Home Blog Page 382

রাশিয়া বিশাল এক শক্তি’, ইউক্রেনকে সমঝোতার পরামর্শ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেনের উচিত রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো, কারণ রাশিয়া একটি “বিশাল শক্তি” এবং ইউক্রেন তুলনামূলকভাবে ছোট একটি দেশ।

এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন এর আগে আলাস্কায় এক বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের কাছ থেকে আরও ভূখণ্ড দাবি করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠক হয়। পরদিন শনিবার ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে জানান, পুতিন যুদ্ধবিরতি দিতে রাজি হয়েছেন যদি ইউক্রেন পুরো ডোনেৎস্ক অঞ্চল ছেড়ে দেয়।

তবে জেলেনস্কি এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন, এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র।

বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে রেখেছে, যার মধ্যে রয়েছে ডোনেৎস্ক প্রদেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ। এই অঞ্চল রাশিয়া প্রথম দখল করে ২০১৪ সালে।

এর আগেও ট্রাম্প বলে আসছিলেন, যুদ্ধবিরতির চুক্তি না হলে তিনি শান্তি প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট হবেন না। তবে সম্মেলনের পর তিনি তার অবস্থান পরিবর্তন করে বলেন—যুদ্ধ থামাতে সরাসরি একটি শান্তি চুক্তিই বেশি কার্যকর হবে।

তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশাল’-এ লেখেন, “সব পক্ষ মনে করে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে সরাসরি একটি শান্তি চুক্তিই সবচেয়ে ভালো পথ। শুধুমাত্র যুদ্ধবিরতি নয়, কারণ তা অনেক সময়ই টেকে না।”

এদিকে, এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া বিবৃতিতে জেলেনস্কি বলেন, “হত্যা বন্ধ করাটাই যুদ্ধ থামানোর মূল উপাদান। রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মনোভাব স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠাকে জটিল করে তুলছে।”

যদিও দুই নেতার অবস্থান স্পষ্টভাবে ভিন্ন, তারপরও জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি সোমবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।

এ বৈঠক স্মরণ করিয়ে দেয় গত ফেব্রুয়ারির সেই আলোচিত সাক্ষাৎকারের কথা, যেখানে ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স হোয়াইট হাউস ওভাল অফিসে প্রকাশ্যে জেলেনস্কিকে ভর্ৎসনা করেছিলেন।

ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভবিষ্যতে তিনপক্ষীয় বৈঠক—তিনি, পুতিন ও জেলেনস্কি—আয়োজন করা হতে পারে।

ট্রাম্পের শান্তি উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ইউরোপীয় নেতারা ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার এবং রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুল জানিয়েছেন, তারাও সোমবারের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন।

উল্লেখ্য, রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। এরপর থেকে যুদ্ধটি ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতে রূপ নিয়েছে। এ পর্যন্ত দুই পক্ষ মিলিয়ে ১০ লাখের বেশি মানুষ হতাহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে হাজার হাজার ইউক্রেনীয় বেসামরিক নাগরিক।

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস

আগামী ১২ ঘন্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে, দেশের আট বিভাগেই বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির অভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

রোববার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে— রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, দক্ষিণ উড়িষ্যা উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে এবং গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, উড়িষ্যা, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। পরবর্তী ১২ ঘন্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গতকাল (শনিবার) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রংপুরে ৩৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যৌথভাবে সিলেট ও বান্দরবানে ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ ভোর ৬টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে ৪২ মিলিমিটার বা মিমি।

বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশ

বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের কার্যালয় ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা ই-মেইল সরবরাহ করা হয়নি।

কয়েকটি মিশনের কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, এই নির্দেশনা কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়নি। বরং টেলিফোনে অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরে ওই কূটনীতিকদের অন্য মিশনগুলোতে খবরটি পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনারকে কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়া, এশিয়া প্যাসিফিক, আফ্রিকা ও ইউরোপের কয়েকটি মিশনের কাছ থেকে জানা গেছে, এখনো অনেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ধরনের নির্দেশ পাননি। তবে অন্তত দুটি মিশনের প্রধান নিশ্চিত করেছেন যে তারা সরকারের কাছ থেকে এমন বার্তা পেয়েছেন।

বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে কর্মরত একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ঢাকা থেকে ফোনে আমাদের জানানো হয়েছে রাষ্ট্রপতির ছবি সরাতে হবে। এটি লিখিতভাবে আসেনি, তবে আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অন্য মিশনগুলোতেও বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার। একই সঙ্গে তদারকির দায়িত্বও থাকবে।

আরেকজন কূটনীতিক জানান, তাদের অঞ্চলে দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত সরাসরি জানালেও কাছাকাছি আরেকটি মিশনের মাধ্যমে বার্তাটি তাদের কাছে পৌঁছেছে।

বলিউডের ব্যয়হুল ডিভোর্স, হৃতিক রোশন ও সুজান খানের বিচ্ছেদ

তারকাদের বিচ্ছেদ মানেই কোটি কোটি টাকার লেনদেন। তবে বলিউডে এর সবচেয়ে বড় নজির হয়ে আছে হৃতিক রোশন ও সুজান খানের বিচ্ছেদ। তাদের এই ডিভোর্স নিষ্পত্তিতে জড়িত অর্থের পরিমাণ বলিউড ইতিহাসে রেকর্ড গড়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিচ্ছেদ নিষ্পত্তিতে সুজান পান প্রায় ৩৮০ কোটি রুপি বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৫২৭ কোটি টাকা। নগদ অর্থ, সম্পত্তি, বিনিয়োগ বা অন্য কোনো মাধ্যমে এই অর্থ দেওয়া হয়েছে কিনা তা প্রকাশ করা হয়নি। তবুও এটি বলিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ডিভোর্স হিসেবে রেকর্ড গড়েছে।

হৃতিক বলিউডের নির্মাতা রাকেশ রোশনের ছেলে আর সুজান অভিনেতা সঞ্জয় খানের মেয়ে। তারা শৈশবের বন্ধু। ২০০০ সালের ব্লকবাস্টার কাহো না প্যায়ার হ্যায় সিনেমায় একসঙ্গে জুটি বাঁধেন। বলিউডে অভিষেকের আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক থাকায় চার বছরের প্রেমের পর ২০০০ সালের ২০ ডিসেম্বর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দাম্পত্য জীবনে জন্ম নেয় দুই ছেলে হৃহান (২০০৬) ও হৃদান (২০০৯)।

২০১০ সালে কাইটস ছবির শুটিং চলাকালে সম্পর্কে ফাটল ধরার খবর ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে ২০১৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ ঘটে, শেষ হয় ১৪ বছরের সংসার। তবে বিচ্ছেদের পরও তারা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং দুই সন্তানের যৌথ অভিভাবকত্ব পালন করছেন। সন্তানদের নিয়ে মাঝেমধ্যেই একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় তাদের।

বর্তমানে হৃতিক প্রেম করছেন অভিনেত্রী সাবা আজাদের সঙ্গে, আর সুজান সম্পর্কে রয়েছেন আর্সলান গোনির সঙ্গে।

মিথিলাকন্যাকে নিয়ে সৃজিতের ফেসবুক পোস্ট

সম্প্রতি, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় তার স্ত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার মেয়ে আইরা তাহরিম খানের একটি বিজ্ঞাপনের ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করে লিখেছেন, “আয়রু তুমি রকস্টার…।” এই পোস্টটি আবারও প্রমাণ করে যে, তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন চললেও, আইরার প্রতি সৃজিতের ভালোবাসা এখনো অটুট।

মিথিলা ও সৃজিতের বিচ্ছেদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা গুঞ্জন চলছে। তবে এই পোস্ট দেখে সৃজিতের ভক্তরা আইরাকে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, তাদের সম্পর্ক এখনো ভালো আছে।

প্রসঙ্গত, মিথিলা ও তাহসান রহমান খানের বিচ্ছেদের পর মিথিলা ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সৃজিতকে বিয়ে করেন। এরপর থেকেই সৃজিতের সঙ্গে আইরার একটি সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বর্তমানে তাহসান এবং মিথিলা যৌথভাবে আইরার দায়িত্ব পালন করছেন।

৪ রানে গুটিয়ে গেল পুরো দল, ১০ ব্যাটারই শূন্য

০

ভারতের রাজস্থানে এক নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ঘটেছে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। সিরোহী জেলার দল পুরো ইনিংসে মাত্র ৪ রানে অলআউট হয়েছে যেখানে দলের ১০ জন ব্যাটারই কোনো রান করতে পারেননি। একমাত্র ব্যাটার ২ রানে অপরাজিত থাকলেও দলের বাকি ২টি রান এসেছে ওয়াইড থেকে।

জয়পুরের সীকর দলের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সিরোহী জেলার এই দলটি মাত্র ৪ রানে গুটিয়ে যায়। এর মধ্যে ১০ জন খেলোয়াড়ই রানের খাতা না খুলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। জয়ের জন্য ৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সীকরের দল এক বলেই জয় তুলে নেয় কারণ সেই বলেই ৪টি ওয়াইড হয়।

এই ঘটনার পর রাজস্থান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন জরুরি ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং সিরোহী জেলার সব নির্বাচককে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জেলার ক্রিকেটে চলমান অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অনুশীলন বন্ধ থাকার কারণে এমন ফল অপ্রত্যাশিত ছিল না বলে অনেকেই মনে করছেন।

টটেনহ্যামকে হারিয়ে পিএসজির শিরোপা জয়

০

শেষ ১০ মিনিটের নাটকীয়তায় টটেনহ্যামকে হারিয়ে উয়েফা সুপার কাপের শিরোপা জিতে নিয়েছে পিএসজি। টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতে এ বছর নিজেদের পঞ্চম ট্রফি ঘরে তুলল তারা। বুধবার ইতালির ব্লুনার্জি স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথমার্ধে টটেনহ্যামের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মিকি ফন ডি ভিন। ৩৯ মিনিটে তার শট প্রথমে পিএসজি গোলরক্ষকের হাতে লেগে পোস্টে ফিরে আসে এবং ফিরতি বলে তিনি গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই টটেনহ্যামের নতুন অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ফ্রি-কিক থেকে আসা একটি বলে হেড করে দলের ব্যবধান বাড়ান। পিএসজির গোলরক্ষক লুকাস শেভেলিয়ের বল স্পর্শ করলেও তা ঠেকাতে পারেননি।

পিএসজি এরপর গোল শোধ করার জন্য আক্রমণ চালিয়েও ব্যর্থ হয়। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়ান তারকা লি কাং-ইন বক্সের বাইরে থেকে বুলেট গতির শটে পিএসজির পক্ষে প্রথম গোলটি করেন। এরপর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আশরাফ হাকিমির সহায়তায় গোল করেন গনকালো রামোস, যা ম্যাচকে টাইব্রেকারে নিয়ে যায়।

টাইব্রেকারে টটেনহ্যামের প্রথম শটটি মিস হয়, কিন্তু পিএসজি এরপর আর কোনো ভুল করেনি। টটেনহ্যাম দুটি শট মিস করে, যার একটি পোস্টের বাইরে দিয়ে যায় এবং অন্যটি পিএসজি গোলরক্ষক শেভেলিয়ের রুখে দেন। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতে শিরোপা নিশ্চিত করে পিএসজি।

অন্তর্বর্তী সরকার ইতিহাসের সবচেয়ে ‘দুর্বলতম’ সরকারের পরিচয় দিয়েছে: নুর

সকল রাজনৈতিক সংগঠনের ‘সমর্থন’ পাওয়ার পরেও অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ‘দুর্বলতম’ সরকারের পরিচয় দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।

বুধবার বিকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের এক আয়োজনে তার এই মন্তব্যের ব্যাখ্যায় নুর বলেন, “আমরা ভোলাগঞ্জ সাদা পাথরের ঘটনার দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পাই অনুমতি কিংবা ইজারা ছাড়াই পাথর নিতে নিতে সে জায়গাকে মরুভূমি বানিয়ে দিছে।

“ওইখানে আমাদের আর্মি, পুলিশ, র‍্যাব ও আমাদের দেশ পরিবর্তনের নায়কেরাও এই সর্বনাশের প্রতিবাদ করেন নাই। কিন্তু যখন কাজ শেষ, তখন তারা আওয়াজ তুলছেন।”

অন্তর্বর্তী সরকারের ছাত্র প্রতিনিধিদের প্রসঙ্গ টেনে অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ডাকসুর এ সাবেক ভিপি বলেন, “একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার ইশতেহার থেকে শুরু করে পতাকা উত্তোলনসহ পল্টন ময়দানে ছাত্র নেতৃবৃন্দরাই ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র পাঠ করেছিলেন। একাত্তরের পরে তারা কিন্তু রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে নাই কিংবা রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করতেও চাননি।

“আবার সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের ফলে সামরিক স্বৈরশাসনের পতনের পরেও ছাত্ররা সরকারে আসে নাই। এবার আমরাই পরামর্শ দিয়েছিলাম যে তরুণদের একটা প্রতিনিধিত্ব সরকারে থাকুক, যেন তারা আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে পারে।” কিন্তু এক বছরে এসে হিসাব মেলাতে পারছেন না মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ তাদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখেনি।

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের নেতৃত্ব নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, “অ্যানালগ নেতাদের দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব না, ডিজিটাল দেশ পরিচালনা করতে হলে তরুণদের প্রয়োজন। যারা ফেইসবুক লগইন করতে তিনবার পাসওয়ার্ড ভুল করে; তাদের দিয়ে ডিজিটাল দেশ পরিচালনা সম্ভব না।”

বিএনপি নেতার সদস্য পদ স্থগিত

ওসিকে গালিগালাজ করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য ও মহেশখালী পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আকতার হোসেনের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, মহেশখালী থানার ওসির সঙ্গে অশোভন আচরণ, গালিগালাজ, হুমকি এবং সংগঠনবিরোধী কার্যলাপের জন্য আকতার হোসেনের সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।

ইতালির উপকূলে নৌকাডুবিতে অন্তত ২৬ অভিবাসীর মৃত্যু

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় লাম্পেদুসা উপকূলে দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান।

আল-জাজিরার বরাত দিয়ে ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, বুধবার ৬০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী রয়েছেন। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর মুখপাত্র ফ্লাভিও দি জিয়াকোমো জানান, নৌকা দুটিতে মোট ৯৫ জন যাত্রী ছিলেন। সে হিসেবে এখনো প্রায় ৩৫ জন নিখোঁজ বা মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নৌকা দুটি লিবিয়া থেকে যাত্রা করেছিল। যাত্রার একপর্যায়ে একটি নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করলে যাত্রীরা অন্য নৌকায় ওঠেন। পরে খারাপ আবহাওয়ার কারণে দ্বিতীয় নৌকাটিও উল্টে যায়।

ইতালির রেড ক্রসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জীবিত উদ্ধার হওয়া সবাই মোটামুটি সুস্থ আছেন, তবে ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার অভিবাসন ঠেকাতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে এবং মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে ভূমধ্যসাগরের মধ্যাঞ্চলে ইউরোপে যাওয়ার পথে কমপক্ষে ৬৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।