Home Blog Page 376

লন্ডনে লোকাল বাসের অপেক্ষায় তারেক রহমান

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাধারণ যাত্রীর মতো লোকাল বাসে চলাচলের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও তার গণপরিবহন ব্যবহারের এই দৃশ্য নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে দেখা যায়, লন্ডনের শহরের উত্তরে একটি বাসস্টপে অপেক্ষমাণ তারেক রহমান। হাতে মোবাইল, পরনে হালকা নীল শার্ট, খাকি রঙের প্যান্ট, আর পায়ে সাধারণ একজোড়া স্নিকার্স।

তিনি বসে আছেন জনসাধারণের জন্য নির্ধারিত লাল বেঞ্চে। কিছুক্ষণ পরেই এসে থামে একটি লাল ডাবল-ডেকার বাস। মানুষজনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওঠে পড়েন সেই বাসে।

বিএনপির মিডিয়া সেল থেকেও ঘটনাটির কিছু স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে।

যেখানে লেখা হয়েছে, আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে বসবাসকালীন সময়ে কোনো ভিআইপি সুবিধা গ্রহণ না করে সাধারণ মানুষের মতো লোকাল বাসে চলাচল করেন যা তার বিনয়, সাধারণ জীবনযাপন এবং জনগণের সঙ্গে আত্মিক সংযোগের প্রকৃত প্রতিফলন

ক্ষুধার জ্বালায় ত্রাণ নিতে এসে মরছে নিরীহ ফিলিস্তিনিরা

গাজায় ইসরায়েলে বর্বর হামলায় প্রতিনিয়ত প্রাণ হারাচ্ছে নারী, শিশুসহ শত শত মানুষ। ক্ষুধার জ্বালায় ত্রাণ নিতে এসেও মরতে হচ্ছে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের। তেমনই এক শিশু আমির। খালি পায়ে ১২ কিলোমিটার হেঁটে এসেছিল ত্রাণের প্রত্যাশায়। সামান্য কিছু খাবার পাওয়ার পরপরই গুলি করে তাকে হত্যা করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এমনটাই জানালেন গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) সঙ্গে যুক্ত গাজার একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে কর্মরত এক সাবেক মার্কিন সেনা।

অ্যান্থনি আগুইলার নামে সাবেক ওই সেনাসদস্য ‘গাজার ছোট্ট আমির’ নামে পরিচিত এক ফিলিস্তিনি বালকের শেষ মুহূর্তের একটি হৃদয়বিদারক বিবরণ শেয়ার করেছেন।  অ্যান্থনি তাঁর সাক্ষ্যে গত ২৮ মের মর্মান্তিক ঘটনার কথা স্মরণ করেন, যেদিন খাবারের জন্য গিয়ে নিহত হয় আমির। খালি পায়ে এবং রোগা অবস্থায় প্রচণ্ড রোদের নিচে ১২ কিলোমিটার হেঁটে এসেছিল আমির। আশা ছিল, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও যদি খাওয়ার কিছু মেলে। তবে ছোট্ট আমির সংগ্রহ করতে পেরেছিল শুধু এক মুঠো চাল ও ডাল, যা পড়েছিল মাটিতে।

গভীর আবেগঘন মুহূর্তটির বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি জানান, শিশুটি তাঁর কাছে এসে নিজের জিনিসপত্র রেখেছিল, তাঁর হাতে চুম্বন করেছিল এবং ইংরেজিতে তাঁকে ধন্যবাদও জানিয়েছিল। এর পর জিনিসপত্রগুলো নিয়ে ভিড়ের মধ্যে চলে যায়। কয়েক মিনিট পর, যখন সে অন্যান্য বেসামরিক লোকদের সঙ্গে চলে যাচ্ছিল, তখন ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায় এবং এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আমিরের। তাঁর ভাষ্য, ‘গাজার অন্য দিনগুলোর থেকে ওই দিনটি আলাদা ছিল না, তবে মৃত্যু এসেছিল দ্রুত। মিডল ইস্ট মনিটর।

রাশিয়ার কাছাকাছি পারমাণবিক সাবমেরিন পাঠানোর নির্দেশ ট্রাম্পের

রাশিয়ার স্নায়ুযুদ্ধকালীন পারমাণবিক অস্ত্রব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভের এক মন্তব্যে চরম চটেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ মন্তব্যকে ‘উসকানিমুলক এবং তা অনিচ্ছাকৃত বিপর্যয়ের পথ খুলে দিতে পারে’ পাল্টা এ মন্তব্য করে দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন রাশিয়ার কাছাকাছি ‘প্রয়োজনীয় অঞ্চলে’ মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এ সপ্তাহে মেদভেদেভের ‘খুবই উসকানিমূলক মন্তব্যের’ পরিপ্রেক্ষিতে দুটি সাবমেরিনের অবস্থান পরিবর্তন করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ট্রাম্প ও মেদভেদেভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে নিয়ে একাধিক আক্রমণাত্মক মন্তব্যে জড়িয়ে পড়েছেন। বর্তমানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশাসনের অধীন দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মেদভেদেভ আগের দিন সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘কল্পিত ডেড হ্যান্ড কতটা বিপজ্জনক হতে পারে, সে বিষয়ে ট্রাম্পের সচেতন থাকা উচিত।’ মূলত রাশিয়ার স্নায়ুযুদ্ধকালীন পারমাণবিক অস্ত্রব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন ট্রাম্পকে।

মেদভেদেভের এ মন্তব্যের জবাবে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন যথাযথ স্থানে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছি। বোকামি ও উত্তেজনাপূর্ণ এসব শব্দের গুরুত্ব অনেক। অনেক সময় তা অনিচ্ছাকৃত বিপর্যয়ের পথও খুলে দিতে পারে। এবার তেমন কিছু ঘটবে না-এমনটাই আশা করছি।’

তবে কোন অঞ্চলে সাবমেরিন দুটি মোতায়েন করা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি ট্রাম্প। এদিকে এখন পর্যন্ত রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সিলেটে বাস খাদে পড়ে আহত ২৮ যাত্রী, নিখোঁজ ২

সিলেটের জাফলং থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বিরতিহীন বাস সড়ক দুর্ঘটনায় পড়ে অন্তত ২৮ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ২ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

শুক্রবার (১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের কাটাগাং এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহতদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তামাবিল হাইওয়ে থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, বাসটি জাফলং থেকে সিলেট আসছিল। কাটাগাং এলাকায় একটি ইজিবাইকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে বাসটি রাস্তার পাশের একটি ৮-৯ ফুট পানিভরা খাদে পড়ে যায়।

বাসটিতে প্রায় ৪০-৪২ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ২ জন যাত্রী নিখোঁজ, তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

মার্কিন সামরিক বিমানে ফেরত পাঠানো হলো ৩৯ বাংলাদেশিকে

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগে ৩৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। শনিবার (২ আগস্ট ২০২৫) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ইমিগ্রেশন পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ অনুবিভাগ জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৬১ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ৩৯ জন দেশে ফিরেছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো এই বাংলাদেশিদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বাংলাদেশিদেরও নিয়মিত ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে আরও ১১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কারণে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রতি মাসে কিছু সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরছেন।”

বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্যের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশ কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের ওপর ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যা বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ঘোষণায় কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অন্তত ২৫টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের ওপর ১৯ শতাংশ, মিয়ানমারের ওপর ৪০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কা ও ভিয়েতনামের ওপর ২০ শতাংশ, আফগানিস্তান, বলিভিয়া, ক্যামেরুন, চাদ, কোস্টারিকা, কঙ্গো, ইকুয়েডর ও গিনির ওপর ১৫ শতাংশ, আলজেরিয়া ও বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ওপর ৩০ শতাংশ, ব্রাজিল ও ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর ১০ শতাংশ এবং ব্রুনাইয়ের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল, যা দেশটির গড় ১৫ শতাংশ শুল্কের তুলনায় অনেক বেশি। এই উচ্চ শুল্কের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। বাংলাদেশ প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮৪০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, যার মধ্যে ৭৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক।

৯০ দিনের শুল্ক বিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ট্রাম্প বাংলাদেশের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করেন। তবে, দ্বিপাক্ষিক শুল্ক চুক্তির জন্য বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয়ের (ইউএসটিআর) সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশে নামানো হয়। এই আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

শুল্ক কমানোর প্রক্রিয়ায় সুবিধা পেতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার অর্ডার দিয়েছে। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানান, এই অর্ডার বাংলাদেশ বিমানের বহর বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ। এছাড়া, সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

বাংলাদেশের শুল্ক কমানোর এই পদক্ষেপ দেশের রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য স্বস্তি বয়ে আনতে পারে। তবে, চূড়ান্ত শুল্ক চুক্তির খসড়া নিয়ে আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে।

মেসির হাতে বার্বি রোলেক্স, দাম ১১ কোটি টাকা

গেল শনিবার খেলার মাঠে ছিলেন না লিওনেল মেসি। এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ঝুলছিল তার মাথার ওপর। তবে সে ম্যাচে গ্যালারিতে বসেই আলোচনায় এসেছিলেন মেসি। তার হাতে ছিল এক আশ্চর্য ঘড়ি, যার দাম প্রায় সাত লাখ পাউন্ড, বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১ কোটি টাকারও বেশি।

ইন্টার মায়ামি ও সিনসিনাতির মধ্যকার গোলশূন্য ম্যাচে খেলেননি মেসি। তাই সেদিন মাঠের গ্যালারিতে ছেলের সঙ্গে বসেই খেলা উপভোগ করছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

তবে আলোচনার মূল কারণ ছিল তার হাতে থাকা উজ্জ্বল গোলাপি রঙের ‘বার্বি’ রোলেক্স ডেটোনা ঘড়ি। এই ঘড়িটি তৈরি হয়েছে গোলাপি স্যাফায়ার ডায়মন্ড আর ১৮ ক্যারেট হলুদ সোনার সমন্বয়ে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, রোলেক্স এখন পর্যন্ত মাত্র ১০টি ‘বার্বি’ ডেটোনা বানিয়েছে। এই ঘড়ি বাজারে কেনা যায় না, কোম্পানি সরাসরি কিছু ‘বিশেষ’ ক্রেতাকে এটি কেনার সুযোগ দেয়।

‘দ্য ক্রাউন’ নামের অভিজাত ক্রেতাদের তালিকায় জায়গা পেতেই হয়তো ফোন পেয়েছেন মেসি। জানা গেছে, এই ঘড়ির জন্য সেলিব্রিটিরা গড়ে ৩ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত খরচ করেছেন। তবে বাজারে যদি এটি বিক্রির জন্য আসে, দাম দাঁড়াতে পারে ৭ লাখ পাউন্ড বা তার চেয়েও বেশি।

এই ‘বার্বি’ ঘড়ি এতটাই বিরল যে, মেসি ছাড়া কেবল হলিউড অভিনেতা মার্ক ওয়ালবার্গের হাতে এটি দেখা গেছে।

কলকাতায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশি মডেল শান্তা পাল

কলকাতায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী শান্তা পাল। পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশ যাদবপুর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে তাকে। শান্তা পালের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ভারতের ভোটার, আধার কার্ড।

কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমার জানিয়েছেন, ২৮শে জুলাই তাকে বিক্রমগরের একটি ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কলকাতা পুলিশ তদন্ত করছে কিভাবে তার কাছে আধার-ভোটার কার্ড গেল? সেগুলো আসল নাকি নকল সেটাও যাচাই চলছে।

জানা গেছে, কলকাতায় অ্যাপ ক্যাবের ব্যবসা করতে গিয়েই পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন অভিযুক্ত শান্তা পাল। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২৩ সাল থেকে যাদবপুরের বিজয়গড়ে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন তিনি। তবে বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন-ভিন্ন ঠিকানা দিয়ে থাকতেন তিনি।

সম্প্রতি আবার এই শান্তা ঠাকুরপুকুর থানাতেও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেখানেও ভিন্ন ঠিকানা। বাংলাদেশের দুই নামী সংস্থারও মডেল ছিলেন তিনি। একাধিক বিউটি প্রতিযোগিতায় নাম দিয়েছিলেন।

গ্রেপ্তারের পরে পুলিশের সন্দেহ হয় এখানেই। এত ঠিকানা একজন মানুষের কীভাবে থাকতে পারে? এরপর তদন্ত শুরু হয়। তারপর তাঁর কাছ থেকে একাধিক বাংলাদেশি পাসপোর্ট উদ্ধার হয়। পাওয়া যায় বাংলাদেশের মাধ্যমিকস্তরের অ্যাডমিট কার্ড। এমনকী বিমানসংস্থার আইডি কার্ডও।

‘ব্যাচেলর ইন ট্রিপ’ ছবিতে নাকি বড়পর্দায় অভিষেক হয়েছিল তাঁর। এছাড়াও তামিল ছবি ‘ইয়েরালাভা’ ছবিতে কাজ করেছিলেন তিনি। যে ছবি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বিশ্বনাথ রাও। তা ছাড়া বাংলাদেশের নানা প্রজেক্টে কাজ করেছিলেন তিনি।

হতাশা আর যন্ত্রণার কথা জানালেন গুণী অভিনেত্রী ডলি জহুর

বিনোদন জগতের ছোট ও বড় দুই পর্দার জনপ্রিয় কিংবদন্তি অভিনেত্রী ডলি জহুর দীর্ঘ কয়েক দশকের অভিনয়জীবনে দর্শকদের ব্যাপক ভালোবাসা কুড়িয়েছেন। দর্শকদের সেই ভালোবাসায় এখনো নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন এ গুণী অভিনেত্রী। তবে অনেক দিন পর একটা হতাশা আর যন্ত্রণার কথা প্রকাশ করলেন ডলি জহুর। জানালেন সিনেমায় কাজ করেও ঠিকমতো পারিশ্রমিক না পাওয়ার কথা।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ প্রকাশ করে ডলি জহুর বলেন, ‘আমরা যারা মা-খালা চরিত্রে অভিনয় করি, কোনো মর্যাদা ইন্ডাস্ট্রিতে পাইনি এটি সত্যি কথা।

তিনি বলেন, মায়ের অভিনয় করতাম, টাকা কম পেতাম। প্রায়ই সময়মতো পারিশ্রমিক পেতাম না। আমাকে সারাজীবন শুনতে হয়েছে আপনি টাকার জন্য কাজ করেন নাকি? টাকার জন্য নাকি কাজ করি না?

অভিনেত্রী বলেন, ২০১১ সালে যখন আমি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে আসি, তখন আমি পারিশ্রমিকের ৩৪ লাখ টাকা রেখে এসেছি।

স্বামী অসুস্থতার সময় আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন ডলি জহুর। সেই সময় তার বিপদে কেউ এগিয়ে আসেননি। এমনকি তার পাওনা টাকা কোনো প্রযোজক কিংবা পরিচালক তাকে দেননি।  অভিনেত্রী বলেন, স্বামী ক্যানসারে আক্রান্ত, তার অসুস্থতার সময় এক পরিচালককে কাঁদতে কাঁদতে বলেছি কিছু টাকা আমার তুলে দেন, আমার স্বামীকে ব্যাংককে নিয়ে যাব।

তিনি বলেন, আমার পাওনা টাকা তোলার জন্য, যাকে দায়িত্ব দিলাম, তার কাছেও আমি টাকা পেতাম। এরপর তিনি কি করলেন, আমার পাওনা টাকা তুলে দেওয়া তো দূরে থাক, তাকে আর খুঁজেই পাওয়া গেল না। কোনো যোগাযোগই করেনি, নিজেও কোনো টাকা দেননি।

উল্লেখ্য, হুমায়ূন আহমেদের ‘শঙ্খনীল কারাগার’ ও ‘ঘানি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন জলি জহুর। ২০২১ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আজীবন সম্মাননা’ প্রদান করা হয় তাকে। বর্তমানে অভিনেত্রী সিনেমা না করলেও ছোটপর্দায় নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়ে এনজিওবাদের খপ্পরে: গয়েশ্বর

দেশ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হয়ে এনজিওবাদের খপ্পরে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বৃহস্পতিবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘দেশ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হলেও এনজিওবাদের খপ্পরে পড়েছে। বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, ‘দেশে নির্বাচনের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঘোষণা হলেও ফলাফল না হওয়া পর্যন্ত শঙ্কা যাবে না। দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের সাথে নিয়ে দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসন কখনোই সংস্কার শেষ করতে পারবে না। শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এখনো রয়ে গেছে।’

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় জেলার সিনিয়র নেতারা।

এর আগে, আলোচনা শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।