Home Blog Page 367

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ নিয়ে মহাপরিকল্পনা চূড়ান্তের পথে

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জন্য মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয়দের বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের  এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দ্বীপের প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারের জন্য সেখানে পর্যটন নিয়ন্ত্রণসহ নানা পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া গত এক বছরে পরিবেশ সুরক্ষা, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সারা দেশের শপিংমলে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ, অবৈধ ইটভাটা ভাঙা, সীসা কারখানা বন্ধ, শব্দদূষণ রোধে তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যাগ সরবরাহে যৌথ প্রকল্প চালু। বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘জাতীয় বায়ুমান ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ প্রণয়ন করা হয়েছে। ঢাকার সাভার ও আশুলিয়াকে ‘দূষিত বায়ুমণ্ডল’ এলাকা হিসেবে ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন। গাজীপুরের গাছা খাল দূষণকারী নয়টি কারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কক্সবাজার ও সোনাদিয়ায় ১০ হাজার ৩২২ একর বনভূমি পুনরুদ্ধার এবং পূর্বাচলের ১৪৪ একরকে বিশেষ জীববৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা উৎপাদন ও রোপণ নিষিদ্ধ হয়েছে। মধুপুর শালবন পুনরুদ্ধার এবং হাতির চলাচলের পথ তৈরির কাজ চলছে।

বন্যপ্রাণী রক্ষায় ১৫৯টি ‘এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম’ গঠন, দেশীয় ময়ূর ফিরিয়ে আনা, বিপন্ন প্রজাতি সুরক্ষা ও জলাভূমিকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ২৯৩টি অভিযানে ৫ হাজার ৬৮৪টি প্রাণী উদ্ধার করা হয়েছে। জাতীয় উদ্যান ও ইকোপার্কে প্লাস্টিক ও পিকনিক নিষিদ্ধ হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় ৩৫১ কোটি টাকার ৪১টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ’ ও চূড়ান্ত হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং জলবায়ু সহনশীল টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক হবে।

ইসরায়েলি হামলায় নিহত ‘ফিলিস্তিনি পেলে’ সুলেইমান

গাজার রাফাহ অঞ্চলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ফিলিস্তিন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা সুলেইমান আল-ওবেইদ। অসাধারণ ফুটবল দক্ষতার কারণে যিনি পরিচিত ছিলেন ‘ফিলিস্তিনি পেলে’ নামে। মানবিক সহায়তার জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় বুধবার তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪১ বছর।

ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, আল-ওবেইদ ছিলেন গাজার অন্যতম সেরা ফুটবল প্রতিভা। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক ছিলেন। ক্লাব পর্যায়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন খাদামাত আল-শাতি থেকে। এরপর খেলেছেন আল-আমারি ইয়ুথ সেন্টার ও গাজা স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে গাজার শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় প্রথম স্থান দখল করেন তিনি। ২০২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে খেলেছেন, ক্যারিয়ারে করেছেন শতাধিক গোল।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচেই গোল করেছিলেন ২০১০ সালে ইয়েমেনের বিপক্ষে। এরপর খেলেছেন ২০১২ সালের এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে ও ২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে।

চলমান যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২১ জন খেলাধুলা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তাদের মধ্যে আছেন খেলোয়াড়, কোচ, রেফারি, কর্মকর্তা ও সংগঠকরা।

আল-ওবেইদের মৃত্যু বিশ্বজুড়ে নিন্দা ও শোকের ছায়া ফেলেছে। ফুটবল কিংবদন্তি এরিক ক্যান্টোনা সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘’আর কত দিন চলবে এই গণহত্যা?

জাতীয় ক্রিকেট লিগে খেলবেন তামিম-মুশফিক-রিয়াদ

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) আসন্ন টি-টোয়েন্টি সংস্করণে মাঠে ফিরতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল। পাঁচ মাস পর মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। এনসিএল টি-টোয়েন্টি খেলবেন মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও।

টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান নিশ্চিত করেছেন, তামিম খেলবেন এবারের আসরে। গত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) খেলার সময় মাঠেই হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তামিম। এরপর একাধিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়েছেন তিনি। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসার পর সিঙ্গাপুরেও চিকিৎসা নিয়েছেন ২০২৩ সালে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা তামিম।

তামিমের মাঠে ফেরার কথা জানিয়ে আকরাম বলেন, ‘তামিমের সঙ্গে কথা হয়েছে, ও খেলবে।’

এদিকে এনসিএলে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মুশফিকুর রহিমও। ইতোমধ্যেই সিলেট বিভাগের হয়ে খেলতে অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ মাঠে অনুশীলন শুরু করলেও তার খেলা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে আকরামের বিশ্বাস, এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে তাকেও দেখা যাবে।

আকরাম বলেন, ‘মুশফিক সম্ভবত সিলেটের হয়ে খেলতে চায়। রিয়াদ এখনও নির্বাচকদের কিছু বলেনি। তবে আমার ধারণা ও খেলবে, খেলা উচিত।’

বিচ্ছেদের পথে সাইফ-কারিনার সম্পর্ক!

২০১২ সালে বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে বিয়ে করেন পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খান। এর আগে প্রথম স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন চুটিয়ে প্রেম করেন এ তারকা জুটি। বিয়ের পর দুই সন্তান- তৈমুর ও জেহর জন্ম হয়। ক্যারিয়ার ও সংসার একসঙ্গে সামলে আসছিলেন কারিনা কাপুর। এর মধ্যে শোনা গেল তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন।

সম্প্রতি জনপ্রিয় এ দম্পতি নাকি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন।-এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন পাকিস্তানি সাংবাদিক মুবাসের লুকম্যান। এ মন্তব্য ঘিরেই ইতোমধ্যে বলিপাড়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

পাকিস্তানি সাংবাদিক মুবাসের দাবি-সাইফ ও কারিনার দাম্পত্যে নাকি ক্রমেই জটিলতা বাড়ছে। তিনি জানান, এক ভারতীয় সূত্রেই এ তথ্য পেয়েছেন তিনি। যদিও কোনো সংবাদমাধ্যম কিংবা নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ তিনি প্রকাশ করতে পারেননি।

মুবাসের আরও দাবি করেন, কারিনা নাকি সাইফকে হাতেনাতে ধরেন অন্য এক নারীর সঙ্গে। সেখান থেকেই দাম্পত্য সম্পর্কে চিড় ধরেছে। শুধু তাই নয়, সাইফ নাকি কাতারে গিয়ে পাকাপাকিভাবে থাকতে চাইছেন। কিন্তু কারিনা দেশ ছেড়ে বিদেশে গিয়ে বসবাস করতে রাজি নন। এ বিষয় নিয়েও তাদের মধ্যে তীব্র মনোমালিন্য তৈরি হয়েছে।

এর মাঝেই আরও বিস্ফোরক দাবি করেন পাক সাংবাদিক। তিনি বলেন, সাইফ আলি খানের ওপর যে হামলা হয়েছিল, তার নেপথ্যেও নাকি কারিনা কাপুর জড়িত ছিলেন।

দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে যেতে পারে: শামীম হায়দার পাটোয়ারী

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, দেশে এখনও জাতীয় নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়নি। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে যেতে পারে।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর কাকরাইলের জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম হায়দার বলেন, নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনও অনুপস্থিত। সরকার যদি সদিচ্ছা দেখায় ও সক্ষমতা প্রমাণ করে, তাহলে আগামী ছয় মাসেই নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। জাতীয় পার্টি সরকারের ভূমিকা পর্যবেক্ষণ করছে, সেই অনুযায়ী আমরা নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এখন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে। অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তারা সংলাপে বসছে, অথচ নিবন্ধিত দলের অধিকার রক্ষা নিয়ে তাদের আগ্রহ নেই। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে দেশ গৃহযুদ্ধের পথে এগোতে পারে।

দলীয় বিরোধ নিয়ে শামীম হায়দার বলেন, যেসব ব্যক্তিকে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, আদালতের রায় অনুযায়ী তারা এখনো বহিষ্কৃতই আছেন। তারা কাউন্সিল ডাকতে বা কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে না। কেউ কেউ আদালতের রায়কে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে নিজেদের নেতা দাবি করছে, যার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

কলকাতায় ‘পার্টি অফিস’ খুলে চলছে আ. লীগের কার্যক্রম

কলকাতা লাগোয়া এক উপনগরীতে শয়ে শয়ে বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স, রাত-দিন লাখ লাখ মানুষের ভিড়। এই ব্যস্ত এলাকায় একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে যাতায়াত করছেন এমন কিছু মানুষ, যাদের কয়েক মাস আগেও সেখানে দেখা যেত না। এই নবাগতদের অধিকাংশকেই চেনেন না আশেপাশের লোকজন চেনার কথাও নয়। অথচ তাদের অনেকে মাত্র এক বছর আগেও বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন। তারা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর শীর্ষ ও মধ্যম স্তরের নেতা।

তারা যে বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সটিতে কয়েক মাস ধরে যাতায়াত করছেন, সেখানেই ‘দলীয় দপ্তর’ খুলেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এই ‘পার্টি অফিস’টি নতুন। শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়ার পর কয়েক মাস ধরে ভারতে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা নিজেদের বাসায় ছোটখাটো বৈঠক বা দপ্তরের কাজ চালাতেন। বড় বৈঠক করতে হতো রেস্তোরাঁ বা ব্যাংকোয়েট হল ভাড়া করে। সে কারণেই একটি নির্দিষ্ট ‘পার্টি অফিস’এর দরকার ছিল বলে জানান নেতারা।

বাণিজ্যিক পরিসরটির পেছনের দিকের ভবনটির আট তলায় লিফট দিয়ে উঠে বাঁদিকে গেলেই সারিবদ্ধ বাণিজ্যিক সংস্থার দপ্তর। করিডোরের দুদিকে হাল্কা বাদামী রঙের একের পর এক দরজা। তারমধ্যেই একটিতে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস। শুধু বাইরে কেন, পাঁচশো বা ছয়শো স্কোয়ার ফুটের ঘরটিতে উঁকি মারলেও কেউ বুঝতে পারবেন না যে এই ঘরটির সঙ্গে কোনোভাবে আওয়ামী লীগ জড়িত আছে।

কোনো সাইন বোর্ড, শেখ হাসিনা অথবা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো ছবি কোথাও নেই ঘরটির বাইরে বা ভেতরে।

এক নেতা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বা নেত্রীর কোনো ছবি, সাইনবোর্ড কিছুই আমরা রাখিনি খুব সচেতনভাবে। আমরা চাইনি যে এই ঘরটার পরিচিতি প্রকাশ পাক। এমনকি দলীয় দপ্তরের মতো ফাইল ইত্যাদিও এখানে রাখা হয় না। শুধু নিয়মিত বৈঠকের জন্য ঘর দরকার ছিল, এটিকে আমরা পার্টি অফিস বলি, যদিও এটি একটি বাণিজ্যিক অফিস। আগের সংস্থার ফেলে যাওয়া চেয়ার-টেবিলই ব্যবহার করি।’

তিনি আরও জানান, এই দপ্তরে ৩০-৩৫ জনের বৈঠক হয়, যদিও একটু গাদাগাদি করে বসতে হয়। ছোট বৈঠক এখনও হয় নেতাদের বাসায়। কিন্তু যেসব বৈঠকে শতাধিক নেতা-কর্মী থাকেন, সেসব হয় রেস্তোরাঁ বা ব্যাংকোয়েট হল ভাড়া নিয়ে।

গত বছরের পাঁচই অগাস্টের পর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলির অনেক শীর্ষ নেতা এবং প্রাক্তন মন্ত্রীই কলকাতা বা তার আশপাশের অঞ্চলে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন।

এর বাইরে বিভিন্ন পেশাজীবী, সরকারি কর্মচারী, পুলিশ কর্মকর্তা এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারাও চলে এসেছেন ভারতে। মাস ছয়েক আগে আওয়ামী লীগের সূত্রগুলি জানিয়েছিল যে অন্তত ৭০ জন সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন জেলার সভাপতি-সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র সহ শীর্ষ নেতৃত্বের প্রায় দুশো জন কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে থাকছেন।

এদের কেউ সপরিবারে থাকেন, আবার কোথাও একসঙ্গে কয়েকজন মিলেও একটা ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন। কারও পরিবার মাঝে মাঝে বাংলাদেশ থেকে এসেও কিছুদিন কাটিয়ে যান।

এক নেতা বলেন, ‘এখন সংখ্যা খুব বেশি বেড়েছে তা নয়। দ্বাদশ সংসদের প্রায় ৮০ জন সদস্য এবং আরও ১০-১২ জন সাবেক সাংসদ এখন ভারতে আছেন। কেউ কেউ এখানে এসে আমেরিকা, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়া চলে গেছেন।’

সহযোগী সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারাও আছেন কলকাতার আশেপাশে। তারা প্রায় সবাই এই পার্টি অফিসে যাতায়াত করেন। নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, প্রয়োজন অনুযায়ী নেতারা আসেন। প্রতিদিন সবাই আসেন না। মূলত একটি নির্দিষ্ট জায়গার প্রয়োজনেই এই পার্টি অফিস।

এই পার্টি অফিসের ব্যাপারে সাধারণ মানুষ কিছু জানে না, সেটাই স্বাভাবিক। এমনকি দলের কোন স্তরের নেতা-কর্মীরা এর বিষয়ে জানেন, তাও স্পষ্ট নয়। তবে এটা নিশ্চিত যে ভারতীয় গোয়েন্দারা এ বিষয়ে জানেন এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া এখানে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড সম্ভব নয়।

গত এক বছরের কিছুটা কম সময় ধরে আওয়ামী লীগ কার্যত ভারত থেকেই পরিচালিত হচ্ছে। দলের নেত্রী শেখ হাসিনা থাকেন দিল্লির কাছে কোথাও, অন্য নেতারা কলকাতার আশেপাশে। তবে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেইন বলেন, ‘এই ধারণাটা ঠিক নয় যে ভারত থেকে দল চলছে। বেশিরভাগ নেতা এখনও বাংলাদেশেই আছেন।’

তবুও যেহেতু দলীয় নেত্রী ও শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশ ভারতে, সেখান থেকেই রাজনৈতিক নির্দেশনা আসাটাই স্বাভাবিক। যদিও দুই সপ্তাহ আগেও নেত্রীর সঙ্গে শীর্ষ নেতাদের সরাসরি দেখা হয়নি। ৩১ জুলাই দিল্লিতে শেখ হাসিনা কিছু শীর্ষ নেতাকে বৈঠকে ডাকেন। নেতারা বৈঠকের বিষয় বিবিসিকে নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত বলেননি।

এই বৈঠক ছাড়া বাকি সব দলীয় কর্মকাণ্ড চলে ভার্চুয়াল মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম গ্রুপ, লাইভ অনুষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে। মাঝে মধ্যে শেখ হাসিনা নিজেও এতে যুক্ত হন। আলোচনায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের করণীয় নিয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তারে সহায়তা, ৫ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারে সহায়তা করতে পুরষ্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত জানুয়ারিতে মাদুরোকে ধরিয়ে দিতে ২৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ওয়াশিংটন। বৃহস্পতিবার পুরষ্কারের মূল্যমান দ্বিগুণ বাড়িয়ে পাঁচ কোটি করার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে এই ঘোষণাকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেছে ভেনেজুয়েলা। খবর- এএফপি

নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি বলেন, ‘বিচার বিভাগ ও পররাষ্ট্র দপ্তর নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারে সহায়ক হতে পারে এমন তথ্য দেওয়ার জন্য পুরষ্কারের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫০ মিলিয়ন ডলার করার ঘোষণা দিচ্ছে। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাদক-পাচারকারীদের অন্যতম। তিনি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি।’

তিনি আরও বলেন, মাদুরোর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে আছে ভেনেজুয়েলা সরকারের দুটি উড়োজাহাজ। এত কিছুর পরও ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন মাদুরো। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময় মাদুরো বিচারের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন না। তাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের এ ঘোষণার পর টেলিগ্রামে এক পোস্টে ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান জিল বলেন, বিষয়টি ‘দুর্ভাগ্যজনক’। এটি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ধামাচাপা দেওয়ার ‘হাস্যকর প্রচেষ্টা’। আমরা এই রাজনৈতিক অপপ্রচারকে প্রত্যাখ্যান করছি।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০২০ সালে মাদুরোসহ ভেনেজুয়েলার বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাদক চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ফেডারেল আদালতে মামলা হয়। দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্রে লাখ টন কোকেন পাচারের অভিযোগ এনেছে মার্কিন বিচার বিভাগ।

গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে তৃতীয় মেয়াদে শপথ নিয়েছেন নিকোলা মাদুরো। টানা ছয় মাস ধরে নির্বাচনী বিবাদ, প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে যাওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক আহ্বান এবং তাঁকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের পুরস্কার বৃদ্ধির মধ্যে শপথ নেন তিনি। ২০১৩ সাল থেকে নিকোলা মাদুরো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট। গত বছরের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দেশটির নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ এবং শীর্ষ আদালত তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

যদিও তাঁর বিজয় নিশ্চিত করে ভোটের পুঙ্খানুপুঙ্খ ফল কখনও প্রকাশ করা হয়নি। ভেনেজুয়েলার বিরোধীরা বলেছেন, ব্যালট বাক্সের ভোটের হিসাবে দেখা গেছে, নির্বাচনে ভূমিধস জয়লাভ করেছেন মাদুরোর বিরোধী প্রার্থী এদমুন্দো গনসালেস। যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ তাঁকে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা বলেছেন, এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক ছিল না।

ভারতীয় পণ্যের ক্রয়াদেশ স্থগিত করলো অ্যামাজন ও ওয়ালমার্ট

ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট, টার্গেট ও গ্যাপ ভারত থেকে বস্ত্র ও পোশাক পণ্য আমদানির অর্ডার স্থগিত করেছে। একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য জানিয়েছে।

উল্লেখ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছেন। এর মধ্যে প্রথম ২৫ শতাংশ শুল্ক এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে এবং বাকি ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে আগামী ২৮ আগস্ট।

শাস্তিমূলক এই শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে ট্রাম্প ভারতের রাশিয়া থেকে তেল আমদানিকে উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, “ভারত যেহেতু সরাসরি বা পরোক্ষভাবে রাশিয়ান তেল আমদানি করছে, তাই আমদানিকৃত ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত।”

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন ক্রেতারা রপ্তানিকারকদের চিঠি ও ই-মেইল দিয়ে অর্ডার স্থগিত রাখতে বলেছেন। ক্রেতারা এই অতিরিক্ত শুল্ক খরচ বহন করতে নারাজ এবং রপ্তানিকারকদের ওপর চাপ দিচ্ছেন তা মেটাতে। এর ফলে রপ্তানিকারকদের লাভ মার্জিন চরমভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই বাড়তি শুল্কে ৩০-৩৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে, যার ফলে মার্কিন বাজারে রপ্তানি কমে যেতে পারে এবং ভারতের ৪-৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র হলো ভারতের সবচেয়ে বড় টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানি গন্তব্য। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের মোট ৩৬.৬১ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির ২৮ শতাংশ গেছে যুক্তরাষ্ট্রে।

লক্ষ্মীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে চারজন দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, চারজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দগ্ধ অবস্থায় তাঁদের জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। দগ্ধরা হলেন আমজাদ (৫০), ফারুক (৪০), আবুল খায়ের (৩২) ও গনি খাঁ (৫০)।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান আজ শুক্রবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দগ্ধদের সবার শরীরের দগ্ধের পরিমাণ বেশি থাকায় তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান চিকিৎসক।

জীবিতকে ‘জুলাই শহীদ’ দেখিয়ে এনসিপি নেতার বাণিজ্য!

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে গত বছরের ৫ আগস্ট গুলিতে আহত এক শিশুকে বানানো হয়েছে ‘শহীদ’। এরপর হয়েছে হত্যা মামলা, চলেছে গ্রেফতার-জুলুম। শিশুটির নিরক্ষর বাবাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে কৌশলে জীবিত ছেলেকে মৃত দেখিয়ে আদালতে হয়েছে ‘মৃত্যুর মামলা’। এখন সেই মামলার দায় আর মামলাবাজদের হুমকিতে আতঙ্কে দিন কাটছে পরিবারটির।

১১ বছরের শিশুটির নাম জিহাদ। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলা ব্রিজের নিচে গুলিবিদ্ধ হয় সে। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে নেওয়া হয় গণস্বাস্থ্য মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পরে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পরে কিছু মানুষ তাকে মৃত বানিয়ে  কাগজে-কলমে চালিয়ে দেয় ‘শহীদ’ হিসেবে।

একটি সাজানো মামলায় শিশুটিকে দেখানো হয় নিহত। ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর করা মামলায় আসামি করা হয় ১১৮ জনকে। চার মাস ছয় দিন পর জানা যায়, জিহাদ আসলে জীবিত।

আদালতে হাজির হয়ে সে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তার বাবা জহিরুল ইসলাম রাজুও জানান, হত্যা মামলা ছিল পুরোপুরি সাজানো। এতে তিনি দায়ী করেন কেরানীগঞ্জের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা মো. শাহজাহান সম্রাটকে।

জানা গেছে, জীবিত শিশু জিহাদকে মৃত দেখিয়ে ওই মামলা থেকে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ ও জমি পাওয়ার স্বপ্ন দেখানো হয় পরিবারটিকে। সম্রাট জানান, সরকার আহত জুলাই যোদ্ধাদের ৩০ লাখ টাকা ও চার কাঠা জমি দেবে।

সেই লোভে পড়ে রাজু মামলায় রাজি হন। বলেন, ‘আমারে সম্রাট বলে আহত মামলা করবে, করছে নিহত মামলা। সেদিন ছেলে সাথেই ছিল। তাকে গাড়িতে রেখে আমাকে ওপরে নিয়ে যায়। উকিল সব বলে। আমি শুধু দাঁড়িয়ে ছিলাম।’ এই ফাঁদে পড়ার পর পুরো পরিবার আতঙ্কে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে সাহস করে আদালতে গিয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়, শিশুটি জীবিত।

একটি ফোনালাপে শোনা যায়, সম্রাট রাজুকে বলছেন, ‘মামলার কপি চইলা গেছে জাতিসংঘে। যদি বাঁচতে চান দ্রুত মন্ত্রণালয়ে কাগজ জমা দেন।’ এক পর্যায়ে হুমকির সুরে বলেন, ‘আর যদি মনে করেন আত্মহত্যা করমু, সেটা আপনার বিষয়।’

জানা যায়, রাজুদের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। নদীতে ভেসে যাওয়ায় গাজীপুরে একটি দুর্গম গ্রামে বাস করছেন। সেখানে গিয়ে দেখা যায় জিহাদকে। পায়ে গুলির কারণে এখনো ক্রাচে ভর দিয়ে হাঁটে সে। বলল, ‘শেখ হাসিনা যেদিন পালাইছে, বাইপাল থানার দিকে একলা পইড়া গেছিলাম। পায়ে গুলি লাগে।’ জিহাদের মা জানান, ছেলের চিকিৎসা চালাতে কিস্তিতে ঋণ নিয়েছেন। বলেন, ‘না নিলে পা কেটেই ফেলতে হতো।’

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মনিরুল হক ডাবলু বলেন, মামলার পর পুলিশ বাদীকে খুঁজে পায়। বাদী ও আসামি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে জিহাদ জীবিত। মামলাটি এখনো খারিজ হয়নি, মনিটরিং সেলে রয়েছে।

এ বিষয়ে এনসিপি নেতা শাহজাহান সম্রাটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।