Home Blog Page 370

চীন সফরে কিম-পুতিনসহ ২৬ রাষ্ট্রপ্রধান

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে একটি বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজ। সেখানে উপস্থিত থাকবেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।

বিবিসি জানিয়েছে, চীন-জাপান যুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এ ‘বিজয় দিবস’ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হচ্ছে। এতে অংশ নেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ আরও ২৬ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান।

প্রথমবারের মতো চীনা সেনাবাহিনীর নতুন কাঠামোও তুলে ধরা হবে এই আয়োজনে। থাকবে শত শত বিমান, ট্যাংক ও ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। হাজার হাজার সেনা ও সাবেক যোদ্ধা তিয়ানআনমেন স্কয়ার দিয়ে মার্চ করবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ৭০ মিনিটের এই কুচকাওয়াজ বিশ্ব শক্তিগুলোর বিশেষ নজর কাড়বে। সেখানে শি জিনপিংয়ের পাশে কিম জং উন ও ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতি চীনের জন্য বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে।

এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রও সক্রিয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে বলেছেন, তিনি আবার কিমের সঙ্গে দেখা করতে চান। একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। অক্টোবরের শেষে ট্রাম্প ওই অঞ্চলে সফর করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

কিম জং উন ছয় বছর পর বেইজিং যাচ্ছেন। সর্বশেষ তিনি ২০১৯ সালে চীন সফর করেছিলেন। এর আগে ২০১৮ সালে তিনি এক বছরের মধ্যে তিনবার চীন গিয়েছিলেন, যা তার স্বভাবের তুলনায় ব্যতিক্রমী ছিল, কারণ তিনি সচরাচর বিদেশ সফরে যান না।

অন্যদিকে, জাপান ইউরোপীয় ও এশীয় দেশগুলোকে অনুরোধ করেছে যেন তারা চীনের এই কুচকাওয়াজে যোগ না দেয়। ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে পুতিনের সঙ্গে মতবিরোধ থাকায় বেশিরভাগ পশ্চিমা নেতা এই আয়োজনে থাকবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশের পোশাকে থানায় গুরুদায়িত্বে বিড়াল!

চিলির মাগাল্লানেস অঞ্চলের একটি ছোট্ট শহর পোরভেনিরের বাসিন্দাদের হৃদয় জয় করে নিয়েছে একটি বিড়াল। পুলিশের পোশাক গায়ে চাপিয়ে এখন সে রীতিমতো পুরো থানা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নাম তার নারুতো।

ছোট্ট পুলিশ ভেস্ট পরে একেবারে মাসকটের ভূমিকায় অবতীর্ণ এই পুলিশ বিড়াল সামজিক মাধ্যমেও ঝড় তুলেছে।

জানা গেছে, একদিন কুকুরের তাড়া খেয়ে ভয়ে কাঁপছিল বিড়ালটি। তখনই দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসার ক্রিশ্চিয়ান গারিদো তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। ঠান্ডায় কাঁপতে থাকা বিড়ালটির আশ্রয় হয় থানার ভেতরেই। তার নাম দেওয়া হয় নারুতো। সেই থেকেই শুরু হয় তার নতুন যাত্রা।

ধীরে ধীরে সবার প্রিয় হয়ে ওঠে বিড়ালটি। প্রতিটি রুমে গিয়ে সবার সঙ্গে খেলাধুলা করে। এরপর তাকে পরিয়ে দেওয়া পুলিশ ভেস্ট। আর সেই ভেস্ট পরেই সে এখন ঘুরে বেড়ায় অফিসের এক কক্ষ থেকে আরেক কক্ষে।

কর্মকর্তারা বিড়ালটিকে আদর করে ‘ক্যাটবিনেরো’ নামেও ডাকেন। শিশুদের কাছেও সে সমান জনপ্রিয়, প্রতিদিনই তাকে দেখতে যায় অনেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় মুগ্ধতা ছড়িয়েছে সবার মধ্যে।

বিড়ালটির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দেন দর্শনার্থীরা। বিভিন্ন ডাকনাম দেওয়া আর পোশাক পরানো—সবই তাদের আইডিয়া। স্টেশনে যাওয়া শিশু আর ভুক্তভোগীদের জন্য মাগাল্লানেস অঞ্চলেও নারুতো এক প্রকার মানসিক সাপোর্ট।

ভয়ে কাঁপতে থাকা মানুষের কাছে গিয়ে সে বসে পড়ে, আদর করতে দেয়, আর হাসি ফোটায় সবার মুখে। তাই তাকে থেরাপি ক্যাট হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন কেউ কেউ।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প কর্মসূচি দিয়ে জবি ছাত্রীসংস্থার আত্মপ্রকাশ

নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ইসলামী ছাত্রীসংস্থা।

বুধবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেয়ালে পোস্টার লাগিয়ে এ কর্মসূচি প্রচার করা হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসছে সংগঠনটি।

পোস্টারে লেখা হয়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হবে নবাব ফয়জুন্নেছা হলের দ্বিতীয় তলায় (লিফটের পাশে)। আগামী ২৮ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত এবং ২৯ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ক্যাম্প চলবে।

আয়োজকরা জানান, ক্যাম্পে সাতজন এমবিবিএস চিকিৎসক বিভিন্ন বিভাগে সেবা দেবেন। সেবার মধ্যে থাকবে গাইনি ও অবস, ডায়াবেটোলজি, মেডিসিন, চর্মরোগ ও দন্ত চিকিৎসা। পাশাপাশি রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা পরামর্শ, প্রেসক্রিপশন এবং প্রয়োজনীয় সাধারণ ওষুধ সরবরাহ করা হবে। বিশেষভাবে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য গাইনি বিশেষজ্ঞদের আলাদা সেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে জবি শাখা ছাত্রীসংস্থার সভানেত্রী বলেন, এর আগে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কিছু কর্মসূচি পালন করেছি, তবে এভাবে প্রচারণা করা হয়নি। এবার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করছি। ভবিষ্যতে কর্মসূচি আরও সম্প্রসারিত হবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা নিয়মিত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও বুলিংয়ের শিকার হচ্ছি। এতে অনেক নারী শিক্ষার্থী বিব্রত বোধ করেন। আমাদের কাজ নিয়ে সমালোচনা হলেও আমরা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছি। কিছু ঘাটতি থাকলেও তা কাটিয়ে উঠব। আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখব।

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত আজ ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার এ রোডম্যাপ ঘোষণা করা হতে পারে। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এমন আভাস দিয়েছেন।

গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা যে কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) করেছি, সে কর্মপরিকল্পনা আপনাদের জানাব। আমি ঢাকার বাইরে থাকায় একটু পিছিয়ে পড়েছি। এটা আমার টেবিলে এখন আছে। আগামীকাল (আজ) পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করেন।’

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব এক বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন করেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘কর্মপরিকল্পনার সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে। অনুমোদন হয়েছে, এখন শুধু টাইপিং চলছে।’

ইসির কর্মকর্তারা জানান, রোডম্যাপে নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো কখন কোনটি শেষ হবে তা উল্লেখ রয়েছে। ওই সময়সূচি ধরে নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ করবেন ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ইসি সূত্র জানায়, রোডম্যাপে সেপ্টেম্বর মাসে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে কমিশন। এ ছাড়া আইন সংস্কার, সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্তকরণ, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনী সামগ্রী ক্রয়, প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও ভোটের ব্যালট-ফরমসহ বিভিন্ন ধরনের খাম মুদ্রণ, ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ এবং নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কোন সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে তা উল্লেখ থাকবে রোডম্যাপে। তবে রোডম্যাপে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা এবং ভোটের তারিখ উল্লেখ থাকবে না।

ইসির কর্মকর্তারা আরও জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে চলতি বছরের ডিসেম্বরে তপশিল ঘোষণা করবে ইসি। ওই লক্ষ্য সামনে রেখে এ রোডম্যাপ ঘোষণা করতে যাচ্ছে কমিশন। তারা জানান, নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো চলমান রয়েছে। রোডম্যাপে এসব কাজ কোন সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে, সেই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচন নিয়ে মানুষের শঙ্কা কিছুটা হলেও কমবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন ছিল

যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের আলোচনা করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদ আল তিতুমীর।

রাজধানীতে ব্রেইন আয়োজিত ‘ট্রাম্প ট্যারিফ-পরবর্তী বিশ্ববাণিজ্য ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে গতকাল শনিবার সকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাজেট প্রণয়নের আগেও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা যেত। তাহলে সংস্কারের বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে সামনে আসত। পাশাপাশি, আরএলডিসি উত্তরণ নিয়ে সরকারের একটি পরিষ্কার অবস্থান প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, মার্কিন পাল্টা শুল্ক নিয়ে দেশে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা হয়েছে। অনেক বুদ্ধিমান মানুষও এতে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘গোলটেবিল বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পর্কে যেভাবে মন্তব্য করা হয়েছে, তা অনুচিত। তবে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি উভয়পক্ষের জন্য লাভজনক চুক্তি করতে পেরেছি।’

শফিকুল আলম আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এই শুল্ক ইস্যু। বিডা (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ)-তে এ নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছে। আমাদের অবস্থান কী হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘নন-ডিসক্লোজার চুক্তি নিয়ে অনেকে কথা বলছেন, কিন্তু বাণিজ্যিক আলোচনায় এসব বিশ্বব্যাপী প্রকাশ করা হয় না। উদাহরণ দিয়ে বলেন, ইন্দোনেশিয়ার গণমাধ্যম বোয়িংয়ের ৫০টি বিমানের ক্রয় নিয়ে কিছু বলেনি; অথচ বাংলাদেশে এ নিয়ে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।’

বিদেশি বিনিয়োগ বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা নিয়ে অনেক বিনিয়োগকারী অভিযোগ করেছেন। বন্দরকে সিঙ্গাপুরের মানে উন্নীত করতে হবে, না হলে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না।

তিনি বলেন, ‘বিদেশি অপারেটর নিয়ে অনেকে সার্বভৌমত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই মানসিকতা যেন দেশটাকে বনসাই বানিয়ে রাখার মতো।’

বিডা নিয়ে তিনি বলেন, আগে এক দরজায় সেবা শুধু কাগজে ছিল। এখন বাস্তবে এক দরজায় সেবা চালুর চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, গত ২ এপ্রিল বাণিজ্য ঘাটতির কথা উল্লেখ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর উচ্চহারে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তখন বাংলাদেশের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। পরে ৯ এপ্রিল বিভিন্ন দেশের ওপর ওই শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। এ সময় শুল্ক নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিভিন্ন দেশকে আলোচনার সুযোগ দেয় ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক নিয়ে তৃতীয় দফার আলোচনা শুরু হয় গত জুলাই। সে সময় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) দপ্তরের সঙ্গে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ওই আলোচনার শেষদিন বাংলাদেশের পণ্য আমদানির ওপর ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অন্তর্বর্তী সরকার নিঃসন্দেহে নিরপেক্ষ সরকার : রিজভী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিঃসন্দেহে একটি নিরপেক্ষ সরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আজ রোববার (২৪ আগস্ট) নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে জিয়া পরিষদ আয়োজিত রিকশা ও ভ্যান চালকদের মধ্যে রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার চাওয়া নিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা কতখানি দ্বিচারী হতে পারেন, যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জ্বালাও-পড়াও ও ধ্বংসাত্মক আন্দোলন করে ক্ষমতায় এসে নিজেই সেই ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়েছেন। এই হচ্ছে শেখ হাসিনা, যার কোনো ওয়াদা, অঙ্গীকার নেই।

বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে মানুষের অনেক দাবি-দাওয়া। আমাদের প্রত্যাশা শান্তি, স্বস্তি থাকবো। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হচ্ছে আদালত, সেখানে ন্যায় বিচার পাবে। সরকারের আন্তরিকতা কম সেটা বলবো না। আজকে আর্থিক ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতি অনেক কমে আসছে। জিনিসপত্রের দাম এখনো কমছে না, কর্মসংস্থান হচ্ছে না। একের পর এক কল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কর্মসংস্থান না থাকলে দুর্ভিক্ষের আলামত তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, আপনাদের উপদেষ্টা হাঁসের মাংস যে কোনো জায়গায় খেতে পারবে, কিন্তু জনগণ তো হাঁসের মাংস খেতে পারবে না।

কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রচেষ্টা সরকারকে নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন রিজভী। তিনি বলেন, মানুষ বেকার থাকলে দুর্ভিক্ষের পতন ধ্বনি শোনা যাবে।

সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, জুলাই সদনের জন্য সুপারিশ আসবে, কিন্তু সেটার জন্য আইন ও সংবিধান সংশোধন করতে হয় তা নির্বাচিত সংসদ করবে। একটি রাজনৈতিক দল বলছেন, আগেই গণভোট দিতে হবে, কেন? যদি মূল নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন করতে হয়, মূল নীতিমালা অখণ্ড বিষয়, সেটা সংশোধন করা যায়, তবে সেটা করবে সংসদ। কিন্তু শেখ হাসিনার মতো যদি হয়, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আমার মতের মিল হয়নি, তাই তাকে গোয়েন্দা সংস্থার লোক পাঠিয়ে পিস্তল ঠেকিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। ওই ধরনের বৈশিষ্ট্য এবং আলামত এখন কেন থাকবে? যেই নিয়ম শেখ হাসিনা ভেঙেছে, সেটা তো আবার চালু করতে পারি না।

রিজভী আরও বলেন, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করুন, তারা দেশের এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে সংবিধান সংশোধন করতে হলে করবে। সেটা তাদের দায়িত্ব। কিন্তু আগে সেটা মানতে হবে, করতে হবে? যেসব সংস্কারে সব ঐকমত্য হয়েছে তার একটা সুপারিশ থাকবে, সেটা নির্বাচিত সংসদ সংশোধন করবে, আইনি ভিত্তি দেবে। সেটা না করে আগেই তালগাছ আমার বলে চিৎকার করতে থাকি..।

ফ্যাসিবাদী শক্তি প্রশাসনে এখনও ঘাপটি মেরে বসে আছে, তারা সুযোগ পেলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও জনগণের বিরুদ্ধে কাজ করবে। আজকে সবাই বলছে, ফ্যাসিবাদী শক্তি সচিবালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় বসে আছে, তারা বিভ্রান্তি তৈরি করার জন্য কাজ করছেন।

রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠানে জিয়া পরিষদের ভাইস- চেয়ারম্যান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, জিয়া পরিষদের মহাসচিব প্রফেসর ড.এমতাজ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহিল মাসুদ, কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলাম এনাম, প্রকৌশলী মো. শরীফুজ্জামান খান শরীফ, প্রফেসর ড. মো. নেসার উদ্দিন তালুকদার প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব নূরনবী খান, শেরেবাংলা থানা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর রেজা, সহসভাপতি এস এম কবির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবুল কালাম আজাদসহ জিয়া পরিষদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নেতা।

যে কারণে জাতীয় দলে সোহান ও সাইফ

০

নুরুল হাসান সোহানের জাতীয় দলে কামব্যাকের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই। কিন্তু নির্বাচকরা একটু সময় নিয়েছেন। কেন সে সময় নিয়েছেন, সেটি এবার পরিষ্কার করলেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। এশিয়া কাপের দলে সাইফ হাসানকে নেওয়ার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। গতকাল (শনিবার) মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু সোহানের বিষয়ে বলেন, ‘প্রতিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিন্তু একটা প্রক্রিয়া থাকে, প্রসেস থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের তরফ থেকে ডিপ ড্রাইভ থিংকিংও থাকে। কোনো সময় হয়তো হয় আমরা দলে নিই না ফর গ্রেটার ইন্টারেস্ট। সোহানকে নিয়ে অনেক আলোচনা ছিল শ্রীলঙ্কা সফরের সময় টি-টোয়েন্টি দলে। আমরা তখন ভেবেছি দলের যে ফরমেশন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রথম একাদশে খেলার সম্ভাবনা খুব কম। খুব খুব কম।’
অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৬টি ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে নেতৃত্ব দেন সোহান। তার আগে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন গ্লোবাল সুপার লিগ। তাকে এই সুযোগটাই দিতে চেয়েছিলেন নির্বাচকরা।
গাজী আশরাফ বলেন, ‘ওই সময় আমাদের কাছে যেটা মনে হয়েছে, সে যদি প্রস্তুতির জন্য গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে…আমরা জানতাম সে ‘এ’ দলের হয়ে ডারউইনে খেলতে যাবে। তো তারও একটা প্রস্তুতি হয়ে যায়। ১০ ম্যাচের মতো খেলা হয়ে যায় এশিয়া কাপের মতো প্ল্যাটফর্মে আসার আগে। সেজন্য আমরা বলেছিলাম সে আমাদের খুব কাছের নজরে আছে। আমরা হয়তো তাকে আন্তর্জাতিক লেভেলের এক্সপোজার দিতে পারিনি। কিন্তু পরেই যে ধাপ, তার সঙ্গে আরও অনেকে সুযোগ পেয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার। প্রতিদ্বন্দ্বিতার আমেজ, চ্যালেঞ্জ, পারফর্ম কীভাবে করবে, কীভাবে ভালো করবে এসব। কেউ ভালো না করলে কী করলে পারফরম্যান্সটা প্রত্যাশিত জায়গায় নিতে পারে এসব।’ সাইফ হাসানকে দলে নেওয়ার প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘কোচ-অধিনায়ক, নির্বাচক মণ্ডলী, আমরা অনেক আলোচনা করেছি। উপরের দিকে একটা ক্রুশাল শর্ট অব বোলার দরকার ছিল। এক ওভার দুই ওভারের একটা পারপাস তিনি এড্রেস করতে পারবেন। নম্বর তিন-চার এবং যদি ওপেনার দরকার হয়, সে আলোকে সাইফের দিকে চোখ ছিল। এবার তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নম্বর চারে খেলার মতো ভালো ব্যাটার, একইসঙ্গে প্রয়োজনে তিনি উপরেও যদি কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় ওপেন করার সক্ষমতা রাখেন। আমরা এরকম মাল্টিপল প্লেসে এড্রেস করার মতো প্লেয়ার খুঁজছি।’

সিনেমার গান করবেন না প্রিন্স মাহমুদ

দেশের প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার প্রিন্স মাহমুদ। সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তিনি। সেখানে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আর সিনেমার গান করবেন না। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বড় বাজেটের চলচ্চিত্রের গান ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। সেগুলো এমন প্রস্তাব ছিল যা অনেকের জন্য কল্পনারও বাইরে বলে দাবি করেন তিনি। তবু সেসব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন এই গীতিকার।
নিজের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রিন্স লেখেন, ‘অনেকগুলো সিনেমার কাজ ফিরিয়ে দিয়েছি। এমনও একজনকে না বলেছি যাকে কেউ ফিরায় না। এমন একজন আছেন যার সঙ্গে দেখা করতেও মানুষ অপেক্ষা করে থাকে। ফোন পাওয়াটা দূরের কথা। কিন্তু আমি যাইনি।’
তিনি বলেন, অনেক প্রত্যাশা নিয়ে শ্রম ও মেধা খরচ করে গান করেন তিনি। কিন্তু সিনেমায় গান করার পর সেগুলো হয়ে যায় নায়ক বা পরিচালকের গান। সেখানে গীতিকবি বা সুরকার হিসেবে নিজের পরিচয়টা থাকে না। এটাকে যৌক্তিক মনে করেন না প্রিন্স মাহমুদ। অনেক সময় সিনেমার গানে নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী শ্রম ও মেধা দেওয়ার সুযোগ থাকে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আর এসব কারণেই সিনেমার গান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
‘সিনেমায় আসলে আমার নতুন কিছু দেওয়ার নেই। যে যা-ই বলুক, সিনেমার গান হয় মূলত নায়ক কিংবা পরিচালকের ভাবনা থেকে। সেখানে আমার নিজস্বতা থাকে না। অকারণে ক্রেডিট নেওয়ার কোনো মানে হয় না’- দাবি প্রিন্স মাহমুদের।
সিনেমা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার কথা বললেও প্রিন্স মাহমুদ জানিয়েছেন, তিনি থাকবেন শুধু অডিও গানের জগতে। সেখানে তিনি নিজের সৃষ্টিশীলতা ও মনের কথা গানের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন। তাই এই আঙিনায়ই থেকে যাবেন আমৃত্যু।
তিনি লেখেন, ‘আমি কেবল অডিও গানের মাঝেই থাকব। যেখানে থাকবে ‘মা’, ‘এত কষ্ট কেন ভালবাসায়’, ‘আজ জন্মদিন তোমার’, ‘বাবা’, ‘বাংলাদেশ (আমার সোনার বাংলা)’, ‘যদি হিমালয় হয়ে’, ‘তুমি বরুণা হলে মাটি হব মাটি’, ‘কেন কর কান্না কাটি’, তাহসানের ‘আমার ছিপ নৌকোয় এসো’, তপুর ‘সোনার মেয়ে’, তুহিনের ‘আলো’ বা মিনারের ‘একাকিত্বের কোনো মানে নেই’-এর মতো গান।’
এই পোস্টে তার ভক্তরা যেমন আবেগাপ্লুত হয়েছেন তেমনি অনেকেই মনে করছেন এটি হয়তো একটি অধ্যায়ের অবসান।

মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে অপসারণের নির্দেশ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর লিসা কুককে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কুকের বিরুদ্ধে বন্ধকী ঋণের নথিতে ভুয়া তথ্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য লিসা কুককে তৎক্ষণাৎ পদ থেকে অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে তার চলমান বিরোধে এটিকে বড় ধরনের উত্তেজনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার রাতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প কুককে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন। তাতে তিনি জানান, কুকের বিরুদ্ধে বন্ধকী ঋণের নথিতে ভুয়া তথ্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি তাকে অবিলম্বে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে কুক কিংবা ফেডারেল রিজার্ভ কেউই এখনও মন্তব্য করেনি।

বিবিসি বলছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প বারবার ফেডের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন— বিশেষ করে এর প্রধান জেরোম পাওয়েলকে লক্ষ্য করে। তার অভিযোগ, সুদের হার কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনীহা দেখাচ্ছে। এমনকি তিনি একাধিকবার পাওয়েলকে বরখাস্ত করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।

তবে কুককে অপসারণের পদক্ষেপটি নজিরবিহীন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১১১ বছরের ইতিহাসে ফেড বোর্ডের কোনো সদস্যকে এভাবে পদচ্যুত করা হয়নি। তিনি ছিলেন সাত সদস্যের মধ্যে একজন এবং এই পদে থাকা প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নারী।

এই পদক্ষেপের বিষয়ে আইনি প্রশ্নও উঠতে পারে, কারণ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন হোয়াইট হাউসকে আদালতে প্রমাণ করতে হতে পারে যে, অপসারণের যথেষ্ট কারণ ছিল।

ট্রাম্পের চিঠিতে বলা হয়, কুক মিশিগানে একটি বাড়িকে নিজের প্রধান আবাস হিসেবে দেখিয়ে নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। মাত্র দুই সপ্তাহ পর জর্জিয়ার আরেকটি সম্পত্তির জন্যও একই ঘোষণা দিয়ে নথি জমা দেন তিনি।

ট্রাম্প লেখেন, “প্রথম প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর দ্বিতীয় নথি স্বাক্ষরের সময় আপনি তা জানতেন না, এটা বিশ্বাস করা কঠিন।”

গত সপ্তাহেই ট্রাম্প তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানান। এ অভিযোগ প্রথমে তোলেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং হাউজিং ফাইন্যান্স নিয়ন্ত্রক বিল পুলটে। তিনি এটিকে ‘অপরাধমূলক রেফারেল’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডিকে চিঠি পাঠান এবং ন্যায়বিচার বিভাগকে তদন্তের আহ্বান জানান। তবে তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

কাল থেকে ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

আগামীকাল থেকে ভারতের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের হার দাঁড়াবে ৫০ শতাংশে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশের মধ্য দিয়ে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের মাধ্যমে এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত নোটিশ জারি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এখনো রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি করে যাওয়ার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যেসব দেশ রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রেখেছে, তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করাটাই হলো এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

চলতি বছরের আগস্টের শুরুতে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক হার আরোপ করেছিলেন, পরে তা আরও বাড়ানো হয়।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে “অনুপযুক্ত, উসকানিমূলক ও অযৌক্তিক” বলেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এদিকে, চীনের ওপর সর্বোচ্চ ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বেশি পরিমাণে ম্যাগনেট সরবরাহ করতে হবে চীনের। তা না হলে কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্প বলেন, আমরা আমাদের শিল্পকে সুরক্ষা দেবো। যদি চীন যথেষ্ট ম্যাগনেট না দেয়, তবে তাদের পণ্যে ২০০ শতাংশ কিংবা তারও বেশি শুল্ক বসবে।