Home Blog Page 399

১৫ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশ

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। ফল তৈরির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তিনটি তারিখ প্রস্তাব করে তা অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। এরপর মন্ত্রণালয় যে তারিখটি অনুমোদন দেবে, সেদিনই প্রকাশ করা হবে ফল।

একাধিক শিক্ষকবোর্ড চেয়ারম্যান জানান, তারা আশা করছেন আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল তৈরির কাজ প্রায় শেষ। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য তারিখ জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। অনুমোদন পেলেই ফল প্রকাশ করা হবে।”

তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে ফল প্রকাশ করার বিধান রয়েছে। সে হিসেবে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করতে হবে।

এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৮ হাজার ১৮১  শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিস স্থাপন নিয়ে যা জানা গেল

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, তিন বছরের জন্য জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিস স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে দুইপক্ষ একমত হলে চূড়ান্ত চুক্তি করা হবে। তবে পরবর্তী সরকার চাইলে এটির মেয়াদ বাড়াতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

কোন শর্তে ঢাকায় ওএইচসিএইচআর অফিস দেওয়া হচ্ছে-এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখনো এটা খসড়া পর্যায়ে আছে। খসড়া আদান-প্রদান শেষ হওয়ার পরে যখন একটা সম্পূর্ণ এগ্রিড ড্রাফটে আসবে যেটাতে একটি শব্দও পরিবর্তন করতে হবে না, তখন আমরা সই করব। তখন আপনাদের বিস্তারিত বলতে পারব। তার আগে খসড়া পর্যায়ে আমাদের এটা নিয়ে আলাপ না করাই ভালো।

২০ বছর ও ৩৩১ ম্যাচ পর অভিনব ঘটনার সাক্ষী বাংলাদেশের ক্রিকেট

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে আজ এক অভিনব অধ্যায় রচিত হলো। দীর্ঘ ২০ বছর এবং ৩৩১টি ওয়ানডে ম্যাচ পর প্রথমবারের মতো মাঠে নামলো এমন এক বাংলাদেশ দল, যার একাদশে নেই পঞ্চপাণ্ডব—মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো ক্রিকেট বিশ্ব। অভিজ্ঞতার পরিবর্তে তারুণ্য ও নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে বাংলাদেশ আজ এক নতুন যুগে প্রবেশ করলো। এই সিরিজই এখন নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের নিজেদের প্রমাণ করার বড় মঞ্চ।

বুধবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে এই নতুন ইতিহাস রচনা হয়। মেহেদি হাসান মিরাজ টস করেছেন বাংলাদেশের পক্ষে, আর এ ম্যাচের মধ্য দিয়েই ওয়ানডে ফরম্যাটে তার অধিনায়কত্বের সূচনা হলো।

২০০৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ছিল সর্বশেষ এমন এক ওয়ানডে, যেখানে পঞ্চপাণ্ডবের কেউই ছিলেন না। সেবারও প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা, মাঠও ছিল কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে হেরেছিল। ২০০৬ সালে সাকিব ও মুশফিকের অভিষেকের পর থেকে প্রতিটি ম্যাচেই পঞ্চপাণ্ডবের অন্তত একজন ছিলেন একাদশে।

আজকের ম্যাচে সেই ধারাবাহিকতা থেমে গেল। বাংলাদেশ ক্রিকেটে শুরু হলো এক নতুন অধ্যায়, এক নতুন প্রজন্মের যাত্রা।

২০০৫ সালের সেই ম্যাচে বাংলাদেশের একাদশে ছিলেন- জাভেদ ওমর, শাহরিয়ার নাফিস, মোহাম্মদ রফিক, আফতাব আহমেদ, মোহাম্মদ আশরাফুল, হাবিবুল বাশার, তুষার ইমরান, খালেদ মাসুদ পাইলট, মানজারুল ইসলাম, সৈয়দ রাসেল ও তাপস বৈশ্য।

এই ম্যাচে মাশরাফি ছিলেন না, কারণ তিনি তখন বিশ্রামে ছিলেন। বাকি চারজনের অভিষেক হয়েছিল পরের বছরগুলোতে। সাকিব ও মুশফিক ২০০৬ সালে, আর তামিম ও মাহমুদউল্লাহ ২০০৭ সালে।

দেশকে ২৪৫ রানের লক্ষ্য দিলো শ্রীলঙ্কা

টেস্ট সিরিজে হারের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাদা বলের ক্রিকেটে নতুন করে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আজ কলম্বোর প্রেমাদাসা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে নেমেছে দুই দল। টাইগারদের বিপক্ষে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা। তবে তার এই সিদ্ধান্ত কাজে আসেনি। বাংলাদেশের বোলারদের দাপটে শ্রীলঙ্কা মাত্র ২৪৪ রানে গুটিয়ে যায়। এখন বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ২৪৫ রানের লক্ষ্য।

বাংলাদেশের পেসারদের দারুণ বোলিংয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় লঙ্কানরা। প্রথম আঘাতটা আনেন তানজিম হাসান সাকিব। মাত্র ৮ বল খেলে রানের খাতা না খুলেই ফিরেন ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা। এরপর দ্বিতীয় ওপেনার নিশান মাদুশকাকেও সাজঘরে পাঠান তাসকিন আহমেদ। তিনি করেন ১৩ বলে ৬ রান। পরের ওভারে চারে নামা কামিন্দু মেন্ডিসও ৪ বল খেলে কোনো রান না করেই তাসকিনের বলে আউট হয়ে ফেরেন।

মাত্র ২৯ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে শ্রীলঙ্কা। তবে সেই চাপ সামাল দেন কুশল মেন্ডিস ও অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা। দুজনে মিলে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যান কুশল, তবে ফিফটির কাছাকাছি গিয়ে ৪৩ বলে ৪৫ রান করে তানভীর ইসলামের বলে আউট হন তিনি। দলীয় রান তখন ৮৯।

অন্যদিকে একপ্রান্ত ধরে ব্যাট করে যান আসালাঙ্কা। তার ব্যাটে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে থাকে শ্রীলঙ্কা। ছয় নম্বরে নামা জানিথ লিয়ানাগে ৪০ বলে ২৯ রান করে শান্তর বলে আউট হন। এরপর আসালাঙ্কার সঙ্গে ছোট ছোট জুটি গড়েন মিলান রাথনায়েকে (২২ রান) ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (২২ রান)। শেষ দিকে ঝড় তোলেন আসালাঙ্কা। পূর্ণ করেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। খেলেন ১২৩ বলে ১০৬ রানের অনবদ্য ইনিংস।

তবে ইনিংসের শেষ ওভারে তানজিম হাসান সাকিব ফেরান তাকে। এরপর একই ওভারে রানআউট হন ঈশান মালিঙ্কা। শেষ পর্যন্ত ৪৮.৫ ওভারে ২৪৪ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ। তানজিম হাসান সাকিব নেন ৩ উইকেট। তানভীর ইসলাম ও নাজমুল হোসেন শান্ত পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

আদানির সব বকেয়া পরিশোধ করল বাংলাদেশ

ভারতের আদানি পাওয়ার থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বকেয়া নিয়ে জটিলতা কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে তাদের সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। পিটিআই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুনে আদানিকে ৪৩৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ, যা এককালীন সর্বোচ্চ পরিশোধের রেকর্ড। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংক্রান্ত আর্থিক জটিলতার অবসান ঘটল।

নয়াদিল্লির সূত্রের বরাত দিয়ে পিটিআই লিখেছে, এর মধ্য দিয়ে আগের বকেয়া, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যয় এবং বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি সংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিষয়ের মীমাংসা হয়ে গেছে। এখন বাংলাদেশের আর কোনো বকেয়া নেই, বরং দুই মাসের বিলের সমপরিমাণ এলসি (ঋণপত্র) এবং সব বকেয়ার জন্য সার্বভৌম গ্যারান্টিও বাংলাদেশ দিয়ে রেখেছে।

পাওনা সংক্রান্ত ঝামেলা না থাকায় আদানি পাওয়ারকে তাদের ঝাড়খণ্ড কেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকেই নির্ধারিত হারে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

ভারতের আরেক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, গত তিন-চার মাস ধরে ৯০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার করে পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ।

২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চুক্তি করে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগ। ২৫ বছর মেয়াদি ওই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ দিতে ভারতের ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় ২০০ কোটি ডলার ব্যয়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়।

দাম কমল এলপি গ্যাসের

ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। জুলাই মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৯ টাকা কমে ১ হাজার ৪০৩ টাকা থেকে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলপি গ্যাসের পাশাপাশি অটোগ্যাসের দামও কমেছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম জুন মাসের ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা থেকে এক টাকা ৮৪ পয়সা কমে ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার নতুন এ মূল্যের ঘোষণা দেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। নতুন এ দাম আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

বিইআরসি চেয়ারম্যানের ঘোষণা অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজির বোতলজাত এলপিজির দাম ৬২৫ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির দাম এক হাজার ৪২১, ১৫ কেজির দাম এক হাজার ৭০৫, ১৬ কেজির দাম এক হাজার ৮১৮, ১৮ কেজির দাম দুই হাজার ৪৬, ২০ কেজির দাম দুই হাজার ২৭৩, ২২ কেজির দাম আড়াই হাজার, ৩০ কেজির দাম তিন হাজার ৪০৯, ৩৩ কেজির দাম তিন হাজার ৭৫০, ৩৫ কেজির দাম তিন হাজার ৯৭৭ এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ১১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২ জুন সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ১ টাকা ২৭ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে চার দফা কমেছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, আর বেড়েছে সাত দফা। এ দফা ছিল অপরিবর্তিত। গত বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর বাড়ানো হয়েছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আর দাম কমেছিল এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বরে। তবে দাম অপরিবর্তিত ছিল ডিসেম্বরে।

সংস্কার ও বিচার ছাড়া নির্বাচনে অংশ নিবে না এনসিপি: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংস্কার ও বিচার ছাড়া নির্বাচনে অংশ নিবে না এনসিপি। একটি দল শুধু নির্বাচনের কথা বলছেন। ছাত্র জনতা শুধু নির্বাচনের জন্য জীবন দেয় নি। সংস্কার ও বিচার ছাড়া যদি শুধু নির্বাচন হয় তাহলে ফ্যাসিবাদের আবারো জন্ম হবে।

লালমনিরহাটে বুধবার সন্ধ্যায় পদযাত্রা শেষে মিশন মোড়ে পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি ।

তিনি আরো বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কোনো টালবাহানা এনসিপি মেনে নেবে না। বাস্তবসম্মত উপায়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘উন্নয়ন মানে শুধু ঢাকার উন্নয়ন নয়। দেশজুড়ে উন্নয়নের কথা বলা হলেও সেই উন্নয়ন এখনো সবার কাছে পৌঁছেনি। যত দিন লালমনিরহাটের প্রান্তিক মানুষের কাছে উন্নয়নের সুবিধা না আসবে, তত দিন সেই উন্নয়ন আমরা মানি না।’

পদযাত্রায় আরো বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলেও ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। সেই মাফিয়াতন্ত্র, সেই সন্ত্রাস, সেই দখলদারত্ব কিন্তু রয়েই গেছে। ফলে আমরা মনে করি, আমাদের এই লড়াই এখনো শেষ হয়নি। সেই লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস ধরে রাখার জন্য গণ-অভ্যুত্থানের নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি গঠিত হয়েছে। এই দলের প্রধান কাজ হলো এ দেশের মানুষকে যেন আর দাস হয়ে থাকতে না হয়।’

সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়ার বাস্তব অগ্রগতি নেই: জোনায়েদ সাকি

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়ার বাস্তব অগ্রগতি নেই বলে মন্তব্য করে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, সংস্কারের আলোচনা ও প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও বাস্তবে এর কোনো প্রতিফলনই দেখা যাচ্ছে না। এখনও ঘুষ, দুর্নীতি, লুটপাট অব্যাহত রয়েছে। এখনও বৈষম্য ও শোষণ-বঞ্চনা চলছেই।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মেরিনার্স কমিউনিটি আয়োজিত মানববন্ধনে জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন। ভিসা সমস্যার সমাধান, বেকার ক্যাডেট এবং রেটিংসদের চাকরি নিশ্চিতকরণ এবং ডিপ্লোমাধারীদের সিডিসি প্রদানের অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বাতিলের ৫ দফা দাবিতে মেরিনারদের এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জোনায়েদ সাকি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ও তার উপদেষ্টাদের কাছে জানতে চাই- এখনও ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ ও লুটেরাদের আস্তানা ধ্বংস করতে না পারলে ক্ষমতায় আছেন কেন? এসব অব্যাহত থাকলে তা হবে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রক্ত ও তাদের আকাঙ্খার প্রতি অবমাননা। মেরিনারদের পাঁচদফা দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে অনতিবিলম্বে এসব দাবি পূরণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ মেরিনার্স কমিউনিটির মুখ্য সংগঠক ক্যাপ্টেন রেদওয়ান সিকদারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের  সংগঠক দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক মোহাম্মদ উল্লাহ মধু, মেরিন ক্যাপ্টেন আতিক ইউ এ খান, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম জিলানী, ইঞ্জিনিয়ার রইচ উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ, চিফ অফিসার কায়কোবাদ, ইঞ্জিনিয়ার বজলুল রহমান প্রমুখ।

শ্রীলঙ্কায় ইন্টারনেট সেবা শুরু করল ইলন মাস্কের স্টারলিংক

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক এবার শ্রীলঙ্কায় তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। বুধবার ইলন মাস্ক নিজেই মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন।

মাস্ক তার পোস্টে লিখেছেন, “স্টারলিংক এখন শ্রীলঙ্কায়।” এর মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা উচ্চগতির স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবার আওতায় আসবেন, যা প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেট অ্যাক্সেস সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত মাসে বাংলাদেশে স্যাটেলাইটভিত্তিক এ ইন্টারনেট সেবা শুরু হয়। এছাড়া পাকিস্তানে গত মার্চে স্টারলিংকের যাত্রা শুরুর অনুমোদন দেওয়া হয়।

অপরদিকে চলতি বছরের শুরুতে ভারতীয় টেলিকম জায়ান্ট ভারতী এয়ারটেল এবং রিলায়েন্স জিও স্টারলিংকের সঙ্গে চুক্তি করে। তাদের মাধ্যমে ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হবে এই ইন্টারনেট সেবা।

স্টারলিংক মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের একটি শাখা। তারা দ্রুত সময়ে বিশ্বব্যাপী নিজেদের সম্প্রসারণ করেছে। এ পর্যন্ত বিশ্বের ১২৫টি দেশে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা চালু হয়েছে।

প্রকাশ্যে বোরকা ও নিকাব পরা নিষিদ্ধ করলো কাজাখস্তান

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কাজাখস্তানের পার্লামেন্ট প্রকাশ্যে বোরকা ও নিকাব পরা নিষিদ্ধ করেছে। এখন এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ত তোকায়েভের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কাজাখস্তানে জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ মুসলিম। সরকার বলছে, নিরাপত্তার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ মুখ ঢেকে রাখলে কাউকে চেনা কঠিন হয়, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমস্যা তৈরি করে। এছাড়া, তারা চায় দেশের ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতি বজায় রাখতে।

তবে এই নিষেধাজ্ঞার কিছু ব্যতিক্রম আছে। যেমন- চিকিৎসার কারণে, ঠান্ডা আবহাওয়ায়, চাকরির প্রয়োজন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা জরুরি সেবার কাজে মুখ ঢেকে রাখা যাবে।

এর আগেও কাজাখস্তানে ধর্মীয় পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ২০১৭ সালে স্কুলছাত্রীদের হিজাব পরা বন্ধ করা হয়, পরে ২০২৩ সালে শিক্ষকরাও এর আওতায় আসে।

রাষ্ট্রপতি তোকায়েভ নিজে মুসলমান হলেও তিনি মনে করেন, দেশের নীতি-নির্ধারণে ধর্মের প্রভাব থাকা উচিত নয়। তিনি বলেছেন, নিকাব হলো মৌলবাদীদের চাপিয়ে দেওয়া পোশাক, যা কাজাখ সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না।

উল্লেখ্য, এর আগে উজবেকিস্তান ও কিরগিজস্তান একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব দেশে মৌলবাদ ঠেকাতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।