Home Blog Page 368

‘ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদ উৎখাতের জন্য রক্ত ও জীবন উৎসর্গ করা হয়েছে। এখন কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন হতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিরুদ্ধেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

গতকাল (৩০ আগস্ট) শনিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নিয়মিত বৈঠকে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি দোসরদের ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসিত করতে চায়, তার পরিণতি ভালো হবে না। নুরুল হক নুরের ওপর যে নির্মমতা চালানো হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্রকে চিরতরে উৎখাত করার জন্য দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার করতেই হবে। দেশের সকল মানুষের মতামত রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিফলিত করতে পিআর পদ্ধতিই একমাত্র সমাধান। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পিআর নিয়ে আন্দোলন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে দেশের প্রান্তে প্রান্তে কর্মসূচি পালন করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এরমধ্যে রয়েছে ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর জেলায় জেলায় সমাবেশ ও মিছিল। মহানগরসমূহের থানায় থানায় সমাবেশ ও মিছিল। পিআর নিয়ে প্রচারপত্র বিলি করা এবং দেশের প্রতিটি থানায় থানায় মিটিং।

মহাসচিব আরও বলেন, ‘দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার ওপর যেভাবে হামলা হয়েছে, তা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত। এতে জনগণের মধ্যে শঙ্কা ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ভীতি তৈরি হচ্ছে। অবিলম্বে হামলাকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং এর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে।’

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, অর্থ সম্পাদক হারুন অর রশীদসহ কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

ইসরায়েলি হামলায় একদিনে আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলকার ইসরায়েলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে ৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবার দিনব্যাপী এ হামলায় কেবল গাজা নগরীতেই ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত ১১ জন নিহত হন মানবিক সহায়তা নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়।

রোববার (৩১ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা’র এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণ ও জোরপূর্বক উচ্ছেদ অভিযানের মুখে গাজা নগরী ছেড়ে যাচ্ছেন শত শত ফিলিস্তিনি।

উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া ৫০ বছর বয়সী মোহাম্মদ মারুফ বলেন, আমরা রাস্তায় পড়ে আছি। কী বলব? কুকুরের মতো? না, কুকুরের চেয়ে খারাপ অবস্থায় আছি আমরা।

আরেক বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মোহাম্মদ আবু ওয়ারদা জানান, তিনি উত্তর গাজার জাবালিয়া থেকে পশ্চিম গাজার দিকে যাচ্ছেন। তবে গন্তব্য অনিশ্চিত। তিনি বলেন, ‘অবস্থা এত ভয়াবহ ছিল যে সেখান থেকে বেরোতে বাধ্য হয়েছি। এখানে তাঁবু খাটানোর জায়গা পেলেই ভাগ্য ভালো হবে। কোথাও নিরাপদ নয়, ইসরায়েলিরা সর্বত্র আক্রমণ চালাচ্ছে।’

আগস্টের শুরু থেকে ইসরায়েলি সেনারা টানা হামলা চালাচ্ছে গাজা নগরীতে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) আশঙ্কা জানিয়েছে, শহর দখল ও প্রায় ১০ লাখ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করার লক্ষ্যে এ অভিযান চলছে। গত শুক্রবার ইসরায়েল শহর দখলের ‘প্রাথমিক ধাপ’ শুরুর ঘোষণা দিয়ে গাজা নগরীকে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ঘোষণা করে।

শনিবার হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, একদিনেই গোটা গাজায় ৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুধু গাজা নগরীতেই ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন রুটি সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়।

ইয়েমেনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত

ইয়েমেনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ঘোষিত প্রধানমন্ত্রী আহমেদ গালেব নাসের আল-রাহাভি নিহত হয়েছেন। হুথি আন্দোলন থেকে জানানো হয়েছে, হামলায় রাহাভির সঙ্গে আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। 

ইরান-সমর্থিত এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাজধানী সানায় অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের সময় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বিমান হামলা চালায়। হামলায় প্রধানমন্ত্রীসহ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নিশ্ছিদ্রভাবে আঘাত করা হয়েছে। আইডিএফও এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

২০১৪ সাল থেকে হুথি বিদ্রোহীরা উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের বড় অংশ দখল করে। এর পর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সানা থেকে উৎখাত করে দেশটি দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধের মোরদ্বারে পড়ে।

হুথিরা বলেছে, এই হামলায় তাদের প্রধানমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রী নিহত হয়েছেন, যদিও নিহত অন্যান্য কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

এই হামলা ইয়েমেনের পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

সড়কে ১ হাজার ৬০৪ অবরোধ, দায়ী ১২৩ সংগঠন : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ঢাকা ও আশপাশের সড়কে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ১২৩টি সংগঠন মিলে এক হাজার ৬০৪টি অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

রোববার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা ও আশপাশে রাস্তায় ১ হাজার ৬০৪টি অবরোধ হয়েছে। এটি করেছে ১২৩টি সংগঠন। এগুলো যদি রাস্তায় না করে নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় করা হয়, যেমন মাঠ বা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, তবে জনদুর্ভোগ কম হবে।

তিনি আরও বলেন, একটা রাস্তার যদি কোনো একটি কোণা ব্লক হয়ে যায়, পুরো ঢাকা শহর প্রভাবিত হয়। তাই সবার কাছে অনুরোধ, প্রতিবাদ করার অধিকার আছে, তবে সেটা যেন জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে।

এ সময় সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, আন্দোলনকারীরা যদি অনুমতির জন্য আসে, তবে সরকার সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

গত বছরের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সে হিসেবে বর্তমান সরকারের ১৩ মাস চলছে।

রাজধানীতে আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

রাজধানীতে প্রতিনিয়ত সড়কে বের হয়ে নানা ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে স্থবির হয়ে পড়ে নানা সড়ক। তাই সকালে বের হওয়ার আগে আজ কোথায় কোন কর্মসূচি তা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দিনের শুরুতেই দেখে নিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু কর্মসূচির তালিকা।

বিএনপির কর্মসূচি

গুলশানে হোটেল লেকশোর-এ সকাল সাড়ে ১০টায় অর্থনৈতিক বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের বেলা ১১টায় আব্দুস সালাম হলে মুক্তিযোদ্ধা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

জামায়াতের কর্মসূচি

জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে পিআরপদ্ধতি, জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান এবং এর আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে বিকেল সাড়ে ৩টায় আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

বিজিবির কর্মসূচি

বিজিবি সদর দপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৬তম সীমান্ত সম্মেলনের যৌথ মিডিয়া ব্রিফিং।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের ট্রাম্প কার্ড হতে পারেন যারা

০
দুয়ারে ২০২৫ এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি আসর। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে এই টুর্নামেন্ট। চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
এই মহাদেশীয় ক্রিকেট আসরে এ পর্যন্ত তিনবার (২০১২, ২০১৬ ও ২০১৮ সালে) ফাইনালে খেলেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে একবারও শিরোপা জিততে পারেনি তারা।
এবার সেই আক্ষেপ ঘুচানোই লক্ষ্য থাকবে টাইগারদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবারের এশিয়া কাপ হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ৮ দলের টুর্নামেন্টে ‘বি’ গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ।
তাদের প্রতিপক্ষ হংকং, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে টাইগারদের এশিয়া কাপ মিশন। এরপর ১৩ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা এবং ১৬ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।
এরই মধ্যে এশিয়া কাপের জন্য ১৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। লিটন দাসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশ্রণ রয়েছে। তবে টুর্নামেন্টে সাফল্য নির্ভর করবে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের ওপর।
যারা ম্যাচের গতি বদলে দিতে পারেন এবং খেলায় ফল নির্ধারণে ব্যাপক প্রভাব রাখতে পারেন। এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দলের ট্রাম্প কার্ড হতে পারেন পাঁচ ক্রিকেটার। তারা হলেন: তানজিদ হাসান তামিম, জাকের আলী অনিক, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও অধিনায়ক লিটন কুমার।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের নতুন দিগন্ত সূচনা হচ্ছে ওপেনার তানজিদ তামিমের ব্যাটে। এই বাঁহাতি ব্যাটারের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং স্টাইল আর পাওয়ারপ্লেতে পাওয়ার হিটিংয়ের ক্ষমতা তাকে দলের ট্রাম্পকার্ড করে তুলছে।
চলতি বছরে ১১ ম্যাচে ৩১ গড়ে তার রান ৩১০। ১৫০.৪৮ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন তামিম। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের কারণেই তামিম এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দলের ট্রাম্পকার্ড হতে পারেন।
অন্যদিকে, জাকের আলী মিডল অর্ডারে একজন শক্তিশালী ফিনিশার। তার স্ট্রাইক রেট ১৪৫-এর উপরে, যা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি চাপে শান্ত থেকে বড় শট খেলতে পারেন। আমিরাতের স্পিন-সহায়ক পিচে তার সুইপ এবং লফটেড কভার ড্রাইভ স্পিনারদের বিরুদ্ধে বেশ কার্যকর হতে পারে। এ ছাড়া ডেথ ওভারে বিস্ফোরক ব্যাটিং জাকেরের প্রতি প্রত্যাশা বাড়িয়েছে।
অপরদিকে, বর্তমানে বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের প্রাণ বলা যায় রিশাদকে। এই লেগস্পিনার আরব আমিরাতের শুষ্ক পিচে বেশি কার্যকরি হতে পারেন। তার গুগলি এবং ফ্লিপার প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করতে পারে।
রিশাদ ভালো করলে বাংলাদেশের বোলিং ইউনিট অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে নিঃসন্দেহে। তার অসামঞ্জস্যতা টিমের দুর্বলতা বাড়াতে পারে, কিন্তু ফর্মে থাকলে তিনি টুর্নামেন্টের সেরা বোলার হয়ে উঠতে পারেন।
আর মোস্তাফিজুর রহমান পেস আক্রমণের একজন পরীক্ষিত ‘অস্ত্র’। তার ইয়র্কার এবং স্লো-বল ভ্যারিয়েশন ও অভিজ্ঞতা এশিয়া কাপে ভিন্ন মাত্রা এনে দিতে পারে।
যদি তিনি ডেথ ওভারে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারেন তাহলে বিপক্ষ টিমগুলোর চেজিং স্বপ্ন ভেঙে যাবে। তার ফিটনেস সমস্যা দূর হলে, তিনি বাংলাদেশকে ফাইনালে নিয়ে যেতে পারেন, যেটা করেছিলেন ২০১৬ সালের আসরে।
এদিকে অধিনায়ক লিটন টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বড় ট্রাম্পকার্ড হতে পারেন। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে তার নেতৃত্ব প্রমাণিত হয়েছে।
উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে লিটনের স্ট্রাইক রেট ১৩০-এর উপরে এবং তিনি মিডল অর্ডারে গেম-চেঞ্জার। আমিরাতের পিচে তার আক্রমণাত্মক স্টাইল বাংলাদেশকে দ্রুত স্কোর তৈরি করতে সাহায্য করবে।

 

তিশাকে কোলে তুলতে গিয়ে হাড় ভেঙেছিল তৌসিফের!

ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা জুটি তৌসিফ মাহবুব ও তানজিন তিশা। অনেক নাটক-টেলিফিল্মে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। কিন্তু শুটিং সেটে তিশাকে কোলে নিয়ে হাতের হাড় ভেঙেছিল তৌসিফের। একটি সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান এই অভিনেতা।
তৌসিফ মাহবুব বলেন, “তিশা আমার বন্ধু, এজন্যই বলতেই পারি। তবে সরি! তানজিন তিশাকে কোলে তুলতে গিয়ে আমার হাড় ভেঙেছিল।
২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রচার হয় ‘স্বাধীনতা তুমি’ নাটক। এ নাটকের শুটিংয়ে ঘটনাটি ঘটে। তৌসিফ মাহবুব বলেন, “নাটকের গল্পে আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার চরিত্রে ছিলাম আর তিশা ছিলেন একজন বীরাঙ্গনা যে মারা গেছে। পোস্টারের জন্য ওর লাশ কোলে তুলে নিয়েছিলাম।”
বিভিন্ন ফ্রেমে ছবি তোলার কারণে বেশ খানিকটা সময় তিশাকে কোলে রাখতে হয়েছিল। এ কারণেই বিপত্তিটা ঘটে। এসব তথ্য উল্লেখ করে তৌসিফ মাহবুব বলেন, “পোস্টারের জন্য তিশাকে ২-৪ মিনিট কোলে রাখতে হয়েছিল। তখনই চাপটা পড়ে। এরপর প্রায় এক মাস আমার বাম হাত দিয়ে কোনো ওয়েট নিতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলেও ব্যথা করত।”
মজা করে তৌসিফ মাহবুব বলেন, “তিশা আমার খুব ক্লোজ ফ্রেন্ড। তবু ওকে ঘৃণা করি, আবার ভালোবাসিও। তবে এটা বলা দরকার ছিল—ওর কারণেই আমার হাতের হাড় ভেঙেছিল।”

ফের প্রেমে পড়েছেন পরীমনি, নতুন প্রেমিক কে?

পরীমনির মামলায় জামিনদার হতে দেখা গিয়েছিল সংগীতশিল্পী শেখ সাদীকে, এরপর শোনা গিয়েছিল তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের কথাও। কিন্তু মাস কয়েক পার হতেই ভেঙে যায় তাদের সেই সম্পর্ক।
কিন্তু গেল ১০ আগস্ট ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে পরীমনির ছেলে পুণ্যর জন্মদিনের আয়োজনে গায়ক সাদীকে দেখে অনেকে অবাক হয়েছেন। তাহলে কি পরীমনি ও সাদীর প্রেমের সম্পর্ক আবার জোড়া লেগেছে—এমন কানাঘোষাও শোনা গেছে।
তবে মাসের শেষ সপ্তাহে এসে যেন প্রেমের গুঞ্জন উসকে দিলেন পরীমনি। শুক্রবার দুপুরে নিজের ফেসবুকে সানগ্লাস পরিহিত একটি ছবি পোস্ট করেন নায়িকা। এলোমেলো চুলে স্নিগ্ধ রূপে পরী।
রোদ থেকে বাঁচতে চোখে পড়েছেন কালো সানগ্লাস। সেই ছবির ক্যাপশন থেকেই এই গুঞ্জন ঢালপালা মেলেছে।
সানগ্লাস পরা ছবিটি পোস্ট করে পরীমনি লিখেছেন, ‘এই সানগ্লাস আমার নয় কিন্তু সে আমার। সবাইকে জানাই শুভ শুক্রবার।
পরীমনির এমন পোস্টের পর সবাই জানতে চেয়েছেন, ‘কে সে?’ কেউ লিখেছেন, ‘পরবর্তী প্রেমিক তাহলে কে?’ কেউবা লিখেছেন এমন, ‘ভালোবাসাই শক্তি।’
পরীমনির এমন পোস্টে ভক্তদের কেউ আবার কষ্ট পেয়ে লিখেছেন, ‘আমার ভালোবাসা, যখন তোমাকে দেখি তখন আমার অন্তর পুড়ে যায়।’ আবার কেউ লিখেছেন, সাদী আউট, নিউ ইন।’
প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো চিত্রনায়িকা পরীমনির জন্য নতুন কোনো ঘটনা নয়। আবার এই সম্পর্ক নিয়ে কোনো রাখঢাক রাখেন না আলোচিত এই চিত্রনায়িকা।
প্রেমিকসহ কাছের কয়েকজনকে নিয়ে যখন খুশি ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন। হইহুল্লোড়ে থাকতে পছন্দ করেন পরীমনি।
বছরের শুরুর দিকে কয়েক মাস ধরে ঢালিউডের আলোচিত এই চিত্রনায়িকার সঙ্গে তরুণ গায়ক শেখ সাদীর প্রেমের সম্পর্ক ওপেন সিক্রেট। তাদের একাধিক ফেসবুক পোস্ট ও ভিডিও ক্লিপ তেমনটাই জানান দেয়।

যুব উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা, প্রজ্ঞাপন জারি

০

জাতীয় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা-২০২৫ এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। নীতিমালাটি দেশের বেকার যুবশক্তিকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এবং এর অধীনে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সহায়তা এবং কর ও শুল্ক ছাড়সহ রপ্তানিতে একই ধরনের সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সোমবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বেশ কয়েকটি মৌলিক বিষয়কে সামনে রেখে এ নীতিমালা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিষয়গুলো মধ্যে রয়েছে- বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, প্রযুক্তি নির্ভর যুবশক্তিকে উৎসাহিত করা ও তাদের সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জন্য ঋণ সহায়তা এবং কর ও শুল্ক ছাড়সহ প্রয়োজনীয় কাঠামো তৈরি করতে সহায়তা করা।

নীতিমালাটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে এবং এর মাধ্যমে যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই নীতিমালার প্রধান লক্ষ্য হলো- বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

নীতিমালার আওতায়, নতুন উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করার জন্য একটি কাঠামো তৈরি করা হবে, যা তাদের স্টার্টআপ ও অন্যান্য আধুনিক উদ্যোক্তামূলক উদ্যোগকে সমর্থন করবে।

পাশাপাশি, বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুব উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি করার জন্য যুবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

হাসনাত-সারজিসকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে আলটিমেটাম

বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন’র সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। তাদের বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে মন্তব্য করেছে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ’।
একই সঙ্গে তাদের আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা। অন্যথায় এনসিপিকে বর্জনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের দপ্তরসম্পাদক সাব্বির আহমেদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, এনসিপি নেতা সারজিস আলম ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন’র সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে গিয়ে ‘কোটা’ শব্দটি ব্যবহার করেন। অন্যদিকে, হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন’র অযৌক্তিক দাবিকে ন্যায়সংগত বলে আখ্যা দিয়েছেন। আমরা এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
এতে আরও বলা হয়, উপ-সহকারী প্রকৌশলী দশম গ্রেড, এটি কোনো কোটা নয়। এটি একটি বিশেষায়িত পদ। এখানে প্রবেশের জন্য একমাত্র যোগ্যতা হলো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি, যা ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ও ১৯৯৪ সালের প্রধানমন্ত্রীর প্রজ্ঞাপনে রয়েছে।
হাসনাত ও সারজিসকে ক্ষমা চাইতে সময় বেঁধে দিয়ে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের নেতারা উল্লেখ করেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যদি প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান, দেশের সব সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিক শিক্ষার্থী ও টিএসসি শিক্ষার্থী এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীসহ তাদের পরিবার সম্পূর্ণরূপে এনসিপিকে বর্জন করবে।’