Home Blog Page 380

সরকারের সামনে নির্বাচন ও আন্দোলনের দ্বৈত চ্যালেঞ্জ, কোনদিক সামলাবে

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্ব স্ব কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজনে নির্বাচনী পরিবেশ অনুকূলে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নেয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ। ক্ষমতার অপব্যবহার ও পক্ষাবলম্বন করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড যাতে বিনষ্ট করতে না পারে সেলক্ষ্যে তফসিল ঘোষণার আগেই জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিবে ইসি।

সরকার ও ইসির পক্ষ থেকে এতোসব করার পরও নির্বাচনের অংশীজন রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে তৈরি হওয়া বিভেদ-বিভক্তি ভাবাচ্ছে সবাইকে। ভোট অনুষ্ঠানের ঘোষণার জন্য সরকারকে সাধুবাদ দেয়া দলগুলোও আন্দোলনে নামছে নির্বাচনী নানা ইস্যু নিয়ে। বেশ কয়েকটি দল তো একধাপ এগিয়ে নির্বাচন বর্জন করারও হুমকি দিচ্ছে। একের পর এক শর্ত দিয়ে নির্বাচনমুখী সরকারকে বিব্রত ও বেকায়দায় ফেলছে। অবশ্য বিএনপি ও সমমনারা ভোটের প্রস্তুতি নিয়েই এগুচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের অংশ নিতে সরকারকে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জুলাই সনদ স্বাক্ষর, সনদের আলোকে নির্বাচনের শর্ত জুড়ে দিয়েছে কয়েকটি দল। পিআর বাস্তবায়নে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত। সংস্কার ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে এনসিপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে কঠিন হয়ে যেতে পারে নির্বাচনী যাত্রা। তাদের মতে, সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় না গেলে ক্রমেই পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে পতিত আওয়ামী লীগ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার সব ধরনের চেষ্টা প্রয়োগ করতে পারে। এতে ভোটের আগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। পাশাপাশি শর্ত দেয়া রাজনৈতিক দলগুলোও দাবি আদায়ে শক্তভাবে মাঠে নামার আশঙ্কা আছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. শামসুল আলম এ বিষয়ে বলেন, ‘এবারের নির্বাচন অন্য সময়ের মতো নয়। ফলে সবার ঐকমত্য ছাড়া এই প্রক্রিয়া শুরু হলে নানা ধরনের সমস্যার উদ্ভব হতে পারে। সরকার, নির্বাচন কমিশন সবাইকে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। আবার নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে সেখানে পিআর নিয়ে যারা কথা বলছেন তাদেরও বাস্তবতা বুঝতে হবে। এটা নতুন একটি পদ্ধতি। এটা কতটা বাস্তবসম্মত প্রস্তাব কি না এটাও ভেবে দেখা উচিত।

দ্রুত চলছে নির্বাচনী প্রস্তুতি: চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে চিঠি পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশন থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে বিশৃঙ্খলতা করার কোনো সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকবেন যেসব কর্মকর্তা তাদের প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে ইসির পক্ষ থেকে। চূড়ান্ত করা হয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধিও।

এদিকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম নির্বাচনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতির কথা জানিয়ে বলেছেন, সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। আমাদের মূল লক্ষ্য আগামী নির্বাচন, এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার অংশ হিসেবে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আট লাখ সদস্য মোতায়েনসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সংস্থাগুলো হলো- পুলিশ, আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

আর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ৮০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হবে। আবার নির্বাচনের আগে ৪০ হাজার বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা বা বডিক্যাম কিনতে যাচ্ছে সরকার। ৪৭ হাজার ভোটকেন্দ্রের একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে ভোটকেন্দ্র থেকে রিয়েল-টাইম আপডেট পেতে ক্যামেরাটি দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। দ্রুত এসব কাজ শেষ করতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনাও দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এখনও কেন বিভেদ-বিভক্তি: নির্বাচন নিয়ে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল। তবে বিএনপি ও তার সমমনা দলগুলো বিদ্যমান পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি করে মাঠের প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় অন্য দলগুলো সরকারকে ধন্যবাদ জানালেও পিআর পদ্ধতিসহ বেশ কিছু শর্তে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলছে। জামায়াতে ইসলামী গত ৭ আগস্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে।

বৈঠকে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্য ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান ও জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার জরুরি। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত নিরপেক্ষ সরকারের ঘোষণা দিতে হবে। অন্যথায় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।

জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষে আনুপাতিক বা পিআর পদ্ধতিতে ভোটের দাবি জানিয়ে আসছে জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল। এবার এই ইস্যুতে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ১০ আগস্ট বিকালে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে বলেন, ‘সংসদে উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতিতে ভোটের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। কিন্তু আমাদের দাবি হচ্ছে পিআর হতে হবে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষে। সেই ইস্যুতে আমরা আন্দোলন করব। এটার কারণ হচ্ছে ৫৪ বছরের নির্বাচনের পদ্ধতিতে আমরা দেখেছি এখানে ফেয়ার ইলেকশন কখনো নিশ্চিত করা যায়নি।’

অন্যদিকে নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার কবে গঠন করবে তা জানতে চেয়েছে সিপিবি। এমন অবস্থায় দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার কোনো আলামত দেখছেন না বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির (একাংশ) মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ঘোষণায় রাজনৈতিক অঙ্গনে স্বস্তি ফিরেছে, কিন্তু দলগুলোর মধ্যে কি এখনো ঐক্য তৈরি হয়েছে? সব রাজনৈতিক দল কি সরকারের কাছে সমানভাবে মূল্যায়ন পাচ্ছে? লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি ছাড়া নির্বাচন কীভাবে হবে?

এদিকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার জরুরি। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত নিরপেক্ষ সরকারের ঘোষণা দিতে হবে। অন্যথায় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।’

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু নির্বাচনের সময় ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও আওয়ামী লীগের বিষয়ে এখনো কোনো ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় শঙ্কার কথা জানালেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যেও সংঘাত হতে পারে বলে জানান এবি পার্টির এই নেতা। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত না হলে তফসিল না দিতে ইসিকে সতর্ক করে দিয়েছে। দলটিও জামায়াতের সঙ্গে অভিন্ন সুরে কথা বলছে এবং আগামী নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে অন্যান্য ইসলামি দল নিয়ে জোট বা সমঝোতার প্রক্রিয়া চলছে।

গণঅধিকার পরিষদের প্রধান ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে আমার সংশয় আছে। কারণ, নির্বাচনের আগে দেশি-বিদেশি প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক দলগুলো গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে থাকার দাবি করলেও তাদের মধ্যে বিভাজন চরমে পৌঁছেছে। এই বিভাজনের কারণে নির্বাচন বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।’

আগস্টের পর বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল: মার্কিন প্রতিবেদন

প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে, যদিও কিছু উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে। এতে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার এখন মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মার্কিন রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ছাত্র বিক্ষোভ এবং পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে সংঘর্ষে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। এসব ঘটনার পর ৫ আগস্ট প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর ৮ আগস্ট নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। আগস্টে কিছু মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও সার্বিকভাবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।

মার্কিন রিপোর্টে জুলাই এবং আগস্ট মাসে ছাত্রলীগের দ্বারা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করছে এবং অপরাধীদের জবাবদিহি করার জন্য দেশের বিচার ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল উভয়কেই ব্যবহার করছে।

মার্কিন রিপোর্টে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বিচারে বা বেআইনি হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতন, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ এবং শিশুশ্রমের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অসংখ্য অভিযোগ ছিল। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সেই সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী কর্মকর্তা বা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের শনাক্ত ও শাস্তি দেওয়ার জন্য খুব কমই বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আগের সরকারের মন্ত্রী-এমপিসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এটি অতীতের ঘটনাগুলোর তদন্ত এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের পাল্টাপাল্টি শুল্কের স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ৯০ দিন বাড়ল

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের মধ্যকার বাণিজ্য যুদ্ধের পাল্টাপাল্টি শুল্ক কার্যকরের সময়সীমা আরও ৯০ দিন বাড়িয়েছে। এর ফলে চীনা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত তিন অঙ্কের শুল্ক আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন, যার মাধ্যমে আগামী ১০ নভেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত বাড়তি শুল্ক আরোপ স্থগিত থাকবে। পারস্পরিক শুল্ক বিরতির অন্য সব শর্তও অপরিবর্তিত থাকবে।

এর আগে ট্রাম্প চীনের কাছে সয়াবিন কেনার পরিমাণ চার গুণ বাড়ানোর দাবি করেছিলেন, যদিও নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত কেনাকাটার বিষয়ে কোনো উল্লেখ ছিল না। মঙ্গলবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছে। বেইজিং জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শুল্কবহির্ভূত ব্যবস্থাগুলো স্থগিত বা বাতিল করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। দেশটি ওয়াশিংটনের ওপর থেকে ২৪ শতাংশ অতিরিক্ত রপ্তানি শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে চীনের রপ্তানি শুল্ক নিয়ন্ত্রক সংস্থা কাস্টমস ট্যারিফ কমিশন।

ট্রাম্পের রাশিয়া-ভারত মন্তব্য
একই সময়ে ট্রাম্প আরও মন্তব্য করেছেন, রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ মস্কোর জন্য বড় ধাক্কা। তিনি উল্লেখ করেন, রাশিয়ার অর্থনীতি ভালো অবস্থানে নেই।

আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: ড. ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্বীকার করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, ড. ইউনূস মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

ড. ইউনূস বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সরকার প্রবাসীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে চেষ্টা করছে। তিনি জানান, সরকার এসব সমস্যা সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং জটিলতা কমানোর চেষ্টা চলছে।

পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকারি সব সেবা প্রবাসীদের কাছে পৌঁছে দিতে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ নামক একটি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রবাসীদের জন্য একটি বিশেষ অ্যাপ তৈরির কাজ চলছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসীরা এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত থাকতে পারবেন।

দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, দেশের পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বস্তির জায়গায় ফিরেছে এবং অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীরা বড় অবদান রেখেছেন।

তিনি বলেন, “আমরা এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত। আমি এরইমধ্যে নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছি। এই নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সভায় মালয়েশিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদের কয়েকটি সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে দূতাবাসে জনবল বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েট প্লাস ভিসা, অনিয়মিতদের নিয়মিতকরণ এবং বাণিজ্য-শিল্পক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়গুলো ছিল। এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। সভায় বিভিন্ন পেশা, শ্রেণি ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিলো ইউকেএম

মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া’ (ইউকেএম) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে। আজ বুধবার সকালে কুয়ালালামপুরে ইউকেএম বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের কাছ থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সামাজিক ব্যবসা প্রসারে অধ্যাপক ইউনূসের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বক্তব্য দেন। সকালে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়ে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ থেকে আগত প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত সোমবার (১১ আগস্ট) কুয়ালালামপুরে পৌঁছান।

ট্রাভিস কেলসের সঙ্গে বিশ্বের ধনী সংগীত তারকা টেলর সুইফটের প্রেম

সংগীত দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী তারকা টেলর সুইফট। মার্কিন এই সংগীত তারকা সম্প্রতি জানিয়েছেন, কেন এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসের সঙ্গে সম্পর্ক গোপন না রেখে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন তিনি।

২০২৩ সালে টেলর ও কানসাস সিটি চিফসের খেলোয়াড় ট্রাভিস কেলসের প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা হয়ে ওঠেন বিশ্বজুড়ে আলোচিত জুটি। আগের সম্পর্কগুলোর মতো এবার আর আড়ালে থাকেননি টেলর। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হওয়া, হাত ধরে হাঁটা, এমনকি একে অপরের পেশাগত কাজে পাশে দাঁড়ানো- সবকিছুই করেছেন খোলাখুলিভাবে।

২০২৩ সালের শেষ দিকে টাইম সাময়িকীর বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হন টেলর সুইফট। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘যখন আপনি সম্পর্ককে প্রকাশ্যে আনেন তার মানে হলো আমি তার কাজ দেখতে যাব, সে আমার জন্য আসবে। অন্য মানুষও থাকবে। কিন্তু আমরা পরোয়া করব না। আমরা একে অপরকে নিয়ে গর্বিত হব। সেটাই করছি আমরা। প্রেমটা উপভোগ করছি।’

তিনি আরও জানান, সম্পর্ক গোপন রাখতে হলে অনেক কষ্ট ও বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হয়। সেটা তারা চান না। বরং খোলাখুলিভাবে একে অপরের পাশে থাকাটাই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

কেলসির সঙ্গে সম্পর্কের শুরু থেকেই টেলর বদলে যান। প্রেম শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি খেলার মাঠে গিয়ে কেলসকে উৎসাহ দেন, দামি রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে ডিনার করেন এবং একে অপরের কাজের প্রশংসা করেন।

দুই বছর পেরিয়ে গেলেও টেলর ও কেলসির সম্পর্ক এখনো অটুট। তাদের বিয়ে বা বাগদান নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। তবে এখনো তারা এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি।

আমি এমপি প্রার্থী হলে সবার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে: জয়

অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় সম্প্রতি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যেখানে তিনি আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন যে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি তার এলাকায় জয়ী হবেন। এমনকি তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের জামানতও বাজেয়াপ্ত হবে বলে তার ধারণা।

নুরুল হক নুরের একটি খবরের ছবি শেয়ার করে জয় এই মন্তব্য করেন। তিনি নুরকে একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন যে জনগণের মধ্যে তার একটি সরল ও গ্রহণযোগ্য ইমেজ রয়েছে। তবে, তিনি মনে করেন জনগণ সম্পর্কে কারো কোনো ধারণা নেই এবং আগামীবার কে ক্ষমতায় আসবে তা কেবল আল্লাহই জানেন।

জয় আরও বলেন, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তাহলে বিএনপি ছাড়া অন্য কারো অস্তিত্ব থাকবে না, আবার এর বিপরীতও হতে পারে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন যে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি যদি তার এলাকায় এমপি প্রার্থী হন, তাহলে অন্য সব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। তবে, যদি গত ১৬ বছরের মতো নির্বাচন হয়, তাহলে তার নিজেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বলে তিনি জানান।

নিজের পারিবারিক রাজনৈতিক প্রভাব প্রসঙ্গে জয় বলেন, তার দাদা তিনবারের মুসলিম লীগের এমপি ছিলেন এবং তার চাচা ৯৮% ভোট পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমানে তার চাচা শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি জানান, তাদের পরিবারের অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় কেউ এমপি হতে পারেন না।

ইসরায়েলকে ফুটবল থেকে বহিষ্কারের আহ্বান জাতিসংঘের বিশেষ দূতের

০

গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলকে ফুটবল প্রতিযোগিতা থেকে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ।

রবিবার (১০ আগস্ট) এক্সে করা এক পোস্টে আলবানিজ লিখেছেন, “খেলাধুলা হোক বর্ণবাদ ও গণহত্যামুক্ত। এক বল, এক কিক করে এগিয়ে যাই।” এই পোস্টের মাধ্যমে তিনি উয়েফার প্রতি ইসরায়েলকে বহিষ্কারের আহ্বান জানান। তিনি আরও লেখেন, “এখন সময় এসেছে হত্যাকারীদের প্রতিযোগিতা থেকে বহিষ্কার করার, উয়েফা।”

আলবানিজের এই আহ্বান আসে উয়েফার পক্ষ থেকে সাবেক ফিলিস্তিনি ফুটবলার সুলেইমান আল-ওবেইদকে শ্রদ্ধা জানানোর পর। আল-ওবেইদকে ‘ফিলিস্তিনি পেলে’ হিসেবে উল্লেখ করে উয়েফা। ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার দক্ষিণ গাজায় একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ৪১ বছর বয়সী আল-ওবেইদ নিহত হন। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক ছিলেন এবং ফিলিস্তিনি জাতীয় দলের হয়ে ২৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৮০০-র বেশি ক্রীড়াবিদ নিহত হয়েছেন। খেলাধুলার অবকাঠামো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

উল্লেখিত বিষয়গুলো ছাড়াও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গত নভেম্বরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সাথে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে একটি মামলাও চলমান আছে। সামরিক অভিযানে গাজায় এখন পর্যন্ত ৬১ হাজার ৪০০-র বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং এলাকাটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

আর্জেন্টাইন মডেল জর্জিনাকে বিয়ে করছেন রোনালদো

০

আর্জেন্টাইন মডেল জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রেম করছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এরই মধ্যে তাদের ঘর আলো করে এসেছে দুই সন্তান। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে বাগদান সারলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষ হলো জর্জিনার ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে।

বাম হাতে ঝলমলে এমারেল্ড কাট হীরার আংটি পরে ছবি দিয়েছেন জর্জিনা। এর আভিজাত্য যেমন সবার নজর কেড়েছে, তেমনই আলোচনায় এসেছে জর্জিনার ক্যাপশনও।  তিনি লিখেছেন, ‘Yes I do.’ জুয়েলারি বিশেষজ্ঞদের অনুমান, আংটির ওজন ১০-১৫ ক্যারেটের বেশি এবং মূল্য অন্তত এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৪০ বছর বয়সী রোনালদো আগে থেকেই বিয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিশেষ করে জর্জিনার নেটফ্লিক্স ডকুসিরিজ ‘আই অ্যাম জর্জিনা’-তে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘যখন সেই সঠিক মুহূর্তটা আসবে, তখনই হবে।’ অবশেষে সেই মুহূর্ত এসেছে, আংটির ঝলকানিতে স্বপ্ন রূপ নিল বাস্তবে।

২০১৬ সালে মাদ্রিদের এক বুটিক স্টোরে সেলস অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলেন জর্জিনা। সেখানেই প্রথম রোনালদোর সঙ্গে তার দেখা হয়। সেখান থেকেই শুরু হয় সম্পর্ক। বর্তমানে তারা একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। নিজেদের সন্তানদের পাশাপাশি রোনালদোর আগের তিন সন্তানেরও অভিভাবক জর্জিনা।

বাগদান প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, কবে এবং কোথায় হবে বিয়ে? যেটাই হোক না কেনো, রোনালদো-জর্জিনার গল্পের নতুন অধ্যায় লেখা শুরু হয়ে গেছে। আর বিয়ের অনুষ্ঠানের অপেক্ষায় পুরো বিশ্ব।

অদৃশ্য শক্তি’ ষড়যন্ত্র করছে, আগামী নির্বাচন সহজ হবে না: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন সহজ হবে না, কারণ একটি ‘অদৃশ্য শক্তি’ ষড়যন্ত্র করছে। সোমবার (১১ আগস্ট) নওগাঁয় বিএনপির কাউন্সিলে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি দেশের ২০ কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চায় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে দলটি আশা করে।

বিএনপি সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে আগ্রহী জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আমরা কাউকে হেয় করতে চাই না, আমরা কাউকে ছোটও করতে চাই না। বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং দেশের জনগণ দলটির ওপর আস্থা রাখতে চায়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপির ৩১ দফার সাথে সরকারের ঐকমত্য কমিটির বক্তব্যের অনেক বিষয়েই মিল আছে। শুধুমাত্র দুই-একটি বিষয়ে পার্থক্য থাকতে পারে। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা আড়াই বছর আগেই এই ধরনের সংস্কারের দাবি তুলেছিল।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করা যাবে না।