Home Blog Page 437

দুর্গাপুরে জামায়াতে ইসলামীর গণসংযোগে মানুষের ঢল

মোঃরাকিবুল ইসলাম,
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুর্গাপুর পৌর জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বুধবার বিকেল দুর্গাপুর উপজেলা সদরে গণসংযোগ কর্মসূচি উপজেলা মোড় থেকে শুরু হয়ে মেডিকেল মোড়, থানা মোড় হয়ে জিয়া চত্বরে এসে শেষ হয়। শেষে সিংগা হাটের ভেতরে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন।

গণসংযোগ কর্মসূচিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে জামায়াতের পরিচিত ফরম ও পুস্তিকা বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচিতে সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী- দোকানদার ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে দাওয়াত দেওয়ার পাশাপাশি ভিন্ন ধর্মাম্বলীর মানুষের মাঝে ব্যাপক দাওয়াতি কাজ করা হয়।

দাওয়াতি কর্মসূচির অংশ হিসেবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও থানা স্টাফদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করা হয়। দাওয়াতি গণসংযোগ কার্যক্রমের সময় হ্যান্ডমাইকে জামায়াতের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছাড়াও ৩ দফা দাওয়াত ও ৪ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এতে করে এই কর্মসূচিতে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

গণসংযোগে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাস্টার সাইফুল ইসলাম, পৌর জামায়াতে ইসলামীর  আমীর নুর আলম, সেক্রেটারি শাহিনুর ইসলাম, জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম, খায়রুল বারী তুহিন, ইঞ্জিনিয়ার সবুজ, মাসুদ রানা, গোলাম মোস্তফা, কোরবান আলী, লুৎফর রহমান ও  ছাত্রশিবির সভাপতি মহিউদ্দিন প্রমুখ।

১৬ বছর পর আবারও বিয়ে করলেন সঞ্জয় দত্ত!

বিয়ের পিঁড়িতে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সম্প্রতি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ফের সাত পাকে বাঁধা পড়লেন তিনি। গেরুয়া রঙের পাঞ্জাবি, ধুতিতে একেবারে বর বেশে দেখা গেল সঞ্জয় দত্তকে। তবে সঞ্জয়ের পাত্রীকে? ১৬ বছর পর কেন আবার বিয়ে করছেন সঞ্জয়। ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক, সম্প্রতি বাড়ি বদল করেছেন সঞ্জয় দত্ত। আর সেই কারণেই দূর্গাপূজার আবহে গৃহে প্রবেশ করেছেন তিনি। সেই গৃহ প্রবেশ অনুষ্ঠানের মধ্যেই স্ত্রী মান্যতাকে নিয়ে ফের সাত পাকে বাঁধা পড়লেন সঞ্জয়।
জানা গেছে, সঞ্জয়ের বিশ্বাস, নতুন বাড়ির সঙ্গে, ফের সাত পাকে বাঁধা পড়লে, সংসার অটুট থাকে। আর সেই কারণেই ফের ছাদনাতলায় এই অভিনেতা। সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে মান্যতার প্রথম দেখা হয় ২০০৬ সালে। এরপর দুজনেই একে অপরের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। খুব তাড়াতাড়ি একে অপরের প্রেমে পড়ে যান। দুজনেই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০০৮ সালে মান‍্যতাকে বিয়ের আগে সঞ্জয় দত্তের কিন্তু একাধিক বিয়ে ছিল। প্রথমে অভিনেত্রী টিনা মুনিমের সঙ্গে সঞ্জয়ের সম্পর্ক হয়েছিল। তবে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি সেই সম্পর্ক। ১৯৮৭ সালে প্রথম বিয়ে করেন অভিনেত্রী রিচা শর্মাকে। মাথায় টিউমারে রিচার মৃত্যু হয়।এরপর তার জীবনে আসেন মডেল রিয়া পিল্লাই। তার সঙ্গে অবশ্য খুব বেশি দিন সংসার করা হয়নি। দু’জনের বিচ্ছেদ হয়। তারপরই জীবনে আসেন মান্যতা। তিনি সঞ্জয় দত্তের তৃতীয় স্ত্রী।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের ভিসা না পাওয়ায় সঞ্জয় দত্তের হাতছাড়া হয়েছে ‘সন অফ সর্দার ২’ সিনেমা। যেখানে অজয় দেবগণের সঙ্গে অভিনয় করার কথা ছিল সঞ্জয় দত্তের। তার পরিবর্তে এই সিনেমায় নেওয়া হয়েছে রবি কিষাণকে।

হাসপাতালে অভিনেত্রী লহমা

দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী লহমা ভট্টাচার্য। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই সামাজিক মাধ্যমে নিজের পরিস্থিতি তুলে ধরেন অভিনেত্রী। সেখান থেকে ছবি তুলে ভাগ করে নেন অনুরাগীদের মাঝে। ছবিতে দেখা যায়, স্যালাইন চলছে অভিনেত্রীর শরীরে। লিখেছেন, শ্যুটিংয়ের দিনটা অন্যভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু ঘটল অন্যরকম। দুর্ঘটনা তো ঘটতেই পারে। অস্ত্রোপচার হয়েছে। তবে আমাকে শক্ত থাকতে হবে।
গত মঙ্গলবার ‘চালচিত্র’ ছবির একটি বিশেষ গানের শ্যুটিং করছিলেন পরিচালক প্রতিম ডি’গুপ্ত। এই গানে ছিলেন ছবির দুই অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরী এবং শান্তনু মহেশ্বরী। এই গানে অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লহমা।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, শ্যুটিং ফ্লোরে নাচার সময় চাপ পড়ে তার ডান পায়ের আঙুলে, নখ ভেঙে মাংসের মধ্যে ঢুকে যায়। এরপর সোজা চলে যান হাসপাতালে।, অস্ত্রোপচার করা হয়। অভিনেত্রী এও জানালেন, বৃহস্পতিবারই অভিনেত্রীকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হবে।
জিতের ‘রাবণ’ ছবি থেকেই টালিউডে পা রাখেন লহমা। এরপর পরমব্রত ও আবিরের সঙ্গে তাকে দেখা গেছে ‘বিয়ে বিভ্রাট’ ছবিতে। প্রথম ছবি থেকেই টালিপাড়ার নজর কেড়েছেন লহমা।

ভিন্ন ভূমিকায় ফুটবলে ফিরলেন ক্লপ

কিছুটা ভিন্ন ভূমিকায় ফুটবলে ফিরেছেন লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। অস্ট্রিয়ার কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘রেড বুুল’ এর ‘হেড অব গ্লোবাল সকার’ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন জার্মানির সাবেক এই কোচ। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে ক্লপকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রেড বুলের মালিকানাধীন বেশকিছু ফুটবল ক্লাব রয়েছে। এর মধ্যে জার্মান বুন্দেসলিগার ক্লাব আরবি লাইপজিগ, অস্ট্রিয়ান ক্লাব রেড বুল স্যালজবার্গ, যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার বা এমএলএসের ক্লাব নিউ ইয়র্ক বুলস ও ব্রাজিলিয়ান ক্লাব রেড বুল ব্রাগানতিনো অন্যতম।
নতুন পদে ক্লপের কাজ কী হবে, সে সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিয়েছে রেড বুল। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিভারপুলের সাবেক এই কোচ তাদের মালিকাধীন ক্লাবগুলোর দৈনন্দিন কোনো কাজে লিপ্ত থাকবেন না। ক্লাবগুলোর সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন কাজ করবেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে ফুটবলের নতুন দর্শন, ফুটবলার ট্রান্সফার স্ট্র্র্যাটেজি, কোচিং ডেভেলপমেন্ট ও ক্লাবগুলোর ভালোমন্দ নজরদারী করবেন ক্লপ।
এক বিবৃতিতে রেড বুল বলেছে, ‘তিনি (ক্লপ) ক্লাবগুলোর প্রতিদিনের ক্রিয়াকলাপের সাথে জড়িত থাকবেন না। কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করবেন। রেড বুল আওতাধীন ক্লাবগুলোর ফুটবল দর্শনের অগ্রগতিতে কর্মরত ক্রীড়া পরিচালকদের সহযোগিতা করবেন।’ নতুন দায়িত্ব পেয়ে ক্লপ বলেন, ‘প্রায় ২৫ বছর সাইডলাইনে থাকার পর এমন প্রকল্পে জড়িত হতে পেরে আনন্দ অনুভব না করে পারা যায় না। দাায়িত্ব হয়তো পরিবর্তন হয়েছে। তবে ফুটবল এবং ফুটবলের সঙ্গে জড়িত মানুষদের প্রতি আমার আবেগের কখনো পরিবর্তন হবে না।’
উল্লেখ্য, প্রিমিয়ার লিগে ২০২৩-২০২৪ মৌসুম শেষ করে লিভারপুল কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন ক্লপ।

ফিফার নিষেধাজ্ঞায় পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন

পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ফুটবল বিশ্বের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ২০১৭ সাল থেকে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো নিষিদ্ধ হয়েছে দেশটির ফুটবলল সংস্থা। গতকাল রাতে এক বিবৃতিতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানায় ফিফা।  কারণ হিসেবে বলা হয়, পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের গঠনতন্ত্রে কিছু সংশোধন আনার প্রস্তাব করেছিল ফিফা। কিন্তু সেটি আমলে নেয়নি পিএসএফ। বোর্ডের কংগ্রেস ফিফার সেই প্রস্তাবগুলো বাতিল করে। এই কারণেই নিষেধাজ্ঞা আসে পাকিস্তানের ওপর।  বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পিএফএফকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটা গৃহীত হলে সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে। একইসঙ্গে পিএফএফে চলমান স্বাভাবিককরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ফিফার বাধ্যবাধকতাগুলোও পূরণ হবে। ’

‘পিএফএফ কংগ্রেস যদি ফিফা ও এএফসির প্রস্তাবিত সংশোধিত সংবিধানকে অনুমোদন দেয়, তাহলে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে। ’

এই বিষয়ে পিএফএফের স্বাভাবিককরণ কমিটির চেয়ারম্যান হারুন মালিক বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে পিএফএফের সংবিধানে কিছু সংশোধন করতে চায় ফিফা। তবে পিএফএফ কংগ্রেসের নব-নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ফিফার প্রস্তাবে সম্মত হয়নি। ’

নিষেধাজ্ঞার অর্থ হলো, উদ্ভূত সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের কোনো ফুটবল দল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ফিফার কাছ থেকে কোনো ধরনের সহায়তাও পাবে না দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

টিউলিপের বিকল্প খুঁজছে লেবার পার্টি

টিউলিপ সিদ্দিককে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার দল লেবার পার্টি। বর্তমানে সিটি মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্বরত টিউলিপ সিদ্দিককে তার পদ থেকে সরিয়ে দিলে কারা সেই পদে দায়িত্ব নিতে পারেন সেরকম একট তালিকাও নাকি প্রস্তুত করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে ভাবছেন যেখানে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক পদত্যাগ করলে তার স্থলাভিষিক্ত কে হতে পারেন।  সূত্র বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টিউলিপের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট নিয়ে ওঠা অভিযোগ এবং তার খালা শেখ হাসিনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসার পরই এই আলোচনা শুরু হয়। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র টিউলিপকে তার পদ থেকে সরিয়ে ওই পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্ভাব্য ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরির বিষয়টিকে ‘সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে দাবি করেছেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী স্টারমারও বলেছেন— তিনি টিউলিপ সিদ্দিকের উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছেন।    কিন্তু সংবাদমাধ্যমটির সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের ঘনিষ্ঠদের কেউ কেউ অনানুষ্ঠানিকভাবেই টিউলিপের উত্তরসূরি খোঁজা শুরু করছেন।  এদিকে সোমবার টিউলিপ নিজেই ঘোষণা করেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর নৈতিকতা পর্যবেক্ষকের কাছে এই বিষয়ে স্বচ্ছতার জন্য নিজেকে উপস্থাপন করবেন। এর আগে, গত সপ্তাহান্তেই কিছু কর্মকর্তাকে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি নির্ধারণে কাজ করতে দেখা গেছে।এই পরিস্থিতি সিদ্দিকের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং লেবার পার্টিতে তার অভ্যন্তরীণ অবস্থান সম্পর্কে নতুন জল্পনা-কল্পনা তৈরি করেছে।

ক্ষমা-অনুশোচনার প্রশ্নে এখনো আওয়ামী লীগের ‘না

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয়েছে আওয়ামী সরকারের। আওয়ামীলের শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। কয়েকজন আছেন কারাগারে। ছাত্র-জনতার ওই আন্দোলন দমাতে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতারা।

সরকার পতনের ৯ মাস পার হলেও এর দায়ে ক্ষমা প্রার্থনা বা অনুশোচনা করেনি আওয়ামী লীগ। আন্দোলনে দমননীতি ও হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমা চায় বা অনুশোচনা করে, তাহলে আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারে, এমন একটা আলোচনা রয়েছে রাজনীতিতে। অন্তর্র্বতী সরকারেরও কেউ কেউ এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন।
তবে ক্ষমা চাওয়ার কোনো চিন্তা দলটিতে এখনো নেই।
তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা আছে, এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায় না। বরং তারা এখনো ‘ষড়যন্ত্রতত্ত্ব’ নিয়েই আছেন। ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমের আলোচনা-সমালোচনা আমলে নিচ্ছে না আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এখন বিদেশে অবস্থান করছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের পতনের আগে এবং অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ের সব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। কিন্তু অনুশোচনার প্রশ্নে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে। এ জন্য অন্য কোনো পক্ষের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার বিষয় নেই।’
বিদেশে অবস্থান করা দলটির আরেকজন নেতা জানান, পরিস্থিতি সামলাতে তাদের কিছু ভুল ছিল, এমন আলোচনাও তাদের মধ্যে আছে। দলগতভাবে অবশ্য তারা এখনো কিছু বলেননি।
তিনি উল্লেখ করেন, তাদের দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ এখনো হয়নি। তারা এখন পরিকল্পনার মাধ্যমে এগোতে চাইছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরার বিষয় নিয়েও তারা আলোচনা করছেন।
তবে শুরু থেকেই ক্ষমা চাওয়া বা অনুশোচনার বিষয়টি দলীয় সংস্কৃতিতে নেই বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলছেন, বাংলাদেশে ভুলের জন্য দলীয়ভাবে ক্ষমা চাওয়া বা অনুশোচনা করার সংস্কৃতি নেই। এর আগে কোনো দল তা করেনি।
আমেরিকান পাবলিক ইউনিভার্সিটি সিস্টেমের শিক্ষক সাঈদ ইফতেখার আহমেদ বলেন, ‘এখন আওয়ামী লীগও সে পথে হাঁটবে না। দলটি তাদের ন্যারেটিভ এবং অবস্থান নিয়েই রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।’

বাংলাদেশে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু দেখতে চায় অস্ট্রেলিয়া। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছে দেশটি।বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে নির্বাচন ভবনে সাক্ষাতের পর এমন মন্তব্য করেন দেশটির হাইকমিশনার সুসান রাইলি।বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলি।সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সুসান রাইলি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাদের সময় দিয়েছেন, এজন্য তাকে ধন্যবাদ। আমরা বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। অস্ট্রেলিয়া আশা করে, এই নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু। আমাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং আমরা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।এর আগে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে সুষ্ঠু নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন। অনেক দেশ নির্বাচনি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা দিচ্ছে।আগামী ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর স্থগিত

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আসন্ন ঢাকা সফর স্থগিত করেছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসাক দার। পরবর্তীতে দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে সফরের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ইসাক দার।
জানা যায়, আগামী রবিবার (২৭ এপ্রিল) দুই দিনের সরকারি সফরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকায় আসার কথা ছিল।
গত ১৭ এপ্রিল পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচের ঢাকা সফরের সময় মন্ত্রী পর্যায়ের এই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছিল, ইসাক দারের সফরকালে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিষয় চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
ইসাক দারের এই সফরকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।
যা বিগত ১৩ বছরের মধ্যে কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম সফর হওয়ার কথা

যাদের কফি খাওয়া ঠিক নয়

সকালের নাশতার পর এক কাপ কফি খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। কেউ কেউ দিনে কয়েক কাপ পর্যন্ত কফি খান। শরীরের ক্লান্তি কাটাতে, তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে কফির তুলনা নেই। কিন্তু কফির মতো একটি অতি উপকারী পানীয়ও কিন্তু সকলের জন্য ভালো নয়। কারণ এতে থাকা ক্যাফিন সবার সহ্য হয় না। এজন্য কিছু ব্যক্তিকে কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা—

​আইবিএস থাকলে

ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো অসুখ থাকলে কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে । কারণ কফিতে থাকা ক্যাফিন এই রোগে ভুক্তভোগীদের অন্ত্রের স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ করতে পারে। একবার কোলোনের অবস্থা খারাপ হলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, ডায়ারিয়ার মতো জটিল অসুখে ভোগার আশঙ্কা বাড়ে। তাই এই রোগে ভুক্তভোগীরা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

ওভার অ্যাকটিভ ব্লাডার

যারা এই রোগে ভোগেন তারা দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখতে পারেন না। তাই এই সমস্যায় ভুক্তভোগীদের কিছু পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই তালিকায় কফিও রয়েছে। কারণ এই পানীয়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা কিনা এই রোগে ভুক্তভোগীদের বারবার প্রস্রাবে যেতে বাধ্য করে। তাই ওভার অ্যাকটিভ ব্লাডারের সমস্যা থাকলে কফি না খাওয়াই ভালো।

অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন

অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন সমস্যার আরেক নাম অ্যারিথমিয়া। যারা এ সমস্যায় ভোগেন তারা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ এই পানীয়ে উপস্থিত ক্যাফিন হঠাৎ করে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে শুধু অ্যারিথমিয়া নয়, যে কোনও ধরনের হৃদরোগ থাকলেই কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

অনিদ্রার সমস্যা 

যাদের অনিদ্রার সমস্যা আছে তাদেরও কফি খাওয়া ঠিক নয়। এই পানীয়তে উপস্থিত কিছু উপাদান সরাসরি ঘুমের বিঘ্ন ঘটায়। এমনকী অত্যাধিক পরিমাণে কফি খেলে ঘুমের সাইকেলও ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ইনসোমনিয়ায় ভুক্তভোগীদের কফি খেতে বারণ করেন।

উৎকণ্ঠায় ভুগলে

আমাদের মধ্যে অনেকেই সব বিষয়ে টেনশন করেন। আর এই ধরনের মানুষের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে কফি। তাই উৎকণ্ঠায় ভুক্তভোগীদের কফি এড়িয়ে যাওয়া ভালো।  গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদেরও কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।