Home Blog Page 406

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা বিসিবির

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।  পুরো স্কোয়াডে একমাত্র চমক নাইম শেখের অন্তর্ভুক্তি। এছাড়া বাকি সবক্ষেত্রেই চেনা মুখেদের ওপর ভরসা রেখেছে বিসিবি।

সোমবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। মেহেদী হাসান মিরাজের অধিনায়কত্বের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে বড় চমক নাইম শেখের অন্তর্ভুক্তি। চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া বাকি সবক্ষেত্রেই চেনা মুখেদের ওপর ভরসা রেখেছে বিসিবি।

শ্রীলঙ্কা সফরে থাকা বাংলাদেশ দল বর্তমানে টেস্ট সিরিজ খেলছে। গল টেস্ট শেষ হওয়ার পর ২৫ জুন কলম্বোয় শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। এরপর ২ জুলাই কলম্বোতেই শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। একই মাঠে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৫ জুলাই, ৮ জুলাই তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে পাল্লেকেলেতে মাঠে গড়াবে।

বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস, জাকের আলি অনিক, শামীম পাটোয়ারী, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, হাসান মাহমুদ।

স্বপ্নে কোরআন তিলাওয়াত করার ব্যাখ্যা কী?

কোরআন তিলাওয়াত একটি ফজিলতপূর্ণ আমল। কোরআন তিলাওয়াতকারীদের সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘যারা আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে, নামাজ কায়েম করে এবং আমি তাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে (সৎকাজে) ব্যয় করে গোপনে ও প্রকাশ্যে। তারা এমন ব্যবসার আশাবাদী, যাতে কখনও লোকসান হয় না। যাতে আল্লাহ তাদেরকে তাদের পূর্ণ প্রতিফল দেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরও বেশি দান করেন। নিশ্চয়ই তিনি অতি ক্ষমাশীল, অত্যন্ত গুণগ্রাহী। (সূরা ফাতির, আয়াত: ২৯-৩০)

কোরআন তিলাওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে এক হাদিসে আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসঊদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন—

যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পাঠ করবে সে একটি নেকি লাভ করবে। আর প্রতিটি নেকিকেই ১০ গুণ বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম মিলে একটি হয়ফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, এবং মীম আরেকটি হরফ। (তিরমিজি, হাদিস: ২৯১০)

প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াত একটি উত্তম আমল। একইসঙ্গে কোনো ব্যক্তি নিজেকে স্বপ্নে কোরআন তিলাওয়াত করতে দেখাও ভালো কিছুর ঈঙ্গিত দেয়। কেউ নিজেকে স্বপ্নে কোরআন তিলাওয়াত করতে দেখার ব্যাখ্যা হলো— আল্লাহ তায়ালা তার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং তার জীবনে খুশি নেমে আসবে।

আর কেউ যদি স্বপ্নে কোরআন মুখস্ত (হিফজ) করতে দেখে তাহলে তার ব্যাখ্যা হবে, সে কারো সঙ্গে আদালতে মুখোমুখি হবে এবং তার দাবিই সঠিক প্রমাণিত হবে এবং সে আমানতদার প্রমাণিত হবে। তিনি নরম হৃদয়ের অধিকারী মুমিন হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে বাধা দেবেন।

আর যদি কেউ স্বপ্নে পবিত্র কোরআন খতম করতে দেখে তাহলে তার কোন বড় আশা পূরণ হবে। আল্লাহ তায়ালা তাকে অনেক সওয়াব দান করবেন।

কোনো গায়রে হাফেজ (যে কোরআনের হাফেজ নয়) যদি স্বপ্নে দেখে যে, সে কোরআন শরিফ মুখস্ত করে ফেলেছে তাহলে এর ব্যাখা হলো, তাকে তার পরিস্থিতির অনুযায়ী শক্তি বা মর্যাদা দান করা হবে।

যদি কেউ স্বপ্নে নিজেকে কোরআন শরিফ পড়া অবস্থায় দেখে, কিন্তু তার মনে নেই যে সে ঠিক কোন অংশ থেকে পড়েছে বা কোন আয়াত কোন সূরা পড়েছে। তাহলে সে যদি অসুস্থ থাকে সুস্থ হয়ে যাবে। আর যদি সে ব্যবসায়ী হয় তাহলে তো আর কোনো বড় মুনাফা হবে।

আর যদি কেউ সপ্নে দেখে যে, সে কোরআন শরিফ শ্রবণ করছে তাহলে তার শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তার সব কাজের ফলাফল সুন্দর হবে এবং সে ষড়যন্ত্রকারীর ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পাবে।

যদি কেউ স্বপ্নে দেখে যে, সে কোরআন শরিফ তেলাওয়াত করছে আর লোকেরা তার তেলাওয়াত শুনছে, তাহলে সমাজের মানুষেরা তার আদেশ মেনে চলবে।

২ সপ্তাহ তেল ছাড়া খাবার খেলেই শরীরে যেসব পরিবর্তন দেখা দেয়

বর্তমানে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে খাবারে অতিরিক্ত তেল বাদ দিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার সম্পূর্ণ তেল ছাড়া রান্না করতেও অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন। তবে একটানা দুই সপ্তাহ তেল ছাড়া খাবার খাওয়ার ফলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়ে—সে বিষয়েই সতর্ক করছেন পুষ্টিবিদরা। তেল বা চর্বি শুধু ক্যালোরির উৎসই নয়, এটি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। বিশেষ করে ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন—যেমন ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে শোষণের জন্য তেলের প্রয়োজন অপরিহার্য।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ কণিকা মালহোত্রার মতে, দুই সপ্তাহ ধরে একেবারে তেল ছাড়া খাবার খেলে হজম ও বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় স্বল্পমেয়াদি পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। তেল না থাকায় ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিনের শোষণ ব্যাহত হয়, যার ফলে দেখা দিতে পারে পুষ্টিহীনতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপার মতো সমস্যা।

তেল ছাড়া খাবারে শরীরে যে ধরনের প্রভাব পড়ে:

১. হজম ও ওজনের ওপর প্রভাব: তেল বাদ দিলে ক্যালোরি গ্রহণ সাময়িকভাবে কমে যায়। এতে ওজন হ্রাস ঘটতে পারে। তবে একইসঙ্গে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটে, ফলে খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যেতে পারে।

২. ভিটামিন শোষণে সমস্যা: তেল ছাড়া মাইসেল গঠনে সমস্যা হয়, যা ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন শোষণে বাধা দেয়। এর ফলে চোখের দৃষ্টিশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও হাড়ের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

৩. ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য: ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাবে ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, এমনকি চুলকানিও দেখা দিতে পারে।

৪. শক্তির ঘাটতি: চর্বি একটি দীর্ঘস্থায়ী শক্তির উৎস। এটি ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। তাই চর্বিহীন খাদ্য শক্তির ঘাটতির কারণ হতে পারে, ফলে ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।

৫. মানসিক প্রভাব: ফ্যাটের অভাবে মস্তিষ্কে নিউরোট্রান্সমিটারের কাজ ব্যাহত হতে পারে, যা খিটখিটে মেজাজ বা মানসিক অবসাদ সৃষ্টি করতে পারে।

যেসব খাবারে প্রাকৃতিকভাবে ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়:

চর্বিযুক্ত মাছ: স্যামন, সারডিন, ম্যাকারেল প্রভৃতি।

বীজ: ফ্ল্যাক্সসিড, চিয়া সিড।

বাদাম: আখরোটসহ অন্যান্য বাদাম।

ফর্টিফায়েড খাবার: ওমেগা-৩ যুক্ত ডিম, দুধ, প্ল্যান্ট-বেসড মিল্ক ইত্যাদি।

স্বল্প সময়ের জন্য তেল বাদ দিয়ে ডিটক্স বা ওজন কমানোর প্রচেষ্টা ক্ষতিকর না হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এই অভ্যাস শরীরের ভেতরকার পুষ্টিগত ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। তাই একেবারে তেল বাদ না দিয়ে, বরং স্বাস্থ্যসম্মত পরিমাণে ভালো মানের তেল ব্যবহার করাই বেশি উপযোগী বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল: অর্থ উপদেষ্টা

আগের চেয়ে বাড়তি করে অ্যাপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট কেনা এবং ভবন নির্মাণে অপ্রদর্শিত বা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব বাজেটে করা হয়েছিল। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করার সময় সেটি পরিপূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

আজ রোববার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টার দপ্তরের সভাকক্ষে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকালে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ আকারে তা আগামী এক জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে।

কলম্বিয়ায় ৫৭ সেনা সদস্যকে অপহরণ

কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মিকাই ক্যানিয়ন এলাকায় অন্তত ৫৭ জন সেনা সদস্যকে সাধারণ নাগরিকদের হাতে অপহরণ করা হয়েছে। সোমবার(২৩ জুন ) দেশটির সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শনিবার ৩১ জন এবং রবিবার বাকি সেনাদের অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীদের সংখ্যা ছিল দুই শতাধিক। সামরিক বাহিনী বলছে, এই কাজটি সাধারণ নাগরিকদের মাধ্যমে করা হলেও, তারা মূলত ২০১৬ সালের শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করা সাবেক বিদ্রোহী গোষ্ঠী ফার্কের ভিন্নমতাবলম্বী সদস্যদের চাপে পড়ে এমনটা করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফেদেরিকো আলবের্তো মেহিয়া জানান, অপহৃতদের মধ্যে চারজন নন-কমিশনড অফিসার এবং ৫৩ জন সাধারণ সেনা রয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “এটাকে অপহরণই বলা হয়।”

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফার্কের সবচেয়ে বড় শাখা গোষ্ঠী ইএমসি (Estado Mayor Central) এই অপহরণের নির্দেশ দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ইএমসি এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিবিসির তথ্যমতে, মিকাই ক্যানিয়ন একটি পাহাড়ি অঞ্চল যা কোকেন উৎপাদনের একটি প্রধান কেন্দ্র। এটি কলম্বিয়ার বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার অন্যতম কেন্দ্রস্থল। এই অঞ্চলটি কোকেন প্রশান্ত মহাসাগরীয় বন্দরে পাচারের জন্য ব্যবহার করা হয়, যেখান থেকে মাদক বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে পাঠানো হয়।

তেল আবিবগামী সব ফ্লাইট মধ্য জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করল এয়ার ফ্রান্স

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ফ্রান্সের জাতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ফ্রান্স তেল আবিবগামী তাদের সব নির্ধারিত ফ্লাইট আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছে।

সোমবার(২৩ জুন) সিএনএন-কে পাঠানো এক বিবৃতিতে এয়ার ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করার পর প্যারিস থেকে তেল আবিবগামী সব ফ্লাইট বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শুধু তেল আবিব নয়, গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যের আরও বেশ কিছু গন্তব্যে এয়ার ফ্রান্সের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ প্যারিস থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদগামী ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।

বিমান সংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য বিকল্প ফ্লাইটের তারিখ নির্ধারণ অথবা টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরতের ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছে।

এয়ার ফ্রান্স আরও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তারা বিমান চলাচলের গন্তব্য এবং যাত্রাপথে চলমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

নতুন কোন ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় আনা যাবে না : ফয়জুল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, আগামীতে নতুন কোন ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় আনা যাবে না। এজন্য বৃদ্ধ, যুবক-যুবতী, নারী-পুরুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায় বসানো যাবে না। যারা গরীব মানুষের চাল লুট করে, গুদামে সংরক্ষণ করে। যারা গরীবের হক মারে।

সোমবার বিকেলে নীলফামারী পৌরসভা মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নীলফামারী জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দলটির জেলা শাখার সভাপতি ইয়াসিন আলীর সভাপতিত্বে জনসভা পরিচালনা করেন সাধারণ মাওলানা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বিপ্লব।

ভারতের উদ্দেশ্যে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, আপনারা যদি ভাবেন ভারত ছাড়া বাংলাদেশ চলতে পারে না তাহলে আপনারা ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে আছেন। আমরা বলি বাংলাদেশ ছাড়া ভারত চলতে পারে না। যা প্রমাণ হয়েছে ৫ই আগষ্টের পরে।

আগামী নির্বাচনে ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চায় উল্লেখ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ইসলামীক দলগুলোর ব্যালট বাক্স একটা দিতে চাই আমরা এবং ঐতিহাসিক বিজয় হবে বাংলাদেশের মুসলমানদের।

প্রধান অতিথি বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার, গণহত্যার বিচার, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশে আবারো ফ্যাসিস্ট প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা ফ্যাসিস্ট চাই ইসলামী শাসন ব্যবস্থা চাই।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাছিবুল ইসলাম ও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার।

জনসভায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নীলফামারী-০২ আসনে এ্যাডভোকেট এম হাছিবুল ইসলাম ও নীলফামারী-০৩ আসনে মৌলভী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়।

রাজনৈতিক সংস্কারে ঐকমত্য না হলে গণভোটের দাবি জামায়াতের

মৌলিক রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হলে গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সোমবার(২৩ জুন) দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের বৈঠকে জামায়াত তাদের এই অবস্থান তুলে ধরে।

রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে বৈঠকের পর দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের জানান, হাইকমিশনার ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে জামায়াত জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীত্বের সুযোগ দুইবারের বেশি না রাখা, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন, নির্বাচনে ভোটের অনুপাতে সংসদের আসন বণ্টন এবং ভোটার তালিকায় প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু বিষয়ে একমত হওয়া গেলেও মৌলিক সংস্কারের ক্ষেত্রে এখনও ঐকমত্য হয়নি।

ডা. তাহের বলেন, দুঃখজনকভাবে যদি এই ঐকমত্য অর্জিত না হয়, তবে জামায়াত এসব বিষয়ে গণভোটের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে।

ডা. তাহের আরও বলেন, জামায়াত একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চায় এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। কোনো দল যাতে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়েও জামায়াত তাদের উদ্বেগ সরকারকে জানিয়েছে।

জামায়াত প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়েছে। এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় অনুদান হিসেবে দিতে কানাডাসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

ডা. তাহের জানান, হাইকমিশনার আর্থিক অনুদানের বিষয়টি জাতিসংঘের মাধ্যমে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

জামায়াত নায়েবে আমির আরও জানান, আগামী নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে কানাডা কারিগরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এই বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কানাডা হাইকমিশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সিওভান কের এবং নিসার আহমেদও বৈঠকে অংশ নেন।

২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ হাজার ৫১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে সারাদেশে মোট ৪০৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত তিনজনের মধ্যে ২ জন চট্টগ্রাম এবং ১ জন ঢাকার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ। বয়স বিবেচনায়, একজনের বয়স ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, একজন ৭১ থেকে ৮০ বছর বয়সী এবং অন্যজন ৯১ থেকে ১০০ বছর বয়সী।

চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে আজ সোমবার (২৩ জুন) পর্যন্ত মোট ১৯ জন করোনায় মারা গেছেন। এর মধ্যে ১১ জন নারী এবং ৮ জন পুরুষ।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৮২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রামে ১২০টি নমুনা পরীক্ষায় ২ জন, রাজশাহীতে ১৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩ জন, ময়মনসিংহে ১০টি নমুনা পরীক্ষায় ১ জন এবং কক্সবাজারে ১০টি নমুনা পরীক্ষায় ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ৪.৬৮ শতাংশ। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর হার ১.৪ শতাংশ।

ইসির নিবন্ধন চায় ১৪৭ রাজনৈতিক দল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রেকর্ড সংখ্যক ১৪৭টি নতুন রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে। সোমবার (২৩ জুন) ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখা আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা আবেদন জমা দিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তাদের দলের নাম ও প্রতীক উল্লেখ করে দাবি করছেন যে তারা ইসির সব ধরনের শর্ত পূরণ করেই নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন। তারা আশাবাদী যে তাদের দলগুলো নিবন্ধন পাবে।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ১০ মার্চ আগ্রহী দলগুলোর কাছ থেকে নিবন্ধন আবেদন আহ্বান করেছিল ইসি। প্রাথমিকভাবে ২০ এপ্রিলের মধ্যে ৬৫টি নতুন রাজনৈতিক দল আবেদন জমা দেয়। তবে, অনেক দলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিবন্ধন আবেদনের সময়সীমা দুই মাস বাড়িয়ে গত রোববার (২২ জুন) পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্ধিত সেই সময়সীমা গত রোববার শেষ হয়েছে।