Home Blog Page 445

গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২০০

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গত ৪৮ ঘণ্টায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এ সময় প্রায় ৩ লাখ মানুষকে জোরপূর্বক গাজা শহরের দিকে সরিয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে উপত্যকার সরকারি মিডিয়া অফিস। খবর আনাদোলুর।

এক বিবৃতিতে মিডিয়া অফিস বলেছে, “ইসরায়েলের রক্তাক্ত ইতিহাসে আরও একটি ভয়াবহ অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। শুধুমাত্র উত্তর গাজা গভর্নরেটেই গত দুই দিনে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের এই ধারাবাহিকতা স্পষ্টতই গণহত্যারই অংশ।”

গাজার মিডিয়া অফিস আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা ওই অঞ্চলের এক হাজারেরও বেশি বাড়িঘর পুরোপুরি বা আংশিক ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি, ৩ লাখেরও বেশি বাসিন্দাকে গাজা শহরে ঠেলে দেয়া হয়েছে, যেখানে তাদের আশ্রয় দেয়ার মতো প্রয়োজনীয় অবকাঠামোই নেই।

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ইসরায়েলি সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে অ্যাম্বুলেন্স ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের হামলার স্থানে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। ফলে প্রায় ১৪০ জনের লাশ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।

এছাড়া উত্তর গাজার জাবালিয়ার তেল আল-জাতার এলাকা, বাইত লাহিয়া শহর ও আশপাশের এলাকায় শরণার্থীদের জন্য স্থাপন করা শত শত তাঁবু পুড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি ড্রোনগুলো। গাজার মিডিয়া অফিস বলছে, এই ঘটনার সময় আন্তর্জাতিক মহলের নীরবতা ও নির্লজ্জ সহযোগিতা গভীর উদ্বেগজনক।

মাঝ আকাশে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ৫

মাঝ আকাশে দুই হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ফিনল্যান্ডে। এস্তোনিয়ার রাজধানী তালিন থেকে একসাথে উড্ডয়নের পর হেলিকপ্টার দুটি বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন আরোহী। স্থানীয় সময় শনিবার ফিনল্যান্ডের ইউরা বিমানবন্দরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর এএফপির।

 

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাঝ আকাশে সংঘর্ষ হওয়ার পর বিধ্বস্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যায় হেলিকপ্টার দুটি। এতে দুটি হেলিকপ্টারে থাকা পাঁচজনই নিহত হয়েছেন।

ফিনিশ গোয়েন্দা প্রধান পরিদর্শক জোহানেস সিরিলা শনিবার এক বিবৃতিতে জানান, দুর্ঘটনায় কবলিত হেলিকপ্টার দুটির একটিতে দুজন এবং অন্যটিতে তিনজন ছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ওই দুই হেলিকপ্টারে থাকা আরোহীরা সবাই ছিলেন ব্যবসায়ী।

ফিনিশ সংবাদপত্র ইলতালেহতি একজন প্রত্যক্ষদর্শীকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, একটি হেলিকপ্টার অন্যটিকে ধাক্কা দিয়েছে এমনটি দেখেছেন তিনি।

ওই প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সংঘর্ষের পর একটি হেলিকপ্টার খুব দ্রুত নিচে পড়ে যায় এবং এর কিছুক্ষণ পর অপর হেলিকপ্টারটিও ধীরে ধীরে নিচে পড়ে যায়। তবে সে সময় তিনি কোনো শব্দ শুনতে পাননি বলে জানিয়েছেন।

বিদেশে কী চুক্তি করেছেন?; প্রধান উপদেষ্টাকে সালাহউদ্দিন

মানবিক করিডোর ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর বিদেশি কোম্পানির হাতে দেয়ার নামে প্রধান উপদেষ্টা বিদেশে কী চুক্তি করেছেন সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। শনিবার খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’-এ তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় সরকারের প্রতি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা আমাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন। যারা আপনাকে বিভ্রান্ত করছে, সেই ফ্যাসিবাদী দোসরদের আপনার উপদেষ্টা পরিষদ থেকে সরিয়ে দিন।”

তিনি দুই ছাত্র উপদেষ্টাকে অপসারণের দাবি জানিয়ে বলেন, “যদি আপনি নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে চান, তাহলে ওই এনসিপি মার্কা দুই উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে বলুন। যদি তারা পদত্যাগ না করে, তবে আপনি তাদের বিদায় করুন। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে হয় নিজে পদত্যাগ করতে হবে, না হয় আপনাকে তাকে বিদায় করতে হবে। বিদেশি নাগরিকের হাতে দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো জাতীয় দায়িত্ব থাকতে পারে না।”

তিনি আরও বলেন, সংস্কার ও বিচারের অজুহাতে দেশের গণতন্ত্রকে আটকে রাখা যাবে না।

সালাহউদ্দিন আহমেদ রাখাইনে মানবিক করিডোর নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। তিনি অভিযোগ করেন, নিরাপত্তা উপদেষ্টা মানবিক করিডোরের নামে দেশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করতে চান।

এনসিপি নেতাদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিরোধ দেখা যাচ্ছে: ফরহাদ মজহার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তরুণ নেতাদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিরোধ দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার: কোরআন কী বলে’ শীর্ষক এই বৈঠকের আয়োজন করে কোরআন পাঠ আন্দোলন।

ফরহাদ মজহার বলেন, এক সময় সেক্যুলার বনাম ইসলামপন্থি বিরোধ দেখা গেলেও এখন ইসলামপন্থিদের মধ্যে বিরোধ দেখা যাচ্ছে। ধর্ম নিয়ে বিভিন্ন বিরোধ দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপির তরুণদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিরোধ দেখা যাচ্ছে। এটি ক্ষতিকর। এ জন্য গণঅভ্যুত্থানের মর্ম বুঝতে হবে। এনসিপির মধ্যে এ বিরোধের বড় কারণ হলো গণঅভ্যুত্থানকে পূর্ণ বিজয়ে নিয়ে যেতে না পারা। তার আগেই ছাত্র-তরুণদের বিরাট আত্মত্যাগকে নস্যাৎ করার জন্য একটি সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লব হয়েছে।

বৈঠকে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, ফ্যাসিস্ট শাসনামল এবং বিগত ৫৩ বছরের শাসনামলে আদালতকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে।

কোরআন পাঠ আন্দোলনের আহ্বায়ক আবু সাঈদ খানের সভাপতিত্বে এবং দি ইক্বরার প্রতিষ্ঠাতা সাদিক মোহাম্মদ আলমের সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অর্থনৈতিক সমন্বয়ক দিদারুল ভূঁইয়া, আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী, বিইউপির সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মেজর (অব.) আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

জুলকারনাইনের পোস্টে ‘স্যাড’ রিয়েক্ট, পাঁচ মৎস্য কর্মকর্তাকে শোকজ

অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের ফেসবুকে দেয়া একটি পোস্টে প্রতিক্রিয়া (রিঅ্যাক্ট) জানানো ও মন্তব্য করায় মৎস্য অধিদফতরের পাঁচ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে।

গত ১৪ এপ্রিল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. তোফাজ্জেল হোসেনকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টে ‘স্যাড’ রিয়েক্ট দেওয়ার কারণে এবার শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) পেলেন একই মন্ত্রণালয়ের পাঁচ কর্মকর্তা।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. আব্দুর রউফ গত ৪ মে ওই কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।

কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া মৎস্য অধিদপ্তরের পাঁচ কর্মকর্তা হচ্ছেন—

১. অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এএসএম সানোয়ার রাসেল,

২. সহকারী প্রধান আবু মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান,

৩. ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প পরিচালক মো. ফরিদ হোসেন,

৪. মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. সালমুন হাসান বিপ্লব এবং

৫. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রওনক জাহান।

ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফ স্বাক্ষরিত ৪ মে জারি করা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জনাব মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন, অতিরিক্ত সচিবকে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে পদায়নের জন্য জনাব ফরিদা আখতার, মাননীয় উপদেষ্টা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর যথাযথ প্রক্রিয়ায় একটি পত্র প্রেরণ করা হয়। উক্ত পত্রটি একজন আন্তর্জাতিক প্রবাসী সাংবাদিক জনাব Zulkarnain Saer তার ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে পোস্ট করেন। আপনি জনাব এ, এস, এম সানোয়ার রাসেল, সহকারী পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ভবন, রমনা, ঢাকা উক্ত ফেইসবুক পোস্টে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ০৭ মে ২০২০ তারিখের ০৫.০০,০০০০,১৭৩.০৮.০১৪.০৭-১৩৬ সংখ্যক পরিপত্রের (জ) অনুযায়ী কোন রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে। আপনি উক্ত নির্দেশনা অমান্য করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বরত কর্মকর্তা সম্পর্কে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ এর পরিপন্থী।

উল্লেখ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ২৭/০৪/২০২৫ তারিখের মাসিক সমন্বয় সভার কার্যপত্রের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আপনার বিরুদ্ধে এহেন কর্মকান্ডের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে।

এমতাবস্থায়, এহেন আচরনের জন্য আপনার বিরুদ্ধে কেন সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার সন্তোষজনক জবাব আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।’

এর আগে ফেসবুক পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের লিখেছিলেন, তোফাজ্জেল হোসেন (অতিরিক্ত সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়)। যিনি দুই দফায় (একান্ত সচিব স্বাস্থ্যমন্ত্রী- ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল ও একান্ত সচিব পানি সম্পদ মন্ত্রী- ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল) দুজন আওয়ামী মন্ত্রীর পিএস ছিলেন (৬ বছর)। তাকেই সচিব পদে পদোন্নতি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব বানানোর জন্য ডিও লেটার দিয়েছেন উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি আরও অনুরোধ করেছেন সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় লাগলে অন্য কাউকে পদায়ন না করে এই তোফাজ্জলকেই এ পদে রাখার জন্যে।

দিল্লির দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়েছি ওয়াশিংটনের গোলামীর জন্য নয়

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেছেন, বাংলার এক ইঞ্চি মাটিও ভিনদেশিদের ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। দিল্লির দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়েছি, ওয়াশিংটনের গোলামীর জন্য নয়। শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে জেলা খেলাফত মজলিস আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই গণহত্যা, শাপলা চত্বর গণহত্যাসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ সারাদেশে হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহার, নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের কোরআন বিরোধী নীতিমালা ও কমিশন বাতিল এবং গাজায় ফিলিস্তিন মুসলিম নিধন বন্ধের দাবিতে এ সমাবেশ হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মো. হাফেজ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক আরও বলেন, ২০২৪ সাল আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইতিহাস। এদেশের মানুষ বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিয়েছে দিল্লির আধিপত্য বাংলার মানুষ বরদাশত করে না। শেখ হাসিনা যখন দিল্লির এজেন্ডা বাস্তবায়নে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল, তখন আমরা রক্ত দিয়ে সেই যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। আমরা দিল্লির দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়েছি ওয়াশিংটনের গোলামীর জন্য নয়।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মহাসচিব মাওলানা বেলাল উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা আহসানুল্লাহ আমির, কেন্দ্রীয় সচিব মাওলানা আব্দুল আজিজ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা প্রমুখ।

নেপালকে হারিয়ে যুব সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

একের পর পর আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিলো না বাংলাদেশ। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে ম্যাচ দু’দলের কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলেনি। তবে শেষ হাসিটা হাসল বাংলাদেশ। নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে শুক্রবার সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে গোলাম রব্বানী ছোটনের দল।

বাংলাদেশ সেমিফাইনালে পা রেখেছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে। নেপাল অপরগ্রুপের রানার্সআপ হলেও বাংলাদেশকে ঠিকই চাপে ফেলতে শুরু করে। অরুণাচল প্রদেশের গোল্ডেন জুবিলি স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৭ মিনিটে সুজন দাঙ্গোলের শট লাফিয়ে ওঠে ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন।

২২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে যায় বাংলাদেশ। নাজমুলের দারুণ এক পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন রিফাত কাজী। কিন্তু তাঁর বাঁ পায়ের শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন নেপাল গোলরক্ষক ভক্ত বাহাদুর পরিয়ার।

৩০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া নেপালের ফুটবলারের শট পোস্টে লেগে বাইরে চলে যায়। ৩৭ মিনিটে নাজমুলের ডান পায়ের শট ঠেকিয়ে দেন বাহাদুর। বিরতির পর ৫৮ মিনিটে নাজমুলের কর্নার থেকে মিঠুর চৌধুরীর হেড জালে যাওয়ার আগেই ফিরিয়ে দেয় নেপাল। তবে ৭৩ মিনিটে আশিকুর রহমানের আর আটকাতে পারেনি তারা। নাজমুলের কর্নার থেকে দারুণ এক হেডে জাল কাঁপান আশিকুর।

পিছিয়ে পড়ার পর হতাশায় কিছুটা নুয়ে পড়ে নেপাল। বাংলাদেশও এর সুযোগ নিতে কোনো ভুল করেনি। তাই তো দ্বিতীয় গোলটি এসেছে মাত্র ৮ মিনিটের ব্যবধানে। দুই ফুটবলারকে বোকা বানিয়ে বক্সের ভেতর ফাঁকা জায়গায় নাজমুলের উদ্দেশে বল বাড়ান মোহাম্মদ মানিক। বাহাদুর সামনে এসে তাঁকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলেও ডান পায়ের ছোঁয়ায় ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

৮৭ মিনিটে সুজনের গোলে নেপাল ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল বটে। কিন্তু পরে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। অপর সেমিফাইনালে ঘণ্টাখানেক পর মুখোমুখি হবে স্বাগতিক

অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ ফুটবল ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত মুখোমুখি

আগের ছয়বারের মধ্যে চারবার ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ, প্রথম তিনবারই ভাঙা হৃদয় নিয়ে ফিরতে হয়েছিল। ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত টুর্নামেন্টে ফাইনালে বাংলাদেশ হেরেছিল নেপালের কাছে, এর পরের দুবার-২০১৯ ও ২০২৩ সালে ফাইনালে হারটা ভারতের কাছে। নিজেদের চতুর্থ ফাইনালে এসে, গত বছর স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে প্রথমবার অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ জেতে বাংলাদেশ।

এবার আবার যখন সাফের ফাইনালের সমীকরণ এল বাংলাদেশের সামনে, সেমিফাইনালে আজ প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল নেপাল। ভারতের অরুণাচল প্রদেশে দারুণ জমে ওঠা সেই ম্যাচে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় শিরোপার এক ধাপ দূরত্বে চলে গেছে বাংলাদেশ। সে পথে ফাইনালে বাংলাদেশের বাধা সেই ভারতই। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মালদ্বীপকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে ভারতও।

এ নিয়ে সাতবার আয়োজিত অনূর্ধ্ব-১৯ সাফে আগের ছয়বারে শিরোপা ঘুরেফিরে বাংলাদেশ, ভারত আর নেপালের ঘরেই গেছে। প্রথম দুবার নেপাল, এর পরের তিনবার ভারত, আর সর্বশেষবারে বাংলাদেশ। এবার শিরোপা কার ঘরে উঠবে বাংলাদেশ না ভারত, সে উত্তর মিলবে আগামী পরশু, বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় হতে যাওয়া ফাইনালে।

চড়া সবজির বাজার, দাম বাড়ল ডিম-মাংসের

চড়া দামে সবজি কিনতে যখন ভোক্তার নাভিশ্বাস উঠছে ঠিক তখনই সস্তা প্রোটিনের সোর্স হিসেবে পরিচিত ডিমের দাম বাড়ল। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম একই রকম থাকলেও বেড়েছে সোনালি মুরগি ও গরুর মাংসের দাম। এ ছাড়া পুরনো মিনিকেট চাল বাড়তি দামে বিক্রি হলেও কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে বাজারে নতুন আসা মিনিকেট।

ঢাকার কারওয়ান বাজার, বাড্ডা, রামপুরা, সেগুনবাগিচা, মগবাজারসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সপ্তাহে প্রতি ডজন ব্রয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে ১৩৫-১৪০ টাকায়। যা দাম বৃদ্ধির পর ১৪০-১৪৪ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সবজির চড়া দামের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষ ডিম খাওয়া বাড়িয়েছে। অন্যদিকে অতিরিক্ত গরমে প্রান্তিক খামারিদের মুরগি মারা যাচ্ছে এবং ডিমের প্রোডাকশন খানিকটা কমেছে। এই পরিস্থিতিতে ডিমের দাম বাড়ছে।

উৎপাদনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি থাকায় গত কয়েক মাস ধরে বাজারে কম দামে ডিম বিক্রি হয়েছে। ফলে খামারিদের বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে ডিম বিক্রি করতে হয়েছে,  যে পরিস্থিতি এখনো বিরাজ করছে।

জানা গেছে, সবজির বাজারে শুধু আলুর দাম মানভেদে ২৫-৩০ টাকা কেজি। এ ছাড়া ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। ভালো মানের প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা কমলেও এখনো ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গোলাকার বেগুন কিনতে হলে ক্রেতাকে ১০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে প্রতি কেজির জন্য। ঢেঁড়স ও ছোট পটোল বাজার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে, ধুন্দল, বরবটি, চিচিঙ্গা, করলা মান ও বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮৫ টাকা পর্যন্ত দামে। কোনো কোনো সবজির দাম সামান্য কমলেও এই উচ্চমূল্য সাধারণ মানুষের সংসার খরচে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।

কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণে উচ্চ ব্যয়ের অভিযোগ

চট্টগ্রামের কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদন দেয়া প্রকল্প কালুরঘাট ‘রেল কাম রোড’ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে বুধবার। মাত্র ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় হিসাব করলে উচ্চ ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতুর কাছাকাছি খরচ পড়ছে তুলনামূলক ছোট এ সেতুটি নির্মাণে।

কালুরঘাটের মূল সেতু ছাড়াও প্রকল্পের মাধ্যমে দুই প্রান্তে নির্মাণ হবে ৬ দশমিক ২ কিলোমিটার রেল ভায়াডাক্ট (উড়ালপথ)। সড়ক ভায়াডাক্ট নির্মাণ করা হবে আরো ২ দশমিক ৪ কিলোমিটার। রেলপথের জন্য নির্মাণ হবে ৪ দশমিক ৫৪ কিলোমিটার বাঁধ। অধিগ্রহণ করতে হবে ১৪১ একরের বেশি জমি। ভায়াডাক্ট ও বাঁধ নির্মাণ এবং জমি অধিগ্রহণের কারণেই মূলত পৌনে এক কিলোমিটারের কম দৈর্ঘ্যের এ সেতুর নির্মাণ ব্যয় বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা।

অন্তর্বর্তী সরকার কালুরঘাট সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন করলেও এর সমীক্ষা ও উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি হয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। ডিপিপি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সেতুটির কিলোমিটারপ্রতি নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের সময় বাস্তবায়িত পদ্মা সেতু ও যমুনা রেল সেতু প্রকল্পের কাছাকাছি। এ দুই প্রকল্পেরই নির্মাণ ব্যয় বেশি হয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছেন অবকাঠামো বিশেষজ্ঞরা।

প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তৈরি একটি সারসংক্ষেপে কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের সঙ্গে যমুনা রেল সেতু ও পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের তুলনা করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, মূল পদ্মা সেতুতে কিলোমিটারপ্রতি নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা। কিলোমিটারপ্রতি ১ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা নির্মাণ ব্যয় হয়েছে মূল যমুনা রেল সেতুতে। আর কালুরঘাটে নির্মিতব্য মূল সেতুর কিলোমিটারপ্রতি নির্মাণ ব্যয় ১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা।

ডিপিপি অনুযায়ী, কালুরঘাটের ৭০০ মিটার দীর্ঘ মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ৮৬১ কোটি টাকা। আর সেতুর জন্য ৬ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্ট নির্মাণে ব্যয় হবে ৪ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ কালুরঘাট সেতু নির্মাণ প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হচ্ছে ভায়াডাক্ট অংশটি নির্মাণে। পদ্মা সেতুর জন্য সিঙ্গেল লাইনের যে রেল ভায়াডাক্ট নির্মাণ করা হয়েছে, তাতে কিলোমিটারপ্রতি খরচ হয়েছে ২৬৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে কালুরঘাট সেতুর জন্য প্রতি কিলোমিটার ডাবল রেল লাইন ভায়াডাক্টের নির্মাণ ব্যয় ৩৩৩ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

প্রকল্পের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কালুরঘাট সেতুর জন্য ১২ দশমিক ২ মিটার নেভিগেশনাল ক্লিয়ারেন্স রেখে ভায়াডাক্ট নির্মাণ করা হবে। অন্যদিকে পদ্মা সেতুর জন্য নির্মিত ভায়াডাক্ট তৈরি করা হয়েছে ১৮ মিটার নেভিগেশনাল ক্লিয়ারেন্স হিসাব করে। অর্থাৎ পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট যে উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়েছে, কালুরঘাট সেতুর ভায়াডাক্ট তার তুলনায় কম উঁচু হতে যাচ্ছে। নির্মাণ ব্যয়ে ভায়াডাক্টের উচ্চতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে জানিয়েছেন অবকাঠামো বিশেষজ্ঞরা।

আবার বাংলাদেশে ভায়াডাক্ট নির্মাণে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, এর চেয়ে কম অর্থ ব্যয় করে সমজাতীয় ভায়াডাক্ট নির্মিত হচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ভারতে। পদ্মা সেতুতে নির্মিত রেল ভায়াডাক্টে প্রতি কিলোমিটারে যেখানে ২৬৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, সেখানে ‘কাটনি গ্রেড সেপারেটর প্রজেক্ট’-এর মাধ্যমে নির্মাণাধীন ভারতের দীর্ঘতম রেল ভায়াডাক্টে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় হচ্ছে মাত্র ৫২ কোটি টাকা।

মূলত ভায়াডাক্টসহ বিভিন্ন অনুষঙ্গের কারণেই কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ ব্যয় বেশি পড়ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‌সেতুর দৈর্ঘ্য কম হলেও ভায়াডাক্ট, বাঁধসহ বিভিন্ন অনুষঙ্গের কারণে নির্মাণ ব্যয় বেশি হচ্ছে। ইডিসিএফ (প্রকল্পে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড) প্রাথমিকভাবে যে সমীক্ষা করেছে, তার আলোকেই নির্মাণ ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে। আর এটা কিন্তু চূড়ান্ত ব্যয় না। দরপত্র আহ্বানের পর চূড়ান্ত ব্যয় নির্ধারিত হবে।’

বুধবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলেও কালুরঘাটে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় এক দশকের বেশি সময় আগে। ২০১৪ সালে তৎকালীন সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, ব্রিটিশ আমলের সিঙ্গেল লেন রেল ও সড়ক সেতুটি ব্যবহার না করে সেখানে নতুন সেতু নির্মাণের। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে একটি ডিপিপি তৈরি করা হয়, যাতে নির্মাণ ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছিল ১ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা। তখন অবশ্য সেতুতে সিঙ্গেল লাইনের রেলপথের সংস্থান ছিল। পরবর্তী সময়ে কালুরঘাটে সেতু নির্মাণের জন্য ২০২৪ সালে যে ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়, তাতে নির্মাণ ব্যয় দাঁড়ায় ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকায়।