Home Blog Page 403

৮০০ গোল ছুঁয়ে রোনালদো বললেন ‘এই অধ্যায় শেষ’

বছর তিনেক আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে আল নাসরের হয়ে খেলছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সৌদি পেশাদার লিগ মৌসুম শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে পর্তুগিজ এই তারকা সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘একটি অধ্যায় শেষ।’ সেটিই তীব্র কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

সোমবার সৌদি প্রো লিগে আল ফাতেহর সঙ্গে আল-নাসরের ম্যাচ ছিল। ৩-২ গোলে হেরে গেছে রোনালদোর দল। যদিও এদিন আল-নাসরের হয়ে ৯৯তম গোল আর ক্লাব ক্যারিয়ারের ৮০০তম গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন।

এরই মধ্যে রোনালদোর পোস্ট ঘিরে জল্পনা চলছে। এখনই ক্যারিয়ার যে থামছে না সে ইঙ্গিত আছে তার পোস্টে। ধারণা করা হচ্ছে, আল-নাসরের সাথে সম্পর্ক শেষের ইঙ্গিত দিয়েছেন সিআরসেভেন।

৪০ বছর বয়সী পর্তুগিজ এই সুপারস্টার ২০২২ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে আল-নাসরে যোগ দিয়েছিলেন। এবারের গ্রীষ্মে সৌদি পেশাদার ক্লাবটির সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হবে। ক্লাব বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ৩২টি ক্লাবের জন্য এ বছর ফিফা আগামী ১-১০ জুন বিশেষ একটি ট্রান্সফার উইন্ডোর খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আল-নাসর এবারের ক্লাব বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না। সৌদি লিগ থেকে আল-হিলাল খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের টুর্নামেন্টটিতে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো গত সপ্তাহে বলেছেন আগমী ১৪ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া বর্ধিত কলেবরের এবারের টুর্নামেন্টে ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস ও স্পোর্টিং লিসবনের সাবেক এই তারকা খেলোয়াড়ের খেলার ব্যপারে আলোচান চলছে।

গতকাল আল নাসর জার্সি পরিহিত অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের একটি ছবি দিয়ে সেখানে রোনাল্ডো বলেছেন, ‘এখানকার অধ্যায় শেষ। গল্পটা? এখনো লেখা হচ্ছে। সবার কাছে কৃতজ্ঞ।’ যদিও বিষয়টিকে অনেকেই রহস্যময় বলে দাবি জানিয়েছেন।

গত মাসে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে জাপানের কাওয়াসাকি ফ্রন্টেলের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে আল-নাসর। সৌদি পেশাদার লিগে তৃতীয় স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে। লিগে সর্বোচ্চ ২৪ গোল করেছেন রোনালদো।

গত বছরই পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো বলেছিলেন তার আল-নাসর ক্যারিয়ার হয়তো শেষ হতে চলেছে। রোনালদোর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ইন্টার মিয়ামির হয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে খেলবেন। ইউটিউবার ও স্ট্রিমার আইশোস্পিডের সাথে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘ক্লাব বিশ্বকাপে হয়তোবা রোনালদো একটি দলের হয়ে খেলতে পারেন। বেশ কিছু ক্লাবের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। ক্লাব বিশ্বাকাপে রোনালদোকে যেকোনো একটি দল নিলে তা অবাক হওয়ার মত বিষয় হবে না, দেখা যাক কি হয়।’

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে অসম্মানিত হয়নি এমন একটা মানুষ দেখান

আসন্ন কোরবানির ঈদে মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ইনসাফ’-এর পোস্টার ঝড় তোলে নেটদুনিয়ায়। মোশাররফ করিম, তাসনিয়া ফারিণ, শরিফুল রাজের লুক নজর কাড়ে সিনেমাপ্রেমীদের। একের পর এক ধামাকা দেখাচ্ছেন সিনেমার পরিচালক সঞ্জয় সমদ্দার। এবার পাকাশ্যে এসেছে ‘ইনসাফ’ সিনেমার ওয়ার্নিং।

সোমবার সন্ধ্যায় ‘ইনসাফ’-এর ট্রেলার মুক্তি দেওয়া হয়। যেখানে শুরুতেই দেখা যায় ক্ষতবিক্ষত মরদেহ একটি জলাধারের পাশে পড়ে আছে। এরপরই শুরু হয় ভায়োলেন্স আর অ্যাকশন দৃশ্য। একটু পরেই সামনে আসেন এ সিনেমার অন্যতম অভিনেতা শরিফুল রাজ। এক মিনিট বাইশ সেকন্ডের ওয়ার্নিং যেন সত্যিই ওয়ার্নিং দিয়ে গেল।

এদিকে ভিডিও থেকে একটি কণ্ঠ ভেসে আসছে যেখানে শোনা যাচ্ছে, ঢাকা শহরে এতো অপরাধ বেড়ে গেছে। সবাই ভাবছে এক সময়ের ত্রাস ইউসুফ হয়তো আবার ফিরে এসেছে। আজব ক্যারেক্টার। খুন করার পর নাকি সে দুধ দিয়ে গোসল করে। ইউসুফ কোনো সাধারণ মাস্তান না।

একের পর এক মারকাটারি দৃশ্যে ত্রাস তৈরি করেছেন শরিফুল রাজ! শুধুমাত্র একা নন পুরো দল নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলা করছেন ইউসুফ। তার আতঙ্কে তটস্থ গোটা অঞ্চল। এরপরই শরিফুলকে বলতে শোনা যায়, বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করসে ভালো কাজ করছে কিন্তু অসম্মানিত হয় নাই এমন একটা মানুষ দেখান তো!

শরিফুলময় ‘ইনসাফ’-এর ওয়ার্নিংয়ে পুলিশের চরিত্রে দেখা গেছে তাসনিয়া ফারিণকে। এক মিনিট বাইশ সেকেন্ডের ভিডিওতে জায়গায় পেয়েছেন ঢালিউডের খলঅভিনেতা মিশা সওদাগর, অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু।

অ্যাকশানে ভরপুর ‘ইনসাফ’ সিনেমার প্রথম ঝলক দিলেন সঞ্জয় সমদ্দার। দর্শকদের জন্য শুধু মারকাটারি দৃশ্য দিয়েই খান্ত নন তিনি। রোমান্স দিয়েও সিনেমাপ্রেমীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছেন।

‘ইনসাফে’র ওয়ানিংয়ে হালকা সাদা-পাকা চুল, দাড়িতে এক ঝলক দেখা গেছে জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমকে। তিনিও অ্যাকশন অবতারে নজর কেড়েছেন। চোখে কালো চশমা,হাতে অস্ত্র, পরেছেন সাদা পোশাক। এক ঝলকেই যেন মন ছুঁয়ে গেলেন তিনি।

দেশজুড়ে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতির নির্দেশ ইমরান খানের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কারাবন্দি নেতা ইমরান খান দেশজুড়ে বড় ধরনের আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে, সরকারের সঙ্গে গোপনে লিয়াজোঁ রাখা পিটিআই নেতাদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার(২৭ মে) আদিয়ালা কারাগারে ইমরানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তার বোন ও মুখপাত্র আলিমা খান সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

আলিমা খান বলেন, ইমরান খান স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, “যারা উইকেটের দু’পাশেই খেলতে চায়, দলের মধ্যে তাদের জায়গা হবে না।” এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো যখন দলীয় সূত্রে খবর, পিটিআইয়ের হাইকমান্ড সরকারের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে ইমরান খানের কারামুক্তির চেষ্টা করছেন।

ইমরান খানের বার্তা অনুযায়ী, তিনি সরকারের সঙ্গে কোনো প্রকার আপসে যেতে ইচ্ছুক নন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে সারাজীবন কারাগারে কাটাবেন, কিন্তু মাথা নত করবেন না। এই আপসহীন মনোভাব কর্মীদের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য আরও উৎসাহিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আলিমা খান অভিযোগ করেছেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ইমরান খানের সঙ্গে চরম নিপীড়নমূলক আচরণ করছে। তিনি বলেন, কারাগারে একজন সাধারণ কয়েদিকে যেটুকু অধিকার দেওয়া হয়, ইমরানকে সেটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। গত আট মাসে ইমরানকে মাত্র একবার তার সন্তানদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কারা কর্তৃপক্ষ এখন থেকে তার বোনদেরও কারাগারে দেখা করার অনুমতি বাতিল করেছে।

এদিকে জিও নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইমরান খান আন্দোলন ডাকার পরও পিটিআইয়ের হাইকমান্ড সরকারের সঙ্গে তার কারামুক্তির জন্য সংলাপের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু না হলেও, অনানুষ্ঠানিকভাবে কিছু আলাপ-আলোচনা হয়েছে এবং তাতে কিছু অগ্রগতিও দেখা গেছে। এই অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় পিটিআইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর খান।

ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের হুমকি জার্মানির

গাজায় ইসরায়েলের বর্বর হামলার মুখে এবার দেশটিতে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছে জার্মানি। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মানবিক আইন লঙ্ঘন করে ব্যবহৃত হতে পারে এমন কোনো অস্ত্র ইসরায়েলকে সরবরাহ করবে না বার্লিন। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎসও গাজার চলমান যুদ্ধ নিয়ে ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এই পদক্ষেপকে ইসরায়েলের প্রতি জার্মানির ইতিহাসে সবচেয়ে কঠোর তিরস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানি উভয়ই ইসরায়েলকে সমর্থন দিয়ে আসছিল। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনীর লাগামহীন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে জার্মানি তাদের নীতিতে পরিবর্তন আনছে। এই ঘটনা ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও তাদের ইসরায়েল নীতি পুনর্বিবেচনা করতে উৎসাহিত করেছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং কানাডাও গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

সম্প্রচারমাধ্যম ডব্লিউডিআর-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েলের প্রতি জার্মানির ঐতিহাসিক সমর্থনকে কোনোভাবেই লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। এর আগে ফিনল্যান্ডে এক সংবাদ সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর মের্ৎসও গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলার সমালোচনা করেছিলেন।

ঐতিহাসিকভাবে জার্মানির নেতারা ইসরায়েলের জন্য একটি বিশেষ দায়িত্ব পালনের নীতি অনুসরণ করে থাকেন। সেই প্রেক্ষাপটে দেশটির চ্যান্সেলরের এই কড়া সুর তাৎপর্যপূর্ণ। এর মধ্য দিয়ে জার্মানির জনগণের মতামতেরও একটি বিরাট পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল বলেছেন, “আমরা এখন এমন একটি জায়গায় আছি, যেখানে আমাদেরকে খুব সতর্কতার সঙ্গে ভাবতে হচ্ছে যে, কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়। আমরা যেখানেই ক্ষতি হওয়ার বিপদ দেখব, সেখানেই হস্তক্ষেপ করব। আর আরও ক্ষতি যাতে না হয়, সেজন্য আমরা নিশ্চিতভাবেই অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রাখব।”

বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চায় – আমিনুল হক

বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চায় জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পল্লবীর বাউনিয়াবাধে সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাম মন্দির এর ভিত্তি প্রস্তর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় আমিনুল হক বলেন, পতিত স্বৈরাচার গত ১৭ বছর অসাম্প্রদায়িকের নামে তারা সাম্প্রদায়িককে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিল। তখন তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপরে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়ে- পরে এটাকে বিএনপির নামের ওপরে চালিয়ে দিতো। পতিত স্বৈরাচার এটাই করেছিল গত ১৭ বছর।

বিএনপি একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী  বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যারা মুসলমান রয়েছি, আপনারা যারা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মাবলম্বী  রয়েছেন। আপনাদের প্রত্যেককে সাথে নিয়ে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ- মানবিক বাংলাদেশ- সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ এবং একটি সুন্দর সমাজ গড়তে চাই।

বিএনপির একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমি আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই উল্লেখ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক বলেন, আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদের ভাই- আপনাদের বন্ধু। আমি আপনাদের পল্লবী রূপনগরের ঢাকা-১৬ আসনের একজন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই। বিএনপির একজন প্রতিনিধি হিসেবে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি। বিএনপি এদেশের সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করে। বিএনপি জনগণের দল, জনগণের সহযোগিতা নিয়েই কাজ করতে চায় বিএনপি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির সভাপতি রাইচরন রবিদাস, সাধারণ সম্পাদক রনীল চন্দ্র দাস, কোষাধ্যক্ষ সুজন রবিদাস, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব আলম মন্টু, স্বেচ্ছাসেবকদল ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাবেক সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, মহানগর উত্তর বিএনপি সদস্য সাজ্জাদ হোসেন মোল্লা, ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিম এর সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন সোহেল, পল্লবী থানা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ গাজী, আনিছুর রহমান, মোতালেব হোসেন হাওলাদার,  ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি বাদশা মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম চান, পল্লবী থানা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল খন্দকার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ ইসলাম নীরব, সহসভাপতি মো. নাছির প্রমুখ।

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম

দীর্ঘ কারাভোগের পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম। বুধবার (২৮ মে) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জ কারাগারের তত্ত্বাবধানে তিনি এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ঢাকা বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মো. জাহাঙ্গীর কবির তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, আজহারুল ইসলামের মুক্তির আগে তাকে খালাস দিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) এসে পৌঁছায়। সেখানে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কারা কর্তৃপক্ষ তার মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

এর আগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিল মঞ্জুর করে খালাসের রায় দেন। এই রায়ে সর্বোচ্চ আদালত ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া আজহারের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেওয়া আগের রায় বাতিল ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে অন্য কোনো মামলা না থাকলে তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।

জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন ড. ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চারদিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এই সফরে জাপানে বাংলাদেশের ১ লাখ দক্ষ জনশক্তি পাঠানো, মাতাড়বাড়ি-মহেশখালী প্রকল্পসহ দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়গুলি গুরুত্ব পাবে।

এছাড়া এই সফরে ড. ইউনূস টোকিওতে অনুষ্ঠিত নিক্কেই ফোরামের ‘ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনে অংশ নেবেন। পাশাপাশি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই সফরে বাংলাদেশের ১ লক্ষ দক্ষ জনশক্তিকে জাপানে পাঠানো এবং মাতাড়বাড়ি-মহেশখালীর প্রকল্পসহ দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি প্রাধান্য পাবে। এছাড়া, জাপানি প্রতিষ্ঠান জাইকার সাথেও প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সফরে দুই দেশের মধ্যে ৭টি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। ঢাকা-টোকিও সম্পর্কের অমীমাংসিত সব ইস্যুতে আলোচনা হবে, তবে সামরিক খাত অগ্রাধিকার পাবে না। জাপানের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর ব্যাপারেও কথা হবে, যা এয়ারক্রাফট সংকটে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া, জাপানের কাছ থেকে এক বিলিয়ন ডলার স্বল্প সুদে ঋণ সহায়তার প্রস্তাব করবেন প্রধান উপদেষ্টা।

ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ডিএমপির নিরাপত্তা বিষয়ক ১৮ পরামর্শ

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বাসা-বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি বিতানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮টি নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। মঙ্গলবার (২৭ মে) ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা মেনে চলার জন্য ঢাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, ঈদের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে ব্যক্তিগত সচেতনতা ও প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি।

১৮টি  নির্দেশনা হলো-

১. কোরবানির পশু পরিবহনে ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও নৌযান ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

২. পশুবাহী পরিবহনের সামনে নির্দিষ্ট গন্তব্য ও হাটের নাম লিখে রাখতে হবে।

৩. ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত পশু পরিবহন করা যাবে না এবং নির্দিষ্ট স্থানে লোড-আনলোড করতে হবে।

৪. পশুর হাটে অজ্ঞানপার্টি ও মলমপার্টি থেকে সাবধান থাকতে হবে। অপরিচিত কারও দেওয়া কিছু খাওয়া যাবে না।

৫. জাল নোট সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং লেনদেনের সময় সতর্ক থাকতে হবে। পশু বিক্রির অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা এবং নগদ অর্থ স্থানান্তরে ডিএমপির মানি এস্কর্ট সেবা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৬. কোরবানির পশু পরিবহন বা পশুর হাটে চাঁদাবাজি সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে নিকটস্থ পুলিশকে জানাতে বলা হয়েছে। অনলাইনে কোরবানির পশু কেনাকাটার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে।

৭. বাসা-বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যাংক-বীমাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি-বিতানের নিরাপত্তা রক্ষীদের ডিউটি জোরদার করতে হবে এবং ২৪ ঘণ্টা নজরদারির ব্যবস্থা রাখতে হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও সেগুলোর সচলতা নিশ্চিত করতে হবে।

৮. বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠান ত্যাগের আগে দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবদ্ধ করে যেতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক তালা ব্যবহার করা যেতে পারে এবং দুর্বল দরজা-জানালা মেরামত করে সুরক্ষিত করতে হবে। মূল দরজায় অটোলক ও নিরাপত্তা অ্যালার্মযুক্ত তালা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৯. অর্থ, মূল্যবান সামগ্রী ও দলিল নিরাপদ স্থানে বা নিকটাত্মীয়ের হেফাজতে রাখতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাংক লকারের সহায়তা নেয়া যেতে পারে।

১০. বাসা-বাড়ি ত্যাগের আগে যারা ঢাকায় থাকবেন, তাদের বাসার প্রতি খেয়াল রাখার অনুরোধ করতে হবে এবং নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। ভাড়াটিয়াদের ঈদ উপলক্ষ্যে বাসা ত্যাগের বিষয়টি মালিককে অবহিত করতে হবে।

১১. নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে যেন অনুমতি ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে না পারে।

১২. বাসার জানালা ও দরজার পাশে কোনো গাছ থাকলে তার অবাঞ্ছিত শাখাপ্রশাখা কেটে ফেলতে হবে, যাতে অপরাধীরা গাছে ব্যবহার করে বাসায় প্রবেশ করতে না পারে।

১৩. বাসা-বাড়ি ত্যাগের আগে লাইট, ফ্যানসহ অন্যান্য ইলেকট্রিক লাইনের সুইচ, পানির ট্যাপ, গ্যাসের চুলা ইত্যাদি বন্ধ করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।

১৪. পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ঈদের ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে হবে। চালককে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে তাগিদ দেওয়া যাবে না।

১৫. জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাসের ছাদ, ট্রাক বা পণ্যবাহী যানবাহনে ভ্রমণ করা যাবে না।

১৬. রাস্তা পারাপারে জেব্রা ক্রসিং বা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করতে হবে। যেখানে জেব্রা ক্রসিং বা ফুট ওভারব্রিজ নেই, সেখানে যানবাহনের গতিবিধি দেখে নিরাপদে রাস্তা পার হতে হবে এবং প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে।

১৭. ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বেপরোয়া গতিতে বা জয় রাইডিং করা যাবে না। এতে জীবন বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অপরিচিত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে খাবার খাওয়া যাবে না।

১৮. বাস মালিকদের লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ, অপেশাদার, ক্লান্ত বা অসুস্থ চালককে যাত্রীবাহী বাস ও গাড়ি চালাতে না দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। চালক যাতে নিয়ম মেনে গাড়ি চালায় এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং না করে সে বিষয়ে নির্দেশ দিতে হবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় বের করা যাবে না এবং অতিরিক্ত যাত্রী উঠানো যাবে না।

কোনো জরুরি প্রয়োজনে সহায়তার জন্য ডিএমপির কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। নম্বরগুলো হলো: ০১৩২০-০৩৭৮৪৫, ০১৩২০-০৩৭৮৪৬, ২২৩৩৮১১৮৮, ০২৪৭১১৯৯৮৮, ০২৯৬১৯৯৯৯। এছাড়া জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করা যাবে।

শিল্প খাতে গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমেছে ৬০%

২০২৩ সালে ১৭৮ শতাংশ এবং চলতি বছরে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাসের মূল্য বেড়েছে। এতে শিল্পের উদ্যোক্তাদের ব্যয় বাড়লেও বাড়েনি শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ। গ্যাস সরবরাহের এই অবস্থা চলতে থাকলে রপ্তানিমুখী টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা।

বিটিএমএর সহসভাপতি সালেউদ জামান খান বলেন, ‘এভাবে চলতে থাকলে আগামী দু-এক মাসের মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। গ্যাস কম্পানিগুলো গ্যাস সাপ্লাই না করে বিল নিচ্ছে। আমার মতো অনেক কারখানাকে ১০ কোটি টাকা গ্যাস বিল দিতে হচ্ছে গ্যাস ব্যবহার না করে। আমরা গ্যাস না পেয়ে বিদ্যুৎ লাইন, আরইবির লাইন সংস্থান করলাম।

সেখানে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বর্তমানে সাত ঘণ্টা। একটা কারখানায় প্রতিদিন ছয়বার বিদ্যুৎ চলে যায়। তাহলে কিভাবে দেশের শিল্প ও মালিকরা টিকে থাকবেন? আজ যে শিল্প মালিক, তাঁরা মারা যাবেন। এই পরিস্থিতি না বদলালে বাংলাদেশে শিল্প মালিক উদ্যোক্তা আর হবে না।

কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপমুক্ত থাকবেন যেভাবে

দিনের বেশিরভাগ সময় কর্মজীবীদের অতিবাহিত হয় কর্মক্ষেত্রে। আর সেই কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ তো থাকেই। অতিরিক্ত কাজের চাপে কর্মী হতাশ হতে পারেন। কাজের গতিও কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত কাজের চাপ ব্যক্তির শরীর ও মনে প্রভাব ফেলে থাকে। তাই আসুন জেনে নিই কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপমুক্ত থাকবেন যেভাবে-

১. অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিদিনের টু-ডু লিস্ট তৈরি করুন: কর্মক্ষেত্রের যাবতীয় কাজকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করুন। ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রেখে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ করুন। কাজ সহজ করার জন্য আপনার ফোনে ব্যবহার করতে পারেন প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ বা টু-ডু লিস্ট টুল।

২. অফিসের কাজ অফিসেই সারা: কাজ জমিয়ে রাখবেন না। এতে অতিরিক্ত কাজের চাপই দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠবে। চেষ্টা করুন যেদিনের কাজ সেদিনই সেরে ফেলতে। কাজ নিয়ে বাড়ি ফেরাও বন্ধ করুন। বাড়ির সময়টুকু বাড়িতে দিন। অফিসের কাজ বাড়িতে না নেওয়াই ভালো। তরতাজা থাকতে পরিবারের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোর বিকল্প নেই।

৩. মেডিটেশন: মেডিটেশন মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। মনকে শান্ত করে। বিভিন্ন ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা যোগ ব্যায়াম করুন। এতে সহজেই আপনি কর্মক্ষেত্রে যেকেনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবেন।

৪. মাল্টিটাসকিং পরিহার: প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা সময় বরাদ্দ রাখুন। অন্যথায়ে একসঙ্গে অনেকগুলো কাজ আপনার কাজের প্রোডাক্টটিভি কমিয়ে মানসিক চাপ বাড়াবে।

৫. কাজের মাঝে বিরতি: অফিসে অনেকক্ষণ কাজ করার ফলে কাজে সহজেই একঘেয়েমি চলে আসে। এজন্য কাজের ফাঁকে ছোট ছোট বিরতি নিন যা আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখবে এবং চাপ কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া সাপ্তাহিক ছুটিতে চেষ্টা করুন পরিবার পরিজনদের সঙ্গে ঘুরতে, তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে।

৬. একটানা কাজ না করা: অফিসে ঢুকেই কম্পিউটারে মুখ গুঁজে বসে থাকবেন না। মাঝে মাঝে কাজ থেকে বিরতি নেওয়া জরুরি। একটানা কাজ করলে বিরক্তি আসবেই। তাই মাঝেমধ্যে কাজ থেকে পাঁচ-দশ মিনিটের জন্য বিরতি নিন। এই সময়ে নিজের পছন্দের গান শুনে নিতে পারেন। মাঝে মাঝে উঠে মিনিট পাঁচেক হাঁটাহাঁটি করুন। প্রতি এক ঘণ্টায় এভাবে বিরতি নিলে উপকার মিলবে। চাইলে অফিসের নিচে থেকে একটু হেঁটে আসতে পারেন। এতে মন ভালো থাকবে আর পিঠ ও কোমরব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

৭. সহকর্মীদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন: কর্মক্ষেত্রে সকলের কাজের ধরন আলাদা হয়। দলগত কাজে মতের অমিল হওয়া স্বাভাবিক। এতে যেকোনো ধরনের কাজে সাহায্য নিতে বা মত প্রকাশে দ্বিধা না করে খোলামেলা আলোচনা করুন। এতে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা কমে যায় এবং লক্ষ্য অর্জনে বাড়তি চাপ নিতে হয় না। সিদ্ধান্ত নিতেও সুবিধা হয়।

৮. দুপুরে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ: দুপুরে এমন খাবার খান, যাতে পেটও ভরবে আবার শক্তিও পাওয়া যাবে। পানিবহুল ফল ও সবজি খেতে পারেন। এগুলো গরমের সময় শরীর তরতাজা রাখবে। বিভিন্ন ধরনের বাদাম, ভেষজ চা থাকতে পারে স্ন্যাকস টাইমে। আর এসবের পাশাপাশি সারা দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করছেন কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান শরীর শীতল রাখে এবং শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে সহজে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন না।