আমরা বিএনপি পরিবারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রথমে বৃদ্ধ এবং এতিম এমন ২৫টি পরিবারের দায়িত্ব নেন তারেক রহমান। পর্যায়ক্রমে এই সংখ্যা ১৩০০ ছাড়িয়েছে। প্রায় দেড়শ’র মতো অসহায় শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন তারেক রহমান। দায়িত্ব নেয়া শিক্ষার্থীদের ১৪ জনের মতো চিকিৎসক হয়ে এখন দায়িত্ব পালন করছেন।
জিয়া সাইবার ফোর্স, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির (কুমিল্লা ডিভিশন) সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ হোসেন ফেসবুকে লিখেছেন, নিঃসন্দেহে তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ডুপ্লিকেট। এই ছবিটি তার প্রমাণ। দুজনের শরীরে যে একই রক্তের প্রবাহ। তারেক রহমানের জরাজীর্ণ পুরোনো বেল্টের দিকে নজর দিলেই বুঝতে পারবেন আমরা আরেকজন জিয়াউর রহমানকে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পেতে যাচ্ছি।আমি মাঝেমধ্যে এই ভদ্রলোকের শার্টগুলোর দিকে লক্ষ করি। ৫ বছর আগে যে শার্ট পরতে দেখেছিলাম, এখনো সেই শার্ট পরে থাকেন। বেশিরভাগ সময় সাদা ও আকাশি রঙের শার্ট দুটি পরে ভিডিও বার্তায় আসেন তিনি। গত দুইটা ঈদে পুরোনো পাঞ্জাবি পরিহিত ছিলেন। যে পাঞ্জাবি অন্তত ২/৩ বছর পুরোনো।
‘‘তিনি কিছুদিন আগে যে গাড়িতে চড়ে ড. ইউনুসের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন, সেটি লন্ডন বিএনপির এক নেতার গাড়ি। বাংলাদেশের তুলনায় লন্ডনে গাড়ি কেনা সহজ। ব্যাংক থেকে গাড়ি কিনে দেয়। দাম বাংলাদেশের তুলনায় অর্ধেকেরও অনেক কম। তবুও উনার কোন বিলাসবহুল গাড়ি নেই। একটা পুরোনো মডেলের গাড়ি আছে। পরিবারে অন্য সদস্য যেদিন সেই গাড়ি নিয়ে বের হয় সেদিন তিনি কোথাও যেতে হলে বাসে করে চলাচল করেন। গণপরিবহন কিংবা ঢাকার রাস্তায় রিকশায় চড়া উনার পুরোনো অভ্যাস’’, লেখেন তিনি।
শরিফ নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ডুপ্লিকেট কপি,আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাহাড়ে আবারো শান্তি দেখবো, সীমানায় শান্তি দেখবো, গার্মেন্ট সেক্টরে উন্নতি দেখবো, কৃষিতে উন্নয়ন দেখবো- এই আশাগুলা আমরা করতেই পারি।

শুল্ক দিয়ে ভারত আমাদের হত্যা করেছে: ট্রাম্প

০
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিল্লির শুল্ক নীতি নিয়ে আবারও তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, ভারত আমাদের শুল্ক দিয়ে হত্যা করেছে। বর্তমানে আর কোনো শুল্ক আরোপ না করতে ওয়াশিংটনকে প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি ঘিরে চলমান ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। খবর এনডিটিভির।
মঙ্গলবার দ্য স্কট জেনিংস রেডিও শোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ভারত আমাদের বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করে। চীন আমাদের শুল্ক দিয়ে শেষ করে দিচ্ছে। ভারত আমাদের শুল্ক দিয়ে হত্যা করছে। ব্রাজিলও তাই করছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, শুল্ক বিষয়ে তিনি বিশ্বের অন্য যে কারও চেয়ে ভালো জানেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর কর আরোপ করার পরই ভারত শুল্ক কমানো শুরু করেছে।
ভারতকে বিশ্বের সর্বোচ্চ শুল্ক আরোপকারী দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, আপনারা জানেন, ভারত আমাকে জানিয়েছে, আর কোনও শুল্ক থাকবে না। কোনও শুল্ক নয়।
শুল্কের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, যদি আমরা শুল্ক আরোপ না করতাম, তারা কখনোই এমন প্রস্তাব দিত না। কখনোই না। তাই শুল্ক থাকা জরুরি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হব।
তবে ট্রাম্প যে প্রথমবারের মতো এই ধরনের মন্তব্য করেছেন, বিষয়টি তেমন নয়। এর আগে, সোমবার মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক এতদিন পুরোপুরি একপাক্ষিক ছিল।
তিনি একে ‌‌একপাক্ষিক বিপর্যয় বলেও উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প বলেন, এখন ভারত শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু তাদের এই প্রস্তাব অনেক দেরিতে এসেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্ককে অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন। এর জবাবে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেছেন, আপিল আদালত ভুলভাবে আমাদের শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু তারা জানেন, শেষ পর্যন্ত আমেরিকাই জিতবে।
ভারতের ওপর বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা তেলের জন্য অতিরিক্ত জরিমানা হিসেবে আরোপ করা ২৫ শতাংশ শুল্কও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই শুল্ক আরোপকে ‌‌‘অন্যায্য ও অযৌক্তিক বলে আখ্যা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

তীব্র বোমাবর্ষণে একদিনে ৭৩ ফিলিস্তিনি নিহত

০
ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় একদিনে অন্তত ৭৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে শুধু গাজা সিটিতেই নিহত হয়েছেন ৪৩ জন। হামাসের দাবি, ইসরায়েল পুরো পরিবারকে টার্গেট করে নির্বিচারে হত্যা করছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) গাজা সিটি ও আশপাশের এলাকায় ইসরায়েলি সেনারা তীব্র হামলা চালায়। এতে নিহত হন অন্তত ৭৩ জন ফিলিস্তিনি। এ ঘটনায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে হামাস, যা পরিস্থিতিকে তারা ‘গণহত্যা’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি সাবরিন আল-মাবহুহ আল জাজিরাকে জানান, ‘আমার ভাইকে তার ঘরেই হত্যা করেছে। স্ত্রী-সন্তানসহ পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কেউ বেঁচে নেই।’
শেখ রাদওয়ান এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষজনও এ হামলার শিকার হন। একটি স্কুলের তাঁবুতে গ্রেনেড হামলার ফলে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা জাকিয়া সামি বলেন, ‘শেখ রাদওয়ান জ্বলছে। যদি গাজা সিটিতে আগ্রাসন বন্ধ না হয়, আমরা সবাই মরব। যারা শুধু দেখছে, কিছু করছে না— আমরা তাদের ক্ষমা করব না।’
গাজার গণমাধ্যম দপ্তর জানায়, গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েল অন্তত ১০০ বার রোবট বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো আবাসিক ব্লক ও মহল্লা ধ্বংস করেছে। ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া অভিযানে গাজা সিটিতেই মারা গেছেন প্রায় ১ হাজার ১০০ মানুষ।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ সরেজমিনে জানান, ‘পরিস্থিতি প্রলয়ংকরী। মনে হচ্ছে এর কোনো শেষ নেই। পুরো মহল্লা একের পর এক ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মানুষ কয়েক দশকে যা গড়ে তুলেছিল, সবকিছু হারাচ্ছে। এটি এক দুঃস্বপ্ন।’
একই দিন উত্তর গাজার আল-জারিসি পরিবারের বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১০ জন নিহত হন। হামাস একে ‘ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধ’ বলে উল্লেখ করেছে এবং দাবি করেছে, এটি ফিলিস্তিনিদের জীবন ধ্বংসের এক পরিকল্পিত অংশ।
মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অবরোধের কারণে খাদ্য ও ওষুধ প্রবেশ বন্ধ থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় এক শিশুসহ ছয়জন অনাহারে মারা গেছে। চলমান অবরোধকালে ক্ষুধাজনিত কারণে এখন পর্যন্ত ৩৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৩১ শিশু।
জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, ইসরায়েলের অভিযানে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। কেবল ১৪ থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে জোরপূর্বক নতুন করে ৮২ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যার মধ্যে ৩০ হাজারকে উত্তর থেকে দক্ষিণে সরতে বাধ্য করা হয়েছে।
শিশুদের অবস্থা আরও ভয়াবহ। ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে পাঁচ বছরের নিচের ১ লাখ ৩২ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়বে। বর্তমানে মোট ৩ লাখ ২০ হাজার শিশু মারাত্মক খাদ্যসংকটে ভুগছে। ইউনিসেফ সতর্ক করে বলেছে, ‘দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়ছে। শিশুদের জন্য এখনই জরুরি মানবিক সহায়তা ও বিশেষ পুষ্টি সরবরাহ প্রয়োজন।’
খাদ্য নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইপিসি গত আগস্টেই নিশ্চিত করেছে যে উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে, যা দ্রুত দক্ষিণে ছড়িয়ে পড়ছে। সহায়তাকর্মীদের ভাষায়, ইসরায়েলের অবরোধের কারণে প্রতিদিন টিকে থাকাটাই এখন ফিলিস্তিনিদের জন্য এক ভয়াবহ সংগ্রাম।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা!

০
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ইচ্ছা সম্পূর্ণ তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, তারেক রহমানের ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকলে তা সমাধানে সরকার সহায়তা করবে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, তারেক রহমান পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন কিনা তা তার জানা নেই। তবে তিনি দেশে ফিরতে চাইলে প্রয়োজনীয় পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট সরবরাহে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
সরকার নিজে থেকে কোনো উদ্যোগ নেবে কিনা জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার মনে হয় সেটার প্রয়োজন নেই’। তিনি যখন দেশে ফিরতে চাইবেন আমাদের যতটুকু সহায়তা করার অবশ্যই করবো।
এছাড়া, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর জন্য সর্বশেষ যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তার পর ভারতের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, এরপর এ বিষয়ে আর কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি। তবে ভবিষ্যতে যদি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা গণমাধ্যমে জানানো হবে।

৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা পুননির্ধারণ করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ

০
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনের চূড়ান্ত সীমানার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সীমানার ভিত্তিতেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এবার গাজীপুরে একটি বাড়িয়ে ছয়টি আসন এবং বাগেরহাটে একটি কমিয়ে তিনটি আসন রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এ গেজেট প্রকাশ করা হয়।
এর আগে নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিশেষায়িত কমিটি কাজ করে। তারপর ৩০০ আসনের সীমানার খসড়া ৩০ জুলাই প্রকাশ করে ইসি। দ্বাদশ সংসদের ২৬১ আসনের সীমানা বহাল রেখে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩৯টি আসনে ছোটখাটো পরিবর্তন করে নতুন সীমানার খসড়া প্রকাশ করা হয়। পরিবর্তনের মধ্যে গাজীপুরে একটি আসন বাড়ানো হয়েছে এবং বাগেরহাটে একটি আসন কমানো হয়। সংসদীয় এলাকার সীমানা নিয়ে দাবি-আপত্তি জানাতে ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এরপর গত ২৪-২৭ আগস্ট টানা চার দিন প্রস্তাবিত নির্বাচনী এলাকার সীমানা নিয়ে দাবি-আপত্তি ও আবেদনের ওপর শুনানী শেষে আজ তা চূড়ান্ত আকারে প্রকাশ করা হয়।
ইসি সচিব জানান, সর্বমোট আপত্তি এবং সুপারিশ আবেদন এসেছে ১ হাজার ৮৯৩টি। ১০ আগস্ট পর্যন্ত ৩৩ জেলার ৮৪টি আসন সম্পর্কিত ১ হাজার ১৮৫টি আপত্তি এবং ৭০৮টি পরামর্শ বা সুপারিশ পাওয়া গেছে। পক্ষ ও বিপক্ষ উভয় দিক থেকেই মতামত এসেছে।

সানস্ক্রিন ব্যবহারে অনীহা

০

রোদের কারণে বাংলাদেশে বছরজুড়ে প্রায় সবাই নানারকম বিড়ম্বনার শিকার হন। তীব্র রোদের কারণে পানিশূন্যতা, ত্বক পুড়ে যাওয়া, ত্বকে খসখসে ভাব, ত্বক কুঁচকে যাওয়াসহ নানা সমস্যা তৈরি হয় এবং আমাদের আশপাশের অনেকেই এর ভুক্তভোগী। তবে এরপরেও রোদের থেকে ত্বক বাঁচাতে এখনও বেশিরভাগ মানুষ ভরসা করেন ছাতা কিংবা ছায়ার ওপর। পশ্চিমে তো বটেই, পাশের দেশ ভারতসহ নানান দেশেই অনেক মানুষ সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন এবং গরমের দিনে এটি সেসব জায়গার মানুষের একটি অত্যাবশ্যকীয় অনুষঙ্গ। তবে বাংলাদেশে এর চিত্রটি এখনও বিপরীত।

ঢাকায় একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত সামিয়া জামান জানান, বাংলাদেশের মানুষের ত্বকের ওপর রোদের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানার ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশে সারা বছরই রোদ পড়ার কারণে অনেকেই মনে করেন প্রাকৃতিকভাবে এখানে কোনো দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই। তবে অনেকেই তীব্র রোদের কারণে নানা ত্বকের সমস্যাতেও ভোগেন। তবে এখানে মূল সমস্যা হিসেবে কাজ করে সানস্ক্রিনের দাম। কারণ বাজারে মানসম্মত সানস্ক্রিন সরবরাহ যেমন পর্যাপ্ত নয়, তেমনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দামটাও চড়া। অনেকের পক্ষেই নিয়মিত বিদেশি ব্র্যান্ডের সানস্ক্রিন ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।

ঢাকার বিভিন্ন বিপণিবিতান এবং কসমেটিকসের জন্য জনপ্রিয় কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখা যায় ৫০ থেকে ৮০ গ্রামের এক একটি সানস্ক্রিন বিক্রি হচ্ছে আটশো থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। যেহেতু সানস্ক্রিন একটি নিত্যব্যবহার্য পণ্য, প্রতিদিন বাইরে বের হবার আগেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন, কাজেই সেই হিসাবে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার আসলেও খরুচে ব্যাপার অনেকের জন্য। এ ব্যাপারে রাজধানীর একটি বিপণিবিতানের একজন বিক্রয়কর্মী জানান, মুলত বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন মানসম্মত সানস্ক্রিন সবই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। ফলে আমদানি সংক্রান্ত নানা শুল্ক এবং অন্যান্য খরচ যুক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত সব সানস্ক্রিনের দামই অনেক বেড়ে যায়। এছাড়া দেশীয় প্রতিষ্ঠানের তৈরি দেশে উৎপাদিত মানসম্মত সানস্ক্রিনের অভাবের কথাও ঐ বিক্রয়কর্মী উল্লেখ করেন।

তবে বাজার ঘুরে বিভিন্ন দোকানে নানা ধরনের মোড়কে নানা নামের সানস্ক্রিন পাওয়া যায় কম দামে। যদিও কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা জানান এসব ‘নন-ব্র্যান্ড’ সানস্ক্রিন আসলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এবং সানস্ক্রিনের মতো পণ্যের যে ধরনের লাইসেন্স বা পণ্যের মান হওয়া প্রয়োজন। তার কোনটিই এসব ক্ষেত্রে মানা হয় না। ফলে ক্রেতাদের মধ্যেও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এসব পণ্যের তেমন একটা চাহিদা নেই।

একই বিপণিবিতানের আরেক কর্মী জানান তাদের ক্রেতাদের মধ্যে আগের থেকে ত্বকের যত্ন নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে, এখন অনেকেই সানস্ক্রিনের খোঁজ করেন, কেনার পরিমাণও বেড়েছে। তবে এখনও বাজারে প্রচলিত বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোর সানস্ক্রিনের যে দাম সেটি বেশিরভাগ ক্রেতার নাগালের বাইরে বলেই জানালেন ঐ বিক্রয়কর্মী।

ঐতিহাসিকভাবে রোদ থেকে বাঁচতে আমাদের কৃষকেরা মাথাল পরতেন, এর কিছু পরে ছাতার ব্যবহার বেড়েছে। ঢাকা শহরেও এখন অনেককেই ছাতা ব্যবহার করতে দেখা যায়। তবে দৈনন্দিন কাজে বের হওয়া অনেকের পক্ষেই প্রতিদিন দিনের বড় সময় ছাতা ব্যবহার করা সুবিধাজনক নয়। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং অন্যান্য পরিবেশগত কারণে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে রোদের তীব্রতা এবং রোদে অতিবেগুনি রশ্মির পরিমাণও। এই কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ফলে সৃষ্ট সমস্যা নিয়ে যেমন সচেতনতা প্রয়োজন। তেমনি প্রয়োজন ত্বকের সুরক্ষায় ব্যবহার্য পণ্যের সহজলভ্যতা এবং সুলভ মূল্যের ব্যবস্থা করা।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুগন্ধিপ্রেম

০

সুগন্ধি ব্যবহার রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত। তিনি সুগন্ধিপ্রেমী ছিলেন। সব সময় সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। তিনি নিজের কাছে সুগন্ধির পাত্র রাখতেন। তাঁর সুগন্ধির প্রভাব এতটাই বিপুল ছিল যে, রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে লোকেরা বুঝত, এ পথ ধরে রাসুলুল্লাহ (সা.) হেঁটে গেছেন। আনাস (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি আতরদানি ছিল। তিনি তা থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করতেন।’ (আবু দাউদ : ৪১৬২)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) অধিকাংশ সময় সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। না করলেও তাঁর শরীর থেকে সুঘ্রাণ ছড়াত। তাঁর সুগন্ধি ব্যবহারের অন্যতম কারণ ছিল, ফেরেশতার সঙ্গে সাক্ষাৎ, অহি গ্রহণ এবং সাহাবিদের সঙ্গে ওঠাবসার সময় সুঘ্রাণ ছড়ানো। (শামায়েলে তিরমিজি, ইমাম তিরমিজি, ব্যাখ্যা : মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ৩০৯)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সুগন্ধিপ্রিয় মানুষ। তিনি সুগন্ধি ব্যবহার করতে খুব ভালোবাসতেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের দুনিয়া থেকে আমার কাছে তিনটি জিনিস অধিক প্রিয়। স্ত্রী, সুগন্ধি আর আমার চক্ষু শীতল হয় নামাজের মাধ্যমে।’ (নাসায়ি : ৩৯৩৯)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে সুগন্ধির দরিয়া বইয়ে যেত। চারপাশে ছড়িয়ে পড়ত সুবাস। সুঘ্রাণে মণ্ডম করত প্রতিটি রাস্তা, পাড়া-মহল্লা। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন মদিনার কোনো পথ দিয়ে অতিক্রম করতেন, তখন লোকেরা তাঁর সুঘ্রাণ পেত। তারা বলত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এই পথ দিয়ে অতিক্রম করেছেন।’ (মুসনাদুল বাজ্জার : ৭১১৮)।

সুগন্ধি ব্যবহার সব নবী-রাসুলের সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘চারটি বস্তু সব নবির সুন্নত। আতর, বিয়ে, মেসওয়াক ও লজ্জাস্থান আবৃত রাখা।’ (মুসনাদে আহমাদ : ২২৪৭৮)।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে সুগন্ধি হাদিয়া এলে গ্রহণ করতেন। সাহাবিদেরও ফিরিয়ে দিতে নিষেধ করতেন। সুমামা ইবনে আব্দুল¬াহ (রা.) বলেন, ‘আনাস (রা.) সুগন্ধি ফেরত দিতেন না। তিনি বলতেন, নবী (সা.) কখনও সুগন্ধি ফিরিয়ে দিতেন না।’ (বোখারি : ২৫৮২)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কাউকে সুগন্ধি বস্তু দেওয়া হলে সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কেননা, তা সুঘ্রাণ এবং সহজে বহনযোগ্য।’ (আবু দাউদ : ৪১৭২)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘তিনটি জিনিস ফিরিয়ে দেওয়া উচিত নয়- বালিশ, সুগন্ধি ও দুধ।’ (তিরমিজি : ২৭৯০)।

ইমাম তিবি (রহ.) বলেন, ‘উদ্দেশ্যে হলো- বালিশ, সুগন্ধি ও দুধের মাধ্যমে মেহমানকে সম্মান করবে। আর এটা সহজে বহনযোগ্য হাদিয়া। সুতরাং ফিরিয়ে দেওয়া উচিত নয়।’ (মিরকাতুল মাফাতিহ, খণ্ড : ৫, পৃষ্ঠা : ২০১৩)।

ইবনুল কাইয়িম (রহ.) বলেন, ‘সুগন্ধি হলো রুহের খোরাক, আর রুহ হলো শক্তির কেন্দ্রবিন্দু। সুগন্ধি ব্যবহারের দ্বারা রুহের শক্তি বৃদ্ধি পায়। সুগন্ধি মেধা, হৃৎপিণ্ড এবং সব অভ্যন্তরীণ অঙ্গের জন্য উপকারী। সুগন্ধি অন্তরকে প্রফুল্ল রাখে, আত্মাকে প্রশান্ত রাখে এবং রুহকে প্রশস্ত করে। সুগন্ধি ও পবিত্র রুহের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। তা ছাড়া সুগন্ধি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে পার্থিব পছন্দনীয় দুটো বিষয়ের একটি ছিল। (শামায়েলে তিরমিজি, ইমাম তিরমিজি, ব্যাখ্যা : মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ৩১০)।

পুরুষদের জন্য জুমার দিন, ঈদের দিন, মুসলমানদের সমাবেশে উপস্থিতির সময়, ইলম ও জিকিরের মজলিসে, সহবাসের সময় এবং এ জাতীয় অন্যান্য সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা মুস্তাহাব। (শরহুন নববি, খণ্ড : ১৫, পৃষ্ঠা : ১০)

পুরুষ এমন সুগন্ধি ব্যবহার করবে, যার ঘ্রাণ প্রকাশ পাবে, তবে রঙ গোপন থাকবে। অপরদিকে নারীরা মসজিদ বা অন্য কোথাও গেলে, এমন সুগন্ধি ব্যবহার করা মাকরুহ, যার ঘ্রাণ প্রকাশ পায়। তবে স্বামীর সামনে যেমন ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘পুরুষদের সুগন্ধি এমন হবে, যার ঘ্রাণ প্রকাশ পাবে, তবে রঙ গোপন থাকবে। অন্যদিকে নারীদের সুগন্ধি এমন হবে, যার রং প্রকাশ পাবে, তবে ঘ্রাণ গোপন থাকবে।’ (আবু দাউদ : ২১৭৪)।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোকবর্তিকা বায়তুল হিকমাহ

০

আব্বাসীয় খেলাফতের সময় বুদ্ধিবৃত্তিক এবং অর্থনৈতিক উৎকর্ষের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছিল বাগদাদ। বিজ্ঞানচর্চায় তাদের অর্থায়নের অন্যতম উদাহরণ বাগদাদের বিখ্যাত লাইব্রেরি- বাইতুল হিকমাহ- ইংরেজিতে যাকে বলা হয় হাউজ অব উইজডম। পঞ্চম শতকের আশপাশ থেকে অন্তত নবম শতক পর্যন্ত এই লাইব্রেরির সংগ্রহ ছিল বিশ্বে সবচেয়ে বড়। এর অঙ্গন সর্বদা মুখরিত থাকত তৎকালীন বড় বড় পণ্ডিতদের ভিড়ে।

প্রতিষ্ঠা ও বিকাশ : বায়তুল হিকমাহর ধারণার সূচনা হয় বাগদাদ প্রতিষ্ঠার সময়। আব্বাসীয়দের দ্বিতীয় খলিফা, আল-মনসুর এখানে রাজধানী সরিয়ে আনেন। উদ্দেশ্য ছিল দামেস্ককেন্দ্রিক উমাইয়াদের প্রভাব একেবারে মুছে ফেলা। এই অঞ্চলে ইসলামি শক্তি সাসানিদদের প্রতিস্থাপন করে। তবে তাদের প্রভাব রয়ে গিয়েছিল আব্বাসীয় দরবারে। ফলে পুরোনো সাম্রাজ্যের অনেক রীতিনীতি রয়ে যায়। সাসানিদ অভিজাতরা বই জমা রাখার জন্য ঘর বানাতো, যার নাম মধহল। আরবিতে এর প্রতিশব্দ খিজানাহ। আল-মনসুর বাগদাদে তেমন কিছু করতে চাইলেন।

খলিফা আলেক্সান্দ্রিয়ার লাইব্রেরি থেকেও অনুপ্রাণিত হন। তার ইচ্ছে বাগদাদে এমন একটি সংগ্রহ গড়ে তোলা, যার নাম হবে খিজানাত আল-হিকমাহ। ৭৭৫ সালে মারা যান তিনি। তার স্বপ্ন সত্যি করেন খলিফা হারুন আল-রশিদ। ৭৮৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই রাজ-দরবারের লাইব্রেরির একাংশ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন তিনি। উজির ইয়াহইয়া আল-বারমাকির ওপর দায়িত্ব পড়ে বড় পরিসরে লাইব্রেরি তৈরি করার।

প্রাথমিক পর্যায়ে খলিফার দাদা এবং বাবার কাছে থাকা শিল্পসাহিত্য আর বিজ্ঞানবিষয়ক বইয়ের ঠাঁই হয় লাইব্রেরিতে। পারস্যের উপকথা, সাসানিয়ান জ্যোতির্বিদদের লেখনি ইত্যাদি আরবিতে অনুবাদ করা হয়। এজন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন অনুবাদক এবং বই বাঁধাইকারকরা। এই পর্যায়ে অবশ্য প্রাচীন পারস্যভাষার গ্রন্থই শুধু আরবিতে অনুবাদ হয়েছিল।

হারুন আল-রশিদের ছেলে পরবর্তী খলিফা আল-মামুনের সময় এই পাঠাগার চূড়ান্ত উৎকর্ষ অর্জন করে। ৮১৩ থেকে ৮৩৩ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিলেন আল-মামুন। মূল ভবনকে পরিবর্ধিত করে তিনি একটি অ্যাকাডেমি স্থাপন করেন, এর নামই হয় বাইতুল হিকমাহ। ৮২৯ সালে আল-মামুন এখানে একটি মানমন্দিরও বানিয়ে দেন।

সংগ্রহশালা বাড়াতেও নানা পদক্ষেপ নেন খলিফা। কিংবদন্তি আছে, সিসিলির রাজকীয় লাইব্রেরির পুরোটাই নিয়ে এসেছিলেন তিনি।

তৎকালীন বিশ্বে বিজ্ঞান আর গণিতের উঁচুমানের কিছু পাণ্ডুলিপি ছিল সেখানে। আল-মামুন মূলত সেগুলো কপি করতে চেয়েছিলেন। এই ব্যাপারে সিসিলিতে বার্তা পাঠান তিনি। রাজা তার উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলাপ করেন। তাদের মতামত ছিল গ্রন্থাগারের এসব বই তাদের পূর্বপুরুষদের কোনো উপকারে আসেনি, এগুলো দিয়ে দেয়াই ভালো। রাজা এরপর খলিফাকে সম্পূর্ণ লাইব্রেরিই দিয়ে দেন। বলা হয়, ৪০০ উট লেগেছিল সমস্ত বই নিয়ে আসতে।

জ্ঞান-বিজ্ঞানে অবদান : বাইতুল হিকমাহর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু দার্শনিক ও বিজ্ঞানীর কাহিনি। এদের অন্যতম মুসা আল-খাওয়ারিজমি। একাধারে গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে পারদর্শী এই ব্যক্তি বীজগণিতের জনক বলে অভিহিত। জাতে পারসিক আল-খাওয়ারিজমি ভূগোল, গণিত আর জ্যোতির্বিদ্যা নিয়ে রচনা করেছেন অনেক মূল্যবান পুস্তক। ৮২০ সালে তাকে লাইব্রেরির প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বাইতুল হিকমাহর নিয়মিত দর্শনার্থীদের মধ্যে আরও ছিলেন বনু মুসা ভ্রাতৃত্রয়- মুহাম্মদ, আহমাদ এবং হাসান। গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞানসহ বিজ্ঞানের নানা শাখায় ছিল তাদের পদচারণা। যন্ত্র-প্রকৌশল বা মেকানিক্সের বিকাশে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

বাইতুল হিকমাহর অন্যতম একটি কাজ ছিল বিজ্ঞানের বই গ্রিক, সংস্কৃত, ল্যাটিন ইত্যাদি ভাষা থেকে আরবিতে অনুবাদ করা। বলা হয়, এই কাজকে প্রণোদনা দিতে চমকপ্রদ কৌশল অবলম্বন করেছিলেন খলিফা আল-মামুন- অনূদিত বইয়ের ওজনের সমপরিমাণ স্বর্ণ দেওয়া হবে অনুবাদককে।

গ্রিক পণ্ডিতদের অনেক লেখা আরবিতে তর্জমা করা হয়েছিল। পিথাগোরাস, প্লাটো, অ্যারিস্টোটল, হিপোক্র্যাটস, গ্যালেন, সক্রেটিস, ইউক্লিড কেউ বাদ যাননি। আল-কিন্দি জড়িত ছিলেন অ্যারিস্টোটলের অনুবাদকর্মে, হুনায়ন ইবন ইশহাক করেছিলেন হিপোক্র্যাটসের ভাষান্তর। আরও অনেক প্রসিদ্ধ অনুবাদকের লেখা জমা ছিল বাইতুল হিকমাহতে। উলে¬খযোগ্য হলেন আল-বাতরিক, হাজ্জাজ ইবন মাতের, আল-বুলবাকি, ছাবিত ইবন-কুরাহ এবং আরও অনেকে।

সংস্কৃত থেকে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের বই অনুবাদে বাইতুল হিকমাহর অবদান অনেক। এর ফলেই আরব গণিতবিদেরা শূন্যের ধারণা নিয়ে কাজ করার সুযোগ পান। সংখ্যা বোঝাতে ভারতে আলাদা চিহ্ন ব্যবহার করা হতো। এর উন্নয়ন ঘটিয়ে বর্তমান আরবি সংখ্যাপদ্ধতির প্রচলন হয়। এই বাইতুল হিকমাহতে বসেই আল জাহিজ নানারকম প্রাণীর বর্ণনা লিপিবদ্ধ করে রচনা করেছিলেন বিখ্যাত দ্য বুক অব এনিমেলস। আল-মালিক নির্ণয় করেছিলেন এমন পরিমাপ- যা ব্যবহার করে পৃথিবীর পরিধি নির্ধারণ করেছিলেন ভবিষ্যৎ জ্যোতির্বিদরা।

বলা হয়, গ্রন্থাগারে পা রাখলে আরবি, ফারসি, হিব্রু, গ্রিক, ল্যাটিন হেন কোনো ভাষা নেই যা শোনা যেত না। লিঙ্গ, ধর্মবিশ্বাস, গায়ের রঙ, জাতপাত, ভাষা যাই হোক, কারও জন্যই বন্ধ ছিল না লাইব্রেরির দরজা। হুনায়ন ইবন ইশহাকের কথাই ধরা যাক। পেশায় চিকিৎসক হুনায়ন ছিলেন খ্রিষ্টান, কিন্তু সেজন্য লাইব্রেরির দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি তার সামনে।

বরং মেধাকে আরও বিকশিত করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। জ্ঞানের নানা শাখায় অবদান রেখেছেন হুনায়ন। পৃথিবীর ইতিহাস, যুক্তিবিদ্যা এসব নিয়েও কাজ আছে তার। গ্রীক ওল্ড টেস্টামেন্ট আরবিতে অনুবাদ করেছিলেন তিনি, দুঃখজনকভাবে সেটা হারিয়ে যায়।

ধ্বংস : আল-মামুনের মৃত্যুর পর থেকেই মূলত ধীরে ধীরে বাইতুল হিকমাহর অবক্ষয় শুরু হয়। পরবর্তী খলিফা আল-মুতাসিমের সময় আব্বাসীয়রা দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে সামারায় প্রশাসনিক অনেক কিছু সরিয়ে নেয়। এরপর থেকে সম্ভবত পরবর্তী খলিফারা লাইব্রেরি টিকিয়ে রাখলেও এর উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেননি। তবে জ্ঞানপিপাসুদের কাছে এর আবেদন কমেনি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে চলতে থাকে অনুবাদকর্ম।

বাইতুল হিকমাহ চূড়ান্তভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ত্রয়োদশ শতকে। ১২৫৮ সালে ঝড়ের মতো ইরাকে ঢুকে পড়ে দুর্র্ধর্ষ মোঙ্গল বাহিনী, বাগদাদ তছনছ করে দেয় তারা। নির্বিচার নরহত্যায় লাল হয়ে যায় টাইগ্রিসের পানি। এককালের জৌলুসময় বাগদাদকে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয় মোঙ্গলরা। এর সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বাইতুল হিকমাহ। জ্যোতির্বিদ আল-তুসি অবশ্য কিছু বই রক্ষা করতে সক্ষম হন। পরিস্থিতি বুঝে আগেই সেগুলো তিনি সরিয়ে ফেলেছিলেন ইরানের মারাঘেহ মানমন্দিরের লাইব্রেরিতে।

প্রভাব : বাইতুল হিকমাহর প্রকৃত প্রভাব নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে। অনেকেই মনে করেন, যেসব অনুবাদের সঙ্গে এর নাম জড়ানো হয়, তার অনেকগুলোর পেছনে বাইতুল হিকমাহর কোনো ভূমিকা ছিল না। তবে এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, এর প্রভাবে লাইব্রেরি গড়ে তোলার চর্চা শুরু হয় চারদিকে। অনেক ধনবান ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে নির্মাণ করেন স্থানীয় পাঠাগার।

অন্যান্য রাষ্ট্রও বাগদাদের আদলে জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতা আরম্ভ করে। ইসলামিক বিশ্বের নামজাদা বিজ্ঞানীদের আকৃষ্ট করতে তৈরি করা হয় বিশাল বিশাল লাইব্রেরি।

কর্ডোবাতে দশম শতকে দ্বিতীয় আল-হাকাম তেমনই একটি লাইব্রেরি স্থাপন করেন। এই পথ ধরে দ্বাদশ শতকে আন্দালুসিয়ার টলেডো পরিণত হয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্যতম পীঠস্থানে। সব ধর্ম-বর্ণের পণ্ডিতরা ভিড় জমান এখানে। আরবি থেকে অন্যান্য ইউরোপীয় ভাষায় অনূদিত হতে থাকে নানা গ্রন্থ।

১০০৫ সালে কায়রোতে ফাতিমীয় খলিফা আল-হাকিম প্রতিষ্ঠা করেন দারুল হিকমাহ। প্রায় ১৬৫ বছর বাইতুল হিকমাহর পাশাপাশি উচ্চারিত হয়েছে এর নাম। অন্যান্য মুসলিম দেশেও একইভাবে জ্ঞানের ঘর বা দারুল ইলম তৈরি করেন শাসকরা।

এফবিসিসিআই’র সাথে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত

০

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি (এসইইউ) এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট (বুধবার) ঢাকার মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ এবং এসইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম।

চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো উদ্যোক্তা সৃষ্টি, উদ্ভাবন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং আধুনিক গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো। এর ফলে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ও পেশাগত ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সাউথইস্ট ইউনিভার্সয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক ড. ফারহানা ফেরদৌসী, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রুবা রুম্মানা, বিসিপিআর এর উপ-পরিচালক মো. আবুল হাশেম রনি এবং বিবিএ প্রোগ্রামের প্রভাষক সৈয়দা খাদিজা আক্তার।

সোনার দামে আবারও বড় লাফ

০

দুই দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হলো সোনার দাম। এবার প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৭০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের তথা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৭৮৮ টাকায়।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এই দর মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭৫ হাজার ৭৮৮ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৭ হাজার ৭৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৪৩ হাজার ৮২৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ১৯ হাজার ৪২ টাকা ।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল সোনার দাম। এরপর গত শনিবার (৩০ আগস্ট) ভরিতে ১ হাজার ৬৬৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৮ টাকা।