Home Blog Page 402

বাংলাদেশে সামরিক ঘাঁটি নিয়ে আমেরিকার দাবি ভিত্তিহীন: চীনা রাষ্ট্রদূত

চীন বাংলাদেশে কোনো সামরিক ঘাঁটি তৈরি করতে চায় না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। আজ বুধবার এক অনুষ্ঠানে এ ব্যাপারে তিনি বলেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার এমন দাবি ভিত্তিহীন। বেইজিং বন্ধুত্বের সম্পর্ককেই গুরুত্ব দেয় বেশি। অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলছেন, এই প্রতিবেদন নিয়ে কিছুই জানেন না তিনি।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী হুমকি মূল্যায়ন নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা। এতে দাবি করা হয়, নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করতে চায় চীন। আরও উল্লেখ্য করা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ডসহ ১৬টি দেশে অবকাঠামো নির্মাণ করতে চায় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)।

রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এই প্রতিবেদন সম্পর্কে চীনের রাষ্ট্রদূতের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, মার্কিন প্রতিবেদনটি সত্য নয়। কোন তথ্যের ভিত্তিতে এটি তৈরি করা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইয়াও ওয়েন।

গাজায় তাণ্ডব চলছেই, আরও ২৮ মরদেহ উদ্ধার

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ২৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা প্রায় ৫৪ হাজার ১০০ জনে পৌঁছেছে। বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, ইসরায়েলের লাগাতার হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ হাজার ৮৪ জনে পৌছেঁছে বলে বুধবার জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে হামলা শুরুর ৬০০তম দিনে এ তথ্য জানায় তারা।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন হাসপাতাল ও মেডিক্যাল সেন্টারে নতুন করে ২৮টি লাশ আনা হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরও ১৭৯ জন। সব মিলিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৩০৮ জনে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন কিংবা রাস্তায় পড়ে আছেন, যাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না উদ্ধারকারীরা।

গত ১৮ মার্চ ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবারও গাজায় হামলা শুরু করে। তখন থেকে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৯২৪ জন নিহত এবং আরও ১১ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এর ফলে চলতি বছরের জানুয়ারিতে হওয়া যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের চুক্তিটি কার্যত ভেঙে পড়ে।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তার তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

এ ছাড়া গাজায় ইসরায়েলের এই যুদ্ধকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলাও চলছে।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকার নেয়নি: খন্দকার মোশাররফ

ভোট বা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকার নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, আমরা এই সরকারকে সমর্থন ও সাহস দিয়ে প্রত্যাশা করেছি- অতি দ্রুত মানুষের নির্বাচনের অধিকার ফিরিয়ে দেবে। কিন্তু ১০ মাস অতিক্রম করছে; আমরা দেখছি জনগণের অধিকারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ভোটের অধিকার। আর ভোট ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মতো এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।

আজ বুধবার (২৮ মে) বিকেলে নয়া পল্টনে আয়োজিত তারুণ্যের সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা বারবার তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি কেন অতি দ্রুত নির্বাচন দরকার। কারণ, সরকার দেশে-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র করছে। নির্বাচনকে বিলম্বিত করার জন্য তারা ষড়যন্ত্র করছে। তা না হলে সংস্কার ও মামলার বিষয়টিকে নির্বাচনের সঙ্গে কেন যুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী টোয়েন্টি-থার্টি ভিশন ঘোষণা করেছে এবং তারেক রহমান ১৯ দফা কর্মসূচি নিয়ে জনগণের কাছে তুলে ধরছেন। অর্থাৎ আমরা সংস্কার নিয়ে সবসময় চিন্তা করেছি। কিন্তু সকল সংস্কার এককথায় করা যাবে না, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

বিএনপি নেতা বলেন, আমরা চাই নির্বাচনের সংস্কার অতি দ্রুত শেষ করে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। তা না হলে তারুণ্যকে নিয়ে আমরা এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করব। এই ষড়যন্ত্র জনগণকে মোকাবেলা করতে হবে।

এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তিতে নারায়ণগঞ্জে দোয়া মাহফিল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তিতে দোয়া নারায়ণগঞ্জ জেলার উপজেলাসমূহে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ তাদের ক্ষমতার ১৭ বছরে জুলুম নির্যাতন গুম খুন আর অন্যায়ভাবে ফাসি দিয়ে বিরোধী মতকে দমনের যে পৈশাচিক ধারা শুরু করেছিলো তা যেন আর ফিরে না আসে এ জন্য দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

রূপগঞ্জ উপজেলা পশ্চিমের আমীর মাওলানা ফারুক হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ আলী খান, থানা সেক্রেটারি মোহাম্মদ হানিফ ভূঁঞা, থানা কর্ম পরিষদ সদস্য আমজাদ হোসেন,  হাফেজ মহিউদ্দিন, ইসমাইল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেশকে ভারতের একটি তাবেদার রাজ্যে পরিণত করেছিল। প্রতিবেশী দেশের ইশারায় ক্যাঙ্গারু কোর্ট তৈরি সাজানো মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য আর মিথ্যা বয়ানের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদেরকে হত্যা করেছে। এ টি এম আজহারুল ইসলামকেও তারা হত্যার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছিলো কিন্তু আল্লাহর কুদরত তিনি তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। এ টি এম আজহারুল ইসলামের বেঁচে থাকা তথাকথিত মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মুখোশ উম্মোচনের জন্য প্রয়োজন ছিল। দেশের সর্বোচ্চ আদালত বলেছে যে, ইতঃপূর্বে যে রায়সমূহ দেয়া হয়েছে তা সবই ছিল অন্যায় এবং ন্যায়ভ্রষ্ট।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের যে সকল নেতাদেরকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে, কোনো বিচার ছাড়াই শাহবাগে মব সৃষ্টি করে ফাঁসির আবহ তৈরী করা হয়েছে এ সকল আয়োজনের সাথে যারা জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানান। একই সাথে শাহবাগে মব সৃষ্টিকারী লাল রাজনীতির সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার জন্য তিনি দাবী জানান।

অতিভারী বৃষ্টিপাতের আভাস, পাহাড় ধসের শঙ্কা

ঢাকাসহ দেশের ছয় বিভাগে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এক সতর্কবার্তায় সংস্থাটি জানিয়েছে, এই সময়ে কয়েক জেলায় পাহাড় ধসও হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মি.মি./২৪ ঘণ্টা) থেকে অতিভারী (১৮৮ মি.মি./২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে।

অতিভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলাসমূহের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে। এছাড়াও ভারী বর্ষণজনিত কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।

অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার জাপানে আয়োজিত নিক্কেই সম্মেলনে দেয়া এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. ইউনূস বলেন, মানুষের ন্যায়বিচার, সমতা, স্বাধীনতা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করতে এবং গণতন্ত্রে মসৃণ রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সাধারণ নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। একটি অস্থির বিশ্বে জনগণের ক্ষমতায়ন ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এশিয়া এবং এর বাইরেও একের পর এক সংঘাতের সূত্রপাত হচ্ছে, যার ফলে শান্তি এখন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অধরা হয়ে উঠেছে। ইউক্রেন, গাজা ও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে যুদ্ধ ও মানবসৃষ্ট সংকটে হাজার হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকা ধ্বংস হচ্ছে।

ড. ইউনূস আরও বলেন, যুদ্ধে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে, অথচ সেই অর্থের অভাবে লাখ লাখ মানুষ অনাহারে দিন কাটাচ্ছে কিংবা মৌলিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে। মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ এক নৃশংস রূপ নিয়েছে এবং সাম্প্রতিক ভূমিকম্প সেই সংকটকে আরও গভীর মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত করেছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সংঘটিত সীমিত আকারের এক যুদ্ধের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর জন্য উভয় দেশের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রত্যাশা করি। আন্তঃনির্ভরশীলতাকে দ্বন্দ্বে নয়, সহযোগিতায় রূপান্তর করতে হবে। এশিয়ার দেশগুলোকে শূন্য-সমষ্টিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বদলে ভাগ করে নেয়া সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরে রেকর্ড কনটেইনার জট: শুল্কায়ন জটিলতায় ধীরগতি

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জট রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৭ মে) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বন্দরের অভ্যন্তরে ৪৫ হাজার ৩৭৭ টিইইউস (টোয়েন্টি-ফুট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট) কনটেইনার জমা হয়েছে, যা বন্দরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে গত মঙ্গলবার (২০ মে) রেকর্ড ৪৪ হাজার ২৩১ টিইইউস কনটেইনারের জট দেখা গিয়েছিল।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই অভূতপূর্ব জটের মূল কারণ হলো গত সপ্তাহজুড়ে কাস্টমসে চলা কর্মবিরতি, যার ফলে আমদানি কনটেইনারের শুল্কায়ন ও খালাস প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে বিলম্বিত হয়েছে। যদিও মাঝখানে কনটেইনারের পরিমাণ ৪১ হাজারে নেমে এসেছিল, তবে আমদানি অনুপাতে শুল্কায়ন না হওয়ায় খালাস প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এর ফলস্বরূপ, বন্দরে নতুন আমদানি কনটেইনার নামলেও আনুপাতিক হারে সেগুলো খালাস হয়নি, এবং রফতানি কনটেইনার জাহাজীকরণেও বিলম্ব হয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে জট বাড়িয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আজ সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বন্দর অভ্যন্তরে ৯৫২০ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি ও বহির্নোঙর মিলে ১০৫টি পণ্য ও কনটেইনারবাহী জাহাজ অবস্থান করছে। এর মধ্যে ৬৭টি জাহাজ থেকে কনটেইনার ও বাল্ক পণ্য খালাস চলছিল। গতকাল সোমবারও বন্দরে ১১১টি জাহাজ ছিল।

বন্দরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জাহাজ থেকে বন্দরে নেমেছে ৬৫১১ টিইইউস কনটেইনার, এবং ঢাকা আইসিডি (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) থেকে এসেছে ৬২ টিইইউস। অফডকগুলো থেকে রপ্তানিপণ্য ভর্তি ২৬৯৫ টিইইউস কনটেইনার এবং ৮০৭ টিইইউস খালি কনটেইনার বন্দরে এসেছে।

একই সময়ে, বন্দরে ৩০০৯ টিইইউস কনটেইনার জাহাজীকরণ হয়েছে। ৭৬ টিইইউস কনটেইনার ঢাকা আইসিডিতে পাঠানো হয়েছে এবং অফডকগুলোতে আমদানিপণ্য ভর্তি ১১৫০ টিইইউস কনটেইনার পাঠানো হয়েছে। বন্দর থেকে ৯৫৪ টিইইউস খালি কনটেইনার অফডকগুলোতে পাঠানো হয়েছে। সরাসরি আমদানিকারকদের কাছে ১০২১ টিইইউস আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনার (অনচেচিজ) ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে এবং বন্দর অভ্যন্তর থেকে ১৩৬৮ টিইইউস কনটেইনার পণ্য খালাস দেওয়া হয়েছে।

গরমে তালের শাঁসের যত উপকারিতা

গরমে মানুষ শীতল এবং সতেজ থাকার জন্য প্রাকৃতিক উপায় খোঁজে। তালের শাঁস কেবল সতেজই করে না সেইসঙ্গে আরও অনেক উপকারিতা নিয়ে আসে। মূলত তাল কাঁচা অবস্থায় এর ভেতরে যে বীজ থাকে সেই নরম শাঁসই হলো তালশাঁস।

তালশাঁস যে কারণে উপকারী: তালশাঁস হলো পানি, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের একটি প্রাকৃতিক উৎস। এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে, যা গ্রীষ্মকালে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ফলে ক্যালোরি কম থাকে এবং কোনো চর্বি থাকে না, যা শিশু এবং বয়স্কদের সহ সবার জন্য এটিকে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার।

তালশাঁস পটাসিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ। পটাসিয়াম শরীরে তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পেশীগুলোকে ভালভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। আয়রন রক্তের সুস্থতা বজায় রাখে। ভিটামিন এ এবং সি ত্বককে উজ্জ্বল করতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলটি পেটের জন্যও কোমল। এটি হজমে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটি বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা প্রতিরোধ করে।

প্রাকৃতিক হাইড্রেশন: তালশাঁসের সবচেয়ে ভালো দিকগুলোর মধ্যে একটি হলো এর উচ্চ জলীয় উপাদান। প্রতিটি কামড় প্রাকৃতিক, মিষ্টি রসে পরিপূর্ণ যা ঘামের মাধ্যমে নষ্ট হওয়া তরলের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। যারা বাইরে বেশি সময় কাটান, খেলাধুলা করেন অথবা তাপ থেকে দ্রুত মুক্তি চান তাদের জন্য এটি বেশ কার্যকরী।

তালশাঁস খাওয়া সহজ। বাইরের পাতলা খোসা ছাড়িয়ে নিন এবং ভেতরে নরম, জেলির মতো ফল উপভোগ করুন। এটি এমনিতেই খেতে সুস্বাদু। আবার চাইলে ফলের সালাদে যোগ করতে পারেন অথবা ঠান্ডা খাবারের জন্য স্মুদিতে মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি টাটকা এবং ঠান্ডা করে খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

ত্বকের জন্য ভালো: তালশাঁস ত্বকের জন্যও ভালো। এর ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ ত্বককে নরম এবং উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। যেহেতু তালশাঁস হজম করা সহজ, তাই যাদের পেট সংবেদনশীল বা অসুস্থতা থেকে সেরে উঠছেন তাদের জন্যও এটি উপকারী। ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, তালশাঁসের মতো উচ্চ পানির উপাদানযুক্ত ফল ডিহাইড্রেশন এবং তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা প্রতিরোধে কার্যকর। এই গবেষণায় সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য গ্রীষ্মকালে মৌসুমী, পানি-সমৃদ্ধ ফল খাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

মানসিক সুস্থতার জন্য টিকটক নিয়ে এলো মেডিটেশন ফিচার

ডিজিটাল সুস্থতার প্রতি গুরুত্ব দিতে টিকটক চালু করেছে গাইডেড মেডিটেশন ফিচার। এই ফিচারটি ব্যবহারকারীদের ভালো ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়তা করবে। ফিচারটি ২.৩ মিলিয়ন ডলারের গ্লোবাল মেন্টাল হেলথ এডুকেশন ফান্ডের সঙ্গে চালু করা হয়েছে, যা টিকটকে একটি নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে টিকটক।

টিকটকের নতুন মেডিটেশন ফিচারটি অ্যাপটির পূর্ববর্তী ‘স্লিপ আওয়ারস’ ফিচারের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মেডিটেশন ঘুমের মান উন্নয়নে সাহায্য করে। এজন্য শুরু থেকেই টিকটক মেডিটেশন ফিচারটি সব বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করেছে।

১৮ বছরের নিচে বয়সীদের জন্য এই ফিচারটি ডিফল্টভাবে চালু থাকবে। রাত ১০টার পর, তাদের ‘ফর ইউ’ ফিডটি সাময়িকভাবে একটি গাইডেড মেডিটেশন প্রম্পটে প্রতিস্থাপিত হবে। যদি তারা ব্রাউজিং চালিয়ে যায়, একটি দ্বিতীয় স্ক্রীন দৃশ্যমান হবে। যা স্বাস্থ্যকর স্ক্রীন টাইম অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

টিকটকের অভ্যন্তরীণ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৯৮ শতাংশ কিশোর-কিশোরী এই মেডিটেশন ফিচারটি চালু রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট মেডিটেশন করার পরামর্শ দেন। যা মানসিক চাপ কমাতে ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। জ্যামা ইন্টারনাল মেডিসিন এবং হার্ভার্ড হেলথের গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর আগে ১০–১৫ মিনিট মেডিটেশন করলে ঘুমের মান উন্নত হয় এবং মানসিক ভারসাম্য বজায় থাকে।

বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও এগিয়ে নিতে, টিকটক ২২টি দেশের ৩১টি মানসিক স্বাস্থ্য সংগঠনকে ২.৩ মিলিয়ন ডলারের বিজ্ঞাপন ক্রেডিট প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে। এই উদ্যোগটি ২০২৫ সালের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা তহবিলের অংশ। যা তাদের সহযোগীদের বিশ্বাসযোগ্য এবং আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করতে সহায়তা করবে। যা টিকটক-নেতৃত্বাধীন প্রশিক্ষণ ও সহায়তার মাধ্যমে তাদের পৌঁছানোর পরিধি বৃদ্ধি করবে।

টিকটকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ট্রাস্ট এন্ড সেফটি লিড আসমা আনজুম বলেন, ‘বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং নেপালের মতো দেশে, একসময় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা ছিল ট্যাবু তবে এখন এটি মুক্তভাবে আলোচনা করা হচ্ছে। আমরা একটি ইতিবাচক সাংস্কৃতিক পরিবর্তন দেখছি। ইন-অ্যাপ টুলস ও পাবলিক অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই অগ্রগতিতে অবদান রাখছে।’

মেডিটেশন ফিচার এবং মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা তহবিল টিকটকের ডিজিটাল সুস্থতা ও সামাজিক প্রভাবের বৃহত্তর প্রতিশ্রুতির অংশ। নতুন ফিচারটির মাধ্যমে টিকটক আবারও প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে, এটি শুধু বিনোদন প্রদানকারী প্ল্যাটফর্মই নয়। বরং এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা সমাজে অর্থপূর্ণ পরিবর্তন আনতে এবং সম্প্রদায়গুলিকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখছে।

মুসলিম উম্মাহর বিশ্ব সম্মেলন হজ

মুসলিম উম্মাহর বিশ্ব সম্মেলন হজহজ আদায় করা মুমিনদের জীবনের এক বড় সৌভাগ্য। আল্লাহ আল কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘আর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষের ওপর অবশ্য কর্তব্য হলো ওই পবিত্র ঘর বায়তুল্লাহর হজ করা। পবিত্র হজ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ইসলাম ধর্ম পাঁচটি খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

এগুলো হলো, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও রসুল এ সাক্ষ্য দেওয়া, সালাত কায়েম, জাকাত আদায়, হজ করা ও রমজানে সিয়াম পালন (বুখারি, মুসলিম)।’

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) বলেন, ‘হে আমার উম্মত! আল্লাহ তোমাদের ওপর হজ ফরজ করেছেন। সুতরাং সামর্থ্য হলে তোমরা হজ আদায় কর (মুসলিম) হজ সবার ওপর ফরজ নয়।’ হজ মূলত মুসলমানদের বিশ্ব সম্মিলন।

হজ ফরজ হতে হলে এ শর্তগুলো থাকা জরুরি- ১. মুসলমান হওয়া। কোনো অমুসলিমের জন্য হজ আদায় করার অনুমতি নেই। আল্লাহ বলেন, ‘হে ইমানদারগণ! নিশ্চয়ই মুশরিকরা অপবিত্র। তারা যেন মসজিদে হারামের কাছেও না আসে (সুরা তাওবাহ, আয়াত ২৮)।’ ২. প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন হওয়া।

অপ্রাপ্তবয়স্ক ও পাগলের ওপর হজ ফরজ নয়। রসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তি থেকে আমলনামার কলম উঠিয়ে রাখা হয়েছে। তারা হলো- পাগল, যতক্ষণ না তার মস্তিষ্ক সুস্থ হয়। ঘুমন্ত ব্যক্তি, যতক্ষণ না সে জেগে ওঠে। শিশু, যতক্ষণ পর্যন্ত সে প্রাপ্তবয়স্ক না হয় (মুসতাদরাক)।’ আজাদ বা স্বাধীন হওয়া। দাস-দাসীর ওপর হজ ফরজ নয়।

হজ আদায় করার সামর্থ্য থাকা। এ সামর্থ্য তিন দিক থেকে থাকা শর্ত যথা- ক. দৈহিক সামর্থ্য। অর্থাৎ কাবা শরিফ পর্যন্ত সফর করার শারীরিক যোগ্যতা থাকা। শারীরিকভাবে অক্ষম, অন্ধ, খোঁড়া, পক্ষাঘাতগ্রস্ত, জরাজীর্ণ বৃদ্ধ স্বয়ং চলাফেরায় অক্ষম এরূপ লোকের ওপর হজ ফরজ নয়। এমন ব্যক্তির যদি আর্থিক সামর্থ্য থাকে তাহলে বদলি হজ করানো ওয়াজিব। খ. আর্থিক সামর্থ্য। অর্থাৎ পরিবারপরিজন, চাকরবাকরদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করে কোনো ব্যক্তির কাছে হজে যাওয়া-আসা ও পাথেয় খরচ থাকলে তার ওপর হজ ফরজ হবে। গ. নিরাপত্তা। যাতায়াতের পথ নিরাপদ থাকা। ৫. রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা না থাকা। ৬. হজের সময় বা মৌসুম হওয়া। হজের মৌসুম বলতে শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজের প্রথম ১০ দিনকে বোঝায় অথবা এমন সময়কে বোঝায় যখন থেকে রাষ্ট্রে হজের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

কোনো ব্যক্তির জীবনের কোনো একটি বছরে উপরিউক্ত শর্তগুলোর সমন্বয় ঘটলে তার ওপর হজ ফরজ হয়ে যায়। সে যদি ওই বছর হজ আদায় না করে এবং পরে যদি সামর্থ্য হারিয়েও ফেলে তবু সে হজ আদায়ের দায় থেকে মুক্ত হবে না। মহিলাদের হজ ফরজ হওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আরও দুটি শর্ত রয়েছে। ১. মহিলাদের সঙ্গে স্বামী অথবা এমন কোনো মুহরিম পুরুষ থাকা। মুহরিম তারা যাদের সঙ্গে চিরস্থায়ীভাবে বিয়ে নিষিদ্ধ। কোনো নারী যদি মুহরিম সঙ্গী ছাড়া হজ করে তার হজ আদায় হবে, কিন্তু মুহরিম ছাড়া সফরের কারণে গুনাহ হবে। এ ক্ষেত্রে বদলি হজ করানোই উত্তম। ২. স্বামীর মৃত্যু বা তালাকের কারণে ইদ্দত পালনকালে নারীরা হজে গমন করবে না (ফাতহুল বারি)।

হজ কখন আদায় করতে হয় এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে দুটি মত আছে। একদল আলেম মনে করেন কোনো ব্যক্তি যখন হজ করার সামর্থ্য লাভ করে তখন ওই বছরই হজ আদায় করা কর্তব্য। অন্যথায় বিলম্বের কারণে গুনাহগার হবে। বিলম্ব করে পরবর্তী কোনো বছরে আদায় করলেও হজ হয়ে যাবে। কিন্তু অহেতুক বিলম্ব করা অনুচিত। কেননা হজ অনাদায়ী রেখে মৃত্যুবরণ করলে মারাত্মক গুনাহ হবে। হজ আদায়ের আগে অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তার জীবদ্দশায়ই বদলি হজ করানো উচিত। আর এ সুযোগও না পেলে ওয়ারিশদের উচিত ওই ব্যক্তির বদলি হজ আদায় করে তাকে দায়মুক্ত করা।

কেননা হজ সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর মহান আল্লাহর হক। আরেক দল আলেম বলেন, হজ ফরজ হওয়ার পর বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে বিলম্ব করলে দোষ নেই। কারণ হজ ফরজ হয়েছে ষষ্ঠ হিজরিতে, রসুল (সা.) হজ আদায় করেছেন দশম হিজরিতে। তাই দেরি করে হজ করলে তাতে অসুবিধা নেই। তবে সব আলেম একমত, হজ ফরজ হলে বিনা কারণে দেরি করা উচিত নয় (তাফসিরে ইবনে কাসির)। আল্লাহতায়ালা আমাদের হজ-ওমরাহ জিয়ারতে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবুল করুন। আমিন।