Home Blog Page 373

কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি গ্রেপ্তার

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। রোববার (২৪ আগস্ট) বরিশাল মহানগরের বাংলাবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির গণমাধ্যম শাখার পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীন নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামি হিসেবে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে ঢাকায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে একই মামলায় তৌহিদ আফ্রিদির বাবা ও মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৭ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মামলায় মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দ্বিতীয় আসামি সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং তৃতীয় আসামি পুলিশের সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল–মামুন। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পান তৌহিদ আফ্রিদি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্লগ ও ভ্রমণকেন্দ্রিক কনটেন্টের জন্য তার বড় অনুসারী গড়ে ওঠে।

রোহিত-কোহলির নামই মুছে দিল আইসিসি!

০
আচমকা বড়সড় বিভ্রাট দেখা গেল আইসিসি’র এক দিনের ক্রিকেট র‌্যাঙ্কিংয়ে। বুধবার হঠাৎ করেই তালিকা থেকে বাদ পড়েন ভারতের দুই তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা।
গত সপ্তাহের তালিকায় রোহিত ছিলেন দ্বিতীয় স্থানে। তার পয়েন্ট ছিল ৭৫৬। কোহলি ছিলেন চতুর্থ স্থানে ৭৩৬ পয়েন্ট নিয়ে। কিন্তু বুধবার প্রকাশিত তালিকায় দু’জনের নামই ছিল না। সেই র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের শুভমন গিল ৭৮৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরে ছিলেন। প্রথম দশে ছিলেন শ্রেয়স আয়ারও, ৭০৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনি ছিলেন ষষ্ঠ স্থানে। রোহিতের নাম না থাকায় পাকিস্তানের বাবর আজম তিন থেকে উঠে গিয়েছিলেন দুই নম্বরে। পরে রোহিত ফেরায় আবার তিনি তিনে নেমে আসেন।
এক দিনের ক্রিকেটের দল, ব্যাটিং, বোলিং ও অলরাউন্ডার— সব ধরনের র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়েছিল এ দিন। দেখা যায়, চার বিভাগের র‌্যাঙ্কিং শেষ বার আপডেট করা হয়েছিল ১৯ আগস্ট। কিন্তু ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়ে দেখানো হয়েছে ১০ আগস্টের তারিখ। কেন এমন হলো তা নিয়েও কিছু বলেনি আইসিসি।
আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ক্রিকেটার যদি গত ৯-১২ মাস এক দিনের ম্যাচ বা টি-টোয়েন্টি না খেলেন, তবে তার নাম র‌্যাঙ্কিং থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। টেস্টে এই সময়সীমা ১২-১৫ মাস। আবার কোনো ক্রিকেটার যদি অবসর নেন, তবে সেই ফরম্যাটে তার নাম রাখা হয় না।
কিন্তু কোহলি ও রোহিতের ক্ষেত্রে এসব নিয়ম প্রযোজ্য নয়। তারা দু’জনেই খেলেছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে, যা হয়েছিল ৯ মার্চ। এরপর ভারত আর কোনো এক দিনের ম্যাচ খেলেনি। ফলে পাঁচ মাস তারা মাঠের বাইরে থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী তাদের নাম বাদ দেওয়ার কোনো কারণ ছিল না।
তবে বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয় দ্রুতই। এরপরই আইসিসি আবার তাদের দুজনের নাম ফিরিয়ে আনে এই তালিকায়।

আমার হাসিতে মানুষ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতো: রাজ রীপা

নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মংলা (বাগেরহাট) থেকে ঢাকায় এসেছিলেন রাজ রিপা। এর পর জাজ মাল্টিমিডিয়ার ‘দহন’ ছবিতে ছোট্ট একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। পরে ‘মুক্তি’ নামে আরেক ছবির লিড রোল করেন। সেই ছবি মুক্তির আগে রাজ রিপার ‘ময়না’ নামে আরেক ছবি মুক্তি পায়।
চলচ্চিত্রে কাজের চেয়ে ভিন্নভাবে বেশি আলোচনায় আসেন এই উঠতি অভিনেত্রী।
২০২৩ সালে সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগে তুমুল আলোচনায় আসেন। সে সময় মধ্যাঙ্গুলি দেখিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। আপাতত নতুন কোনো চলচ্চিত্রের খবর নেই।
সম্প্রতি এই অভিনেত্রী ফেসবুকে জানিয়েছেন একসময় তাঁর হাসিতে অনেকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতো, প্রেমে পড়ে যেত তাঁর মুখের কথার। এক পোস্টে বলেন, আমরা যত বড় হচ্ছি তত সরলতা হারিয়ে ফেলছি। হঠাৎ করে ভাবলাম, ছোটবেলায় আমার হাসিতে মানুষ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতো আর মুহূর্তে কথার প্রেমে পড়ে যেত। কি সরল হাসি টাইনা ছিল।
আর এখন হাসি দিলে মানুষ ভয় পায় ও কথা শুনলে দৌড় দেয়, কিন্ত কারণটা কী?
প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন কার উদ্দেশ্যে সেটা জানা যায়নি। বর্তমান প্রজন্মের নায়িকা রাজ রিপা। তিনি নাকি জাতীয় ব্যাডমিন্টন দলের সদস্য ছিলেন তিনি। খুলনা বিভাগে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিলেন নাকি। তবে ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানিয়ে চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার গড়তে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উঠতি অভিনেত্রী।

বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন থালাপতি বিজয়

তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এক মহাসমাবেশে নিজের দলের শক্তি প্রদর্শন করেছেন তামিলাগা ভেত্রি কাজগাম (টিভিকে) প্রধান এবং অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়।
এদিন সমাবেশে সরাসরি ঘোষণায়, বিজয় তার দলের একমাত্র আদর্শগত শত্রু বলে বিজেপিকে চিহ্নিত করেছেন। একইসঙ্গে ক্ষমতাসীন দল ডিএমকে ও বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন তিনি।
সমাবেশে হাজারো সমর্থকের সামনে বিজয় বলেন, ‌‘আমাদের একমাত্র আদর্শগত শত্রু হচ্ছে বিজেপি। আর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ডিএমকে। তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম কোনো মাফিয়া গোষ্ঠী নয় বরং এটা এমন একটি শক্তি, যারা কোনো দলে ভয় পায় না। আজ আমরা ফ্যাসিবাদী বিজেপি ও বিষাক্ত ডিএমকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি।’
বিজয়ের ভাষায়, এই লড়াই শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতার নয়, আদর্শেরও। তিনি বলেন, ‘তামিলরা কখনোই বিজেপির পাশে থাকবে না। যেমন পদ্মপাতায় জল স্থায়ী হয় না, তেমনি তামিলদের সম্পর্কও বিজেপির সঙ্গে টিকবে না।’
অভিনেতা আরও বলেন, সিংহ জানে কিভাবে ভিড়ের মধ্যে আবার কিভাবে একা থাকতে হয়। সে কখনো ভয় পায় না। সিংহ কেবল শিকারের জন্যই বেরোয়, বিনোদনের জন্য নয়। আর সিংহ কখনও মৃত শিকার খায় না।
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন— “এনইইটি বাতিল করুন! পারবেন কি, নরেন্দ্র মোদি? আপনার একগুঁয়েমির কারণে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা ভুগছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজয় বর্তমানে তামিল রাজনীতিতে একটি তৃতীয় শক্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। ক্ষমতাসীন ডিএমকে ও বিরোধী এআইএডিএমকে-র বাইরে নতুন রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবে নিজেকে এবং তার দলকে তুলে ধরতে চাইছেন তিনি।
২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন থালাপতি বিজয়। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন হতে যাচ্ছে তার প্রথম বড় নির্বাচন। মাদুরাইয়ের সম্মেলন ছিল সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের সবচেয়ে বড় শোডাউনগুলোর একটি।
বিজয় এ নির্বাচনী লড়াইকে তুলনা করেছেন তামিল রাজনীতির দুই ঐতিহাসিক বছর ১৯৬৭ ও ১৯৭৭-এর সঙ্গে।তিনি বলেন— “২০২৬ সালেও ঘটবে ১৯৬৭ আর ১৯৭৭-এর মতো এক রাজনৈতিক জাদু। নতুন শক্তি উঠে আসবে।”

জামিন পেলেন ইমরান খান

সামরিক বাহিনীর অবকাঠামোতে হামলার মামলায় জামিন পেয়েছেন কারারুদ্ধ পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ২০২৩ সালের মে মাসে দেশটির সেনাবাহিনীর সদরদপ্তরসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালান ইমরানের বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা। এরপর তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) এসব মামলায় তাকে জামিন দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ইয়াহিয়া আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করেন। লাহোর হাইকোর্ট জামিন না দেওয়ার পর হাইকোর্টের দারস্থ হন ইমরান। এরপর সুপ্রিম কোর্ট থেকে আজ এ সিদ্ধান্ত এলো।
সুপ্রিম কোর্ট আদেশ দিয়েছেন, যদি অন্য আর কোনো মামলা বা আটকাদেশ না থাকে তাহলে তাকে যেন কারাগার থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু যেহেতু ইমরান দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত তাই এখনই তিনি বাইরে বের হতে পারবেন না।
২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারান ৭২ বছর বয়সী ইমরান খান। এরপর ক্ষমতায় বসেন শেহবাজ শরীফ। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করে শেহবাজ সরকার।
ইমরান খান ছাড়াও তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) অনেক নেতাকে এমন মামলায় জর্জরিত করা হয়েছে।
২০২৩ সালের মে মাসে ইমরান খানকে স্বল্পসময়ের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তখন ক্ষোভে ফুঁসে উঠেন তার সমর্থকরা। সেনাবাহিনী এ গ্রেপ্তারের সঙ্গে জড়িত এমন অভিযোগ তুলে তারা রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর সদরদপ্তর ছাড়াও আরও কিছু অবকাঠামোতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালান।

‘ফেরত দেব বলে মনে হয় না’ – বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নিয়ে বললেন ট্রাম্প

ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে এক বিশেষ মুহূর্তই তৈরি হলো বটে। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো দেখা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে। সেখানে ঘোষণা হলো বিশ্বকাপের ড্রয়ের দিন-তারিখ। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। ফুটবলের ইতিহাসে এটাই প্রথমবার যখন তিন দেশ একসঙ্গে আয়োজন করবে সবচেয়ে বড় আসর।
ওভাল অফিসে বৈঠকের সময় ইনফান্তিনো ট্রাম্পকে উপহার দিলেন বিশ্বকাপ ২০২৬–এর আসল ট্রফি। ট্রফি হাতে দেওয়ার সময় ফিফা সভাপতি মজা করে বললেন, ‘এটা কেবল বিজয়ীদের জন্য। আপনি একজন বিজয়ী, তাই আপনি এটা ছুঁতে পারেন। ট্রফিটা ভারী। শেষবার এটা তুলেছিলেন লিওনেল মেসি, ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন।’
ট্রফি হাতে নিয়ে ট্রাম্পও রসিকতা করতে ছাড়লেন না। তিনি বললেন, ‘আমি কি এটা রেখে দিতে পারি? আমার মনে হয় না আমি এটা ফেরত দেব।’ এমনকি অফিসের এক জায়গা দেখিয়ে বললেন, ‘সেখানেই তো এটা সাজিয়ে রাখতে পারি!’
এরপর ইনফান্তিনো ট্রাম্পের হাতে তুলে দেন বিশ্বকাপ ২০২৬–এর প্রথম টিকিটও। সেই টিকিটে লেখা ছিল ‘প্রথম সারি, প্রথম আসন’। আরও বিশেষ ব্যাপার হলো, টিকিটে নম্বর দেওয়া ছিল ৪৫/৪৭। এটা ইঙ্গিত করছে ট্রাম্পের পরিচিতি—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
আসন্ন আসর হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো ৪৮ দল খেলবে এখানে এবং ১৬ শহরে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। টুর্নামেন্ট চলবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত। এর ড্র অনুষ্ঠিত হবে ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টারে। আগামী ৫ ডিসেম্বর এই ড্র অনুষ্ঠিত হবে।
হোয়াইট হাউসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোম। লাল রঙের ক্যাপ পরে ট্রাম্প লিখেছিলেন, ‘ট্রাম্প সব কিছুর ব্যাপারে ঠিকই বলেছিলেন।’
ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তাপ শুরু হয়ে গেছে ইতোমধ্যেই। হোয়াইট হাউসের এই সব ঘটনা সে উত্তাপ আরেকটু বাড়াল বৈকি!

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি সুলতান শরীফ আর নেই

প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ আর নেই।
শনিবার লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তার দুই মেয়ে ও নাতি-নাতনি রয়েছে।
১৯৪১ সালের ২৬ জানুয়ারি বরিশাল জেলার চানপুরা ইউনিয়নের সরুখালী গ্রামে জন্ম নেন সুলতান মাহমুদ শরীফ। স্কুল জীবনেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ইকবাল হল (বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
ষাটের দশকে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মুক্তি আন্দোলন, শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি আন্দোলন এবং আইয়ুব খান সরকারের শরীফ শিক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন বাতিলের আন্দোলনে অংশ নেন তিনি।
১৯৬৬ সালে পাকিস্তান যুব ফেডারেশনের সভাপতি হিসেবে ছয় দফা সম্পর্কিত দলিল মুদ্রণ ও যুক্তরাজ্যে প্রচারের ব্যবস্থা করেন সুলতান মাহমুদ শরীফ। ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাকে কেন্দ্র করে লন্ডনে পাকিস্তান হাই কমিশন অভিমুখে বেশ কয়েকটি প্রতিবাদ মিছিলেরও নেতৃত্ব দেন।
১৯৬৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্বে প্রায় আট হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি লন্ডনের হাইড পার্ক থেকে মিছিল নিয়ে পাকিস্তান হাই কমিশনে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়। সেদিন তিনি হাই কমিশনের পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করেন। এ ঘটনার ছবি পরদিন লন্ডনের ‘দি টাইমস’ পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে লড়তে লন্ডন থেকে ব্রিটিশ আইনজীবী থমাস উইলিয়ামকে ঢাকায় পাঠানোর উদ্যোগে সুলতান শরীফ ও তার স্ত্রী আইরিশ বংশোদ্ভূত ব্যারিস্টার নোরা শরীফ ভূমিকা পালন করেন।
পরে লন্ডন আওয়ামী লীগ গঠিত হলে তিনি সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৭০ সালের অগাস্টে ইয়াহিয়া খান লন্ডনের ক্লারিজস হোটেলে অবস্থান করলে তার নেতৃত্বে লন্ডন আওয়ামী লীগ সেখানে বিক্ষোভ করে।
একাত্তরে প্রবাসে একজন সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ছিলেন সুলতান মাহমুদ শরীফ। যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে তিনি ভূমিকা রাখেন। লন্ডনে পাকিস্তান হাই কমিশনের সামনে তিনি ও তার সহযোদ্ধারা সাপ্তাহিক ‘জনমত’ বিতরণ করতেন। একই বছর এপ্রিলে তিনি লন্ডন থেকে বাংলাদেশে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি কিছুদিনের জন্য দেশে ফিরে আসেন। ১৯৭২ সালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাকালে সেক্রেটারিয়েট সদস্য এবং পরের বছর পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে প্রেসিডিয়াম সদস্য হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর প্রবাসে থেকে তিনি বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিলেন।
২০১১ সাল থেকে সুলতান মাহমুদ শরীফ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আইআরআই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বেলা ১১টায় গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন– সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন।

আইআরআইয়ের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক স্টিফেন সিমার নেতৃত্বে প্রতিনিধি ছিলেন– উপপরিচালক ম্যাথিউ কার্টার এবং সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার অমিতাভ ঘোষ।

ড. মঈন খান গণমাধ্যমকে জানান, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে বাংলাদেশের পরিস্থিতি, সংস্কার কার্য্ক্রম, সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিএনপির আগামীর ভাবনা কী তা প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে ধরেছে।

এরআগে, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করছে আইআরআই।

ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, পরবর্তী সরকারে কোনো পদে থাকব না: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

আগামী ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে এবং নতুন সরকারের কোনো পদে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেসারেট নিউজে লেখা একটি নিবন্ধে তিনি এ কথা জানান। ওই নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, আমি শুরু থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছি—জাতীয় নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই হবে। এই নির্বাচনের পরবর্তী সরকারে আমি কোনো পদে থাকব না, নির্বাচিত বা নিযুক্ত—কোনো ভূমিকাতেই নয়। আমাদের সরকারের একমাত্র উদ্দেশ্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করা।
ড. ইউনূসের লেখা নিবন্ধটির বাংলা অনুবাদ তুলে ধরা হলো:
বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথচলা এখন শুধু আমাদের দেশের জন্য নয় বরং গোটা বিশ্বের জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠছে। দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর যখন আমরা মুক্তির পথে হাঁটা শুরু করলাম, তখনই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে। ২০২৪ সালে দ্য ইকোনমিস্ট বাংলাদেশকে ‘কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করে। সত্যি বলতে, আমরা এতটাই ব্যস্ত ছিলাম ভেঙে পড়া অর্থনীতি গড়ে তোলা, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া এবং লুটপাট হওয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ফেরত আনার কাজে যে বুঝতেই পারিনি—বিশ্ব আমাদের অগ্রগতিকে এত গভীরভাবে লক্ষ্য করছে।
আমাদের সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল সেই পরিবারগুলোকে পাশে দাঁড়ানো, যাদের প্রিয়জনেরা পূর্বতন স্বৈরাচারী সরকারের দমন-নিপীড়নে নিহত হয়েছেন কিংবা যারা গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমরা শোক ভাগাভাগি করছি। একই সঙ্গে লুটপাট হওয়া অর্থ উদ্ধারে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর হিসেবে, আগের সরকার ও তাদের সহযোগীরা ১৫ বছর ধরে প্রতিবছর ১০ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করেছে। কেবল অর্থ নয়, এটা ছিল দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনা লুটপাটের এক ভয়ঙ্কর অধ্যায়। তাই সেই সম্পদ উদ্ধার করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন আমি স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম রাষ্ট্রযন্ত্রের ভাঙাচোরা চিত্র দেখে। পুলিশ তাদের অবস্থান ছেড়ে চলে গেছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল, অর্থনীতি বিপর্যস্ত, গণতন্ত্র ভেঙে পড়েছিল। হাজার হাজার মানুষ রাষ্ট্রীয় নির্যাতনকেন্দ্রে অমানবিক যন্ত্রণা ভোগ করছিল। অসংখ্য সরকারি কর্মকর্তা দলীয় আনুগত্য না দেখানোর কারণে বছরের পর বছর পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তারা বিচার ও মর্যাদা দাবি করছিলেন।
তবু হতাশার মধ্যেও আশার আলো ফুটেছে। ধীরে ধীরে আমরা দেশকে পুনর্গঠনের পথে নিয়ে এসেছি। যারা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সেই রাজনৈতিক দলগুলো এবং নতুন গঠিত দলগুলো নতুন চিন্তাধারা, উদ্যোগ ও কর্মশক্তি এনে দিয়েছে। ৫ আগস্ট বিক্ষোভকারীদের দমন করার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে সেনাবাহিনী যে ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব দেখিয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তারা আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে মূল ভূমিকা রাখছে।
আমি শুরু থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছি—জাতীয় নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই হবে। এই নির্বাচনের পরবর্তী সরকারে আমি কোনো পদে থাকব না, নির্বাচিত বা নিযুক্ত—কোনো ভূমিকাতেই নয়। আমাদের সরকারের একমাত্র উদ্দেশ্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করা। যাতে প্রতিটি রাজনৈতিক দল তাদের বক্তব্য জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে পারে। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি নাগরিককে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া, এমনকি যারা প্রবাসে বসবাস করেন তারাও যেন অংশ নিতে পারেন। এ কাজ কঠিন হলেও আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
একই সঙ্গে আমরা বিদেশনীতি নতুনভাবে সাজিয়েছি। প্রতিবেশী দেশ ও আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলছি। বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে এবং হতে হবে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ। তাদের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। এছাড়া যুক্তরাজ্য, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, বিশ্বব্যাংক এবং জাতিসংঘও বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে।
এর পাশাপাশি আমরা একটি বৃহৎ সংস্কার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে এই পরিকল্পনা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ—যাতে ভবিষ্যতে আর কখনো বাংলাদেশ স্বৈরতন্ত্রের অন্ধকারে না ডুবে যায়।
এই যাত্রার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আমাদের তরুণ প্রজন্ম—বাংলাদেশের ভেতরে ও বৈশ্বিক প্রবাসী যুবক-যুবতীরা। তারা দেখিয়ে দিয়েছে, হতাশা নয়, বরং সৃজনশীলতা ও সাহস দিয়েই পরিবর্তন সম্ভব। তাদের নেতৃত্ব আমাদের মনে করিয়ে দেয়—অর্থবহ পরিবর্তন পেতে হলে কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার অপরিহার্য।
আমি বিশ্বাস করি, জেনারেশন জেড শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বকে বদলে দিতে পারে। তাদের সঙ্গে জেনারেশন এক্স, মিলেনিয়ালস এবং নতুন প্রজন্ম আলফা মিলিতভাবে এমন এক পৃথিবী গড়ে তুলতে পারবে, যেখানে থাকবে ‘তিন শূন্য’: শূন্য বেকারত্ব, শূন্য দারিদ্র্য আর শূন্য কার্বন নিঃসরণ।
বাংলাদেশ যদি সত্যিই এমন এক দেশে পরিণত হতে পারে, যেখানে প্রতিটি মানুষ নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও আশার আলোয় বাঁচবে—তবে তার পেছনে থাকবে কোটি মানুষের সংকল্প, কল্পনা ও সাহস।
আজ যারা এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমাদের সঙ্গে আছেন—দেশে কিংবা বিদেশে, বিশেষত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো—তারাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং হয়তো এই সুযোগই বাংলাদেশের জন্য শেষ ও নির্ণায়ক সুযোগ।

ড. ইউনূসের কারণে বিশেষ সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ : প্রেসসচিব

মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যক্তি পরিচিতি থাকায় বাংলাদেশ বিশেষ সুবিধা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসসচিব শফিকুল আলম।শনিবার (২৩ আগস্ট) মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যক্তি পরিচিতি থাকায় শুল্ক ইস্যুতে বাংলাদেশ বিশেষ সুবিধা পেয়েছে। শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করতে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল অন্তর্বর্তী সরকার।’
তিনি বলেন, ‘শুল্ক আরো কমানোর চেষ্টা করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামনে সম্পর্ক আরো উন্নত হবে। সেখানে রপ্তানি আরো বাড়বে।’
শফিকুল আলম আরো বলেন, ‘নেগোশিয়েশনের সময় অন্যান্য মার্কেটের সঙ্গে প্রভাব কী হবে, সেটা মাথায় রেখেই দরকষাকষি করা হয়েছে।’
বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে।’
প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। পরে গত ৩১ জুলাই সেই শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনে ট্রাম্প প্রশাসন।