Home Blog Page 395

টেস্ট ক্রিকেটে রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছেন জো রুট

০

টেস্ট ক্রিকেটে রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছেন জো রুট। ম্যানচেস্টার টেস্টে ব্যাট হাতে নামতেই ইতিহাস গড়লেন এই ইংলিশ ব্যাটার। টেস্টে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় এখন তিনি দ্বিতীয়। পেছনে ফেলেছেন কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড়, জ্যাক ক্যালিস ও রিকি পন্টিংকে। সামনে আছেন শুধু শচীন টেন্ডুলকার।

ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজের চতুর্থ টেস্টে মাঠে নামার আগে রুটের রান ছিল ১৩,২৫৯। তখন তার উপরে শচীন ছাড়াও ছিলেন দ্রাবিড়, ক্যালিস ও পন্টিং। একে একে সকলকেই টপকালেন তিনি। মাত্র আট বলের ব্যবধানে দ্রাবিড় ও ক্যালিসকে ছাড়িয়ে যান রুট। ১১৯ রানের মাথায় অংশুল কম্বোজের বলে সিঙ্গল নিয়ে পন্টিংকে টপকে গেলেন তিনি। ১৬৮ টেস্টে ১৩,৩৭৮ রান করেছেন পন্টিং। ১৬৬ টেস্টে কালিসের রান ১৩,২৮৯। দ্রাবিড় ১৬৪ টেস্টে ১৩,২৮৮ রান করেছেন। এটা ছিল রুটের ১৫৮তম টেস্ট। অথচ পন্টিং খেলেছেন ১৬৮টি, ক্যালিস ১৬৬টি ও দ্রাবিড় ১৬৪টি টেস্ট।

এখন তার সামনে কেবল শচীন টেন্ডুলকার, যিনি ২০০ টেস্টে করেছেন ১৫,৯২১ রান। সেই রেকর্ড ভাঙতে রুটকে খেলতে হবে আরও কয়েক বছর। তবে ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলে এই মাইলফলকও স্পর্শ করতে পারেন তিনি।

ম্যানচেস্টারে ভারতের বিপক্ষে নিজের ১২তম টেস্ট শতরান করলেন রুট। ভারতের বিপক্ষে টেস্টে এত শতরান আর কারও নেই। স্টিভ স্মিথ ১১টা শতরান করেছেন। এত দিন দুই ক্রিকেটার এক জায়গায় ছিলেন। এ বার স্মিথকে ছাপিয়ে গেলেন রুট।

এছাড়া টেস্টে শতরানের তালিকাতেও চার নম্বরে উঠলেন রুট। টেস্টে ৩৮তম শতরান করলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারার ৩৮টা শতরান রয়েছে। শীর্ষে থাকা শচীনের শতরানের সংখ্যা ৫১। দুই নম্বরে থাকা ক্যালিস ৪৫ ও তিনে থাকা পন্টিং ৪১টা শতরান করেছেন। শেষ পাঁচ বছরে ২২টা শতরান করেছেন রুট। ফলে রানের পাশাপাশি শতরানের নিরিখেও সকলকে টপকে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে রুটের।

আমি মরে গেলে কেউ আফসোস করবেন না: অভিনেত্রী মৌ শিখা

আড়াই মাস ধরে কাজ নেই, আর এমন সংকটাপন্ন অবস্থা নিয়ে ফেসবুকে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী মৌ শিখা। দীর্ঘদিনের অভিনয় জীবন থাকার পরও বর্তমানে কাজ না পেয়ে হতাশ এই শিল্পী। বোঝাতে চেয়েছেন, বেঁচে থেকে যেহেতু মূল্যায়ন করা হচ্ছে না, তাই মৃত্যুর পর কেউ যেন তার জন্য আফসোস না করে।

মঞ্চ নাটক দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে টিভি নাটক ও চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন মৌ শিখা। এক সময় প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ দিন কাজ করলেও এখন মাসে গড়ে ৪-৫ দিনের বেশি কাজ মিলছে না তার।

শুক্রবার রাতে অভিনেত্রী তার রওশন আরা বেগম নামের ফেসবুক আইডি থেকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন। সেই ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

‘আমি মৌ শিখা। অনেক বছর থেকে অভিনয় করে আসছি। এতদিন নিজেকে অভিনেত্রী হিসেবেই জানতাম কিন্তু গত আড়াই মাস ধরে নিজেকে অভিনেত্রী ভাবতে লজ্জা হচ্ছে। আগে যেখানে মাসে ১৫ থেকে ২০ দিন কাজ করতাম সেখানে আড়াই মাস যাবত মাসে চার থেকে পাঁচ দিন কাজ করছি। তাহলে কিভাবে মনে হবে আমি অভিনয় শিল্পী?’

‘অভিনয় করেই আমার সংসার চলে। তবে আমি জানি বেঁচে থাকতে আমার মূল্যায়ন করা না হলেও আমার মৃত্যুর পর কিছু মানুষ হলেও আমাকে মনে রাখবে হয়তো বলবে আহারে মহিলা তো কত ভালো ছিল কত সহজ সরল ছিল কারো সাতপাচে ছিল না কারো সামনে পিছনে ছিল না আহারে মহিলাটার আত্মার শান্তি পাক।’

‘কিন্তু তাতে কি লাভ হবে আমার? বেঁচে থাকতে তো দরকার আমার কাজের, বেঁচে থাকতেই দেখে যেতে চাই আমার মূল্যায়ন হচ্ছে কিন্তু সেটা কি আদৌ দেখে যেতে পারবো আমি জানিনা। তবে আমার অনুরোধ আমি মরে গেলে দয়া করে কেউ আফসোস করবেন না, আমাকে মনে করারও কোনো দরকার নেই।’

‘হঠাৎ করে কেন কাজ কমে গেল? কেন আমাকে ডিরেক্টররা ডাকছেন না? কেন মনে করছেন না যে তাদের গল্পের চরিত্রের সাথে আমি নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারব? আমি তো আমার রেমুনারেশন বাড়াইনি। ২৫ বছর যাবত মিডিয়ায় আছি, এখনো আমার রেমুনারেশন ও খুব একটা বেশী না, তাহলে?’

‘যাইহোক, যে কত দিন বাঁচে… কাজ করে যেতে চাই। আপনারা ব্যাপারটা দেখবেন। আমার সহকর্মী যারা আছেন তারা আমার ব্যাপারটা দেখে একটু সাহায্য করবেন। একটা শিল্পীর জন্য হঠাৎ করে কাজ কমে যাওয়া কম কিছু না। আপনারা পাশে থেকে আমাকে সাহায্য করবেন। আল্লাহ সহায় আছে।’

জুলাই শহীদ স্মরণসভায় অনুপস্থিত উপদেষ্টারা, ক্ষোভ রাশেদ খানের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান। শনিবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ আয়োজিত এই সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সশরীরে উপস্থিত না হওয়ায় এবং অন্য কোনো উপদেষ্টা না আসায় রাশেদ খান এটিকে ‘শহীদ পরিবারের সঙ্গে তামাশা’ বলে মন্তব্য করেন।

মুহাম্মদ রাশেদ খান অভিযোগ করেন, সভার প্রথম সারির আসনগুলো উপদেষ্টাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হলেও একজন উপদেষ্টাও সেখানে উপস্থিত হননি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “খুব দুঃখ লাগছে। কষ্ট লাগছে। আজকে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টাও এখানে উপস্থিত হয় নাই। এইটা শহীদ পরিবারের সাথে তামাশা। কেন আসে নাই, কী কারণে আসে নাই, তাদের কাজটা কী। এই শহীদ মায়ের কথা, শহীদ বাবার কথা শুনতে কি কষ্ট লাগে?”

শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকার পরও প্রধান উপদেষ্টার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই গণ অধিকার পরিষদের নেতা। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা না এসে শহীদ পরিবারের সঙ্গে অন্যায় করেছেন। মুহাম্মদ রাশেদ খান জুলাই বিপ্লবে উপদেষ্টাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “যারা দেখে নাই চোখের সামনে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। যারা বিগত ১৫ বছরের লড়াইয়ে কখনো রাজপথে নামেনি, তাদের নিয়ে সরকার গঠিত হয়েছে।”

স্মরণসভার জন্য দুই মাস ধরে প্রত্যেক উপদেষ্টার কাছে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল আওয়াল বলেন, “তাঁরা যদি না-ই আসবেন, না করে দিতেন। কেন তাঁরা মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়েছিলেন।” অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষণ আগেও উপদেষ্টারা উপস্থিত হওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি ধিক্কার জানান। এ সময় শহীদ পরিবারের অনেক সদস্যকে সভা ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়।

উপদেষ্টাদের জন্য সামনের সারিতে নির্ধারিত জায়গা রাখা হলেও তাঁরা না আসায় অন্যরা সেসব জায়গায় বসেছিলেন। এই ঘটনা সভায় উপস্থিত শহীদ পরিবার ও অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

ককটেল আতঙ্কে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

সম্ভাব্য ককটেল হামলা এড়াতে এবং দুষ্কৃতিকারীদের ধরতে রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাতে দলটির কার্যালয় সংলগ্ন রূপায়ন টাওয়ারের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেল বা যেকোনো যানবাহন ভবনের আশেপাশে দাঁড়াতে দিচ্ছেন না। জানা গেছে, গত ২২ জুলাই থেকে এই ভবনের সামনে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি পাহারা থাকছে।

দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য জানান, এনসিপি কার্যালয়ের সামনে এর আগেও বেশ কয়েকবার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দুষ্কৃতিকারীরা যেন ককটেল হামলা না করতে পারে, সেজন্য তাদের এখানে ডিউটি দেওয়া হয়েছে। শিফট অনুযায়ী এখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ ডিউটি পালন করছে। এছাড়া শাহবাগ থানার টহল টিমকেও ভবনের আশেপাশে টহল দিতে দেখা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, এনসিপি নেতাদের নিরাপত্তা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতেই এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, অংশ নিয়েছেন শতবর্ষী মাহাথিরও

মালয়েশিয়ায় অর্থনৈতিক সংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হাজার হাজার মানুষ এই বিক্ষোভে অংশ নেন, যেখানে প্রায় ১০০ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদও উপস্থিত ছিলেন।

সকাল থেকেই কালো টি-শার্ট পরিহিত বিক্ষোভকারীরা জাতীয় মসজিদ নেগারার সামনে জড়ো হতে শুরু করেন এবং ‘পদত্যাগ, পদত্যাগ, আনোয়ারের পদত্যাগ’ স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন এলাকা। পরে তারা মিছিল নিয়ে ‘জাগো, জাগো, জনগণ জাগো’ স্লোগান দিতে দিতে মারদেকা স্কয়ারের (স্বাধীনতা স্কয়ার) দিকে অগ্রসর হন।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান অভিযোগ, গত প্রায় তিন বছর ধরে আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন সরকার মালয়েশিয়ায় নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। তাদের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয় আকাশচুম্বী হয়েছে এবং সরকারের সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত, যেমন জুলাই মাসে সেলস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স (এসএসটি) সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি এবং জ্বালানির ভর্তুকি হ্রাস, সাধারণ মানুষের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার সম্প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের নগদ অর্থ সহায়তা ও জ্বালানির দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা বলছেন এই প্রতিশ্রুতিতে তারা সন্তুষ্ট নন।

এই বিক্ষোভে উল্লেখযোগ্যভাবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে প্রভাবশালী দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ও মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন পার্টি ইসলাম মালয়েশিয়া (পিএএস)-এর প্রেসিডেন্ট আব্দুল হাদি আওয়াং। তারা বর্তমান সরকারকে ‘ব্যর্থ’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে পদত্যাগের আহ্বান জানান। মাহাথির মোহাম্মদ অভিযোগ করেন, আনোয়ার তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ক্ষমতা অপব্যবহার করছেন।

রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি ছাত্র সংগঠন, মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং সাধারণ জনগণসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষ এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। এটি আনোয়ার ইব্রাহিম সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান জনরোষের একটি স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়টি বিবেচনা করছে রাশিয়া

ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে রাশিয়া। শুক্রবার রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই তথ্য জানিয়েছেন। রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেসকভ বলেছেন যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সমাধান সম্ভব।

দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমেই ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সমাধান সম্ভব। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়া সব সময়ই ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধানের ভিত্তি হিসেবে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে ছিল। মস্কো ১৯৮৮ সালেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার ঘোষণাকে সমর্থন করে স্বীকৃতি দিয়েছিল। পেসকভের মতে, শান্তি কেবল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবনা মেনে চলার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একাধিক প্রস্তাবনায় পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি দখলদারত্বকে অবৈধ ঘোষণা করেছে এবং গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ঘোষণা করেছেন যে, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফ্রান্স আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে।

এদিকে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিতে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ওপর চাপ বাড়ছে। এরই মধ্যে এই দাবিতে দেশটির ৯টি রাজনৈতিক দলের ২২০ জন এমপি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মোট এমপির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এই দাবিতে সমর্থন জানিয়েছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই লেবার পার্টির সদস্য। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে ফিলিস্তিনকে যুক্তরাজ্যের স্বীকৃতি একটি ‘শক্তিশালী’ বার্তা দেবে এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।

ফ্রান্স কয়েক মাসের মধ্যে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর এই চিঠিটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ ম্যার্ৎসের সঙ্গে জরুরি ফোনকলের পর কিয়ার স্টারমার এক বিবৃতিতে বলেছিলেন যে, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া এক ‘বিস্তৃত পরিকল্পনার’ অংশ হতে হবে, যা শেষ পর্যন্ত দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানে রূপ নেবে।

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার এই আন্তর্জাতিক পদক্ষেপগুলো মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাতের একটি স্থায়ী সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

পাবলিক পরীক্ষা নয়, অষ্টম শ্রেণিতে ফিরছে বৃত্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও অষ্টম শ্রেণিতে ফিরছে বৃত্তি পরীক্ষা পদ্ধতি। পাবলিক পরীক্ষার আদলে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা এবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি সভাও করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, ২০ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেগম বদরুন নাহার এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের প্রতিনিধিরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা পুনঃপ্রবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

গত বছর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা এবং বৃত্তি পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার দীর্ঘ সময় পর অষ্টম শ্রেণিতে আবার ছাত্র-ছাত্রীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা চালু হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা যায়, আগে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া নির্দিষ্ট শতাংশের শিক্ষার্থীকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হতো। তবে বর্তমানে বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা এখনো তৈরি না হওয়ায় কত শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে, তা চূড়ান্ত হয়নি।

এর আগে সরকার সবশেষ ২০০৯ সালে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়েছিল। এরপর অষ্টম শ্রেণিতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা চালু করা হয়, যা পাবলিক পরীক্ষার আদলে অনুষ্ঠিত হত। এই পরীক্ষা পদ্ধতির কারণে শিক্ষার্থীদের কোচিংনির্ভরতা বাড়ছিল, ফলে বিভিন্ন মহল থেকে অষ্টম শ্রেণির এই পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানানো হচ্ছিল।

নির্বাচন ভন্ডুল করার অপচেষ্টাকে রুখে দিতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস  বলেছেন, “পতিত শক্তি গন্ডগোল লাগিয়ে নির্বাচন আয়োজন ভন্ডুল করার চেষ্টা করছে।” তিনি এই অপচেষ্টাকে প্রতিহত করতে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে দেন, অভ্যুত্থানের সব শক্তি মিলে একটি সুন্দর নির্বাচন করতে না পারলে এই সুযোগ দেশের হাতছাড়া হয়ে যাবে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “পরাজিত শক্তি যখনই সুযোগ পাচ্ছে তখনই নানান রকম গন্ডগোল সৃষ্টি করছে। এসব করে তারা দেশের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করছে। যখনই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি তখনই নানান ষড়যন্ত্র সামনে আসছে।” তবে তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, “কোনো ষড়যন্ত্র করেই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। কারণ ফ্যাসিবাদ প্রশ্নে সবগুলো গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য স্পষ্ট।”

তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। বৈঠকে উপস্থিত রাজনৈতিক নেতারাও প্রধান উপদেষ্টাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে জাতীয় গণফ্রন্টের আমিনুল হক টিপু বিশ্বাস, ১২ দলীয় জোটের মোস্তফা জামাল হায়দার, নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, ন‍্যাশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ জাসদের ড. মুশতাক হোসেন, ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের ববি হাজ্জাজ, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, ভাসানী জনশক্তি পার্টির রফিকুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মাসুদ রানা এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের শুরুতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সুযোগ করে দেয়ায় জিতেছে পাকিস্তান’, বিস্ফোরক মন্তব্য সাবেক তারকার

০

নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে সিরিজে হারিয়েছে বাংলাদেশ। যদিও তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে হেরে গিয়ে হোয়াইটওয়াশের সুযোগ হাতছাড়া করেছে টাইগাররা। তবে শেষ ম্যাচে জয় পাওয়ার কৃতিত্ব পাকিস্তানের নয়, বরং বাংলাদেশই সুযোগ করে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটার কামরান আকমল।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেয়া এক বিশ্লেষণে আকমল বলেন, ‘তৃতীয় টি-টোয়েন্টি পাকিস্তান জিতেছে ঠিকই, কিন্তু আমার মতে বাংলাদেশই ওদের জেতার সুযোগ দিয়েছে। আগের দুই ম্যাচে যেভাবে তারা দাপট দেখিয়েছে, তাতে মনে হচ্ছিল পাকিস্তান হোয়াইটওয়াশ হবে। কিন্তু মনে হচ্ছে, বাংলাদেশ ভেবেছে তাদের উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়েছে, এখন একাদশের বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের সুযোগ দেয়া যাক।’

সিরিজজুড়ে স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানো নিয়েও পাকিস্তানের জন্য লজ্জার অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি। আকমলের ভাষ্য, ‘প্রথম দুই ম্যাচেও বাংলাদেশ রোটেশন পলিসি অনুসরণ করেছে। এটা পাকিস্তানের বিপক্ষে, যারা একসময় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ছিল। অথচ এখন এমনভাবে ট্রিট করা হচ্ছে, যেন তারা আয়ারল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডস! এটা অত্যন্ত লজ্জার।’

তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের একাদশ গঠনের সমালোচনাও করেন তিনি। তার মতে, ‘শুরু থেকেই লেফট-রাইট হ্যান্ড কম্বিনেশন ব্যবহার করা উচিত ছিল। ফখর জামান ও সাইম আয়ুবকে একসঙ্গে খেলিয়ে আপনি বাংলাদেশের স্পিনারদের সুবিধা করে দিয়েছেন। শাহিবজাদা ফারহান থাকলে হয়তো কম্বিনেশনটা ভালো হতো এবং স্পিনারদের এতটা আধিপত্য থাকতো না।’

এর আগেও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির পর তাসকিন আহমেদকে বিশ্রামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন আকমল। সেদিন তিনি বলেছিলেন, ‘আপনার সেরা বোলারকে বিশ্রাম দিয়ে আপনি আসলে পাকিস্তানকে ছোট দল হিসেবে দেখেছেন।’

উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে দারুণভাবে জয় তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ ম্যাচে একাদশে পরিবর্তন এনে বিশ্রামে রাখা হয় কয়েকজন মূল খেলোয়াড়কে। সেই সুযোগেই একমাত্র জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।

এশিয়া কাপে একই গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান

০

এশিয়া কাপ ২০২৫-এর আয়োজন নিয়ে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। তবে, ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভায় কিছু নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়েছে। সভা শেষে এসিসি সভাপতি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান মোহসিন নাকভি জানিয়েছেন, এশিয়া কাপ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

এই আলোচনা থেকেই এশিয়া কাপের চূড়ান্ত ভেন্যু ও সময়সূচি নির্ধারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে এই ঘোষণার অপেক্ষায় আছেন।

এদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর দাবি, আসন্ন এশিয়া কাপের সূচি চূড়ান্তের কাজ প্রায় শেষ এবং ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে পড়তে যাচ্ছে এবারের আসরে। ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এবারের এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ভারতীয় দল তাদের সব ম্যাচ খেলবে দুবাইয়ে। তবে সূচি ও ভেন্যু নিয়ে এখনও চূড়ান্ত আলোচনা চলছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া, নিউজ ১৮ এবং ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছেন, এবারের এশিয়া কাপটি ৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে এবং এটি টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হবে। এছাড়া, ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে থাকবে, যার মানে অন্তত দুটি ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী—গ্রুপ পর্বে একবার এবং সুপার সিক্সে আবার। যদি ফাইনালে দুই দল ওঠে, তাহলে তৃতীয়বারের মতো হতে পারে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ।

তবে, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সম্প্রতি লিজেন্ডস লিগে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বাতিল হওয়ার পর প্রশ্ন উঠছে এমন পরিস্থিতিতে কি দুই দল একে অপরের মুখোমুখি হতে রাজি হবে? তবে এসিসি এবং বিসিসিআই আশাবাদী।

ইন্ডিয়া টুডে জানায়, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বিসিসিআই সহসভাপতি রাজীব শুক্লা এবং পিসিবি প্রধান মোহসিন নাকভির মধ্যে বৈঠক হবে সূচি ও ভেন্যু চূড়ান্ত করতে। প্রাথমিকভাবে টুর্নামেন্টটি ৭ সেপ্টেম্বর শুরু করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

এছাড়া, সর্বশেষ ফেব্রুয়ারি-মার্চে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বে ভারত ৬ উইকেটে পাকিস্তানকে হারায়। এরপর এপ্রিলের শেষে কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার কারণে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।