Home Blog Page 444

ভারতের চেয়ে বেশি বাংলাদেশের ভালো কেউ ভাবে না : জয়শঙ্কর

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক সরকার প্রধান শেখ হাসিনার বিদায়ের পর বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনুসে সরকার। এরপর থেকে ভারতের সাথে দেশটির সম্পর্ক তলানিতে। যদিও ‘বাংলাদেশের ভালো ভারতের থেকে বেশি কোনো দেশ ভাবে না এবং এটা ভারতের ডিএনএ-তে আছে।’

বুধবার (১০ এপ্রিল) এমনই মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর।

চিন ও পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ‘নৈকট্য’, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য দিল্লির উপর চাপ, এমন অস্থির আবহে বিমস্টেক সম্মেলনের মাঝে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে গত সপ্তাহে মুখোমুখি বৈঠক করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস।

বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করার প্রস্তাব দেন তিনি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও বার্তা দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি জানান ইউনুস।’

বুধবার দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে মোদি-ইউনুস বৈঠক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জয়শংকর জানান, ‘ঐতিহাসিক দিক থেকেই ভারতের সাথে বাংলাদেশের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের মানুষের সংযোগের কারণে এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।’ এরপরেই জয়শংকর মন্তব্য করেন, ‘অন্য কোনো দেশ আমাদের থেকে বেশি বাংলাদেশের ভালো চাইতে পারে না। এটা আমাদের ডিএনএ-তে রয়েছে। একজন শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধু হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, ওরা (বাংলাদেশ) সঠিক পথে হাঁটবে এবং সঠিক কাজ করবে।’

এ সময় বাংলাদেশে গণতন্ত্রে ফিরবে, নির্বাচন হবে বলেও আশাবাদী বলে জানান জয়শংকর।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

ওয়াকফ আইন সংশোধন নিয়ে ক্ষোভ, যা বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদের মাঝেই সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি বললেন, ‘দিদি আছেন, সম্পত্তি রক্ষা হবে।’

ওয়াকফ সংশোধনী আইন সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক ও প্রতিবাদ। গত শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কলকাতার পার্ক সার্কাস সাতমাথা মোড় ঘিরে বিক্ষোভে শামিল হয় একাধিক মুসলিম সংগঠন। সেই আঁচ ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের আরো কিছু সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায়। ঠিক এই আবহেই বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন, ভয় নয়, ‘দিদি’ পাশে আছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

জৈন সম্প্রদায়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নবকার মহামন্ত্র দিবস’-এর মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি জানি ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে সংখ্যালঘুদের মনে একটা দুঃখ আছে। আপানারা ভরসা রাখুন, বাংলায় এমন কিছু হবে না যাতে বিভাজন হয়। সবাইকে একসাথে থেকে বাঁচতে হবে। জিও, জিনে দো।’

তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা সবাই একসাথে বাঁচার কথা বলুন। কেউ কেউ রাজনৈতিক প্ররোচনা দেয়। আমি বলছি, দিদি আছে, দিদি আপনাদের রক্ষা করবে। আপনাদের সম্পত্তি রক্ষা করবে। কেউ উস্কানিতে পা দেবেন না।’

ওয়াকফ আইন ও কেন্দ্রীয় প্রতিক্রিয়া

ওয়াকফ সংশোধনী বিল সংসদের দুই কক্ষে পাশ হয়ে যাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাতে সই করেছেন। ইতোমধ্যেই গেজেটেও প্রকাশিত হয়েছে নতুন আইনটি। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই আইনকে ‘সমগ্র সমাজ ও মুসলিমদের স্বার্থে প্রণীত চমৎকার আইন’ বলে বর্ণনা করেছেন। তার কথায়, ‘এখন ওয়াকফের পবিত্র চেতনা ও মুসলিমদের অধিকার সুরক্ষিত হবে।’

তবে একইসাথে তিনি কংগ্রেসকে বিঁধে বলেন, ‘তোষণের রাজনীতির মাধ্যমে কিছু মৌলবাদী নেতা সম্পদ পেয়েছেন, কিন্তু সাধারণ মুসলিমরা কী পেয়েছেন?’

বিরোধীদের অবস্থান

ওয়াকফ সংশোধনী আইনকে অসাংবিধানিক বলে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসও শুরু থেকেই সংসদে এই বিলের বিরোধিতা করে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘু ভোটের আস্থা অর্জনে এই ইস্যুকেই রাজনৈতিক হাতিয়ার করতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল।

মমতার বার্তা ও রাজনৈতিক গুরুত্ব

বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাধীনতার সময়কার বিভাজনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘বিভাজন তো আমরা করিনি। সেই স্বাধীনতার সময় হয়েছে। কেউ কেউ আপনাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিচ্ছে। তাতে পা দেবেন না।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলায় ৩৩ শতাংশ সংখ্যালঘু রয়েছেন। আমরা কী করব, তাঁদের বের করে দেব? এটা কখনো হবে না।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতার এই মন্তব্য তৃণমূলের দীর্ঘদিনের সংখ্যালঘুভিত্তিক সমর্থনকে ধরে রাখার কৌশল হিসেবেই উঠে এসেছে। পার্ক সার্কাসে বিক্ষোভ, কেন্দ্রের ওয়াকফ আইন এবং বাংলায় সংখ্যালঘুদের মনোভাব- সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যে বেশ উত্তপ্ত, তা স্পষ্ট। আর সেই আবহেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি ও সংখ্যালঘুদের স্বার্থ রক্ষায় তিনি সর্বদা পাশে থাকবেন।

সূত্র : আনন্দবাজার, হিন্দুস্তান টাইমস ও অন্যান্য

মঙ্গল র‌্যালি’ নয়, এবার হবে ‘বর্ষবরণ আনন্দ র‌্যালি’

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এতদিন ‘মঙ্গল র‌্যালি’ নামে আয়োজিত র‌্যালির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘বর্ষবরণ আনন্দ র‌্যালি’।

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) ঢাবির চারুকলা অনুষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, পো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ।

এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নববর্ষে ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’। গত ২৪ মার্চ সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ভিসি’র সভাপতিত্বে এটি চূড়ান্ত হয়।

আয়োজকরা জানান, সংস্কৃতির মুক্তির বার্তা নিয়ে চারুকলা অনুষদের এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সব ভাষা ও জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে।

তারা বলেন, এবারের বর্ষবরণ আনন্দ র‌্যালি দেশীয় বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও উদার সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটাবে। নববর্ষ উদযাপন বাক-স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশে অগ্রসর একটি পদক্ষেপ।

তারা আরো বলেন, সংস্কৃতির মূল লক্ষ্যই হচ্ছে মানবিক ও উদার একটি সমাজ বা রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা। এবারের বৈশাখ হবে সকলের। পাহাড় থেকে সমতল- সকল জাতিগোষ্ঠী এতে অংশগ্রহণ করবে। একপেশে সংস্কৃতির সংকীর্ণতা থেকে বের হয়ে আমরা শুদ্ধ ও উদার চর্চার দিকে এগিয়ে যাব- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এবারের বৈশাখ ফ্যাসিবাদ ও নিপীড়নের কালপর্ব শেষে নতুন এক সাংস্কৃতিক মুক্তির সূচনা আনবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তারা।

র‌্যালির নাম পরিবর্তন প্রসঙ্গে চারুকলা অনুষদের ডিন বলেন, ‘আপনারা জানেন, ১৯৮৯ সালে আমরা এই বর্ষবরণ প্রথা শুরু করেছিলাম ‘আনন্দ র‌্যালি’ নামে। পরে তা ‘মঙ্গল র‌্যালি’ নাম নেয়। এবার আমরা মূল নামকে পুনরুদ্ধার করেছি।’

আগামী ১৪ এপ্রিল সকাল ৯টায় শোভাযাত্রা শুরু হবে। এটি চারুকলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, রাজু ভাস্কর্য, শহিদ মিনার, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমি ঘুরে আবার চারুকলায় এসে শেষ হবে বলে জানান তিনি।

র‌্যালির সময় বাংলামোটর, বারডেম, পলাশী ও মৎস ভবন থেকে শাহবাগের দিকে আসার রাস্তা বন্ধ থাকবে। সাধারণ মানুষের জন্য প্রবেশ উন্মুক্ত থাকবে নীলক্ষেত ও পলাশীর দিক থেকে।

র‍্যালির সময় রমনা উদ্যানের তিনটি গেট- ছবির হাট, রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেট ও কালীমন্দির গেট বন্ধ থাকবে।

র‌্যালির সামনে থাকবে ২০টি সজ্জিত ঘোড়া এবং পেছনে থাকবে রিকশার বহর। সাধারণ মানুষ পেছনের দিক থেকে শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন।

নিরাপত্তার স্বার্থে সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত শাহবাগ ও টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। এ সময় এই স্টেশনগুলোতে যাত্রী ওঠা-নামা বন্ধ থাকবে এবং র‌্যালি শেষে স্টেশনগুলো চালু হবে।

ক্যাম্পাসে অন্যান্য কর্মসূচিতে অংশ নিতে পলাশী ও নীলক্ষেত সড়ক দিয়ে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ আইডি কার্ড ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

এবারের র‌্যালিতে অংশ নেবে ২৮টি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোর ব্যান্ড, পার্বত্য চট্টগ্রামের শিল্পীগোষ্ঠী, বামবা ব্যান্ড শিল্পীগোষ্ঠী, বাউল-সাধুশিল্পী দল, কৃষকদল, মূলধারার শিল্পীগোষ্ঠী, সাধনা নৃত্যসংগঠন, রংধনু পোশাকশ্রমিক শিল্পী দল, নারী ফুটবল দল, অ্যাক্রোব্যাটিক শিল্পীগোষ্ঠী, রিকশার বহর ও ঘোড়ার গাড়ির বহর।

এবার বড় মোটিফ থাকবে ৭টি- ফ্যাসিবাদের মুখ, কাঠের বাঘ, ইলিশ মাছ, তরমুজের ফালি (যা ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের প্রতি সহমর্মিতার প্রতীক এবং তাদের পতাকার মোটিফ), শান্তির পায়রা, পালকি, ও ‘মুগ্ধ’ পানির বোতল।

মাঝারি মোটিফগুলোতে থাকবে ১০টি সুলতানি ও মুঘল আমলের মুখোশ, ২০টি রঙিন চরকি, ৮টি তালপাতার সেপাই, ৫টি পাখি, ৪টি পাখা, ২০টি ঘোড়া এবং ১০০টি লোকজ চিত্রাবলি।

ছোট মোটিফগুলোর মধ্যে থাকবে ৮০টি ফ্যাসিবাদের মুখ, ২০০টি বাঘের মুখ, ১০টি পলো, ৬টি মাছ ধরার চাই, ২০টি মাথাল, ৫টি লাঙল ও ৫টি মাছের ডোলা।

নববর্ষ ১৪৩২-কে সফল করতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীলতা ও আবেগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানানো হয়।

সূত্র : ইউএনবি

বদলে গেল পুলিশের লোগো

বাংলাদেশ পুলিশের পুরনো লোগো বদলে নতুন লোগো প্রকাশ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি (লজিস্টিকস) নাছিমা বেগম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। লোগোতে যা আছে : জাতীয় ফুল শাপলা, ধান ও গমের শীষ যুক্ত, পাটপাতার টপে লেখা পুলিশ।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, উপর্যুক্ত বিষয়ে প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে বাংলাদেশ পুলিশের বিদ্রমান মনোগ্রাম বা লোগো পরিবর্তনের গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে নতুন মনোগ্রাম বা লোগো চূড়ান্ত করা হয়েছে; যা ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষায় রয়েছে।

এ অবস্থায় আপনার জেলা বা ইউনিট ব্যবহৃত পতাকা, সাইনবোর্ড, ইউনিফর্মসহ অন্যান্য সামগ্রী পরিবর্তিত মনোগ্রাম বা লোগো ব্যবহারের নিমিত্তে প্রস্তুত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ামাত্রই এটি যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে।

এর আগে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পুলিশের লোগোতে নৌকা আকারে লোগো লাগানো হয়। আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের পোশাক ও লোগো পরিবর্তেন দাবি ওঠে। পরে এ-সংক্রান্ত একটি কমিশন গঠন করা হয়। বৃহস্পতিবার পুলিশের লোগো পরিবর্তনের চিঠি পুলিশের সব ইউনিটে পাঠানো হয়।

আটকাদেশ আইনে কারাগারে বন্দী অভিনেত্রী মেঘনা আলম

আটকাদেশ আইনে এক মাসের জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে ‘মিস আর্থ’ বাংলাদেশ বিজয়ী অভিনেত্রী মেঘনা আলমকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ডিবি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আটকাদেশ আইনে সরকার কোনো ব্যক্তিকে আদালতের আনুষ্ঠানিক বিচার ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আটক বা বন্দী করতে পারে। এই ধরনের আইন সাধারণত জননিরাপত্তা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রয়োগ করা হয়।

আদেশে বলা হয়, ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২ (এফ) ধারার জননিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থী ক্ষতিকর কাজ থেকে নিবৃত্ত করার জন্য এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আবশ্যক অনুভূত হওয়ায় ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(১) ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে মেঘনা আলমকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই আটকাদেশ স্বাক্ষরের তারিখ থেকে ৩০ দিন কারাগারে আটক রাখার আদেশ প্রদান করা হয়েছে।

সূত্র : বাসস

কলকাতার নায়িকা শ্রাবন্তীর তৃতীয় বিয়েবিচ্ছেদ

আইনিভাবে কলকাতার নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের তৃতীয় বিয়েবিচ্ছেদ হয়েছে।

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) তার ও রোশন সিংয়ের বিচ্ছেদের আইনি সিলমোহর দেন আদালত।

অনেক আগে থেকেই আলাদা থাকেন শ্রাবন্তী ও রোশন। তাদের এই বিচ্ছেদ নিয়ে এত দিন ডিভোর্সের মামলা চলছিল।

হিন্দুস্থান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রাবন্তীর সাথে ডিভোর্সের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রোশন সিং নিজেই। তিনি জানান, সবটাই শান্তিপূর্ণভাবে মিটে গেছে। প্রেম ও বিয়ের আগে যেমন অপরিচিত ছিলেন তেমনই ৮ এপ্রিল থেকে তারা আবারো একে অপরের কাছে অপরিচিত হয়ে যাবেন।

এদিকে এর আগেই জানা গিয়েছিল রোশনের সাথে ডিভোর্সের মামলায়, মাসিক সাত লাখ টাকা হাতখরচ চেয়েছিলেন অভিনেত্রী। গত বছর তার সেই আবেদনে স্টে অর্ডার দিয়েছিল আদালত। তবে রোশন সিং-কে কি আদৌ মাসিক সাত লাখ টাকা দিতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে? এ বিষয়টি নিয়ে অবশ্য এদিন কিছু জানাননি রোশন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, দীর্ঘ দিন ধরেই আইনি বিচ্ছেদ নিয়ে টানাপড়েন চলছিল। অবশেষে তারা গত সেপ্টেম্বরে পাকাপাকি ভাবে বিচ্ছেদের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যান। শুধু বাকি ছিল দু’জনের স্বাক্ষর-এর। তার জন্যই আদালত ৮ এপ্রিল দিনটি ধার্য করেছিল। তবে এত দিন এই ডিভোর্স নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন শ্রাবন্তী ও রোশন দু’জনেই।

এদিকে শ্রাবন্তীর থেকে আলাদা হওয়ার পরই বর্তমান প্রেমিকা অনামিকার সাথে ঘর বাঁধতে প্রস্তুত রোশন সিং। পেশায় তিনি একজন জিম প্রশিক্ষক। সেই পেশাগত দিকটা একটু গুছিয়ে নিয়েই ফের নতুন করে জীবন সাজাতে প্রস্তুত তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের শুরুর দিকে রোশন-শ্রাবন্তীর প্রেমপর্ব শুরু হয়। ‘গুগলি’ ছবির প্রিমিয়ারে প্রথমবার একসাথে দেখা গিয়েছিল দু’জনকে। মাস কয়েকের মধ্যেই সূদূর পাঞ্জাবে গিয়ে লুকিয়ে বিয়ে সারেন তারা। বিয়ের দিন দশেক পর বিয়ের খবরে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তারপর বিদেশে হানিমুন, একসাথে আদুরে ছবি পোস্ট থেকে রোম্যান্টিক টিকটিক ভিডিও- রীতিমতো কাপল গোলস হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এই জুটি।

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

২০২৭ সাল পর্যন্ত লিভারপুলে থাকছেন সালাহ

লিভারপুলের সাথে নতুন করে দুই বছরের চুক্তি করেছেন তারকা ফুটবলার মোহামেদ সালাহ। নতুন এ চুক্তির সুবাদে ২০২৭ সাল পর্যন্ত লিভারপুলেই থাকছেন তিনি।

২০১৭ সালে রোমা থেকে অ্যানফিল্ডে পাড়ি দেয়ার পর লিভারপুলের হয়ে ৩৯৪টি ম্যাচে ২৪৩টি গোল করেছেন সালাহ। ক্লাবের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তৃতীয়স্থানে উঠে এসেছেন তিনি।

চলতি মৌসুমে দারুণ ছন্দে আছেন সালাহ। প্রিমিয়ার লিগে এ পর্যন্ত ২৭টি গোল করার পাশাপাশি ১৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩২ গোল করেছেন তিনি।

৩১ ম্যাচে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে লিভারপুল। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর্সেনালের চেয়ে ১১ পয়েন্ট এগিয়ে আছে তারা। লিগে এখনো সাত ম্যাচ বাকী আছে।

লিভারপুলের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ, লিগ কাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় বড় ট্রফি জিতেছেন সালাহ।

নতুনভাবে লিভারপুলের সাথে চুক্তি নিয়ে ক্লাবের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে সালাহ বলেন, ‘অবশ্যই আমি খুবই খুশি। আমাদের এখন একটি দুর্দান্ত দল আছে। আগেও আমাদের দুর্দান্ত দল ছিল। কিন্তু আমি নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি কারণ আমার মনে হয় আমাদের আরো ট্রফি জয়ের সুযোগ আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটা দারুণ, আমার সেরা বছরগুলো এখানে কেটেছে। আমি এ পর্যন্ত এখানে আট বছর খেলেছি, আশা করি এটি দশ বছর হবে। এখানে আমার জীবন উপভোগ করছি, আমার ফুটবল উপভোগ করছি। আমার ক্যারিয়ারের সেরা বছরগুলো এখানে কেটেছে।’

আ’লীগ নিষিদ্ধকরণের দাবি জোরালো হচ্ছে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার সাথে জড়িত থাকার দায় নিয়ে দিন যতই যাচ্ছে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি ততই জোরাল হচ্ছে। এনসিপি, গণ-অধিকার পরিষদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ দেশের নতুন-পুরনো ছোট ছোট বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এবং সুশীলসমাজের তরফ থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার আওয়াজ উঠছে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশেও এসব দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে দাবি তুলছেন। যদিও বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি এ বিষয়ে এখনো নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছে। বিএনপিসহ অন্যান্য বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছলে অন্তর্বর্তী সরকারও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের নজিরবিহীন পতন ঘটে। ছাত্র-জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে নিরাপদ আশ্রয় নেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই সরকারের সব মন্ত্রী-এমপি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। কেউ কেউ দেশ ছেড়ে বিদেশেও পাড়ি জমিয়েছেন। গণ-অভ্যুত্থানের ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে গণহত্যার বিষয়ে ন্যূনতম অনুশোচনাবোধ সৃষ্টি হয়নি। উল্টো অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের জন্য জুডিশিয়াল ক্যু, আনসার, পুলিশ, আমলা, পোশাক শ্রমিক, বেসরকারি শিক্ষক ও সাত কলেজসহ অন্তত দেড় শতাধিক বড় বড় আন্দোলনে ইন্ধন যুগিয়েছে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব। দেশের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জের গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দেয়ার মিশনে এখনো নেতৃত্ব দিচ্ছে তৃণমূল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর দায়, পরে গুপ্ত হামলা চালানোসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার কারণে গণ-অধিকার পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন এবং সুশীলসমাজের প্রতিনিধিরা দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা গত ৫ আগস্টের পর থেকেই মাঠে সরব ভূমিকা পালন করছেন। এসব দল ও সংগঠনের নেতারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সভা-সমাবেশ করার মাধ্যমে জনমত গঠন করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। চব্বিশের গণ-আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। সম্প্রতি তিনি বলেন, জাতিসঙ্ঘের রিপোর্টে আমরা দেখেছি পুলিশ শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছিল, মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল। ভারতে থাকুক আর যেখানেই থাকুক, শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করতে হবে। আখতার হোসেন বলেন, আর কোনো নয়-ছয় নয়, আইনি প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দলটির রাজনীতি বাংলাদেশে চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে।

শনিবার সকালে ঝিনাইদহের একটি রেস্টুরেন্টে জেলার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান জাতীয় সংলাপ ডেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।

এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট রাজনীতি বিশ্লেষক ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ইকতেদার আহমেদ গতকাল নয়া দিগন্তকে জানান, এর আগেও ১৯৭৫ সালে একবার আওয়ামী লীগ বিলুপ্ত হয়। ওই সময় যখন শেখ মুজিবুর রহমান বাকশাল গঠন করেন তখন আওয়ামী লীগসহ সব দলই বিলুপ্ত হয়। ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান যখন বহু দলীয় গণতন্ত্র চালু করেন তখন আওয়ামী লীগ আবার পুনরুজ্জীবিত হয়। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর আওয়ামী লীগ এবং তার দোসররা একটা গণহত্যা চালিয়েছে- এটা সত্য। পাশাপাশি এটাও মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী একটি দল। গণহত্যার জন্য আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের জন্য দাবি উঠছে; তবে চাইলেতো হবে না, আইনি একটা বিষয় আছে। তারপরও বলব, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা বা না করার দায়িত্ব সরকারের। অন্তর্বর্তী সরকার যদি মনে করে আওয়ামী লীগ গণহত্যার সাথে জড়িত তাদের বিচার হওয়া দরকার, দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন তাহলে সরকার পদক্ষেপ নিতে পারে। আর দলের নিবন্ধনের একটা বিষয় আছে। এটা নির্বাচন কমিশনের হাতে। নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে আওয়ামী লীগ নিবন্ধন বাতিল করার মতো অপরাধ করেছে তাহলে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট রাজনীতি বিশ্লেষক ড. আবদুল লতিফ মাসুম নয়া দিগন্তকে বলেন, শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছাত্র-জনতার ওপর গণহত্যা চালিয়েছে। শেখ হাসিনা এখনো অন্যায়ভাবে, অগণতান্ত্রিকভাবে বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তাদের বিন্দুমাত্র অনুশোচনাবোধ নাই। এজন্য দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তবে এ বিষয়ে ভারত ও পশ্চিমা বিশ্বের অবস্থান স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে সতর্কতার সাথে আওয়ামী লীগের বিচার করতে হবে। এটা ন্যায়ানুগভাবে নিষ্পন্ন হতে হবে। তিনি আরো বলেন, শুধু আইনগতভাবে হলে হবে না, দেশের জনগণের মাঝে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তুলে ধরে জনমত সৃষ্টি করতে হবে। আওয়ামী লীগ যে সব সময় রাষ্ট্রবিরোধী, দেশের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করে সেটা জনগণকে জানাতে হবে। তাহলে দেশের মানুষও আওয়ামী লীগের অপকর্ম সম্পর্কে সুষ্পষ্ট ধারণা পাবে।

রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সম্প্রতি তিনি বলেন, প্রথমত এটা অত্যন্ত ইতিবাচক যে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও এক ধরনের ‘ঐকমত্য’ সৃষ্টি হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এমন ঐকমত্য সৃষ্টি হলে সরকারের জন্য যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।

সোমবার দেশে ফিরবেন মির্জা ফখরুল

সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগমসহ নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সমাপ্ত হওয়ায় আগামী সোমবার (১৪ এপ্রিল) দেশে ফিরবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমকে একথা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দু’জনেরই সবগুলো রিপোর্টের রেজাল্ট গুড। আপনার ভাবির অবস্থা ভালো। উনি সুস্থ ও ভালো আছেন। ইনশাআল্লাহ ১৪ এপ্রিল বিকেলে আমরা দু’জনই দেশে ফিরবো।’

এর আগে গত ৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম সিঙ্গাপুরে যান।

ফেসবুকে নিজের সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে ভাইরাল হওয়া স্ট্যাটাসটি নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি ফেসবুকে কোনো স্ট্যাটাস দেয়নি।’

এদিকে ফেসবুকে ২০২২ সালে কারাবন্দী থাকা অবস্থায় স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের অসুস্থতা এবং অস্ত্রোপচার নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস প্রকাশিত হয়েছে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

জুনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স

ফ্রান্স আগামী জুনেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছেন, এ উদ্যোগের প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে পারে। ফ্রান্স ফাইভ টেলিভিশনে বুধবার দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ম্যাক্রোঁ। সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার পথে অগ্রসর হতে হবে। আমি কাউকে খুশি করতে এটি করব না, স্বীকৃতি দেবো কারণ কোনো একসময় এটিই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।’

রয়টার্স লিখেছে, বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশ ফিলিস্তিনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও জাপানসহ শক্তিধর পশ্চিমা দেশগুলো এখনো এই স্বীকৃতি দেয়নি। অন্য দিকে সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনের মতো বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ এখনো ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়নি।

ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো জুন মাসের মধ্যে সৌদি আরবের সাথে যৌথভাবে একটি সম্মেলন আয়োজন করা, যেখানে আমরা বেশ কয়েকটি দেশের পারস্পারিক স্বীকৃতির দিকে অগ্রসর হওয়ার পদক্ষেপ চূড়ান্ত করতে পারি।’